অমৃতস্য পুত্রাঃ ফাউন্ডেশন

অমৃতস্য পুত্রাঃ ফাউন্ডেশন ও৩ম্
"শৃণ্বন্তু বিশ্বে অমৃতস্য পুত্রাঃ" (যজুর্বেদ-১১/৫)
অবিনাশী পরমাত্মার সকল পুত্র বেদোপদেশ শোনো।
(3)

.          📚মনুস্মৃতির প্রক্ষিপ্তপাঠ📚সনাতনীদের মধ্যে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য স্মৃতি শাস্ত্রের মধ্যে সবচেয়ে...
09/08/2026

. 📚মনুস্মৃতির প্রক্ষিপ্তপাঠ📚

সনাতনীদের মধ্যে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য স্মৃতি শাস্ত্রের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মনুস্মৃতিকেই ব্যাবহার করে থাকে ম্লেচ্ছ এবং তথাকথিত সনাতনীরা। বিবিধ গ্রন্থাদিতে দেখা যায় যে স্মৃতি শাস্ত্রের মধ্যে মনুস্মৃতিকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। যেমন বৃ্হস্পতিস্মৃতিতে বলা হয়েছে-

বেদার্থপ্রতিবদ্ধত্বাত্ প্রাধাণ্যং তু মনো: স্মৃতম্। (বৃহস্পতিস্মৃতি, সংস্কারখণ্ড-১৩)

অর্থাৎ বেদার্থ অনুকূলে বর্নন হওয়ার কারনে মনুস্মৃতিই [অন্য স্মৃতি অপেক্ষা] প্রধান।

কিন্তু বর্তমানে উপলব্ধ মনুস্মৃতিতে অসংখ্য শ্লোক বেদ বিরুদ্ধ, পরস্পরবিরুদ্ধ এবং পক্ষপাতপূর্ণ পাওয়া যায়। যার জন্য আর্য সমাজ ও অন্য কতিপয় ব্যাক্তিবর্গ ছাড়া সকলেই মনুস্মৃতির প্রতি অশ্রদ্ধা ও নিন্দিত ভাবনা পোষণ করে। ঋষি দয়ানন্দজীর বচনাদি হইতে প্রেরণা এবং মার্গদর্শন প্রাপ্ত হয়ে, ঋষিদের মান্য মনুস্মৃতিকে এইরূপ অবস্থা থেকে মুক্ত করার জন্য 'হরিদ্বার গুরুকুল কাংড়ি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য ড.সুরেন্দ্রকুমারজী এই বিষয়ে অনুসন্ধানকার্য্য প্রারম্ভ করেন'। তিনি প্রক্ষিপ্তপাঠ নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে পূর্বাগ্রহ বা পক্ষপাত ভাবনা পোষণ করেননি অপিতু এরূপ কিছু মানদণ্ডকে আধারশীলা করেছেন যা বিদ্বানদের নিকট সর্বমান্য। সেই মানদণ্ডগুলো হলো - ১.অন্তর্বিরোধ বা পরস্পরবিরোধ ২.প্রসঙ্গবিরোধ ৩.বিষয়বিরোধ বা প্রকরণবিরোধ ৪.অবান্তরবিরোধ ৫.শৈলীবিরোধ ৬.পুনরুক্তি ৭.বেদবিরোধ।

মনুস্মৃতির সকল শ্লোক যথাস্থানে বা যথাক্রম রেখে, যেথায় প্রক্ষিপ্ত প্রতিত হয়েছে সেখানে পূর্বোক্ত আধারের নামোল্লেখ পূর্বক 'অনুশীলন' নামক সমীক্ষা যুক্ত করে দিয়েছেন, যেন পাঠক স্বয়ম্ বিচার-বিবেচনা করতে পারেন। বর্তমানে উপলব্ধ মনুস্মৃতির শ্লোকসংখ্যা - ২৬৮৫। তিনি প্রক্ষেপানুসন্ধান করে ১৪৭১টি শ্লোক প্রক্ষিপ্ত এবং ১২১৪টি শ্লোক মৌলিক নির্ণয় করেছেন। তাছাড়া প্রায় ৬০০ শ্লোকে 'অনুশীলন' সমীক্ষা দিয়ে তাতে শ্লোকের ভাব, বিবাদ, মান্যতা ও অন্যান্য বিচারণীয় বিষয়ে মনন করে সঠিকটা বুঝানোর প্রয়াস করেছেন। সমীক্ষায় - বেদ, ব্রাহ্মণ গ্রন্থ, স্মৃতি, উপনিষদ, দর্শন, ব্যাকরণ ও সূত্রগ্রন্থ, নিরুক্ত, সুশ্রুত এবং কৌটিল্য অর্থশাস্ত্র সহ অনেক গ্রন্থের প্রমাণ উদ্ধৃত করে মহর্ষি মনুর মান্যতাকে অধিক প্রামাণিক সিদ্ধ করেছেন। এখানে আমি প্রক্ষিপ্ত শ্লোকগুলোর রেফারেন্স উদ্ধৃত করছি তদ্ভিন্ন শ্লোকগুলোকে মৌলিক হিসেবে নির্ণয় করা হয়েছে।

✪প্রথম অধ্যায়ের প্রক্ষিপ্ত শ্লোকের রেফারেন্সসমূহ -

১/৭-১৩, ১/১৭, ১/২৪-২৫, ১ /৩২-৪১, ১/৫০-৫১, ১/৫৫-৫৬, ১/৫৮-৬৩, ১/৬৬, ১/৮১-৮৬, ১/৯২-১০৭, ১/১১১-১১৯।

✪দ্বিতীয় অধ্যায়ের প্রক্ষিপ্ত শ্লোকের রেফারেন্সসমূহ-
২/৭, ২/১৬, ২/১৯, ২/২৪, ২/৫২, ২/৬১-৬২, ২/৬৬-৬৭, ২/৭০, ২/৭৫, ২/৭৯-৮৭, ২/১১৬, ২/১১৮, ২/১২৩, ২/১৩০-১৩৫, ২/১৪৫, ২/১৬৯-১৭৪, ২/১৮১, ২/১৮৭-১৯০, ২/২০১, ২/২০৭-২১১, ২/২২৪-২৩৭, ২/২৪৪, ২/২৪৭-২৪৮।

✪তৃতীয় অধ্যায়ের প্রক্ষিপ্ত শ্লোকের রেফারেন্সসমূহ-

৩/১১-১৯, ৩/২২-২৬, [৩/২৯ শ্লোকটি মহর্ষি মনুর নিজ বিধান নয় কেননা এটির খণ্ডন ৩/৫১-৫৪ শ্লোকে মহর্ষি মনু নিজেই করেছেন] ৩/৩৫-৩৮, ৩/৪৩-৪৪, ৩/৬৩-৬৬, ৩/৮৩, ৩/৯৩, ৩/৯৫-৯৮, ৩/১০০, ৩/১০৯-১১২, ৩/১১৫, ৩/১১৯-২৮৪।

✪চতুর্থ অধ্যায়ের প্রক্ষিপ্ত শ্লোকের রেফারেন্সসমূহ-

৪/৪-১০, ৪/১৮, ৪/২২-২৪, ৪/২৬-২৮, ৪/৩৩-৩৪, ৪/৩৬-৩৯, ৪/৪৩-৬৬, ৪/৬৯-৭৮, ৪/৮০-৯১, ৪/৯৫-১২৭, ৪/১২৯-১৩২, ৪/১৩৫-১৩৬, ৪/১৪০, ৪/১৪২-১৪৪, ৪/১৫০-১৫৩, ৪/১৬৫-১৬৯, ৪/১৮১-১৮৫, ৪/১৮৮-১৮৯, ৪/১৯১, ৪/১৯৭-২০০, ৪/২০২, ৪/২০৫-২২৬, ৪/২২৮-২৩২, ৪/২৩৪-২৩৭, ৪/২৪৭-২৫৪।

✪পঞ্চম অধ্যায়ের প্রক্ষিপ্ত শ্লোকের রেফারেন্সসমূহ-

৫/১-৪, ৫/৬-৭, ৫/১১-২৩, ৫/২৬-৪৪, ৫/৫০, ৫/৫২-৫৬, ৫/৫৮-১০৪, ৫/১০৮, ৫/১১৩, ৫/১২৫, ৫/১২৭-১৪৫, ৫/১৪৭-১৪৮, ৫/১৫৩-১৬২, ৫/১৬৪, ৫/১৬৬, ৫/১৬৮।

✪ষষ্ঠ অধ্যায়ের প্রক্ষিপ্ত শ্লোকের রেফারেন্সসমূহ-

৬/৬, ৬/১৭-২৫, ৬/২৮, ৬/৩১-৩২, ৬/৩৪-৩৫, ৬/৩৭, ৬/৪৪, ৬/৫০-৫১, ৬/৫৩-৫৪, ৬/৫৬, ৬/৬৮-৬৯, ৬/৭৬-৭৯, ৬/৮৩, ৬/৮৬, ৬/৯৪-৯৬।

✪সপ্তম অধ্যায়ের প্রক্ষিপ্ত শ্লোকের রেফারেন্সসমূহ -

৭/৮-১২, ৭/১৫, ৭/২০-২৩, ৭/২৯, ৭/৩২, ৭/৪০-৪২, ৭/৫৮-৫৯, ৭/৭২-৭৩, ৭/৮৩-৮৬, ৭/৮৮, ৭/৯০, ৭/১০৯, ৭/১১৮-১১৯, ৭/১৩৩-১৩৬, ৭/১৩৮, ১/১৪৯-১৫০, ৭/১৮২-১৮৩, ৭/১৯৩, ৭/১৯৯, ৭/২০৫, ৭/২১৮-২১৯।

