Bakul Rudro

Bakul Rudro Welcome to my page��

26/08/2026
"যখন কঠিন সময় আসে, তখন কৃষ্ণ আসেন, আমাদের পরীক্ষা করেন, এবং অবশেষে তিনি আমাদেরকে কৃপা করেন।"~শ্রীল জয়পতাকা স্বামী, ২৫শে ...
14/06/2026

"যখন কঠিন সময় আসে, তখন কৃষ্ণ আসেন, আমাদের পরীক্ষা করেন, এবং অবশেষে তিনি আমাদেরকে কৃপা করেন।"
~শ্রীল জয়পতাকা স্বামী, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ১৯৮৯, মিসিসিপি

" গুরুর অনুমতি ছাড়া ভগবান বিষ্ণুর আরাধনা করা উচিত নয়। যে গুরুর নির্দেশ ব্যতিরেকে সেবা করে, সে পতিত হয়।" (নারদ পঞ্চরাত...
11/01/2026

" গুরুর অনুমতি ছাড়া ভগবান বিষ্ণুর আরাধনা করা উচিত নয়। যে গুরুর নির্দেশ ব্যতিরেকে সেবা করে, সে পতিত হয়।" (নারদ পঞ্চরাত্র)

শ্রীল প্রভুপাদ বলেছেন, দীক্ষার সময় স্বীকার করা প্রতিজ্ঞাসমূহ পালনে ব্যর্থ হওয়া যেন নিজের গুরুর উপর আঘাত করা। কেবল দীক্ষা প্রত্যাশিত ফলাফল আনতে সক্ষম হবে না, যদি না কেউ ঠিকমত জপ এবং বিধিনিষেধ সমূহ পালন করে।
‎
‎-শ্রীল জয়পতাকা স্বামী গুরুমহারাজ 🙏❤️
‎১০ জানুয়ারি ২০১৮, গ্লোবাল হাসপাতাল, চেন্নাই

গর্ভপাত মহাপাপ....এই অপরাধের ক্ষমা নেই ‼️আজকাল আমাদের সভ্য সমাজে বৈধ কর্মের আবরণে যে অবৈধ কর্মগুলি চলে আসছে তার মধ্যে অন...
27/11/2025

গর্ভপাত মহাপাপ....এই অপরাধের ক্ষমা নেই ‼️
আজকাল আমাদের সভ্য সমাজে বৈধ কর্মের আবরণে যে অবৈধ কর্মগুলি চলে আসছে তার মধ্যে অন্যতম একটি হল গর্ভপাত।।নিজের গর্ভের সন্তানকে পিতামাতা নৃসংশ ভাবে হত্যা করে চলেছে বর্তমান আধুনিক তথাকথিত সভ্য সমাজে।।এর জন্য কোন মানবতাবাদীদের প্রতিবাদ করতে দেখা যায়না।। কেউ সন্তান চেয়ে পায় না আবার কারোর জীবনে ভুল করে সন্তান আসে তাই তারা হত্যা করতে দুই বার ভাবে না।।

এখন দেখব গর্ভপাত সম্পর্কে সনাতন শাস্ত্র কি বলে???

🔴শ্রীমদ্ভাগবতে(৩/৩১/৯) শ্লোকে বলাহয়েছে : -

"অকল্পঃ স্বাঙ্গচেষ্টায়াং শকুন্ত ইব পঞ্জরে।
তত্র লব্ধস্মৃতির্দৈবাৎ কর্ম জন্মশতোদ্ভবম্"।।

অর্থাৎ - মাতৃগর্ভে ভ্রুণ পূর্বের শত জন্ম ও কর্মের কথা স্মরণ করতে পারে।।" পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ রাখা ঋষিদের পক্ষে সম্ভব।।

