Ruh-er-Arsh

Ruh-er-Arsh "Ruh-er-Arsh" — A spiritual journey towards light, wisdom, and peace. Discover Islamic reflections,reminders, and wisdom to nourish your soul.

Friday (জুমার দিন) আমল কী কী? জুমার দিন খুবই ফজিলতপূর্ণ। এই দিনে কিছু বিশেষ আমল করা সুন্নত ও উত্তম🌿 গুরুত্বপূর্ণ আমলসমূহ...
23/01/2026

Friday (জুমার দিন) আমল কী কী?
জুমার দিন খুবই ফজিলতপূর্ণ। এই দিনে কিছু বিশেষ আমল করা সুন্নত ও উত্তম

🌿 গুরুত্বপূর্ণ আমলসমূহ:
গোসল করা
জুমার নামাজের আগে গোসল করা সুন্নত।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সুগন্ধি ব্যবহার
পরিষ্কার কাপড় পরা, আতর ব্যবহার করা উত্তম।
জুমার নামাজ আদায় করা
খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা ফরজের অংশ।
সূরা কাহফ তিলাওয়াত 📖
🕛বৃহস্পতিবার মাগরিব থেকে শুক্রবার মাগরিব পর্যন্ত পড়া যায়।
✅১ বার সম্পূর্ণ বা অন্তত কিছু অংশ।
দরুদ শরীফ বেশি বেশি পড়া 🤍
বিশেষ করে এই দরুদটি—
Allahumma salli ‘ala Muhammad…
বেশি বেশি দোয়া করা 🤲
জুমার দিনে একটি বিশেষ কবুলের সময় আছে (আসর ও মাগরিবের মাঝখানে বলে অনেক আলেম মত দেন)।
নফল নামাজ ও ইবাদত
সম্ভব হলে নফল নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির।
তাওবা ও ইস্তেগফার
আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।

21/01/2026

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ অনেক সুন্দর ও অর্থবহ দোয়া পড়তেন শাবান মাসে। আমি কিছু বিশেষ ও বহুল পঠিত দোয়া সহজভাবে দিচ্ছি—

🌙 ১. সবচেয়ে বেশি পড়া দোয়া (কুরআনের দোয়া)
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
উচ্চারণ:
রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাহ, ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়া ক্বিনা আযাবান্নার।
অর্থ:“হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের দুনিয়ায় কল্যাণ দিন, আখিরাতেও কল্যাণ দিন এবং আমাদের জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করুন।”— (বুখারি, মুসলিম)

🌙 ২. গুনাহ মাফের দোয়া (Sayyidul Istighfar)
اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ…
সংক্ষেপে পরিচিত: সাইয়্যিদুল ইস্তেগফার
অর্থ:“হে আল্লাহ, আপনি আমার রব, আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই… আপনি আমাকে ক্ষমা করুন।”
👉 রাসূল ﷺ বলেছেন,
যে ব্যক্তি সকালে ও সন্ধ্যায় এটা পড়বে এবং মারা যাবে, সে জান্নাতি হবে।— (বুখারি)

🌙 ৩. হেদায়েত ও তাকওয়ার দোয়া
اللَّهُمَّ اهْدِنِي وَسَدِّدْنِي
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মাহদিনি ওয়া সাদ্দিদনি
অর্থ:“হে আল্লাহ, আমাকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন এবং আমাকে দৃঢ় রাখুন।”— (মুসলিম)

🌙 ৪. দুঃখ, চিন্তা ও কষ্ট দূর করার দোয়া
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ…
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাজান…
অর্থ:“হে আল্লাহ, আমি আপনার আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে…”— (বুখারি)

🌙 ৫. হৃদয় স্থির রাখার দোয়া (খুব প্রিয় দোয়া)
রাসূল ﷺ বেশি বেশি পড়তেন—
يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ
উচ্চারণ:
ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুব, সাব্বিত ক্বালবি আলা দ্বীনিক
অর্থ:“হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী, আমার হৃদয়কে আপনার দ্বীনের উপর স্থির রাখুন।”— (তিরমিজি)

✨ শেষ কথা :- নবীজি ﷺ ছোট ছোট কিন্তু গভীর অর্থপূর্ণ দোয়া বেশি পছন্দ করতেন।আপনি এগুলো প্রতিদিন পড়লে ইনশাআল্লাহ অনেক বরকত পাবেন 🤲