✪অষ্টম অধ্যায়ের প্রক্ষিপ্ত শ্লোকের রেফারেন্সসমূহ -

৮/২০-২৪, ৮/৩৭-৪১, ৮/৪৬, ৮/৪৮-৫০, ৮/৬০, ৮/৬২, ৮/৬৫-৬৭, ৮/৭০-৭১, ৮/৭৭, ৮/৮২, ৮/৮৫-৯০, ৮/৯২-৯৫, ৮/৯৭-১১৬, ৮/১২৩-১২৫, ৮/১৩৯, ৮/১৪১-১৪২, ৮/১৪৭-১৫০, ৮/১৫২, ৮/১৬৮-১৭৭, ৮/১৯০, ৮/১৯২, ৮/২০৪-২০৫, ৮/২০৬-২০৯, ৮/২১৭, ৮/২২৪-২২৭, ৮/২৪২-২৪৩, ৮/২৫৬-২৫৭, ৮/২৫৯-২৬১, ৮/২৬৭-২৭২। ৮/২৭৬-২৭৭, ৮/২৭৯-২৮৫, ৮/২৮৯-৩০০, ৮/৩০৪-৩০৫, ৮/৩১২-৩১৩, ৮/৩২৫-৩৩১, ৮/৩৩৩, ৮/৩৩৯-৩৪২, ৮/৩৪৮-৩৪৯, ৮/৩৫৩, ৮/৩৫৬, ৮/৩৫৮-৩৭০, ৮/৩৭৩-৩৮৫, ৮/৩৯০-৩৯৭, ৮/৪০৭, ৮/৪১০-৪২০।

✪নবম অধ্যায়ের প্রক্ষিপ্ত শ্লোকের রেফারেন্সসমূহ -

৯/২-৩, ৯/১৪-২৪, ৯/২৯-৩০, ৯/৩৪-৪৮, ৯/৫০-৫১, ৯/৫৪-৫৫, ৯/৬০-৬১, ৯/৬৪-৬৮, ৯/৭০-৭৩, ৯/৭৭-৮০, ৯/৮২-৮৭, ৯/৯২-৯৫, ৯/৯৭-১০০, ৯/১০৬-১০৭, ৯/১০৯, ৯/১১৩-১১৫, ৯/১২০-১২৬, ৯/১২৮-১২৯, ৯/১৩২-১৩৩, ৯/১৩৫-১৩৭, ৯/১৩৯-১৪০, ৯/১৪২-১৪৪, ৯/১৪৮-১৭৫, ৯/১৭৭-১৯১, ৯/১৯৮, ৯/২০৪-২০৫, ৯/২১৯, ৯/২২৯-২৩০, ৯/২৩৫-২৪৮, ৯/২৭৩, ৯/২৮০, ৯/২৯০-২৯৩, ৯/৩১৩-৩২৩, ৯/৩২৭-৩২৮, ৯/৩৩৬।

✪দশম অধ্যায়ের প্রক্ষিপ্ত শ্লোকের রেফারেন্সসমূহ -

১০/১-৩, ১০/৫-৪৪, ১০/৪৬-৫৫, ১০/৫৯-৬৪, ১০/৬৬-১৩০।

✪একাদশ অধ্যায়ের প্রক্ষিপ্ত শ্লোকের রেফারেন্সসমূহ -

১১/১-৪৩, ১১/৪৮-৫২, ১১/৫৫-১৯১, ১১/১৯৪-২০৩, ১১/২০৫-২০৯, ১১/২১৬, ১১/২১৯-২২২, ১১/২২৪-২২৫, ১১/২৩৫-২৪৫, ১১/২৪৮-২৬৩।

{ড. সুরেন্দ্রকুমারজীর ভাষ্যে দেওয়া উক্ত একাদশ অধ্যায়ের ৪৭ নং শ্লোকটি
[প্রায়ো নাম তপঃ প্রোক্তম চিত্তং নিশ্চয় উচ্যতে।
তপো নিশ্চয়সংয়ুক্তং প্রয়াশ্চিত্তমিতি স্মৃতম।।]
'মানবেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়, চৈতালি দত্ত, ভরতচন্দ্র শিরোমণিকৃত বাংলা অনুবাদিত সহ অন্যান্য অনেক অনুবাদ বা ভাষ্যেই উপলব্ধ নয় তাই বিশুদ্ধ মনুস্মৃতিতে ৪৭ নং শ্লোক মৌলিক হিসেবে গণনা করা হলেও বর্তমানে উপলব্ধ বাংলা অনুবাদিত মনুস্মৃতিতে দেওয়া ৪৭ শ্লোকটি মৌলিক শ্লোক হিসাবে যোগ হয়নি, কেননা সুরেন্দ্রকুমারজীর ভাষ্যে এই [বাংলা অনুবাদে দেওয়া-
প্রায়শ্চিত্তীয়তাং প্রাপ্য দৈবাৎ পূর্ব্বকৃতেন বা।
ন সংসর্গং ব্রজেৎ সদ্ভিঃ প্রায়শ্চিত্তেঽকৃতে দ্বিজঃ।।]
৪৭ নং শ্লোকটি গ্রহণই করেননি। তাছাড়াও প্রচলিত বাংলা অনুবাদে দেওয়া ৫২ নং শ্লোকটি-
[দীপহর্ত্তা ভবেদন্ধঃ কাণো নির্বাপকো ভবেৎ।
হিংসয়া ব্যাধিভূয়স্ত্বং স্ফীতোऽন্যন্ত্র্যভিমৰ্ষকঃ]
বিশুদ্ধ মনুস্মৃতিতে গ্রহণ করা হয়নি। এই শ্লোকটি 'শ্রীমৎকুল্লূকভট্টবিরচিত ভাষ্য সহ কোন কোন ভাষ্যে উপলব্ধ হয়না। আবার কোন কোন ভাষ্যে ৫১ খ বা শ্লোকনাম্বার ব্যতিত উল্লেখ পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে বিশুদ্ধ ভাষ্যে ৫২ নং এর জায়গায় ৫৩নং শ্লোকটি গ্রহণ করা হয়েছে। সেরূপ ক্রমান্বয়ে পরবর্তীতে সকল শ্লোক ৫৩ নং এর জায়গায় ৫৪নং ৫৪ এর জায়গায় ৫৫নং............ শ্লোক এসে গেছে। এভাবে করে ২৬৬ এর জায়গায় ২৬৫টি শ্লোক হয়ে যায়। এক্ষেত্রে এই আর্টিকেলে আপনাদের সুবিধার্থে বাংলা অনুবাদিত মনুস্মৃতির শ্লোক নং অনুযায়ী প্রক্ষিপ্ত শ্লোকের নাম্বারগুলো সাজিয়ে দিয়েছি। বিশুদ্ধ মনুস্মৃতিতে ২৬৬ নং শ্লোক হিসেবে
"এষ বোSভিহিতঃ ক্রিৎসন: প্রায়শ্চিতস্য নির্ণয়ঃ।
নি:শ্রেয়সম ধর্ম বিধিং বিপ্রস্যেম নিবোধত।।"
এই শ্লোকটি গ্রহণ করা হয়েছে।