তাই ভাগবতের ( ৩/৩১/১১) শ্লোকে - নাথমান ঋষির্ভীত এবং (৩/৩১/২২) শ্লোকে দশমাস্যঃস্তুবন্নৃষিঃ" এই দুটি শ্লোকেই মাতৃগর্ভের ভ্রুণকে ঋষি বলা হয়েছে।। তাই গর্ভস্থ শিশুকে হত্যাকরা আর ঋষিকে হত্যাকরা একই কথা।।

🔴এ বিভৎস হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে পরাশর স্মৃতি(৪/২০) শ্লোকে বলা হয়েছে :-

"যৎ পাপং ব্রহ্মহত্যায়া দ্বিগুণং গর্ভপাতনে।
প্রায়শ্চিত্তং ন তস্যাস্তি তস্যস্ত্যাগো বিধিয়তে"।।

অনুবাদ : - ব্রহ্মহত্যায় যে পাপ হয়,গর্ভপাতে তার দ্বিগুণ পাপ হয়।। এ পাপের কোন প্রায়শ্চিত্ত নেই।যে গর্ভপাত করাবে তাকে অবশ্যই সমাজ থেকে ত্যাগ করতে হবে"।।

🔴মনু তাঁর মনুসংহিতার(৪/২০৮) শ্লোকে বলেছেন :-

ভ্রুণঘ্নাবেক্ষিতং- গর্ভপাত কারী যে অন্ন দর্শন করে সে অন্ন ভক্ষণ করাও পাপ।।"বৃদ্ধসূর্যারুণ কর্মবিপাক" গ্রন্থে এর শাস্তি সম্পর্কে বলে হয়েছে-

"পূর্বে জনুষি যা নারী গর্ভঘাতকরী হ্যভূত।
গর্ভপাতেন দুঃখার্তা স্যাহত্র জন্মনি জায়তে"।।
(৪৭৭/১)।

অনুবাদ :- যে নারী পূর্বজন্মে গর্ভপাত করিয়েছিল, সে পরবর্তী জন্মে গর্ভপাত দুঃখের ভাগিনী হয় অর্থাৎ তার সন্তান হয়না।।( অথবা তার গর্ভপাত ঘটে, বা সন্তান ধারণের ক্ষমতা থাকেনা)।।

ঐ গ্রন্থের(৬৫৯/১) শ্লোকে আরো বলা হয়েছে :-

বন্ধ্যেয়ং যা মহাভাগ পৃচ্ছতি স্বং প্রয়োজনম্।গর্ভপাতরতা পূর্বে জনুষ্যত্র ফলং ত্বিদম্।।

RADHE RADHE

ওড়ন ষষ্ঠীর শুভেচ্ছা! - - -ভগবানকে বিশেষ ভোগ ওশীতবস্ত্র পরিধান শ্রীশ্রী রাধাকুঞ্জবিহারী ললিতা বিশাখা,শ্রীশ্রী দয়াল-নিতাই ...
26/11/2025

ওড়ন ষষ্ঠীর শুভেচ্ছা! - - -
ভগবানকে বিশেষ ভোগ ও
শীতবস্ত্র পরিধান
শ্রীশ্রী রাধাকুঞ্জবিহারী ললিতা বিশাখা,
শ্রীশ্রী দয়াল-নিতাই গৌরাঙ্গ রায় এবং
শ্রীশ্রী জগন্নাথ, বলদেব সুভদ্রা মহারানীর অপূর্ব দর্শন
ইসকন প্রবর্তক।

"আজ ওড়ন ষষ্ঠী। তাই শ্রীমদ্ভাগবত প্রবচনে আমি ওড়ন ষষ্ঠীর লীলা বর্ণনা করেছি, যেখানে সেবকেরা জগন্নাথকে মাড় দেওয়া বস্ত্র পরিধান করায়।

ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু, পুণ্ডরীক বিদ্যানিধি, স্বরূপ দামোদর ও অন্যান্য ভক্তরা সকলে উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁরা মাড় দেওয়া বস্ত্র পরিহিত জগন্নাথের দর্শন লাভ করছিলেন। পুণ্ডরীক বিদ্যানিধি বললেন, "তারা কেন ভগবান জগন্নাথকে মাড় দেওয়া বস্ত্র নিবেদন করেছে? ভগবান শ্রীজগন্নাথদেব হলেন পরব্রহ্ম, তিনি যেকোন কিছুই পরিধান করতে পারেন কিন্তু ভক্তদের জানা উচিত যে, মাড় দেওয়া বস্ত্র শুদ্ধ নয়। আমরা তা ধুয়ে ভগবানকে নিবেদন করি।" স্বরূপ দামোদর বললেন, "আমার মনে হয় এটি ঠিকই আছে। এখানে নীলাচলে তারা এভাবেই জগন্নাথের সেবা করে৷ আর যেহেতু এখানে তা হচ্ছে, নিশ্চিতভাবে তা জগন্নাথের ইচ্ছে আর সেই কারণেই তারা জগন্নাথকে মাড় দেওয়া বস্ত্র নিবেদন করে।" তারপরও পুণ্ডরীক বিদ্যানিধি জগন্নাথের সেবকদের নিন্দা করছিলেন, জগন্নাথের নিন্দা করছিলেন না।

সেই রাতে ভগবান শ্রীজগন্নাথদেব ও ভগবান শ্রীবলরাম পুণ্ডরীক বিদ্যানিধির স্বপ্নে এলেন এবং তাঁরা তার মুখে চড় মারতে লাগলেন। "এটি আমার ইচ্ছে যে, আমাকে যেন মাড় দেওয়া বস্ত্র পরানো হয়। তাই তোমার আমার সেবকদের নিন্দা করা উচিত না।" তারপর পুণ্ডরীক বিদ্যানিধি শেষে ভগবান শ্রীজগন্নাথদেবের চরণে পড়ে ক্রন্দন করতে লাগলেন এবং বললেন, "আমার অপরাধের জন্য আমাকে ক্ষমা করে দিন। আমি একজন পাপী ব্যক্তি, আমি মূর্খ!" জগন্নাথ তাঁকে বললেন, "আমি তোমাকে আমার সেবক হিসেবে বিবেচনা করি। তাই আমি তোমাকে শিক্ষা দিচ্ছি।" তো এখানে দেখা যাচ্ছে কিভাবে জগন্নাথ ক্রোধ প্রকাশ করলেন কেননা তাঁর সেবকদের নিন্দা করা হচ্ছিল। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু নীলাচলে অবস্থানকালীন এই লীলা হয়েছিল। তিনিই ভগবান জগন্নাথ, তিনিই ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু। হরিবোল!"

~ শ্রীল জয়পতাকা স্বামী মহারাজের অ্যাপ বার্তা
৭ই ডিসেম্বর, ২০২৪

🍁🌿 কেন দীক্ষা নিবেন❓কার কাছ থেকে দীক্ষা নিবেন❓অপসম্প্রদায় থেকে দীক্ষা নিলে তার কি ফল❓চারটি প্রামাণিক বৈষ্ণব সম্প্রদায় ক...
22/11/2025

🍁🌿 কেন দীক্ষা নিবেন❓কার কাছ থেকে দীক্ষা নিবেন❓অপসম্প্রদায় থেকে দীক্ষা নিলে তার কি ফল❓চারটি প্রামাণিক বৈষ্ণব সম্প্রদায় কী কী? প্রমাণিক সম্প্রদায় থেকে কেন দীক্ষা নিতে হবে?

