আঞ্জুমনে তবলীগে শরীয়ত ও তরীক্বত

আঞ্জুমনে তবলীগে শরীয়ত ও তরীক্বত দরবারে আলীয়া গারাংগিয়ার শরিয়ত ভিত্তিক তরিকতের আধ্যাত্মিক সংগঠন।

জুম'আ মোবারক
07/08/2026

জুম'আ মোবারক

22/07/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু, ইনশাআল্লাহ, আজ বুধবার বাদ মাগরিব থেকে আঞ্জুমানে তবলীগে শরীয়ত ও তরিকত চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যোগে চট্টগ্রাম মহানগরস্থ টেরীবাজার আমান আলী টাওয়ারের ৫ম তলায় অবস্থিত গারাংগিয়া খানেকাহ মসজিদ কমপ্লেক্সে মাসিক তরিকতের জিকির,তালিম ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে, উক্ত মাহফিলে সভাপতিত্ব করবেন আমান আলী টাওয়ারের স্বত্বাধিকারী আলহাজ্ব আহমদ হোসেন চৌধুরী সাহেব,তশরিফ আনবেন হযরত শাহ সুফি মাওলানা আবুল হাসেম সাহেব (ম,জি,আ,) এতে বহু ওলামায়ে কেরাম ও বুযুর্গানে দিন তশরিফ আনবেন সকলের প্রতি দ্বীনি দাওয়াত রইলো। যোগাযোগ:= আরিফ (খাদেম) ০১৮৭৫৫২৫২৯৫

17/06/2026

আলহামদুলিল্লাহ আমাদের আজকের মাহফিলের জিকিরের কিছু অংশ দেওয়া হল।

ঈদ মোবারক।
26/05/2026

ঈদ মোবারক।

আয়াতের তাফসীর :بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِاُولٰٓئِکَ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا بِاٰیٰتِ رَبِّہِمۡ وَ لِقَآئِہٖ فَ...
01/05/2026

