Sree Sree Thakur Anukul chandra

Sree Sree  Thakur Anukul chandra " অন্যে বাঁচায় নিজে থাকে,
ধর্ম বলে জানিস তাকে।
(শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূল চন্দ্র )

জয়গুরু।    ゚viralfbreelsfypシ゚viral
12/02/2026

জয়গুরু।

゚viralfbreelsfypシ゚viral

07/02/2026

゚viralfbreelsfypシ゚viral

🙏🙏🙏প্রশ্ন— ইষ্টানুসরণের মধ্য দিয়ে নিজেদের ভাল হো’ক এটা চাইলেও অজ্ঞতার দরুন চলি আমরা এমনভাবে যাতে খারাপটাই এসে পড়ে! আমাদে...
06/02/2026

🙏🙏🙏প্রশ্ন— ইষ্টানুসরণের মধ্য দিয়ে নিজেদের ভাল হো’ক এটা চাইলেও অজ্ঞতার দরুন চলি আমরা এমনভাবে যাতে খারাপটাই এসে পড়ে! আমাদের এ অজ্ঞতা যাবে কিভাবে?
​শ্রীশ্রীঠাকুর— যত আমরা উৎসমুখী হব, ইষ্টনিষ্ঠ হব—সক্রিয় তৎপরতায়, ততই অজ্ঞতা বিদায় নেবে। তাঁর প্রতি ভক্তি, ভালবাসা যত বাড়বে, ততই তা’ ছড়িয়ে পড়বে যা’-কিছুর উপর। পোকাটাকেও মনে হবে পরমাত্মীয়। প্রতিটি সত্তার যাতে সুখ হয়, সন্তোষ হয়, সংবৃদ্ধি হয়, তার জন্য জান-প্রাণ ঢেলে করতে ইচ্ছে যাবে। এই যে ইষ্টানুগ আগ্রহ-বিধুর সেবাসন্দীপনী নন্দনমুখর চলনা—তা’ নিজের স্বার্থের মধ্যে সবার স্বার্থের এবং সবার স্বার্থের মধ্যে নিজের স্বার্থের সমাবেশ দেখতে পায়। এই দৃষ্টি হ’ল প্রেমের দৃষ্টি। আর, প্রেমের দৃষ্টি যেখানে, জ্ঞানের দৃষ্টিও সেখানে। .....তবে, এটা শুধু philosophically (দার্শনিকভাবে) ও intellectually (বুদ্ধিগতভাবে) বুঝলে হবে না। দৈনন্দিন চলনার ভিতর এই বুঝের পরিচয় দিতে হবে যথাসম্ভব। ইষ্টের প্রীত্যর্থে প্রত্যেকের অন্তর্নিহিত ইষ্টপুরুষকে সেবা-পূজায় পরিতৃপ্ত করবার আকুল ধল্লা নিয়ে চলতে হবে বাস্তবে। এতে ইষ্টানুরাগ ও লোকপ্রীতি দুই-ই ফন্-ফন্ ক’রে বেড়ে উঠবে। একটু কর সোনা! একটু কর। নিজেকে করার স্রোতে ফেলে দিলে দেখতে পাবে—ঐ পথ বেয়ে পরমপিতার দয়া বন্যার মত নেমে আসছে।
​আ.প্র. ৫/১.১.১৯৪৪
゚viralfbreelsfypシ゚viral

05/02/2026

゚viralfbreelsfypシ゚viral

প্রশ্ন— ইষ্টকে সত্তার সাথে গেঁথে না নিলে কি হয়? তার জন্য কি দরকার? #​শ্রীশ্রীঠাকুর— রামকৃষ্ণদেব বলেছেন—পাখী এমনি কেষ্ট-ক...
04/02/2026

