18/08/2026
আল্লাহর কাছে রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নাম: হযরত এরবায ইবনে সারিয়াহ (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে, রসূলে করীম (সাঃ) বলেনঃ আল্লাহর কাছে আমার নাম তখন থেকে "খাতামুন্নাবিয়ীন" লিখিত ছিল, যখন আদম (আঃ) রুহবিহীন মৃত্তিকা নির্মিত দেহে অবস্থান করছিলেন। আমি তোমাদেরকে আমার সূচনালগ্নের কথা বলছি; আমি হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর এই দোয়ার প্রতীক-
ربنا وابعث فيهم رسولا منهم يتلوا عليهم اياتك -
: পরওয়ারদেগার। তাদের মধ্যে একজন মহান রসূল প্রেরণ করুন, যিনি তাদের কাছে আপনার আয়াতসমূহ পাঠ করবেন।" এরপর হযরত ঈসা (আঃ) আমার সম্পর্কে এই বলে সুসংবাদ দেন-
یا بنی اسرائيل انى رسول الله اليكم مصدق لما بين يدى من التوراة
و مبشرا برسول ياتي من بعدی اسمه احمد -
: হে বনী ইসরাঈল! আমি তোমাদের প্রতি প্রেরিত আল্লাহর রসূল। আমি আমার সম্মুখস্থ কিতাব তওরাতের সত্যায়নকারী এবং আমি একজন রসূলের সুসংবাদদাতা, যিনি আমার পরে আগমন করবেন। তাঁর নাম হবে আহমদ।" এরপর আমার শ্রদ্ধেয়া জননীর স্বপ্নও আমার আগমনের সংবাদ দেয়, যাতে তিনি দেখেন যে তাঁর মধ্য থেকে একটি নূর চমকে উঠল, যার কারণে তাঁর দৃষ্টির সামনে শাম মুলুকের সকল রাজপ্রাসাদ আলোকোদ্ভাসিত হয়ে উঠল।
তওরাতের সাক্ষ্য: তওরাতের পঞ্চম সফর দ্বিতীয় খণ্ডে লিখিত আছে সত্তর জন ইহুদী আলেম কয়েকটি বাক্যের বিষয়বস্তু সম্পর্কে ঐকমত্য ব্যক্ত করেছেন।
বাক্যগুলোর তরজমা নিম্নরূপ:
অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা হযরত মূসা (আঃ) কে সম্বোধন করে বলেন, নিশ্চয়ই আমি বনী ইসরাঈলের জন্যে তাদের ভাইদের মধ্য থেকেই একজন নবী প্রতিষ্ঠিত করব, যে তোমার অনুরূপ হবে। অতঃপর আমার কালাম তার মুখে জারি করব। সে তাদেরকে তাই বলবে, যা আমি আদেশ করব। সে আমার নামে যে সকল কথা বলবে, সেগুলো যে অমান্য করবে, আমি তাকে অবশ্যই শান্তি দিব।"
