Amrita-অমৃত

Amrita-অমৃত সবার উপরে মানুষ সত্য
তাহার উপরে নাই...
👉কবি বড়ু চণ্ডীদাস

হিজড়া বা ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের প্রধান তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত বহুচারা মায়ের মন্দির... বহুচর জি মন্দির (বা বহুচরা...
24/05/2026

হিজড়া বা ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের প্রধান তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত বহুচারা মায়ের মন্দির...

বহুচর জি মন্দির (বা বহুচরা মাতা মন্দির) ভারতের গুজরাট রাজ্যের মেহসানা জেলার বেচারাজি শহরে অবস্থিত একটি অত্যন্ত সম্মানিত হিন্দু মন্দির। এটি উর্বরতার দেবী বহুচারা মাতাকে উৎসর্গীকৃত এবং বিশেষ করে হিজড়া বা ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের প্রধান তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত।
অবস্থান: মেহসানা জেলা, গুজরাট (আহমেদাবাদ থেকে দূরত্ব প্রায় ১০০ কিমি)।
মূল দেবতা: বহুচারা মাতা, যিনি মোরগের পিঠে চড়েন। তাঁর চার হাতে তরল, বই, জপমালা বা ত্রিশূল থাকে।গুরুত্ব: এটি হিন্দুধর্মের ৫১টি শক্তিপীঠের একটি। বিশ্বাস করা হয়, এখানে দেবী সতীর ডান হাত পড়েছিল।
ঐতিহ্য: গুজরাটি হিন্দুরা তাদের সন্তানদের প্রথম চুল কাটানোর অনুষ্ঠান (মুন্ডন) প্রায়শই এই মন্দিরে সম্পন্ন করে।
জয় মা ❤️🙏

শ্রী শ্রী মহাবিদ্যা দেবী ষোড়শী ত্রিপুরাসুন্দরী মাতার শুভ দর্শন 🌺🙏সকালের এই পবিত্র মুহূর্তে মায়ের কৃপায় দূর হোক সকল দুঃখ-...
22/05/2026

শ্রী শ্রী মহাবিদ্যা দেবী ষোড়শী ত্রিপুরাসুন্দরী মাতার শুভ দর্শন 🌺🙏
সকালের এই পবিত্র মুহূর্তে মায়ের কৃপায় দূর হোক সকল দুঃখ-কষ্ট,
সবার জীবনে আসুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। 🌼✨
জয় মা ত্রিপুরাসুন্দরী।💐🌸🙏🏻🌺

চট্টগ্রামের কোন জায়গায় বলুন তো....জয় বজরংবলী মনোজবং মারুততুল্যবেগং জিতেন্দ্রিয়ং বুদ্ধিমতাং বরিষ্ঠম্।বাতাত্মজং বানরযূথমু...
22/05/2026

চট্টগ্রামের কোন জায়গায় বলুন তো....
জয় বজরংবলী
মনোজবং মারুততুল্যবেগং জিতেন্দ্রিয়ং বুদ্ধিমতাং বরিষ্ঠম্।বাতাত্মজং বানরযূথমুখ্যং শ্রীরামদূতং শরণং প্রপদ্যে।।❤️🙏

একজন ঢাকি চোখে কাপড় বাঁধা অবস্থায় রোজ মধ্যরাতে মায়ের মন্দিরের গর্ভগৃহে বন্ধ দুয়ারের সম্মুখে ঢাকের বোল তোলেন, এবং রত্নবেদ...
21/05/2026

