ইসলামিক জীবন চাই।

ইসলামিক জীবন চাই। Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ইসলামিক জীবন চাই।, Chittagong.

এই পেইজে আপনাকে স্বাগতম। ইসলামের বিধি-বিধান অনুযায়ী জীবন-যাপন করতে এই পেইজের সাথে সংযুক্ত থাকুন। যা পবিত্র কুরআনুল কারীমের বাণী, নবী কারীম(সাঃ) এঁর সুন্নাত এবং হাদিসের বানী সমূহ আপনাকে ইসলামের পূর্ণাঙ্গ জীবন যাপন করতে সাহায্য-সহযোগিতা করতে পারে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:"তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেককেই তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্...
28/07/2026

রাসূলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
"তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেককেই তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।"

— সহীহ আল-বুখারী, হাদিস: ৮৯৩; সহীহ মুসলিম, হাদিস: ১৮২৯

এই হাদিসে রাসূল ﷺ আমাদের শেখাচ্ছেন যে, আল্লাহ প্রত্যেক মানুষকে কোনো না কোনো দায়িত্ব দিয়েছেন। সেই দায়িত্ব পালন করা শুধু নৈতিক কর্তব্য নয়, বরং কিয়ামতের দিন এর হিসাবও দিতে হবে।

তিনি এরপর বিভিন্ন দায়িত্বের উদাহরণ দিয়েছেন:

১. শাসক তার অধীনস্থ জনগণের ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে।
২. পরিবারের কর্তা (স্বামী/পিতা) তার পরিবারের দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে।
৩. স্ত্রী স্বামীর ঘর ও সন্তানদের দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে।
৪. কর্মচারী বা আমানতদার তার কাছে অর্পিত সম্পদ ও দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে।

অর্থাৎ, যার ওপর যতটুকু দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে, সে ততটুকুর জন্য আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করবে।

আল্লাহ তাআলা বলেন:

"হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবারকে সেই আগুন থেকে রক্ষা কর, যার জ্বালানি হবে মানুষ ও পাথর।"
— সূরা আত-তাহরীম, ৬

এই আয়াত প্রমাণ করে যে, একজন মুসলিমের দায়িত্ব শুধু নিজের ইবাদত করা নয়; বরং পরিবারকে সালাত, কুরআন, ইসলামী আদব-আখলাক ও আল্লাহভীতির শিক্ষা দেওয়া।

দায়িত্বশীলতার বাস্তব রূপ।

একজন মুমিনের দায়িত্ব হলো—

পাঁচ ওয়াক্ত সালাত প্রতিষ্ঠা করা এবং পরিবারকে সালাতে উৎসাহিত করা।
হালাল উপার্জন করা এবং হারাম থেকে বেঁচে থাকা।

সন্তানদের কুরআন, সুন্নাহ ও উত্তম চরিত্রের শিক্ষা দেওয়া।

স্ত্রী-সন্তানের হক আদায় করা।

মানুষের আমানত ও অধিকার রক্ষা করা।
নিজের প্রতিটি কথা ও কাজের জন্য আল্লাহর ভয় রাখা।


fans

আল্লাহ তাআলা বলেন:“তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ করো এবং দেখ যে, মিথ্যারোপকারীদের পরিণতি কেমন হয়েছে।”— সূরা আলে ইমরান, ৩:১৩৭এই আয়...
28/07/2026

আল্লাহ তাআলা বলেন:
“তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ করো এবং দেখ যে, মিথ্যারোপকারীদের পরিণতি কেমন হয়েছে।”
— সূরা আলে ইমরান, ৩:১৩৭

এই আয়াতটি মানুষের জন্য একটি গভীর শিক্ষা ও সতর্কবাণী। আল্লাহ তাআলা শুধু অতীতের ইতিহাস জানিয়ে ক্ষান্ত হননি; বরং মানুষকে পৃথিবীতে ভ্রমণ করে নিজের চোখে অতীত জাতিগুলোর ধ্বংসাবশেষ দেখে শিক্ষা গ্রহণ করতে বলেছেন।

