AIA DawaH-দাওয়াহ্

AIA DawaH-দাওয়াহ্ ❥︎𝐀𝐧 𝐢𝐬𝐥𝐚𝐦𝐢𝐜 𝐝𝐚𝐰𝐚𝐡 𝐨𝐫𝐠𝐚𝐧𝐢𝐬𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧
𝐰𝐞 𝐰𝐨𝐫𝐤 𝐟𝐨𝐫 𝐬𝐩𝐫𝐞𝐚𝐝 𝐢𝐬𝐥𝐚𝐦,𝐨𝐧𝐥𝐲 𝐟𝐨𝐫 𝐭𝐡𝐞 𝐬𝐚𝐤𝐞 𝐨𝐟 𝐀𝐋𝐋𝐀𝐇♔︎

01/02/2026

১৮+ অ্যালার্ট
( প্রাপ্তবয়স্ক ব্যতিত কেউ এই লেখাটা পড়বেন না)

আপনার কাছে যদি একশ কোটি টাকা থাকে তাহলে আপনি গাড়ি কিনবেন, বাড়ি কিনবেন। যদি এক হাজার কোটি টাকা থাকে তাহলে জাহাজ কিনবেন, বিমান কিনবেন।

আর যদি দশ লক্ষ কোটি টাকা থাকে তাহলে বাচ্চা মেয়েদের মাংস খাবেন, জীবন্ত মেয়ে শিশুর পেট চিরে নাড়িভুঁড়ি আলাদা করে অন্ত্র থেকে পায়খানা বের করে গিলে খাবেন।

কোন কল্পকাহিনী বলছি না। এমনটা সত্যিই ঘটেছে। পশ্চিমা বিলিয়নিয়াররা এতবছর এসবই করে এসেছে।

গতকাল Epstein ফাইলস ফাঁস হয়েছে। সেখানে হাজার হাজার ভিডিও এবং ৩০ লক্ষ পৃষ্ঠার এসব গোপন নথিপত্রের প্রমাণ রয়েছে।

এই পাশবিক এবং জঘন্য কাজগুলো কোন চুপিসারে হতো না। বরং আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে জমজমাট ভাবেই হতো।

ই*সরায়েলী গোয়েন্দা জেফ্রী এপস্টেইন এবং তার ওয়াইফ মিলে ফ্লোরিডার গোপন একটা দ্বীপে এই পাশবিক আয়োজন টা করতো। এমনকি ওরা এই অনুষ্ঠানের নাম দিয়েছিল ক্যালেন্ডার গার্ল।

এই অনুষ্ঠানে নামি দামী রাজনীতিবীদ থেকে শুরু করে, গায়ক, বিজ্ঞানী সব রকমের মানুষজন থাকতো। বিল গেটস, ডোলান্ড ট্রাম, ট্রামের ছেলেমেয়ে, প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, বব শাপিরো সহ আরও অনেকেই ছিল।

এপস্টেইন এবং তার বউয়ের কাজ ছিল বিভিন্ন দেশ থেকে বাচ্চা বাচ্চা মেয়েদেরকে পাচার করে এই দ্বীপে নিয়ে আসা। তারপর তুলে দেয়া হতো অনুষ্ঠানের পাশবিক এই অতিথিদের হাতে।

ট্রাম্পসহ বাকিরা প্রথমে মেয়েদের যৌ‌‌‌‌*নাঙ্গে আঙুল দিয়ে ধ‌‌‌*র্ষণের জন্য প্রস্তুত করতো। কোন বাচ্চার যৌ*নাঙ্গ কতটা টাইট সেসব দেখে দেখে রেটিংও দিত।

তারপর অতিথিদের পছন্দমতো বাচ্চাদেরকে পাঠিয়ে দেয়া হতো তাদের রুমে।

সেখানেই দিনরাত চলতো ধ*র্ষণ এবং পাশবিক নির্যাতন। মেয়ে বাচ্চাগুলোকে বাধ্য করা হতো ওরাল সে*ক্স করতে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের টার্গেট থাকতো বাচ্চাগুলোকে প্রেগন্যান্ট করা।

প্রেগন্যান্ট করেই ওরা ক্ষান্ত থাকতো না। পরে সেই প্রেগন্যান্ট বাচ্চা মেয়েদেরকে এবরশন করে ভ্রুণ বের করে স্যুপ বানিয়ে খেতো।

এমনকি জীবন্ত মেয়েদের পেট চিরে নারিভুরি আলাদা করে অন্ত্র থেকে পায়খানা বের করে গিলে খেতো।
কাবাবের মতো করে পুড়িয়ে পুড়িয়ে বাচ্চাদের মাংস খেতো, পার্টি করতো, উল্লাস করতো।

