Selina Munni Islamic page

Selina Munni Islamic page Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Selina Munni Islamic page, Religious organisation, মান্দারীটোলা সী সড়ক, Chittagong.

প্রতিদিনের জীবনে ইসলামকে সহজভাবে তুলে ধরাই এই পেজের উদ্দেশ্য।
কুরআন, হাদিস ও দোয়ার আলোকে নসিহত শেয়ার করা হয়।
🤲 দোয়ার অনুরোধ রইল।

# Quran

02/05/2026

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রতিটি নেক কাজই সদকা। তোমার কোন দ্বীনি ভাইয়ের সাথে হাসিমুখে মিলিত হওয়া এবং তোমার পাত্র থেকে তোমার ভাইয়ের পাত্রে একটু পানি ঢেলে দেওয়া ও নেক কাজের অন্তর্ভুক্ত।

01/05/2026

পবিত্র কোরআন মাজিদে আল্লাহ তাআলা বলেন,
তোমাদেরকে যে বড় বড় গুনা করতে নিষেধ করা হয়েছে, তোমরা যদি তা পরিহার করে চলো।
তবে আমি নিজেই তোমাদের ছোট ছোট গুনাহ তোমাদের থেকে মিটিয়ে দেব এবং তোমাদেরকে এক মর্যাদা পূর্ণ স্থানে দাখিল করব।
সুবহানাল্লহ
সূরা আন নিসা আয়াত ৩১।

25/04/2026

আয়েশা (র:)থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সালাত আদায়ের অবস্থায় তোমাদের কারো যদি তন্দ্রা আসে, তবে সে যেন ঘুমের রেশ কেটে না যাওয়া পর্যন্ত ঘুমিয়ে নেয়।
কারণ তন্দ্রা অবস্থায় সালাত আদায় করলে সে জানতে পারবে না, সে হয়তো ক্ষমা চাইতে গিয়ে নিজেকে গালি দিচ্ছে।
(সহী বুখারী ২১২ )

24/04/2026

পবিত্র কোরআন মাজিদে আল্লাহ তাআলা বলেন,

যারা ঈমান আনে, সৎকর্ম করে, সালাত কায়েম করে ও যাকাত দেই তাদের জন্য তাদের প্রতিপালকের কাছে রয়েছে তাদের প্রতিদান। তাদের কোন ভয় থাকবে না এবং তারা কোন দুঃখ ও পাবে না।
(সূরা বাকারা আয়াত ২৭৭)

23/04/2026

জমিনের উপর যা কিছু আছে আমি সেগুলোকে তার শোভা - সৌন্দর্য করেছি যাতে আমি মানুষকে পরীক্ষা করতে পারি যে, আমলের ক্ষেত্রে কারা উত্তম।
আমি অবশ্যই তার ওপর যা আছে তা বৃক্ষলতা হীন শুকনো ধুলো মাটিতে পরিণত করব।
(সূরা আল কাহাফ আয়াত ৭,৮)

30/03/2026

📍পুরুষদের তুলনায় নারীদের মধ্যে গীবত করার প্রবণতা বেশি হয়ে হয়ে থাকে। 😥
✅ বাঁচার উপায়:
👉অপ্রয়োজনীয় কথা কম বলা
👉কারো দোষ শুনলে থামানো
👉নিজের ভুল নিয়ে ব্যস্ত থাকা
👉গীবত হয়ে গেলে → সাথে সাথে তওবা + যার গীবত করেছি তার জন্য দোয়া করা।🤲।


নারীরা ইবাদত বন্দেগি বেশি করে তবুও নারীরা বেশিরভাগই জাহান্নামী।
কারণ নারীরা তাসবিহ হাতেও গীবত করে।

selinamunni Islamic page

27/03/2026

🌙রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখার পর শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজা রাখল সে যেন পুরা বছর রোজা রাখল। 🌙🕌🌙

