পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ, বরকল - জুরাছড়ি শাখা

  • Home
  • Bangladesh
  • Chittagong
  • পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ, বরকল - জুরাছড়ি শাখা

পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ, বরকল - জুরাছড়ি শাখা A non-profitable Monastic Sangha Organization which is Located in Chittagong Hill Tracts Bangladesh.

পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ এর বিনয় অধিকরণ বোর্ডের সন্মানিত সভাপতি, মাইসছড়ি বৌদ্ধ শিশু ঘর অনাথ আশ্রম প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচ...
24/01/2026

পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ এর বিনয় অধিকরণ বোর্ডের সন্মানিত সভাপতি, মাইসছড়ি বৌদ্ধ শিশু ঘর অনাথ আশ্রম প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক, অনাথ পিতা, কর্মবীর পরম শ্রদ্ধেয় ভদন্ত সুমনা মহাথেরো"র প্রয়াণে আমরা গভীর ভাবে শোকাহত।
ভান্তের প্রয়াণের নৈর্বাণিক সুখ কামনায় পূণ্যদান করছি।
শোকার্তেঃ পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ, বরকল-জুরাছড়ি উপজেলা শাখা।

"পাবর্ত্য অঞ্চলেরর বৌদ্ধ ধর্ম জাগড়ণের অগ্রদূত পরম শ্রদ্ধেয় চাকমা রাজগুরু অগ্রবংশ মহাথেরো’র জীবনী"পাবর্ত্য অঞ্চলেরর বৌদ্ধ...
16/01/2026

"পাবর্ত্য অঞ্চলেরর বৌদ্ধ ধর্ম জাগড়ণের অগ্রদূত পরম শ্রদ্ধেয় চাকমা রাজগুরু অগ্রবংশ মহাথেরো’র জীবনী"

পাবর্ত্য অঞ্চলেরর বৌদ্ধ ধর্ম জাগড়ণের অগ্রদূত,বার্মায় ৬ষ্ঠ সংগীতিকারক অগগমহাপন্ডিত,বহুগ্রন্থ প্রণেতা,ভাষাবিদ,সংঘনায়ক পার্বত্য ভিক্ষু সংঘের প্রতিষ্ঠিতা,অগগমহাসদ্ধম্মজ্যোতিকাধ্বজ প্রয়াত চাকমা রাজগুরু ভদন্ত অগ্রবংশ মহাথের কিছু জীবনি তুলে ধরলাম

