JHP Noakhali

JHP Noakhali This is just a traditional page.

All pictures, videos and information related to Sanatan (Hindu) religion will be shared here...
plz supports us🙏🙏
🚩🚩🚩joy shree Ram..🙏🙏🙏

28/05/2026

গাইবান্ধায় হিন্দু বাড়িতে আগুন
#গৌড়ীয়_বৈষ্ণব #শ্রীমদ্ভাগবতম #সনাতন_ধর্ম #সনাতনধর্ম

বৈদিক দাম্পত্য জীবনের ১০টি মূলনীতি১. পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা:ভালোবাসার প্রকৃত ভিত্তি হলো সম্মান।স্বামী-স্ত্রী একে অপরের ম...
27/05/2026

বৈদিক দাম্পত্য জীবনের ১০টি মূলনীতি
১. পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা:
ভালোবাসার প্রকৃত ভিত্তি হলো সম্মান।
স্বামী-স্ত্রী একে অপরের মর্যাদা, অনুভূতি ও ব্যক্তিত্বকে মূল্য দিলে পরিবারে শান্তি আসে।

“When she respects you, children also will respect you…/ others also.” — শ্রীল প্রভুপাদ.

২. ঈশ্বরকেন্দ্রিক সংসার:
বৈদিক মতে পরিবার শুধু ভোগের জন্য নয়; এটি Spiritual/ আধ্যাত্মিক উন্নতির ক্ষেত্র।

একসাথে প্রার্থনা
গীতা পাঠ
নামস্মরণ
কৃতজ্ঞতা

এগুলোর সম্মিলিত প্রাকটিস সংসারে ইতিবাচক শক্তি আনে।

৩. ভালোবাসা মানে সেবা:
বৈদিক দর্শনে সত্যিকারের ভালোবাসা হলো নিঃস্বার্থ যত্ন।

অসুস্থতায় পাশে থাকা
ছোট ছোট খেয়াল রাখা
মানসিক সমর্থন দেওয়া
একে অপরের উন্নতিতে সাহায্য করা

৪. কোমল ভাষা ও সংযম:
কঠোর/ কড়া শব্দচয়ন/ কথা সম্পর্কক দুর্বল করে, কোমল ভাষা সম্পর্ককে শক্তিশালী করে। এজন্য-

রাগের সময় সংযম
অপমান না করা
চিৎকার এড়ানো
সম্মানজনক ভাষা ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৫. দায়িত্ব ভাগাভাগি:
সংসার একার নয়—এটি যৌথ যাত্রা।

অর্থনৈতিক দায়িত্ব
সন্তান লালন-পালন
পারিবারিক সিদ্ধান্ত
মানসিক সহযোগিতা

সবকিছু সহযোগিতার মাধ্যমে সুন্দর হয়।

৬. বিশ্বস্ততা ও সততা
বিশ্বাস দাম্পত্য জীবনের নিরাপত্তা তৈরি করে।

সত্য কথা বলা
প্রতারণা না করা
গোপনীয়তার অপব্যবহার না করা
প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা

৭. সন্তানের সামনে সুন্দর আচরণ:
সন্তান বাবা-মায়ের আচরণ দেখে শেখে।

যদি পরিবারে—
সম্মান থাকে,
ধৈর্য থাকে,
ভালোবাসা থাকে,
তাহলে সন্তানও emotionally secure ও সুন্দর চরিত্রের হয়।

৮. ক্ষমা ও ধৈর্য:

ভুল মানুষই করে।
দাম্পত্য জীবন টিকে থাকে ক্ষমা, বোঝাপড়া ও ধৈর্যের উপর।

"A peaceful home life is the first necessity for all successful plan.” — শ্রীল প্রভুপাদ.

৯. সংযম ও নৈতিক জীবন:

বৈদিক জীবনধারা শেখায়—
লোভ কমানো
অহংকার নিয়ন্ত্রণ
শুদ্ধ উপার্জন
নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন

এসব পরিবারে স্থিতিশীলতা আনে।

১০. “আমি” নয়, “আমরা” ভাবনা

সফল দাম্পত্যে প্রতিযোগিতা নয়—সহযোগিতা থাকে। যেমন -
একসাথে স্বপ্ন দেখা
একসাথে সমস্যা সমাধান
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা
পারিবারিক ভিশন তৈরি করা

এটাই প্রকৃত একতা।

বৈদিক দাম্পত্যের মূল মন্ত্র

🌿 শ্রদ্ধা
🌿 ভালোবাসা
🌿 সহযোগিতা
🌿 দায়িত্ববোধ
🌿 আধ্যাত্মিকতা
🌿 ধৈর্য
🌿 সততা
🌿 সংযম
🌿 কৃতজ্ঞতা
🌿 একতা

শ্রীল প্রভুপাদের কিছু শিক্ষা/ উক্তি -
> “The husband and wife should learn how to cooperate with each other in Krishna consciousness.”

> “Train up your children in Krishna consciousness, and they will never go astray.”

> “Love is expressed by giving attention to the details.”

একটি সুন্দর বৈদিক পরিবার শুধু বর্তমানকে নয় ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও সুন্দর করে গড়ে তোলে, পুরো পৃথিবীকে ইম্প্যাক্টফুল করে গড়তে সহায়তা করে।
#গৌড়ীয়_বৈষ্ণব #সনাতনধর্ম #হরে_কৃষ্ণ

হারানো বিজ্ঞপ্তিনিখোঁজ কনিকা রানী কর্মকারকে খুঁজছে পরিবারনোয়াখালীর  সোনাইমুড়ি উপজেলার ৪ নং বারোগাঁও ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড...
25/05/2026

হারানো বিজ্ঞপ্তি
নিখোঁজ কনিকা রানী কর্মকারকে খুঁজছে পরিবার

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার ৪ নং বারোগাঁও ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা কনিকা রানী কর্মকার গত ২৪ মে ২০২৬ ইং, বিকেল আনুমানিক ৪টা নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ রয়েছেন।

তিনি সমীর কর্মকারের সহধর্মিণী ও প্রণয়ের মা। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কনিকা রানী কর্মকার পূর্ব থেকেই শারীরিক ও মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থতায় ভুগছিলেন। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

যদি কোনো সহৃদয়বান ব্যক্তি তার সন্ধান পেয়ে থাকেন অথবা কোথাও দেখে থাকেন, তাহলে অনুগ্রহপূর্বক দ্রুত নিচের মোবাইল নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

📞 যোগাযোগঃ
০১৬১৩-১০৯৭৮৭
০১৮২৯-৫৫০৬৪১

মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে পরিবার।

মানিকগঞ্জে পান বিক্রেতা শ্রীবাস চন্দ্র সাহা পান বিক্রির বাকী ২০ টাকা চাওয়ায় ইশা মোল্লা তাকে প্রকাশ্যে সবার সামনে গলা টিপ...
23/05/2026

মানিকগঞ্জে পান বিক্রেতা শ্রীবাস চন্দ্র সাহা পান বিক্রির বাকী ২০ টাকা চাওয়ায় ইশা মোল্লা তাকে প্রকাশ্যে সবার সামনে গলা টিপে হtya করেছে। পুলিশ বলেছে- " আমরা ঘটনাটি শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

সামাজিকভাবে আপনার জীবনের দাম কত কম আশা করি তা বুঝতে পারছেন।
#সনাতন_ধর্ম


#শ্রীমদ্ভাগবতম

👉প্রশ্ন:---“কেন সত্যের পথ সবসময় কঠিন হয়❓🙏🙏🙏হিন্দু ধর্মের জানা অজানা কথা। 👉উত্তর:---মানুষের জীবনে সত্যের পথকে সবসময়ই ক...
20/05/2026

