Arshia Zara Chowdhury

Arshia Zara Chowdhury "কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে ইসলামের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই আমাদের উদ্দেশ্য।"

19/08/2026

তুমি যখন দুঃখ চেপে হাসো,তুমি যখন কাউকে কিছু না বলেও চোখের পানি লুকাও,তুমি যখন গভীর রাতে শুধু সিজদায় মাথা রাখো—জেনে রেখো...
03/08/2026

তুমি যখন দুঃখ চেপে হাসো,
তুমি যখন কাউকে কিছু না বলেও চোখের পানি লুকাও,
তুমি যখন গভীর রাতে শুধু সিজদায় মাথা রাখো—

জেনে রেখো,
তোমার রব তোমাকে কখনোই একা ছেড়ে দেননি।

তিনি তোমার প্রতিটি নিঃশ্বাস জানেন,
হৃদয়ের প্রতিটি কষ্ট দেখেন,
আর তোমার নীরব দোয়াও শুনে নেন।

আল্লাহ বলেন:

﴿إِنِّي مَعَكُمَا أَسْمَعُ وَأَرَىٰ﴾

“নিশ্চয়ই আমি তোমাদের সঙ্গে আছি; আমি সব শুনি এবং সব দেখি।”
— সূরা তোয়াহা, আয়াত ৪৬

তাই হতাশ হয়ো না।
যার কাছে তুমি সিজদায় কাঁদো, তিনি কখনো তাঁর বান্দার কান্না উপেক্ষা করেন না।

🤲 আল্লাহ আমাদের সকলের দুআ কবুল করুন। আমীন।


*১২ টা কাজ করবেন?*জীবনের গতি ১৮০ ডিগ্রী ঘুরে যাবে ইনশাআল্লাহ।১. সময়মত নামাজ আদায়। ২. প্রত্যেক নামাজের পর আয়াতুল কুরসী। ৩...
30/07/2026

*১২ টা কাজ করবেন?*

জীবনের গতি ১৮০ ডিগ্রী ঘুরে যাবে ইনশাআল্লাহ।

১. সময়মত নামাজ আদায়।
২. প্রত্যেক নামাজের পর আয়াতুল কুরসী।
৩. সকাল-সন্ধ্যা ও ঘুমের আগে মাসনুন আমল।
৪. প্রতিদিন কিছু অংশ কুরআন তিলাওয়াত।
৫. ইশরাকের নামাজ।
৬. বিতরের নামাজ বাদ দেবেন না।
৭. জুমআর দিন সূরা কাহাফ।
৮. রাতের শেষাংশে আল্লাহর কাছে রোনাজারি করা।
৯. আযান ও ইকামতের মাঝে দুয়া করা।
১০. পিতামাতার আনুগত্য।
১১. সাদাকাহ করা।
১২. দরূদ পড়া।

আল্লাহ তায়ালা জীবনের উপর রহমত ও বরকতের বন্যা বইয়ে দেবেন ইনশাআল্লাহ।

~ উস্তাদ আম্মারুল হক হাফিঃ

তাহাজ্জুদ নামাজ কিভাবে পড়বেন.?=========================তাহাজ্জুদ নামাজ কিভাবে আদায় করবেন – ধাপে ধাপে সুন্দরভাবে ব্যাখ্...
28/07/2026

তাহাজ্জুদ নামাজ কিভাবে পড়বেন.?
=========================
তাহাজ্জুদ নামাজ কিভাবে আদায় করবেন – ধাপে ধাপে সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা

সংরক্ষণ করে রাখুন, যখনই দরকার হবে ফিরে আসুন ইনশাআল্লাহ

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:

"ফরজ নামাজের পর সবচেয়ে উত্তম নামাজ হলো রাতের নামাজ (তাহাজ্জুদ)।” (সহিহ মুসলিম)

তাহাজ্জুদ মানুষকে আল্লাহর আরও কাছাকাছি নিয়ে যায় এবং অন্তরে প্রশান্তি এনে দেয়। এই নামাজে রয়েছে এমন এক শক্তি, যা দুঃখকে শান্তিতে এবং ব্যথাকে আশায় রূপান্তর করে।

তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার ধাপসমূহ:

১-রাতের শেষ তৃতীয়াংশে জাগুন
যদি মাগরিব ৬:৩৯ PM এবং ফজর ৪:০১ AM হয়, তাহলে রাতের শেষ তৃতীয়াংশ হবে রাত ১২:৫৩ থেকে ফজর পর্যন্ত।