এদের মধ্যে বেশিরভাগ বাচ্চার বয়সই ছিল মাত্র ৩-৯ বছর! আই রিপিট মাত্র ৩ বছর বয়সের বাচ্চাও এতসব জঘন্য নির্যাতনের শিকার হয়ে মা*রা যেত।

এইসব জঘন্য অপকর্মের ব্যাপারে বহুবার বহুজন মুখ খুলতে চেয়েছিল কিন্তু তেমন কোন লাভ হয়নি।

২০০৯ সালেই একটা পার্টিতে গ্যাব্রিয়েলো রিকো নামের এক মেয়ে চিৎকার করে করে বলে দিয়েছিল- ওরা নরপশু, আমি দেখেছি ওরা মানুষের মাংস খেয়েছে।

এরপর ওই মেয়েকে আর কোথাও দেখা যায়নি। তাকে স্রেফ গায়েব করে দেয়া হয়েছিল।

ব্রাউন নামের এক সাংবাদিকও এসব বিষয়ে অনুসন্ধান করতে চেয়েছিল। পরে তাকে জেলে ভরা হয় এবং ২০১৯ সালে আশ্চর্যজনকভাবে জেলেই তার মৃ*ত্যু হয়। মূলত তাকেও মে*রে ফেলা হয়েছিল।

এপস্টেইন নামক লোকটা এতসব বাচ্চা মেয়েকে সাপ্লাই দিতো এবং জঘন্য কাজে সাহায্য করতো যাতে সে পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনীতিবীদদের ব্ল্যাকমেইল করতে পারে এবং গোয়েন্দা বাহিনীদের স্বার্থ হাসিল করতে পারে।

ক্ষমতা এবং স্বার্থের লোভেই তাদের বাহিনীগুলো এতবছর ধরে এ নোংরা কাজগুলো করে আসছিল।

বিল গেটস পর্যন্ত এসবের সাথে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। রাশিয়ান এক মেয়ের সাথে যৌ‌ন সম্পর্ক করে STD রোগে আক্রান্ত হয়েছিল সে। এজন্যে তার ওয়াইফকেও রেগুলার ভ্যাকসিন নিতে হতো।

শুধু বিল গেটসই না, জোহরান মামদানীর মাও এসব পাশবিক অনুষ্ঠানে যোগদান করতো। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নামও পাওয়া গেছে এই ফাইলে।

শুধু তাই না, নারী পাচারকারী চক্রের সাথে জড়িত আমেরিকার রাজনীতিবিদদের ক্যাম্পেইনে অনুদানও দিয়েছিল বিএনপির নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টু।

এমনকি এসবের সাথে জড়িত কিছু ব্যক্তির সাথে ড. মোহাম্মদ ইউনূসেরও ভালো সম্পর্ক আছে সেটা এই ফাইল থেকেই জানা যায়।

ফাইলটার একটা অংশে এটা উল্লেখও করা হয়েছে। বলা হয়েছে-

"কিছুদিন আগে ইসাবেল এবং আমি আমাদের খুব ভালো বন্ধু কার্টুনিস্ট ম্যাট গ্রোনিংকে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মোহাম্মদ ইউনূসের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলাম।

আর আগামী রবিবার (৩রা অক্টোবর), ইউনূস হতে যাচ্ছেন সিম্পসন লিজেন্ডের (The Simpsons) একটি অংশ।"

এই যে এতসব বড়সড় নেটওয়ার্ক, হাজার কোটি ডলারের লেনদেনের মধ্যে দিয়েই ঘটে চলছিল এসব নোংরা এবং জঘন্য সব কার্যক্রলাপ। এই ফাইল ফাঁস না হলে আমরা হয়তো জানতেও পারতাম না যে পশ্চিমারা কতটা জঘন্য।

আজকে এই ফাইলে যদি কোন হুজুরের নাম থাকতো, কোন মাওলানার নাম থাকতো তাহলে হয়তো দেশে দেশে মশাল মিছিল বের হতো, আমেরিকা থেকে হুশিয়ারি আসতো।

অথচ ক্ষমতার মসনদে থাকা আমেরিকার বিলিয়নিয়াররা এসব করেছে বলে পুরো বিশ্ব নিশ্চুপ।

যেসব পশ্চিমা নেতাদেরকে আমরা অনুসরণ করি, বিজ্ঞানীদের সম্মান করি, সেলিব্রিটিদের দেখলে আনন্দে আত্মহারা হই তাদের মানসিকতাই এমন জঘন্য, কলুষিত।

এই পশ্চিমারাই আমাদেরকে নারী অধিকার শিখায়, নারীর ক্ষমতায়ন শেখায় অথচ এরাই আবার ছোট ছোট বাচ্চা মেয়েদের নাড়িভুঁড়ি ছিঁড়ে খেতে দুইবার ভাবে না।

একটি পাশবিক ঘটনা ঘটে গেছে বাংলাদেশে অথচ কেউ কথা বলছে না! ঢাকার ধামরাইয়ে এক মুসলিম দম্পতি বেড়াতে গিয়েছিলেন হি'ন্দু সহকর্ম...
19/01/2026

একটি পাশবিক ঘটনা ঘটে গেছে বাংলাদেশে অথচ কেউ কথা বলছে না!