প্রশ্ন— ইষ্টকে সত্তার সাথে গেঁথে না নিলে কি হয়? তার জন্য কি দরকার?
#​শ্রীশ্রীঠাকুর— রামকৃষ্ণদেব বলেছেন—পাখী এমনি কেষ্ট-কথা কয়, কিন্তু যেই বিড়ালে এসে ধরে, অমনি চ্যাঁ-চ্যাঁ করে। আমাদেরও ঐ দশা হবে যদি ইষ্টকে সত্তার সঙ্গে গেঁথে না নিই। এমন হওয়া চাই যে, ইষ্টের স্বার্থপ্রতিষ্ঠার জন্য আমার স্ত্রী, পুত্র, ধন, জন, বিষয়, সম্পত্তি, মান, প্রতিষ্ঠা, এমন কি নিজের প্রিয় প্রাণ পর্য্যন্ত হেলায় বিসর্জ্জন দিতে পারি। সঙ্কীর্ণ স্বার্থবুদ্ধির লেশমাত্র থাকলে হবে না। স্বার্থই হবে ইষ্ট। সিদ্ধপুরুষ বলতে বুঝি এমনতর। তাদের চোখে-মুখে এক নতুন জ্যোতি ফুটে ওঠে। সে চেহারা দেখলেই মানুষের রিপুদল স্তম্ভিত হ'য়ে ওঠে, নতজানু হ'য়ে প্রণতি জানায় তাকে। শয়তানকে কাবেজ করতে গেলে এমনতর চরিত্র চাই। সে হয় খাপখোলা তলোয়ারের মত, এমনি দয়ামায়ার অভাব নেই, আবার প্রয়োজন-মত মুহূর্ত্তে ভয়ালরূপ ধরতে পারে। এমনি সহজ-সরল, অথচ মহাচতুর।

'আলোচনা প্রসঙ্গে' (আ.প্র. ৪ খণ্ড) গ্রন্থের ৮.৯.১৯৪২ তারিখের আলোচনার অংশ।
゚viralfbreelsfypシ゚viral ゚

02/02/2026

🙏🙏🙏জয়গুরু। বন্দে পুরূষোত্তম। পরম দয়ালের রাতুল চরণে কোটি কোটি প্রণাম জানাই। ゚viralfbreelsfypシ゚viral #🙏🙏🙏🙏🙏

প্রশ্ন— ইষ্টানুসরণের নীতি মতো বহুদিন ধরে যজন, যাজন, ইষ্টভৃতি করে অথচ চরিত্রের কোন পরিবর্তন নেই—এমন হয় কেন?​শ্রীশ্রীঠাকুর...
01/02/2026

প্রশ্ন— ইষ্টানুসরণের নীতি মতো বহুদিন ধরে যজন, যাজন, ইষ্টভৃতি করে অথচ চরিত্রের কোন পরিবর্তন নেই—এমন হয় কেন?
​শ্রীশ্রীঠাকুর— ইষ্টেতে তার করার ফাঁকি আছে। আবার হয়তো তার বদঅভ্যাসগুলি এত প্রবল যে, সে চেষ্টা সত্ত্বেও সেগুলির সঙ্গে পেরে ওঠে না। তাছাড়া বাইরে কোন পরিবর্তন ধরা না পড়লেও, দোষ করালে তার ভিতরে হয়তো এমন একটা যন্ত্রণা হয়, যা আগে তার হতো না। তার মানে সে সচেতন হচ্ছে, এইটেই একটা শুভলক্ষণ। এতে বোঝা যায় যে, সে সংশোধনের পথে পা দিয়েছে। কত জন্মের সংস্কার থাকে, হঠাৎ কি যায়? তবে ইষ্টের নীতি বুকশপে ঠিক হলে কোন ফাঁক দিয়ে কি ঘটে যায় টের পাওয়া যায় না। আবার যজন, যাজন, ইষ্টভৃতি করতে-করতে মানুষের জন্মগত গুণগুলি খুব পুষ্ট হতে থাকে, ঐগুলি যত বিস্তার লাভ করে তার পরোক্ষ ফলস্বরূপ অবগুণগুলির কিছু কিছু নিরসন হতে থাকে। শেষ কথা, মানুষ তার দোষগুণ সববে যদি আপ্রকেন্দ্রিকতার বালাই না-রেখে বিধিমত ইষ্টের সেবায় বা ইষ্টস্বার্থপ্রতিষ্ঠায় লাগাতে পারে, তাহলেই তো মার দিয়া কেল্লা। ওকে তো কয় গুণাতীত অবস্থা বা মুক্তি। এটা সাচ্চা-ভক্তির মর্মকথা। তাই বাইরে থেকে মানুষকে কীই বা বুঝবে, কেই বা বিচার করবে? প্রবৃত্তি তাড়িত হয়ে সে যেমন ভুল করে, বাঁচার তাগিদে সে আবার তেমনি ভুল এড়াতেও চেষ্টা করে। তাই কারও সম্বন্ধে আগাম হতাশ হতে ইচ্ছা করে না। কারণ, জানি, সব অবস্থার মধ্যে অমৃতের পিপাসা মানুষের অন্তশায়ী হয়ে থেকেই। আশা যে চির চলনশীল—অমর। তাই মানুষের বিফলতাকে বড় করে না ধরে তার ভিতরের সম্ভাবনাকে ক্রমাগত উঁচিয়ে তুলতে হয়—উৎসাহ দিয়ে ও তারিফ করে।
​আ.প্র. ১৩/৬.৮.১৯৪৮