এ সকল বাক্য থেকে তওরাতের সাক্ষ্য এভাবে বুঝা যায় যে এই উক্তি থেকে প্রতিশ্রুত পয়গম্বরের দুটি বিশেষগুণ বুঝা যায়। এগুলো কেবল আমাদের পয়গম্বর মোহাম্মদ (সাঃ)-এর মধ্যেই পাওয়া যায়, অন্য কারও মধ্যে নয়। প্রথম গুণ এই যে প্রতিশ্রুত পয়গম্বর ইয়াকূব (আঃ)-এর সন্তান বনী ইসরাঈলের মধ্য থেকে হবেন না। কেননা, "তাদের ভাইদের মধ্য থেকে" বলা হয়েছে এবং "তাদের" অর্থ হচ্ছে বনী ইসরাঈল। সুতরাং "তাদের ভাই"-এর অর্থ হবে তাদের চাচাত ভাই অর্থাৎ, হযরত ইসমাঈল (আঃ)-এর সন্তান। বলাবাহুল্য, ইসমাঈল (আঃ)-এর সন্তানদের মধ্যে আমাদের পয়গম্বর মোহাম্মদ মুস্তফা (সাঃ) ছাড়া কারও মধ্যে নবুয়তের চিহ্ন ও আলামত প্রকাশ পায়নি।
দ্বিতীয় গুণ এই যে প্রতিশ্রুত পয়গম্বর হযরত মূসা (আঃ)-এর অনুরূপ দৃঢ়চেতা, শৌর্য-বীর্যশালী এবং শরীয়তধারী হবেন। এ থেকেও একথা পরিস্ফুট যে মূসা (আঃ)-এর পরে মোহাম্মদ রসূলুল্লাহ (সাঃ) ছাড়া কোন শৌর্য-বীর্যশালী ও শরীয়তধারী পয়গম্বর প্রেরিত হননি। যদি খৃস্টানরা দাবি করে যে প্রতিশ্রুত পয়গম্বর হচ্ছেন হযরত ঈসা (আঃ), তবে এর জওয়াব এই যে "তাদের ভাই" শব্দ এ দাবির বিপক্ষে। কেননা, হযরত ঈসা (আঃ) বনী ইসরাঈলেরই একজন ছিলেন। এছাড়া হযরত ঈসা (আঃ) শরীয়তধারী পয়গম্বর নন। কেননা, ইঞ্জীলে স্বয়ং তাঁর এই উক্তি বর্ণিত আছেঃ আমি মূসা (আঃ)-এর শরীয়তে পরিবর্তন সাধন করতে আগমন করিনি; বরং তাকে পূর্ণতা দান করতে আগমন করেছি।
ফারান: তওরাতের উপসংহার অধ্যায়ে একটি আয়াত লিখিত আছে, যার আরবী তরজমা এই:
جاء الله من سينا وأشرف على ساعير واستعين على جبا فاران .
এখানে সিনা অর্থ মূসা (আঃ)-এর তুরে-সিনা। "সায়ীর" প্রাচীন শামদেশের পবর্তমালার একটি স্থান, যেখানে ঈসা (আঃ) অবস্থান করতেন। ফারান অর্থ মক্কার পাহাড়, যেখানে মহানবী (সাঃ)-এর নূর উদিত হয়।
ফারান পর্বতের বক্তা: তওরাত হযরত হাবকূক (আঃ)-এর এই বর্ণনার সত্যায়ন করেছে যে পরওয়ারদেগার ফারানের পর্বতমালা থেকে বর্ণনাশক্তি নিয়ে আগমন করলেন, তখন আহমদ নামের তসবীহে আকাশ মুখরিত হয়ে গেল। তাঁর উম্মতের ক্ষমতা জলে ও স্থলে উভয় জায়গায় সমান হবে। তিনি একটি নতুন গ্রন্থ নিয়ে আগমন করবেন, যার পরিচিতি হবে বায়তুল-মুকাদ্দাসের উৎসবের পর।