ঢাকার ধামরাইয়ে এক মুসলিম দম্পতি বেড়াতে গিয়েছিলেন হি'ন্দু সহকর্মী কৃষ্ণচন্দ্র মনিদাসের বাড়িতে। সেখান থেকে রাত ১২টায় তাদেরকে নেওয়া হয় মনিদাসের বোনের বাড়িতে।

তারপর রাতের বেলা সাতজন হি'ন্দু এসে রাতভর ধ'র্ষণ করে। সেই সঙ্গে গৃহবধূর কানের দুল, গলার চেইন ও হাতের বালাসহ সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণের গহনা ছিনিয়ে নেয়। দিনের বেলা বিচার চাইলে সজিব চন্দ্রমনি দাসহ অনেকে তাদেরকে পিটিয়ে গ্রাম থেকে বের করে দেয়।

এই ঘটনা শোনার পর কোনো আল্লাহর বান্দার কি স্থির থাকা সম্ভব? মুসলিম মেজরিটি একটা দেশে এই ঘটনা ঘটানোর সাহস কিভাবে পেলো? আমাদের ইসলামিক নেতৃবৃন্দ কোথায়?

আরেকটি প্যাটার্ন লক্ষ করুন। যে এলাকায় ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে সেই এলাকার

ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বারঃ মন্টু চন্দ্র মনি দাস

যে বলে, "যে বাড়িতে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, আমি ওই বাড়িতে গিয়ে কাউকে খুঁজে পাইনি। এছাড়া ধর্ষকদেরও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।"

এলাকাটি ধামরাই থানার অধিন।

সেখানকার এএসআইঃ হারাধন সরকার

যে বলে, "আমি সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। ওই ভিকটিম এবং ধর্ষণকারীদের খুঁজে পাইনি। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।"

মুসলিমদের দিন শেষ
সংখ্যালঘুদের বাংলাদেশ!

বিস্তারিতঃ

https://www.jugantor.com/tp-second-edition/1053981

‘আয়েশা (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা রমাযানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইল...
26/03/2025

‘আয়েশা (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা রমাযানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইলাতুল কদরের অনুসন্ধান কর।(১)
আয়েশা (রাযি.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি যদি কদরের রাত পেয়ে যাই তবে কী দু'আ পড়বো? তিঁনি বলেন, তুমি বলবে—
‎اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

অর্থ : হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল। ক্ষমা করতে পছন্দ করেন। সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করুন। (২)
[১]- (সহীহ বুখারী- ২০১৭) (২০১৯, ২০২০, মুসলিম ১৩/৪০, হাঃ ১১৬৯, আহমাদ ২৪৩৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮৮৭)

[২]- ইবনে মাজাহ : ৩৮৫০, সুনান আত-তিরমিজি : ৩৫১৩।

24/03/2025

বোনেরা যদি বুঝতেন পশ্চিমারা কি করে আপনাদের পণ্য হিসেবে ব্যবহার করছে তাহলে নিজেকে লোহার শেকল দিয়ে হলেও বেঁধে রাখতেন। বুঝতে চান না বা বুঝতে পারেন না বলেই আজ দ্বীন থেকে অনেকে দূরে সরে গিয়েছেন আল্লাহর অবাধ্যতায় লিপ্ত হচ্ছেন আল্লাহর বিধানের লঙ্ঘন করে বেপর্দা ভাবে নিজেকে প্রদর্শন করছেন।

উফ যদি একবার বুঝতেন মুসলিম নারীরা পশ্চিমাদের ষড়যন্ত্রের শিকার তাহলে সঠিক পথে ফিরে আসতেন।

তারা জানে মুসলিম নারীদের রাস্তায় নিয়ে আসতে পারলে তারা সফল হবে একটি জাতিও প্রজন্মকে ধ্বংস করতে পারবে। সময় থাকতে নিজের মূল্যটা বুঝে তুমি কোনো সাধারণ নারী নও তুমি মুসলিমা নারী তথা ইসলামের শেহজাদী তোমাকে সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হয়েছে পুরুষের তুলনায় তাহলে কেন তুমি পশ্চিমাদের সংস্কৃতি নিজের মধ্যে ধারণ করবে।

