দারুল আফকার - ধ্যানাগার

দারুল আফকার - ধ্যানাগার Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from দারুল আফকার - ধ্যানাগার, Religious organisation, Chittagong.

মাইজভাণ্ডারী খানকাহ শরীফ
স্থাপিত : ২০০৭ খ্রিস্টাব্দ
প্রতিষ্ঠাতা : এস. এম. এম. সেলিম উল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী,
ঠিকানা : -পশ্চিম উদালিয়া, কাটিরহাট, হাটহাজারী, চট্টগ্রাম। মোবাইল : 01818132466.

03/09/2026
দারুল আফকার খানকাহ'র আয়োজনে আসন্ন ২৯শে রবিউল আউয়াল ১২ই সেপ্টেম্বর রোজ শনিবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দঃ) উদযাপনের প্রস্ত...
03/09/2026

দারুল আফকার খানকাহ'র আয়োজনে আসন্ন ২৯শে রবিউল আউয়াল ১২ই সেপ্টেম্বর রোজ শনিবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দঃ) উদযাপনের প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন হয়েছে ।
ইনশাআল্লাহ, প্রতি বৎসরের ন্যায় এবারো যথাযথ ভাবে ২৯শে রবিউল আউয়াল পালনের সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি ।

24/08/2026

নাতে মুস্তফা (সঃ) পরিবেশন করছেন
মাওলানা জাহেদুল ইসলাম ।

তৃতীয় পর্ব—♥ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ- এর তাৎপর্য♥             এস এম এম সেলিম উল্লাহ”মোহাম্মদ” মোস্তফা(দ)ও "আহমদ" মুজতবা (দ) না...
24/08/2026

তৃতীয় পর্ব—♥ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ- এর তাৎপর্য♥
এস এম এম সেলিম উল্লাহ

”মোহাম্মদ” মোস্তফা(দ)ও "আহমদ" মুজতবা (দ) নাম মোবারকের তাৎপর্য:★
হযরত "মোহাম্মদ" "মোস্তফা" (দ.) এখানে দুটি শব্দ একটি মোহাম্মদ এবং অপরটি মোস্তফা। একটি হুজুর (দ.) এর নামে পাক, অপরটি সিফাত। আল্লাহ তাআয়ালাঐ নামে পাক আল-কোরআনে ৪ (চারবার) উল্লেখ করেছেন
। উল্লেখ্য যে, হুজুর (দ.)র জাতি নাম “মোহাম্মদ” ও "আহম্মদ" একই মূল অক্ষর হতেই উদ্গত যেমন ইলা শব্দ হতে আল্লাহু। আল্লাহু লিখতে পাঁচ অক্ষর ব্যবহার হয়-যেমন আলিফ, লাম, লাম,আলিফ, হা,অপরদিকে মোহাম্মদ(দ) লিখতেও পাঁচ অক্ষরের ব্যবহার হয় - মিম,হা, মিম, মিম,দাল,কিন্তু তাশদীদের মাধ্যমে এক অক্ষর উজ্জ-তাই কোরআনে ৪বার মোহাম্মদ ও ১বার আহমদ এসেছে। (১) আল ইমরান--১৪৪
অর্থ: “মোহাম্মদ” নয় রাসূল বৈ। তাঁর পূর্বে বহু রাসূল গত হয়েছে। যদি তিনি মারা যান বা হত্যা হন তবে কি তোমরা আসন পদ ঘোরাবে বা পিচপা হতে তার অনুসরণ হতে, কেউ সৃষ্ট প্রদর্শন কররে আল্লাহ্ কোন ক্ষতি না এটাতে। আল্লাহ্ কৃতজ্ঞদের পুরস্কৃত করেন।
সূরা আহযাব-৪০ “মোহাম্মদ তোমাদের কারো পিতা নয় (বাপ-দাদার সম্পর্কে সম্পর্কিত নয়) বরং আল্লাহর রাসূল এবং শেষ নবী আল্লাহ্ সর্বজ্ঞ।--
সূরা মুহাম্মদ-২" যারা বিশ্বাস করে ও সৎ কার্য করে এবং “মোহাম্মদ” এর প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে বিশ্বাস করে এটাই প্রতিপালকের পক্ষ হতে সত্য তিনি তাদের মন্দ কর্মগুলো বিদূরিত করবেন এবং তাদের অবস্থা ভাল করবেন।---
সূরা ফাতাহ-২৯ মোহাম্মদ আল্লাহ্ রাসূল; এবং তাঁর সাথীগণ অস্বীকারকারীদের প্রতি কঠোর। নিজেরা নিজেদের প্রতি দয়াবান, দেখবে আল্লাহ্ অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তারা সারাক্ষণ রুকু ও সেজদাবনত। সেজদার চিহ্ন তাদের মুখম-লে প্রস্ফুটিত। “তাওরাত” ইঞ্জিলে তাদের বর্ণনা এরূপ আছে তাদের উদাহরণ একটি চারা গাছের মত যা হতে নির্গত হয় কিশোলয়, এটা পরে শক্ত ও পুষ্ট হয়ে ফা-ের উপর দাঁড়ায় চাষির মনে আনন্দ দেয় এভাবে তাদের সমৃদ্ধি দ্বারা (আল্লাহ্) কাফের দেয় অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে তাদের জন্য আল্লাহু দিয়েছেন ক্ষমা ও মহা পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি।
“মোহাম্মদ” এর শব্দ গত ব্যাখ্যা : মোহাম্মদ শব্দটি “হামদ” শব্দ হতে নির্গত মূল অর্থ: “প্রসংশা”।
ইমাম সোহাইলী বলেন, এটা “মফউল” অর্থ: তিনি ঐ জাতে পাক যার প্রসংসা বার বার করা যায়।(আল আরদুল আন্ফ-১ খন্ড ২৮) ইমাম রাগেব ইস্পাহানি বলেন, মোহাম্মদ -- তাঁকে বলে যার উপর্যুক্ত প্রসংসা সীমা রেখার ঊর্ধ্বে। (আল মুফরাদাত-১৩১)।

