Mohammed Nurul Islam

Mohammed Nurul Islam Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mohammed Nurul Islam, Pahartali, Chittagong.

07/08/2026

চোখের গুনাহ নামাজের সিজদায় গেলেও ভাসে!

চোখের পাপ (হারাম দৃষ্টি) এমনভাবে হৃদয়ে দাগ ফেলে যে, অনেক সময় নামাজের সিজদায়ও সেই দৃশ্য মনে ভেসে ওঠে। ফলে খুশু-খুজু নষ্ট হয় এবং নামাজের প্রশান্তি কমে যায়।

রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন, চোখের যিনা হলো হারামের দিকে দৃষ্টি। (সহীহ মুসলিম) আর আল্লাহ তাআলা বলেন, মুমিন পুরুষদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে... (সূরা নূর: ৩০)। একই নির্দেশ মুমিন নারীদের জন্যও রয়েছে (সূরা নূর: ৩১)।

একইভাবে মহিলাদের জন্যও (সূরা নূর: ৩১)। হারাম দৃষ্টি (নন-মাহরামের সৌন্দর্য দেখা, অশ্লীল ছবি/ভিডিও) চোখের যিনা, যা হৃদয়কে কলুষিত করে এবং বড় গুনাহের দিকে নিয়ে যায়।

এ গুনাহ থেকে বাঁচার ৩টি গুরুত্বপূর্ণ আমল:

১. দৃষ্টি নত রাখুন।
অনিচ্ছায় হারাম কিছু চোখে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে চোখ ফিরিয়ে নিন। ইচ্ছাকৃত দ্বিতীয়বার তাকানো থেকে বিরত থাকুন। অশ্লীল কনটেন্ট, অপ্রয়োজনীয় স্ক্রলিং ও গুনাহের পরিবেশ এড়িয়ে চলুন।

২. তওবা ও দোয়া করুন।
গুনাহ হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে "আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতূবু ইলাইহি" পড়ে আন্তরিক তওবা করুন। পাশাপাশি পড়ুন: "আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবিকা মিন শাররি বাসারী।" (হে আল্লাহ! আমি আমার চোখের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই।)

৩. নামাজ ও কুরআনের সাথে সম্পর্ক মজবুত করুন।
নিয়মিত নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, যিকির এবং সম্ভব হলে নফল রোজা হৃদয়কে পবিত্র রাখে ও হারাম দৃষ্টি থেকে বাঁচতে সাহায্য করে।

শেষ কথা: এ গুনাহ থেকে বাঁচলে আল্লাহ হৃদয়ে নূর দান করেন, চোখের মাধ্যমে জান্নাতের পথ সহজ হয়। রাসূল সাঃ বলেছেন, যে আল্লাহর জন্য কিছু ছেড়ে দেয়, আল্লাহ তার জন্য তার চেয়ে উত্তম কিছু দেন।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে চোখের হেফাজত দান করুন।

আমাদের কিছু অসহায়ত্ব থাকে! আমারো আছে, আছে কিছু ঋণ যাহা কখনো পরিশোধ করা সম্ভব না! আজীবন কৃতজ্ঞতায়, ছোট থেকে যাদের কাছে শি...
26/07/2026