যেরূপ ৫২ নং শ্লোকটি কোন ভাষ্যে আছে কোন ভাষ্যে নেই, কোন ভাষ্যে ৫১খ কিংবা নাম্বার ছাড়া উল্লেখ পাওয়া যায় সেরূপ উক্ত ভাষ্যে দেওয়া ৪৭ এবং ২৬৬ নং শ্লোকটি কোন ভাষ্যে আছে কোন ভাষ্যে নেই। কোন ভাষ্যে ৪৭ এবং ২৬৫ নং শ্লোকের সাথেই নাম্বার ছাড়া উল্লেখ পাওয়া যায়। যেমন 'পণ্ডিত নথ্থুরাম মহাশঙ্কর' দ্বারা গুজরাতি ভাষায় অনুবাদিত ভাষ্যে পাওয়া যায়।

অর্থাৎ আপনি বাংলা ভাষায় বর্তমানে উপলব্ধ মনুস্মৃতিতে দেওয়া ৪৭ নং শ্লোকটি বিশুদ্ধ হিসাব না করে বাকি সকল শ্লোক উক্ত আর্টিকেলে দেওয়া রেফারেন্স অনুযায়ী প্রক্ষিপ্ত মিলিয়ে নিতে পারেন।}

✪দ্বাদশ অধ্যায়ের প্রক্ষিপ্ত শ্লোকের রেফারেন্সসমূহ -

১২/১-২, ১২/১০-২৩, ১২/৫৩-৭২, ১২/৭৫-৮০, ১২/৮৫, ১২/৮৬-৯০, ১২/১০৩, ১২/১০৭, ১২/১১৭, ১২/১২০-১২১, ১২/১২৬।