21/01/2026

ইসলামে শাবান মাসের ফজিলত (গুরুত্ব) খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। সংক্ষেপে ও সহজভাবে বলছি—

🌙 ১. রমজানের প্রস্তুতির মাস
শাবান হলো রমজানের আগের মাস। রাসূল ﷺ এই মাসে বেশি বেশি নফল রোজা রাখতেন যেন রমজানের জন্য মানসিক ও শারীরিক প্রস্তুতি হয়।
হাদিস:
হযরত আয়েশা (রা.) বলেন,
“আমি রাসূল ﷺ-কে শাবান মাসের মতো কোনো মাসে এত বেশি রোজা রাখতে দেখিনি।”
— (সহিহ বুখারি, মুসলিম)
🌙 ২. আমল আল্লাহর কাছে পেশ করার মাস
এই মাসে বান্দার আমল আল্লাহর কাছে পেশ করা হয়।
রাসূল ﷺ বলেন,
“এটি এমন একটি মাস, যে মাসে মানুষের আমলসমূহ আল্লাহর কাছে পেশ করা হয়। আমি চাই আমার আমল পেশ হোক রোজা অবস্থায়।”
— (তিরমিজি)
🌙 ৩. শবে বরাতের গুরুত্ব (১৫ শাবান রাত)
শাবান মাসের ১৫ তারিখের রাতকে শবে বরাত বলা হয়।
হাদিসে এসেছে—
এই রাতে আল্লাহ অসংখ্য বান্দাকে ক্ষমা করেন,
তবে কিছু লোক ক্ষমা পায় না, যেমন—
শিরককারী
হিংসাকারী
আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী
👉 তাই এই রাতে দোয়া, তওবা, ইস্তেগফার খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
🌙 ৪. বেশি বেশি ইবাদতের সুযোগ
এই মাসে যেসব আমল বেশি ফজিলতপূর্ণ—
✅ নফল রোজা রাখা
✅ বেশি বেশি নামাজ পড়া
✅ কুরআন তিলাওয়াত
✅ দোয়া ও ইস্তেগফার
✅ রমজানের প্রস্তুতি নেওয়া

✨ সংক্ষেপে যদি বলি শাবান মাসের ফজিলত,রাসূল ﷺ এই মাসে বেশি রোজা রাখতেন।এই মাসে আমল আল্লাহর কাছে পেশ হয়।শবে বরাতের বরকতময় রাত আছে।রমজানের প্রস্তুতির শ্রেষ্ঠ সময়।

22/09/2025

ইসলামের দাওয়াতদাতা বা *দাঈ* সম্পর্কে কুরআন ও হাদীসে বহু প্রশংসা ও গুরুত্ব বর্ণিত হয়েছে। এরা হলেন সেইসব মানুষ, যারা আল্লাহর পথে মানুষকে ডাকেন — ভালো কাজে আহ্বান করেন ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখেন।

কুরআনে দাঈ সম্পর্কে:

১~
"আর কে সে ব্যক্তির চেয়ে উত্তম, যে আল্লাহর পথে আহ্বান করে, সৎকাজ করে এবং বলে, আমি অবশ্যই মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত?"
(সূরা ফুসসিলাত, ৪১:৩৩)

২~
"তোমরা উত্তম জাতি, মানুষদের জন্য বের করা হয়েছে, তোমরা ভাল কাজের নির্দেশ দাও এবং মন্দ থেকে বিরত রাখো"
(সূরা আল ইমরান, ৩:১১০)

➡️হাদীসে দাঈ-এর গুরুত্ব:

নবী (সা.) বলেন:
"যদি আল্লাহ তোমার মাধ্যমে একজন মানুষকেও হেদায়াত দেন, তবে তা তোমার জন্য লাল উটের চেয়ে উত্তম।"
(বুখারী, মুসলিম)

➡️তোমরা জানো এমন কথা অন্যদের জানাও, আর যারা উপস্থিত নয় তাদের কাছে পৌঁছে দাও।"
(বুখারী)

✅ দাঈদের গুণাবলী:

- নিজে আমলকারী হওয়া
- ধৈর্যশীল ও নরম ব্যবহার
- জ্ঞান থাকা ও হিকমাত সহকারে কথা বলা
- অহংকার না থাকা
- মানুষের কল্যাণ চাওয়া