06/03/2026

💸 কোন কোন সম্পদের উপর যাকাত ফরয
যাকাত ফরয হওয়ার জন্য মূলত তিনটি প্রধান শর্ত পূরণ করতে হয়। এই শর্তগুলো পূরণ হলে, একজন মুসলিমকে অবশ্যই তার সম্পদের যাকাত আদায় করতে হবে।
প্রধান শর্তসমূহ:
ক. নিসাব পরিমাণ সম্পদ
নিসাব (نصاب) হলো শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত ন্যূনতম পরিমাণ সম্পদ, যা কোনো ব্যক্তির মালিকানায় থাকলে তার ওপর যাকাত ফরয হয়। নিসাব পরিমাণ সম্পদের দুটি মান রয়েছে:
স্বর্ণের নিসাব: ৭.৫ তোলা (প্রায় ৮৭.৪৮ গ্রাম) খাঁটি সোনা।
রূপার নিসাব: ৫২.৫ তোলা (প্রায় ৬১২.৩৬ গ্রাম) খাঁটি রূপা।
নগদ অর্থ, ব্যবসায়িক পণ্য বা অন্যান্য সম্পদ পরিমাপ করার জন্য সাধারণত রূপার নিসাব মানটিই বর্তমানে ভিত্তি হিসেবে গণ্য হয়, কারণ এর মূল্য কম হওয়ায় অধিক সংখ্যক দরিদ্র মানুষ উপকৃত হতে পারে। যখন কোনো ব্যক্তির নগদ অর্থ, ব্যাংক ব্যালেন্স বা অন্যান্য যাকাতযোগ্য সম্পদের মূল্য এই নিসাব মানের সমান বা তার বেশি হয়, তখনই যাকাত ফরয হওয়ার প্রথম শর্ত পূরণ হয়।
খ. হাওলানে হাওল
যাকাত ফরয হওয়ার জন্য দ্বিতীয় শর্ত হলো, নিসাব পরিমাণ সম্পদ পুরো এক চান্দ্র বছর (Lunar Year) ধরে ব্যক্তির মালিকানায় থাকা। অর্থাৎ, যেদিন তার সম্পদ নিসাব পরিমাণ হলো, ঠিক তার পরের বছর সেই দিন পর্যন্ত যদি ঐ পরিমাণ সম্পদ তার মালিকানায় থাকে, তবেই যাকাত দিতে হবে।
গ. ঋণমুক্ত হওয়া (Free from Debts)
সম্পদশালী ব্যক্তির যদি এমন কোনো ঋণ থাকে যা ঐ সম্পদের মূল্যকে নিসাব পরিমাণের নিচে নামিয়ে আনে, তবে তার ওপর যাকাত ফরয হবে না। অর্থাৎ, যাকাত দিতে হবে সেই পরিমাণ সম্পদের ওপর, যা ঋণ পরিশোধের পরেও নিসাব পরিমাণের সমান বা তার বেশি থাকে।

যাকাতযোগ্য সম্পদের প্রকারভেদ
উপরে উল্লিখিত শর্তগুলো পূরণ হলে, নিম্নলিখিত সম্পদের ওপর ২.৫% (শতকরা আড়াই ভাগ) হারে যাকাত ফরয হবে:

ক. নগদ অর্থ ও সঞ্চয় (Cash and Savings)
ব্যাংক ব্যালেন্স, হাতে থাকা নগদ টাকা, সঞ্চয়পত্র, ফিক্সড ডিপোজিট এবং বন্ডের মতো সহজে রূপান্তরযোগ্য সকল আর্থিক সঞ্চয়ের ওপর যাকাত ফরয।

খ. স্বর্ণ ও রূপা (Gold and Silver)
ব্যবহারের জন্য রাখা হোক বা সঞ্চয় হিসেবে, সোনা ও রূপা যদি নিসাব পরিমাণে পৌঁছায়, তবে তার ওপর যাকাত ফরয।

গ. ব্যবসায়িক পণ্য (Merchandise/Trading Goods)
ব্যবসায় বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা সকল প্রকার পণ্যের বর্তমান বাজারমূল্যের ওপর যাকাত ফরয। এই পণ্যগুলো হতে পারে কাপড়, খাদ্যদ্রব্য, ইলেকট্রনিক্স বা অন্য যেকোনো পণ্য। বছর শেষে এই পণ্যের পাইকারি বা খুচরা বিক্রয়মূল্য হিসাব করতে হয়।

ঘ. বিনিয়োগ (Investments)
বিক্রির উদ্দেশ্যে বা মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে করা শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড, এবং অন্যান্য বিনিয়োগের (যদি না তা ব্যবসার স্থায়ী সম্পদ হয়) বর্তমান বাজারমূল্যের ওপর যাকাত ফরয।

ঙ. কৃষি পণ্য (Agricultural Produce)
জমির উৎপাদিত ফসল বা ফলের ওপর যাকাত (উশর বা নিসফে উশর) ফরয। এর হার নির্ভর করে সেচ পদ্ধতি কী ছিল তার ওপর:
বৃষ্টি বা প্রাকৃতিক সেচের মাধ্যমে উৎপন্ন ফসলে ১০% (উশর)।
নিজ খরচে সেচের মাধ্যমে উৎপন্ন ফসলে ৫% (নিসফে উশর)।

চ. গবাদি পশু (Livestock)
নির্দিষ্ট সংখ্যক উট, গরু, ছাগল ও ভেড়ার ওপর যাকাত ফরয। তবে তা হতে হবে এমন পশু, যা চারণভূমিতে চরে বেড়ায় এবং ব্যবসার উদ্দেশ্য ছাড়া দুধ, মাংস বা বংশবৃদ্ধির জন্য পালন করা হয়।

🚫 যেসব সম্পদের ওপর যাকাত ফরয নয়:
নিম্নলিখিত সম্পদগুলো সাধারণত যাকাতমুক্ত থাকে:
ব্যক্তিগত ব্যবহার্য জিনিসপত্র: বাসস্থান, ব্যবহৃত যানবাহন, আসবাবপত্র, পোশাক, বাসনপত্র ইত্যাদি।
পেশাগত সরঞ্জাম: কারখানার মেশিন, অফিসের যন্ত্রপাতি, চিকিৎসকের সরঞ্জাম ইত্যাদি (এগুলো ব্যবসার স্থায়ী সম্পদ, পণ্যের আওতায় পড়ে না)।
ঋণের টাকা: যে ঋণ শোধ করা অসম্ভব বলে মনে হয় বা যে টাকা ফেরত পাওয়ার আশা কম।
যাকাতের সঠিক হিসাব ও পরিশোধের মাধ্যমে একজন মুসলিম তার সম্পদকে পরিশুদ্ধ করে এবং সমাজের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখে আধ্যাত্মিক প্রশান্তি লাভ করে।

06/03/2026

প্রতিটি মুসলিমের নিকট জুমু'আ তথা শুক্রবার একটি কাঙ্ক্ষিত দিন। হাদীসে এই দিনটিকে মুমিনের জন্য সাপ্তাহিক ঈদের দিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নবীজি ﷺ এই দিনটির বিশেষ কিছু ফজিলত বর্ণনা করেছেন এবং কিছু আমল পালনে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।

জুমু'আর দিনের ১২টি গুরুত্বপূর্ণ আমল
হাদীস শরীফের বিশাল ভাণ্ডার থেকে জুমু'আর দিনের বিশেষ কিছু আমল নিচে তুলে ধরা হলো:

উত্তমরূপে গোসল করা।

ফজরের ফরজ নামাজে সূরা সাজদা ও সূরা দাহর/ইনসান তিলাওয়াত করা।

উত্তম পোশাক পরিধান করা।

সুগন্ধি ব্যবহার করা।

আগেভাগে মসজিদে যাওয়া।

সূরা কাহফ তিলাওয়াত করা। (বৃহস্পতিবার সূর্যাস্ত থেকে শুক্রবার সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত যেকোনো সময়ে)

মসজিদে প্রবেশ করে কমপক্ষে দুই রাকাত দুখুলুল মসজিদ আদায় করা।

ইমামের কাছাকাছি গিয়ে বসা।

মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা এবং খুতবা চলাকালে কোনো কথা না বলা।

দুই খুতবার মাঝের সংক্ষিপ্ত সময়ে বেশি বেশি দু'আ করা।

আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত সময়ে দু'আয় মশগুল থাকা, কারণ এদিন দু'আ কবুল হয়।

রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর ওপর সারাদিন যথাসম্ভব বেশি দরূদ পাঠ করা।

বিশেষ ফজিলত: প্রতি কদমে এক বছরের সওয়াব
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমু'আর দিন ৫টি শর্ত মেনে জুমু'আর নামাজে অংশ নেয়, আল্লাহ তাআলা তার প্রতি কদমে এক বছরের নফল রোজা ও এক বছরের নফল সালাতের সওয়াব দান করেন! (সুবহানাল্লাহ)। শর্তগুলো হলো:

গোসল করা।

আগে আগে মসজিদে আসা।

পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়া।

ইমামের কাছাকাছি বসা।

অনর্থক কথা না বলে মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা।

[আবু দাউদ ৩৪৫]

সূরা কাহফ তিলাওয়াতের ফজিলত
যে ব্যক্তি জুমু'আর দিন সূরা কাহফ পাঠ করবে, তার পা থেকে আকাশের উচ্চতা পর্যন্ত একটি নূর (আলো) তৈরি হবে, যা কিয়ামতের দিন তাকে আলো দেবে এবং দুই জুমু'আর মধ্যবর্তী সময়ের সকল গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।

[আত তারগীব ওয়া তারহীব ১/২৯৮, মুসতাদারেক হাকিম ২/৩৯৯]

আগেভাগে মসজিদে যাওয়ার মর্যাদা
নবীজি ﷺ বলেছেন, জুমু'আর দিন ফেরেশতারা মসজিদের দরজায় দাঁড়িয়ে আগন্তুকদের নাম লিখতে থাকেন। যে সবার আগে আসে, সে একটি উট কুরবানি করার সওয়াব পায়। এরপর যে আসে সে গাভী, তারপর মুরগি এবং সবশেষে যে আসে সে একটি ডিম দান করার সওয়াব পায়। ইমাম খুতবা শুরু করলে ফেরেশতারা খাতা বন্ধ করে খুতবা শুনতে বসে যান।

[বুখারী ৯২৯]

সতর্কতা: যেসব কাজ জুমু'আর সওয়াব নষ্ট করে
খুতবা চলাকালে কোনো প্রকার কথা বলা বা অনর্থক কাজ করা নিষেধ। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, খুতবা চলাকালে পাশের কাউকে 'চুপ করো' বলাও একটি অনর্থক কাজ, যা জুমু'আর সওয়াবকে নষ্ট করে দেয়। এছাড়া মোবাইল ব্যবহার করা বা মানুষের ঘাড় ডিঙিয়ে সামনে যাওয়ার চেষ্টা করা থেকেও বিরত থাকতে হবে।

[বুখারী ৯৩৪, মুসলিম]

নারীদের জন্য জুমু'আর আমল
নারীরাও সূরা কাহফ তিলাওয়াত, দরূদ পাঠ এবং কবুলিয়তের সময়ে দু'আ করার মাধ্যমে জুমু'আর পূর্ণ সওয়াব হাসিল করতে পারেন। এছাড়া ঘরের পুরুষদের আগেভাগে মসজিদে যেতে উৎসাহ প্রদান এবং প্রস্তুতির কাজে সহযোগিতা করার মাধ্যমেও তারা সওয়াবের অংশীদার হতে পারেন ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে প্রতিটি জুমু'আর যথাযথ মর্যাদা রক্ষা ও আমল করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