1.প্রথম অধ্যায়ে মোট ১১৯টি শ্লোক, তারমধ্যে ৬৩টি প্রক্ষিপ্ত এবং ৫৬টি মৌলিক।

2.দ্বিতীয় অধ্যায়ে মোট ২৪৯টি শ্লোক, তারমধ্যে ৬৩টি প্রক্ষিপ্ত এবং ১৮৬টি মৌলিক।

3.তৃতীয় অধ্যায়ে মোট ২৮৬টি শ্লোক, তারমধ্যে ২০২টি প্রক্ষিপ্ত এবং ৮৪টি মৌলিক।

4.চতুর্থ অধ্যায়ে মোট ২৬০টি শ্লোক, তারমধ্যে ১৭০টি প্রক্ষিপ্ত এবং ৯০টি মৌলিক।

5.পঞ্চম অধ্যায়ে মোট ১৬৯টি শ্লোক, তারমধ্যে ১২৮টি প্রক্ষিপ্ত এবং ৪১টি মৌলিক।

6.ষষ্ঠ অধ্যায়ে মোট ৯৭টি শ্লোক, তারমধ্যে ৩৩টি প্রক্ষিপ্ত এবং ৬৪টি মৌলিক।

7. সপ্তম অধ্যায়ে মোট ২২৬টি শ্লোক, তারমধ্যে ৪২টি প্রক্ষিপ্ত এবং ১৮৪টি মৌলিক।

8.অষ্টম অধ্যায়ে মোট ৪২০টি শ্লোক, তারমধ্যে ১৮৭টি প্রক্ষিপ্ত এবং ২৩৩টি মৌলিক।

9.নবম অধ্যায়ে মোট ৩৩৬টি শ্লোক, তারমধ্যে ১৭১টি প্রক্ষিপ্ত এবং ১৬৫টি মৌলিক।

10. দশম অধ্যায়ে মোট ১৩১টি শ্লোক, তারমধ্যে ১২৪টি প্রক্ষিপ্ত এবং ৭টি মৌলিক।

11.একাদশ অধ্যায়ে মোট ২৬৬টি শ্লোক, তারমধ্যে ২৩৪টি প্রক্ষিপ্ত এবং ৩২টি মৌলিক।

12.দ্বাদশ অধ্যায়ে মোট ১২৬টি শ্লোক, তারমধ্যে ৫৪টি প্রক্ষিপ্ত এবং ৭২টি মৌলিক।

মোট শ্লোক- (১৯৯+২৪৯+২৮৬+২৬০+১৬৯+৯৭+২২৬ +৪২০+৩৩৬+১৩১+২৬৬+১২৬) = ২৬৮৫

প্রক্ষিপ্ত শ্লোক - (৬৩+৬৩+২০২+১৭০+১২৮+৩৩+৪২+১৮৭ +১৭১+১২৪+২৩৪+৫৪) = ১৪৭১

মৌলিক শ্লোকসংখ্যা- (৫৬+১৮৬+৮৪+৯০+৪১+৬৪+১৮৪ +২৩৩+১৬৫+৭+৩২+৭২) = ১২১৪

✍️প্রিয়রত্ন বিদ্যার্থী

©️ অমৃতস্য পুত্রাঃ ফাউন্ডেশন

ও৩ম্ শ্রী পরমাত্মনে নমঃআর্য সমাজ তথা অমৃতস্য পুত্রাঃ ফাউন্ডেশনের একনিষ্ঠ সদস্য - শ্রীমান ইমন সত্যার্থী ও শ্রীমতী বৈশাখী ...
09/08/2026

ও৩ম্ শ্রী পরমাত্মনে নমঃ

আর্য সমাজ তথা অমৃতস্য পুত্রাঃ ফাউন্ডেশনের একনিষ্ঠ সদস্য - শ্রীমান ইমন সত্যার্থী ও শ্রীমতী বৈশাখী দাশগুপ্তা
শুভ বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

এই শুভ ও পবিত্র দাম্পত্য জীবনের সূচনায় নবদম্পতিকে
অমৃতস্য পুত্রাঃ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানাই হার্দিক শুভকামনা ও আন্তরিক অভিনন্দন।

পরমাত্মার কৃপায় তাঁদের দাম্পত্যজীবন হোক
সুখ, শান্তি, প্রেম, সৌহার্দ্য ও সমৃদ্ধিতে পরিপূর্ণ।

শুভকামনান্তে
অমৃতস্য পুত্রাঃ ফাউন্ডেশনের সদস্যবৃন্দ

মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতীর বোধোদয় হওয়া সে শিবমন্দির।মূলশঙ্কর পিতার সাথে শিবরাত্রি পালন করতে উপস্থিত হোন টঙ্করার এই শিবমন...
06/08/2026

মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতীর বোধোদয় হওয়া সে শিবমন্দির।

মূলশঙ্কর পিতার সাথে শিবরাত্রি পালন করতে উপস্থিত হোন টঙ্করার এই শিবমন্দিরেই। এখানে পূজা সম্পন্ন করে উনি এবং ওনার পিতাসহ অনেকেই সেদিন শিবকথা ও রাত্রি জাগরণ করতে মন্দিরে থেকে যান। মধ্যরাতে সবাই যখন বিশ্রাম নিচ্ছিলেন তখন মূলশঙ্কর লক্ষ্য করলেন শিবলিঙ্গের আশে-পাশে ইঁদুর ছোটাছুটি করছে এবং অর্পনকৃত প্রসাদ এঁটো করছে।

এই ঘটনা দেখে ছোট মূলশঙ্করের মনে একটা সংশয়ের সৃষ্টি হয়। শিবপুরাণ ও গল্পগাঁথায় মহাদেব তো চেতন, অসুরবিনাশী তবে ওনাকে অর্পণকৃত প্রসাদ কিভাবে ইঁদুর এঁটো করছে। এই ঘটনা তৎক্ষনাৎ পিতাকে জানালে পিতা বলেন "মূলশঙ্কর! মহাদেব তো কৈলাসে থাকেন। শিবলিঙ্গ তো শুধু ওনার প্রতিকী মাত্র।" এই প্রশ্ন শুনে মূলশঙ্করের মনে আরো সংশয় বেড়ে যায় এবং নানা প্রশ্ন উদয় হতে শুরু করে।

পরবর্তীতে এই প্রশ্নের খোঁজেই তিনি ঘর-সংসার ত্যাগ করে প্রথমে ব্রহ্মচারী ব্রতে এবং পরবর্তীতে সন্ন্যাস দীক্ষা নেন। আর এই প্রশ্নের উত্তরের খোঁজেই গুরু বিরজানন্দ দন্ডির আশ্রমে গিয়ে সংশয়মুক্ত হয়ে তিনি হয়ে উঠেন ঋষি দয়ানন্দ সরস্বতী।