আমাদের কিছু অসহায়ত্ব থাকে!
আমারো আছে, আছে কিছু ঋণ যাহা কখনো পরিশোধ করা সম্ভব না! আজীবন কৃতজ্ঞতায়, ছোট থেকে যাদের কাছে শিখেছি জীবনের মানে কি? মানুষ কে কিভাবে সম্মান করতে হয় কোথায় কিভাবে চলতে হবে, কথা বলা শিখেয়েন পথ চলা সহ জীবনের আপাদমস্তক! কারণে অকারণে তারা আজ অনেক দূরে। যদি আমার এই লেখা গুলো কোনো না কোনো ভাবে আপনাদের চোখে পড়ে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন আপনাদের ঋন আমার পক্ষে শোধ করা পসিবল না। সময়ের বিবর্তনে অনেক কিছু পরিবর্তন পরিবর্ধন হয় আমি ও আপনি এর বাহিরে না।
হয়তো আমরা কিছু পরিবর্তন মেনে নিতে পারি না। তবুও জীবন জীবনের নিয়মে চলতে থাকে অবিরাম। কোথাও কথা বলার অবস্থান সংকীর্ণ হলে খোলা আকাশের নীচে বা বর্তমানে অনলাইন প্লাটফর্মে লিখার মাধ্যমে মনের কথা গুলো লিখা বা নিজেকে হালকা করার অপচেষ্টা মাত্র। ভালোবাসা,ভালো লাগা আপন সম্পর্ক গুলো দূর থেকেই সুন্দর, যতো নিকটে থাকবেন তিক্ততা বাড়বে সম্পর্ক ফাটল ধরবে-মতবিরোধ হবে। সরি বলা সহজ সেটা আমার জন্য, অকারণে বলেছি হাজার বার! হয়তো কারো জীবনে সরি শব্দ টা ডায়েরিতে লিখা নেই। আবারও সরি সরি সরি। আমার লিখাটা পড়ার সুযোগ আপনার নেই সংযুক্তির অভাবে হয়তো কোন মাধ্যমে পড়ে থাকেন ক্ষমা করবেন বিনীত প্রার্থনা। লেখা গুলো একান্তই ব্যক্তিগত।

25/07/2026

পুরুষের জীবনে সবচেয়ে ভারী বোঝার নাম অভাব। সে যত স্বপ্নই বুকে লালন করুক, বাস্তবতা বারবার তাকে মনে করিয়ে দেয় স্বপ্নেরও একটা দাম আছে।

মায়ের চিকিৎসা, বাবার ওষুধ, ছোট ভাইয়ের পড়াশোনা, প্রিয় মানুষের মুখে হাসি; সবকিছুর মাঝখানে এসে দাঁড়ায় একটি শব্দ, টাকা।

পুরুষের ক্লান্তি কেউ দেখে না, তার নির্ঘুম রাতের হিসাবও কেউ রাখে না। সবাই শুধু জানতে চায়, "আজকাল কি করতেছো, কেমন আয় করছ?"

অর্থ আয়ের পরিমাণ বেশি হলে পরিবারসহ আত্মীয়-স্বজন সবাই মাথায় তুলে। টাকা না থাকলে তারাই অবহেলায় ছুড়ে ফেলে। রাস্তায় দেখা হলে পরিচিতরা নিজেকে আড়াল করে নেয়, হয়তো ভাবে "আবার না টাকা ধার চেয়ে বসে।"

এই পৃথিবীতে একজন পুরুষের সম্মান, গুরুত্ব, এমনকি অনেক সম্পর্কের মূল্যও বেশির ভাগ সময় তার মানিব্যাগের ওজন দিয়ে বিচার করা হয়।

পুরুষ মানুষ কাঁদতে চাইলেও কাঁদে না, কারণ তাকে শেখানো হয়েছে; পুরুষের চোখে জল মানায় না। তাই সে চুপচাপ নিজের ভাঙা স্বপ্নগুলো বুকের ভেতরই কবর দেয়।

পুরুষের সবচেয়ে বড় যুদ্ধটা হয় প্রতিদিনের অভাব আর অপূর্ণতার সঙ্গে। আর সেই যুদ্ধে জিততে না পারলে, অনেক সময় হারিয়ে যায় তার হাসি, আত্মবিশ্বাস, এমনকি বেঁচে থাকার ইচ্ছেটুকুও।

25/07/2026

এক লোক একটি উড়তে পারা পাখিকে খাঁচার মধ্যে বন্দী করল।
লোকটি প্রতিদিন চুপচাপ পাখিটির পাখা কেটে দিত আর বলতো,
বাইরে বিপদ আছে।
তুমি উঠতে পারবে না।
আমি আছি না তোমার সাথে তোমাকে সাহায্য করার জন্য।

