Yaqeen-ইয়াকিন

Yaqeen-ইয়াকিন আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করতে চাইলে, নিয়ত হতে হবে বিশুদ্ধ ও আন্তরিকভাবে একমাত্র আল্লাহ তায়ালার জন্য।

03/06/2023

মনে করেন এখন মাসীহ দাজ্জাল চলে আসছে, আমরা মুসলমান এইটা বিসাশ করি কেয়ামতের আগে দাজ্জাল এর আগমন হবে। বলতে অনেক কথা যাই হোক.. এই দাজ্জাল যখন আসবে তখন তার ফিতনায় দুই দলে বিভক্ত হবে। একদল তার ফিতনাতে তার পিছনে ছুটবে, তার অধিকাংশই হবে নারী। আর অন্যরা হবে মুমিনগণ মুত্তাকী। দাজ্জালকে দেখে তারা চিনে ফেলবে তার কপালে কাফ ফা র লেখা থাকবে। এইটা মোঠামুটি মূল কন্সেপ্ট।

দাজ্জালের এক হাতে দোযগ অন্য হাতে বেহেশত নিয়ে আসবে। এমন ভয়াবহ ফিতনায় আপনি কি করবেন। আপনি তো সূরা কাহফ ও পড়তে যানেন না, জানলেও আপনি শুক্রবার জুম্মাই পড়েন না। মোকাবিলা করবেন কি দিয়া?? আমাদের মধ্য ইসলামের নূন্যতম শিষ্টাচার নাই, নাই আদব কায়দা, নাই পরিপূর্ণ নামায পড়ার আদব কায়দা। হালাল হারামের বেসিক জ্ঞান পর্যন্ত দুনিয়ায় জন্য আপনি অর্জন করতে ব্যর্থ একজন বান্দা। অতটুকু ভালবাসা ইসলামের জন্য নেই ঈমামের পিছনে নামাজে দাঁড়ানোর। কি করবেন যেদিন দাজ্জাল আপনার প্রিয় মানুষ্কে কবর থেকে তুলে এনে বলবে এই নাও তোমার মৃত মাতা পিতা তোমার সামনে আমি তোমাদের খোদা। অথচ এইটা শুধু ধোকা আর শয়তান ছাড়া কিছুই না।

সেই সময় যখন দুর্ভিক্ষ আসবে তখন যারা আল্লাহ নেক বান্দা তারা শুধু ইস্তিগফার আর যিকির করবে সেই দিন আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের ক্ষুধা মিঠে যাবে। এখন যে সময় ঠুকু পার করছি আমাদেরকে সবর করতে হবে। আদমশুমারীতে মুসলমান না হয়ে সঠিক মুসলমান হওয়ার প্রেচেষ্টা করতে হবে। গরম নিয়ে ঠাট্টা মশকারি টিকটক বন্ধ করা লাগবে। দুনিয়ার কাজকে কম প্রাধান্য দিতে হবে সময় হবে আল্লাহর সাথে সাক্ষাতে যাবেন আর নয়ত আজরাইলের সাক্ষাতে যেকোনো সময় আমাদের হবে।

31/01/2022

আপনি আমাকে বিয়ে করে নিন...!

গ্লাস্কোতো আমাদের এক সাথী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হল ৷ তিন দিন চিকিৎসা চলল। চতুর্থ দিন নার্স তাকে বলল, আপনি আমাকে বিয়ে করে নিন ৷
সাথী বিস্মিতকণ্ঠে জিজ্ঞাসা করল, কেন? আমি তো মুসলমান! আপনার-আমার তো বিয়ে হতে পারে না!
নার্স বলল, আমি মুসলমান হয়ে যাবো!
সাথী বলল, কেন?
নার্স বলল, আমি বহুদিন যাবত এই হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছি। আজ পর্যন্ত কোনো পুরুষকে আমার সম্মুখে চোখ অবনত করতে দেখিনি। ব্যতিক্রম শুধু আপনি ৷ আমি যখনই আসি তখনই আপনি চোখ দুটো বন্ধ করে ফেলেন ৷ আমার জীবনে আপনিই প্রথম পুরুষ, যে নারী দেখলে চোখ নত করে ফেলে। এমন লজ্জাশীলতা সত্য ধর্ম ছাড়া আর কেউ শেখাতে পারে না!
চোখের হেফাজতের মতো একটি আমলও একজন অমুসলিম নারীর ভেতরে ইসলাম সৌন্দর্য অবলোকন করিয়েছে ৷ এবং ওই মেয়েটি তৎক্ষনাৎ মুসলমান হয়ে যায়। দ্রুতই তাদের বিবাহ হয়ে গেল। পরে এই মহিলার মাধ্যমে কত ব্রিটিশ মহিলা মুসলমান হয়েছে, তার কোন হিসাব নাই!

— মাওলানা তারিক জামিল

23/05/2021

দু আ কবুলের অন্যতম শর্তাবলি হচ্ছে হালাল রিজিক গ্রহণ- আমাদের উপার্জন যদি হারাম হয়, তাহলে আল্লাহ আমাদের দু আ কবুল করবেন না। রাসূল (সাঃ) বলেন-

'আল্লাহ তায়ালা পবিত্র। তিনি পবিত্র ছাড়া কিছুই কবুল করেন না' ( সহিহ মুসলিম)

তিনি আরও ইরশাদ করেন- ' ওই শরীর কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না- যা হারাম খেয়ে বড় হয়েছে। দু আ করতে হবে শুধু আল্লাহর কাছে।

দু আ কবুলের কিছু স্পেশাল সময় থাকে, বিশ্বাসীরা উপযুক্ত সময়ে উপযুক্ত কাজটি করে। যেমন এখন বৃষ্টি হচ্ছে, বৃষ্টির সময় দু আ কবুল হয়। এই সময় দু আ করলে আল্লাহ ফিরিয়ে দেয় না।

' Don’t work hard, work smart'

Dua the most powerful weapon of the believers.
23/05/2021

Dua the most powerful weapon of the believers.

18/05/2021

কিছু কথা না বললে না হয়, আমরা সবাই ফেসবুকে হ্যাশ ট্যাগ দিচ্ছি, যেহেতু আমরা ফিলিস্তিনের জন্য জিহাদ করতে পারছি না, যুদ্ধ করতে পারছি না, এই মূহুর্তে যদি বলা হয় আমাদেরকে ফিলিস্তিনের জন্য যুদ্ধ করা লাগবে এখন এই মুহূর্তে আমরা কত জন করতে পারব???? হ্যাশট্যাগ দেওয়া এইটা আমাদের ঈমানি দায়িত্ব বটে, কিন্তু এখনো আমরা ঈমান টাকে মজবুত করতে পারলাম নাকি সাচ্চা মুসলিম হতে পারলাম প্রশ্ন টা আপনার কাছে করার আগে নিজের কাছে করলাম??

এগুলা কেন হচ্ছে, কেন ফিলিস্তিনের উপর এত অত্যাচার, ইয়াহুদীদের এত আগ্রাসন কেন? কেন তারা এত বর্বর, এগুলা কি চিন্তার বিষয় নয়? এসব বিষয় নিয়ে কি আমাদের স্টাডি করার দরকার বলে মনে হয় না?? নাকি অতোটুকু হ্যাশট্যাগ দিলাম দায়িত্ব শেষ? সেইম পরিস্থিতি বাংলাদেশে হলে কি করতেন?

একটা কথা বলি ফিলিস্তিনের বিজয় এত তাড়াতাড়ি আসবে না। ওখানে আরো অনেক যুদ্ধ হবে আরো রক্ত পাত হবে, তবে মুসলমানদের বিজয় নিশ্চিত।

যেহেতু আমি প্র‍্যাক্টেসিং মুসলিম, স্টাডি করতে গিয়ে একটা তথ্যসূত্র এবং একটা রাসূল (সাঃ) হাদীস শেয়ার করব--

ফিলিস্তিনে অবস্থিত বাদে লুদ্দ- এর বর্তমান চিত্র। বাইতুল মাক্কদিসের কাছেই ঠিক এই ফটকের সামনে ঈসা( আঃ) দাজ্জালজে বর্ষা দিয়ে আঘাত করে হত্যা করবেন। লুদ্দ ইসরাইলের রাজধানী তেল আবিব থেকে ১৮ কিমি দক্ষিনপূর্বে অবস্থিত একটি শহর।বর্তমানে লুদ্দ অঞ্চলটি ইয়াহুদীদের দখলে রয়েছে। ১৯৪৮ সালে ১২ জুলাই,ইজরাইল ডিফেন্স ফোর্স এ শহরটি আক্রমণ করে দখল করে নেয়। সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত 71 টি বছর ধরে এই শহরটি তাদের কবযাতে রয়েছে এবং বিপুল পরিমাণে ইহুদি অভিবাসী এখানে বসবাস করতে আরম্ভ করেছে। লুদ্দ হচ্ছে ইজরায়েলের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের কেন্দ্রস্থল। এখানে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাঘাট ও রেইলস্টেশনের ঘাটি, একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ( তথ্যসূত্রঃ এন্সাইক্লোপেডিয়া ব্রিটেনিয়া ১৯৯৯)