উত্তর: পদ্মপুরাণে বলা হয়েছে---

সম্প্রদায়বিহীনা যে মন্ত্রাস্তে নিষ্ফলা মতাঃ। অতঃ কলৌ ভবিষ্যন্তি চত্বারঃ সম্প্রদায়িনঃ।
শ্রী-মাধ্বী-রুদ্র-সনকা বৈষ্ণব্য ক্ষিতিপাবনাঃ। চত্বারস্তে কলৌ দেবী সম্প্রদায়প্রবর্ত্তকাঃ॥১॥

অর্থাৎ, যাঁরা সম্প্রদায়-বিহীন বা কোনও সম্প্রদায়-ভুক্ত নন, তাঁদের মন্ত্র ফলদায়ক হয় না। এইজন্য কলিকালে শ্রী, মাধ্ব, রুদ্র ও সনক এই চারজন ক্ষিতি-পাবন বৈষ্ণব আবির্ভূত হয়ে চারটি সম্প্রদায় প্রবর্ত্তন করবেন।

🌿 ''শ্রী ব্রহ্ম রুদ্র সনক বৈষ্ণব ক্ষিতিপাবন
চত্বারন্তে কলৌ ভব্য হি উৎকলে পুরুষোত্তম''।।
(পদ্মপুরাণ)

অর্থাৎ জগতের পবিত্রতা সম্পদানকারী শ্রী, ব্রহ্ম, রুদ্র ও সনক, এই কলিযুগে চারটি সম্প্রদায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ থেকে বা উৎকল দেশ পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীজগন্নাথ থেকে আবির্ভূত হবে।।

🌿 ভক্তমাল-গ্রন্থে দেখতে পাই,---

“রামানুজং শ্রীঃ স্বীচক্রে মধ্বাচার্য্যং চতুর্ম্মুখঃ। শ্রীবিষ্ণুস্বামিনং রুদ্রো নিম্বাদিত্যং চতুঃসনঃ॥”

অর্থাৎ-শ্রী (লক্ষ্মী) রামানুজকে, চতুর্ম্মুখ (ব্রহ্মা) মধ্বাচার্য্যকে, রুদ্র (মহাদেব) শ্রীবিষ্ণুস্বামীকে এবং চতুঃসন (সনক, সনন্দ, সনাতন, সনৎকুমার) নিম্বাদিত্যকে আপনি আপন সম্প্রদায়-প্রবর্ত্তকরূপে স্বীকার করেন।
এই চার সম্প্রদায় হতে অসংখ্য বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হয়েছে।”

আমাদের ইন্দ্রিয়সমুহ অপুর্ণ তাই আমরা পরম সত্যকে জানতে পারি না। যেমন কোন বিষয়ে জ্ঞান লাভ করতে হলে আমরা সে বিষয়ের জ্ঞানীর নিকট হতে শিক্ষা লাভ করি। তেমনি পরমার্থজ্ঞান লাভ করতে হলে তত্ত্বদর্শী ব্যাক্তি বা পরমার্থতত্ত্ববেত্তা পুরুষের আশ্রয় গ্রহন করতে হয়। এবং এই তত্ত্বদ্রষ্টা পুরুষ হলেন গুরুদেব। এই গুরুদেবও একান্তভাবে আশ্রিত যথার্থ ও যোগ্য শিষ্যের মত কোন তত্ত্বদর্শী ব্যাক্তি বা গুরুদেবের কাছ থেকে এই জ্ঞান লাভ করেছেন। এবং পরবর্তীতে তিনি আবার এই কর্মসাধ্য পারমার্থিক জ্ঞান তার যোগ্য শিষ্যের মাঝে দান করেন।