ঘুম থেকে উঠে সুন্দরভাবে ওজু করে নিন।

২-নিয়ত করুন (নিয়্যা করুন)
আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তাহাজ্জুদ পড়ার নিয়ত করুন।

৩-তাকবির দিয়ে নামাজ শুরু করুন
"Allahu Akbar" বলে নামাজ শুরু করুন। অন্যান্য নফল নামাজের মতো দুই রাকাত,অথবা আপনার ইচ্ছে অনুযায়ী আদায় করুন।

৪-সূরা ফাতিহা ও অন্য একটি সূরা পাঠ করুন
সূরা ফাতিহার পর আপনি সূরা ইখলাস ও সূরা কাফিরুন পাঠ করতে পারেন – এগুলো গভীর অর্থবোধক ও বিশেষভাবে সুপারিশকৃত। -

৫-সেজদায় অথবা নামাজ শেষে খালেস অন্তরে দোয়া করুন আল্লাহর কাছে যা কিছু আপনার মনে আছে – কষ্ট, আশা, ভয়, ভালোবাসা – সব খুলে বলুন।
এই সময়টি হলো দোয়া কবুলের সবচেয়ে বরকতময় সময়।
সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করুন

৬-তাহাজ্জুদের পর বিতর নামাজ আদায় করুন তাহাজ্জুদের শেষে ১, ৩ বা ৫ রাকাত বিতর নামাজ পড়া উত্তম ও সুন্নত।

কেনো রাতের শেষ অংশে নামাজ পড়বেন?

রাসূল (সাঃ) বলেছেন:

“প্রতি রাতে যখন রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকে, তখন আমাদের রব (আল্লাহ) নিচের আসমানে অবতরণ করেন এবং বলেন:

কে আছে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব?
কে কিছু চাইবে, আমি তাকে দেব? কে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব?"
(সহিহ বোখারী ১১৪৫, সহিহ মুসলিম ৭৫৮)

এই সময় আল্লাহ বান্দার সবচেয়ে কাছে থাকেন – এটি দোয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী সময়।

যদি আপনি নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়তে না-ও পারেন...
ইচ্ছা থাকলেই আল্লাহ আপনাকে পুরস্কৃত করবেন।

রাসূল(সাঃ) বলেছেন:

“কর্মের প্রতিদান নিয়তের ওপর নির্ভরশীল।” (সহিহ বোখারী)

“যে কোনো ভালো কাজ করার নিয়ত করে কিন্তু করতে না পারে, তার জন্য পূর্ণ সওয়াব লেখা হয়।” (সহিহ বুখারী)

☞ ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে ইসলামিক অনুপ্রেরণা কে ফলো দিয়ে রাখুন!

সংগৃহীত: ছড়াকার সাজ্জাদ আহমদ সাজু
প্রতিষ্টাতা, অংকুর সাহিত্য পাঠাগার, সিলেট।

#নামাজ

জেনে রাখা ভালো ৭০ টি কবিরা গুনাহ কি কি!১. শিরক করা।২. মানুষ হত্যা করা।৩. জাদুটোনা করা।৪. নামাজে অবহেলা করা।৫. যাকাত না দ...
27/07/2026

জেনে রাখা ভালো ৭০ টি কবিরা গুনাহ কি কি!