👉প্রশ্ন:---“কেন সত্যের পথ সবসময় কঠিন হয়❓🙏🙏🙏
হিন্দু ধর্মের জানা অজানা কথা।

👉উত্তর:---মানুষের জীবনে সত্যের পথকে সবসময়ই কঠিন বলা হয়েছে। কারণ সত্য এমন একটি শক্তি, যা মানুষকে ভিতর থেকে বদলে দেয়। মিথ্যা, অন্যায় বা প্রতারণার পথে চলা হয়তো সাময়িকভাবে সহজ মনে হয়, কিন্তু সত্যের পথে চলতে গেলে মানুষকে অনেক পরীক্ষা, কষ্ট এবং ত্যাগের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তাই শাস্ত্রে বলা হয়েছে— “সত্যের জয় হয়, কিন্তু সেই জয়ের আগে অসংখ্য পরীক্ষার আগুন পেরোতে হয়।”
শ্রীকৃষ্ণ গীতায় বলেছেন, ধর্মের পথে চলা মানুষকে কখনও কখনও একা হতে হয়। কারণ অধিকাংশ মানুষ সহজ পথ বেছে নিতে চায়, আর সত্যের পথ কখনও সহজ হয় না। সত্য মানুষকে নিজের ভুলের সামনে দাঁড় করায়। নিজের অহংকার, লোভ, রাগ এবং স্বার্থকে ত্যাগ করতে শেখায়। আর এই ত্যাগই সবচেয়ে কঠিন।
আজকের পৃথিবীতে অনেক সময় দেখা যায়, মিথ্যা বলে মানুষ দ্রুত সফল হচ্ছে। প্রতারণা করে অর্থ, সম্মান বা ক্ষমতা অর্জন করছে। তখন সত্যবাদী মানুষের মনে প্রশ্ন জাগে— “আমি সত্য পথে থেকেও এত কষ্ট পাচ্ছি কেন?” কিন্তু শাস্ত্র বলে, মিথ্যার সাফল্য সাময়িক, আর সত্যের ফল চিরস্থায়ী। সূর্য যেমন কিছু সময়ের জন্য মেঘে ঢাকা পড়ে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আলো ছড়ায়, তেমনই সত্যও একদিন প্রকাশ পায়।
সত্যের পথে চলা কঠিন হওয়ার আরেকটি কারণ হলো— সত্য মানুষকে ভয়হীন হতে শেখায়। সত্য বললে অনেক সময় নিজের কাছের মানুষও বিরোধিতা করে। সমাজ আঘাত দেয়, অপমান করে, একঘরে করার চেষ্টা করে। কারণ মানুষ সাধারণত সেই কথাই শুনতে ভালোবাসে যা তাদের স্বার্থের পক্ষে যায়। সত্য অনেক সময় তিক্ত হয়, আর তিক্ত জিনিস মানুষ সহজে গ্রহণ করতে পারে না।
মহাভারতে আমরা দেখি, যুধিষ্ঠির সবসময় সত্যের পথে চলেছেন। তিনি অসংখ্য কষ্ট সহ্য করেছেন, বনবাসে গেছেন, অপমান সহ্য করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ধর্ম ও সত্যেরই জয় হয়েছে। অন্যদিকে দুর্যোধন অন্যায়ের পথে গিয়ে সাময়িক শক্তি পেলেও শেষ রক্ষা করতে পারেনি। এই ঘটনাই শেখায়— সত্যের পথ কঠিন হতে পারে, কিন্তু সেই পথই শেষ পর্যন্ত মানুষকে সম্মান ও শান্তি দেয়।
সত্যের পথে চলতে গেলে সবচেয়ে বড় যুদ্ধটা বাইরের মানুষের সঙ্গে নয়, নিজের মনের সঙ্গে হয়। অনেক সময় পরিস্থিতি এমন আসে, যখন মিথ্যা বললে সহজে লাভ পাওয়া যায়। তখন নিজের বিবেককে ধরে রাখা খুব কঠিন। তাই শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, “যে নিজের মনকে জয় করতে পারে, সে পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ।”
অনেকেই মনে করেন, সত্যবাদী মানুষ দুর্বল হয়। কিন্তু বাস্তবে সত্য বলার সাহস সবার থাকে না। মিথ্যা বলতে মানুষকে শুধু অভিনয় করতে হয়, কিন্তু সত্য বলতে লাগে আত্মবিশ্বাস এবং পবিত্র মন। সত্যের পথে চলা মানে নিজের আত্মার কাছে পরিষ্কার থাকা। রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারা। কারণ সত্য মানুষকে ভিতর থেকে শান্তি দেয়।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো— সত্যের পথ মানুষকে ধৈর্য শেখায়। কারণ সত্যের ফল তৎক্ষণাৎ পাওয়া যায় না। একটি বীজ যেমন ধীরে ধীরে বড় গাছে পরিণত হয়, তেমনই সত্যও সময় নিয়ে ফল দেয়। কিন্তু সেই ফল স্থায়ী হয়। তাই শাস্ত্রে ধৈর্যকে ধর্মের অন্যতম গুণ বলা হয়েছে।
শ্রীকৃষ্ণ আরও বলেছেন, যখন পৃথিবীতে অন্যায় বাড়ে, তখন সত্যের পথ আরও কঠিন হয়ে যায়। কারণ অন্ধকার যত ঘন হয়, আলোকে তত বেশি লড়াই করতে হয়। কিন্তু একটি ছোট প্রদীপও যেমন গভীর অন্ধকার দূর করতে পারে, তেমনই একজন সত্যবাদী মানুষও সমাজকে বদলে দিতে পারে।
সত্যের পথ কঠিন বলেই সেই পথ মহান। যদি সত্যের পথে কোনো বাধা না থাকত, তাহলে সবাই সেই পথেই চলত। কিন্তু যে ব্যক্তি সমস্ত কষ্ট সহ্য করেও সত্য ও ধর্মকে আঁকড়ে ধরে রাখে, তিনিই প্রকৃত অর্থে শক্তিশালী এবং মহৎ মানুষ।
তাই জীবনে কখনও সত্যকে ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। হয়তো সত্যের পথে চললে কষ্ট আসবে, মানুষ ভুল বুঝবে, সময় খারাপ যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সত্যই মানুষকে সম্মান, শান্তি এবং ঈশ্বরের আশীর্বাদ এনে দেয়। কারণ শাস্ত্রে স্পষ্ট বলা হয়েছে—
“সত্যমেব জয়তে” — সত্যেরই শেষ জয় হয়।

শ্রীমতি রাধারাণীর প্রণাম মন্ত্র:-🌿🌸"তপ্ত কাঞ্চন গৌরাঙ্গীং শ্রীরাধে বৃন্দাবনেশ্বরী         বৃষভানু সূতে দেবী প্রণমামি হরি...
20/05/2026

শ্রীমতি রাধারাণীর প্রণাম মন্ত্র:-
🌿🌸"তপ্ত কাঞ্চন গৌরাঙ্গীং শ্রীরাধে বৃন্দাবনেশ্বরী
বৃষভানু সূতে দেবী প্রণমামি হরি প্রিয়ে"🌷🎉
জয় শ্রী রাধারাণী 🙏

🌀 বিবর-স্বর্গ: 🌀🔷​আমরা অনেকেই মনে করি 'পাতাল' মানেই হয়তো অন্ধকার কোনো নরক। কিন্তু শ্রীমদ্ভাগবতমের পঞ্চম স্কন্ধ আমাদের দি...
15/05/2026

🌀 বিবর-স্বর্গ: 🌀

🔷​আমরা অনেকেই মনে করি 'পাতাল' মানেই হয়তো অন্ধকার কোনো নরক। কিন্তু শ্রীমদ্ভাগবতমের পঞ্চম স্কন্ধ আমাদের দিচ্ছে এক বিস্ময়কর তথ্যের হদিস! মাটির গভীরে রয়েছে সাতটি জগত, যাকে বলা হয় 'বিবর-স্বর্গ'। এখানকার প্রযুক্তি, বৈভব আর স্থাপত্য স্বর্গের দেবতাদেরও ঈর্ষার কারণ!

