জাগো সনাতন সংগঠন

জাগো সনাতন সংগঠন ধর্মীয় | অরাজনৈতিক | সামাজিক | শাস্ত্রীয় সংগঠন
সনাতন ধর্ম, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধ রক্ষায় সচেতনতা, শিক্ষা ও সামাজিক কার্যক্রমে নিবেদিত।
(1)

🚨 জরুরি বিজ্ঞপ্তি: জাগো সনাতন সংগঠনের অফিশিয়াল সদস্য ফর্ম সংগ্রহ করুন! 🚨শর্ত: শুধুমাত্র উত্তর কাট্টলী এলাকার আগ্রহী সদস...
15/06/2026

🚨 জরুরি বিজ্ঞপ্তি: জাগো সনাতন সংগঠনের অফিশিয়াল সদস্য ফর্ম সংগ্রহ করুন! 🚨
শর্ত: শুধুমাত্র উত্তর কাট্টলী এলাকার আগ্রহী সদস্যদের জন্য।
আপনি কি জাগো সনাতন সংগঠনের সাথে যুক্ত হতে চান? তাহলে এখনই আপনার সদস্য ফর্ম সংগ্রহ করুন।
📍 ফর্ম সংগ্রহের স্থান:
ধনঞ্জয় স্টুডিও, উত্তর কাট্টলী আচায্য পাড়ার পাশে।
📝 যা করতে হবে:
ফর্ম সংগ্রহ করে সঠিকভাবে পূরণ করুন এবং পূরণকৃত ফর্ম স্টুডিওতেই জমা দিন।
💰 ফর্ম মূল্য: ৭০ টাকা মাত্র।
⚠️ বিশেষ দ্রষ্টব্য:
ফর্ম ক্রয়ের পর তা ফেরতযোগ্য নয়। তাই ফর্ম কেনার আগে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
🙏 দেরি না করে আজই যোগাযোগ করুন এবং জাগো সনাতন সংগঠনের কার্যক্রমের সাথে যুক্ত হোন।

https://jago-sanatan.blogspot.com/?m=1
19/05/2026

https://jago-sanatan.blogspot.com/?m=1

সনাতন ধর্মে বিশ্বাস রাখা প্রতিটি মানুষের মধ্যে সুদৃঢ় ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং ধর্মীয় নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার ল....

গাভী কে ? গাভীর জন্ম কোথায় ? পূর্ব জন্মে কে ছিলো? বর্তমানে  কিভাবে আসলো?👇👇👇সনাতন ধর্মে গরুকে কেবল একটি পশু হিসেবে দেখা হ...
21/04/2026

গাভী কে ? গাভীর জন্ম কোথায় ? পূর্ব জন্মে কে ছিলো? বর্তমানে কিভাবে আসলো?👇👇👇

সনাতন ধর্মে গরুকে কেবল একটি পশু হিসেবে দেখা হয় না, বরং তাকে 'মাতা' এবং 'দেবস্বরূপ' জ্ঞান করা হয়।নিচে কথা বিস্তারিত দেওয়া হলো:

১. গরু কে?

শাস্ত্রমতে, গরু হলো সমস্ত দেব-দেবীর আবাসস্থল এবং ধরিত্রীর প্রতীক। গরুকে 'গো-মাতা' বলা হয় কারণ সে নিঃস্বার্থভাবে দুধ এবং অন্যান্য সম্পদ দিয়ে মানুষকে লালন-পালন করে। গরু হলো ধর্মের প্রতীক।

২. গরুর জন্ম কোথায় এবং পূর্বে কে ছিল?

পুরাণ অনুসারে, সমুদ্র মন্থনের সময় ক্ষীরোদ সাগর থেকে পঞ্চ-কামধেনুর উৎপত্তি হয়েছিল। এই কামধেনুরা হলেন— নন্দা, সুভদ্রা, সুরভী, সুশীলা এবং বহুলা।

মহাভারত ও দেবী ভাগবত অনুসারে, প্রজাপতি দক্ষের কন্যা 'সুরভী' ছিলেন আদি গরু। মহর্ষি কশ্যপের সাথে তাঁর বিবাহ হয়েছিল এবং তাঁর থেকেই বর্তমান গো-বংশের উৎপত্তি। আবার অনেক ক্ষেত্রে বলা হয়, সৃষ্টির শুরুতে ব্রহ্মার মুখ থেকে গায়ত্রী মন্ত্রের সাথে গরুর উৎপত্তি হয়েছে।

৩. বর্তমানে গরু কিভাবে আসলো?