আয়াতের তাফসীর :
بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
اُولٰٓئِکَ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا بِاٰیٰتِ رَبِّہِمۡ وَ لِقَآئِہٖ فَحَبِطَتۡ اَعۡمَالُہُمۡ فَلَا نُقِیۡمُ لَہُمۡ یَوۡمَ الۡقِیٰمَۃِ وَزۡنًا ﴿۱۰۵﴾
তারা হল সে সব লোক যারা তাদের প্রতিপালকের নিদর্শন ও তাঁর সাথে সাক্ষাৎকে অমান্য করে। যার ফলে তাদের যাবতীয় ‘আমাল নিস্ফল হয়ে গেছে। কিয়ামাতের দিন আমি তাদের (কাজের) জন্য কোন ওজন কায়িম করব না (অর্থাৎ তাদের এ সব ‘আমাল ওজনযোগ্য হিসেবে গণ্য করা হবে না)। ১০৩-১০৬ নং আয়াতের তাফসীর: হযরত মুসআব (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ “আমি আমার পিতা অর্থাৎ হযরত সা'দ ইবনু আবি ওয়াক্কাসকে (রাঃ) আল্লাহ তাআলার (আরবী) এই উক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে, এর দ্বারা কি হারুরিয়্যা বা খারেজীদেরকে বুঝানো হয়েছে? তিনি উত্তরে বলেনঃ “না, বরং এর দ্বারা ইয়াহুদী ও খৃস্টানরা উদ্দেশ্য। ইয়াহূদীরা রাসূলুল্লাহকে (সঃ) মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে। আর খৃস্টানরা জান্নাতকে অস্বীকার করেছে এবং বলেছে যে, সেখানে খাদ্য ও পানীয় কিছুই নেই। হাঁ তবে খারেজীরা আল্লাহর প্রতিশ্রুতিকে দৃঢ়তার পর ভঙ্গ করে দিয়েছে।" (এটা ইমাম বুখারী (রঃ) বর্ণনা করেছেন) হযরত সা'দ (রাঃ)। খারেজীদেরকে ফাসেক বলতেন। হযরত আলী (রাঃ) প্রভৃতি সাহাবীদের মতে এর দ্বারা খারেজীরাই উদ্দেশ্য। ভাবার্থ এই যে, এই আয়াত দ্বারা যেমন ইয়াহুদী ও খৃস্টানরা উদ্দেশ্য, অনুরূপভাবে খারেজীরাও এর অন্তর্ভুক্ত। কেননা, আয়াতটি সাধারণ। যে কেউই আল্লাহ তাআলার ইবাদত ও আনুগত্য ঐ পন্থায় করবে, যে পন্থা আল্লাহ তাআলার নিকট পছন্দনীয় নয়, তারা সবাই এই হুকুমের অন্তর্ভুক্ত। যদিও তারা নিজেদের আমলে খুশী হয় এবং মনে করে নেয় যে, তারা আখেরাতের পাথেয় অনেক কিছু সংগ্রহ করে নিয়েছে এবং তাদের নেক আমল আল্লাহ তাআলার নিকট পছন্দনীয় ও তাদের সৎ আমলের বিনিময় তারা অবশ্যই লাভ করবে। কিন্তু তাদের এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। তাদের আমল আল্লাহ তাআলার নিকট গ্রহনীয় নয়, বরং বর্জনীয়। তার ভুল ধারণাকারী লোক। এটা মক্কায় অবতারিত আয়াত। আর এটা প্রকাশ্য কথা যে, মক্কায় অবতারিত আয়াতগুলি দ্বারা ইয়াহুদী ও খৃস্টানদেরকে সম্বোধন করা হয় নাই এবং তখন পর্যন্ত খারেজীদের তো কোন অস্তিত্বই ছিল না। সুতরাং ঐ গুরুজনদের উদ্দেশ্য এটাই যে, আয়াতের সাধারণ শব্দগুলি এদের সবাইকে এবং এদের মত অন্য যারা রয়েছে তাদের সবাইকে এই হুকুমের অন্তর্ভুক্ত করে। যেমন সূরায়ে গাশিয়াতে রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “বহু মুখমণ্ডল সেই দিন লাঞ্ছিত, কষ্টভোগী (এবং কষ্টভোগের দরুন) কাতর হবে। (তারা) দগ্ধকারী অগ্নিতে প্রবেশ করবে।” (৮৮:২-৪) আর এক জায়গায় রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “সামনে বেড়ে গিয়ে আমি তাদের কৃত সমস্ত আমলকে বেকার ও মূল্যহীন করে দিবো।” (২৫:২৩) আর এক জায়গায় আছেঃ (আরবী) অর্থাৎ ‘যারা কাফির, তাদের আমলসমূহ যেন একটি মরুভূমির মরিচিকা, পিপাসার্ত লোক যাকে পানি বলে মনে করে; শেষ পর্যন্ত যখন ওর নিকট পৌঁছে তখন ওকে কিছুই পায় না।” (২৪:৩৯) এরা ঐ সব লোক যারা নিজেদের পন্থায় ইবাদত ও আমল তো করে এবং মনেও করে যে, তারা অনেক কিছু পূণ্যময় কাজ করলো এবং সেগুলো আল্লাহ তাআলার নিকট গ্রহণীয় ও পছন্দনীয়। কিন্তু তাদের ঐ আমলগুলো আল্লাহ তাআলার নির্দেশিত পন্থায় ছিল না এবং তাঁর রাসূলের (সঃ) নির্দেশ মুতাবেকও ছিল না বলে সেগুলো গ্রহণীয় হওয়ার পরিবর্তে বর্জনীয় হয়ে। গেলো এবং প্রিয় হওয়ার পরিবর্তে অপ্রিয় ও অপছন্দনীয় হয়ে গেলো। কেননা, তারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করতো। আল্লাহর একত্ববাদ এবং তাঁর রাসূলের (সঃ) রিসালাতের সমস্ত প্রমাণ তাদের সামনে বিদ্যমান ছিল। কিন্তু তারা ওগুলি হতে চক্ষু বন্ধ করে নেয় এবং মেনে নেয়ার পরেও অমান্য করে। তাদের পুণ্যের পাল্লা সম্পূর্ণ শূন্য থাকবে। হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “কিয়ামতের দিন একটি মোটা তাজা ও ভারী ওযনের লোককে আনয়ন করা হবে। কিন্তু আল্লাহ তাআলার কাছে তার ওজন একটি মশার পাখার সমানও হবে না।" তারপর তিনি বলেনঃ “তোমরা ইচ্ছা করলে- (আরবী) এই আয়াতটি পাঠ করে নাও।" (এ হাদীসটি ইমাম বুখারী (রঃ) বর্ণনা করেছেন) মুসনাদে ইবনু আবি হাতিমের রিওয়াইয়াতে রয়েছে যে, খুব বেশী পানা হারকারী মোটা তাজা লোককে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলার সামনে। হাজির করা হবে। কিন্ত তার ওজন শস্যের দানার সমানও হবে না। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সঃ) এই আয়াতটি পাঠ করেন। মসনাদে বায়্যারে রয়েছে যে, একজন কুরায়েশী হুল্লা (লম্বা পোষাক বিশেষ) পরিধান করে অহংকার ভরে রাসুলুল্লাহর (সঃ) পার্শ্ব দিয়ে গমন করে। তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) হযরত বুরাইদাকে (রাঃ) বলেনঃ “এই লোকটি ঐ লোকদের অন্তর্ভুক্ত যাদের আল্লাহ তাআলার নিকট কিয়ামতের দিন কোনই ওজন হবে না।” মারফু হাদীসের মত হযরত কা'বের (রাঃ) উক্তিও বর্ণিত আছে। এটা হচ্ছে তাদের কুফরী, সত্যকে প্রত্যাখ্যান এবং আল্লাহর নিদর্শনাবলী ও তাঁর রাসূলদেরকে বিদ্রুপের পাত্র হিসেবে গ্রহণ করারই প্রতিফল।