নাস্তিক তথা ইসলাম বিদ্বেষীরা তো তোমাকে দ্বীনের জ্ঞান থেকে দূরে রাখতে তোমাকে দুনিয়ার মোহ মায়ায় আকৃষ্ট করে রাখার কৌশল করে যেন তুমি পরকাল নিয়ে চিন্তা না করো ইসলামি অনুশাসনে নিজেকে বেধে না রাখো।

আল্লাহর পরিকল্পনা ষড়যন্ত্রকারীদের থেকে ও উওম তারাও কৌশল করে আল্লাহ ও কৌশল করে এতপর মুমিনরাই সফলকামি হয়।

মুসলিম নারীরা যেমন কোমল হতে পারে প্রয়োজনে কঠোর ও হতে পারে ওরা হয়তো ভুলে গেছে তুমি খাদিজা (রাঃ) আয়শা (রাঃ) উম্মে ইমারার (রাঃ) সুমাইয়া (রাঃ) উওরসুরী তাই তুমি কখনো দূর্বল নও তোমাদের থেকে জন্ম নেবে এক একটা মুজাহিদ সন্তান খালিদ বিন ওয়ালিদ, উমর বিন খাওাব(রাঃ) আলি (রাঃ) উসমান (রাঃ) মতো সাহসী বীরপুরুষ তুমি তো পশ্চিমাদের সস্তা পণ্য নও বোন তুমি একজন লড়ারুক মুজাহিদা নারী।

মিসওয়াকের ২৫টি বরকতঃ-হযরত আল্লামা সায়্যিদ আহমদ তাহতাবী হানাফী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) "হাশিয়াতুত তাহতাবী" তে মিসওয়াকের...
06/01/2025

মিসওয়াকের ২৫টি বরকতঃ-

হযরত আল্লামা সায়্যিদ আহমদ তাহতাবী হানাফী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) "হাশিয়াতুত তাহতাবী" তে মিসওয়াকের ২৫টি উপকারিতা ও ফযীলত এভাবে উদ্ধৃত করেন :

১/ মিসওয়াক শরীফকে আবশ্যক করে নাও, এর থেকে

উদাসীন হয়ো না। তা সর্বদা করতে থাকো, কেননা

এতে আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্ঠি নিহিত রয়েছে।

২/ সর্বদা মিসওয়াক করতে থাকলে রোজগারে

সহজতা এবং বরকত হয়ে থাকে।

৩/ মাথা ব্যাথা দূর হয়ে যায়।

৪/ কফ দূর করে।

৫/ দৃষ্টি শক্তি প্রখর করে।

৬/ পাকস্থলী ঠিক থাকে।

৭/ শরীরে শক্তি যোগায়।

৮/ স্বরণশক্তি প্রখর করে এবং জ্ঞান বৃদ্ধি করে।

৯/ অন্তরকে পরিচ্ছন্ন করে।

১০/ নেকী বৃদ্ধি পায়।

১১/ ফিরিশতারা খুশি হয়।

১২/ মিসওয়াক শয়তানকে অসন্তুষ্ট করে দেয়।

১৩/ খাবারকে হজম (পরিপাক) করে।

১৪/ সন্তান জন্মদান সহজ হয়।

১৫/ বার্ধক্য দেরীতে আসে।

১৬/ পেটকে শক্তিশালী করে।

১৭/ শরীরে আল্লাহ তা'আলার আনুগত্যের জন্য

শক্তি জোগায়।

১৮/ মৃত্যু যন্ত্রণা সহজ এবং কালেমা শাহাদাত

নসীব হবে ।

১৯/ কিয়ামতে আমলনামা ডান হাতে আসবে।

২০/ পুলসিরাত বিদ্যুতের ন্যায় দ্রুত গতিতে পার

হওয়ার সৌভাগ্য নসীব হবে ।

২১/ চাহিদা পুরণে তাকে সাহায্য করে।

২২/ কবরে শান্তি ও আরাম অনুভুত হবে।

২৩/ তার জন্য জান্নাতের দরজা খুলে দেয়া হবে।

২৪/ দুনিয়া থেকে পাক পবিত্র হয়ে বিদায় নেবে।

২৫/ সবচেয়ে বড় উপকারিতা হলো, এতে আল্লাহ

তা'আলা সন্তুষ্টি রয়েছে।

(হাশিয়াতুত তাহতাবী আলা মারাকিউল ফালাহ, পৃষ্ঠা-৬৮, ৬৯)।

আল্লাহ পাক আমাদেরকে আমল করার ও অন্যকে জানানোর

তৌফিক দান করুন। জারি থাকুক আপনার এই সওয়াবের সিলসিলা। (আমীন)

#তাসাউফ_মাজলিস

30/12/2024

𝗧𝗵𝗶𝗿𝘁𝘆 𝗙𝗶𝗿𝘀𝘁(𝟯𝟭𝘀𝘁) 𝗡𝗶𝗴𝗵𝘁 এবং 𝗡𝗲𝘄 𝘆𝗲𝗮𝗿!

থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের রীতি চালু হয়েছে খ্রিষ্ট জগতে। সুতরাং এ দিবস পালনের মাধ্যমে বিধর্মীদের সাদৃশ্য অর্জন করা হয়। ইসলাম বিজাতীয় সংস্কৃতি পালন করাকে কঠোরভাবে নিষেধ করেছে।

আল্লাহ তাআলা বলেন,
নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট ইসলামই
একমাত্র মনোনীত দীন।

(সুরা আল ইমরান : আয়াত ১৯)

তিনি আরও বলেন,
যে ব্যক্তি ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো ধর্মের অনুসরণ করবে কখনো তার সেই আমল গ্রহণ করা হবে না। আর পরকালে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।

(সুরা আল ইমরান : আয়াত ৮৫)

আল্লাহর রসুল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
যে ব্যক্তি বিজাতিদের সাদৃশ্য অবলম্বন করবে, (কিয়ামতের দিন) সে তাদের দলভুক্ত হিসেবে গণ্য হবে।
[আবু দাঊদ-৪০৩১]

অর্থনৈতিক ও খাদ্যের প্রস্তুতি :১। নিজের খাদ্য নিজেই উৎপাদন করুন। যেমন : ধান, গম, আলু, শাক-সবজি ইত্যাদি। কৃষিকাজের মাধ্যম...
14/12/2024

অর্থনৈতিক ও খাদ্যের প্রস্তুতি :
১। নিজের খাদ্য নিজেই উৎপাদন করুন। যেমন : ধান, গম, আলু, শাক-সবজি ইত্যাদি। কৃষিকাজের মাধ্যমে চাষাবাদ করুন।
২। বাড়ির আঙিনায় পুকুর কেটে সেখানে মাছ চাষ করুন।
৩। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবাদিপশু পালন করুন। যেমন : গরু, ছাগল, ভেড়া ইত্যাদি। হাদিসে আলাদাভাবে এর নির্দেশনা রয়েছে।
৪। চাপকল বা টিউবওয়েল মাটির অনেক গভিরে স্থাপন করুন। সাধারনত যতটুকু নীচ থেকে পানি উঠে তার চাইতে ৫০-১০০ ফুট নীচে। এছাড়াও নদী, পুকুর, ঝর্নার পানি বিশুদ্ধ করে ব্যবহার করার পদ্ধতি জেনে নিন। চাপকলের যাবতীয় প্রয়োজনীয় এক্সেসরিজ সংগ্রহ করে রাখুন।
৫। পর্যাপ্ত শুকনো খাবার সংগ্রহে রাখুন। যেমন চিড়া, মুড়ি, সীম বা কুমড়ার বিচি, বাদাম, ছোলা, কিসমিস ইত্যাদি ।
৬। আপনার ব্যাংক একাউন্ট, ডিপোজিট বা এ জাতীয় খাতে যত টাকা আছে তা এক মুহূর্তও নিরাপদ নয়। দ্রুত তুলে ফেলুন। তা দিয়ে স্বর্ন ক্রয় করুন বা গবাদী পশুতে ক্রয় করুন। মনে রাখবেন, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট ব্যবস্থা ধ্বংস হলে ব্যাংকে টাকা থাকলেও তুলতে পারবেন না।
৭। বাসস্থানের আশেপাশে পর্যাপ্ত ফলগাছ রোপন করুন।
৮। বাচ্চাদেরকে এখন থেকেই চিপস, চকোলেট, আইসক্রীম জাতীয় খাবার থেকে বিরত রাখার অভ্যাস করুন।
৯। শুকনো লাকড়ির ব্যবস্থা করে রাখুন।

বিয়ের আগে মেয়েদের মানসিক প্রস্তুতিবিয়ের আগে মেয়েদের মানসিক প্রস্তুতিটা কিন্তু সবচেয়ে বেশি। কারণ, পুরুষ যত টাকা আয় করু...
12/12/2024