🌼 এইভাবে যথার্থ শিষ্য পরম্পরার মাধ্যমে আদিগুরু পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ থেকে এই জ্ঞান প্রবাহিত হয়েছে। এবং পরবর্ত্তীতে তা একাধিক ধারা বা গুরুপরম্পরা রুপ বা সম্প্রদায় সৃষ্ট হয়েছে। বিশুদ্ধ প্রামাণিক পরম্পরায় দিব্য জ্ঞান স্বয়ং পরমেশ্বর ভগবান থেকে পরম্পরা ধারায় শিষ্যের নিকট পৌঁছায়, সুতরাং, এই জ্ঞান সম্পূর্ণরূপে অপ্রাকৃত এবং যথার্থ। প্রামাণিক পরম্পরার সদ্গুরুর চরণাশ্রয় না করলে কখনোই এই দিব্য জ্ঞান প্রাপ্তি সম্ভব নয়। সদ্গুরু হলেন পরমেশ্বর ভগবানের প্রতিনিধি, সেই শ্রীগুরু পাদ্পদ্মের আশ্রয় গ্রহণ পূর্বক ভগবদ্ভক্তি অনুশীলন করার ফলে গুরু-কৃষ্ণের কৃপায় শিষ্যের হৃদয়ে দিব্য জ্ঞান প্রকাশিত হয়।
তাই শুদ্ধ পরম্পরা ধারা বা সম্প্রদায়ের সাথে যুক্ত না হলে জীবের পারমার্থিক জীবন, তার ইহলোক ও পরলোক দুটোই নষ্ট হয়।

🌼এই চারটি সম্প্রদায়ে চারজন আচার্য্য দ্বারা কলিযুগে পারমার্থিক জ্ঞান প্রবাহিত হয়েছে।
১। রামানুজাচার্য (শ্রী সম্প্রদায়)
২। মধবাচার্য ( ব্রহ্ম সম্প্রদায়)
৩। বিষ্ণুস্বামী ( রুদ্র সম্প্রদায়)
৪। নিম্বাকাচার্য ( কুমার সম্প্রদায়)

🌼 শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এই চারটি সম্প্রদায় ছাড়া অন্যান্য নিজ মনগড়া অপসম্প্রদায়গুলিকে ত্যাগ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

🌼 শাস্ত্র ও তত্ত্ববিদ্গণের মতে চারটি শুদ্ধ পরম্পরায় ভগবৎ-তত্ত্ব বিজ্ঞানের বিশুদ্ধ মন্দাকিনী ধারা বর্তমান আছে এর বাইরে বিভিন্ন সময়ে মনধর্মপ্রসূত যত তথাকথিত সম্প্রদায় সৃষ্ট হয়েছে তা সবই অপসম্প্রদায়।

🌿 যারা উপরোক্ত এ চার সম্প্রদায়ের বাহিরে দীক্ষা নিবেন, তাদের মনুষ্য জন্ম বৃথা যাবে এবং ভগবদ্ভক্তির অনুশীলন না করে মনুষ্য জীবনের সদ্ব্যবহার না করার ফলে পরবর্তী জন্মে পশুযোনী প্রাপ্ত হবে।

🌼 তাই মানব জীবন স্বার্থক করতে হলে, গোলকধাম- যা আমাদের সত্যিকারের গন্তব্যস্থান, সেখানে যেতে হলে অবশ্যই এ চার সম্প্রদায়ের সিদ্ধ দীক্ষা পরম্পরা হতে দীক্ষা নিতে হবে। তবেই পরমেশ্বর এর সেবার অধিকারী হতে পারবো, তাঁর ভজনের মাধ্যমে তুষ্ট করে তাঁর চরণযুগল লাভ করতে পারবো। এবং তা অবশ্যই সিদ্ধ গুরুপরম্পরা তথা দীক্ষা পরম্পরার মাধ্যমে।