তওরাতে মহানবীর উল্লেখ: হযরত শোয়ায়ব (আঃ)-এর কালামে আছেঃ আমি দুজন আরোহীকে দেখলাম, যাঁদের নূরে পৃথিবী উজ্জ্বল হয়ে গেল। তাঁদের একজন ছিল খচ্চর আরোহী এবং অপরজন উষ্ট্রারোহী। খচ্চর আরোহী ছিলেন হযরত ঈসা (আঃ) এবং উষ্ট্রারোহী আমাদের মহানবী (সাঃ)। তিনি আরও বলেনঃ হে আমার সম্প্রদায়। আমি একটি নূরানী মুখমণ্ডল উটের উপর সওয়ার দেখেছি। তিনি আলো বিকিরণে চন্দ্রের অনুরূপ ছিলেন। বনী ইসরাঈলের নামে প্রদত্ত হযরত মূসা (আঃ)-এর উপদেশাবলীর মধ্যে আছেঃ শীঘ্রই তোমাদের ভাইদের মধ্য থেকে একজন নবী আসবেন। তোমরা সকলেই তাঁকে সত্য বলে বিশ্বাস করবে এবং তাঁর কথা শুনবে।
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, আমাদের নবী (সাঃ)-এর নাম তওরাতে এভাবে বিদ্যমান ছিল-
احمد الضحوك القتال يركب البعير ويلبس الشملة يحتوى
بالكسرا سيفه على عاتقه
ضحوك শব্দের অর্থ এই যে তিনি সর্বদা হাস্যরত দৃষ্টিগোচর হবেন, ভদ্র হবেন এবং যে কেউ তাঁর সামনে আসবে, তাতে তাঁর মন সংকুচিত হবে না। কখনও হাসতে হাসতে তাঁর শেষ দাঁতগুলো প্রকাশ পেয়ে যাবে। হুযুর (সাঃ) এরশাদ করেনঃ কৌতুক আমিও করি; কিন্তু কেবল সত্য কথাই বলি। একদিন তিনি এক বৃদ্ধাকে বললেনঃ বৃদ্ধা নারীরা জান্নাতে যাবে না। একথা শুনে বৃদ্ধা কাঁদতে লাগল। হুযুর (সাঃ) বললেনঃ বৃদ্ধারা তখন পর্যন্ত জান্নাত যবে না, একথার অর্থ হচ্ছে, জান্নাতে যাওয়ার সময় কেউ বৃদ্ধা থাকবে না, কুমারী বালিকা হয়ে যাবে। এটা যেন আল্লাহ তাআলার এই উক্তির প্রতি ইঙ্গিত -
فيما رحمة الله لنت لهم ولو كنت فظا غليظا القلب لا تفظوا من حولك .
: আল্লাহর রহমতেই আপনি তাদের জন্যে নম্র হয়েছেন। যদি রূঢ়ভাষী ও কঠোর মনা হতেন, তবে তারা আপনার কাছেও ঘেঁষত না।
قتال -এর অর্থ এই যে হুযুর (সাঃ) খোদাদ্রোহীদের বিরুদ্ধে জেহাদে উৎসাহী
হবেন।
سیفه على عاتقه
-এর অর্থ এই যে তিনি স্বকীয় বীরত্ব ও শৌর্যবীর্যের কারণে সর্বদা সাথে তরবারি বহন করবেন এবং নফসের বিরুদ্ধেও জেহাদ উৎসাহিত করবেন। হযরত আলী (রাঃ) বলেন: যখন তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়ে যেত, তখন আল্লাহর রসূল (সাঃ) শত্রুপক্ষের খুবই কাছে থাকতেন।
যবুরের সাক্ষ্য: যবুর কিতাবে হযরত দাউদ (আঃ) থেকে বর্ণিত আছে-
الهم ابعث مقيم السنة بعد الخترة .