29/07/2026
29/07/2026

কিছুক্ষণের মধ্যে আমাদের গুরু পূর্ণিমা উপলক্ষে আর্য পর্বদিবসের "যজ্ঞ অনুষ্ঠান" লাইভ করা হবে।🙏

ব্যাসদেব যে ঐতিহাসিক চরিত্র এবং তিনি যে বেদের শাখাদি বিষয় নিয়ে কাজ করেছিলেন তার প্রমাণ অশ্বঘোষের রচিত বুদ্ধচরিত থেকে -সা...
10/07/2026

ব্যাসদেব যে ঐতিহাসিক চরিত্র এবং তিনি যে বেদের শাখাদি বিষয় নিয়ে কাজ করেছিলেন তার প্রমাণ অশ্বঘোষের রচিত বুদ্ধচরিত থেকে -

সারস্বতশ্চাপি জগাদ্ নষ্টং বেদং পুনর্য দুদৃশুর্ন পূর্বে। ব্যাসস্তথৈনং বহুধা চকার ন যং বসিষ্ঠঃ কৃতবান্ শক্তিঃ।।

"যে-বেদ পূর্ব আচার্যগণ দর্শন করেন নাই, সেই নষ্ট বেদ সারস্বতের দ্বারা পুনরায় উক্ত হইয়াছিল। বশিষ্ট, যে-বেদকে বিভক্ত করিতে অসমর্থ হইয়াছিলেন, ব্যাস সেই বেদকে বহু ভাগে বিভক্ত করিয়াছিলেন ॥৪৭।।

অশ্বঘোষ রচিত বুদ্ধচরিত - (১ম সর্গ/শ্লোক ৪৭)
অশ্বঘোষ (সম্ভবত ৮০ খ্রিঃ - ১৫০ খ্রিঃ) কুষাণ সম্রাট কণিষ্কের সভাকবি ছিলেন।

জৈন সরস্বতী: জৈনধর্মেও সরস্বতী আপন স্থান অধিকার করে নিয়েছেন। জৈনধর্মে ষোলজন বিদ্যাদেবী আছেন, এই ষোলজনের মধ্যে আছেন রোহিণ...
05/07/2026

জৈন সরস্বতী: জৈনধর্মেও সরস্বতী আপন স্থান অধিকার করে নিয়েছেন। জৈনধর্মে ষোলজন বিদ্যাদেবী আছেন, এই ষোলজনের মধ্যে আছেন রোহিণী, প্রজ্ঞপ্তি, বজ্রশৃঙ্খলা, কালী, মহাকালী, গৌরী ও মানবী, আর আছেন কয়েকজন যক্ষিণী। জৈনধর্মে সরস্বতী হলেন শ্রুত দেবতা এবং শ্রুত বা বিদ্যার অধিকারিণী- তীর্থংকর ও কেবলীদের জ্ঞানের তিনি অধিষ্ঠাত্রী। লক্ষ্ণৌ মিউজিয়মে পুস্তক-ধারিণী জৈন সরস্বতীর ভগ্নমূর্তি আছে। এই মূর্তিটি সরস্বতীর অন্যতম প্রাচীন মূর্তি, ৫৪ শকাব্দে বা ১৩২ খ্রীষ্টাব্দে নির্মিত। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে জৈনমন্দির-সমূহে বিভিন্ন ধরনের সরস্বতী মূর্তি আছে। দিগম্বর ও শ্বেতাম্বর সম্প্রদায়ের জৈনরা জানপঞ্চমী বা দ্রুতপঞ্চমীতে সারস্বত উৎসব করে থাকেন। জৈনমন্দিরে প্রাপ্ত সরস্বতী মূর্তির মধ্যে দ্বিভুজা, চতুর্ভুজা, ষড়-ভুজা, অষ্টভুজা এবং ষোড়শভুজা সরস্বতী প্রতিমা দেখা যায়। তন্মধ্যে চতুর্ভুজা মূর্তিই সংখ্যায় অধিক। জৈন সরস্বতীরও বাহন সাধারণতঃ হাঁস, কোন কোন ক্ষেত্রে ময়ূর।' ষোলটি বিজ্ঞা-দেবীর অধিষ্ঠাত্রী শ্রুতিদেবীই প্রকৃত জৈন সরস্বতী। ইনি ব্রহ্মাণীর প্রতিরূপ। কার্তিকী শুক্লা পঞ্চমী জৈনদের জ্ঞানপঞ্চমী। জ্ঞানপঞ্চমীতে সারস্বত উৎসবে জৈনরা বিদ্যাদেবীর পূজা করে থাকেন।'

03/07/2026

📢 জরুরি বিজ্ঞপ্তি -

অনিবার্য কিছু সমস্যার কারণে আজ "বৈদিক নিত্য উপাসনা পদ্ধতি ও এর তাৎপর্য" শীর্ষক যে লাইভ আলোচনাটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, তা আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। এই অনাকাঙ্ক্ষিত অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

পরন্তু আগামী ১০ জুলাই (শুক্রবার) যথাসময়ে উক্ত লাইভ আলোচনাটি অনুষ্ঠিত হবে। আপনাদের আন্তরিক উপস্থিতি কামনা করছি।

▪️সাময়িক এই বিরতির নেওয়ার কারণে আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। 🙏🏻