একজন ঢাকি চোখে কাপড় বাঁধা অবস্থায় রোজ মধ্যরাতে মায়ের মন্দিরের গর্ভগৃহে বন্ধ দুয়ারের সম্মুখে ঢাকের বোল তোলেন, এবং রত্নবেদীতে অধিষ্ঠিত মা যোগাদ্যা সেই ঢাকের তালে নৃত্য করেন। কথিত আছে, মায়ের পায়ের নূপুরের শব্দ শোনা যায়। মায়ের রত্নবেদীতে মা জাগ্রত আছেন --- মূল মূর্তি নিমজ্জিত থাকলেও, ভক্তদের এই বিশ্বাস থেকেই এ প্রথা প্ৰচলিত।
এখানে দেবী পাতালবাসিনী।
মা যোগাদ্যার মূর্তিটি সারাবছর ক্ষীরদিঘির জলে নিমজ্জিত থাকে। বৈশাখী সংক্রান্তির সময় মায়ের আবির্ভাব দিবস। এছাড়া বিশেষ বিশেষ পুজোর সময় মাকে জল থেকে তুলে এনে চলে পুজো।❤️🙏

রাতের শ্রী শ্রী পাতালকালী মা ❤️🙏ওঁ কালী কালী মহাকালী কালিকে পাপহারিণী।ধর্মার্থ মোক্ষদে দেবী নারায়ণী নমোহস্তুতে॥ মন্ত্রজ...
19/05/2026

রাতের শ্রী শ্রী পাতালকালী মা ❤️🙏
ওঁ কালী কালী মহাকালী কালিকে পাপহারিণী।ধর্মার্থ মোক্ষদে দেবী নারায়ণী নমোহস্তুতে॥
মন্ত্রজয়ন্তী মঙ্গলা কালী ভদ্রা কালী কপালিনী।দুর্গা শিবা ক্ষমা ধাত্রী স্বাহা স্বধা নমোঽস্তুতে॥

17/05/2026

যেথায় আমার বাবা লোকনাথ আছেন ঘুমায়া..
বারদী বাবা লোকনাথ মন্দির
জয় বাবা লোকনাথ ❤️🙏

শ্রী শ্রী বুড়াকালী মানওগাঁর কালীতলায় অবস্থিত শতাব্দীপ্রাচীন শ্রীশ্রী বুড়া কালীমাতা মন্দির স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদে...
16/05/2026

শ্রী শ্রী বুড়াকালী মা
নওগাঁর কালীতলায় অবস্থিত শতাব্দীপ্রাচীন শ্রীশ্রী বুড়া কালীমাতা মন্দির স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধানতম আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। প্রতিদিন শত শত ভক্ত মায়ের চরণে পূজা নিবেদন করতে আসেন।
অবস্থান ও পরিচিতিস্থান: কালীতলা, নওগাঁ সদর উপজেলা, নওগাঁ।দেবতা: জগজ্জননী মা কালী (বুড়াকালী হিসেবে পূজিতা)।
জয় মা বুড়াকালী ❤️🙏

প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব, কিন্তু সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন সহ্য করব না....কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)   ...
16/05/2026

প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব, কিন্তু সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন সহ্য করব না....

কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) মাননীয় ধর্মমন্ত্রী
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

বৃদ্ধা রূপে দেখা দিয়েছিলেন স্বয়ং দেবী! এই পীঠের গল্প গায়ে কাঁটা দিয়ে দেবে...জানা যায় অতীতে নররক্তে সন্তুষ্ট হতেন দেবী। ...
15/05/2026

বৃদ্ধা রূপে দেখা দিয়েছিলেন স্বয়ং দেবী! এই পীঠের গল্প গায়ে কাঁটা দিয়ে দেবে...
জানা যায় অতীতে নররক্তে সন্তুষ্ট হতেন দেবী। দেবীর আদেশেই বন্ধ হয় সেই প্রথা। একবার এক ব্রাহ্মণের একমাত্র সন্তানের পালা পড়ে নরবলির। সন্তানের প্রাণহানির ভয়ে রাতের অন্ধকারে সপরিবারে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যেতে যায় সেই ব্রাহ্মণ। ক্ষীরগ্রামের সীমানা পার হওয়ার আগেই এক বৃদ্ধার মুখোমুখি হতেই সেই বৃদ্ধা ব্রাহ্মণকে গ্রাম ত্যাগ করার কারণ জানতে চায় ব্রাহ্মণের মুখ থেকে দেবী যোগাদ্যার নরবলির কথা শুনে সেই বৃদ্ধা ব্রাহ্মণকে নিজের পরিচয় দিয়ে বলেন 'যার ভয়ে পালাও তুমি সেই মা যোগাদ্যা আমি' এরপর ব্রাহ্মণকে অভয় দিয়ে মা সেইদিন থেকে নরবলি না নেওয়ার কথা বলেন কিন্তু তাতেও পুত্রের প্রাণহানিতে চিন্তিত ব্রাহ্মণ আশ্বত না হলে মা অশ্বিনের অম্বিকা রূপ দেখান এবং তারপর আশ্বস্ত হয়ে সপরিবারে বাড়ি ফিরে যায় ব্রাহ্মণ। সেই থেকে নরবলির জায়গায় মোষ বলি চলে আসছে ক্ষীরগ্রামে।