: হে আল্লাহ, শরীয়তবিহীন সময়ের পরে কোন সুন্নাহ প্রতিষ্ঠাকারীকে প্রেরণ করুন। দাউদ (আঃ)-এর পর তওরাতের সুন্নাহ ও শরীয়ত প্রতিষ্ঠাকারী কোন পয়গম্বর আমাদের নবী করীম (সাঃ) ছাড়া কেউ হননি। কেননা, ঈসা (আঃ) তওরাতের সুন্নতের অনুগামী ছিলেন, শরীয়তবিহীন যমানার পর একে পূর্ণতাদানকারী ও প্রতিষ্ঠাকারী ছিলেন না।
ইঞ্জীলের সাক্ষ্য : ইঞ্জীলে হযরত ঈসা (আঃ) এরশাদ করেন, আমি অচিরেই তোমাদের পরওয়ারদেগারের দিকে চলে যাব এবং "ফার্কেলীত" আগমন করবেন। তিনি আমার সম্পর্কে সত্য সাক্ষ্য দিবেন, যেমন আমি তাঁর সম্পর্কে সত্য সাক্ষ্য দিয়েছি। ফার্কেলীত প্রত্যেক বিষয় বিস্তারিত বর্ণনা করবেন। এখানে উদ্দেশ্য আমাদের পয়গম্বর (সাঃ)। ফার্কেলীত শব্দটি আহমদ শব্দের প্রায় সমার্থক। ইউহজ্জান্নার ইঞ্জীল অনুযায়ী এর অর্থ মানুষের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। হযরত ঈসা (আঃ)-এর মাধ্যমে অত্যন্ত বিশুদ্ধরূপে জানা গেছে যে তিনি মোহাম্মদে-আরবী (সাঃ)-এর দ্বীন সম্পর্কে সুসংবাদ দিয়েছেন এবং মোহাম্মদ (সাঃ) সম্পর্কে সংবাদ দিয়েছেন যে তিনি তার পরে আসবেন। হাওয়ারীরা যখন এই সুসংবাদ অবগত হয়, তখন তারা তা বিশ্বাস করে নেয়।
প্রাচীন গ্রন্থসমূহে মহানবী (সাঃ)-এর উল্লেখ: হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রাঃ) বলেন: হুযুর (সাঃ)-এর আলোচনা প্রাচীন গ্রন্থসমূহে নিম্নোক্ত ভাষায় করা হয়েছেঃ তিনি আল্লাহর বান্দা, তাওয়াক্কুলকারী এবং মনোনীত। তিনি কঠোর স্বভাব ও কঠোর মনের অধিকারী নন। তিনি বাজারে চলাফেরা করবেন না এবং মন্দের জওয়াবে মন্দ ব্যবহার করবেন না; বরং ক্ষমা ও মার্জনা করবেন। তিনি জীবনপথের সমস্ত কুপ্রথা ও অসমতা খতম করবেন এবং সাক্ষ্য দিবেন যে আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই।
হযরত আতা ইবনে ইয়াসার (রাঃ) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমরকে (রাঃ) জিজ্ঞাসা করলেন, তওরাতে রসূলে করীম (সাঃ)-এর কি কি গুণাবলী আছে? তিনি এ প্রশ্নের জবাবে: কোরআন পাকের এই আয়াত তেলাওয়াত করলেন:
يا ايها النبي انا ارسلناك شاهدا ومبشرا ونذيرا
হে নবী, আমি আপনাকে প্রত্যক্ষকারী, সুসংবাদদাতা, খোদায়ী শাস্তির ব্যাপারে সতর্ককারী এবং উম্মতসমূহের আশ্রয়স্থল করে প্রেরণ করেছি। আপনি ছাড়া এমন কোন বান্দা ও রসূল নেই, যাঁর নাম আমি মুতাওয়াক্কিল (তাওয়াক্কুলকারী) রেখেছি। আপনিই এমন সত্তা, যে কঠোর স্বভাব ও কঠোরপ্রাণ নয়, যে বাজারে বাজারে অযথা ঘুরাফেরা করে না এবং মন্দের জওয়াবে মন্দ করে না। বরং ক্ষমা ও মার্জনা করে। আমি আপনাকে ইবরাহিমী মিল্লাতের উপর প্রতিষ্ঠিত করেছি, যাতে মানুষ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু বলে। আপনার বরকতে আমি বধিরদের কান খুলে দিয়েছি, অন্ধকে চক্ষু দান করেছি এবং অন্তরের উপর থেকে কুফরীর যবনিকা সরিয়ে দিয়েছি।