আধ্যাত্মিক বিচারে, সৃষ্টির স্থিতি বজায় রাখার জন্য এবং যজ্ঞের ঘি যোগানোর জন্য ব্রহ্মা গরুর সৃষ্টি করেছেন। ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক বিচারে, আদি সুরভী বা কামধেনুর বংশধরাই যুগে যুগে পৃথিবীতে বিস্তার লাভ করেছে।

১. ঋগ্বেদ (৮.১০১.১৫):

মাতা রুদ্রাণাং দুহিতা বসূনাং স্বসাদিত্যনামমৃতস্য নাভিঃ।
প্র নু বোচং চিকিতুষে জনায় মা গামনাগামদিতি বধিন্ট।।

অনুবাদ: গাভী হলো রুদ্রগণের মাতা, বসুগণের দুহিতা, আদিত্যগণের ভগিনী এবং অমৃতের নাভি (কেন্দ্র)। আমি প্রত্যেক সচেতন মানুষকে বলছি, তোমরা এই নিরপরাধ ও অদ্বিতীয়া গাভীকে কখনো হত্যা করো না।

২. অথর্ববেদ (১০.১০.১):

ধেনুর্বিশ্বস্য ভুবনস্য মাতা।

অনুবাদ: গাভী হলো সমগ্র বিশ্ব-ভুবনের জননী।

৩. যজুর্বেদ (১৩.৪৩):

গাং মা হিংসীরদিতি বিরাজে।

অনুবাদ: অদ্বিতীয়া এবং মহিমাময়ী গাভীকে কখনো হিংসা বা হত্যা করো না।

৪. ঋগ্বেদ (৬.২৮.৮):

উপেদমুপপarchনংাসু গোষুপৃচ্যতাম।
উপ ঋষভস্য রেতস্যুপেন্দ্র তব বীর্য্যে।।

অনুবাদ: হে ইন্দ্র! এই গাভীরা যেন সর্বদা সুরক্ষিত থাকে এবং এদের বংশবৃদ্ধি হয়, যাতে সমাজ বলবান ও পুষ্ট থাকে।

১. শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা (১০.২৮) - শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং বলেছেন:

আয়ুধানামহং বজ্রং ধেনুনামস্মি কামধুক্।
প্রজনশ্চাস্মি কন্দর্পঃ সর্পাণামস্মি বাসুকিঃ।।

অনুবাদ: আমি অস্ত্রসমূহের মধ্যে বজ্র, গাভীদের মধ্যে আমি কামধেনু (সুরভী), প্রজননকারীদের মধ্যে আমি কন্দর্প এবং সর্পদের মধ্যে আমি বাসুকি।

২. শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ (১.১৭.১৮):

ধর্মঃ পদৈকেন চরন্বিচ্ছামঃ কচ্চিদচ্যুত।
গাং ধর্মাত্মনি দেবেশে শরণ্যং শরদাগতম।।

অনুবাদ: গরু হলো ধর্মের মূর্ত প্রতীক। যখন পৃথিবীতে অধর্ম বেড়ে যায়, তখন পৃথিবী গরুর রূপ ধারণ করে ভগবানের শরণাপন্ন হন।

৩. বিষ্ণু পুরাণ (১.১৫.১২৪):

যানি কাানি চ পাপানি ব্রহ্মহত্যাসদানি চ।
তানি সর্বাণি নশ্যন্তি গোপ্রদানেন নিশ্চিতম্।।

অনুবাদ: ব্রহ্মহত্যার মতো ভয়ঙ্কর পাপও ভক্তিভরে গো-সেবা বা গো-দানের মাধ্যমে বিনষ্ট হয়।

৪. পদ্মপুরাণ (সৃষ্টি খণ্ড):

সর্বদেবময়ী গাভঃ সর্বদেবময়ী হি গৌঃ।

অনুবাদ: গাভী সর্বদেবময়ী। গরুর রোমকূপে সমস্ত দেবতারা বাস করেন এবং গরুর মধ্যেই সকল তীর্থ বিদ্যমান।

৫. মহাভারত (অনুশাসন পর্ব):

ঘৃতক্ষীরপ্রদা গাবো ঘৃতযোন্যো ঘৃতোদ্ভবাঃ।
ঘৃতনদ্যো ঘৃতাবর্তাস্তা মে সন্তু সদা গৃহে।।

অনুবাদ: গাভী ঘৃত ও ক্ষীর দান করে, গাভী থেকেই ঘৃতের উৎপত্তি। সেই গাভীরা যেন সর্বদা আমার গৃহে অবস্থান করে।

৬. মনুস্মৃতি (৪.১৬২):

