সূরা

সূরা আসসালামু আলাইকুম
ইসলামিক পোস্ট দেখুন আর ইসলাম প্র্যাক্টিস করুন আমাদের সাথে
Welcome to the page✨
Follow the page for Islamic contents 🤲🏻

26/05/2026

❤️🤲🏻

Send a message to learn more

এক বেদুঈন আরাফাহর ময়দানে দু’আ করছিলো এভাবে:اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ السَّائِلُونَ فِي عَرَف...
25/05/2026

এক বেদুঈন আরাফাহর ময়দানে দু’আ করছিলো এভাবে:

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ السَّائِلُونَ فِي عَرَفَةَ مُنْذُ خَلَقْتَهَا.

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন খাইরি মা সাআলাকাল সা'ইলূনা ফি আরাফাতা মুনযু খালাক্বতাহা।

হে আল্লাহ! যেদিন তুমি আরাফাহকে সৃষ্টি করেছো সেদিন থেকে তোমার কাছে যে যা কিছু কল্যাণকর দু’আ করেছে সবকিছু আমি আমার জন্য চাই।

এরচেয়ে সুন্দর দু’আ আর কি হতে পারে!

© আম্মারুল হক (হাফি.)

25/05/2026

Dear Women,
In this Arafah make sure to pray for your Naseeb & your Health.

20/05/2026

Eternity ♾️

21/04/2026

সূরা বাকারার শেষ ২ আয়াত — ৫টা দোয়া, ৫টা বোঝা থেকে মুক্তি

মাত্র ২টা আয়াত।

কিন্তু নবীজি ﷺ বলেছেন — "যে ব্যক্তি রাতে সূরা বাকারার শেষ ২ আয়াত পড়বে, এটাই তার জন্য যথেষ্ট।" (সহীহ বুখারী: ৫০০৯)

"কাফাতাহু" — যথেষ্ট। সব বিপদ থেকে, সব শয়তানি থেকে, সব অনিষ্ট থেকে — যথেষ্ট।

২টা আয়াত — আর সারারাতের সুরক্ষা।

কিন্তু আমরা কি জানি — এই ২ আয়াতে ৫টা আলাদা দোয়া লুকিয়ে আছে? ৫টা ভিন্ন বোঝা থেকে মুক্তির আকুতি? ৫টা ভিন্ন সমস্যার সমাধান?

আর সবচেয়ে অবাক করা বিষয়? এই ২ আয়াত আল্লাহ সরাসরি আরশের নিচের ভান্ডার থেকে দিয়েছেন — কোনো ফেরেশতার মাধ্যমে না।

নবীজি ﷺ বলেছেন — "আমাকে সূরা বাকারার শেষ ২ আয়াত আরশের নিচের ভান্ডার থেকে দেওয়া হয়েছে। আমার আগে কোনো নবীকে এটা দেওয়া হয়নি।" (মুসনাদে আহমাদ: ১৭৩৪০)

আরশের নিচের ভান্ডার! এত মর্যাদা এই ২ আয়াতের!

আজ এই ২ আয়াতের ভেতরের ৫টা দোয়া আলাদা করে দেখবো — আর বুঝবো, কোন দোয়া কোন বোঝা থেকে মুক্তি দেয়।

---

দোয়া ১: আমরা শুনলাম ও মানলাম — যখন দ্বীন মানতে কষ্ট হয়

প্রথম আয়াতে আল্লাহ মুমিনদের ঘোষণা তুলে ধরেছেন —

آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ ۚ كُلٌّ آمَنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّن رُّسُلِهِ ۚ وَقَالُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا

উচ্চারণ: আমানার রাসুলু বিমা উনযিলা ইলাইহি মির রাব্বিহি ওয়াল মুমিনুন, কুল্লুন আমানা বিল্লাহি ওয়া মালাইকাতিহি ওয়া কুতুবিহি ওয়া রুসুলিহি লা নুফাররিকু বাইনা আহাদিম মির রুসুলিহ, ওয়া কালু সামিনা ওয়া আতানা।

"রাসূল তাঁর রবের পক্ষ থেকে যা নাযিল হয়েছে তার ওপর ঈমান এনেছেন এবং মুমিনরাও। সবাই আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতা, তাঁর কিতাব ও তাঁর রাসূলদের ওপর ঈমান এনেছে — আমরা তাঁর রাসূলদের মধ্যে কোনো পার্থক্য করি না। আর তারা বলে — আমরা শুনলাম ও মানলাম।"
(সূরা বাকারা: ২৮৫)