উত্তিট্ঠে নপ্পমজজেয্য ধম্ম সুচরিতং চরে
ধম্মচারী সুখং সেতি অসমিং লোকে পরমহি চ।
উঠ,জাগো ঘুমিয়ে থেকোনা আর। সুচারুপে ধর্মাচরণ কর। যে অপ্রমত্তভাবে ধর্মাচরণ করে তার বর্তমান ও
ভবিষ্যত উভয় কালই সুখের হয়।
রাজগুরু অগ্রবংশ মহাথের কন্ঠে সেদিন শুনেছিল গাথার মাধ্যমে এই প্রেরণা দায়ক আহব্বান। শুনতে শুনতে মন্ত্রে সে দিন ন্যায় অভিভূত হয়েছিল। বাহিরে কোনোদিকে আর সেদিন ভ্রক্ষেপ ছিল না। এরূপ ধর্ম দেশনা চাকমা ভাষায় আর কখনো ও শুনেনি।অনর্গল ধর্ম দেশনা করে যাচ্চিলেন মস্তক মুণ্ডিত, সুন্দর সুঠাম দেহ,গৌরবর্ণের বৌদ্ধ ভিক্ষু অগ্রবংশ মহাথের। গোলাগোল মঙ্গোলিয়ান মুখাবয়ব। গায়ে পরিহিত সোনালী রং এর-গৈরিক বসন। বয়স ছিল তখন হয়তো ৫০ছুঁই ছুঁই।সে দিন ছিল মাঘী পূর্ণিমা। সালতি পরিষ্কার মনে নেই। হয়ত ১৯৬১কি৬২হবে।শত শত লোকের ভিড়। মুখে মুখে লোকে বলাবলি করছিল,,, মেলা বসেছে বোয়ালখালীতে মাঘী পূর্ণিমা বুদ্ধ মেলা। সেদিন জ্ঞানী গুনী ভিক্ষু এসেছেন দূর দূরান্ত থেকে। কেহ এসেছেন কাচলং বা চেঙ্গী উপত্যকা থেকে, বোয়ালখালি দশবল বৌদ্ধ বিহারের কথা যা পার্বত্য চট্টগ্রামে অন্যতম বৌদ্ধ বিহার। এবিহারটি অবস্থিত নাতি উচ্চ ছায়াঘেরা পাহাড়ের উপর।আম জাম কাঁঠাল ও নারিকেল সহ হরেক রকমের ছোট বড় বৃক্ষ এই ছোট্ট পাহাড়টিকে আঁকড়ে রেখেছে মৈত্রী বন্ধনে।এসব মিলে এখানে গড়ে উঠে ধর্ম সংস্কৃতি চর্চার এক অপূর্ব সুন্দর পরিবেশ। এই বিহারের অধক্ষ্য ছিলেন সর্দ্ধমানিত্য ভদন্ত জ্ঞানশ্রী মহাস্থবির সর্দ্ধম জ্যোতিকা ধ্বজ।তার একনিষ্ঠ চেষ্টায় আয়োজিত হয়েছিল এই মহতি ধর্ম শোভা। মন্দির সংলগ্ন পালিটোলের সম্মুখে তৈরী করা হয় ধর্ম মন্ডপ। রঙ্গীন সামিয়ানা ওরং বেরং এর পর্দায় সুসজ্জিত করা হয় এই ধর্ম মন্ডপ।তাতে সৃষ্টি হয় ভাব গম্ভীর এক ধর্মীয় পরিবেশ।
স্টেজের উপর মেরুদন্ড সোজা করে শান্ত সাম্যভাবে বসেছিলেন ৩০/৩৫জন ভিক্ষু।তাদেঁরই একজন হলেন রাজগুরু অগ্রবংশ মহাথের।স্টেজের উপর দাঁড়িয়ে মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে চাকমা ভাষায় এমন সুমধুর কণ্ঠে ধর্ম দেশনা করছিলেন যে শত শত নর নারী মন্ত্র মুগ্ধের মত শুনেযাচ্ছিলেন। সেই ভাষনে এলাকার মানুৃষের ধর্ম হৃদয় তন্ত্রী বেচে উঠেছিল।ধর্মীয় চেতনায় উদ্বুদ্ব হয়েছিলেন এলাকার অবাল বৃদ্ধ বনিতা। সেদিন তাঁর ধর্ম ভাষণে ধ্বনিত প্রতিধ্বনিত হয়েছিল মাইনী উপত্যকা।ভদন্ত অগ্রবংশ মহাথের জীবনের ব্রত হিসবে বেছে নিয়ে ছিলেন বুদ্ধের অমৃতময় নৈর্বাণিক বাণী গ্রামে গঞ্জে, পাহাড়ে কন্দরে গিরি পর্বতে পৌঁছে দেওয়ার।
(জন্ম)