আচার্যং চ প্রবক্তারং পিতরং মাতরং গুরুম্।
হন্তব্যা ন কদাচিন্নি গাং চ ব্রাহ্মণাংস্তথা।।

অনুবাদ: আচার্য, শিক্ষক, পিতা, মাতা, গুরু, ব্রাহ্মণ এবং গরু— এঁরা অবধ্য, এঁদেরকে কখনো কষ্ট দেওয়া বা হত্যা করা উচিত নয়।

সারসংক্ষেপ:

শাস্ত্রীয় বিচারে গরু কেবল একটি প্রাণী নয়, সে ধরিত্রীর ধৈর্য, দেবগণের আশ্রয় এবং মানবের পরম কল্যাণকারিণী মাতা। গরুর সেবা করাই প্রকৃত ধর্মের অঙ্গ।🐄🐂🌷🌷


#জাগোসনাতনসংগঠন

20/04/2026

পূজাপাঠে বসার আসনের ভূমিকা :::--
পূজা -পাঠ, আহ্নিক , জপ করার সময় কোন আসনে বসবেন ??
কোন ধরণের বা কিসের তৈরী আসনে বসে
পূজা -আহ্নিক করলে মন্ত্র সিদ্ধ হয় ,শুভ ফল লাভ হয় তা আমরা অনেকেই জানিনা ফলে অনেক সময় আমরা বাঞ্ছিত ফল তো পাই না বরং ক্ষতি হয় .তাই বসার আসন সম্পর্কে জানা একান্ত কর্তব্য ...........
1. মাটিতে বসে পূজা ,জপ ,পাঠ ,আহ্নিক ইত্যাদি করলে ফলপ্রসূ হয় না , মন্ত্র সিদ্ধ হয় না .
2.পাথর / প্রস্তরাসনে -- দুঃখ উৎপন্ন হয় .
3.বস্ত্রাসনে -- শ্রীলাভ হয়
4.কুশের আসনে -- জ্ঞান লাভ হয়
5.পত্রনির্মিত আসনে --আরোগ্য লাভ হয় .
6. হরিণের চর্ম / কৃষ্ণার্জিন আসনে - মুক্তি
লাভ হয়
7.ব্যাঘ্রচর্মের আসনে--মোক্ষ লাভ হয় .
8.কাঠের আসনে / পিঁড়িতে বসে পূজা -অর্চনা ,জপ ,প্রভৃতি করলে নানাপ্রকার ব্যাধি ,পীড়া ও দুঃখ দেখা দেয় .
* ** *(তবে কাঠের পিঁড়ির উপর একটি কম্বলাসন বা বস্ত্রাসন বা অন্য আসন পেতে তার উপর বসে জপতপ ,পূজা -পাঠ করতে পারেন . **-* কাঠের চৌকির বা পিঁড়ির উপর
প্রতিমা বসানোর ক্ষেত্রেও চৌকির উপর একটি আসন পেতে তার উপর বসাবেন ).
9. কম্বলের আসনে বসে পূজা -অর্চনা ,জপ
,আহ্নিক ,পাঠ ,ঈশ্বরের নাম প্রভৃতি করলে
ভক্ত ,বা সাধকের সকল কামনা পূরণ হয় ............. ............ ........... ........
পূজারী বা জপতপকারী বা সাধক বা ভক্তকে সর্বদাই পূর্ব বা উত্তর দিকে মুখ করে বসে জপতপ ,পূজাপাঠ ,আহ্নিক , প্রার্থনা করতে হবে .( উত্তর দিকে সর্বকারণের কারণ অনাদির আদি মহেশ্বর পরমব্রহ্ম দেবাদিদেব শিবের আলয় এবং পূর্ব দিকে মহাপাপ নাশক পরমপবিত্র দিবাকর সূর্যদেবের অবস্থান )......
. . . . . সত্যম . শিবম . সুন্দরম . . . . . .

#জাগোসনাতনসংগঠন, চট্টগ্রাম

সকল সনাতনীদের কাছে প্রশ্নটির উত্তর জানা থাকা দরকার। পারলে কমেন্ট করি সকলে। জয় রাম 🙏
20/04/2026

সকল সনাতনীদের কাছে প্রশ্নটির উত্তর জানা থাকা দরকার।
পারলে কমেন্ট করি সকলে।
জয় রাম 🙏

অক্ষয় তৃতীয়া  হল, হিন্দু পঞ্জিকার বৈশাখ মাসের শুক্লা তৃতীয়া অর্থাৎ, শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথি। এটি হিন্দু ও জৈন ধর্মাব...
20/04/2026