🌼 অনেকেই বিভিন্ন মত ভালো লাগে বলে যেখান সেখান হতে দীক্ষা নিয়ে নেন, এবং তা সিদ্ধ না। আবার অনেকে শাস্ত্রীয় বিধি-নিষেধ মানতে হবে না বলে, যেখানে সহজে দীক্ষা হয়ে যাই, সেখান থেকে তারা দীক্ষা নিয়ে নেয়। তারা খালি বাইরে লোক দেখানোর জন্য যে, আমারও গুরু আছে, তাই যেখান সেখান থেকে দীক্ষা নিয়ে নেয়। অন্ধকার দীক্ষা নিয়ে লাভ নেই। কারণ, দীক্ষার দ্বারা যদি কারো জীবন পরিবর্তিত না হয়, কেউ যদি দিব্য জ্ঞান লাভ না করতে পারে, কেউ যদি শাস্ত্র বিধি অনুসারে ভগবদ্ভক্তির অনুশীলন না করতে পারে, তাহলে সেই প্রকার তথিকথিত দীক্ষা নিয়ে কি লাভ?! তাই দীক্ষা নেওয়ার ব্যাপারে সাবধান।

🔘 উক্ত চার সম্প্রদায়ে পরম্পরা ধারায় আগত শিক্ষা প্রদান করাই গুরুপরম্পরার উদ্দেশ্য।

🔴 অন্যথায় গুরুপরম্পরা কেবল একটি শারীরিক পরম্পরা (গুরুর ছেলে যেমনই হোক সেই পরবর্তী গুরু হবে) বলে গণ্য হবে। মনে রাখবেন, অপসম্প্রদায়গুলি কেবল তাদের গুরু-নামধারী ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে, যাদের দেওয়া মন্ত্রে কোনো ক্রিয়া হয় না। আবার অনেক গুলো গুরু আছে যাদের মন্ত্র একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দক্ষিণা দিয়ে রিচার্জ করাতে হয়। আবার রিচার্জ ফুরিয়ে গেলে, আবার তাকে দক্ষিণা দিয়ে আসতে হয় তবেই সেই মন্ত্র নাকি কাজ করে?! আবার অনেকে বলে দুদিন নিরামিষ খেলেই হবে, বাকি দিনগুলো জীব হত্যা করো কোনো অসুবিধা নেই! কেউ কেউ তো আবার বলে তুমি শুধু মাসে মাসে আমাকে দক্ষিণা দিয়ে যেও তাহলেই হবে!! এই ধরনের কত যে শাস্ত্রজ্ঞানহীন ভন্ড গুরু এই পৃথিবীতে ঘুরে বেড়াচ্ছে তার সীমা নেই। তাই দীক্ষা অত্যন্ত বিবেচনা করে গ্রহণ করা উচিত কারণ এটি আমাদের এক জন্মের প্রশ্ন নয়; দীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে শ্রীগুরু এবং ভগবানের চরণে সমর্পণ করা হয়। তাই গুরু নির্বাচনের পূর্বে আমাদের অবশ্য কর্তব্য গুরুদেবের পরম্পরা বিষয়ে এবং সদ্গুরুর লক্ষণাদি অনুসন্ধান করা। হরেকৃষ্ণ 🙏

ধর্ম ত্যাগ একটি মহা পাপ। শুরুতেই বলি স্ব ধর্মে নিধনং শ্রেয়ং পরো ধর্মো ভয়াবহ। ধর্ম ত্যাগ করা মানে ধর্ম  কে অপমান করা। স...
26/09/2025

ধর্ম ত্যাগ একটি মহা পাপ। শুরুতেই বলি স্ব ধর্মে নিধনং শ্রেয়ং পরো ধর্মো ভয়াবহ। ধর্ম ত্যাগ করা মানে ধর্ম কে অপমান করা। সে যেই ধর্মের হোক না কেন? সনাতন ধর্ম কখনই ধর্ম ত্যাগকে স্বীকৃতি দেয় না। কোন ব্যক্তি যে ধর্মে
জন্মেছে তার কাছে সেই ধর্মই শ্রেষ্ঠ। সে সনাতনী হোক বা মুসলিম হোক আর যে ধর্মরই হোক না কেন। ইসলাস ধর্মে যেমন অন্য ধর্মালম্বীদের নিজেদের ধর্মে রুপান্তরীত করলে ছোয়াব পায়, সনাতন ধর্মে তা অপরাধ। এজন্যই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সমন্বয়কারী ধর্ম সনাতন। সনাতন ধর্ম কোন ধর্মের অপমান গ্রাহ্য করেনা। কারন তুমি কি এমন ধর্ম জানলে যে তুমি ধর্ম ত্যাগ কর। ধর্মের গভীরতা বোঝা এত সহজ নয়।