এক শাঁখারীর মাতৃ দর্শনের কথাও প্রচলিত আছে এই সতীপিঠে। একসময় এক শাঁখারী শাঁখা নিয়ে আসছিলেন ক্ষীরগ্রামের দিকে, এবং ক্ষীরগ্রাম থেকে অনতিদূরে ধামাচিয়া দীঘির পাড়ে এক যুবতী শাঁখারী কাছে শাখা পড়তে চেয়ে আবদার করে এবং শাঁখা পড়ানোর পর যখন শাঁখারী তার শাঁখার দাম চায় তখন সেই যুবতী নিজেকে যোগাদ্যা মন্দিরের পুরোহিতের কন্যা বলে পরিচয় দেয় এবং বলে যে মন্দিরের গম্ভীরের (গর্ভগৃহ) কুলুঙ্গিতে পাঁচ টাকা রাখা আছে, পড়ে সেই শাঁখারী পুরোহিতের কাছে এসে সেই কথা বলতেই পুরোহিত আশ্চর্য্য হয়ে বলেন যে তার সাতকুলে কোনও কন্যা নেই তখন মন্দিরে গম্ভীরের কুলুঙ্গিতে গিয়ে গিয়ে পাঁচ টাকা দেখতে পেয়ে মায়ের লীলা বুঝতে পেরে শাঁখারীকে সাথে নিয়ে ধামাচিয়া দীঘির পাড়ে গিয়ে সেখানে কোনও যুবতীর দেখা না পেয়ে হতাশায় আত্মহত্যা করার কথা বললে সেই দীঘি থেকেই শাঁখা পড়া দুটি হাত তুলে দেখান জগদম্বা। এবং সেই থেকে সেই শাঁখারী প্রত্যেক বছর মহাপুজোর দিন মাকে শাঁখা পড়ানোর প্রতিজ্ঞা করেন যে প্রতিজ্ঞা পালন করে আজও সেই শাঁখারীর বংশধরেরা বৈশাখ সংক্রান্তিতে মহাপুজোর দিন মাকে শাঁখা পড়িয়ে যান।

এই ক্ষীরগ্রামের সাথেই জড়িয়ে আছে রামায়ণের কথা, রাবণ পুত্র মহীরাবনকে বধ করার পর মহিরাবনের আরাধ্যা দেবী ভদ্রকালী তাকে পৃথিবীর মধ্যস্থলে নিয়ে যাওয়ার আদেশ দেন সেই মতো এক কাঁধে রাম লক্ষণ এবং অপর কাঁধে মা ভদ্রকালীকে চাপিয়ে পাতাল থেকে এই ক্ষীরগ্রামেই নিয়ে আসেন স্বয়ং পবনপুত্র হনুমান।