​চলুন জেনে নিই এই সাতটি রহস্যময় স্তরের কথা:👇👇

​১. অতল (Atala) 🏺
​এখানে ময় দানবের পুত্র 'বল' বাস করেন। এখানকার বিলাসিতা আর মায়াবী পরিবেশ এতটাই উন্নত যে, এখানকার বাসিন্দারা কাম ও ভোগের এক অনন্য জগতে মগ্ন থাকেন।

​২. বিতল (Vitala) 🔱
​স্বয়ং মহাদেব এখানে 'হাটাকেশ্বর' রূপে অবস্থান করেন। এই স্তরে 'হাটকী' নামক এক অলৌকিক স্বর্ণের নদী প্রবাহিত হয়। এখানকার বাসিন্দারা সেই সোনা দিয়েই তাদের প্রাসাদ নির্মাণ করেন। ভাবুন তো, সোনার তৈরি আস্ত একটা শহর!

​৩. সুতল (Sutala) ✨
​পাতালের সবচেয়ে পবিত্র ও বৈভবশালী রাজ্য। এখানে বাস করেন পরম ভক্ত রাজা বলি। তাঁর ভক্তির টানে স্বয়ং ভগবান বিষ্ণু (বামন দেব) এখানকার দ্বারপাল বা পাহারাদার হিসেবে দাঁড়িয়ে থাকেন। যেখানে ভগবান স্বয়ং পাহারাদার, সেখানকার নিরাপত্তা আর শ্রী কতখানি হতে পারে?

​৪. তলাতল (Talatala) 🏗️
​স্থাপত্যের জাদুকর ময় দানবের খাস তালুক। একে বলা হয় মায়াবী প্রযুক্তির কেন্দ্র। এখানকার প্রাসাদগুলো ইচ্ছামতো আকৃতি বদলাতে পারে (Shape-shifting)। আধুনিক বিজ্ঞানের 'Advanced Robotics' বা 'Holographic Technology'-কেও হার মানাবে এখানকার মায়াবী কারিগরি।

​৫. মহাতল ও ৬. রসাতল (Mahatala & Rasatala) 🐉
​এই দুই স্তরে বাস করেন বিশালাকার নাগ এবং দুর্ধর্ষ নিবাতকবচ অসুররা। তারা এতটাই শক্তিশালী এবং উন্নত সমরবিদ্যায় পারদর্শী যে, দেবরাজ ইন্দ্রও তাদের সমীহ করে চলেন। তাদের দুর্গগুলো পাহাড়ের চেয়েও সুরক্ষিত।

​৭. পাতাল (Patala) 💎
​সর্বনিম্ন স্তর হলেও এটি সবচেয়ে উজ্জ্বল! এখানে রাজত্ব করেন নাগরাজ বাসুকী। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এখানে কোনো সূর্য নেই, তবুও এখানে অন্ধকার নেই। প্রতিটি নাগের মাথায় থাকা বিশাল মণি (Gemstone) থেকে নির্গত আলোয় পুরো পাতাল জগত সবসময় আলোকিত থাকে। একেই কি প্রাচীনকালের 'Wireless Energy' বলা যায়?

​💡 কেন এই জগতগুলো আমাদের চেয়ে উন্নত?
​বার্ধক্যহীন জীবন: এখানকার দিব্য ঔষধ এবং রত্নের প্রভাবে মানুষের মতো রোগ-শোক বা বার্ধক্য তাদের স্পর্শ করে না।
​মায়াবী প্রযুক্তি: বিদ্যুৎ নয়, বরং মন্ত্র ও রত্ন-বিজ্ঞানের সাহায্যে তারা চালায় তাদের আকাশযান ও যন্ত্র।

🙏​ভক্তির শিক্ষা: এত ঐশ্বর্য থাকা সত্ত্বেও রাজা বলির মতো ভক্ত আমাদের শেখান—সব সম্পদ ত্যাগের চেয়ে ভগবানের চরণে আত্মসমর্পণই হলো জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন।

👉​শিক্ষা: বাহ্যিক চাকচিক্য আর প্রযুক্তি আমাদের আরাম দিতে পারে, কিন্তু হৃদয়ে ভগবান না থাকলে সেই স্বর্গও আসলে এক প্রকার কারাগার। তাই আসুন, প্রযুক্তির সাথে সাথে ভক্তিকেও জীবনে স্থান দিই। 🙏✨

🙏🕉️🌺জয় শ্রী কৃষ্ণ 🌺🕉️🙏

👉 ধর্মীয় এই বিশেষ জ্ঞানটি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে পোস্টটি Share করুন। প্রতিদিন এমন সুন্দর আধ্যাত্মিক পোস্ট পেতে আমাদের সাথে থাকুন।

লাইক | কমেন্ট | শেয়ার

❌ টেক্সট কপি করবেন না প্লিজ🙏

​ #সনাতন_ধর্ম #শ্রীমদ্ভাগবতম #রহস্যময়_পাতাল

কী ঘটে যখন এই সৃষ্টির পরিচালক স্বয়ং অগ্নিদেব, পবনদেব এবং দেবরাজ ইন্দ্র বিস্মৃত হন যে তাঁদের অসীম শক্তির উৎস আসলে কে?এটি ...
14/05/2026