✅ সংক্ষেপে:
দাঈগণ হলেন নবীদের মিশনের উত্তরসূরি। তারা সমাজের আলো, অন্ধকারে পথ দেখানো বাতি। তাই আমাদের উচিত — নিজে শিখে, অন্যদেরও ইসলামের পথে দাওয়াত দেওয়া।

22/09/2025

একজন মুসলিম ইসলাম এর দাওয়াত দেওয়ার জন্য তখনই উপযুক্ত হন, যখন তাঁর মধ্যে কিছু মৌলিক গুণ ও প্রস্তুতি থাকে। নিচে উল্লেখ করা হলো:

✅ ১. নিজে ইসলামিক জ্ঞান অর্জন করা
- কুরআন ও সহীহ হাদীস সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা থাকা
- নিজের আমল ও চরিত্র ইসলামের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা

✅ ২. নিয়ত বিশুদ্ধ হওয়া
- দাওয়াত দেয়ার উদ্দেশ্য যেন হয় *আল্লাহর সন্তুষ্টি* অর্জন, অহংকার নয়।

✅ ৩. ধৈর্য ও সদ্ব্যবহার শেখা
- নরমভাবে কথা বলা (সূরা তাহা 20:44)
- বিতর্কে না জড়ানো, বরং হিকমাহ ও উত্তম উপদেশের মাধ্যমে দাওয়াত দেওয়া (সূরা নাহল 16:125)

✅ ৪. ভুল শোধরানোর ক্ষমতা রাখা
- কেউ ভুল বললে কিভাবে সুন্দরভাবে সংশোধন করতে হয়, সে দক্ষতা থাকা দরকার।

✅ ৫. নিজেকে সংশোধনে সচেষ্ট থাকা
- নিজে যদি প্রকাশ্যে গোনাহ করে, তবে দাওয়াত গ্রহণকারীর মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

🔸 সংক্ষিপ্তে:
যখন একজন মুসলিম নিজে শেখার চেষ্টা করে, আন্তরিকভাবে ইসলাম মানে এবং সুন্দরভাবে অন্যকে উপদেশ দিতে পারে — তখনই সে দাওয়াতের উপযুক্ত।

29/07/2025

জীবনকে কখনো খুব দীর্ঘ ভাববেন না। কারণ আমরা দিনরাত যে ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবি হয়তো সেই ভবিষ্যৎ আর আমার আপনার জীবনে কখনো আসবেও না।

জীবন হলো সংক্ষিপ্ত সফর।


-er-Arsh

জুমার দিনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমল, যেগুলো হাদিস দ্বারা প্রমাণিত ও ফজিলতপূর্ণ:🌿 জুমার দিনের আমলসমূহ:1. গোসল করা:   - রাসূ...
11/07/2025

জুমার দিনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমল, যেগুলো হাদিস দ্বারা প্রমাণিত ও ফজিলতপূর্ণ:

🌿 জুমার দিনের আমলসমূহ:

1. গোসল করা:
- রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:
“জুমার দিনে গোসল করা প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমের উপর ওয়াজিব।”
– (বুখারি: ৮৭৭)

2. পরিচ্ছন্ন ও ভালো পোশাক পরা, সুগন্ধি ব্যবহার করা
– (বুখারি ও মুসলিম)

3. জুমার খুৎবা মনোযোগ দিয়ে শোনা
- “যে ব্যক্তি খুৎবা চলাকালীন চুপ থাকে, তার জন্য পুরস্কার রয়েছে।”
– (বুখারি)

4. সুরা কাহফ তিলাওয়াত করা:
- “যে ব্যক্তি জুমার দিনে সূরা কাহফ পড়বে, তার জন্য দুই জুমার মাঝখানে নূর হবে।”
– (হাকেম)

5. দরূদ শরীফ বেশি পরিমাণে পড়া:
- “তোমরা জুমার দিনে আমার উপর বেশি করে দরূদ পাঠ করো।”
– (আবু দাউদ: ১৫৩১)

6. দোয়া করা (দুপুরের পর বিশেষ সময়):
- জুমার শেষ অংশে (আসর থেকে মাগরিবের মাঝে) দোয়া কবুলের সময় বলে হাদিসে উল্লেখ আছে।
– (মুসলিম)