বিয়ের আগে মেয়েদের মানসিক প্রস্তুতি
বিয়ের আগে মেয়েদের মানসিক প্রস্তুতিটা কিন্তু সবচেয়ে বেশি। কারণ, পুরুষ যত টাকা আয় করুক না কেন, ঘর কিন্তু সামলে রাখেন ঘরের মেয়েরাই। পুরুষরা হলেন ঘরের ড্রাইভারের মতো, আর মেয়েরা হলেন সেই ঘরের ইঞ্জিন। ইঞ্জিন ছাড়া যেমন গাড়ি চলবে না, ড্রাইভার ছাড়াও গাড়ি চলা অসম্ভব।
তাদের সবচেয়ে বড় মানসিক প্রস্তুতি হলো, এত বছরের চেনা পরিবেশ আর নিজ পরিবারকে দূরে রেখে নতুন এক পরিবেশে গিয়ে নতুন পরিবারকে আপন করে নেয়ার মানসিক প্রস্তুতি। তাদেরকেই এখন থেকে জীবনের সুখ-দুঃখের অংশীদার বানিয়ে নেয়ার প্রস্তুতি।
মেয়েরা স্বাভাবিকভাবেই বাসার সবচেয়ে আদুরে হয়ে থাকে। তাদের আবদারও থাকে বেশি। আবার কেউ কেউ বড্ড অভিমানীও হয়। কিন্তু বিয়ের পর এই মেয়েকেই অনেক আবদার পরিস্থিতি বুঝে মনের মধ্যেই চেপে যেতে হয়।
আগে হয়তো নিজের বাসায় এঁটো বাসনগুলোও ধরতে ঘেন্না হতো, এখন তাকে এসব তো পরিষ্কার করতে হবেই, ক'দিন বাদে সন্তানের মল-মূত্রও নিজহাতে সাফাই করতে হবে। অথচ বিয়ের আগে এর মানসিক প্রস্তুতি না-থাকার কারণে অনেক মেয়েই শ্বশুরবাড়ি এসে ভেঙে পড়ে। মন খারাপ করে বসে থাকে। সবাই এমন তা নয়, অনেকেই ছোট থেকে ঘরের সব কাজ করা শিখে নেয়; তাদের জন্য বিয়ের পর সবকিছু মানিয়ে নেয়া অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।
আবার অনেকের অভ্যাস হলো সকালে আটটার আগে ঘুম না ভাঙা। আটটার পর মা এসে টেনেটুনে ঘুম ভাঙান। এ নিয়ে বাসায় প্রতিদিন বকাঝকা শুনতে শুনতে ক্লান্ত। কিন্তু বিয়ের পর এমন হলে চলবে না বোন, এখন ফজরের পর উনুনের আগুনটা প্রথমে আপনাকেই ধরাতে হবে। আগে হয়তো বাসায় বুয়া এসে কাপড়চোপড় ধুয়ে দিতেন। শ্বশুরবাড়ি তো বুয়া নাও থাকতে পারে, তখন নিজের কাপড়, স্বামীর কাপড়, প্রয়োজনে খেদমতের নিয়তে শ্বশুর-শাশুড়ির কাপড়ও ধুয়ে দিতে হবে।
বিয়ের পরে মেয়েদের সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটি সহ্য করতে হয় তা হলো, শ্বশুরবাড়ির বিভিন্ন আত্মীয়দের কটুকথা। বাবার বাড়ি থেকে কী দিল? কে কে দেখতে আসল? রান্না এমন কেন? শরীর এত শুকনো কেন? মাথায় চুল কম কেন? বাবার বাড়ি এত যাওয়া লাগে না কি, বছরে একবার গেলেই তো হয়!— এসব নানারকম কথা শুনতে হয় মুখ বুজে।
বাবার বাড়ির রাজকন্যা এখানে এসে হয়ে যায় ঘরের বউ। পার্থক্য এটাই যে, বাবার বাড়িতে তার মন জুগিয়ে চলতে হতো সবার। তার অভিমানের কাছে যেন রাজ্যের ক্ষমতাও নস্যি। কোনো কিছু চাওয়ার আগেই যেন তার সামনে তা হাজির করার জন্য সবাই ব্যতিব্যস্ত হয়ে যেত। অথচ এখন এখানে তাকে চলতে হবে সবার মন জুগিয়ে। এখানে অভিমানগুলো সব আঁচলেই মুছে যায়। কত আবদার হারিয়ে যায় স্বামীর সামর্থ্য না থাকার কারণে। এসব মেনে চলার জন্য বিয়ের আগেই মানসিক প্রস্তুতি দরকার।
'বিয়ের আগে : ফ্যান্টাসি নয়, হোক বাস্তব প্রস্তুতি' বই থেকে।

সমাজে এঙ্গেজমেন্ট বা বাগদানের প্রচলন আছে। আমার কথা হলো, বিয়ের আগে কনেকে আংটি পরিয়ে রেখে দিতে হবে কেন?বিয়ের কথাবার্তা ...
11/12/2024

সমাজে এঙ্গেজমেন্ট বা বাগদানের প্রচলন আছে। আমার কথা হলো, বিয়ের আগে কনেকে আংটি পরিয়ে রেখে দিতে হবে কেন?