চাকমা রাজগুরু অগ্রবংশ মহাথের পার্বত্য চট্টগ্রামের অহংকার,পার্বত্যবাসীর গর্ব।২৩শে নভেম্বর ১৯২৩ খৃষ্টাব্দে রাইখ্যাং উপত্যকার বিলাইছড়ি থানার কুতুবদিয়া গ্রামে তারঁ জন্ম।পিতা রুদ্রসিং কার্বারী (তঞ্চগ্যা) আর মাতা ইচ্ছাবতী তঞ্চচংগ্যা হলেন তার গর্ভ ধারিণীে।দয়া দক্ষিণ্যে, দানে শীলে, ধর্মে কর্মে এই দাম্পত্য ছিলেন সবারই প্রিয়।সচ্ছল ছিল তাঁদের সংসার। কার্বারী হিসেবে প্রজা পালনে রুদ্রসিং তঞ্চগ্যার বেশ সুখ্যাতি ছিল।সুখ দুংখে আপদে বিপদে সব সময় প্রজাদের সাথে থাকতেন তিনির।এমনি ধার্মিক দম্পতির ঘরেই তো জন্ম দিতে পারেন মহাপুরুষ। শীলবান, মৈত্রী করুণাই অন্তর পরিপূর্ণ না হলে সৎ পুত্র জন্ম দেওয়া যায় না।তাই তো বোধিসত্ব সিদ্ধার্থ জন্মগ্রহণের পূর্বে চিন্তা করছিলেন কোন পরিবারে কোন বংশে জন্ম কোথায় জন্ম নেবেন?গবীর পর্যবেক্ষণেরর মধ্যমে দেখলেন কপিল বস্তুর শুদ্ধোধন আর রাণী মহামায়া দানে শীলে পরিপূর্ণ ধর্মিক দাম্পত্য আর শাক্য বংশেই হল নিষ্কলংক। সেই বংশের জন্ম ধারন করেন সিদ্ধার্থ গৌতম। রুদ্রসিং তংঞ্চগ্যা কার্বারী পরিবারে ও ঠিক সেইভাবে অভির্ভূত হন রাজগুরু অগ্রবংশ মহাথের।
দুল্লভো পুরিসাজঞঞো ন সো সববত্থ জায়তি,,,
যত্থ সো জায়তি ধীরো তং কুলং সুখমেধিত।
মহাপুরুষের আর্বিভাব অতীব দূর্লভ।এরুপ লোক সর্বত্র জন্মগ্রহণ করেন না।
যেখানে এই মহাপুরুষের আর্বিভাব হয় সেই দেশ ও জাতি ধন্য হয়।
রাজগুরু অগ্রবংশ আর্বিভাব ধন্য রুদ্রসি কার্বারী বংশ।ধন্য অগ্রবংশের জন্মভুমি পার্বত্য চট্টগ্রাম। জন্মলগ্ন থেকেই তার মূখবয়ব ছিল ফুটফুটে ফুরের ন্যায় সুন্দর তাই শিশুর নাম রাখা হয় ফুলনাথ। ফুলনাথ তংঞ্চগ্যা বাল্যকাল খেকেই শান্ত শিষ্ট।
বাল্যকাল:
রাইংখ্যং উপত্যকার কুতুবদিয়া গ্রামের বিদ্যালয়েই বালক ফুলনাথ তংঞ্চগ্যার হাতে খড়ি হয়।শিক্ষক ছিলেন পন্ডিত ইন্দ্রমণি মাষ্টার। ছাত্র জীবনে মেধাবী ছাত্র হিসেবে বেশ খ্যাত ছিল।তাঁর সময়ের পরির্বতনের সাথে সাথে পরির্বতন আসে জীব জগতের ও।সেভাবে ফুলনাথের জীবনে ও পরিবর্তন আসে তাঁর দেহ ওমনে।তিনি সংসার আবদ্ধ হন। পালন করতে থাকেন সংসার ধর্ম। সংসার ধর্ম পালন করতে গিয়ে লাভ করেন এক পুত্র ও কন্যা। এভাবে তিনি দিনের পর দিন জড়িয়ে পড়েন মায়া আর মোহ বন্ধনে।মায়া আর মোহ সেতো দুঃখ।
জন্মই দুঃখ।জন্ম হলেই তো ব্যাধিতে আক্রান্ত হতে হবে, আত্মীয় স্বজন পরিজনের সাথে সুখে দুঃখের চলবে দিন।অবশেষে আসবে বৃদ্ধকাল।বৃদ্ধকাল অবাঞ্ছিত সকলের। কিন্তু নিস্তার নেই। বৃদ্ধকালের পরিণতি হল আত্মীয় পরিজন সহ এ সুন্দর পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়া যার নাম মৃত্যু।
প্রবজ্জ্যা গ্রহণ :