এছাড়াও ক্ষীরগ্রামের মাটিতে কান পাতলেই শোনা যায় না যোগাদ্যার মাহাত্ম্যের কথা। বৈশাখ সংক্রান্তিতে মায়ের মহাপুজো অনুষ্ঠিত হয় মহা ধুমধামের সাথে। বছরের মাত্র কয়েকবার মায়ের প্রস্তর মূর্তি জল থেকে তুলে এনে পুজো করা হয় তার মধ্যে মাত্র দুবার জনসমক্ষে নিয়ে আসা হয় মাতৃমূর্তি। ক্ষীরগ্রামের নিয়মানুযায়ী কালী পুজোতেও মায়ের মন্দিরে ঘট এনে কালী পুজো হয় এবং মা যোগাদ্যার মন্দিরে কালী পুজো শুরু হওয়ার পরে তবেই গোটা গ্রামে কালী পুজো শুরু হয়।
উল্লেখ্য যে, বিষ্ণুর সুদর্শন চক্রের দ্বারা খন্ডিত হয়ে দেবী সতীর ডান পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ পতিত হয়ে ৫১ সতীপীঠের অন্যতম এই ক্ষীরগ্রাম। দেবী যোগাদ্যা দেখা দিয়েছেন কখনও বৃদ্ধা রূপে, কখনও যুবতী রূপে, কান পাতলেই শোনা যায় না দেবী মাহাত্ম্যের কথা
৫১ সতীপীঠের অন্যতম পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট থানার অন্তর্গত ক্ষীরগ্রাম। পুরাণ মতে ভগবান বিষ্ণুর সুদর্শন চক্রের দ্বারা খন্ডিত হয়ে দেবী সতীর ডান পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ পতিত হয়েছিল এই ক্ষীরগ্রামেই। দেবীর নাম এখানে যোগাদ্যা। দেবী যোগাদ্যকে ঘিরে রয়েছে জানা অজানা নানান কথা। দেবীর মহিমা প্রচারিত হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। ❤️🙏

শ্রী শ্রী নাগেশ্বর জ্যোতি লিঙ্গ দর্শন... জয় মা মনসা ❤️🙏
14/05/2026

শ্রী শ্রী নাগেশ্বর জ্যোতি লিঙ্গ দর্শন...
জয় মা মনসা ❤️🙏

ডাকাতরা ধনরত্ন (জহুর) লুকিয়ে রাখত বলে নাম "জহুরা" হয়েছে বলে লোকমুখে প্রচলিত...লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, মন্দিরটি প্রায় ৩০০ থ...
14/05/2026

ডাকাতরা ধনরত্ন (জহুর) লুকিয়ে রাখত বলে নাম "জহুরা" হয়েছে বলে লোকমুখে প্রচলিত...

লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, মন্দিরটি প্রায় ৩০০ থেকে ৩৬৫ বছরের পুরোনো। সেন বংশের রাজা বল্লাল সেনের আমলে এর সূচনা বলে কিছু ইতিহাসবিদ মনে করলেও, মূলত ৩ শতক আগে উত্তরপ্রদেশের এক তিওয়ারি বংশীয় সাধক দেবীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে এখানে বেদি স্থাপন করেন।অনন্য প্রতিমা: প্রচলিত দেবীর পূর্ণ মূর্তির পরিবর্তে এখানে কালীর কেবল লাল রঙের মুখমণ্ডল ও প্রসারিত জিহ্বা পূজিত হয়। মায়ের মূল বিগ্রহের নিচে একসময় ডাকাতরা ধনরত্ন (জহুর) লুকিয়ে রাখত বলে এর নাম "জহুরা" হয়েছে বলে লোকমুখে প্রচলিত।পূজার সময়সূচি: অন্য সব কালী মন্দিরে রাতে পূজা হলেও, এখানে কেবল দিনের আলোয় পূজা সম্পন্ন হয়। বছরের অন্য সময়ে কেবল শনিবার ও মঙ্গলবার মন্দির খোলা থাকে।বৈশাখী উৎসব ও মেলা: প্রতি বছর বৈশাখ মাসজুড়ে এখানে প্রতিদিন পূজা হয় এবং শনি ও মঙ্গলবার বিশেষ মেলা বসে। এই উৎসবের টানে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড এমনকি বাংলাদেশ থেকেও লাখো ভক্তের সমাগম ঘটে