অক্ষয় তৃতীয়া হল, হিন্দু পঞ্জিকার বৈশাখ মাসের শুক্লা তৃতীয়া অর্থাৎ, শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথি। এটি হিন্দু ও জৈন ধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ তিথি।

এই শুভদিনে—
১. সত্য যুগ শেষ হয়ে, ত্রেতাযুগের সূচনা হয়।

২. এই দিন বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার, পরশুরাম জন্ম নিয়েছিলেন। এই জন্য দিনটি 'পরশুরাম জয়ন্তী' হিসেবেও পালন করা হয়।

৩. মহর্ষি বেদব্যাস ও শ্রী গণেশ এই দিনে মহাভারত রচনা আরম্ভ করেন।

৪. এই দিনই রাজা ভগীরথ, গঙ্গাদেবীকে মর্ত্যে নিয়ে এসেছিলেন।

৫. এই দিনই কুবেরের তপস্যায় তুষ্ট হয়ে, মহাদেব তাঁকে অতুল ঐশ্বর্য প্রদান করেন। কুবেরের এই দিন লক্ষ্মী লাভ হয়েছিল বলে, এদিন 'বৈভব-লক্ষ্মী'-র পূজা করা হয়।

৬. এই দিনই শ্রীকৃষ্ণ, দ্রৌপদীকে অলৌকিকভাবে বস্ত্র সরবরাহ করে, তাঁর লজ্জা নিবারণ করেছিলেন।

৭. এই তিথি থেকে পুরীধামে শ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রা উপলক্ষে, রথ নির্মাণ শুরু হয়।

৮. কেদার-বদ্রী-গঙ্গোত্রী-যমুনোত্রীর যে মন্দিরগুলি ছয়মাস বন্ধ থাকে, এই দিনেই তার দ্বার উদ্‌ঘাটন হয়। দ্বার খুললেই দেখা যায় সেই অক্ষয়দীপ— যা ছয়মাস আগে জ্বালিয়ে আসা হয়েছিল।

'অক্ষয়' শব্দের অর্থ হল, 'যা ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না'। বৈদিক বিশ্বাসানুসারে, এই পবিত্র তিথিতে কোন শুভকার্য সম্পন্ন হলে, তা অনন্তকাল অক্ষয় হয়ে থাকে।
🌸🙏🏼🌸
#জাগোসনাতনসংগঠন

মর্ত্যে হর-গৌরী,  চির দেখা শিবের গাজন নৃত্য 🔱বাংলার ঐতিহ্য। জীবনের আরো একটা বছর শেষ হয়ে গেলো ।এলো নতুন বছর। শুভ নববর্ষ স...
13/04/2026

মর্ত্যে হর-গৌরী, চির দেখা শিবের গাজন নৃত্য 🔱বাংলার ঐতিহ্য।
জীবনের আরো একটা বছর শেষ হয়ে গেলো ।এলো নতুন বছর। শুভ নববর্ষ সবাইকে ✨
🔱হর হর মহাদেব🔱
🗺️চিত্র : সুবর্ণচর, নোয়াখালী।

#জাগোসনাতনসংগঠন
#হরগৌরী

21/03/2026

২০২৬ ইংরেজির =======[[[[=====
নিচে চট্টগ্রাম এলাকার বাসন্তী পুজোর লিস্ট দেওয়া হল :

১. দেওয়ানজী পুকুর পাড়।

২. রাজাপুর লেইন।

৩. হেমসেন লেইন মিশন গলি।

৪. চকবাজার ফুলতলা - ক্লাসিক ইয়াং বয়েজ ক্লাব।

৫. চকবাজার - রাধা মাধব আখেড়া।

৬. জে.এম,সেন হল,চট্টগ্রাম।

৭. হাজারী লেইন,চট্টগ্রাম।

৮. কৈবল্যধাম,মালিপাড়া - ত্রিশূল সংঘ।

৯. গোলপাহাড় কালী বাড়ি,চট্টগ্রাম।

১০. গোয়ালপাড়া,এনায়েত বাজার।

১১. বেটারীগলি,আয়োজনে চট্টেশ্বরী বয়েজ ক্লাব।

১২. সার্বজনীন শ্রী শ্রী হরিমন্দির, দক্ষিন কাট্টলী।

১৩. শ্রী শ্রী শান্তনেশ্বরী মাতৃমন্দির,পাথরঘাটা,হরেশচন্দ্র
মুন্সেফ লেইন।

১৪. শ্রী শ্রী লোকনাথ মন্দির, আসকার দিঘীর পশ্চিম
পাড়,চট্টগ্রাম।

১৫. গোসাইলডাঙ্গা সার্বজনীন দূর্গা মন্দির কমপ্লেক্স
(রক্ষাকালী মন্দির)