আয়াতের প্রেক্ষাপট

উহুদের যুদ্ধে মুসলিমদের সাময়িক বিপর্যয়ের পর এই আয়াত নাযিল হয়। কিছু সাহাবী মনোবল হারিয়ে ফেলেছিলেন। তখন আল্লাহ স্মরণ করিয়ে দিলেন—এটি নতুন কিছু নয়। পূর্ববর্তী যুগেও আল্লাহর রাসূলদের অস্বীকারকারীরা সাময়িকভাবে শক্তিশালী মনে হয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা ধ্বংস হয়েছে এবং সত্যেরই বিজয় হয়েছে।

“পৃথিবীতে ভ্রমণ করো”—এর উদ্দেশ্য

এখানে ভ্রমণ শুধু বিনোদনের জন্য নয়; বরং চিন্তা, গবেষণা এবং শিক্ষা অর্জনের জন্য।

ভ্রমণের মাধ্যমে মানুষ দেখতে পারে—

* আদ, সামূদ, মাদইয়ান ও ফিরআউনের সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ।
* ক্ষমতা, সম্পদ ও প্রযুক্তি থাকা সত্ত্বেও আল্লাহর অবাধ্যতা কী ভয়াবহ পরিণতি ডেকে এনেছিল।
* সত্যকে অস্বীকার করলে কোনো জাতিই আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষা পায় না।

আল্লাহ অন্যত্র বলেন:

“তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করেনি, যাতে দেখে তাদের পূর্ববর্তীদের পরিণতি কী হয়েছিল?”
— সূরা আর-রূম, ৩০:৯

“মিথ্যারোপকারীদের পরিণতি”

এখানে “মিথ্যারোপকারী” বলতে বোঝানো হয়েছে যারা—

* আল্লাহর আয়াতকে অস্বীকার করেছে,
* রাসূলদের মিথ্যাবাদী বলেছে,
* অহংকার ও জুলুম করেছে,
* মানুষকে সত্যের পথ থেকে ফিরিয়ে দিয়েছে।

তাদের কেউ ঝড়ে ধ্বংস হয়েছে, কেউ ভূমিকম্পে, কেউ বিকট শব্দে, আবার কেউ পানিতে ডুবে। আর যারা তওবা না করেই মারা গেছে, তাদের জন্য আখিরাতে আরও কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে।

কুরআনের অন্যান্য আয়াতের সমর্থন

আল্লাহ বলেন:

“তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করেনি, যাতে তাদের অন্তর হয় যা দিয়ে তারা অনুধাবন করবে?”
— সূরা আল-হাজ্জ, ২২:৪৬

আরও বলেন:

“নিশ্চয়ই তাদের ঘটনাবলিতে বুদ্ধিমানদের জন্য শিক্ষা রয়েছে।”
— সূরা ইউসুফ, ১২:১১১

হাদিসের আলোকে শিক্ষা

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

“বুদ্ধিমান সেই ব্যক্তি, যে নিজের নফসের হিসাব নেয় এবং মৃত্যুর পরের জীবনের জন্য আমল করে।”
— সুনান আত-তিরমিযি, হাদিস: ২৪৫৯ (হাসান)

অতীত জাতির ধ্বংসাবশেষ দেখে একজন মুমিন নিজের জীবনকে মূল্যায়ন করে এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসে।

আমাদের জন্য শিক্ষণীয় বিষয়

১. ইতিহাস শুধু জানার বিষয় নয়; শিক্ষা গ্রহণের বিষয়।
২. সাময়িক ক্ষমতা, ধন-সম্পদ ও সভ্যতা আল্লাহর শাস্তি ঠেকাতে পারে না।
৩. সত্যকে অস্বীকার ও অহংকার একটি জাতির পতনের প্রধান কারণ।
৪. পৃথিবী ভ্রমণ করলে আল্লাহর নিদর্শন ও ইতিহাস নিয়ে চিন্তা করা উচিত।
৫. অতীতের পরিণতি দেখে নিজের ঈমান, আমল ও চরিত্র সংশোধন করাই এই আয়াতের মূল উদ্দেশ্য।

আর যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, ধৈর্য ধারণ করে এবং সত্যের ওপর অবিচল থাকে, তাদের জন্য দুনিয়ায় সম্মান এবং আখিরাতে চিরস্থায়ী সফলতা নির্ধারিত।