১. শিরক করা।
২. মানুষ হত্যা করা।
৩. জাদুটোনা করা।
৪. নামাজে অবহেলা করা।
৫. যাকাত না দেয়া।
৬. বিনা ওজরে রমজানের রোযা ভঙ্গ করা।
৭. সামর্থ থাকা সত্ত্বেও হজ্ব না করা।
৮. পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া।
৯. রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়তা ছিন্ন করা।
১০. যিনা-ব্যভিচার করা।
১১. লাওয়াতাত বা সমকামিতা করা।
১২. সুদের আদান-প্রদান।
১৩. ইয়াতিমের মাল আত্মসাৎ করা এবং তাদের ওপর জুলুম করা।
১৪. আল্লাহ ও রাসূলের প্রতি মিথ্যারোপ করা।
১৫. ধর্মযুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন।
১৬. শাসক কর্তৃক জনগণের ওপর জুলুম।
১৭. গর্ব-অহংকার।
১৮. মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া।
১৯. মদ্যপান।
২০. জুয়া খেলা।
২১. সতী-সাধ্বী নারীকে ব্যভিচারের অপবাদ দেয়া।
২২. গনীমতের মাল আত্মসাৎ করা।
২৩. চুরি করা।
২৪. ডাকাতি করা।
২৫. মিথ্যা শপথ করা ও আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে শপথ করা।
২৬. জুলুম বা অত্যাচার করা।
২৭. জোর পূর্বক চাঁদা আদায় করা।
২৮. হারাম খাওয়া ও যেকোন হারাম পন্থায় সম্পদ উপার্জন ও ভোগদখল করা।
২৯. আত্মহত্যা করা।
৩০. কথায় কথায় মিথ্যা বলা।
৩১. বিচারকার্যে দুর্নীতির আশ্রয় নেয়া।
৩২. ঘুষ খাওয়া।
৩৩. পোশাক-পরিচ্ছদে নারী-পুরুষের সাদৃশ্যপূর্ণ বেশভূষা।
৩৪. নিজ পরিবারের মধ্যে অশ্লীলতা ও পাপাচারের প্রশ্রয়দান।
৩৫. তালাকপ্রাপ্তা মহিলাকে চুক্তিভিত্তিক হিলা বিয়ে করা।
৩৬. প্রস্রাব থেকে পবিত্র না থাকা।
৩৭. রিয়া বা লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে সৎ কাজ করা।
৩৮. দুনিয়াবী উদ্দেশ্যে ইলম বা জ্ঞান অর্জন করা এবং সত্য গোপন করা।
৩৯. আমানতের খেয়ানত বা বিশ্বাস ঘাতকতা।
৪০. দান-খয়রাতের খোটা দেয়া।
৪১. তকদিরকে অবিশ্বাস করা।
৪২. কান পেতে অন্য লোকের গোপন কথা শোনা।
৪৩. চোগলখুরি করা।
৪৪. বিনা অপরাধে কোন মুসলমানকে অভিশাপ ও গালি দেয়া।
৪৫. ওয়াদা খেলাফ করা।
৪৬. গণকের কথায় বিশ্বাস করা।
৪৭. স্বামীর অবাধ্য হওয়া।
৪৮. প্রাণীর প্রতিকৃতি আঁকা।
৪৯. বিপদে উচ্চঃস্বরে বিলাপ করা।
৫০. বিদ্রোহ, দম্ভ ও অহংকার প্রকাশ।
৫১. দাস-দাসী দুর্বল শ্রেণীর মানুষ এবং জীবজন্তুর সাথে নিষ্ঠুর আচরণ করা।
৫২. প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া।
৫৩. মুসলমানদের কষ্ট ও গালি দেয়া।
৫৪. আল্লাহর বান্দাদের কষ্ট দেয়া।
৫৫. অহংকার ও গৌরব প্রকাশে টাখনুর নিচে পোশাক পরা।
৫৬. পুরুষের স্বর্ণ ও রেশমী কাপড় পরিধান করা।
৫৭. মনিবের কাছ থেকে গোলামের পলায়ন বা বৈধ কর্তৃপক্ষকে অস্বীকার করা।
৫৮. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে পশু-পাখি যবেহ করা।
৫৯. যে পিতা নয়, তাকে জেনে-শুনে পিতা বলে পরিচয় দেয়া।
৬০. ঝগড়া ও বাদানুবাদ করা।
৬১. প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি অন্যকে না দেয়া।
৬২. মাপে এবং ওজনে কম দেয়া।
৬৩. আল্লাহর আজাব ও গজব সম্পর্কে উদাসীন হওয়া।
৬৪. আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হওয়া।
৬৫. বিনা ওজরে জামায়াত ত্যাগ করা এবং একাকী নামাজ পড়া।
৬৬. ওজর ছাড়া জুমআ এবং জামায়াত ত্যাগ করার ওপর অটল থাকা।
৬৭. উত্তরাধিকারীদের মধ্যে শরীয়ত বিরোধী ওসিয়ত করা।
৬৮. ধোঁকাবাজি, ছলচাতুরি, প্রতারণা করে মানুষ ঠকান।
৬৯. মুসলমানদের ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে গোয়েন্দাগিরি করা এবং তাদের গোপনীয় বিষয় অন্যদের কাছে প্রকাশ করে দেয়া।
৭০. রাসূলের সাহাবাদের কাউকে গালি দেয়া।

হে আল্লাহ আমাদেরকে এই সকল কবিরা গুনাহ থেকে হেফাজত করুন আমিন
▪️শেয়ার করুন সবাই, কেউ না কেউ পাপ থেকে বেচে যাবে। ইনশাআল্লাহ।

cp

আচ্ছা ভাই, মেয়ে দেখতে গেলে দুলাভাই নামক প্রাণীটাকে কেন নিয়ে যান?আপনি কি আপনার পছন্দের উপর সন্দেহ করেন? আপনি কি চান আপনার...
25/07/2026

আচ্ছা ভাই, মেয়ে দেখতে গেলে দুলাভাই নামক প্রাণীটাকে কেন নিয়ে যান?

আপনি কি আপনার পছন্দের উপর সন্দেহ করেন? আপনি কি চান আপনার দুলাভাই আপনার বউয়ের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে, আপনার বোনকে ফেলে আপনার বউকে নিয়ে স্বপ্নে বিভোর হয়ে যাক?

আমি বুঝি না, আপনি পর্দাশীল মেয়ে খুঁজবেন আবার দুলাভাইকে নিয়ে মেয়ে দেখতে যাবেন—এইটা কেমন দ্বীনদারিতা! মাহরাম সম্পর্কেই তো আপনার ধারণা নাই। আপনি আপনার বউকে পর্দার আড়ালে রাখবেন কেমনে? ওহ হ্যাঁ বুঝছি, আপনি নিশ্চয়ই বোরকাওয়ালী মেয়ে খুঁজছেন। যারা বাইরে গেলে হাত মোজা পা মোজা পড়ে, তাই না?

আপনি যদি সত্যিই একজন প্রকৃত পর্দাশীল দ্বীনদার মেয়েকে বিয়ে করতে চান। তাহলে বিয়ে করার আগে তার জন্য মাহরাম মেইনটেইন পরিবেশ তৈরি করুন।

– লেখা: সংগৃহীত

কিছু গুনাহ আছে, যেগুলোকে আমরা গুরুতর মনে করি না।সেগুলো মানুষকে বিস্মিত করে না।সংবাদপত্রের শিরোনামও হয় না।এমনকি অনেক সময় ...
24/07/2026

কিছু গুনাহ আছে, যেগুলোকে আমরা গুরুতর মনে করি না।

সেগুলো মানুষকে বিস্মিত করে না।

সংবাদপত্রের শিরোনামও হয় না।

এমনকি অনেক সময় এগুলোর জন্য অপরাধবোধও আর কাজ করে না।

আর এখানেই লুকিয়ে আছে সবচেয়ে বড় বিপদ।

গীবত (পরনিন্দা) যেন সাধারণ আলাপচারিতার অংশ হয়ে গেছে।

মিথ্যা বলাকে তুচ্ছ মনে হয়, যদি তাতে ‘কারও ক্ষতি না হয়’।

লোক দেখানো (রিয়া) ভালো কাজের আড়ালে নিজেকে লুকিয়ে রাখে।

আর নামাজ দেরি করা মনে হয়— “একটু পরে পড়ে নেব।”

কিন্তু যা তোমার কাছে ছোট মনে হয়, তা আল্লাহর কাছে তোমার আমলের পাল্লায় অনেক ভারী হতে পারে।

রাসূল ﷺ সতর্ক করে বলেছেন, একজন মানুষ এমন একটি কথা বলে ফেলে, যাকে সে তেমন গুরুতর মনে করে না; অথচ সেই কথাই তাকে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করার কারণ হয়ে যায়।

প্রতিটি গুনাহ উচ্চ শব্দে মানুষকে ধ্বংস করে না।

কিছু গুনাহ ধীরে ধীরে হৃদয়কে দুর্বল করে দেয়—

এমনকি একসময় মানুষ আর সেগুলোকে গুনাহ বলেই অনুভব করে না।

তাই হৃদয় থেকে গুনাহের অনুভূতি চলে যাওয়ার আগেই এগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে নাও
আল্লাহ আমাদের অন্তরকে জীবিত রাখুন এবং ছোট-বড় সব গুনাহ থেকে হেফাজত করুন। আমীন। 🤲

Cp

যে মানুষটি সারাদিন ঘুমাত, জীবনে কোনো আগ্রহই ছিল না… তার জীবন কীভাবে বদলে গেল?ড. উমর আবদুল কাফী (হাফি.) বর্ণনা করেন,একদিন...
24/07/2026

যে মানুষটি সারাদিন ঘুমাত, জীবনে কোনো আগ্রহই ছিল না… তার জীবন কীভাবে বদলে গেল?

ড. উমর আবদুল কাফী (হাফি.) বর্ণনা করেন,

একদিন জুমার খুতবার পর এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে বললেন,

"আমি ভীষণ অলস। দিনে ১৫ ঘণ্টারও বেশি ঘুমাই। শুধু খাওয়ার জন্য উঠি, তারপর আবার ঘুমিয়ে পড়ি। কাজ, ভবিষ্যৎ, সন্তান — কোনো কিছুর প্রতিই আমার আগ্রহ নেই। সব সময় হতাশ লাগে। আমাকে বাঁচার কোনো উপায় বলে দিন।"

ড. উমর তাকে বললেন,

"প্রতিদিন অন্তত ১০০ বার ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ পড়ুন। এক সপ্তাহ পর এসে জানাবেন কী পরিবর্তন হয়েছে।"

লোকটি অবাক হয়ে বলল,

"আমি তো বলছি আমি অলস! নামাজ, কাজ — সব অবহেলা করছি। আর আপনি আমাকে শুধু ইস্তিগফার করতে বলছেন?"

ড. উমর বললেন,

"মানুষ যখন গুনাহে জড়িয়ে পড়ে, তখন সেই গুনাহ তার হৃদয়কে ভারী করে দেয়। অলসতা, উদ্যমহীনতা ও হতাশার অন্যতম কারণও হতে পারে এই আধ্যাত্মিক ভার। তুমি ইস্তিগফারকে আঁকড়ে ধরো, তারপর ফল দেখো।"

ছয় দিন পর সেই ব্যক্তি আবার এলেন।

চোখেমুখে আনন্দের ছাপ।

তিনি বললেন,

"আজ আমি আপনার হাত চুমু খেতে চাই! এখন আমি কখনো ১০০ বার, কখনো ৪০০ বার, আবার কখনো ১০০০ বার পর্যন্ত ইস্তিগফার করি।

আল্লাহ আমার অন্তরে নতুন উদ্যম সৃষ্টি করেছেন। এখন ৭ ঘণ্টারও কম ঘুমই যথেষ্ট হয়। কাজে মন বসে, নতুন ব্যবসায়িক চুক্তিও করেছি। কোনো নামাজ আর ছুটে না, সন্তানদের সঙ্গেও আগের চেয়ে অনেক বেশি সময় দিই। আমার কাছে ইস্তিগফার যেন এক শক্তির উৎস হয়ে গেছে।"

ড. উমর বলেন,

ইস্তিগফার এমন এক শক্তি, যা মানুষকে সামনে এগিয়ে দেয়। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমতের দরজা খুলে দেয়। জীবনের দুঃখ, হতাশা, ব্যর্থতা ও সংকটে ইস্তিগফারকে সঙ্গী বানান।

রাসূলুল্লাহ ﷺ এক বৈঠকেই সত্তরেরও বেশি বার ইস্তিগফার করতেন।

হয়তো আপনার জীবনের অনেক সমস্যার সমাধান শুরু হবে একটি বাক্য থেকেই,

"أستغفر الله"
"আস্তাগফিরুল্লাহ"।

আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে কখনো ক্লান্ত হবেন না। যে বান্দা বারবার তাঁর দরজায় ফিরে আসে, আল্লাহ কখনো তাকে খালি হাতে ফিরিয়ে দেন না।
..

দাফন করাটা জরুরী, মাটি কি শুকনো নাকি ভেজা এটা দেখার বিষয় না, মানুষ নামের লাশটা এখন বোঝা হয়ে গেছে- যত দ্রুত সম্ভব লাশ ন...
22/07/2026

দাফন করাটা জরুরী, মাটি কি শুকনো নাকি ভেজা এটা দেখার বিষয় না, মানুষ নামের লাশটা এখন বোঝা হয়ে গেছে- যত দ্রুত সম্ভব লাশ নামের মানুষটাকে কবরস্থ করতেই হবে।

লাশ হওয়ার আগেই আপনি আপনার রবকে রাজি রাখুন!

দুনিয়ার মানুষকে রাজি রাখাতে কোন সফলতা নাই! এরা দিনশেষে আপনাকে দ্রুত কবরস্থ করার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হবে।
প্রকৃত সফলতা মহান আল্লাহ তায়ালাকে রাজি রাখার মধ্যেই।
এই কথাটা যত দ্রুত সময়ের মধ্যে বুঝতে পারবো ; ততই কল্যাণ আমার / আপনার জন্য ।

অতএব প্রতিটি কাজে এবং কথায় আপনার রবকে স্বরণ করুন, তার প্রদর্শিত পথেই চলুন। কবরকে স্বরণে বরণে রাখুন -

Cp

Address

Raozan
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arshia Zara Chowdhury posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share