শ্রীমদ্ভাগবতে ২৮ টি নরকের মধ্যে অন্যতম ভয়ংকরী নরক হলো "অসিপত্রবন"। যে ব্যক্তি স্বধর্ম পরিত্যাগ করে অন্য ধর্ম বা পরের ধর্ম গ্রহন করেন তাহারা মৃত্যুর পর এই নরকে পতিত হয়। যমদূত গন অতি গরম তাপের কীটের জলে তাকে ফেলিয়ে তার দেহে কষাঘাত করতে থাকে,তখন সে সহ্য না করতে পেরে ছোটাছুটি করতে থাকে,তখন অতি ধারালো তালবনের অসিপত্র দ্বারা তার দেহ কেঁটে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তখন সে চিৎকার করে বলে "আমি হত হলাম,আমাকে ছেড়ে দাও"।বরং যমদূত গন না ছেড়ে অভিরাম তাকে অসহ্য যন্ত্রণা দিতে থাকে। এই ভাবে মৃত্যুর পর তারা অনেক অনেক বছর এই ভয়ংকরী নরকে কষ্ট যন্ত্রণা ভোগ করে।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অজুর্ন কে বলেছেন "ওঁ শ্রেয়ান্স্বর্মো বিগুনোঃ পরা ধর্মা স্বপুষ্ঠিতাৎ স্ব ধর্মে নিধনং শ্রেয়ং পরো ধর্মো ভয়াবহ । শ্রীমদ্ভাগবত গীতাতে ৩/৩৫ ঃ- স্বধর্মে যদি দোষ থাকে তাও পরো ধর্ম হতে ভালো। স্বধর্মে সাধনে যদি মৃত্যু হয় তাও মঙ্গলজনক কিন্তু অন্যের ধর্মের অনুষ্ঠান করা মহা পাপ ও বিপদজনক। আবার চানাক্য শ্লোকে ও বলা হয়েছে যে যাহারা স্বধর্মের সাথে সমন্ধ রাখেন, তাদের বিনাশ নেই। বর্তমানে কিছু ছেলে মেয়েরা লোভে, সামান্য সুখের জন্য নিজের ধর্ম পরিত্যাগ করেন, কিন্তু তারা ভাবেনা যে কি মহা অন্যায় তারা করছে। বিভিন্ন ধর্মের লোকেরা ঐসব ছেলেমেয়েদের প্রলোভন দেখিয়ে নিজের ধর্মে সংখ্যা বাড়াচ্ছে। তাই সকলে সাবধান হোন...
🙏Radhe Radhe👏
🙏Hare krishna👏

আমরা যা পরিকল্পনা করি, সবসময় তা কেন হয় না??মানুষ ভাবে – "আমি পরিকল্পনা করলাম, তাই হবেই।।""ন কিঞ্চিত্‌ মনুষ্যানাং, সংকল্প...
22/09/2025

আমরা যা পরিকল্পনা করি, সবসময় তা কেন হয় না??

মানুষ ভাবে – "আমি পরিকল্পনা করলাম, তাই হবেই।।"

"ন কিঞ্চিত্‌ মনুষ্যানাং, সংকল্পঃ সম্পূর্যতে।
ঈশ্বরেচ্ছাবলাদ্‌ ভোগ্যং, ভজত্যন্যত্‌ কদাচন॥"
— ব্রহ্ম বৈবর্ত পুরাণ
অর্থাৎ—
👉 মানুষের কোনো পরিকল্পনা সম্পূর্ণ হয় না, যতক্ষণ না ভগবানের ইচ্ছা থাকে।।
👉 আমরা যতই চেষ্টা করি না কেন, ফল নির্ভর করে ভগবানের করুণা ও সময়ের উপর।।

🔴 কেন এমন হয়??