।। কার হাতের রান্না খেয়ে কোন্ রোগের মহাপ্রসাদ লাভ হয় কে জানে ।।​শ্রীশ্রীঠাকুর মন্মথদাকে জিজ্ঞাসা করলেন—রানীর ওখানে খাবি ...
01/02/2026

।। কার হাতের রান্না খেয়ে কোন্ রোগের মহাপ্রসাদ লাভ হয় কে জানে ।।
​শ্রীশ্রীঠাকুর মন্মথদাকে জিজ্ঞাসা করলেন—রানীর ওখানে খাবি তো?
মন্মথদা—না, তাঁর কষ্ট হবে। অন্য ব্যবস্থা করেছি। মালী ক’রে দেবে।
শ্রীশ্রীঠাকুর—যার তার হাতে খাওয়া ভাল না। শুনেছি, কুলদাচন্দ্র ব্রহ্মচারীর বইরে আছে—এক সাধু এক গৃহস্থের বাড়ীতে গিয়ে রাত্রে অন্নগ্রহণ করেছে। ভোর বেলায় সেই বাড়ী থেকে যাবার সময় গৃহস্থের ঘটি-টা চুরি ক’রে নিয়ে বেরিয়ে পড়েছে। কিছুদূর যেতে-যেতে তার বিবেক বুদ্ধি ফিরে আসল—হাজার হলেও সাধু তো! ভাবল—আমি সাধু, অথচ আমার একি বুদ্ধি হ’ল যে, যে আমাকে স্থান দিল, খেতে দিল তার ঘটিটাই চুরি ক’রে নিয়ে আসলাম! তখন সে গৃহস্থের বাড়ীতে গিয়ে তাকে অকপটে সব কথা খুলে বলল। তখন দেখা গেল যে সে গতরাত্রে চুরি করা চালের ভাত খেয়েছে। এ-ছাড়া, স্বাস্থ্যের দিকও আছে। অবশ্য এটাও একটা স্বাস্থ্যের দিক— তা’ হ’ল মানসিক স্বাস্থ্য। কার গণোরিয়া আছে। কার সিফিলিস আছে ঠিক কি। কার হাতের রান্না খেতে যেয়ে তার থেকে কোন রোগের মহাপ্রসাদ কুড়িয়ে আনতে হবে তার কি ঠিক আছে? পোড়াদহ ষ্টেশনে একবার দেখলাম, নিমগাছটার নীচে বাবুর্চি থুথু দিয়ে প্লেট পরিষ্কার করছে, আর সেই প্লেটে বাবুরা খুব খাচ্ছে। তাই কই, যা’ এখনি বারণ ক’রে দিয়ে আয়, ওখানে খেয়ে কাজ নেই।
মন্মথদা তখনই উঠে গেলেন।
কেষ্টদা হেসে বললেন—যা’ বললেন সে তো খুব মুশকিলের কথা। যা’ দেখেছি আস্তে-আস্তে সবাই চোর হ’য়ে যাবে। কালো বাজারের চাল না খেয়েছে, শহরবাজার অঞ্চলে এমন লোকই তো কম।
শ্রীশ্রীঠাকুরও হাসতে-হাসতে হাত ঘুরিয়ে বললেন—চোর হ’তে কি আর বাকী আছে? কামের তেইশ মারিছে।
আ.প্র.১২/৭.৭.১৯৪৮

প্রশ্ন—ইষ্টানুসরণে কেবল হওয়া বা কৈবল্য লাভ কখন হয় মানুষের?**শ্রীশ্রীঠাকুর—**যুগপুরুষোত্তমের দীক্ষায় দীক্ষিত হ'য়ে যজন, যা...
31/01/2026