মহানবী (সাঃ)-এর চিত্র ইহুদী আলেমগণের কাছে: হযরত জুবায়র ইবনে
মুতয়িম (রাঃ) বলেন: যখন আমাদের রসূল (সাঃ) প্রেরিত হলেন, তখন তাঁর উপর কোরায়শদের অত্যাচার আমার মোটেই ভাল লাগেনি। তাই আমি সিরিয়ার দিকে চলে। যেতে মনস্থ করলাম। যখন আমি ইহুদী একটি উপাসনালয়ে পৌছলাম, তখন সেখানকার সন্ন্যাসীরা তাদের সরদারকে আমার আগমনের সংবাদ দিল। সরদার তাদেরকে তিনদিন পর্যন্ত আমাকে আপ্যায়ন করার আদেশ দিল। তিনদিন পর সরদার আমাকে ডেকে বলল: তুমি কি হেরেমের অধিবাসী? আমি বললামঃ হ্যাঁ। সে বললঃ যে ব্যক্তি নবুয়ত দাবি করেছেন, তাকে চিন? আমি বললাম: হ্যাঁ। অতঃপর সে আমার হাত ধরল এবং আমাকে উপসানালয়ের অভ্যন্তরে নিয়ে গেল। উপাসনালয়ের ভিতরে অনেক চিত্র রাখা ছিল। সে বলল: দেখ তো এসব চিত্রের মধ্যে সেই নবীর চিত্র তোমার নযরে পড়ে কিনা? আমি অনেক ঘুরেফিরে দেখলাম। কিন্তু আমাদের নবী (সাঃ)-এর চিত্র কোথাও দৃষ্টিগোচর হল না। এরপর সে আমাকে একটি বড় উপাসনালয়ে নিয়ে গেল। সেখানে আরও বেশী চিত্র রক্ষিত ছিল। সে বলল: খুব ভাল করে দেখ, এখানে তাঁর চিত্র আছে কিনা? যখন আমি গভীর দৃষ্টিপাত করে দেখলাম, তখন হুযুর (সাঃ)-এর একটি প্রতিকৃতি দেখতে পেলাম। এর সাথে হযরত আবু বকর (রাঃ)- এর প্রতিকৃতিও দেখলাম, যিনি হুযুর (সাঃ)-এর কাঁধ ধরে রেখেছিলেন। সরদার আমাকে জিজ্ঞাসা করল : তুমি কি হযরত আবু বকরের প্রতিকৃতি দেখেছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। এরপর আমি মনে মনে বললামঃ আমি প্রতিকৃতি শনাক্ত করব না; বরং জানতে চাইব সে কি বলে। সরদার হুযুর (সাঃ)-এর প্রতিকৃতির দিকে ইশারা করে বলল: এটি নবীর প্রতিকৃতি। আমি বললামঃ হ্যাঁ, আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে ইনিই তিনি। সে-ও বললঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে ইনি তোমাদের পয়গম্বর। তাঁর পরে রয়েছে তাঁর খলিফার প্রতিকৃতি। অতঃপর সে হযরত আবু বকরের প্রতিকৃতির দিকে ইশারা করল। আমি বললামঃ এ প্রতিকৃতির অনুরূপ কোন কিছু আমি কখনও দেখিনি। সরদার বলল: তুমি কি আশংকা কর যে শত্রুরা তাকে মেরে ফেলবে? আমি বললামঃ আমার তো ধারণা এই যে এ পর্যন্ত মক্কাবাসীরা তাঁকে হত্যা কাজটি সমাপ্ত করে ফেলেছে। সরদার আল্লাহর কসম খেয়ে বলল: মক্কাবাসীরা তাঁকে নয়; বরং তিনি মক্কাবাসীদেরকে পরাভূত করবেন, যারা তাঁকে হত্যা করার ইচ্ছা করবে। রব্বুল-ইযযত সর্বাবস্থায় তাঁকে বিজয়ী করবেন।
উৎস: শাওয়াহেদুন নবুওত
মূল লিখক: আল্লামা আবদুর রহমান জামী নক্বশেবন্দী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
অনুবাদক: মাওলানা মুহিউদ্দীন খান