তিনিই স্বভাবের প্রারম্ভিকা, তাঁর মধ্যেই শেষ যবনিকা, তিনিই সেই অনন্ত সখা ,যেই বুঝিবে সেই বুঝিবে।।
23/08/2026

তিনিই স্বভাবের প্রারম্ভিকা,
তাঁর মধ্যেই শেষ যবনিকা,
তিনিই সেই অনন্ত সখা ,
যেই বুঝিবে সেই বুঝিবে।।

♥ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ- এর তাৎপর্য♥             এস এম এম সেলিম উল্লাহ২য় র্পব------  আমাদের কথা:- "ফাদ্বল"এবং "রহমত"পাওয়ার পর...
23/08/2026

♥ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ- এর তাৎপর্য♥
এস এম এম সেলিম উল্লাহ

২য় র্পব------
আমাদের কথা:- "ফাদ্বল"এবং "রহমত"পাওয়ার পর খুশি উদযাপন করার জন্য উপর উল্লেখিত আয়াতে কোরআনে কারিমের যে নির্দেশ দানের শব্দটি তা "ফাল্ ইয়াফরাহু"অর্থাৎ"তারা যেন আনন্দিত হয়" যা "ফারহুন" শব্দ হতে উদগত। সচেতন পাঠক মাত্রই বুঝতে পারবেন ফারহুন অর্থ আনন্দিত হওয়া। আল্লাহ তাআলা নির্দেশ করেছেন "ফাদ্বল"ও রহমত পেয়ে আনন্দিত হও।আল্লাহর নির্দেশ এই আনন্দিত হবার দিনকে আবার সূরা মায়েদার১১০-১১৪নং আয়াতে আল্লাহর নিজেই নিয়ামত বলে ঘোষণা করেছেন এবং ওই নেয়ামত পাওয়ার দিনকে স্মরণ করার নির্দেশ ও করেছেন! যাকে বনী-ইসরাঈলগণ থাকুনু লানা ঈদান্ লি আওয়ালিনা ওয়া আখারীনি অর্থাৎ "আমাদের এবং আমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তীগণ এর জন্য যেন ঈদ হয়ে যায়" মর্মে প্রার্থনা করেন।
শুধু তাই নয় পূর্ববর্তী নবীগণের নিজেদের জন্মদিবস ওফাত দিবস বিশেষভাবে আলোচনা করতেন যা রাব্বুল আলামিন ও কোরআনের পাকে আলোচনা করেছেন!
আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন:-
১. এবং শান্তি তাঁরই উপর(তিনি) যেদিন জন্ম গ্রহণ করেছেন, যেদিন বেসালপ্রাপ্ত (খোদার সাথে মিলনপ্রাপ্ত) হবেন এবং যেদিন জীবিতাবস্থায় পুনরুত্থিত হবেন’’। [সূরা মারইয়ম, আয়াত -১৫]