"সামিনা ওয়া আতানা" — শুনলাম আর মানলাম।

এটা কেন গুরুত্বপূর্ণ? কারণ আগের উম্মতরা বলেছিল — "সামিনা ওয়া আসাইনা" — শুনলাম কিন্তু মানবো না। (সূরা বাকারা: ৯৩)

আমাদের উম্মত বলে — "শুনলাম আর মানলাম।" বুঝি বা না বুঝি, সহজ হোক বা কঠিন হোক — আল্লাহ বলেছেন মানে মেনে নিলাম।

এই ঘোষণা কী শেখায়?

দ্বীনের কোনো বিষয়ে যখন কষ্ট হয় — হিজাব কঠিন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কঠিন, হালাল রিজিক কঠিন, সুদ ছাড়া কঠিন — তখন বলুন "সামিনা ওয়া আতানা।" বোঝার আগেই মেনে নিন। কারণ আল্লাহর হুকুম মানতে "বোঝা" শর্ত না — "ঈমান" শর্ত।

---

দোয়া ২: সাধ্যের বেশি বোঝা দেবেন না — যখন জীবনের চাপ সহ্য হচ্ছে না

দ্বিতীয় আয়াতে ৫টা দোয়ার প্রথমটা —

لَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا

উচ্চারণ: লা ইউকাল্লিফুল্লাহু নাফসান ইল্লা উসআহা।

"আল্লাহ কোনো ব্যক্তির ওপর তার সাধ্যের বেশি বোঝা চাপান না।"
(সূরা বাকারা: ২৮৬)

এটা দোয়া না — এটা আল্লাহর ঘোষণা। আর এই ঘোষণাই সবচেয়ে বড় সান্ত্বনা।

আপনি এখন যে কষ্টে আছেন — চাকরি হারানো, সংসারের চাপ, ঋণের বোঝা, রোগের যন্ত্রণা, সম্পর্কের ভাঙন — আল্লাহ বলছেন, এটা আপনার সাধ্যের মধ্যেই। আপনি পারবেন। আল্লাহ এমন কিছু দেননি যা আপনি সহ্য করতে পারবেন না।

মনে হচ্ছে "আর পারি না"? আল্লাহ বলছেন — "পারবে। কারণ আমি তোমার সাধ্যের বেশি দিইনি।"

তারপর দোয়া শুরু হয় —

رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا

উচ্চারণ: রাব্বানা লা তুআখিযনা ইন নাসীনা আও আখতানা।

"হে আমাদের রব, ভুলে গেলে বা ত্রুটি হলে আমাদের ধরবেন না।"

---

দোয়া ৩: ভুলে গেলে বা ত্রুটি হলে ধরবেন না — যখন অনিচ্ছায় ভুল হয়ে যায়

আমরা পারফেক্ট না। ভুল হয়। ভুলে যাই। অনিচ্ছায় গুনাহ হয়ে যায়।

নামাজে ভুল হয়ে যায়। রোজায় ভুলে পানি খেয়ে ফেলি। রাগের মাথায় কিছু বলে ফেলি। কারো হক নষ্ট করে ফেলি — বুঝতেও পারি না।

এই দোয়া বলছে — "ইয়া আল্লাহ, আমি ভুলে গেলে বা অনিচ্ছায় ভুল করলে — আমাকে ধরবেন না।"

আর আল্লাহ কী বললেন? নবীজি ﷺ বলেছেন — যখন মুমিনরা এই দোয়া করলো, আল্লাহ বললেন — "কাদ ফাআলতু" — "করলাম।" (সহীহ মুসলিম: ১২৬)

আল্লাহ নিজে বললেন — "করলাম।" মানে মঞ্জুর। ভুলে গেলে ধরবো না। অনিচ্ছায় ত্রুটি হলে শাস্তি দেবো না।

কী অসাধারণ রহমত! আমরা দোয়া করছি — আর আল্লাহ সাথে সাথে বলছেন — "কবুল।"

---

দোয়া ৪: আগের উম্মতের মতো কঠিন বোঝা দেবেন না — যখন দ্বীন ভারী লাগে

رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا

উচ্চারণ: রাব্বানা ওয়া লা তাহমিল আলাইনা ইসরান কামা হামালতাহু আলাল্লাযীনা মিন কাবলিনা।