দাজ্জালের আগমন, দাজ্জালের ফিত্নার আগ্রাসন, নবীজীর ভবিষ্যৎ
বানী, বাইতুল মাকদিস ফিলিস্তিন আল আক্কসা মসজিদ প্রবেশ বাধা। মুসলিম বাহীনি তিনটি বড় যুদ্ধে বিজয় লাভ করবে। সময় সুযোগে চেষ্টা করব কিছু শেয়ার করার।

ঈমাম মাহাদীর আগমন, দাজ্জালের ৪০ দিন তান্ডবের পর আল্লাহ ঈসা ( আঃ) কে প্রেরণ করবে। এই সব কিছু নবীজির একটি হাদীস কে ইশারা করে-

নবী (সাঃ) বলেন- "ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত হবে না যতক্ষণ না মুসলমানেরা ইহুদীদের সাথে যুদ্ধ করবে। অতঃপর মুসলমানগন ইহুদীদেরকে হত্যা করবে। ইহুদীরা গাছ ও পাথরের আড়ালে পালাতে চেষ্টা করবে। কিন্তু কেউ তাদেরকে আশ্রয় দিবে না। গাছ বা পাথর পড়বে, হে মুসলমান! হে আল্লাহর বান্দা! আমার পেছনে একজন ইহুদী লুকিয়ে আছে। আসো এবং তাকে হত্যা করো। তবে 'গারকাদ' নামক গাছের পিছনে লুকালে গারকাদ গাছ কোন কথা বলবে না। এটি ইহুদীদের গাছ বলে পরিচিত।

আর এই মুসলিম বাহিনীর এই হলো, সেই বাহিনী যার সম্পর্কে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোষণা দিয়েছেন। - "আমার উম্মতের একটি দল সদাসর্বদা সত্যের পক্ষে যুদ্ধ করবে, যারা তাদের বিরোধিতা করবে এবং তাদের উপর বিজয়ী হয়ে অবশেষে তাদের সর্বশেষ দলটি মাসীহ আদ-দাজ্জালের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে।

এভাবে দাজ্জালের ফিতনার অবসান হবে। বর্তামান ঘটানা গুলার সাথে একটু চিন্তা করেন আমাদের কি করা উচিত, ফিতনা থেকে কিভাবে নিজেকে রক্ষা করা যাই।

23/04/2021

সূরা মাসাদ হচ্ছে একজন মুসলিমের আসল পরিচয় বের করে দেওয়ার একটা পরীক্ষা। কারণ আমরা দেখি মুসলিমরা কয়েল প্রজাতির হয়।

প্রকৃত মুসলিম
নড়বড়ে মুসলিম
ভন্ড মুসলিম, ইসলাম বিদ্বেষী।

কুরআনে আমরা চার ধরনের পরিবারের উদাহরণ পাই-

১. অসাধারন নারী, অসাধারন অভিভাবক - মারইয়াম আলাইহাস সালাম এবং তার অভিভাবক জাকারিয়া আলাইহিস সালাম।

২. অসাধারন নারী, জালিম অভিভাবক - ফিরাউনের স্ত্রী আসিয়া আলাইহাস সালাম এবং তার স্বামী ফিরাউন।

৩. অসাধারন স্বামী এবং কাফির স্ত্রী- নবী নুহ আলাইহিস সালাম এবং তার স্ত্রী।

৪. জঘন্য স্বামী এবং জঘন্য স্ত্রী- আবু লাহাব এবং তার স্ত্রী।
আল্লাহ আবু লাহাব বেচে থাকা কালিন এই সূরা ( আবু লাহাব) ভবিষ্যৎ বানী করে এ সূরা নাযিল করেছেন,এই সূরা আবু লাহাব এবং তার স্ত্রী শাস্তি কেমন হবে।