উপরিউক্ত আয়াতে করীমায় আল্লাহ তা‘আলা হযরত ইয়াহইয়া আলাইহিস্ সালাম এর সম্পূর্ণ মিলাদ বর্ণনা করেছেন। আর এর আগে আল্লাহ পাক তাঁর বেলাদতের পূর্ববর্তী ঘটনাবলীও বর্ণনা করেছেন।

২. আল্লাহ তা‘আলা এরশাদ করেন-
এবং ওই শান্তি আমার প্রতি যেদিন আমি জন্ম লাভ করেছি এবং যেদিন আমার মৃত্য্যুু হবে, আর যেদিন জীবিত অবস্থায় পুনরুত্থিত হবো। [সূরা র্মায়াম, আয়াত-৩৩]

এ আয়াতে করীমার আগে আল্লাহ তা‘আলা মরিয়াম আলাইহিমাস্ সালাম এর সমস্ত ঘটনা বর্ণনা করেছেন; তাঁর গর্ভে হযরত ঈসা নবী আলাইহিস্ সালাম এর জন্মের কথাও আল্লাহ তা‘আলা জানিয়েছেন। উপরিউক্ত আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা হযরত ঈসা আলাইহিস্ সালাম এর বাণী উদ্ধৃত করেন যা দ্বারা তিনি নিজের জন্ম ও বেছাল/ওফাতের বর্ণনা করেছেন।
হযরত ইয়াহিয়া (আ)হযরত ঈসা (আ)এর মত রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু সাল্লাম নিজের জন্মদিবস নিজেই পালন করেছেন।

সহীহ মুসলিম শরীফে আছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লামকে সোমবার দিন তাঁর রোযা রাখার কারণ জিজ্ঞেস করা হয়। তিনি উত্তর দেন;এ দিন (সোমবার) আমার বেলাদত (প্রথিবীতে শুভাগমন) হয়েছে এবং এ দিনেই আমার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে।] মেশকাত শরীফ, ১৭৯ পৃষ্ঠা]
রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর আগমনপূর্ব তাওরাত ইঞ্জিলে তাঁর আগমনীর আলোচনা হতো যা কোরআনে পাকে বিদ্যমান এবং হাদীস শরীফেও রয়েছে যেমন:-
সূরা আস-সাফ,আয়াত: ৬
স্মরণ কর, যখন মরিয়ম-তনয় ঈসা (আঃ) বললঃ হে বনী ইসরাইল! আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর প্রেরিত রসূল, আমার পূর্ববর্তী তওরাতের আমি সত্যায়নকারী এবং আমি এমন একজন রসূলের সুসংবাদদাতা, যিনি আমার পরে আগমন করবেন। তাঁর নাম “আহমদ”(দ)। -----(চলবে)

23/08/2026

কোরআন, হাদীস ও রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনের আলোকে ইসলাম ধর্মের নৈতিকতা :
-------এহ এম এম সেলিম উল্লাহ
♦ভূমিকা♦
মানবজীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করার জন্য নৈতিকতা অপরিহার্য। ইসলাম শুধু একটি আধ্যাত্মিক ধর্ম নয়; বরং এটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যেখানে নৈতিকতার শিক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়েছে। কোরআন শরীফে অসংখ্য আয়াতে এবং রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর বাণী ও জীবনচর্চায় আমরা নৈতিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত পাই।
কোরআন শরীফে নৈতিকতার শিক্ষা
১. ন্যায় ও ইনসাফ
إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُ بِالْعَدْلِ وَالْإِحْسَانِ
“নিশ্চয়ই আল্লাহ আদেশ করেন ন্যায় ও কল্যাণ করার।” (সূরা নহল 16:90)
২. সত্যবাদিতা
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَكُونُوا مَعَ الصَّادِقِينَ
“হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের সাথে থাক।” (সূরা তাওবা, 9:119)।
৩. অন্যায় পরিহার
وَلَا تَبْخَسُوا النَّاسَ أَشْيَاءَهُمْ “আর মানুষের প্রাপ্য কমিয়ে দিও না।” (সূরা হুদ, 11:85)।
৪. ক্ষমাশীলতা
فَمَنْ عَفَا وَأَصْلَحَ فَأَجْرُهُ عَلَى اللَّهِ “যে ক্ষমা করে এবং সংশোধন করে, তার পুরস্কার আল্লাহর কাছে রয়েছে।” (সূরা শূরা, 42:40)।
৫. আত্মসংযম ও লজ্জাশীলতা
قُلْ لِلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوا فُرُوجَهُمْ
“মুমিন পুরুষদের বল, তারা যেন দৃষ্টি নত রাখে ও লজ্জাস্থান রক্ষা করে।” (সূরা নূর, 24:30)।
হাদীসের আলোকে নৈতিকতার শিক্ষা:-
১. রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
«إِنَّمَا بُعِثْتُ لِأُتَمِّمَ مَكَارِمَ الْأَخْلَاقِ» “আমি উত্তম চরিত্র পূর্ণাঙ্গ করার জন্যই প্রেরিত হয়েছি।” (মুয়াত্তা মালিক)।
২. তিনি আরও বলেছেন—
«المسلم من سلم المسلمون من لسانه ويده» “সেই মুসলমান প্রকৃত মুসলমান, যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ থাকে।” (বুখারি, মুসলিম)।
৩. আবার বলেছেন— «مَن لا يَرحم لا يُرحم» “যে দয়া করে না, তার প্রতি দয়া করা হবে না।” (বুখারি, মুসলিম)।

রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনে নৈতিকতার দৃষ্টান্ত:-
১. সত্যবাদিতা : নবুওয়াতের পূর্বেই মক্কার মানুষ তাঁকে “আল-আমিন” (অত্যন্ত বিশ্বস্ত) বলে ডাকত। ব্যবসায় তিনি কখনো প্রতারণা করেননি।
২. ক্ষমাশীলতা : তায়েফবাসীরা তাঁকে পাথর মেরে রক্তাক্ত করেছিল। ফেরেশতা পাহাড় চাপিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিলে তিনি বলেন—“না, আমি আশা করি তাদের বংশধররা একদিন আল্লাহর ইবাদত করবে।”
৩. ন্যায়পরায়ণতা : মক্কার কাফেররাও তাঁর ন্যায়বিচারে ভরসা করত। কাবা পুনর্নির্মাণের সময় ‘হাজরে আসওয়াদ’ স্থাপন নিয়ে বিবাদ হলে তিনি সকল গোত্রকে সন্তুষ্ট করার মতো সুবিচার করেছিলেন।
৪. দয়া ও সহমর্মিতা : একজন দাসী রাসূল ﷺ-কে ডাকলে তিনি কখনো অবজ্ঞা করেননি। পশুদের প্রতিও তিনি দয়া প্রদর্শন করতেন।
৫. পরিবারে নৈতিকতা : তিনি স্ত্রীদের সাথে ভালো আচরণ করতেন। বলেছেন—“তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম, যে তার পরিবারের সাথে উত্তম ব্যবহার করে।” (তিরমিজি)। উপরোক্ত কোরআন, হাদীস ও রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জীবন থেকে আমরা শিখি—সত্যবাদিতা, ন্যায়পরায়ণতা, দয়া, ক্ষমাশীলতা, আমানতদারিতা, আত্মসংযম ও মানবসেবাই ইসলামের মূল নৈতিকতা। ইসলামি নৈতিকতা কেবল আচার-অনুষ্ঠানে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক জীবন ও সামাজিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
নৈতিকতার অভাব ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক সম্পর্ক ও সামাজিক কাঠামোর ওপর গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ইসলাম এ বিষয়ে স্পষ্টভাবে সতর্ক করেছে।
নৈতিকতার অভাবে যা ঘটে-–
১. ব্যক্তিগত জীবনে
অশান্তি ও হতাশা: নৈতিকতা না থাকলে মানুষ স্বার্থপর, লোভী ও অন্যায় কাজে লিপ্ত হয়, ফলে অন্তরে শান্তি থাকে না।
আত্মবিনাশ: গোনাহ, অন্যায় ও মিথ্যার কারণে আত্মা কলুষিত হয়, আল্লাহর রহমত থেকে দূরে সরে যায়।
কুরআন:
وَلَا تَقْرَبُوا الْفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ
“তোমরা প্রকাশ্য ও গোপন সব ধরনের অশ্লীলতার কাছেও যেয়ো না।” — (সূরা আনআম: ১৫১)।
২. পারিবারিক জীবনে
অবিশ্বাস ও কলহ: মিথ্যা, প্রতারণা, পরকীয়া ও খারাপ চরিত্র পারিবারিক ভাঙন ডেকে আনে।
সন্তানদের অবক্ষয়: নৈতিক শিক্ষা না থাকলে পরবর্তী প্রজন্মও পথভ্রষ্ট হয়।
৩. সামাজিক জীবনে
অন্যায় ও দুর্নীতি ছড়ায়: যখন ন্যায়পরায়ণতা, সততা ও দয়া হারিয়ে যায়, তখন সমাজে শোষণ, হত্যা, জুলুম ও বিশৃঙ্খলা শুরু হয়।
কুরআন:
وَإِذَا تَوَلَّىٰ سَعَىٰ فِي الْأَرْضِ لِيُفْسِدَ فِيهَا وَيُهْلِكَ الْحَرْثَ وَالنَّسْلَ ۗ وَاللَّهُ لَا يُحِبُّ الْفَسَادَ
“সে যখন ক্ষমতা পায়, তখন সে পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করতে চায় এবং শস্য ও বংশ ধ্বংস করে ফেলে। আর আল্লাহ ফাসাদকে পছন্দ করেন না।”— (সূরা বাকারা: ২০৫)।
৪. পরকালীন জীবনে
আল্লাহর শাস্তি: নৈতিকতাহীন মানুষের জন্য আখিরাতে জাহান্নামের শাস্তি নির্ধারিত।
হাদীস:
رسول الله ﷺ قال:
«إنما بُعِثتُ لأُتممَ مكارمَ الأخلاق»
“আমি তো পাঠানো হয়েছি উত্তম চরিত্র পূর্ণাঙ্গ করার জন্য।” — (মুয়াত্তা মালিক, মুসনাদ আহমাদ)
যারা এই চরিত্র ত্যাগ করবে, তারা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর উদ্দেশ্যের বিপরীতে যাবে এবং আখিরাতে লাঞ্ছিত হবে।
নৈতিকতার অভাবে ব্যক্তি অন্তরে অশান্ত, পরিবারে অবিশ্বাস, সমাজে অরাজকতা ও রাষ্ট্রে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়ে। শেষপর্যন্ত আল্লাহর গজব ও আখিরাতের শাস্তি নেমে আসে।