"হে আমাদের রব, আমাদের ওপর সেই বোঝা চাপাবেন না যা আমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর চাপিয়েছিলেন।"

আগের উম্মতদের ওপর কেমন বোঝা ছিল? তাওবা করতে হলে নিজেকে হত্যা করতে হতো। কাপড়ে নাপাকি লাগলে কেটে ফেলতে হতো। গুনাহ করলে দরজায় লিখে দেওয়া হতো। শনিবার কাজ করা নিষেধ ছিল।

কিন্তু আমাদের? তাওবা করতে শুধু "আসতাগফিরুল্লাহ" বলতে হয়। কাপড় ধুয়ে ফেললেই পবিত্র। পুরো পৃথিবী মসজিদ। যেখানে ইচ্ছা নামাজ পড়া যায়।

আর আল্লাহ কী বললেন? "কাদ ফাআলতু" — "করলাম।" (সহীহ মুসলিম: ১২৬)

দ্বীন সহজ করে দিয়েছেন। কঠিন করেননি।

এই দোয়া কী শেখায়?

যখন মনে হয় "দ্বীন কঠিন" — মনে করুন, আগের উম্মতের কতটা কঠিন ছিল। আমাদের দ্বীন সহজ — কারণ এই দোয়া আল্লাহ কবুল করেছেন।

---

দোয়া ৫: আমাদের ক্ষমা করুন, দয়া করুন, আর শত্রুর বিরুদ্ধে সাহায্য করুন

رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ ۖ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا ۚ أَنتَ مَوْلَانَا فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ

উচ্চারণ: রাব্বানা ওয়া লা তুহাম্মিলনা মা লা তাকাতা লানা বিহ, ওয়াফু আন্না ওয়াগফিরলানা ওয়ারহামনা, আনতা মাওলানা ফানসুরনা আলাল কাওমিল কাফিরীন।

"হে আমাদের রব, আমাদের ওপর এমন বোঝা চাপাবেন না যা বহন করার সামর্থ্য আমাদের নেই। আমাদের মাফ করুন, ক্ষমা করুন, দয়া করুন। আপনিই আমাদের অভিভাবক — কাফেরদের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করুন।"
(সূরা বাকারা: ২৮৬)

এই শেষ অংশে ৪টা চাওয়া একসাথে —

"ওয়াফু আন্না" — মাফ করুন (ছোট ভুল মুছে দিন)
"ওয়াগফিরলানা" — ক্ষমা করুন (বড় গুনাহ ঢেকে দিন)
"ওয়ারহামনা" — দয়া করুন (রহমত ঢেলে দিন)
"ফানসুরনা" — সাহায্য করুন (শত্রুর বিরুদ্ধে বিজয় দিন)

আর "আনতা মাওলানা" — আপনিই আমাদের মাওলা, আমাদের অভিভাবক, আমাদের সবকিছু। এটা পূর্ণ আত্মসমর্পণ।

আল্লাহ কী বললেন? "কাদ ফাআলতু" — "করলাম।"

৫টা দোয়া। ৫ বার আল্লাহ বলেছেন — "করলাম।" কোনো "হয়তো" নেই। কোনো "দেখি" নেই। সরাসরি — "করলাম।"

---

৫টা দোয়া — এক নজরে

দোয়া ১ — দ্বীন মানতে কষ্ট হয়?
"সামিনা ওয়া আতানা" — শুনলাম ও মানলাম।

দোয়া ২ — জীবনের চাপ সহ্য হচ্ছে না?
"লা ইউকাল্লিফুল্লাহু নাফসান ইল্লা উসআহা" — সাধ্যের বেশি দেননি।

দোয়া ৩ — অনিচ্ছায় ভুল হয়ে যায়?
"রাব্বানা লা তুআখিযনা ইন নাসীনা আও আখতানা" — আল্লাহ বললেন "করলাম।"

দোয়া ৪ — দ্বীন ভারী লাগে?
"রাব্বানা ওয়া লা তাহমিল আলাইনা ইসরান" — আল্লাহ বললেন "করলাম।"

দোয়া ৫ — ক্ষমা, দয়া ও সাহায্য চান?
"ওয়াফু আন্না ওয়াগফিরলানা ওয়ারহামনা ফানসুরনা" — আল্লাহ বললেন "করলাম।"