তো লোকটি মাঝে মাঝে পাখিটিকে উড়বার জন্য ছেড়ে দিত।
যেহেতু পাখিটির পাখা কাটা ছিল তাই ও উড়তে পারত না। বারবার পড়ে যেত।
আর এটা দেখে সেই লোকটি হেসে বলতো,
দেখেছো। আমাকে ছাড়া তুমি কিছুই না।

একবার খাঁচার দরজা খোলা ছিল। পুরো আকাশ সামনে ছিল। কিন্তু তারপরও পাখিটি উবার জন্য চেষ্টা করল না। সাইকোলজির ভাষায় একে
Learned Helplessness
বলে।

তোমার কাছের কিছু লোক তোমার আত্মবিশ্বাস এমন ভাবে ভেঙে দেবে যে,
তুমি তোমার নিজেকে সন্দেহ করতে থাকবে।

তারা তোমাকে সাহায্য করার নাটক করবে, কিন্তু এই অল্প সাহায্যের পিছনেই তারা তোমাকে চিরতরে পঙ্গু করে দেবে।

তাই এই ধরনের লোকদের কাছ থেকে সব সময় সাবধানে থাকতে হবে।

"লাল বৃত্তের এই জায়গাটিই... যেখানে জান্নাত থেকে কুরবানী নেমে এসেছিল"মিনার সেই পবিত্র পাহাড় - আত্মসমর্পণের সর্বোচ্চ নিদর্...
19/07/2026

"লাল বৃত্তের এই জায়গাটিই... যেখানে জান্নাত থেকে কুরবানী নেমে এসেছিল"
মিনার সেই পবিত্র পাহাড় - আত্মসমর্পণের সর্বোচ্চ নিদর্শন

আপনি যে ছবিটা দেখছেন এটা কোনো নাটক সিনেমার দৃশ্য না ভাই।
এটা মিনার পাহাড়ের উপর সেই ঐতিহাসিক স্থান। যেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন আল্লাহর খলিল হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম।
আর তার পাশে ছিলেন তার কলিজার টুকরা ইসমাইল আলাইহিস সালাম।

লাল তীর যেদিকে দেখাচ্ছে, ওখানেই জিব্রাইল আলাইহিস সালাম জান্নাত থেকে দুম্বা নিয়ে নাজিল হয়েছিলেন।

সুবহানাল্লাহ!

───

১. ঘটনাটি কি ছিল? - কুরআনের ভাষায়

আল্লাহ তাআলা ইব্রাহীম আঃ কে স্বপ্নে আদেশ দিলেন ছেলেকে কুরবানী করার জন্য।

فَلَمَّا بَلَغَ مَعَهُ السَّعْيَ قَالَ يَا بُنَيَّ إِنِّي أَرَىٰ فِي الْمَنَامِ أَنِّي أَذْبَحُكَ فَانظُرْ مَاذَا تَرَىٰ
বাংলা উচ্চারণ:ফালাম্মা বা-লাগা মা'আহুস সা'ইয়া ক্ব-লা ইয়া বুনাইয়্যা ইন্নী আরা-ফিল মানা-মি আন্নী আযবাহুকা ফানযুর মা-যা তারা
অর্থ: "অতঃপর যখন সে পিতার সাথে চলাফেরা করার বয়সে পৌঁছল, তখন ইব্রাহীম বললেন: বৎস! আমি স্বপ্নে দেখি যে, আমি তোমাকে যবেহ করছি। এখন তোমার মতামত কি?"
সূরা আস-সাফফাত: একশত দুই

ছেলে জবাব দিলেন:
قَالَ يَا أَبَتِ افْعَلْ مَا تُؤْمَرُ ۖ سَتَجِدُنِي إِن شَاءَ اللَّهُ مِنَ الصَّابِرِينَ
ক্ব-লা ইয়া আবাতিফ'আল মা-তু'মারু, সাতাজিদুনী ইনশা-আল্লা-হু মিনাস স-বিরীন
অর্থ: "হে আমার পিতা! আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে তাই করুন। আল্লাহ চাইলে আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাবেন"
সূরা আস-সাফফাত: একশত তিন