আল্লাহ আমাদের কুরআনের আয়াত থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে সত্যের পথে অবিচল থাকার তাওফীক দান করুন। আমীন।



fans

"হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান কর যারা আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয় আর আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বান...
28/07/2026

"হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান কর যারা আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয় আর আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানিয়ে দাও।"
-(সুরা আল-ফুরকান- ৭৪)

এই দোয়া আল্লাহর নেক বান্দাদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। তারা শুধু নিজের ইবাদত নিয়েই ব্যস্ত থাকে না; বরং এমন পরিবার কামনা করে, যারা আল্লাহর আনুগত্যে জীবন কাটাবে এবং পরস্পরকে জান্নাতের পথে সাহায্য করবে।

"যারা আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয়"

"কুররাতা আ'ইউন" (قُرَّةَ أَعْيُنٍ) অর্থ এমন প্রশান্তি, যা অন্তরকে তৃপ্ত করে এবং চোখকে শীতল করে।

এর অর্থ:
স্ত্রী বা স্বামী আল্লাহভীরু হবে। সন্তান দ্বীনদার ও উত্তম চরিত্রের হবে। পরিবার আল্লাহর আনুগত্যে একে অপরকে সহযোগিতা করবে।

ইমাম ইবন কাসীর (রহ.) বলেন, এই দোয়ার অর্থ হলো— এমন স্ত্রী ও সন্তান, যারা আল্লাহর ইবাদতে অগ্রগামী হবে এবং তাদের নেক আমল দেখে মুমিনের হৃদয় প্রশান্ত হবে।

"আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানিয়ে দিন"

এখানে নেতৃত্ব বলতে ক্ষমতা বা মর্যাদা অর্জন বোঝানো হয়নি। বরং অর্থ হলো— নিজের চরিত্রে উত্তম হওয়া।

তাকওয়া ও নেক আমলে অন্যদের জন্য আদর্শ হওয়া।

মানুষ যেন আমাদের দেখে আল্লাহর পথে চলতে উৎসাহিত হয়।

এটি দুনিয়ার সম্মানের চেয়ে আখিরাতের মর্যাদা অর্জনের দোয়া।

আল্লাহ বলেন:

"তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবারকে সেই আগুন থেকে রক্ষা কর, যার জ্বালানি হবে মানুষ ও পাথর।"
— সূরা আত-তাহরীম, ৬

এই আয়াত প্রমাণ করে যে, একজন মুমিনের দায়িত্ব শুধু নিজের ঈমান রক্ষা নয়; বরং পরিবারকে দ্বীনের শিক্ষা দেওয়া এবং আল্লাহর পথে পরিচালিত করাও তার দায়িত্ব।

রাসূল ﷺ বলেছেন:
"তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেককেই তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।"
— সহীহ আল-বুখারী, হাদিস ৮৯৩; সহীহ মুসলিম, হাদিস ১৮২৯

অর্থাৎ, পরিবারকে দ্বীনের পথে পরিচালিত করা একজন অভিভাবকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।

আরও একটি হাদিসে রাসূল ﷺ বলেছেন:

"মানুষ মারা গেলে তার সব আমল বন্ধ হয়ে যায়; তবে তিনটি আমল চলতে থাকে— সদকায়ে জারিয়া, উপকারী জ্ঞান এবং নেক সন্তান, যে তার জন্য দোয়া করে।"
— সহীহ মুসলিম, হাদিস ১৬৩১

এ থেকে বোঝা যায়, নেক সন্তান আল্লাহর অন্যতম বড় নিয়ামত।

আল্লাহ বলেন:“যে ইচ্ছা করে সে ঈমান আনুক, আর যে ইচ্ছা করে সে কুফরি করুক।” — সূরা আল-কাহফ ১৮:২৯আবার আল্লাহ বলেন:“মানুষের জন...
28/07/2026

আল্লাহ বলেন:
“যে ইচ্ছা করে সে ঈমান আনুক, আর যে ইচ্ছা করে সে কুফরি করুক।”
— সূরা আল-কাহফ ১৮:২৯

আবার আল্লাহ বলেন:
“মানুষের জন্য তাই আছে, যার জন্য সে চেষ্টা করে।”
— সূরা আন-নাজম ৫৩:৩৯