প্রতিটা দোয়ায় আল্লাহর একই উত্তর — "কাদ ফাআলতু" — করলাম। কুরআনে আর কোথাও এমন নেই যে দোয়ার সাথে সাথে আল্লাহ "করলাম" বলেছেন। এটা এই ২ আয়াতের বিশেষ মর্যাদা।

শুধু এই ২ আয়াত না — কুরআনের পাতায় পাতায় এরকম শত শত দোয়া ছড়িয়ে আছে। রিজিকের দোয়া, শিফার দোয়া, সন্তানের দোয়া, ক্ষমার দোয়া, জান্নাতের দোয়া — প্রতিটা সমস্যার জন্য আল্লাহ নিজেই শিখিয়ে দিয়েছেন কী বলতে হবে। কোন নবী কোন মুহূর্তে কী দোয়া করেছিলেন, কীভাবে আমল করবেন — এসব আরও বিস্তারিতভাবে, গুছিয়ে, হাতে রাখার মতোভাবে জানতে চাইলে "কুরআনের বরকতময় দোয়া" বইটি আপনার উপকারে আসতে পারে। সেখানে ১২৭টিরও বেশি কুরআনি দোয়া আরবি, বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ সাজানো আছে।

মনে রাখবেন!

২টা আয়াত। আরশের নিচের ভান্ডার থেকে দেওয়া। আগে কোনো নবীকে দেওয়া হয়নি। আর এই ২ আয়াতের প্রতিটা দোয়ায় আল্লাহ বলেছেন — "কাদ ফাআলতু" — করলাম।

আর নবীজি ﷺ বলেছেন — রাতে এই ২ আয়াত পড়লে "যথেষ্ট।"

তাহলে আজ রাতে ঘুমানোর আগে কি পড়বেন?

মাত্র ১ মিনিট। ২টা আয়াত। কিন্তু আল্লাহর ৫ বার "করলাম" এর গ্যারান্টি।

জীবনের চাপ সহ্য হচ্ছে না? "লা ইউকাল্লিফ" পড়ুন — সাধ্যের বেশি দেননি।
ভুল হয়ে গেছে? "লা তুআখিযনা" পড়ুন — আল্লাহ বলেছেন "করলাম।"
ক্ষমা চান? "ওয়াফু আন্না" পড়ুন — আল্লাহ বলেছেন "করলাম।"

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সূরা বাকারার শেষ ২ আয়াত প্রতি রাতে পড়ার তাওফিক দিন। জীবনের বোঝা হালকা করুন। ভুলে ক্ষমা করুন। দয়া করুন। আর শত্রুর বিরুদ্ধে সাহায্য করুন। আমিন।

আপনি কি প্রতি রাতে সূরা বাকারার শেষ ২ আয়াত পড়েন?
কমেন্টে বলুন — "আজ রাত থেকে শুরু করবো"

রেফারেন্স:
— সূরা বাকারা: ২৮৫-২৮৬
— সহীহ বুখারী: ৫০০৯
— সহীহ মুসলিম: ১২৬
— মুসনাদে আহমাদ: ১৭৩৪০

©/EKRAMHOSSAIN

06/04/2026

বিপদ আসন্ন!
সংকট সন্নিকটে!
তাই একটা গুরুত্বপুর্ন পোস্ট শেয়ার করছি...
©
চার্জ দিচ্ছেন না কিন্তু চার্জার প্লাগে লাগানো রেখে দিয়েছেন। শুধু এ জন্যই ঢাকা শহরে দিনে ৭০ লাখ টাকার বিদ্যুৎ অপচয় হয়। এই তথ্য কি আপনি জানতেন?