কী ঘটে যখন এই সৃষ্টির পরিচালক স্বয়ং অগ্নিদেব, পবনদেব এবং দেবরাজ ইন্দ্র বিস্মৃত হন যে তাঁদের অসীম শক্তির উৎস আসলে কে?
এটি সেই দিনের কাহিনী, যেদিন দেবাদিদেব মহাদেব একটি সামান্য শুষ্ক তৃণ দিয়ে দেবতাদের পর্বতসম ভ্রম ভেঙে দিয়েছিলেন।
​
​নমস্কার সুধী পাঠকগণ আমি আপনাদের লেখক SB Bubai (Sangram) আসুন আজ আপনাদের শোনাই সেই দিব্য ইতিহাসের কথা।

দেবাসুর সংগ্রামের অবসান ঘটেছে। মহাদেবের আশীর্বাদে দেবতারা অসুরদের পরাজিত করে মহাবিজয় লাভ করেছেন। কিন্তু এই বিজয় দেবতাদের হৃদয়ে এক সূক্ষ্ম অহংকারের বীজ বুনে দিলো। তাঁরা ভাবলেন, এই বীরত্ব আর অসীম তেজ তাঁদের একান্ত নিজস্ব।
​
কৈলাসে আসীন জগৎজননী মাতা পার্বতী দেবতাদের এই অধঃপতন দেখে বিচলিত হলেন। তিনি মহাদেবকে সকরুণ স্বরে বললেন, "প্রভু! আপনার দেওয়া বরদানকে দেবতারা নিজেদের শক্তি ভেবে ভুল করছেন।
এই আত্মশ্লাঘা তাঁদের পতনের কারণ হতে পারে। তাঁদের সত্যের আলোক দেখানো আজ বড্ড প্রয়োজন।"
​মহাদেব শান্ত স্বরে উত্তর দিলেন, "দেবী, সময় সমাগত।"
​
​হঠাৎ স্বর্গের মধ্যস্থলে এক অভূতপূর্ব, দিব্য এবং তেজোময় সত্তার আবির্ভাব হলো।
এটি ছিলো ভগবান শিবের "যক্ষেশ্বর" অবতার। সেই তেজের সামনে কোটি সূর্যের ঔজ্জ্বল্যও ম্লান হয়ে গিয়েছিলো।
নিজেদের শক্তির ওপর অতি-আত্মবিশ্বাসী দেবতারা কৌতূহলী হয়ে সেই রহস্যময় যক্ষের সম্মুখীন হলেন।
​
​সবার আগে দর্পভরে এগিয়ে এলেন অগ্নিদেব। গর্বের সাথে নিজের পরিচয় দিয়ে বললেন - আমি অগ্নি। আমি চাইলে পলক ফেলতেই সমগ্র সৃষ্টিকে ভস্মীভূত করতে পারি।
​
যক্ষেশ্বর স্মিত হেসে অত্যন্ত বিনম্রতার সাথে একটি শুষ্ক ঘাসের টুকরো অগ্নির সামনে রাখলেন এবং বললেন - যদি তাই হয়, তবে আপনার সমস্ত শক্তি দিয়ে এই সামান্য ঘাসটি জ্বালিয়ে দেখান।
​
অগ্নিদেব তাঁর প্রচণ্ড উত্তাপ ও প্রলয়ংকারী শক্তি প্রয়োগ করলেন। কিন্তু বিস্ময়কর বিষয় হলো - সেই প্রাণহীন তৃণের একটি প্রান্তও তিনি স্পর্শ করতে পারলেন না।
লজ্জিত অগ্নিদেব মাথা নত করে পিছিয়ে এলেন।
​
এরপর এলেন বায়ুদেব। হুংকার দিয়ে বললেন - "আমি চাইলে মহাবিশ্বকে উড়িয়ে দিতে পারি।"
​
যক্ষেশ্বর পুনরায় সেই ঘাসটির দিকে ইঙ্গিত করলেন। বায়ুদেব এক ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি করলেন, কিন্তু সেই নগণ্য তৃণটি স্বস্থান থেকে এক চুলও নড়লো না। বায়ুদেবও স্তব্ধ হয়ে গেলেন।
​
​দুই প্রধান দেবতার পরাজয়ের পর স্বয়ং দেবরাজ ইন্দ্র তাঁর বজ্র নিয়ে ধাবিত হলেন। কিন্তু ইন্দ্রের অহংকার ছিলো গভীরতম।
মহাদেব তাঁকে যক্ষ রূপে দর্শনের যোগ্যই মনে করলেন না। ইন্দ্র সেখানে পৌঁছানো মাত্রই সেই দিব্য যক্ষ অন্তর্ধান হলেন।
​
অপার ঐশ্বর্যের অধিপতি ইন্দ্র নিজেকে রিক্ত ও অসহায় অনুভব করতে লাগলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে আকাশে এক দিব্য জ্যোতি উদ্ভাসিত হলো এবং মাতা উমা (দেবী পার্বতী) আবির্ভূত হলেন।
তিনি স্নেহভরে দেবতাদের ভ্রম সংশোধন করে বললেন - "হে দেবগণ! সেই রহস্যময় যক্ষ আর কেউ নন, স্বয়ং পরমব্রহ্ম পরমেশ্বর ভগবান শিব।
তিনি আপনাদের শিক্ষা দিতে এসেছিলেন যে - এই অগ্নি, এই বায়ু, এই বিজয় - কিছুই আপনাদের নিজস্ব নয়।
মহাদেবের ইচ্ছা ব্যতীত এই ব্রহ্মাণ্ডে একটি ঘাসের টুকরোও নড়াচড়া করার ক্ষমতা রাখে না।
​
​দেবতাদের জ্ঞানের চক্ষু উন্মোচিত হলো এবং তাঁরা নতজানু হয়ে মহাদেবের স্তুতি গাইলেন।
পবিত্র কেন উপনিষদ এবং শিব পুরাণের শতরুদ্র সংহিতায় বর্ণিত যক্ষেশ্বর অবতারের এই লীলা আমাদের শেখায় যে, আমাদের সামর্থ্য ও সাফল্য আসলে সেই পরম পিতারই দান।
যিনি বিশ্বাস করেন জগতের কণা-কণায় কেবল মহাদেবেরই বাস, তিনিই প্রকৃত শিবভক্ত।