এইরুপে গভীর ভাবে ভেবে ফুলনাথ তংঞ্চগ্যা দুঃখকে উপলদ্ধি করেন তারপরেই তিনি স্থির সিদ্ধান্তে উপনীত হন দুংখ বদ্ধর্ক সংসার আর নয়।দুঃখ মুক্তির সন্ধানে হবে তাঁর কাজ। তাই তিনি চলে যান রাইংখ্যং বঙলতলী বিহারের অধক্ষ্য উঃ তিসস মহাস্থবির নিকট ১৯৩৫সালো প্রবজ্যা গ্রহন করেন। ১৯৩৯সালের বৈশাখী পূর্ণিমা । বৈশাখী পূর্ণিমাকে বৌদ্ধরা বলেন বুদ্ধ পূর্ণিমা তিথিতে শ্রমণ ফুলনাথ রাইংখ্যং বঙলতলী বিহারে যান এবং তিনি সেখানে ভিক্ষু উপস্পদা গ্রহন করেন ভদন্ত উঃ তিসস ছিলেন উপধ্যায়।উপসম্পন্ন ফুলনাথ শ্রমণ এর নতুন নাম করণ করা হয় অগ্রবংশ ভিক্ষু।
সেই সময় চট্টগ্রামের বেতাগী বনাশ্রমে অবস্থান করেন বাংলাদেশ ভিক্ষুদের অন্যতম সাধক ত্রিপিটক বাগ্মীস্বর ভদন্ত আনন্দ মিত্র মহাথের।জীবনের অন্তিম সময়ে তিনি অখিল ভারত ভিক্ষু সংঘের সংঘনায়ক পদে অধিষ্ঠিত হ।।উপসম্পদার কিছুদিন পরে ভিক্ষু অগ্রবংশ চরে যান বেতাগী বনশ্রম। তিনি পরিয়ত্তি (ত্রিপিটক অধ্যায়ন)ও প্রতিপত্তি ধ্যান-ভাবনা শিক্ষা গ্রহনের আগ্রহ প্রকাশ করেন ভদন্ত আনন্দমিত্র মহাথের নিকট। তাঁর আগ্রহ দেকে মহাথের মহোদয় সন্তষ্ট হন এবং তাঁকে অন্তে বাসী হিসিবে গ্রহণ করে ত্রিপিটক শিক্ষা দেন। পরে তাঁরা গুরু শিষ্য উভয়ে রাইংখ্যং কুতুবদিয়া গ্রামের অদূরে দুটি পাহাড়ের উপর দুজন ভাবনা অনুশীলন করার জন্য চরে যান।
ইতমধ্যে ভিক্ষু অগ্রবংশেরর ধর্মাচরণ ও স্বধর্মের প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধাবোধ জনমনে প্রভাব ফেলতে শুরু করে। কাঁর প্রেরণা দায়ক ধর্ম দেশনায় কুতুবদিয়া গ্রামের যুব সমাজ ধর্মাচরণে উদ্বুদ্ধ হয়। ফলে গঠিত হয় কুতুবদিয়া বৌদ্ধ সমিতি।এই বৌদ্ধ সমিতির সদস্য ছিলেন কবিরত্ন কার্ত্তিক চন্দ্র তংঞ্চগ্যা, সহদেব মহাজন, হংসমণি কার্বারী, বাঁশী মোহন দেওয়ান, যতন মণি চাকমা প্রমূখ যুবকগণ। তাঁদের সক্রিয় সহযোগীতায় বঙলতলী বৌদ্ধ বিহারে পূজা পার্বনাদি যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা উদযাপন করা হয়।
বার্মায় শিক্ষা জীবন:
পরিয়ত্তি (ত্রিপিটক অধ্যায়ন)ও প্রতিপত্তি (ধ্যান-সাধনা)শিক্ষায় তিনি যতই অগ্রসর হচ্ছিলেন ততই বৌদ্ধ ধর্ম বিষয় জানার আগ্রহ প্রবল হচ্ছিল তাঁর মনে।তখন বঙ্গীয় বৌদ্ধদের ত্রিপিটক শিক্ষার তেমন ব্যাবস্থা ছিল না।অপর পক্ষে বংশ পরস্পরা বৌদ্ধ ধর্ম পালি ভাষায় অবিকৃত ভাবে পঠন -পাঠন ও অনুশীলন আসছিল বার্মায় (মায়ানমার)