বিয়ের কথাবার্তা ফাইনাল হলে আকদ হয়ে গেলেই তো হয়। ওয়ালিমা বা অনুষ্ঠান না হয় পরে করা যাবে। এভাবে দীর্ঘ সময় আংটি পরিয়ে রাখাতে কয়েকটা গুরুতর সমস্যা হয় :

১। হবু বর-কনের মাঝে দিনের পর দিন রসালো ফোনালাপ চলতে থাকে। যেটা স্পষ্টতই হারাম।

২. ছেলে বিভিন্ন সময় মেয়ের বাড়িতে যায় দেখা করতে। মেয়ের সাথে কথা বলতে। এটাও তো নাজায়িয।

৩। অনেকসময় প্রতিবেশীরা বদনাম রটিয়ে বিয়ে ভেঙ্গে দেয়। শয়তানের কুমন্ত্রণা ও মানুষের বদনজরের কারণেও ভেঙে যেতে পারে বিয়ে। শুভ কাজে তো দেরি করা উচিত নয়।

৪। হবু বর হয়তো কনের ছবি দেখে দেখে সময় কাটায়। তার মনে সর্বক্ষণ একজন বেগানা নারীর কল্পনা-জল্পনা চলতে থাকে।

© কালেক্টেড
#আমারঅর্ধেকদ্বীন

India is not able to protect the diplomatic mission & their employees. It proves how weak the Indian law enforcement aut...
02/12/2024

India is not able to protect the diplomatic mission & their employees. It proves how weak the Indian law enforcement authorities are! India should ask the help from UN to get peacekeepers in country to protect foreign mission.





মদ বিড়ি সিগারেট যেমন শারীরিক ও মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত করে অনলাইন আসক্তি তেমনি দ্বীনিয়াতের ক্ষতি করে ।সোস্যাল মিডিয়ার কিছ...
18/11/2024

মদ বিড়ি সিগারেট যেমন শারীরিক ও মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত করে
অনলাইন আসক্তি তেমনি দ্বীনিয়াতের ক্ষতি করে ।
সোস্যাল মিডিয়ার কিছু মতাদর্শীক কপি পোষ্ট করে ধার্মিকতার প্রমান রাখা গেলেও সুন্নাহ থেকে বান্দা দুরে সরে যায় , ফরজিয়াত ত্রুটিযুক্ত হয় আর নফল ইবাদতের সাথে ভীষন রকমের দুরত্ব সৃষ্টি হয় ।
কুরআন তিলওয়াত , কিয়ামুল লাইল আদায় কঠিন হয়ে যায় । অর্ধরাত্রি অব্দি ইসলামিক পোষ্ট আর দাওয়াহ এর নেক সুরতে ধোকায় ফজরও কাযা হয়ে যাওয়ার মত মুনাফেকি আমাদের কাছে কমন হয়ে গেছে ।

05/11/2024

১৭ শ্রেণির মানুষ মুসলিম হয়েও জান্নাতে যাবে না।


ওই ধরনের কিছু গুনাহ নিম্নরূপ—

(1) হারাম খাদ্য ভক্ষণকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে দেহ হারাম খাদ্য দ্বারা লালিত-পালিত হয়েছে, তা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সুনানে বায়হাকি : ৫৫২০)


(2) আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত জুবাইর ইবনে মুতইম (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সহিহ বুখারি : ৫৫২৫)


(3) প্রতিবেশীকে কষ্ট দানকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যার অত্যাচার থেকে প্রতিবেশীরা নিরাপদ নয়, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সহিহ মুসলিম : ৬৬)


(4) মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান ও দাইয়ুস নারী জান্নাতে যাবে না : রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘তিন শ্রেনির লোক জান্নাতে যাবে না—মাতা-পিতার অবাধ্য, দাইয়ুস (অর্থাৎ যে ব্যক্তি তার স্ত্রী-বোন প্রমুখ অধীনস্থ নারীকে বেপর্দা চলাফেরায় বাধা দেয় না) এবং পুরুষের বেশ ধারণকারী মহিলা। ’ (মুসতাদরাকে হাকেম : ২২৬)


(5) অশ্লীলভাষী ও উগ্র মেজাজি জান্নাতে যাবে না : হারেছা বিন ওহাব (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘অশ্লীলভাষী ও উগ্র মেজাজি ব্যক্তি জান্নাতে যাবে না। ’ (আবু দাউদ : ৪১৬৮)


(6) প্রতারণাকারী শাসক জান্নাতে যাবে না : হজরত মাকাল বিন ইয়াসার (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, ‘মুসলমানদের ওপর প্রতিনিধিত্বকারী শাসক যদি এ অবস্থায় মারা যায় যে সে তার অধীনস্থদের ধোঁকা দিয়েছে, তাহলে আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেবেন।