মালদা জেলার ইংরেজবাজার থানা এলাকায় রয়েছে এক প্রাচীন কালীমন্দির। সারা বছর এখানে পুজো চললেও বৈশাখ মাসের মঙ্গল ও শনিবার থাকে বিশেষ পুজোর আয়োজন। তখন ভক্তদের আনাগোনা অনেক বেশি হয়। গ্রামীণ এই মন্দিরে পুজোর সময়ে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চল ছাড়াও বিহার, ঝাড়খণ্ড থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ সমবেত হন। বৈশাখ মাসে খুব বড়ো মেলা বসে এখানে। অন্যান্য কালীমন্দিরের মতো রাত্রিবেলা কোনো পুজো এখানে হয় না। সব পুজোই হয় দিনের আলো থাকাকালীন। কেবলমাত্র শনি আর মঙ্গলবারেই হয় পুজো। এই মন্দিরের নাম জহুরা বা জহরা কালীমন্দির। কালীর এক রূপ দেবী চণ্ডী। তাঁরই আরাধনা হয় এখানে।

জহরা কালীর পুজো এখানে কীভাবে শুরু হল? এই নিয়ে রয়েছে অনেক মত। কেউ কেউ বিশ্বাস করেন, সেন যুগের রাজা বল্লাল সেন এই অঞ্চলে অনেকগুলি মন্দির স্থাপন করেছিলেন। সেগুলির মধ্যে একটি হল এই মন্দির। আবার মন্দিরের গায়ে যে পাথরের ফলক আছে, তা থেকে অনুমান করা যায়, মোটামুটি ৩০০ বছর আগে উত্তরপ্রদেশের এক সাধক এখানে গড়ের ওপর দেবী জহরা চণ্ডীর বেদি স্থাপন করেছিলেন। তিনি নাকি এই কাজ করেছিলেন স্বপ্নাদেশ পেয়ে। পরবর্তীকালে হীরারাম তিওয়ারি নামের এক সাধক দিব্যদর্শনে দেবীর রূপ প্রত্যক্ষ করেন।

সেই অনুযায়ী তিনি মূর্তির রূপলেখা তৈরি করেন বৈশাখ মাসে। তা কিন্তু প্রচলিত মূর্তিগুলির মতো নয়। লাল রঙের ঢিবির ওপর রয়েছে এক মুখোশ। ঢিবির দু’পাশে আরও দু’টি মুখোশ দেখা যায়। এছাড়া গর্ভগৃহে আছে শিব আর গণেশের মূর্তি। বৈশাখ মাসে দেবী জহরার পুজো এভাবেই প্রচলিত হয়। তিওয়ারিরাই বংশানুক্রমে এখনও দেবীর সেবায়েত।

অবশ্য কেউ কেউ মনে করেন, অনেক আগে দেবী জহরার পূর্ণাবয়ব বিগ্রহ ছিল এখানে। বিধর্মীদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য পুরোহিতরা সেই মূর্তিকে মাটি চাপা দিয়ে দিয়েছিলেন। অনেক অনেক বছর আগে খুব ঘন জঙ্গল ছিল এই অঞ্চলে। বহু মানুষ বিশ্বাস করেন, এই দেবী এক সময়ে ছিলেন ডাকাতদের আরাধ্যা। এখানে দেবী চণ্ডীর পুজো করে ডাকাতরা যেত ডাকাতি করতে। ডাকাতি করে প্রচুর ধনরত্ন আনত তারা, তারপর সেগুলোকে এখানেই মাটির তলায় রাখত। সেই ধনরত্নের ওপরই দেবীমূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ধনরত্নকে হিন্দিতে বলে ‘জওহর’। দেবীমূর্তির নিচে প্রচুর ধনরত্ন রাখা থাকত বলেই এখানে দেবী চণ্ডী ‘জহরা’ বা ‘জহুরা’ নামে প্রসিদ্ধ হয়েছেন।
জয় মা ❤️🙏

Address

Amirabad, Lohagara
Chittagong
PADUA4397

Telephone

+8801873207773

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amrita-অমৃত posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Amrita-অমৃত:

Share