14/08/2026
||শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দের পবিত্র ঝুলনযাত্রা ২০২৬||
আগামী ০৫শে ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৩ই আগস্ট ২০২৬ রবিবার শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দের পবিত্র ঝুলনযাত্রা শুভারম্ভ।
এবং,
আগামী ১০শে ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮ই আগস্ট ২০২৬ শুক্রবার শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দের ঝুলনযাত্রা সমাপ্তি ও শ্রীশ্রী বলরাম দেবের শুভ আবির্ভাব তিথি মহোৎসব এবং রাখীপূর্ণিমা।।
শ্রাবণ মাসের শুক্লা দ্বিতীয়া তিথি থেকে শুরু হয়ে শ্রাবণী পূর্ণিমা পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ধরে এই উৎসব অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দের সাথে পালিত হয়। এই বছরের ক্ষেত্রে ছয়দিন থাকছে পবিত্র ঝুলনযাত্রা মহোৎসব।
⚜️শ্রীশ্রী ঝুলনযাত্রা মাহাত্ম্য কথা⚜️ —
🏵️১. রাধা-কৃষ্ণের অলৌকিক প্রেমলীলা—
ঝুলনযাত্রার মূলভাব হলো ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং শ্রীমতী রাধারানী ও তাঁর সখীদের মধুর প্রেমলীলার উদযাপন।
* বর্ষার মনোরম পরিবেশে বৃন্দাবনের কদম্ব ও বকুল গাছের ডালে সুন্দরভাবে সাজানো দোলায় (ঝুলা) শ্রীশ্রী রাধা-মাধবকে বসিয়ে সখীরা ভক্তিভরে দোলা দেন।
* এটি কেবল একটি লৌকিক উৎসব নয়, বরং ভগবান ও তাঁর পরম ভক্তদের মধ্যে নিবিড় ও মধুর সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ।
🏵️২. ভক্তিরস ও আত্মনিবেদন—
ঝুলনযাত্রা বাহ্যিকভাবে ঝুলনায় দোলা দেওয়ার উৎসব মনে হলেও, আধ্যাত্মিক বিচারে এটি ভক্তিরসের পরম প্রকাশ।
* হৃদয়-ঝুলন: বলা হয়ে থাকে, কাঠের বা রূপোর দোলায় ভগবানকে বসানোর পাশাপাশি সাধক তাঁর নিজের হৃদয়-কমলে শ্রী রাধা-কৃষ্ণের বিগ্রহকে বসিয়ে ভক্তিরূপ সুতো দিয়ে দোল দেন। এটি ভক্তের অহংকার ত্যাগ করে ভগবানের চরণে সম্পূর্ণ আত্মনিবেদনের প্রতীক।
🏵️৩. প্রকৃতি ও ভগবানের সংযোগ—
শ্রাবণ মাসের মনোরম বর্ষায় চারিদিকে যখন নতুন সবুজ ও সজীবতা জেগে ওঠে, তখন প্রকৃতি নিজেই যেন ভগবানকে আনন্দের সাথে বরণ করে নেয়। ঝুলনযাত্রার মাধ্যমে প্রকৃতি, মানুষ এবং ঈশ্বরের মধ্যে এক সুন্দর মেলবন্ধন ঘটে।
সংক্ষেপে: ঝুলনযাত্রা হলো দিব্য প্রেম, ভক্তি ও প্রকৃতির আনন্দের এক পরম মহামিলন। এই উৎসবে অংশ নিলে চিত্ত শুদ্ধ হয় এবং রাধা-মাধবের কৃপা ও প্রীতি লাভ হয়।
* রাখীবন্ধন উৎসব: এই দিনেই ভাই-বোনের পবিত্র সম্পর্কের উৎসব রাখীবন্ধন পালিত হয়।
🪷শুভ ঝুলনযাত্রা মহোৎসব 🪷 রাধেরাধে হরেকৃষ্ণ 🙏
🛕 শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ জীউ ও শান্তনেশ্বরী মাতৃ মন্দির 🥰