05/03/2026

যাকাত না দেওয়ার শাস্তি
যাকাত প্রদান করা ঈমানদারের জন্য যেমন বরকত ও প্রশান্তির কারণ, তেমনি যাকাত না দেওয়া সম্পদশালী ব্যক্তির জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে (পরকালে) কঠিন শাস্তির কারণ। যে ব্যক্তি যাকাতের ফরযিয়তকে অস্বীকার করে, সে ইসলাম থেকে খারিজ (মুরতাদ) হয়ে যায়। আর যে ব্যক্তি কৃপণতা বা অবহেলার কারণে যাকাত দেয় না, তার জন্য রয়েছে মারাত্মক শাস্তি।
যাকাত না দেওয়ার শাস্তিকে দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়:

দুনিয়াতে শাস্তি
যাকাত না দেওয়ার কারণে আল্লাহ তাআলা দুনিয়াতেই সেই ব্যক্তির সম্পদ থেকে বরকত তুলে নেন এবং বিভিন্ন উপায়ে তাকে শাস্তি দেন।

আখিরাতে কঠিন শাস্তি
কিয়ামতের দিন যাকাত না দেওয়া ব্যক্তির জন্য যে কঠিন ও ভয়াবহ শাস্তির বর্ণনা এসেছে, তা খুবই লোমহর্ষক।

ক. সম্পদ হবে শাস্তির উপকরণ
যেই সম্পদ থেকে যাকাত দেওয়া হয়নি, কিয়ামতের দিন সেই সম্পদই শাস্তি দেওয়ার উপকরণে পরিণত হবে:
"আর যারা সোনা ও রূপা জমা করে রাখে এবং তা আল্লাহর পথে খরচ করে না, তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দাও। যেদিন জাহান্নামের আগুনে তা উত্তপ্ত করা হবে, অতঃপর তা দ্বারা তাদের কপালে, পার্শ্বদেশে ও পিঠে দাগ দেওয়া হবে (বলা হবে): এটাই তা, যা তোমরা নিজেদের জন্য জমা করে রেখেছিলে। সুতরাং তোমরা যা জমা করেছিলে, তার স্বাদ গ্রহণ করো।" (সূরা আত-তওবা, ৯:৩৪-৩৫)

খ. সাপে রূপান্তরিত হওয়া
নবী মুহাম্মাদ (সা.) বলেছেন, যাকাত না দেওয়া ব্যক্তির সেই সম্পদ একটি বিষধর সাপে রূপান্তরিত হবে, যার চোখ থাকবে এবং দুটি কালো ফোঁটা থাকবে (যা তার ভয়াবহতা প্রমাণ করে)। সেই সাপ তাকে কষে পেঁচিয়ে ধরবে এবং তার উভয় মাড়িতে দংশন করে বলবে, "আমি তোমার সম্পদ! আমি তোমার পুঞ্জীভূত ধন!" (সহীহ বুখারী, কিতাবুয যাকাত)।

গ. পশুর পদদলিত হওয়া
যিনি তার উট, গরু বা ছাগলের যাকাত দেননি, কিয়ামতের দিন সেই পশুগুলো অসংখ্য গুণ বৃদ্ধি পেয়ে তাঁকে পদদলিত করবে এবং তাদের শিং দ্বারা গুঁতোতে থাকবে। যতবারই এই শাস্তি শেষ হবে, ততবারই তা আবার শুরু হবে। এমন চলতে থাকবে সেই দিনের জন্য, যার পরিমাণ হবে পঞ্চাশ হাজার বছর।