তারপর কি হলো?
فَلَمَّا أَسْلَمَا وَتَلَّهُ لِلْجَبِينِ. وَنَادَيْنَاهُ أَن يَا إِبْرَاهِيمُ. قَدْ صَدَّقْتَ الرُّؤْيَا
ফালাম্মা আস-লামা ওয়া তাল্লাহু লিল জাবীন... ওয়া না-দাইনা-হু আই ইয়া ইব্রা-হীমু, কাদ সাদ্দাকতার রু'ইয়া
অর্থ: "যখন তারা উভয়ে আনুগত্য প্রকাশ করলো এবং ইব্রাহীম তাকে কপালের উপর শুইয়ে দিলেন, তখন আমি তাকে ডেকে বললাম: হে ইব্রাহীম! তুমি তো স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করেছ"
সূরা আস-সাফফাত: একশত তিন থেকে একশত পাঁচ

২. জিব্রাইল আঃ কখন নাজিল হলেন?

ঠিক যখন ছুরি গলায় লাগাতে যাবেন, আল্লাহ ডাক দিলেন। আর জিব্রাইল আঃ জান্নাত থেকে একটি জান্নাতি দুম্বা নিয়ে আসলেন।

وَفَدَيْنَاهُ بِذِبْحٍ عَظِيمٍ
বাংলা উচ্চারণ:ওয়া ফাদাইনা-হু বিযিবহিন আযীম
অর্থ: "আর আমি তার পরিবর্তে দিলাম যবেহ করার জন্য এক মহান কুরবানী"
সূরা আস-সাফফাত: একশত সাত

ইবনে কাসীর রহঃ তার তাফসীরে লিখেন:
"সেই কুরবানীর পশুটি ছিল একটি জান্নাতি দুম্বা। জিব্রাইল আঃ তা নিয়ে মিনার এই পাহাড়েই অবতরণ করেন"
তাফসীর ইবনে কাসীর: খণ্ড সাত, পৃষ্ঠা দশ

ইমাম কুরতুবী রহঃ লিখেন: "এই ঘটনা মিনার উপত্যকায় ঘটেছিল। হাজীরা আজও সেখানে কুরবানী করে"
তাফসীর আল-কুরতুবী: খণ্ড পনেরো, পৃষ্ঠা একশত সাতচল্লিশ

৩. এই জায়গাটির নাম কি?

আলেমদের বর্ণনা অনুযায়ী এই স্থানটি মিনা। হজের সময় আমরা যেখানে তিনটি জামারায় পাথর মারি, তার আশেপাশের এই পাহাড়গুলোই সেই স্মৃতি বহন করছে।

পরবর্তীতে মুসলমানরা এই স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য এখানে ছোট ছোট মসজিদ/মিনার বানিয়েছেন। আপনার ছবির গম্বুজওয়ালা স্থাপনাটি সেই চিহ্নগুলোর একটি।

৪. এটা দেখতে পারা কেন সৌভাগ্য?

আজকের দুনিয়ায় মানুষ ফোনে নাটক, সিনেমা, অশ্লীলতা দেখে সময় নষ্ট করে।
আর আপনি আল্লাহর খলিলের সেই আত্মত্যাগের জায়গা দেখছেন।

এখানে দাঁড়িয়ে ইব্রাহীম আঃ প্রমাণ করেছিলেন: "আল্লাহর হুকুমের সামনে আমার সবচেয়ে প্রিয় জিনিসও কিছু না"
এখানে ইসমাইল আঃ প্রমাণ করেছিলেন: "আব্বু, আল্লাহর আদেশ পালন করুন"

এটাই হলো "ইসলাম" শব্দের আসল অর্থ - পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ।

রাসুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ رَأَى مِنكُم مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ
মান রা-আ মিনকুম মুনকারান ফাল ইউগাইয়্যিরহু বিইয়াদিহী
অর্থ: "তোমাদের মধ্যে যে অন্যায় দেখবে সে যেন হাত দিয়ে তা পরিবর্তন করে"
সহীহ মুসলিম: উনপঞ্চাশ

আপনি চোখ দিয়ে পবিত্রতা দেখছেন। এটাও ইবাদত।

───

শেষ কথা ও দোয়া

হে আল্লাহ! যে এই পোস্ট করেছে এবং যে এই পবিত্র ছবি দেখছে,
তুমি তাদের সবাইকে হজ ওমরাহ করে মিনার এই পবিত্র জায়গা জিয়ারত করার তাওফিক দাও। আমিন

আল্লাহ আমাদেরকেও ইব্রাহীম আঃ এর মতো আনুগত্য আর ইসমাইল আঃ এর মতো ধৈর্য দান করুন।

লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক
হে আল্লাহ! আমি হাজির, আমি হাজির

───

রেফারেন্স: সূরা আস-সাফফাত ১০২-১০৭, তাফসীর ইবনে কাসীর 7/10, তাফসীর কুরতুবী 15/147

এই পবিত্র স্মৃতি শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন।

13/07/2026

++++++++ একটি লাভজনক ব্যবসা ++++++++
# # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # #
মদীনার বাগানগুলোর মধ্যে এক ইয়াতীম ছেলের একটি বাগান ছিল। তার বাগানের সাথে লাগোয়া বাগানের মালিক ছিলেন আবু লুবাবা নামের এক লোক। সেই ইয়াতীম ছেলেটি নিজের বাগান বরাবর একটি প্রাচীর দিতে গিয়ে দেখল, প্রতিবেশীর একটি খেজুর গাছ সীমানার মধ্যে পড়ে যাচ্ছে। ছেলেটি তার প্রতিবেশীর কাছে গিয়ে সমস্যার কথা বলে সীমানার খেজুর গাছটি কিনতে চাইলো যাতে প্রাচীরটি সোজা হয়। কিন্তু প্রতিবেশী আবু লুবাবা কোনভাবেই রাজী হচ্ছিল না।

কোন উপায় না পেয়ে সেই ইয়াতীম রাসুলুল্লাহ্ ﷺ এর কাছে গিয়ে পুরো ঘটনা বুঝিয়ে বললো। আল্লাহর রাসুল ﷺ ডেকে পাঠালেন আবু লুবাবাকে। সে মসজিদে নববীতে আসলে নবী করীম ﷺ সেই খেজুর গাছটি অর্থের বিনিময়ে হলেও ইয়াতীম ছেলেটিকে দিয়ে দিতে অনুরোধ করলেন।

আবু লুবাবা যথারীতি রাজী হলো না। রাসুলুল্লাহ্ ﷺ এক পর্যায়ে তাকে বললেন, "তোমার ভাইকে ওই খেজুর গাছটি দিয়ে দাও। আমি তোমার জন্য জান্নাতে একটি খেজুর গাছের জিম্মাদার হব।"

বিস্ময়কর হলেও আবু লুবাবা তারপরেও সেই খেজুর গাছ দিতে রাজী হলো না। রাসুলুল্লাহ্ ﷺ এই পর্যায়ে চুপ হয়ে গেলেন। এর চেয়ে বেশী তিনি ﷺ তাকে আর কী বলতে পারেন!