ভিক্ষু অগ্রবংশ বুদ্ধের সঠিক ধর্মকে সঠিক ভাবে জানার জন্য বার্মা যাওয়ার মনস্থ করেন।অবশেষে গুরুর আশীর্বাদে নিয়ে ১৯৪৮খৃষ্টাব্দে ত্রিপিটক অধ্যায়নের উদ্দেশ্য চট্টগ্রাম ত্যাগ করেন। রেঙ্গুনে পৌঁছে তিনি অধ্যায়ন করেন ত্রিপিটক শিক্ষা করেন বিদর্শন ভাবনা তিনি রেঙ্গুনের লেৎপেরাং বিশ্ববিদ্যালয়ে –এবং কামাইহেদা বিশ্ববিদ্যালয় এ পালি সাহিত্য ওবৌদ্ধ ধর্ম নিয়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করেন।ভিক্ষু অগ্রবংশের উচ্চ শিক্ষার উপর পার্বত্য চট্টগ্রামে জ্ঞানুরাগীদের মধ্যে খুব তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়ে। উচ্চ শিক্ষা গ্রহণেচ্ছু ভিক্ষু শ্রমণদের মধ্যে তিনি জয়ে উঠেন একজন আদর্শ বৌদ্ধ ভিক্ষু। তাই তার পদানুসরণ করে পার্বত্য চট্টগ্রামের অনেক চাকমা তংঞ্চগ্যা ভিক্ষু বৌদ্ধ ধর্ম বিষয়ে বার্মায় যান।। কিন্ত আজ অবধি পার্বত্য চট্টগ্রামের কোন ভিক্ষু শ্রমণ তাঁর ন্যায় উচ্চ শিক্ষায় সফল হতে পারেন নি।
ষষ্ঠ সংগীতি কারক ভিক্ষু অগ্রবংশ;
ভিক্ষু অগ্রবংশের রেঙ্গুনে অবস্থান কালে ১৯৫৪-৫৬খৃষ্টাব্দে অনুষ্ঠিত বৌদ্ধ মহসংগীতি। বৌদ্ধ ধর্ম বিষয়ে উচ্চ শিক্ষিত ভিক্ষু হিসেবে তিনি ষষ্ঠ বৌদ্ধ মহাসংগীতিতে যোগদানের নিমন্ত্রণ লাভ করেন। এই সংগীতি তিনি সক্রিয় ভাবে যোগদান ও করেন।এটা কিন্ত পার্বত্যবাসীদের নিকট কম শ্লাঘার বিষয় নই।
ষষ্ঠ বৌদ্ধ সংগীতি –২৪৯৮বুদ্ধাব্দ(মে২৯৫৪-৫৬খৃষ্টাব্দ)
স্থান :ব্রক্ষ দেশের (মিয়ানমার)রাজধানী রেঙ্গুন শহরের কাবায়ে মহাপোষণ গুহা।
পরিচালনায়:U Nayung Yan Sayadaw Ven.Revata Abhidhaja Maharatthaguru.
বার্মা শ্রীলংকা থাইলেন্ড লাওস ও কম্বোডিয়া, এই পাঁচটি থেরোবাদী বৌদ্ধ দেশের লোকের বিনয় ধর্ম বিনয় সম্পকীয় প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেন।এতে বার্মা সরকার অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। এই মহাসংগীতিতে শুধু ধর্ম বিনয় পরীক্ষা নিরীক্ষার পর বর্জন ও গ্রহণ করা যায়।
এই ভাবে ভদন্ত মহা কাশ্যপ থেকে বৌদ্ধ ধর্মের ধারকবাহক ভিক্ষুসংঘ ছয় ছয়বার বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময়ে বৌদ্ধ মহসংগীতির আয়োজন করেন তাই বুদ্ধর ধর্ম বিনয় আজ অবধি অবিকৃতভাবে পুরিশুদ্ধ রয়েছে। এই ষষ্ঠ বৌদ্ধ মহাসংগীতিতে বাংলাদেশে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানি) প্রতিনিধি হিসেবে ভিক্ষু অগ্রবংশ করেন।বৌদ্ধ ধর্ম বিষয়ে অভিজ্ঞ ভিক্ষুদের নিয়ে এই বৌদ্ধ মহাসংগীতিতে গঠন করা হয় সুপ্রিম সংঘ কাউন্সিল।সেই সংঘ কাউন্সিলে অন্যতম ছিলেন ভদন্ত অগ্রবংশ মহোদয়। তিনি ছিলেন অসাধারণ পণ্ডিত্যের অধিকারী। পণ্ডিত্যের স্বীকৃতি হিসেবে বার্মার বুদ্ধ শাসন কাউন্সিল ভদন্ত অগ্রবংশ ভিক্ষুকে অগ্রমহাপন্ডিত উপাধিতে ভূষিত করেন। বার্মায় উচ্চ শিক্ষা লাভ সমাপনান্তে তিনি মহাসি স্যায়াডে উঃ শোভনা মহাথেরর সান্নিধ্য থেকে বিদর্শন ভাবনা অনুশীলন করেন।অতি অল্প সময়ে বিদর্শন ভাবনায় অভিজ্ঞ হয়ে উঠে তিনি বিদর্শনাচার্য উপাধি লাভ করেন।

পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ, বরকল - জুরাছড়ি শাখা ভিক্ষু সংঘের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও আশির্বাদ জানাচ্ছি 🙏🔅🙏আজ অদ্য ১১/০১/...
11/01/2026

পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ, বরকল - জুরাছড়ি শাখা ভিক্ষু সংঘের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও আশির্বাদ জানাচ্ছি 🙏🔅🙏

আজ অদ্য ১১/০১/২০২৬ খ্রিস্টাব্দে রোজ রবিবার সকাল ১০ টা ঘটিকায় সুবলং বাঘাছোলা জ্ঞানোদয় বৌদ্ধ বিহারে " পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ এর বরকল - জুরাছড়ি শাখা ভিক্ষু সংঘের বাৎসরিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ভদন্ত শীলানন্দ মহাথের ।
আরও উপস্থিত ছিলেন কল্যান শ্রী মহাথের সহ গুনোত্তম ভিক্ষুসংঘ।

আলোচনা বিষয় হলো
১/ বাৎসরিক হিসাব নিকাশ।
২/ বিহার শূন্য পদ পূরন।
৩/ বিবিধ।

ভবতু সব্ব মঙ্গলং 🙏🔅🙏

প্রচারে আর্য্য পদ ভিকখু।

নমো ত্রিরত্নায় : বরকল - জুরাছড়ি ভিক্ষুসংঘের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও আশির্বাদ জানাচ্ছি ।বরকল - জুরাছড়ি ভিক্ষুসংঘে...
09/01/2026

নমো ত্রিরত্নায় : বরকল - জুরাছড়ি ভিক্ষুসংঘের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও আশির্বাদ জানাচ্ছি ।

বরকল - জুরাছড়ি ভিক্ষুসংঘের দুই জন শ্রমন কে উপসম্পদা প্রদান করা হলো।
সদ্য উপসম্পদা লাভ পর ভিক্ষুসংঘ দুই সংঘ সদস্যর নামকরণ করেন " ভদন্ত সুধাম্মা জ্যোতি ভিক্ষু এবং করুনা শ্রী ভিক্ষু"।