পরের লেখা মহাভারতের কোনো চারিত্রের ওপরে চান...... না মহাদেব কেনো ভগবান বিষ্ণুর কূর্ম অবতারকে বধ করেছিলেন 'সেই বিষয়ে জানতে চান.... সেটা কমেন্টে বলুন।
Writer - SB Bubai (Sangram)

নিচে Note আর Warning দেবার পরেও যারা লেখা কপি করে নিজেদের Profile বা Page এ পোস্ট করছেন কোনো রকম অনুমতি না নিয়ে.... এমনকি Credit পর্যন্ত দিচ্ছেন না তারা সাবধান হয়ে যান কারণ আমার কাছে নোটিফিকেশন আসছে আমি কিন্তু Copy Right মেরে দেবো। তখন কিন্তু Facebook আপনাদের পেইজ বা প্রোফাইল Down করে দিলে কিছু আর করার থাকবে না।

আপনারা Direct শেয়ার অপশন থেকে শেয়ার করুন এতে কোনো সমস্যা নেই।

(End)

Noted: This Text is protected under copyright law and copyrighted by Puran Kotha Samgra . Unauthorized copying, posting, may result in DMCA takedown, legal action, and Facebook account penalties. Content is tracked digitally—violators will be reported and penalized.

মহাভারতের এক না শোনা সত্য আমি,শুনতে কি তোমরা প্রস্তুত?শোনাচ্ছি এক না বলা কাহিনী,যা তোমাদের কাছে অজানা।মহাভারতের সেই রণক্...
13/05/2026

মহাভারতের এক না শোনা সত্য আমি,
শুনতে কি তোমরা প্রস্তুত?
শোনাচ্ছি এক না বলা কাহিনী,
যা তোমাদের কাছে অজানা।
মহাভারতের সেই রণক্ষেত্রে প্রতিটি বীর যোদ্ধা
ছিলেন কোনো না কোনো দেবতার অংশ,
আমি ছিলাম সেই সাধারণ মানুষ
যাকে নিয়ে গর্বিত ছিলো পুরো যদু বংশ।
​বৃষ্ণি বংশের আদরের সন্তান ছিলাম আমি,
নামে পরিচিত ছিলাম সাত্যকি,
রণক্ষেত্রে বড় বড় বীর যোদ্ধাদেরও
তুচ্ছ প্রমাণ করেছিলাম আমি।
শ্রীকৃষ্ণের সারথি দারুকের ভাই আমি,
নারায়ণী সেনার প্রধান সেনাপতি,
তবুও অধর্মের পক্ষে না দাঁড়িয়ে আমি
বেছে নিয়েছিলাম ন্যায়ের সারথি।
​

​বিদ্যার অন্বেষণে যখন ব্যাকুল ছিলো মোর মন,
খুঁজছিলাম এক আদর্শ, এক দিব্য আলোড়ন।
যদিও যদুবংশে জন্ম মোর, বীরত্বের অভাব নেই তিল,
তবু গাণ্ডীবধারীর গাণ্ডীবের ছিলায় খুঁজে পেলাম নিখুঁত মিল।
জিষ্ণু (অর্জুন) শুধু সখা নন, হলেন মোর প্রাণের গুরু,
তাঁর পদতলে বসে মোর নব জীবনের হলো শুরু।
​মোর একাগ্রতা দেখে গুরু অর্জুন হলেন প্রসন্ন,
শিষ্য হিসেবে আমায় করলেন তিনি ধন্য।
নিজের তূণীর হতে একে একে দিলেন আমায় দিব্য বাণ,
যে অস্ত্রের তেজে থরথর করে কাঁপে সৃষ্টি ও আকাশ।
ঐন্দ্র, আগ্নেয়, আর বরুণ অস্ত্রের সেই গূঢ় রহস্য,
সযত্নে সঁপে দিলেন আমায়, যেন আমি তাঁর ইষ্ট শিষ্য।
​শুনিয়েছিলেন সেই ধ্বনি যা কেবল গাণ্ডীব থেকে ছোটে,
শিখিয়েছিলেন লক্ষ্যভেদ যা বজ্র হয়ে শত্রুর বুকে ফুটে।
বললেন তিনি - "সাত্যকি রে, তুই মোর দ্বিতীয় রূপ,
তোর ধনুকের টঙ্কারে যেনো ভাঙে অন্যায়ের বিজন স্তূপ।"
গুরুর সেই আশিস সাথে নিয়ে যখন রণক্ষেত্রে নামি,
গুরু অর্জুনের ছায়া হয়েই তো কৌরবদের যমদূত হলাম আমি।
​
​বাণের প্রচণ্ড গতি ছিলো এমন,
যেনো আকাশ ছিদ্র হয়ে যেতো,
ধনুকের সামান্য টঙ্কার শুনেই
শত্রু মূর্ছিত হয়ে পড়তো।
মিত্র ধর্ম আসলে কী....
তা আমিই তো শিখিয়েছিলাম,
শান্তি সভায় আমিই তো দুর্যোধনকে
ধর্মের পথ দেখিয়েছিলাম।
​আমার রণকৌশল দেখে দেখে
সমগ্র কৌরব দল থরথর করে কাঁপতো,