উপস্থিত সাহাবীদের মধ্যে সাবিত (রাঃ)ও ছিলেন। তিনি আবু দাহদাহ নামে পরিচিত ছিলেন। মদীনায় তাঁর খুব সুন্দর একটি বাগান ছিল। প্রায় ৬০০ খেজুর গাছ ছাড়াও একটি মনোরম বাড়ি ও একটি পানির কুয়া ছিল সেখানে। মদীনার সব বড় ব্যবসায়ীদের কাছে আবু দাহদাহ (রাঃ) এর বাগানটি সুপরিচিত ছিল। তিনি স্বপরিবারে সেখানে বসবাসও করতেন।

আবু দাহদাহ (রাঃ) হঠাৎ রাসুলুল্লাহ্ ﷺ -এর কাছে গিয়ে বললেন, 'হে আল্লাহ্'র রাসুল ﷺ ! আমি যদি আবু লুবাবার কাছ থেকে ঐ খেজুর গাছটি কিনে এই ইয়াতীমকে দিয়ে দেই, তাহলে আমিও কি জান্নাতে একটি খেজুর গাছের মালিক হবো?' রাসুলুল্লাহ্ ﷺ বললেন, "হ্যাঁ, তোমার জন্যও জান্নাতে খেজুর গাছ থাকবে।" আবু দাহদাহ (রাঃ) সাথে সাথে আবু লুবাবাকে বললেন, 'আপনি আমার সেই সম্পূর্ণ বাগানটি গ্রহণ করে সেই খেজুর গাছটি আমাকে দিয়ে দিন।'

আবু লুবাবা 'দুনিয়াবী' এই বিনিময় বিশ্বাস করতে পারছিল না! হুঁশ ফিরলেই সে বলল, 'হ্যাঁ আমি আপনার খেজুর গাছের বাগানটি গ্রহণ করলাম। বিনিময়ে আমার সেই খেজুর গাছটি আপনাকে দিয়ে দিলাম।'

হযরত আবু দাহদাহ (রাঃ) সেই মূহুর্তেই খেজুর গাছটি ইয়াতীম ছেলেটিকে উপহার হিসাবে দিয়ে দিলেন। তারপর রাসুলুল্লাহ্ ﷺ এর দিকে তাকিয়ে বললেন, 'হে রাসুলুল্লাহ্ ﷺ ! এখন আমি কি জান্নাতে একটি খেজুর গাছের মালিক হলাম'? রাসুলুল্লাহ্ ﷺ বললেন, "আবু দাহদাহ'র জন্য জান্নাতে এখন কত বিশাল বিশাল খেজুরের বাগান অপেক্ষা করছে।"

বর্ণনাকারী হযরত আনাস (রাঃ) বলেন, এ কথাটি রাসুলুল্লাহ্ ﷺ এক, দুই বা তিনবার বলেননি; বরং খুশী হয়ে বারবার বলেছেন।

শেষে আবু দাহদাহ (রাঃ) সেখান থেকে বের হয়ে সদ্য বিক্রি করে দেয়া সেই বাগানে ফিরে গেলেন। বাড়ির দরজায় এসে স্ত্রীকে ডাক দিলেন তিনি, 'হে উম্মে দাহদাহ! বাচ্চাদেরকে নিয়ে এ বাগান থেকে বের হয়ে আসো। আমি দুনিয়ার এই বাগান বিক্রি করে দিয়েছি'। তাঁর স্ত্রী বললেন, 'আপনি কার কাছে এটি বিক্রি করেছেন? কে কত দাম দিয়ে এটি কিনে নিয়েছে?'

আবু দাহদাহ (রাঃ) বললেন, 'আমি জান্নাতে একটি খেজুর বাগানের বিনিময়ে তা বিক্রি করে দিয়েছি'। তাঁর স্ত্রী বললেন, 'আল্লাহু আকবার! হে আবু দাহদাহ! আপনি অবশ্যই অত্যন্ত লাভজনক একটি ব্যবসা করেছেন'।

[মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ১২৫০৪; ইবনে হীব্বান, হাদীস ৭১৫৯; আস-সিলসিলা সাহীহাহ, হাদীস ২৯৬৪; মুস্তাদরাকে হাকীম, হাদীস ২১৯৪]

11/07/2026

বাবা এবং ছেলে কাঁচা রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছিল।
রাস্তার মাঝখানে একটা ছোট গাছ দাঁড়িয়ে ছিল।
বাবা বললেন, গাছটিকে তুলে পাশে ফেলে দাও।ছেলেটি তাই করল।