১৬. শ্রীশ্রী রক্ষাকালী বাড়ি সেবাসংঘ,উত্তর কাট্টলী।

১৭. ফতেয়াবাদ রক্তিম সংঘ, চৌধুরীহাট ফতেয়াবাদ
হাটহাজারী চট্টগ্রাম।

১৮. ফতেয়াবাদ ফ্রেন্ডস ক্লাব চৌধুরীহাট ফতেয়াবাদ
হাটহাজারী চট্টগ্রাম।

১৯. ডা: শিব শংকর রায়ের বাড়ী চৌধুরীহাট ফতেয়াবাদ, হাটহাজারী চট্টগ্রাম।


২০. ইছামতী বাড়ী চৌধুরীহাট ফতেয়াবাদ হাটহাজারী,চট্টগ্রাম।
🚩এছাড়া বোয়ালখালীতে অনেক বড় পরিসরে ৩-৪টা পুজো হয়, একফাঁকে ঘুরে আসবেন,পুরোদিন সময় নিয়ে বের হলে মেধস মুনীর আশ্রম ও ঘুরে আসতে পারবেন।

🚩 আনোয়ারা তে ৪টা পুজো হয়।
সবাই কে আবার জানাই আগত বাসন্তী পূজোর শুভেচ্ছা। সবাই ভালো করে পুজো কাটান।🙏জয় মা বাসন্তী🔱

14/03/2026

আইনের শাসনেই নিশ্চিত হোক নারীর নিরাপদ পথচলা।
‘জাগো সনাতন’ সংগঠনের পক্ষ থেকে আমরা বিশ্বাস করি—নারীরা কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বা লোকদেখানো সম্মান চায় না; তারা চায় এমন একটি রাষ্ট্র ও সমাজ, যেখানে তাদের মর্যাদা, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা প্রকৃত অর্থেই সুরক্ষিত থাকবে। সেই লক্ষ্যেই আমরা সংশ্লিষ্ট সকল দায়িত্বশীল মহলের কাছে কিছু আন্তরিক প্রত্যাশা তুলে ধরছি—
পথের নিরাপত্তা: কোনো নারী যেন রাস্তায় বের হয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য বা অবমাননাকর দৃষ্টির শিকার না হন। প্রতিটি জনপথই হোক তাদের জন্য নির্ভয় ও সম্মানজনক।
কর্মস্থলে সমমর্যাদা: নারীকে দুর্বল ভেবে অবজ্ঞা করা কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অশোভন প্রস্তাব দেওয়ার সংস্কৃতি কঠোরভাবে প্রতিহত করা প্রয়োজন। কর্মক্ষেত্রে নিশ্চিত হোক সম্মান, ন্যায় ও সমতা।
নিরাপদ যাতায়াত: রাতের পথচলা কিংবা গণপরিবহনে চলাচল যেন কোনো নারীর জন্য ভয়ের কারণ না হয়। তাদের প্রতিটি যাত্রা হোক স্বাভাবিক ও নিশ্চিন্ত।
আস্থার আইনি কাঠামো: বিপদের মুহূর্তে সহায়তা চাইতে গিয়ে কোনো নারী যেন নতুন করে অপমান বা হয়রানির শিকার না হন। আইনের আশ্রয়ই হোক তাদের প্রধান ভরসা ও সুরক্ষা।
অপসংস্কৃতির অবসান: গ্ল্যামারের আড়ালে নারীকে পণ্য হিসেবে উপস্থাপন করা বা আবেগের ছলে লালসা উসকে দেওয়ার মতো সামাজিক প্রবণতার বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ ও সচেতনতা জরুরি।
আমাদের বিশ্বাস—শুভেচ্ছার ফুলঝুরি নয়, প্রয়োজন প্রকৃত শ্রদ্ধা, দায়িত্বশীলতা এবং একটি নিরাপদ সামাজিক পরিবেশ। আইনের সুশাসনই পারে প্রতিটি নারীর পথচলাকে মর্যাদাপূর্ণ ও কণ্টকমুক্ত করতে।
— সৌজন্যে
জাগো সনাতন সংগঠন

12/03/2026

Address

Chittagong

Opening Hours

Monday 10:00 - 16:00
Tuesday 10:00 - 16:00
Wednesday 10:00 - 16:00
Thursday 10:00 - 16:00
Friday 10:00 - 16:00
Saturday 10:00 - 16:00
Sunday 10:00 - 16:30

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জাগো সনাতন সংগঠন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share