নিবেদনে :
অমৃতস্য পুত্রাঃ ফাউন্ডেশন
সদস্যবৃন্দ

অচ্যুতচরণ চৌধুরী তত্ত্বনিধি (১৮৬৫ – ১৯৫৩) ছিলেন বৃহত্তর সিলেটের একজন ইতিহাসবিদ ও বৈষ্ণব সাহিত্যের সুখ্যাত পণ্ডিত, যিনি ব...
02/07/2026

অচ্যুতচরণ চৌধুরী তত্ত্বনিধি (১৮৬৫ – ১৯৫৩) ছিলেন বৃহত্তর সিলেটের একজন ইতিহাসবিদ ও বৈষ্ণব সাহিত্যের সুখ্যাত পণ্ডিত, যিনি বিশেষত সিলেটের বিস্তৃত ইতিহাস রচনার মাধ্যমে সমাদৃত হোন। ১৯২০ দশকে প্রকাশিত তাঁর ১,৬৬৩ পৃষ্ঠার "শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত" নামক বিখ্যাত ইতিহাস গ্রন্থটি শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত (পূর্বাংশ) ও শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত (উত্তরাংশ) নামে দুইটি আলাদা আলাদা খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল, যা আজও সিলেট ও প্রাচীন সিলেট অঞ্চলের (ভারতের করিমগঞ্জ অবধি বিস্তৃত) ইতিহাসের আলোচনায় অধিকাংশ ঐতিহাসিকগণ আকরগ্রন্থ হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন । এছাড়াও তিনি ফোকলোরসহ বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের জীবনী রচনা করে গেছেন। তিনি ১৩৬০ বঙ্গাব্দের (১৯৫৩ খ্রিষ্টাব্দ) ১০ আশ্বিন ৮৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

অচ্যুত্যচরণজীর সৃষ্টি -

তার রচিত শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত। শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত।।

সম্পাদনা-

১,৬৬৩ পৃষ্ঠার এই ইতিহাস গ্রন্থটি দুইটি আলাদা আলাদা খণ্ডে প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত (পূর্বাংশ) (৭৭৯ পৃষ্ঠা) প্রকাশিত হয় ১৩১৭ বঙ্গাব্দে (১৯১০ খ্রিষ্টাব্দ) এবং শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত (উত্তরাংশ) (৮৮৪) প্রকাশিত হয় ১৩২৪ বঙ্গাব্দে (১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দ)। গ্রন্থটি প্রকাশের জন্য কামরূপ শাসনাবলীর গ্রন্থকার পণ্ডিত পদ্মনাথ ভট্টাচার্য তৎকালীন মূল্যমানের সাড়ে চার হাজার টাকা অনুদান দিয়েছিলেন। প্রকাশিত গ্রন্থটি সম্পর্কে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক আবদুল হক চৌধুরীর অভিমত:

সংগৃহীত উপাদানের সাহায্যে তাঁর আগে এত বড়ো ইতিহাস গ্রন্থ এদেশে (বাংলাদেশে) কেউ লিখেননি।

[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] এই বৃহৎ বইটিতে তিনি সিলেটের ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক বিবরণ ছাড়াও প্রতিটি গ্রামের প্রাচীন হিন্দু-মুসলমান পরিবারগুলোর ইতিহাস, কবি, রাজনীতিবিদ, ফকির-দরবেশ, সাধু, আওলিয়াদের সংক্ষিপ্ত জীবনী লিখে গেছেন। এছাড়া দিয়েছেন বহু ঐতিহাসিক সনদ, প্রাচীন মুদ্রা ও ফরমানের আলোকচিত্র, বংশলতিকার অনুলিপি ও প্রাচীন মুদ্রার ছবি। এই ইতিহাস গ্রন্থ রচনার জন্য অচ্যুতচরণ চৌধুরী ঘুরে বেড়িয়েছেন সিলেটের প্রতিটি গ্রামে, সেই যুগে, যে যুগে পর্যাপ্ত যানবাহন ছিল না, ছিল না পর্যাপ্ত রাস্তাঘাট। এমনকি বইয়ের "উত্তরাংশ" মুদ্রণ উপলক্ষে তিনি রুগ্ন স্ত্রী ও আট মাসের শিশু সন্তানকে ফেলে কলকাতা চলে যান, আর তাঁর অবর্তমানে সেই রুগ্ন স্ত্রী চিকিৎসার অভাবে মারা যান, পরে আট মাসের শিশুটিও মারা যায়। তাঁর বিপুল ত্যাগের এই কীর্তি সিলেটের ইতিহাসের আকরগ্রন্থ হিসেবে আজও সমাদৃত। যদিও ঐতিহাসিক সৈয়দ মুর্তাজা আলী গ্রন্থটির সমালোচনায় বলেন:
..[এই] গ্রন্থে সিলেটের সম্বন্ধে জ্ঞাতব্য অনেক বিষয়ের উল্লেখ আছে। দুঃখের বিষয় মুসলমান সমাজ সম্বন্ধে এই পুস্তকে সম্যক আলোচনা করা হয়নি। দীর্ঘকালের ব্যবধানে ঐ পুস্তকের নানা বিবরণ বর্তমানে সংশোধনের অপেক্ষা রাখে।