তারপর তারা দুজন আবার সামনের দিকে হেঁটে যাচ্ছিল। তখন আরেকটা গাছ দেখতে পেল রাস্তার মাঝখানে।
এই গাছটি কিছুটা বড় ছিল।
বাবা বললেন, এটাকেও তুলে পাশে রেখে দাও।

ছেলে অনেক শক্তি লাগিয়ে গাছটিকে তুলতে পারল, এবং পাশে রেখে দিল।

যখন তারা আরেকটু সামনের দিকে গেল, তখন দেখল রাস্তার মাঝখানে পুরো একটা বটগাছ দাঁড়িয়ে আছে। বাবা বললেন, এটাকেও উঠিয়ে ফেলে দাও। ছেলে বলল,
বাবা তুমি এটা কেমন কথা বলছো?
এটা একটা বড় বটগাছ। আর এর শিকর অনেক গভীর।
একে আমি কি করে উপরে ফেলে দিব?

বাবা বললেন, এটাই তো আমি তোমাকে শেখাতে চাচ্ছিলাম।

সময় থাকতেই সময় থাকতেই নিজের ভেতরের খারাপ অভ্যাস, খারাপ কাজ এবং খারাপ লোকদের থেকে পিছু ছাড়াতে হয়।

যদি এই সব কিছু একবার গভীর শিকড় গেড়ে বসে তখন এইগুলো থেকে পিছু হটানো কঠিন হয়ে পড়ে।।

10/07/2026

একবার এক দরবেশ বৃষ্টিতে, কর্দমাক্ত রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি তসবিহ নিয়ে আল্লার জিকিরে মশগুল ছিলেন।
রাস্তার পাশে এক মহিলা বসে ছিল। তিনি সেটা খেয়াল করেননি। চলতে চলতে তার পা একটি কর্দমাক্ত গর্তে পড়ে গেল এবং সেখান থেকে কিছু কাদামাটি মহিলাটির গায়ে গিয়ে পড়ল।

মহিলাটি রেগে বলল, আরে দেখে চলতে পারো না? আমার কাপড় খারাপ করে দিয়েছো।
তার পাশে বসা লোকটি উঠে দরবেশের গালে থাপ্পড় বসিয়ে দিল।
দরবেশ কিছুই বলল না। মাথা নিচু করে চুপচাপ সামনের দিকে চলতে লাগলো।

কিছু দূর যাবার পর এক দোকানদার তাকে বলল, হুজুর আপনি বৃষ্টিতে ভিজছেন। একটু বসুন।গরম গরম চা-টা পান করুন.।দেখবেন ভালো লাগবে।
দরবেশ আকাশের দিকে তাকিয়ে হাসলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ, আপনার পরিকল্পনা বোঝা বড়ই কঠিন। কখনো থাপ্পর খাওয়ান, আবার কখনোই গরম চা পান করান।

ঠিক সেই সময় কিছু লোক দৌড়াতে দৌড়াতে আসলো। বলল, ঠিক বলেছেন হুজুর, যেই লোক আপনাকে থাপ্পড় মেরেছে সে বজ্রপাতে মারা গিয়েছে।
আপনি কি তাকে অভিশাপ দিয়েছিলেন?
দরবেশ বললেন, না। আমি কোন অভিশাপ দেইনি।

কিন্তু ঘটনাটিকে মনোযোগ দিয়ে বোঝার চেষ্টা করো। যখন আমার পা থেকে কাদামাটি গিয়ে সেই মহিলার গায়ে লাগলো, তখন মহিলাটির প্রিয়জনের খারাপ লেগেছিল এবং সে বদলা নিল।

আর যখন আমাকে থাপ্পর খেতে দেখে আমার প্রিয়জনের খারাপ লেগেছে তখন তিনিও তার হিসাব মিটিয়ে নিয়েছেন।