17/07/2026
15/07/2026

অন্যের জমি জোরপূর্বক দখল করা ইসলামে একটি গুরুতর জুলুম এবং হারাম।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন:
"তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করো না।"
— সূরা আল-বাকারা, ২:১৮৮
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
"যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে এক বিঘত (এক হাত পরিমাণ) জমিও দখল করবে, কিয়ামতের দিন তার গলায় সাত স্তর জমিন পরিয়ে দেওয়া হবে।"
— সহিহ আল-বুখারি, সহিহ মুসলিম
এ থেকে বোঝা যায়:
অন্যের জমি দখল করা বড় গুনাহ।
দখলকৃত সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়া এবং মালিকের কাছে ক্ষমা চাওয়া তাওবার অংশ।
ইসলামে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের হক আদায়ের প্রতি অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সকল প্রকার জুলুম থেকে হেফাজত করুন এবং মানুষের হক যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

এক চোখা কানা দা*_জ্জাল! ইহু*দিদের ইমাম!দাজ্জালের সঙ্গে জান্নাত ও জাহান্নাম থাকবে। কিন্তু তার জাহান্নাম হবে প্রকৃতপক্ষে জ...
09/07/2026

এক চোখা কানা দা*_জ্জাল! ইহু*দিদের ইমাম!
দাজ্জালের সঙ্গে জান্নাত ও জাহান্নাম থাকবে।
কিন্তু তার জাহান্নাম হবে প্রকৃতপক্ষে জান্নাত, আর তার জান্নাত হবে প্রকৃতপক্ষে জাহান্নাম।

কিন্তু তারপরও মানুষ হন্য হয়ে ছুটবে দাজ্জালের জান্নাত নেয়ার জন্য!
কিন্তু আসলে সেটা তো জান্নাত হবে না, সেটা প্রকৃতপক্ষে জাহান্নাম।

নারী জাতিকে তো খাটের পায়ার সাথেও বেঁধে রাখা যাবে না!

একমাত্র প্রকৃত মুমিনরাই জীবনের বিনিময়ে হলেও তার জাহান্নামকে বেছে নেবে অতঃপর জুলুমের শিকার হবে!

যারা প্রকৃতপক্ষে ঈমানদার হতে পারবে না, আল্লাহ তায়ালার নিকট আনুগত্যশীল হতে পারবে না, তারা দাজ্জালীয় ফিতনার ভয়ানক আগ্রাসন দ্বারা পাকড়াও হবে।

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কিয়ামতের দিনের সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্যগুলোর একটি তুলে ধরে সূরা আল-ফাজর-এর ২৩–২৬ নম্বর আয়াতে। এই আয়...
08/07/2026

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কিয়ামতের দিনের সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্যগুলোর একটি তুলে ধরে সূরা আল-ফাজর-এর ২৩–২৬ নম্বর আয়াতে। এই আয়াতগুলো মানুষকে সতর্ক করে যে অনুতাপের সময় একদিন শেষ হয়ে যাবে।

আরবি ও বাংলা অর্থ

২৩.
وَجِا۟ىٓءَ يَوْمَئِذٍۭ بِجَهَنَّمَ ۚ يَوْمَئِذٍۢ يَتَذَكَّرُ ٱلْإِنسَـٰنُ وَأَنَّىٰ لَهُ ٱلذِّكْرَىٰ

“সেদিন জাহান্নামকে উপস্থিত করা হবে। সেদিন মানুষ উপলব্ধি করবে (নিজের ভুল), কিন্তু তখন সেই উপলব্ধি তার কী উপকারে আসবে?”

* কিয়ামতের দিন জাহান্নামকে এমনভাবে সামনে আনা হবে যে মানুষ তা নিজের চোখে দেখতে পাবে।
* তখন মানুষ তার গাফিলতি, অহংকার ও পাপের কথা স্মরণ করবে।
* কিন্তু সেই স্মরণ আর কোনো উপকার করবে না; কারণ পরীক্ষার সময় শেষ হয়ে যাবে।

শিক্ষা:
সত্য উপলব্ধি করার সর্বোত্তম সময় আজ—মৃত্যুর আগে, বিচার দিবসের আগে।

২৪.
يَقُولُ يَـٰلَيْتَنِى قَدَّمْتُ لِحَيَاتِى

“সে বলবে, হায়! যদি আমি আমার (চিরস্থায়ী) জীবনের জন্য কিছু আগে পাঠিয়ে রাখতাম!”