তাফসিরে ইবনে কাসীর।

#তাফসীর
#ইসলামিক
#ইসলাম
#কোরআন
#ওয়াজ
#বয়ান
#হাদীস

আয়াতের তাফসীরঃবিসমিল্লাহির রহমানির রহিম-یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تَتَّبِعُوۡا خُطُوٰتِ الشَّیۡطٰنِ ؕ وَ مَنۡ...
24/04/2026

আয়াতের তাফসীরঃ

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম-
یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تَتَّبِعُوۡا خُطُوٰتِ الشَّیۡطٰنِ ؕ وَ مَنۡ یَّتَّبِعۡ خُطُوٰتِ الشَّیۡطٰنِ فَاِنَّہٗ یَاۡمُرُ بِالۡفَحۡشَآءِ وَ الۡمُنۡکَرِ ؕ وَ لَوۡ لَا فَضۡلُ اللّٰہِ عَلَیۡکُمۡ وَ رَحۡمَتُہٗ مَا زَکٰی مِنۡکُمۡ مِّنۡ اَحَدٍ اَبَدًا ۙ وَّ لٰکِنَّ اللّٰہَ یُزَکِّیۡ مَنۡ یَّشَآءُ ؕ وَ اللّٰہُ سَمِیۡعٌ عَلِیۡمٌ ﴿۲۱﴾
হে ঈমানদারগণ! তোমরা শয়ত্বানের পদাংক অনুসরণ করো না। কেউ শয়ত্বানের পদাংক অনুসরণ করলে সে তাকে নির্লজ্জতা ও অপকর্মের আদেশ দেবে, তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া না থাকলে তোমাদের একজনও কক্ষনো পবিত্রতা লাভ করতে পারত না। অবশ্য যাকে ইচ্ছে আল্লাহ পবিত্র করে থাকেন, আল্লাহ সব কিছু শোনেন, সর্ববিষয়ে অবগত। ২০-২১ নং আয়াতের তাফসীর মহান আল্লাহ বলেনঃ যদি আল্লাহ তা'আলার অনুগ্রহ, দয়া, স্নেহ ও করুণা না। হতো তবে ঐ সময় অন্য কিছু ঘটে যেতো। কিন্তু আল্লাহ পাক তাওবাকারীদের তাওবা কবুল করে নিয়েছেন ও পবিত্রতা লাভ করতে ইচ্ছুকদেরকে তিনি শরীয়তের বিধান মতে শাস্তি প্রদানের পর পবিত্র করেছেন। মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ হে মুমিনগণ! তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না, তার কথামত চলো না। সে তো তোমাদেরকে অশ্লীলতা ও মন্দ কার্যের নির্দেশ দিয়ে থাকে। সুতরাং তার অনুসরণ করা থেকে বেঁচে থাকা তোমাদের উচিত। তার কাজ কর্ম এবং কুমন্ত্রণা হতে দূরে থাকা তোমাদের কর্তব্য। আল্লাহর অবাধ্যতায় শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ প্রকাশ পায়। একটি লোক হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ)-কে বলেঃ “আমি অমুক খাদ্য নিজের উপর হারাম করার কসম করেছি।” তখন হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) তাকে বলেনঃ “এটা শয়তানী কুমন্ত্রণা। তুমি তোমার কসমের কাফফারা আদায় কর এবং ঐ খাদ্য খেয়ে নাও।” হযরত সুলাইমান তাইমী (রঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, হযরত আবু রাফে’ (রঃ) বলেন, আমার স্ত্রী একদা আমার উপর রাগান্বিত হয়ে বলেঃ “একদিন আমি ইয়াহূদী নারী এবং একদিন খৃষ্টান নারী, আর আমার সমস্ত গোলাম আযাদ যদি তুমি তোমার স্ত্রীকে (আমাকে) তালাক না দাও।” আমি তখন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ)-এর কাছে এসে এ সম্পর্কে ফতওয়া জিজ্ঞেস করি। হযরত ইবনে উমার (রাঃ) উত্তরে বলেনঃ “এটা শয়তানের কুমন্ত্রণা।” যয়নব বিনতে উম্মে সালমা (রাঃ)-ও এ কথা বলেন, যিনি ঐ সময় মদীনার মধ্যে শরীয়তের জ্ঞান সবচেয়ে বেশী রাখতেন। তারপর আমি হযরত আসেম ইবনে উমার (রাঃ)-এর নিকট আসি। তিনিও অনুরূপ কথাই বলেন। এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া না থাকলে তোমাদের কেউই কখনো শিরক ও কুফরী হতে পবিত্র হতে পারতে না। এটা মহান প্রতিপালকের অনুগ্রহ যে, তিনি তোমাদেরকে তাওবা করার তাওফীক দিয়েছেন এবং তোমাদের প্রতি দয়া পরবশ হয়ে তোমাদের তাওবা কবূল করতঃ তোমাদেরকে গুনাহ থেকে পাক-সাফ করে দিয়েছেন। আল্লাহ যাকে চান পবিত্র করে থাকেন এবং যাকে চান ধ্বংসের গর্তে নিক্ষেপ করেন। কে সঠিক পথের পথিক এবং কে পথভ্রষ্ট সবই তাঁর গোচরে রয়েছে। তিনি সর্বশ্রোতা এবং সর্বজ্ঞ।