10/07/2025

আবু হোরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত আছে, একদা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকলকে সম্বোধন করিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন বলতো; কাহারও ঘরের দরওয়াজা সংলগ্ন যদি একটা প্রবাহিত নদী থাকে এবং ঐ ব্যক্তি দৈনিক পাঁচবার ঐ নদীতে গোসল করে, তাহার শরীরে কি ময়লা থাকতে পারে? সকলে উত্তর করিল না, কোন প্রকার ময়লাই থাকতে পারে না। তখন হযরত (দঃ) ফরমাইলেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের অবস্থও তদ্রপই; উহার দ্বারা আল্লাহ্‌ তা'আলা গুনাহ্‌ মুছিয়া দেন।
বোখারী শরীফ - হাদিস নং- ৩২৪

১. গিবত (পরনিন্দা)কুরআন:وَلَا يَغْتَب بَّعْضُكُم بَعْضًا“তোমাদের কেউ যেন অপরের পশ্চাতে নিন্দা না করে।”– সূরা হুজুরাত: ১২...
09/07/2025

১. গিবত (পরনিন্দা)

কুরআন:
وَلَا يَغْتَب بَّعْضُكُم بَعْضًا
“তোমাদের কেউ যেন অপরের পশ্চাতে নিন্দা না করে।”
– সূরা হুজুরাত: ১২

হাদিস:
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,
"তুমি তোমার ভাইয়ের এমন দোষ বলছো, যা সে অপছন্দ করে। যদি তা সত্য হয়, তাহলে সেটাই গিবত; আর যদি মিথ্যা হয়, তাহলে তা হচ্ছে অপবাদ।"
– (মুসলিম: ২৫৮৯)

২. অহংকার

হাদিস:
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,
“যার অন্তরে অণু পরিমাণ অহংকার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।”
– (সহিহ মুসলিম: ৯১)

৩. সময় নষ্ট করা

হাদিস:
“দুইটি নিয়ামতের ব্যাপারে অধিকাংশ মানুষ প্রতারিত হয়—স্বাস্থ্য ও অবসর সময়।”
– (বুখারি: ৬৪১২)

৪. চোখের গুনাহ (হারাম দেখা)

কুরআন:
“মুমিন পুরুষদের বলো, তারা যেন নিজেদের দৃষ্টিকে সংযত রাখে।”
– সূরা নূর: ৩০

হাদিস:
“দৃষ্টিই হচ্ছে শয়তানের বিষাক্ত তীর।"
– (হাকেম: সহীহ)

৫. অন্যকে হেয় করা বা মজা করে কষ্ট দেওয়া

কুরআন:
“কোনো জাতি যেন অপর জাতিকে উপহাস না করে, হতে পারে তারা তাদের চেয়ে উত্তম।”
– সূরা হুজুরাত: ১১

হাদিস:
“মুসলমান সেই ব্যক্তি, যার মুখ ও হাত থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ থাকে।”
– (বুখারি: ১০)

29/06/2025

*"ব্যঙ্গ করে নাম ডাকা — ইসলাম কী বলে?"*

*📖 কুরআন:*
*“তোমরা পরস্পরকে অপবাদসূচক নামে ডেকো না।”*
﴿وَلَا تَنَابَزُوا بِٱلْأَلْقَـٰبِ﴾
– সূরা হুজুরাত: ১১

*"মজা করে ডাক, না ব্যঙ্গ করে?"*

❝ওই মোটা, গুল্লু, হাঁসুরে—❞
মজা করে বলি? না ব্যঙ্গ করে?

❌ব্যঙ্গ করে নাম ডাকা গুনাহ।
তুমি জানতেও পারো না,
কেউ হয়তো কাঁদে তোমার কথায়...

➡️ সম্মান দাও
➡️ ভালো নামে ডাকো
➡️ গুনাহ থেকে বাঁচা
➡️ কারও এমন নামে ডাকা, যা তাকে কষ্ট দেয় — এটি গুনাহ।

*🕋 হাদীস:*
*“মুসলমানের রক্ত, সম্পদ ও ইজ্জত অপর মুসলমানের উপর হারাম।”*
– সহীহ মুসলিম, হাদীস: ২৫৬৪

➡️ কারও সম্মান নষ্ট করাও গুনাহ, নাম নিয়ে ব্যঙ্গ করাও এর মধ্যে পড়ে।

*🔗 বার্তা:*
👉 কাউকে ছোট করে ডাকলে হয়তো সে চুপ থাকে…
কিন্তু আল্লাহ জানেন কার হৃদয় কতটা ভেঙেছে।