১️. আমাদের সব জ্ঞান সীমিত। ভগবান জানেন আসলেই আমাদের জন্য কী শুভ।।
২️.অনেক সময় আমরা যা চাই তা আমাদের সর্বনাশও করতে পারে—তাই ভগবান তা হতে দেন না।।
৩️. ভাগ্য, কর্মফল ও ভগবানের ইচ্ছা–এই তিনের মিলেই জীবনের পরিকল্পনা সফল হয়।।

শিক্ষা
সবকিছু ভগবানের হাতে সমর্পণ করলে জীবনে শান্তি ও সফলতা আসবেই।।

জীবনের গুরুত্ব পূর্ণ কথা♥️যা তুমি দেখাও, তার চেয়ে বেশি তোমার থাকা উচিত। যা তুমি জান, তার তুলনায় কম কথা বলা উচিত।!♥️সততার...
19/09/2025

জীবনের গুরুত্ব পূর্ণ কথা
♥️যা তুমি দেখাও, তার চেয়ে বেশি তোমার থাকা উচিত। যা তুমি জান, তার তুলনায় কম কথা বলা উচিত।!
♥️সততার কাছে দুর্নীতি কোন দিন জয়ী হতে পারে না।
♥️বিপদের সময়ে যে হাত বাড়িয়ে দেয় সেই সত্যিকারের বন্ধু।
♥️কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করাটা সবসময় এই দুঃখের কারণ হয়ে দাড়ায়।
♥️সাফল্যের ৩টি শর্তঃ - অন্যের থেকে বেশী জানুন! - অন্যের থেকে বেশী কাজ করুন! - অন্যের থেকে কম আশা কর। ভগবানেরওপর দীর্ঘ্য বিশ্বাস রাখতে হবে তিনি যা করবেন মঙ্গলের জন্য করবেন রাধে রাধে।

সংগৃহিত

‎.. ঘন্টা মাহাত্ম্যঃ‎ " ঘন্টা সর্ববাদ্যময়ী ও দেবদেব শ্রীহরির প্রিয়। এই হেতু যত্ন সহকারে ঘন্টা বাদন করা কর্তব্য। ঘন্টার র...
13/09/2025

‎.. ঘন্টা মাহাত্ম্যঃ
‎ " ঘন্টা সর্ববাদ্যময়ী ও দেবদেব শ্রীহরির প্রিয়। এই হেতু যত্ন সহকারে ঘন্টা বাদন করা কর্তব্য। ঘন্টার রবে দেবদেবেশ্বর শ্রীহরি শতমন্বন্তর ও সহস্র মন্বন্তর প্রীত থাকেন।"
" ঘন্টা সর্ববাদ্যময়ী, উহা কেশবের নিরন্তর প্রিয়তমা।শ্রীহরির সম্মুখে ঘন্টা বাদ্য করলে কোটি যজ্ঞানুষ্ঠানের পূণ্য সঞ্চার হয়ে থাকে।"
‎ (স্কন্দ পুরান, ব্রহ্মা-নারদ সংবাদ)
★ যদি ভগবানের পুজা, অর্চনা সম্পুর্ণরুপে সমাপ্ত করা নাও হয়,,তবে ঘন্টা বাদনের তা সম্পুর্ন হয়।
★ ঘন্টার মনমুগ্ধকর শব্দতরঙ্গ এক অনাবিল আত্মিক শান্তি প্রদান করে। ঘন্টা বাদনের সাথে সাথে যেন গৃহের সমস্ত অপশক্তি পলায়ন করে, হৃদয় ভয়মুক্ত হয়ে শীতল হয়ে যায়।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bakul Rudro posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share