তোমরা কি তাকে ভুলে গিয়েছ, যে রণভূমিতে সবার আগে অক্ষৌহিণী সৈন্য নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলো?
ভীষ্মের সঙ্গে যখন যুদ্ধ হলো,
তাকে পিছিয়ে যেতে হয়েছিলো,
আর দ্বিতীয়বারও তাকে রক্ষা করতে
আলম্বুষকে এগিয়ে আসতে হয়েছিলো।
​তারপর আলম্বুষের মায়াকেও
ইন্দ্রাস্ত্র দিয়ে আমি সরিয়ে দিয়েছিলাম,
কৌরব পক্ষের প্রায় প্রতিটি যোদ্ধাকেই আমি
সমরাঙ্গনে পরাজিত করেছিলাম।
অশ্বত্থামা যখন সমরাঙ্গনে
আমার দিকে পা বাড়িয়েছিলেন,
আমার বাণের স্বাদ গ্রহণ করে তাঁর
হুঁশ-ঠিকানা হারিয়েছিলো।
​সুদবুদ হারিয়েছিলেন অশ্বত্থামা,
মৌন হয়ে গিয়েছিলো তাঁর অস্ত্রও,
তারপর পুত্রের রক্ষার্থে রণভূমিতে
আমার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন গুরু দ্রোণ।
আমার মহান গুরুর গুরু দ্রোণও সেদিন
আমার ধনুর্বিদ্যার গুণমুগ্ধ হয়েছিলেন,
সেগুলো ক্ষত ছিলো না বরং অলঙ্কার ছিলো -
যখন গুরু নিজের শিষ্যত্বের হাতে আহত হয়েছিলেন।
​অঙ্গরাজ কর্ণ ছাড়া আর কোনো কুরু যোদ্ধা
আমাকে জয় করতে পারেনি,
কিন্তু সেই অঙ্গরাজকেও আমি রণভূমিতে
কতোবার যে হারিয়েছি!

ভুলে যেও না, চতুর্দশ দিনে যখন অর্জুন ছিলেন দূরে,
একা আমিই দ্রোণের ব্যূহ ছিন্নভিন্ন করেছিলাম,
এক দিনে কৌরবদের বহু অক্ষৌহিণী সেনাকে
আমি একাই যমালয়ে পাঠিয়েছিলাম।
​যখন জয়দ্রথ বধ করার জন্য
অর্জুনকে আগে এগিয়ে যেতে হয়েছিলো,
তখন সম্রাট যুধিষ্ঠিরের রক্ষার্থে গাণ্ডীবধারী
আমাকে নিজের সমান যোগ্য মনে করেছিলেন।
প্রচণ্ড রূপে গুরু দ্রোণ যখন
উত্তম প্রতিদ্বন্দ্বীর অভাবে ছিলেন,
আমার বাণের স্বাদ পেয়েছিলেন
এবং রক্তরঞ্জিত হয়েছিলেন।
​
​একাকী যখন ক্লান্ত আমি, কৌরব ব্যূহ মাঝে,
শ্রান্ত দেহ, শূন্য তূণীর, নিশি নামল সাঁঝে।
ভুরিশ্রবা এলো কাল হয়ে, মহাদেবের বরে বলীয়ান,
আমার পরাজয় ললাটে লেখা, ক্ষুণ্ণ হলো সম্মান।
নিঃশস্ত্র আমায় কেশে ধরি যখন মৃত্যু দিতে চাইলো,
​এই অধর্মী সমাজের কারণেই
গুড়াকেশ নিজের পুত্রকে হারিয়েছিলেন,
এবং আবারও সেই অধর্ম দেখে গুরু আমার
আকাশ বিদীর্ণ কারি গাণ্ডীবের হুঙ্কার দিলেন!
​দূরে থেকেও গুরুর চোখ ছিলো শিষ্যেরই ওপর,
অর্জুনের বাণ কাটলো সেই হাত, যা ছিলো খড়গ কঠোর।
"সাত্যকি মোর প্রাণসম" - গর্জে উঠলেন পার্থ বীর,
গুরুর কৃপায় জীবন ফিরে পেলাম, চোখে মোর এলো জল।
লোকে বলে অধর্ম সেথা, বলে অর্জুন বীর নন,
কিন্তু গুরু কি সইতে পারেন প্রিয় শিষ্যের বিসর্জন?
​
​জীবনে বিদ্যার গুরুত্ব কতখানি...
তা সাত্যকি তোমাদের শেখায়,
যখন গুরুকুলের বাল্যবন্ধু জিষ্ণুকে
সে নিজের গুরু হিসেবে মেনে নেয়।
প্রতিটি যোদ্ধা হেরেছিলো আমার কাছে,
এমনই ছিলো সেই ভয়ঙ্কর যুদ্ধ,
ভীম ও অর্জুনের প্রতিজ্ঞার মান রাখতে আমি
সবাইকে প্রাণদান দিয়েছিলাম।
​সবাই বারণ করা সত্ত্বেও আমি
ভুরিশ্রবার মস্তক ভূমিতে ফেলে দিয়েছিলাম,
অনর্থ ঘটেছিল আমার হাতেও...
আমি আমার বিবেক হারিয়েছিলাম।

