13/07/2026
অতিরিক্ত বৃষ্টি ও বন্যা আমাদের জন্য একটি বড় পরীক্ষা।
এ সময় আতঙ্ক নয়, আল্লাহর দিকে ফিরে আসা, বেশি বেশি দোয়া করা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই একজন মুমিনের পরিচয়।
রাসূল ﷺ অতিবৃষ্টি হলে এ দোয়া করতেন:
اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلَا عَلَيْنَا، اللَّهُمَّ عَلَى الْآكَامِ وَالظِّرَابِ وَبُطُونِ الْأَوْدِيَةِ وَمَنَابِتِ الشَّجَرِ
অর্থ: "হে আল্লাহ! আমাদের ওপর নয়, আমাদের চারপাশে বর্ষণ করুন। হে আল্লাহ! টিলা, পাহাড়, উপত্যকা ও বৃক্ষরাজির ওপর বর্ষণ করুন।"
সহিহ বুখারি: ১০১৪, ১০১৫ | সহিহ মুসলিম: ৮৯৭
আর বৃষ্টি শুরু হলে তিনি বলতেন:
اللَّهُمَّ صَيِّبًا نَافِعًا
অর্থ: "হে আল্লাহ! এ বৃষ্টিকে উপকারী বৃষ্টি বানিয়ে দিন।"
সহিহ বুখারি: ১০৩২
বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের ঈমানের দাবি।
রাসূল ﷺ বলেছেন:
"যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের দুনিয়ার একটি কষ্ট দূর করবে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার একটি কষ্ট দূর করবেন।"
সহিহ মুসলিম: ২৬৯৯
আরও বলেছেন:
"আল্লাহ তাঁর বান্দার সাহায্যে থাকেন, যতক্ষণ বান্দা তার ভাইয়ের সাহায্যে থাকে।"
সহিহ মুসলিম: ২৬৯৯
আজ যারা বন্যায় ঘরবাড়ি, খাবার ও নিরাপদ আশ্রয় হারিয়েছেন, তাদের জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করি এবং যার যতটুকু সামর্থ্য আছে তা দিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিই।
হে আল্লাহ! আমাদের দেশকে সকল প্রকার বিপদ-আপদ থেকে হেফাজত করুন, বন্যাকবলিত মানুষের কষ্ট দূর করুন, তাদের রিজিক, নিরাপত্তা ও ধৈর্য দান করুন। আমীন।
আজ কেউ ঘর হারিয়েছে, কেউ ফসল, কেউ জীবনের সঞ্চয়। অনেক শিশু না খেয়ে আছে, অনেক মা অসহায় হয়ে সন্তানকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন।
এমন সময় একজন মুসলিমের পরিচয় ফেসবুকে শুধু "আল্লাহ ভরসা" লিখে থেমে যাওয়া নয়, বরং সাধ্য অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো।