27/11/2024
#জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা, আবুল আলা #মওদূদীর ভ্রান্ত এবং কুফুরী আক্বীদা সমূহ রেফারেন্সসহ নিম্নে পেশ করা হলোঃ
১। #মওদূদী বলেছে, সমস্ত নবী গোনাহগার। (তাফহীমাত ২য় খন্ড ৫৭ পৃঃ)।
২। #মওদূদী বলেছে, নবী ও সাহাবীদের মধ্যে লোভ, লালসা, ঘৃনা-বিদ্ধেষ, কার্পন্য, স্বার্থপরতা ও প্রতিহিংসা ছিল, যারা ফলে ওহুদ যুদ্ধে পরাজিত হয়েছেন। (তাফহীমুল কুরআন ২য় খন্ড পৃঃ ৬০ , ৯৯ নং টীকা)।
৩। #কুরআন নাযিল হওয়ার একশত বছর পরে তা পরিবর্তন হয়ে গেছে। (কুরআনের চারটি মৌলিক পরিভাষা পৃঃ ১৪ ও ১৫)।
৪। মওদূদী বলেছে, রসূলে আকরাম (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রেসালতের দায়িত্ব আদায়ে ভুল ত্রুটি করেছেন। (তাফহীমুল কুরআন ১৯ খন্ড পৃঃ ২৮৬ ৪নং টীকা , কুরআনের চারটি মৌলিক পরিভাষা পৃঃ ১১৮)।
৫। #রসূলে_কারীম (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মত লম্বা দাড়ি রাখা বা অন্যান্য কাজ তাঁর মতো করা মারাত্মক ধরনের বিদআত ও দ্বীনের বিপজ্জনক বিকৃতি। (রাসায়েল ও মাসায়েল ১ম খন্ড পৃঃ ১৮২ ও ১৮৩ নং)।
৬। হাদীসের দ্বারা যদি বেশি কিছু অর্জিত হয় তবে সহীহ হওয়ার ধারণার উপর দৃঢ় বিশ্বাস ইয়াকিন রাখা যায় না। (তরজমানুল কুরআন পৃঃ ২৬৭ খন্ড ২৬ সংখ্যা-০৩)।
৭। #আল্লাহ_পাকের বিধান অস্বীকার করে মওদূদী বলেছিলো - "যে ক্ষেত্রে নর-নারীর অবাধ মেলামেশা সেক্ষেত্রে যেনার কারনে (আল্লাহ পাক উনার আদেশ কৃত) রজম শাস্তি প্রয়োগ করা জুলুম। (তাহফীমাত ২/২৮১)।
নোট- অথচ জেনাকারীদের জন্যে রজমের শাস্তি স্বয়ং আল্লাহ পাক নিজেই দিয়েছেন।
৮। ফেরেশতা ঐ জিনিস যাকে গ্রীক, ভারত ইত্যাদি দেশের মুশরিকরা দেব-দেবী হিসাবে স্থির করেছে।(নাঊযু বিল্লাহ) (তাজদীদ ও ইহইয়ায়ে দীন ১০ পৃ)।
৯।হযরত আদম (আলাইহিস সালাম) মানবিক দুর্বলতায় আক্রান্ত ছিলেন। (তাহফীমুল কুরআন উর্দু ৩/১২৩)।
১০। হযরত নূহ (আলাইহিস সালাম) চিন্তা ধারার দিক থেকে দীনের চাহিদা থেকে সরে গিয়েছিলেন। (তাহফীমুল কুরআন ২/৩৪৪, ৩য় সংস্করন ১৯৬৪ ইং )।
১১। নবী হওয়ার পূর্বে হযরত মুসা (আলাইহিস সালাম) দ্বারা একটি কবীরা গুনাহ হয়েছিলো। (রাসায়েল ও মাসায়েল ১/৩১)
১২। মহানবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানবিক দুর্বলতা থেকে মুক্ত ছিলেন না। অর্থাৎ তিনি মানবিক দুর্বলতার বশিভুত হয়ে গুনাহ করেছিলেন। (তরজমানুল কুরআন , ৮৫ সংখ্যা , ২৩০ পৃষ্ঠা , তরজমানুস সুন্নাহ ৩/৩০৫)।
১৩। কোরআনুল করীম নাজাতের জন্য নয়; নিছক হেদায়াতের জন্য । (তাফহীমুল কোরআন ১ম খন্ড, ৩২১ পৃষ্ঠা)।
১৪। হযরত আবু বকর সিদ্দিক রদ্বিয়াল্লাহু আনহু খিলাফতের দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ অযোগ্য ছিলেন| (তাজদীদ ও এহহীয়ায়ে দীন ২২ পৃ )
১৫। হযরত উসমান (রদি আল্লাহু তায়ালা আনহু)'র মাঝে স্বজন প্রীতির বদগুন বিদ্যমান ছিলো। (খেলাফত ও মুলকিয়াত ৯৯ পৃ)।
১৬। হযরত আলী (রদি আল্লাহু তায়ালা আনহু) খেলাফত কালে এমন কিছু কাজ করেছেন যাকে অন্যায় বলা ছাড়া উপায় নাই। (খেলাফত এ মুলকিয়াত ১৪৬ পৃ.)।
১৭। হযরত মুয়াবিয়া (রদি আল্লাহু তায়ালা আনহু) স্বার্থবাদী, গনিমতের মাল আত্বসাৎকারী, মিথ্যা সাক্ষ্য গ্রহনকারী ও অত্যাচারী ছিলেন। (খেলাফত ও মুলকিয়াত ১৭৩ পৃ)।