05/03/2026

🌙 রোযা: আত্মশুদ্ধি ও সংযম (Fasting: Spiritual Purification and Self-Control)
রোযা বা সাওম (الصوم) হলো ইসলামের চতুর্থ স্তম্ভ এবং রমজান মাসে এটি পালন করা প্রতিটি সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমের জন্য ফরয (বাধ্যতামূলক)। রোযার আভিধানিক অর্থ হলো বিরত থাকা। ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায়, এটি হলো সুবহে সাদিক (ভোরের প্রথম আলো) থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার, যৌনতৃপ্তি এবং সকল প্রকার খারাপ কাজ থেকে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে বিরত থাকা।
রোযা মূলত দু'টি প্রধান উদ্দেশ্য সাধনের মাধ্যমে বান্দাকে চূড়ান্ত প্রশান্তি অর্জনে সাহায্য করে:
🧘 আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জন
রোযার প্রধান লক্ষ্য হলো তাকওয়া (আল্লাহভীতি) অর্জন করা, যা সকল ইবাদতের মূল উদ্দেশ্য।
আত্মিক পরিশুদ্ধি: রোযা ব্যক্তিকে দুনিয়াবি ভোগ-বিলাসিতা থেকে দূরে থাকতে শেখায়। শারীরিক কষ্ট সহ্য করার মাধ্যমে আত্মা পরিশোধিত হয় এবং মানুষের ভেতরের পশুত্ব দমন হয়। এ সময় মানুষ তার ক্ষুধা ও প্রবৃত্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করতে শেখে।
আল্লাহর নৈকট্য: রোযা হলো একটি ইবাদত, যা সরাসরি আল্লাহর জন্য নিবেদিত। হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ বলেন, "আদম সন্তানের প্রত্যেকটি কাজ তার নিজের জন্য, তবে রোযা ব্যতীত। তা শুধু আমারই জন্য, আর আমি নিজেই তার প্রতিদান দেব।" এটি বান্দা ও আল্লাহর মাঝে এক নিবিড় সম্পর্ক তৈরি করে।
ক্ষমা লাভ: রমজান মাস হলো ক্ষমা লাভের মাস। রোযাদার ব্যক্তি যদি ইবাদতের সাথে রোযা পালন করে, তবে তার পূর্বের সকল ছোট পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। এটি ব্যক্তিকে নতুন করে শুরু করার এবং আত্মিক শান্তি লাভের সুযোগ করে দেয়।

04/03/2026

যাকাত ভোগের খাতসমূহ (Recipients of Zakat)
যাকাত বন্টনের জন্য আল্লাহ তাআলা সুনির্দিষ্ট আটটি খাত নির্ধারণ করে দিয়েছেন (সূরা আত-তওবা, ৯:৬০):
ফকীর: যাদের সম্পদ নেই বললেই চলে।
মিসকীন: যাদের সম্পদ আছে তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
যাকাত আদায়কারী কর্মচারীগণ: যাকাত সংগ্রহ ও বিতরণের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা।
মন জয় করার জন্য: ইসলামে সদ্য প্রবেশকারী বা দুর্বলচিত্তের মানুষদের সহায়তা করতে।
দাস মুক্তি: দাস মুক্তির জন্য (বর্তমানে এই খাতটি অপ্রাসঙ্গিক)।
ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি: যারা ঋণ পরিশোধ করতে অক্ষম।
আল্লাহর পথে জিহাদকারী: (এই খাতের ব্যাখ্যা নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে)।
মুসাফির: পথিক, যার সফরের সময় অর্থের প্রয়োজন।
এই সুনির্দিষ্ট বন্টন পদ্ধতি নিশ্চিত করে যে যাকাতের অর্থ সমাজের সবচেয়ে বেশি সুবিধাবঞ্চিতদের কাছে পৌঁছাচ্ছে।

Address

মান্দারীটোলা সী সড়ক
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Selina Munni Islamic page posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share