মূল গ্রন্থ দুটির প্রকাশক ছিলেন কলকাতার শ্রী উপেন্দ্র নাথ পাল চৌধুরী, আর মূল্য ছিল যথাক্রমে তৎকালীন মূল্যমানে চার টাকা ও পাঁচ টাকা। বইটি দীর্ঘদিন আর পুণর্মুদ্রিত না হলেও পরবর্তীকালে বাংলাদেশের উৎস প্রকাশন তা পুনর্মুদ্রণের উদ্যোগ নেয়, যদিও তাতে কোনো সংশোধন না এনে মূলানুগ রাখা হয়েছে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] এছাড়াও কলকাতা থেকেও বইটির দুটি খণ্ড পুনর্মুদ্রিত হয়েছে।।

অন্যান্য
সম্পাদনা
শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত ছাড়াও তাঁর ছিল কমপক্ষে আরো ২০টি প্রকাশনা:-

১. চৈতন্য চরিত (১৩১১ বঙ্গাব্দ)
২. রঘূনাথ দাস গোস্বামীর জীবনী (১৩০০ বঙ্গাব্দ)
৩. গোপাল ভট্ট গোস্বামীর জীবনী (১৩০২ বঙ্গাব্দ)
৪. নিতাই লীলা লহরী (১৩২০ বঙ্গাব্দ)
৫. হরিদাস ঠাকুরের জীবনী (১৩০৩ বঙ্গাব্দ)
৬. সীতা চরিত
৭. ভক্ত নির্য্যাস (১২৯৯ বঙ্গাব্দ)
৮. সাধু চরিত (১৩১৯ বঙ্গাব্দ)
৯. চারু চরিত
১০. শ্যামানন্দ চরিত
১১. শ্রী গৌরাঙ্গের পূর্বাঞ্চল ভ্রমণ (১৩০৯ বঙ্গাব্দ)
১২. চাঁদ সওদাগর
১৩. বিষ্ণুপ্রিয়ার বিবাহ
১৪. লাউড়িয়া কৃষদাস রচিত বাল্যলীলা সূত্রম বঙ্গানুবাদ
১৫. সাবাস ছবি (১৩১০ বঙ্গাব্দ)
১৬. অশ্রু কণা
১৭. শান্তি লতা
১৮. বিষাদিতা
১৯. রাজভক্তি ও মহাযুদ্ধ
২০. শ্রী পাদ ঈশ্বরপুরী

তিনি সিলেট থেকে প্রকাশিত সাহিত্য পত্রিকা মাসিক শ্রীহট্ট দর্পন সম্পাদনা করতেন; আরো সম্পাদনা করতেন ‘কমলা’ নামের একটি সাহিত্যপত্রও। তাছাড়াও বিশিষ্ট গবেষণাধর্মী পত্রিকা সাহিত্য পরিষদ পত্রিকায় গবেষণাধর্মী লেখালেখি করতেন।।

শ্রীহট্ট - সিলেটের প্রাচীন নাম = শ্রীহট্ট / শ্রীহট্ট

শ্রীহট্ট নামটা কোথা থেকে এলো?

১. "শ্রী" + "হট্ট"= "শ্রী" মানে সৌন্দর্য/লক্ষ্মী, "হট্ট" মানে বাজার/হাট।
তাই অর্থ দাঁড়ায় "সমৃদ্ধ বাজার"* বা "সুন্দর নগরী"।

২. ইতিহাস: সেন যুগ, তুর্কি শাসন আর মুঘল আমলেও এই অঞ্চলকে "শ্রীহট্ট" বলা হতো।
মুঘলরা এটাকে "সিলহেট সরকার" বানায়। "সিলহেট" শব্দটাই শ্রীহট্ট থেকে অপভ্রংশ হয়ে এসেছে।

৩. পুঁথি ও শিলালিপি: গৌড়-লক্ষ্মণাবতীর সময়কার অনেক তাম্রশাসন ও সংস্কৃত পুঁথিতে এই জায়গার নাম "শ্রীহট্ট" লেখা আছে।

কবে "সিলেট" হলো?
ব্রিটিশ আমলে উচ্চারণ সহজ করার জন্য "শ্রীহট্ট" → "Sylhet" হয়ে যায়। 1947 সালে গণভোটের পর এটা পূর্ব পাকিস্তান, পরে বাংলাদেশের অংশ হয়। সারকথা: সিলেট = আধুনিক নাম, শ্রীহট্ট = 1000+ বছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী নাম।

তথ্যসূত্র - Wikipedia

🕉️
02/07/2026

🕉️

Address

Chittagong

Opening Hours

Monday 08:00 - 17:00
Tuesday 08:00 - 17:00
Wednesday 08:00 - 17:00
Thursday 08:00 - 17:00
Saturday 08:00 - 17:00
Sunday 08:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অমৃতস্য পুত্রাঃ ফাউন্ডেশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to অমৃতস্য পুত্রাঃ ফাউন্ডেশন:

Shortcuts

Share