(সহিহ বুখারি : ৬৬১৮)


(7) অন্যের সম্পদ আত্মসাৎকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি কসম করে কোনো মুসলমানের সম্পদ আত্মসাৎ করে, আল্লাহ তাআলা তার জন্য জাহান্নাম ওয়াজিব করে দেন এবং জান্নাত হারাম করেন। এক ব্যক্তি বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! যদিও সামান্য কোনো জিনিস হয়? তিনি বললেন, যদিও পিপুলগাছের একটি ছোট ডাল হোক না কেন। ’ (সহিহ মুসলিম : ১৯৬)


(8) খোঁটাদানকারী, অবাধ্য সন্তান ও মদ্যপ জান্নাতে যাবে না : হজরত আবদুল্লাহ বিন আমর (রা.) বলেন, নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেন, ‘উপকার করে খোঁটা দানকারী, মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান, সর্বদা মদপানকারী—এই তিন শ্রেণির মানুষ জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সুনানে নাসায়ি : ৫৫৭৭)


(9) চোগলখোর জান্নাতে যাবে না : হজরত হুজাইফা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘চোগলখোর জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সহিহ মুসলিম : ১৫১)


(10) অন্য পিতার সঙ্গে সম্বন্ধকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত সাদ ও আবু বাকরাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি জেনেশুনে নিজেকে অন্য পিতার সঙ্গে সম্পর্কিত করে—অর্থাৎ নিজেকে অন্য পিতার সন্তান বলে পরিচয় দেয়, তার জন্য জান্নাত হারাম। ’ (সহিহ বুখারি : ৬২৬৯)


(11) গর্ব-অহংকারকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যার অন্তরে অণু পরিমাণ অহংকার রয়েছে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সহিহ মুসলিম : ১৩১)


(12) রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নাফরমান জান্নাতে যাবে না : হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘আমার সব উম্মত জান্নাতে যাবে, কিন্তু সে ব্যক্তি নয়, যে (জান্নাতে যেতে) অস্বীকার করেছে। সাহাবীরা আরজ করলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! কে অস্বীকার করেছে? তিনি বললেন, যে আমার আনুগত্য করে, সে জান্নাতে যাবে। আর যে আমার নাফরমানি করে, সে (জান্নাতে যেতে) অস্বীকার করেছে। ’ (সহিহ বুখারি : ৬৭৩৭)


(13) দুনিয়াবি উদ্দেশ্যে ইলম অর্জনকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ইলম দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অন্বেষণ করা হয় সেই ইলম যে ব্যক্তি দুনিয়াবি কোনো স্বার্থ-সম্পদ হাসিলের উদ্দেশ্যে শিক্ষা করে, সে জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না। ’ (আবু দাউদ : ৩১৭৯)


(14) অকারণে তালাক কামনাকারী নারী জান্নাতে যাবে না : হজরত সাওবান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে নারী তার স্বামীর কাছে অকারণে তালাক কামনা করে, সে জান্নাতের সুঘ্রাণও পাবে না। ’ (তিরমিজি : ১১০৮)


(15) কালো কলপ ব্যবহারকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘শেষ যুগে কিছু লোক কবুতরের সিনার ন্যায় কালো কলপ ব্যবহার করবে। তারা জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না। ’ (সুনানে নাসায়ি : ৪৯৮৮)


(16) লৌকিকতা প্রদর্শনকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত আবু হুরাইরা (রা.) সূত্রে বর্ণিত এক দীর্ঘ হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম একজন শহীদকে ডাকা হবে। অতঃপর একজন কারিকে। তারপর একজন দানশীল ব্যক্তিকে হাজির করা হবে। প্রত্যেককে তার কৃতকর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। অতঃপর শহীদকে বীর-বাহাদুর উপাধি লাভের উদ্দেশ্যে জিহাদ করার অপরাধে, কারি সাহেবকে বড় কারির উপাধি ও সুখ্যাতি লাভের জন্য কিরাত শেখার অপরাধে এবং দানশীলকে বড় দাতা উপাধি লাভের নিয়তে দান-সদকা করার অপরাধে উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। ’ (সহিহ মুসলিম : ৩৫২৭)


(17) ওয়ারিসকে বঞ্চিতকারী জান্নাতে যাবে না : রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো ওয়ারিসকে তার অংশ থেকে বঞ্চিত করল, আল্লাহ তাআলা তাকে জান্নাতের অংশ থেকে বঞ্চিত করবেন। ’ (সুনানে ইবনে মাজাহ : ২৬৯৪

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AIA DawaH-দাওয়াহ্ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share