উপাধ্যায় গুরু ভদন্ত বিমল জ্যোতি মহাথের
অনুশাসক গুরু ভদন্ত কল্যাণশ্রী মহাথের

সংঘীতিকারক ভিক্ষুসংঘ

১) ভদন্ত বিমল জ্যোতি মহাথের
২) ভদন্ত কল্যাণশ্রী মহাথের
৩) ভদন্ত বিপুলানন্দ মহাথের
৪) ভদন্ত সুমঙ্গল থের
৫) ভদন্ত কর্মপাল থের
৬) ভদন্ত ধর্মশ্রী থের
৭) ভদন্ত মঙ্গলপ্রিয় থের
৮) ভদন্ত জ্ঞান পাল ভিক্ষু
৯) ভদন্ত শান্তপ্রিয় ভিক্ষু
১০ ) ভদন্ত সনয়ন জ্যোতি ভিক্ষু
১১) ভদন্ত ধর্মলংকার ভিক্ষু
১২) ভদন্ত আর্য্যপদ ভিক্ষু

"নমো ত্রিরত্নায়"পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ-এর মহামান্য ৪র্থ সংঘরাজ, অগ্রমহাপণ্ডিত, সাদামনের মানুষ, অনাথপিতা, মৈত্রীর প...
19/12/2025

"নমো ত্রিরত্নায়"
পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ-এর মহামান্য ৪র্থ সংঘরাজ, অগ্রমহাপণ্ডিত, সাদামনের মানুষ, অনাথপিতা, মৈত্রীর প্রতীক
পরম শ্রদ্ধেয় ভদন্ত তিলোকানন্দ মহাথেরো মহোদয়ের
জাতীয় অন্তেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানের প্রথম উদ্বোধনী দিনে আয়োজিত ভিক্ষু সংঘ সম্মেলনে—

সংঘরাজ ও উপসংঘরাজ মনোনয়ন সংক্রান্ত
সংঘের সংবিধান অনুযায়ী সর্বসম্মতিক্রমে
পার্বত্য ভিক্ষু সংঘের ৫ম সংঘরাজ হিসেবে মনোনীত হয়েছেন
পরম শ্রদ্ধেয় প্রজ্ঞানন্দ মহাথের মহোদয়,
এবং উপসংঘরাজ হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন
পরম শ্রদ্ধেয় শ্রদ্ধালংকার মহাথের মহোদয়।

এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে নব-মনোনীত সংঘনেতৃবৃন্দের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন।
পরম শ্রদ্ধেয় তিলোকানন্দ মহাথেরো মহোদয়ের আদর্শ, মৈত্রী ও প্রজ্ঞার ধারাই তাঁদের নেতৃত্বে আরও বিকশিত হোক—এই প্রার্থনা।
🙏🕯️

10/12/2025

বিজ্ঞপ্তি
সম্মানিত সুধী
সংঘরাজ শ্রদ্ধেয় তিলোকানন্দ মহাথের ভান্তের জাতীয় অন্তেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের উদ্দেশে বরকল ও জুরাছড়ি উপজেলার শ্রদ্ধাবান দায়ক-দায়িকাদের বিনামুল্যে লঞ্চ যাত্রার পূর্বে নির্ধারিত সময়টি অনিবার্য কারণ বসত পরিবর্তন করা হয়েছে, পূর্বে নির্ধারিত ছিল ১৮/১২/২০২৫ ইং দুপুর ১টা, বর্তমান নির্ধানিত সময় ১৮/১২/২০২৫ ইং দুপুর ১২টা পর চাপখাইয়াছড়া ধাম্মা সিদ্ধিকারাম বৌদ্ধ বিহার থেকে মারিশ্যা উদ্দেশে রওনা হবে।

Address

Jurachari, Barkal Upazilla, Rangamati Hill Tracts
Chittagong
4570

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ, বরকল - জুরাছড়ি শাখা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share