সূরা মাসাদ হচ্ছে সবচেয়ে নিকৃষ্ট জোড়ার উদাহরণ এবং তাদের পরিণতি দৃষ্টান্ত আজ বহু মুসলিম পরিবারে এ ধরনের জোড়া দেখা যায়। স্বামী দুর্নীতিবাজ আর স্ত্রী আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের পরিবারের দিনরাত আগুন লাগিয়ে বেড়ায়।

28/03/2021

আমরা যদি তিন ধরনের মানুষ দেখি - ১. নিয়মিত মুসলিম কিন্তু ঈমানে ফাটল আছে। ২. নামে মুসলিম, কাজে যে কি, সে নিজেও জানে না। ৩. বাইরে মুসলিম ভিতরে ইসলামবিদ্বেষী, এদের আলাদা করার জন্য আল্লাহ তাআলা নানা ধরনের পরীক্ষা দেন। সেই পরীক্ষাগুলো সময় কষ্টের হয়। কিন্তু এ পরীক্ষাগুলোর মধ্য দিয়ে তাদের ঈমানের যাচাই হয়ে যায়। তাদের ভেতরে আসলে কি আছে তা বেরিয়ে আসে।

কুরআনে শুধু একটি আয়াত নয়, এরকম আরো অনেক আয়াত রয়েছে, যা আমাদের হতাশার অবসাদ, অস্থিরতা, অপ্রাপ্তির কষ্ট কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে। জীবনে কেন একটি কষ্ট এসেছে , তা বুঝতে সাহায্য করবে। কুরআন আমাদের আত্মার জন্য একটি নিরাময়। আল্লাহ পাঠিয়েছেন যেন দিশেহারা মানবজাতির পথ খুঁজে পায়। অনেক আয়াত আছে যেখানে আল্লাহ আমাদের জীবনের নানা সমস্যা মোকাবেলা করার পথ দেখিয়ে দিয়েছেন।

চারদিকে এতো কষ্ট আর এতো কান্না দেখে ভাবছেন আপনার কি দোষ?

নিশ্চয়ই তিনিই আমাদের হাসান এবং কাদান। তিনি মৃত্যু দেন এবং জীবন দেন। ( সূরা নাজমঃ- আয়াত ৪৩)

তারা কি লক্ষ্য করে না, প্রতিবছর তাদের উপর দুই-একবার বিপদ আসছে? এরপরও তারা তওবা করে না, উপলব্ধি করার চেষ্টা করে না। ( সূরা তাওবা আয়াত 126)

জীবনটা অতিরিক্ত কষ্টের মনে হচ্ছে? আর পারছিনা সহ্য করতে?

আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা কখনো চাপিয়ে দেন না। প্রত্যেকে যা ভালো করেছে তার পুরস্কার পায়, যা খারাপ করেছে তার পরিণাম ভোগ করে। (সূরা বাকারা আয়াত 286)

জীবনটা কি শুধু কষ্ট আর কষ্ট? কোনো ভালো কিছু নেই?

নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে। অবশ্যই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি। (সূরা ইনশিরাহ আয়াত 5, 6)

আপনি সালাত, সিয়াম, যাকাত সব নিয়ম মেনে চলেন। তারপরও আপনার জীবনে কেন এত কষ্ট?

মানুষ কি মনে করে যে, আমরাই ঈমান এনেছি, একথা বললে তাদেরকে কোন পরীক্ষা না করে ছেড়ে দেওয়া হবে। (সূরা আনকাবুত আয়াত 2)

তোমরা কি ভেবেছিলে, তোমাদের মধ্য থেকে কারা আল্লাহ যুদ্ধ করে এবং কারা ধৈর্যের সাথে চেষ্টা করে সেটা আল্লাহ যাচাই না করার আগেই তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে? (সূরা আলে ইমরান আয়াত 142)

যে আমার স্মরণ থেকে দূরে সরে যাবে, তারাই জীবন হয়ে উঠবে ভীষণ কষ্ট দায়ক। ( সূরা ত হা আয়াত ১২৪)

অশান্তিতে ছটফট করছেন? রাতে ঘুমাতে পারছেন না? ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা অসুস্থ হয়ে যাচ্ছেন? ওষুধ খেয়েও মনে শান্তি আসছে না?

যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের অন্তর আল্লাহর স্মরণে প্রশান্ত হয়, মনে রেখো, আল্লাহর স্মরণে অবশ্যই মন প্রশান্ত হয়। ( সূরা রাদ আয়াত 28)

তোমরা যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছ, ধৈর্যের সাথে সালাতের মাধ্যমে সাহায্য চাও। কারণ আল্লাহ তাদের সাথে আছেন, যারা ধৈর্যের সাথে চেষ্টা করে। ( সূরা বাকারা আয়াত 153)

দেশে অরাজকতা, অশান্তি, অপরাধ দেখে সব সময় অকালে মৃত্যুর ভয়ে কাবু হয়ে আছেন? ভাবছেন বিদেশে চলে যাবেন?

তোমরা যেখানেই থাক না কেন, মৃত্যু তোমাদের গ্রাস করবেই।তোমরা যদি সুরক্ষিত দুর্গ বানিয়েও থাকো। সূরা নিসা আয়াত 78

চাকরি হারিয়ে আপনার মাথায় হাত কেন আপনার সাথে এমন টা হল?কেন আপনার সন্তান এবং গুরুতর অসুস্থ হল? কেন আপনার মা অসুস্থ?

আমি তোমাদের ভয়, ক্ষুধা এবং সম্পত্তি, জীবন ও ফসল হারানো দিয়ে পরীক্ষা করবই।তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও। যারা বিপদের সম্মুখীন হলে বলে, আমরা তো আল্লাহরই। আর আমরা আল্লাহর কাছে ফিরে যাবো। তাদের জন্য তাদের রবের কাছে রয়েছে বিশেষ অনুগ্রহ। এ ধরনের মানুষেরাই সঠিক পথে আছে। (সূরা বাকারা আয়াত ঃ- ১৫৫-১৫৭)

পুরুষ স্বাবলম্বী হলে চিন্তা করে কিভাবে স্ত্রী সন্তানদের আরো ভাল রাখা যায়। আর বেশিরভাগ নারী সাবলম্বী হলে চিন্তা করে আমার ...
06/03/2021

পুরুষ স্বাবলম্বী হলে চিন্তা করে কিভাবে স্ত্রী সন্তানদের আরো ভাল রাখা যায়। আর বেশিরভাগ নারী সাবলম্বী হলে চিন্তা করে আমার এখন কাউকে দরকার নাই। আমি একাই চলতে পারি।

আর হয়ত একারণেই আমাদের দেশে শিক্ষিত স্বাবলম্বী মেয়েরা ডিভোর্সের শীর্ষে রয়েছে।

জামাই কি শুধু টাকা কামাই করার জন্যই দরকার? কি রকম ছেসড়া মেন্টালিটি গ্রো আপ করতেসে সো কল্ড ফেমিনিস্ট মেয়েদের ভেতর, আর সব মেয়েদের মনের মধ্যে সেটাপ দেওয়ার খুব চেষ্টা চলছে...

(ব্যাপারটা অনেকটা এই জায়গাতে দাড়া করিয়েছে যে, মেয়ে কে ভাত খাওয়াতে পারে না বলেই মা বাবা মেয়ে কে বিয়ে দেয়... বিয়ে হয় টাকা অভাবে.. কি সাইন্স রে বাবা।

27/01/2021

বাংলাদেশের প্রখ্যাত দুই জ্ঞানী মানুষ, ইসলাম বিদ্ধেষী আরো অনেকে আছে যারা সু্যোগ পেলে ইসলাম কে হেয় করে কথা বলে। ইসলামের নানবিধ বিষয় নিয়ে তাদের চুললানি মনোভাব দেখা দেয়। এদের কে আমরা নাস্তিক বলে চিনি। প্রথম জন সাহরিয়ার কবীর, অপরজন ডক্টর জাফরুল্লাহ। এদের বক্তব্য শুনলে এদের কি নাস্তিক বলব নাকি সংশয়বাদী বলব নাকি স্রষ্টাবিদ্ধেষ বলব, ঠিক করতে পারি না।

এই দুই কুলাংগার ব্যাক্তি টকশো গুলা দেখলে বরাবরের মত শরীর জ্বলে উঠে আমার। এরা রাসূল সালাল্লাহু আলাইহি ওয়াসালাম এর স্ত্রী দের নিয়ে বিভিন্নভাবে হেয় পূর্ন কথা বলে থাকে, কোন ধরনের যৌক্তিক কারণ ছাড়ায় নিজের ইচ্ছা বা খেয়াল খুশিকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে কুরআনের বিভিন্ন আয়াতের অপব্যাখ্যা এবং স্রষ্টাবিদ্ধেষ কথা বলে থাকে।