প্রশ্ন—ইষ্টানুসরণে কেবল হওয়া বা কৈবল্য লাভ কখন হয় মানুষের?
**শ্রীশ্রীঠাকুর—**যুগপুরুষোত্তমের দীক্ষায় দীক্ষিত হ'য়ে যজন, যাজন, ইষ্টভৃতি ও সদাচার পালন ক'রে চলতে হবে। তাঁর সেবা ও তাঁর ইচ্ছা পূরণকে জীবনে মুখ্য ক'রে চলতে হবে। জীবনটা ঠাকুরের সেবার উপকরণ বা উপাদান এবং ঠাকুরের জন্য আমি এই বোধ প্রবল না হ'লে, আত্মকেন্দ্রিক ভাব বজায় রেখে তারই পুষ্টির জন্য যে যতই সাধন-ভজন করুক না কেন, তাতে অহংকার ও হীন কামনা-বাসনা কাবু হয় না। তখন তপোবল অবাঞ্ছিত স্বার্থপূজায় নিয়োজিত হ'য়ে অনর্থের সৃষ্টি করতে পারে। অবশ্য নামের এমন গুণ আছে যে ঠিকমতো করতে থাকলে নাম ও নামীতে বিশুদ্ধ অনুরাগ ধীরে-ধীরে গজিয়ে ওঠেই। তখন তিনি ও তৎপরিপোষণী যা', তা' ছাড়া আর সবকিছুকে অল্পবিস্তর বিস্বাদ লাগে। আর একটা কথা বিশেষভাবে মনে রাখা দরকার। সেটা হ'চ্ছে ইষ্টানুরাগের পরিপন্থী দোষ-দুর্ব্বলতা বা ঝোঁককে কখনও প্রশ্রয় দিতে নেই। তপস্যাও করছি আবার তার বিরুদ্ধ ফাঁকতিগুলিকে খাতির ক'রে পুষে রাখছি, এতে কিন্তু ঐ ফুটো দিয়ে আমাদের সাত্বত শক্তি খরচ হ'য়ে যেতে থাকে। ইষ্ট ও প্রেমী ভক্তদের সঙ্গ খুব করতে হয় আর তাঁর দায়িত্ব নিয়ে সক্রিয়ভাবে ব্যাপৃত থাকতে হয়। এইসব যা' বললাম এইগুলি একযোগে চালাতে থাকলে ইষ্টই আমাদের কাছে যথাসর্বস্ব হ'য়ে ওঠেন। একেই বলে কেবল হওয়া বা কৈবল্য লাভ।
আ. প্র. ১৪/১৭.৮.১৯৪৮
🙏🙏🙏

🥰শ্রীশ্রীঠাকুর— ....যখন কোন অপমান, কোন নির্যাতন, কোন কষ্ট তোমাদিগকে ধর্ম্ম, কৃষ্টি ও আদর্শের (ইষ্টের) সক্রিয় অনুবর্ত্তন ...
30/01/2026

🥰শ্রীশ্রীঠাকুর— ....যখন কোন অপমান, কোন নির্যাতন, কোন কষ্ট তোমাদিগকে ধর্ম্ম, কৃষ্টি ও আদর্শের (ইষ্টের) সক্রিয় অনুবর্ত্তন থেকে একচুলও বিচ্যুত করতে পারবে না, তখন তোমরা পথের ফকির হ’য়ে ঘুরলেও জানবে, তোমরা রাজাধিরাজ। তখনই তোমরা প্রকৃত উন্নত। প্রকৃতি তার অটল ঐশ্বর্য্য নিয়ে তোমাদিগকে শ্রীমণ্ডিত করতে অদূরেই অপেক্ষা করছে। এই হ’লো বিধির বিধান। এর কোনদিন ব্যত্যয় হয়নি, হয় না, হবে না। তবে ঐ প্রত্যাশায় ঘুরলে কিছু হবে না। সব মেকী হ’য়ে যাবে। আর-একটা কথা। সব সময় মনে করবে, আমি কোন্ অবস্থায় কেমনতর ব্যবহার পেলে খুশী হই। সেইটে ভেবে অন্যের অবস্থাটা অনুভব ক’রে যেখানে যেমনতর ব্যবহার জীবনীয় ও তৃপ্তিপ্রদ হয়, তাই করবে।
আ.প্র.৭/১৯.৩.১৯৪৬
#মায়েরভালবাসা #প্রাণেরঠাকুর