৪ কোটি মানুষের (জি, সংখ্যাটা এখন ৪ কোটিই) ঢাকা শহরে দেড় কোটি ফোন ব্যবহার করা হয়। বেশি ওয়াটের স্মার্টফোন চার্জার থেকে শুরু করে সাধারণ ফোনের চার্জার ধরে গড় করলাম।

প্রতিটি মোবাইল চার্জার চার্জিং অবস্থায় না থাকার পরও ঘণ্টায় গড়ে ০.২ ওয়াট বিদ্যুৎ খরচ করে। দিনে ধরলাম ৪ ঘণ্টা চার্জ দেই। গড়ে ধরলাম ২০ ঘণ্টা অলস পড়ে থাকে। দেড় কোটি চার্জার দিনে অপচয় ৬০ হাজার ইউনিট।

ঢাকা শহরে ৫ লাখ বিদ্যুৎ চালিত রিকসা। মানহীন এর চার্জারগুলো ১-৩ ওয়াট বিদ্যুৎ অপচয় করে। গড়ে ধরলাম ২ ওয়াট। রিকসা ১০-১২ ঘণ্টার মতো চার্জে থাকলে। মিনিমাম ধরলাম ১০ ঘণ্টা অলস বসে থাকে। প্রতিদিন অপচয় ১০ হাজার ইউনিট।

গড়ে ১০ টাকা প্রতি ইউনিট ধরলে বছরে ফোন চার্জার অপচয় করে ২১ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

বছরে রিকসার চার্জার অপচয় করে ৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

কেবল ফোন ও রিকসার চার্জার প্লাগে লাগিয়ে রাখার কারণে অপচয় ২৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

এই টাকায়--
• উপজেলা পর্যায়ের ১০০ বেডের ১০০টি হাসপাতালের বিদ্যুৎ খরচ দেওয়া যায়।
• প্রায় ১০ থেকে ২০ হাজার স্কুলের এক বছরের বিদ্যুৎ খরচ মেটানো সম্ভব।
• একটি উপজেলার হাজার হাজার ঘরে কয়েক মাস বিনামূল্যে আলো জ্বালানো সম্ভব।

কিছু করতে হবে না। জাস্ট চার্জ শেষে সুইচ অফ করে দিতে হবে।

অপচয়ের আরও অনেক উদাহরণ আছে। চার্জার শুধু প্লাগে লাগিয়ে রাখার কারণে বিদ্যুৎ খায়, অনেকে হয়তো জানেন না। অফিসে-দোকানে অনেক ল্যাপটপ, পিসিও প্লাগে লাগিয়ে রাখেন। আমি জাস্ট একটা আনুমানিক হিসাব দিলাম।

বিদ্যুৎ নানাভাবে অপচয় হয় চোখের সামনে। এটা হয় আড়ালে, অজান্তে। যতভাবে সম্ভব, আমাদের বিদ্যুৎ অপচয় বন্ধ করতে হবে। সামনে কঠিন দিন আসছে।

আসুন ছোট ছোট অভ্যাসগত পরিবর্তনে বড় পরিমাণে বিদ্যুৎ বাঁচাই।

20/03/2026

মসজিদের বাতিগুলো জ্বলবে,কিন্তু তারাবির সুর আর বাজবে না,সাহরির হইচই আর শুনা যাবে না।
বিদায় বেলা বড় কষ্টের, আলবিদা মাহে রমজান..!💔

19/03/2026

পবিত্র জুমা'বার সূরা কাহফ পাঠ করার দিন

19/03/2026

এইবার ৩০টি রমজান পূর্ণ হচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ,,পরশুদিন ঈদ 😊

#ইসলামিক #ইসলামিকপোস্ট #ইসলাম #সংগৃহীত

21/07/2025

তোমরা সাতটি জিনিস আসার আগে দ্রুত আমলে লিপ্ত হও। তোমরা কি অপেক্ষা করছ এমন দারিদ্র্যের, যা সবকিছু ভুলিয়ে দেয়? না এমন প্রাচুর্যের, যা অবাধ্য করে তোলে? না এমন রোগব্যাধির, যা অথর্ব করে তোলে? না এমন বার্ধক্যের, যা বুদ্ধি লোপ করে দেয়? না আকস্মিক আগত মৃত্যুর? না দাজ্জালের- সে তো এমন নিকৃষ্টতম অনুপস্থিত, যার আত্মপ্রকাশের অপেক্ষা করা হচ্ছে? না কিয়ামতের, যে কিয়ামত কিনা অত্যন্ত বিভীষিকাময় ও অতি তিক্ত?

- 📖 জামে তিরমিযী, হাদীস ২৩০৬ (বাশশার আওয়াদ কর্তৃক তাহকীককৃত)সূত্র : রিয়াযুস সালেহীন, ২য় খণ্ড, মাকতাবাতুল আশরাফ কর্তৃক প্রকাশিত, হাদীস নং ৯৩

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সূরা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share