মনে রাখবে যখন তোমাকে কেউ কষ্ট দেয়, তখন বদলা নিতে যেও না ।
তাকে আল্লাহর উপর ছেড়ে দাও।
তিনি সঠিক ন্যায় বিচার করবেন।
ইনশাল্লাহ।

29/06/2026

এক ব্যক্তির তিনজন খুব কাছের বন্ধু ছিল। তিনজনই সারা জীবন তার সাথে ছিল।
যখন সেই ব্যক্তির জীবনের শেষ সময় চলে এলো, তখন সে তার ঘনিষ্ঠ তিনজন বন্ধুকে কাছে ডাকলো এবং জিজ্ঞেস করল ,তোমরা তো তিনজন সারা জীবন আমাকে সঙ্গ দিয়েছো। আমার মৃত্যু খুবই সন্নিকট। তোমরা কি মৃত্যুর পরও আমার সাথে থাকব?

প্রথম বন্ধু বলল, আমি সারা জীবন তোমার সাথে ছিলাম। কিন্তু এখন আমি বড় অসহায়। মৃত্যুর পরে আমি তোমার কোন উপকারে আসতে পারবো ন।

দ্বিতীয় বন্ধু বলল ,আমি তোমার মৃত্যুকে তো রুখতে পারবো না আমি তোমাকে এটা আশ্বস্ত করছি যে, তোমার মৃত্যুর পরে তোমার জানাজা, দাফন, কাফন বা মৃত্যুর পরবর্তী কার্যক্রম সবকিছুই আমি সর্বোচ্চ সম্মানের সাথে করার ব্যবস্থা করব,কিন্তু আমি তোমার সাথে যেতে পারবো না।

তৃতীয় এবং সর্বশেষ বন্ধুটি বলল, বন্ধু আমি সারা জীবন যেমন তোমাকে সঙ্গ দিয়েছি, মৃত্যুর পরও সব সময় তোমার সাথেই থাকব।
তুমি যেখানেই যাবে আমি তোমার সাথে সাথেই যাবো।

বন্ধুরা তোমরা কি বলতে পারবে ,
এই তিন বন্ধু আসলে কারা ছিল?

প্রথম বন্ধু ছিল ধন-সম্পদ, যে কেবল জীবিত থাকা অবস্থাতেই কাজে আসে। মৃত্যুর পর সকল সম্পদ পৃথিবীতেই থেকে যায়।
দ্বিতীয় বন্ধু ছিল পরিবার, যারা জীবনের শেষ পর্যন্ত সাথে থাকে এবং মৃত্যুর পরবর্তী কার্যক্রম সম্মানের সাথে শেষ করে।

আর সর্বশেষ বন্ধুটি ছিল কর্ম।
যে মৃত্যুর পরেও হাত ছাড়ে না। সাথেই থাকে।
মৃত্যুর আগেও থাকে, মৃত্যুর পরেও থাকে।

আসলে এই জীবনে মানুষ তোমাকে তোমার কর্মের জন্য মনে রাখবে।
আর মৃত্যুর পরেও তোমার পাপ পুণ্যের হিসাব হবে এই কর্মের দ্বারাই।

সম্পদ এবং পরিবার এখানেই থেকে যাবে, কিন্তু কর্ম সব সময় তোমার সাথে সাথেই চলবে।

তাই নিজের কর্মের প্রতি সবচেয়ে বেশি মনোযোগী হওয়া উচিত।
এবং সব সময় সঠিক এবং ন্যায় কর্ম করা উচিত।

27/05/2026

আস্সালামু আলাইকুম!
ঈদ মুবারক!
ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত হোক সবার জীবন।
আজ ২৭/০৫/২৬ ইং হইতে এই পেইজে ইসলামি সংস্কৃতির চর্চা হবে ইনশাআল্লাহ। সবাই পাশে থাকবেন দোয়া করবেন।

Address

Pahartali
Chittagong

Telephone

+8801819833252

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohammed Nurul Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Mohammed Nurul Islam:

Shortcuts

Share