প্রশ্ন— ইষ্টের প্রয়োজন কি তা’লে, যদি নিজেরই চেষ্টায় নিজেকে উদ্ধার করতে হয়?​শ্রীশ্রীঠাকুর— ওরে পাগল! ইষ্ট না হ’লে তোর টান...
29/01/2026

প্রশ্ন— ইষ্টের প্রয়োজন কি তা’লে, যদি নিজেরই চেষ্টায় নিজেকে উদ্ধার করতে হয়?
​শ্রীশ্রীঠাকুর— ওরে পাগল! ইষ্ট না হ’লে তোর টানটা ফেলবি কার উপর? টান তো বিলিয়ে দিয়েছিস প্রবৃত্তির উপর। সব দিয়ে-থুয়ে দেউলে সেজে ব’সে আছিস। বাঁচাবাড়ার সম্বল বেহাতি হ’য়ে আছে। এখন তাকে হাতারি কী ক’রে? ঐ জন্যই ইষ্ট লাগে, যিনি কিনা প্রবৃত্তির অধীশ্বর হ’য়ে সত্যসম্বর্ধনায় স্বাধীষ্ঠিত আছেন। তাঁকে ভালবাসা ও পূরণ করা লাগে ভাল-মন্দ সব প্রবৃত্তি দিয়ে। তখনই ওগুলি কাবেজে এসে যায়। মূর্ত সত্যসম্বর্ধনাকে লক্ষ্য ক’রে আবর্তিত হ’তে-হ’তে ওগুলিও সত্যসম্বর্ধনী হয়ে পেখম তুলে দাঁড়ায়। নানা প্রবৃত্তির নানামুখী দ্বন্দ্ব লোপ পেয়ে গিয়ে জীবনে আসে অপার শান্তি। প্রবৃত্তির জুলুনি, পুড়ুনি, রাহাজানি ও দগাবাজির হাত থেকে যে মুক্তি পায়, সে যে কত আরাম পায়, তার কী লেখা জোখা আছে? তবে খুব সাবধানে থাকতে হয়। ইষ্টানিষ্ঠাকে অক্ষুণ্ণ রাখতে হয়। ওটা ক্ষুণ্ণ হ’লে প্রবৃত্তিগুলি আবার দৌরাত্ম্য শুরু ক’রে দেয়।
আ.প্র.৯/১২.৯.১৯৪৭

💔🥰​শ্রীশ্রীঠাকুর— মানুষ যত আঘাত দিক, তার চাইতেও বড় আঘাতের জন্য মনকে যদি প্রস্তুত রাখা যায়, তাহ’লে আঘাতটা লাগে কম। আর আঘা...
28/01/2026

💔🥰​শ্রীশ্রীঠাকুর— মানুষ যত আঘাত দিক, তার চাইতেও বড় আঘাতের জন্য মনকে যদি প্রস্তুত রাখা যায়, তাহ’লে আঘাতটা লাগে কম। আর আঘাতের জন্য প্রস্তুত থাকাই ভাল। কারণ, মানুষ কোন্ অবস্থায় প’ড়ে কি করে, তার কি কোন ঠিক আছে? কিন্তু যে যা-ই করুক, তাতে রেগে গিয়ে লাভ নেই। কেন না, মানুষ আর তার ego (অহং) কিংবা passion (প্রবৃত্তি) এক জিনিস নয়। গাঁজা খেলে গাঁজার গুণে গেঁজেলের মত ব্যবহার মানুষ করে, সেই ব্যবহারের উপর তার হাত কমই থাকে। আর এই হাত কম থাকাটাই দুৰ্ব্বলতা। ঐ ব্যবহারের উপর তাই গুরুত্ব দিতে নেই। মানুষ তেমনি প্রবৃত্তির ঘোরে মানসিক অসুস্থতার বশে যা’ করে, তা’ ধর্তব্যের মধ্যে নয়। We must look to the man and not to the obsession, obsession is not the man. (মানুষটার দিকে চাইতে হবে, তার প্রবৃত্তি-অভিভূতির দিকে নয়। প্রবৃত্তি-অভিভূতি মানুষটা নয়)।
​আ.প্র.৬/৪.১২.১৯৪৪💔

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sree Sree Thakur Anukul chandra posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share