আক্ষরিক অর্থে Athesim মানে নাস্তিকতা। নাস্তিকতা এমন এক ব্যক্তি, যে আলাহ বা কোন ধরনের ঈশ্বর বিশ্বাস করে না।
যদি কেউ দাবি করতে চান স্রষ্টা বলতে আদতে কেউ নেই, তা হলে তার দাবির পক্ষে তাকে অবশ্যই প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে। এই ব্যপার গুলাকে মোটাদাগে আর নাস্তিকতাবাদের মাঝে ফেলা যায় না। ব্যাপারটা তখন চলে যায় সংশয়বাদের মধ্য। সংশয়বাদী মানে হলো- যে ব্যক্তি স্রষ্টায় বিশ্বাস করতে পারে না, আবার অবিশ্বাস ও করতে পারে না। বিশ্বাস অবিশ্বাস এক্টা দোলাচলে তার অবস্থান হয়। কেউ যদি স্রষ্টার অস্তিত্ব নিয়ে সংশয়ের মধ্য থাকে, তা হলে স্রষ্টার অস্তিত্ব সম্পর্কে যদি তাকে সঠিক যুক্তি প্রমাণ দেওয়া যায়, তার তো অকপটে সেইটা মেনে নেওয়ার কথা।

তারপর জাফরুল্লাহ আর মুরগী কবির লোকদের মত বেয়াদব গুলা যুক্তিতে হেরেও মেনে না।

নাস্তিকতাবাদকে ইসলামে বলা হয় 'ইলহাদ'। শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ 'লাহদ' থেকে। নাস্তিকতাবাদ নিয়ে ইসলামের সংজ্ঞাটি সর্বসাধারণের বোধগম্য নয়। কারণ ইসলাম নাস্তিকতা ও আস্তিকতার মধ্যবর্তী কোন বিশ্বাস নয়, বরং ইসলাম মহান স্রষ্টা আল্লাহর অস্তিত্ব নিশ্চিত বিশ্বাসভিত্তিক একটি জীবনব্যবস্থা। নাস্তিকতাবাদকে মানুষের মৌলিক অবস্থান বিবেচনা করে না কুরআন। এই জন্য নাস্তিকতা নিয়ে কুরআন তেমন আলোচনার অবতারণা করেন নি, গোটা কুরআনের মধ্য বড়জোর দুটো আয়াত সরাসরি নাস্তিকতাবাদ নিয়ে কথা বলেছে। স্রষ্টা যেহেতু অনাদি অনন্ত, তার মানে তিনি সব সময় ছিলেন। যা কখনো শুরু হয়নি, তা সব সময় অস্তিত্বশীল, এবং তা চিরকাল ধরে। "আল্লাহ, চিরন্তন আশ্রয়। তিনি কাউকে জম্ম দেননি, আর না তাকে জম্ম দেওয়া হয়েছে। কুরআনের এই আয়াত গুলায় জল জ্বল জ্বল করছে সেই সত্য।

09/12/2020

আপনি যদি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে পরিস্থিতি যতই প্রতিকূল হোক না কেন, আল্লাহ তায়ালা আমার অন্তরে প্রশান্তির শীতল বাতাস প্রবাহিত করতে সক্ষম, তা হলে দেখবেন বিপদের সময় আপনার ধারণার বাস্তবায়ন ঘটেছে। আল্লাহ তায়ালাই একক সত্তা, যিনি মানুষ্কে সুখী করতে পারেন, আবার দুখীও করতে পারেন।

তিনি তার নিজের ব্যাপারে বলেছেন- " তিনিই হাসান এবং তিনি কাদান"।

04/12/2020

জেনে রেখো তোমাদের শ্রেষ্ঠ আমল হল নামায।

03/12/2020

আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালার পবিত্র গুনবাচক নামসমূহ থেকে একটি নাম হলো "হাফিজ"। সংরক্ষক। অর্থাৎ তিনি অই সত্তা যিনি মানুষসহ তার সকল সৃষ্টিকে হেফাজত করেন।

Address

Chittagong

Telephone

+8801928601123

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Yaqeen-ইয়াকিন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Yaqeen-ইয়াকিন:

Share