তাফসিরে ইবনে কাসীর।

19/04/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু, ইনশাআল্লাহ, আজ রবিবার বাদ মাগরিব থেকে আঞ্জুমানে তবলীগে শরীয়ত ও তরিকত চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যোগে চট্টগ্রাম মহানগরস্থ টেরীবাজার আমান আলী টাওয়ারের ৫ম তলায় অবস্থিত গারাংগিয়া খানেকাহ মসজিদ কমপ্লেক্সে মাসিক তরিকতের জিকির,তালিম ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে, উক্ত মাহফিলে তশরিফ আনবেন হযরত শাহ সুফি মাওলানা আবুল হাসেম সাহেব (ম,জি,আ,) । এতে বহু ওলামায়ে কেরাম ও বুযুর্গানে দিন তশরিফ আনবেন সকলের প্রতি দ্বীনি দাওয়াত রইলো। যোগাযোগ:= আরিফ (খাদেম) ০১৮৭৫৫২৫২৯৫

আয়াতের তাফসীরঃبِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِبَلِ  الَّذِیۡنَ   کَفَرُوۡا فِیۡ عِزَّۃٍ   وَّ  شِقَاقٍ ﴿۲﴾কিন্তু ক...
10/04/2026

আয়াতের তাফসীরঃ
بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
بَلِ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا فِیۡ عِزَّۃٍ وَّ شِقَاقٍ ﴿۲﴾
কিন্তু কাফিররা আত্মম্ভরিতা আর বিরোধিতায় নিমজ্জিত। ১-৩ নং আয়াতের তাফসীর: হুরফে মুকাত্তা'আত যেগুলো সূরাসমূহের শুরুতে এসে থাকে, ওগুলোর পূর্ণ তাফসীর সূরায়ে বাকারার শুরুতে গত হয়েছে। এখানে মহান আল্লাহ কুরআন কারীমের শপথ করেছেন এবং ওকে শিক্ষা ও উপদেশপূর্ণ বলেছেন। কেননা এর কথার উপর আমলকারীদের দ্বীন ও দুনিয়া সুন্দর ও কল্যাণময় হয়ে থাকে। অন্য আয়াতে রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “অবশ্যই আমি তোমাদের উপর কিতাব (কুরআন) অবতীর্ণ করেছি যার মধ্যে তোমাদের জন্যে উপদেশ রয়েছে।”(২১:১০) ভাবার্থ এটাও যে, কুরআন ইযযত, সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী। কারো কারো মতে কসমের উত্তর হলো ... (আরবী) অর্থাৎ “প্রত্যেকেই রাসূলদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে।” (৩৮:১৪) কেউ কেউ বলেন যে, কসমের জবাব হলোঃ (আরবী) অর্থাৎ “নিশ্চয়ই ওটা সত্য।” (৩৮:৬৪) কিন্তু এটা খুব সঠিক বলে মনে হচ্ছে না। কাতাদা (রঃ) বলেন যে, এর জবাব হলো এর পরবর্তী আয়াতটি। ইমাম ইবনে জারীর (রঃ) এটাকেই পছন্দ করেছেন। কোন কোন আরবী ভাষাবিদ বলেছেন যে, এই কসমের জবাব হলো (আরবী) এবং এর অর্থ হলো সভ্যতা। একটি উক্তি এও আছে যে, সম্পূর্ণ সূরাটির সারমর্মই হলো এই কসমের জবাব। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তা'আলাই সবচেয়ে ভাল জানেন। এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ এই কুরআন তো হলো সরাসরি শিক্ষা ও উপদেশ। কিন্তু এর দ্বারা উপকার শুধু সেই লাভ করতে পারে যার অন্তরে ঈমান রয়েছে। কাফির লোকেরা এটা হতে উপকার লাভে বঞ্চিত থাকে। কেননা, তারা অহংকারী এবং এর চরম বিরোধী। তাদের উচিত তাদের ন্যায় পূর্ববর্তী লোকদের পরিণাম চিন্তা করা এবং নিজেদের পরিণাম সম্পর্কে ভীত-সন্ত্রস্ত থাকা। পূর্ববর্তী উম্মতদেরকে এরূপই অপরাধের কারণে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। আল্লাহর আযাব এসে যাওয়ার পর তারা খুব কান্নাকাটি করেছিল। কিন্তু ঐ সময় সবই বৃথা হয়েছিল। যেমন আল্লাহ পাক বলেনঃ .... (আরবী) অর্থাৎ “যখন তারা আমার আযাব অনুভব করলো তখন তা থেকে বাঁচতে ও পালাতে ইচ্ছা করলো, কিন্তু তা কিরূপে সম্ভব ছিল?” (২১:১২) হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, এখন পালাবারও সময় নয় এবং ফরিয়াদেরও সময় নয়। তখন ফরিয়াদ কেউ শুনবে না এবং কিছু উপকারও করতে পারবে না। যতই কান্নাকাটি ও চীৎকার করুক না কেন সবই বিফল হবে। ঐ সময় তাওহীদকে স্বীকার করলেও কোন লাভ হবে না এবং তাওবা করেও কোন উপকার হবে না। এটা হবে অসময়ের চীৎকার ও কান্না। এখানে (আরবী) শব্দটি (আরবী)-এর অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে (আরবী) টি অতিরিক্ত। যেমন (আরবী) কে (আরবী) এবং (আরবী) কে বলা হয়ে থাকে। এই দুই স্থানেও (আরবী) টি অতিরিক্ত। ইমাম ইবনে জারীর (রঃ)-এর উক্তি এই যে, এই (আরবী) টি (আরবী)-এর সাথে মিলিত রয়েছে। অর্থাৎ (আরবী) হবে। কিন্তু প্রথম উক্তিটিই সমধিক খ্যাত। জমহুর (আরবী)-কে যবরের সাথে পড়েছেন। ভাবার্থ হলোঃ এটা আক্ষেপ ও হা-হুতাশ করার সময় নয়। কেউ কেউ (আরবী)-কে যের দিয়ে পড়াকেও বৈধ বলেছেন। ভাষাবিদরা বলেন যে, (আরবী)-এর অর্থ হলো পিছনে সরে আসা এবং (আরবী) বলা হয় সম্মুখে অগ্রসর হওয়াকে। সুতরাং অর্থ হলোঃ এটা পালাবার ও বের হয়ে যাবার সময় নয়। এসব ব্যাপারে সঠিক জ্ঞানের অধিকারী একমাত্র আল্লাহ।

-তাফসীরে ইবনে কাসীর।

#ইসলামিক
#তাফসীর
#বয়ান
#ওয়াজ
#কোরআন
#হাদীস

Address

দরবারে আলীয়া গারাংগিয়া
Chittagong
৪৩৮৬

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আঞ্জুমনে তবলীগে শরীয়ত ও তরীক্বত posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to আঞ্জুমনে তবলীগে শরীয়ত ও তরীক্বত:

Shortcuts

Share