১৮। সাহাবায়ে কিরাম অনেকে মনগড়া হাদীস বর্ননা করেছেন। (তরজুমানুল কুরআন ,৩৫ সংখ্যা)।
১৯। হযরত দাউদ (আলাইহিস সালাম) তৎকালীন যুগে ইসরাঈলী সোসাইটি দ্বারা প্রভাবান্বিত হয়ে এক বিবাহিত যুবতীর উপর আসক্ত হয়ে তাকে বিবাহ করার জন্য তার স্বামীর নিকট তালাকের আবেদন করেছিলেন। (তাহফিমাত ২/৪২, ২য় সংস্করণ , নির্বাচিত রচনাবলী ২/৭৩ , আধুনিক প্রকাশনী ১ম প্রকাশ ১৯৯১ ইং)।
২০। হযরত দাউদ (আলাইহিস সালাম) তাঁর র কাজের মধ্যে নফস ও অভ্যন্তরীন কুপ্রবৃত্তির কিছুটা দখল ছিলো ( তাহফীমুল কুরআন উর্দু, ৪/৩২৭, সূরা রাদ এর তাফসীর , অক্টোবর ১৯৬৬, ১ম সংস্করণ )।
২১। রাসূলে করিম (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নবুওয়তের ২৩ বছরের দায়িত্ব পালনে অনেক ত্রুটি বিচ্যুতি করেছেন। (তাফহীমুল কোরআন: ১৯ তম খন্ড ২৯০ পৃষ্ঠা, আবদুল মান্নান তালিব অনুদিত)।
২২। রাসূল না অতিমানব না মানবীয় দুর্বলতা থেকে মুক্ত। তিনি যেমন আল্লাহর ধনভান্ডারের মালিক নন, তেমনি আল্লাহর অদৃশ্য জ্ঞানের অধিকারী নন বলে সর্বজ্ঞও নন। তিনি অপরের কল্যাণ বা অকল্যাণ সাধন তো দূরে, নিজের কোন কল্যাণ বা অকল্যাণ করতেও অক্ষম। (সূত্র: লন্ডনের ভাষণ: সাইয়েদ আবুল আলা মওদূদী, মুদ্রণে: অরিয়েন্টাল প্রেস, ১৩, কারকুনবাড়ি লেন, ঢাকা। প্রথম মুদ্রণ ১১ অক্টোবর, ১৯৭৬ ইং)।
২৩। দাজ্জাল কখন কোথায় আবির্ভূত হবে নবী করীম (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জানানো হয়নি। তিনি দাজ্জাল সম্পর্কে যা বলেছেন- প্রকৃতপক্ষে তা তাঁর কাল্পনিক ও অনুমান মাত্র। এ ব্যাপারে তিনি নিজেও সন্দিহান ছিলেন। (সূত্র:তরজুমানুল কোরআন- পৃষ্ঠা ৪৬)।
২৪। আলেম ব্যক্তির জন্য ‘তাক্বলীদ’ বা মাযহাব গ্রহণ কবীরা গুনাহ; বরং তার চেয়েও জঘন্য। (ইসলামী রেনেঁসা আন্দোলন)।
২৫। কোন নবী বা অলীর মাজার জেয়ারত করার উদ্দেশ্যে সফর করা হারাম (ইবনে তাইমিয়া, মওদুদী ও মৌং আবদুর রহীম)।
২৫। কোরআন বুঝার জন্য কোন তাফসীরের প্রয়োজন নেই। একজন দক্ষ প্রফেসরই যথেষ্ট। (তানক্বীহাত, পৃষ্ঠা ৩১২)।
২৬। নবী করিম (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর আরবের মধ্যে যে বিশেষ সফলতা অর্জিত হয়েছে, তার কারণ এটাই ছিল যে, তাঁর ভাগ্যে আরবের উত্তম মানবীয় পূঁজি জোটে ছিল। তিনি যদি সাহসহীন, দুর্বল ইচ্ছা শক্তি সম্পন্ন অযোগ্য মানুষের দল পেতেন তারপরও কি এ সফলতা অর্জন হতো? (তাহরীকে ইসলামী কি আখলাকী বুনিয়াদী, পৃষ্ঠা: ১৭)।
২৭। ইসলাম কোন ধর্ম নয়, বরং জিহাদের নাম। নামায কোন ইবাদাত নয় বরং জিহাদের ট্রেনিং মাত্র। (নামাযের হাকীকত: মওদুদী)।
এমন আক্বীদা কি কোন মুসলিম ব্যক্তি পোষন করতে পারে?
এরা কোন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায়? এভাবে কী ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা যায়?
এরা পবিত্র ধর্ম ইসলামের নাম ব্যবহার করে মানুষের সাথে প্রতারনা করছে যুগ যুগ যাবত।
আল্লাহ পাক যেন তাঁর প্রিয় হাবীব হায়াতুন্নবী নূরে মুজাস্সাম, রসূলে আকরাম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উসীলায় আমাদের সকলকে এদের ফিতনা থেকে হেফাযত করেন এবং ঈমান-আকিদা রক্ষা করেন।