এখানে “আমার জীবন” বলতে দুনিয়ার জীবন নয়; বরং আখিরাতের চিরন্তন জীবন বোঝানো হয়েছে।

মানুষ তখন বুঝবে—

* দুনিয়ার জীবন ছিল অস্থায়ী।
* প্রকৃত জীবন ছিল আখিরাত।
* নামাজ, দান, তাকওয়া, সৎকর্ম এসবই ছিল ভবিষ্যৎ জীবনের পুঁজি।

কিন্তু তখন আর ফিরে গিয়ে একটি সৎকাজও করার সুযোগ থাকবে না।

২৫.
فَيَوْمَئِذٍۢ لَّا يُعَذِّبُ عَذَابَهُۥٓ أَحَدٌ

“সেদিন আল্লাহর মতো শাস্তি আর কেউ দিতে পারবে না।”

এটি আল্লাহর ন্যায়বিচারের ঘোষণা।

* পৃথিবীতে মানুষ বিভিন্ন শাস্তি দেয়।
* কিন্তু আখিরাতের শাস্তি হবে অতুলনীয় এবং সম্পূর্ণ ন্যায়ভিত্তিক।
* কেউ আল্লাহর শাস্তির সমতুল্য শাস্তি দিতে সক্ষম নয়।
"এটি আল্লাহর পরিপূর্ণ ক্ষমতারও প্রকাশ।"

২৬.
وَلَا يُوثِقُ وَثَاقَهُۥٓ أَحَدٌ

“এবং তাঁর মতো করে কেউ বেঁধে রাখতে পারবে না।”

অপরাধীরা এমনভাবে আবদ্ধ হবে, যা থেকে পালানোর কোনো উপায় থাকবে না।

এটি বোঝায়—

* আল্লাহর বিচার থেকে কেউ পালাতে পারবে না।
* তাঁর শাস্তি ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে কোনো শক্তি নেই।
* যারা সত্যকে অস্বীকার করে সীমালঙ্ঘন করেছে, তাদের জন্য এটি চূড়ান্ত পরিণতি।

এখানে আয়াতের মূল শিক্ষা-

১. জাহান্নাম বাস্তব, এবং একদিন তা মানুষের সামনে উপস্থিত করা হবে।
২. অনুতাপেরও সময়সীমা আছে; মৃত্যুর পর বা কিয়ামতের দিন অনুশোচনা আর উপকারে আসবে না।
৩. দুনিয়া ক্ষণস্থায়ী, আখিরাতই প্রকৃত জীবন। তাই প্রতিটি সৎকাজ আখিরাতের জন্য বিনিয়োগ।
৪. আল্লাহর বিচার পরিপূর্ণ ন্যায়বিচার, তাঁর শাস্তি ও ক্ষমতার তুলনা নেই।
৫. আজকের ঈমান, তাওবা ও নেক আমলই আগামী দিনের মুক্তির একমাত্র পুঁজি।

সংক্ষেপে:
সূরা আল-ফাজরের ২৩–২৬ নম্বর আয়াত মানুষকে একটি গভীর বাস্তবতার সামনে দাঁড় করায় যে একদিন এমন সময় আসবে, যখন সব সত্য স্পষ্ট হয়ে যাবে। কিন্তু তখন অনুতাপের দরজা বন্ধ থাকবে।
তাই কুরআনের আহ্বান হলো: সুযোগ থাকা অবস্থায় আল্লাহর দিকে ফিরে আসো, কারণ আখিরাতের জন্য প্রস্তুতিই মানুষের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

ইয়া রব্বাল আলামীন আপনি আমদের কুরআনের আলকে জীবন পরিচালনা করার তৌফিক দান করূন। আমীন। আমীন।




fans

কর্মের হিসাব।সবাই হাদিসটি শেয়ার করে অপরকে দেখার সুযোগ করে দিন।
03/07/2026

কর্মের হিসাব।
সবাই হাদিসটি শেয়ার করে অপরকে দেখার সুযোগ করে দিন।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামিক জীবন চাই। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share