""আমরা বলি, এটা তো শুধু একটা চোখে তাকানো, শুধু একটা কথা, শুধু একটু গসিপ...  আবার করি, আবার ভুলে যাই।  কিন্তু আমরা জানি ন...
24/06/2025

""আমরা বলি, এটা তো শুধু একটা চোখে তাকানো, শুধু একটা কথা, শুধু একটু গসিপ...
আবার করি, আবার ভুলে যাই।
কিন্তু আমরা জানি না—আমাদের সেই 'ছোট' গুনাহটাই হয়তো ছিল আমাদের শেষ আমল।
আর মৃত্যুর ফেরেশতা অপেক্ষা করছিল ঠিক সেই মুহূর্তে।""

এমন হাজারো ছোট ছোট গুনাহ করছি, যা আমরা টের ও পাচ্ছি না।

সগীরা গুনাহ (ছোট গুনাহ)* সম্পর্কে কিছু সহিহ হাদীস উল্লেখ করছি:

*১. ছোট গুনাহকে তুচ্ছ ভাবা যাবে না*
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন:
*"সতর্ক থাকো এসব ছোট ছোট গুনাহ থেকে, কারণ এই গুনাহগুলো যখন একত্র হয়, তখন ধ্বংস করে ফেলে।"*
— (মুসনাদে আহমাদ, হাদীস: 22820)

*২. বারবার ছোট গুনাহ করাও ভয়ংকর*
*"যে ব্যক্তি বারবার ছোট গুনাহ করতে থাকে, সেগুলো বড় গুনাহে পরিণত হয়।"*
— (দারেমী)

*৩. ছোট গুনাহ থেকেও তওবা করা জরুরি*
*"তোমরা সব গুনাহ থেকে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও, ছোট হোক বা বড়।"*
— (তিরমিযী)

*৪. ওয়াহশী সাহাবীর হাদীস:*
*"মুমিন ব্যক্তি তার গুনাহকে এমন দেখে যেন সে পাহাড়ের নিচে বসে আছে, যেটা তার ওপর পড়ে যাবে। আর পাপী ব্যক্তি তার গুনাহকে দেখে মাছির মতো, যা সে হাত দিয়ে উড়িয়ে দেয়।"*
— (বুখারী)

সুতরাং, গুনাহ যত ছোটই হোক—তওবা করো, ফিরে আসো।
তুমি জানো না, কোনটা হবে শেষ।**

24/06/2025

আবূ জুহাইফা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

لاَ آكُلُ مُتَّكِئًا.

আমি হেলান দিয়ে আহার করি না।

সহীহ বুখারী, হাদীস ৫৩৯৮ (ফুআদ আবদুল বাকী তাহকীককৃত), ৫০০৬(ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ)

খানা পিনার সময় হেলান না দেওয়া সুন্নত। স্বাভাবিকভাবে বসে খেতে পারে এমন সুস্থ ব্যক্তির জন্য হেলান দিয়ে বা কিছুতে ঠেস দিয়ে পানাহার করা অনুত্তম। অন্য একটি হাদীসে আবদুল্লাহ ইবনে আমর রা. তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে স্বাভাবিক অবস্থায় কখনো হেলান দিয়ে আহার করতে দেখা যায়নি। (সুনানে আবু দাউদ ৪/২৮৭)অন্য এক হাদীসে এসেছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি আল্লাহ তাআলার গোলাম। আমি সেভাবেই আহার করি যেভাবে একজন গোলাম আহার করে এবং আহারের জন্য সেভাবেই বসি যেভাবে একজন গোলাম বসে। (কিতাবুয যুহদ পৃ. ১১)অবশ্য অসুস্থতা বা দুর্বলতার কারণে হেলান দিয়ে পানাহার করার অবকাশ রয়েছে। কেননা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ক্ষুধার্ত অবস্থায় দুর্বলতার কারণে হেলান দিয়ে আহার করেছেন এ কথা হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। আনাস রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে খেজুর পেশ করা হল তখন আমি তাকে ক্ষুধায় দুর্বল হওয়ার কারণে হেলান দিয়ে আহার করতে দেখেছি।

Address

Chittagong
4200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruh-er-Arsh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share