লোকে বলে আমি ক্রোধী, আমি অধর্মী,
কিন্তু কেউ কি বুঝেছিলো আমার সেই হাহাকার?
ভুরিশ্রবা যখন আমার চুল ধরে অপমান করছিলো,
কোথায় ছিলো তখন ধর্মের বিচার?
​মহাভারতের শেষেও আমি বেঁচে ছিলাম,
যদুবংশের ধ্বংস দেখেছি নিজ নয়নে,
প্রভাস তীর্থে যখন সবাই মত্ত কলহে,
আমিই প্রথম অস্ত্র তুলেছিলাম ন্যায়ের কারণে।
​দুর্যোধনও তো আমার মিত্র ছিলো,
কিন্তু আমি ছিলাম গাণ্ডীবধারীর সাথে,
হে বন্ধু, প্রতিটি পাণ্ডবই ছিলেন শ্রেষ্ঠ
তাই তো কৃষ্ণ মুরারি ছিলেন তাঁদের সাথে।
এখন ধর্ম ও কর্মই যদি শ্রেষ্ঠ হয় তবে
কেনো অধর্মের কুৎসিত জাল বুনবো?
দুর্যোধন ও কর্ণকে ত্যাগ করে আমি কেনো না
গাণ্ডীবধারীর সাথে সেই গোপালকেই বাছবো?

আজকের এই কলিযুগে দাঁড়িয়ে যখন শুনি অর্বাচীনের আস্ফালন....
বিদীর্ণ হয় মোর হিয়া, জাগে এক তীব্র দহন।
যাঁকে নিয়ে তোমরা আজ মাতামাতি করো, সেই কর্ণের বীরত্ব.... আমার গাণ্ডীবধারীর সামনে ছিলো তাসের ঘরের মতো নশ্বরত্ব।
লোকে বলে কর্ণ দানবীর, বলে সে-ই শ্রেষ্ঠ ধনুর্ধর,
কিন্তু তারা কি দেখেছে আমার গুরুর সেই দিব্য তেজের থরথর?

যাঁকে তোমরা 'ছলনা' বলো, তা ছিলো ধর্মেরই বিধান,
মোর গুরু অর্জুনের পায়ে লুটাতো সহস্র কর্ণের মান।
​ধিক্ সেই আধুনিক তর্কাচারীদের, যারা গুরুকে করে ঘৃণা,
অর্জুন না থাকলে কি বাজতো আজ ধর্মের এই জয়বীণা?
আজকালকার বাজারে দেখি গুরুর চেয়ে শিষ্যের বড়াই বেশি,....

সাত্যকি কি তবে ভুলে যাবে সেই দিব্য বাণের হাসি?
লোকে বলে অর্জুন নাকি অর্ধাঙ্গ ছেদ করেছিলেন ভুরিশ্রবার...
কিন্তু কেউ কি দেখেছে সাত্যকির রক্তে ভেজা সেই হাহাকার?
মোর গুরুর অপমান সইবো না আমি, থাকবো হয়ে তাঁর ছায়া,....
অর্জুন মানেই সত্যের জ্যোতি, বাকি সবটাই কর্ণের মায়া।
​
​তাই শোনো হে মর্ত্যের জীব, সত্যকে করো হৃদয়ঙ্গম,
ধর্মের পথে কৃষ্ণ যেখানে, বিজয় সেখানে মনোরম।
আমি সাত্যকি, গুরুর চরণে সঁপেছি মোর পরিচয়,
যুগে যুগে অর্জুন আর কৃষ্ণেরই হবে শেষ জয়।
কর্ণের কবচ নয়, অর্জুনের লক্ষ্যভেদই হোক তোমার আদর্শ,
তবেই পাবে জীবনে তুমি সেই দিব্য আলোর স্পর্শ।

আজকের লেখা একটু নতুন ধরণের কবিতার মাধ্যমে সাত্যকির সম্পূর্ন জীবন তুলে ধরেছি.... আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।

পরিবর্তী কবিতা মহাভারতের কোন চরিত্রের ওপরে চান সেটা কমেন্ট করে বলুন।
Writer - SB Bubai (Sangram)

নিচে Note আর Warning দেবার পরেও যারা লেখা কপি করে নিজেদের Profile বা Page এ পোস্ট করছেন কোনো রকম অনুমতি না নিয়ে.... এমনকি Credit পর্যন্ত দিচ্ছেন না তারা সাবধান হয়ে যান কারণ আমার কাছে নোটিফিকেশন আসছে আমি কিন্তু Copy Right মেরে দেবো। তখন কিন্তু Facebook আপনাদের পেইজ বা প্রোফাইল Down করে দিলে কিছু আর করার থাকবে না।

আপনারা Direct শেয়ার অপশন থেকে শেয়ার করুন এতে কোনো সমস্যা নেই।

(End)

Noted: This Text is protected under copyright law and copyrighted by Puran Kotha Samgra . Unauthorized copying, posting, may result in DMCA takedown, legal action, and Facebook account penalties. Content is tracked digitally—violators will be reported and penalized.

Address

Noakhali, Maijdee
Chittagong
3800

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when JHP Noakhali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share