উপসংহার:-
নৈতিকতা মানবজীবনের মূল ভিত্তি। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র—সবক্ষেত্রেই নৈতিকতা এক অপরিহার্য নিয়ামক শক্তি। নৈতিকতার অভাব হলে যেমন অন্তরে অশান্তি, পরিবারে ভাঙন, সমাজে অরাজকতা এবং রাষ্ট্রে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়ে; তেমনি আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত হয়ে মানুষ আখিরাতে শাস্তির মুখোমুখি হয়। আল্লাহ তা‘আলা কোরআনে বলেছেনঃ
> وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَى وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ ۚ
“তোমরা পরস্পরে নেকি ও তাকওয়ায় সহযোগিতা করো, কিন্তু পাপ ও সীমালঙ্ঘনে সহযোগিতা করো না।”
— (সূরা মায়িদাহ ৫:২)।
এ আয়াত স্পষ্ট করে দেয়, নৈতিকতা শুধু ব্যক্তিগত উন্নতির মাধ্যম নয়; বরং সামাজিক কল্যাণ, ন্যায়বিচার ও শান্তিরও প্রধান শর্ত।
রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর জীবনে সর্বোচ্চ নৈতিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি কখনো মিথ্যা বলেননি, কখনো কাউকে প্রতারণা করেননি, বরং তাঁর আমানতদারিতা ও সত্যবাদিতার জন্য ‘আল-আমীন’ উপাধি পেয়েছিলেন। তাঁর করুণা, ক্ষমাশীলতা ও মানবসেবা বিশ্ব মানবতার জন্য এক চিরন্তন আলোকবর্তিকা। তিনি ইরশাদ করেছেনঃ
> إِنَّمَا بُعِثْتُ لِأُتَمِّمَ مَكَارِمَ الْأَخْلَاقِ
“নিশ্চয়ই আমাকে প্রেরণ করা হয়েছে উৎকৃষ্ট নৈতিকতা পূর্ণাঙ্গ করার জন্য।” — (মুয়াত্তা মালিক, হাদিস: ১৬১৪)।
অতএব, ইসলামি নৈতিকতা শুধুমাত্র আচার-অনুষ্ঠান বা বাহ্যিক রীতিনীতি নয়; বরং তা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে—অর্থনীতি, রাজনীতি, পারিবারিক সম্পর্ক, সামাজিক আচরণ ও মানবসেবায় বাস্তবায়ন করার নির্দেশ দেয়।
একজন নৈতিক মানুষ কেবল নিজের জন্য নয়, বরং পরিবার ও সমাজের জন্যও শান্তি ও কল্যাণ বয়ে আনে। নৈতিকতাসম্পন্ন পরিবারে ভালোবাসা ও আস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়, সমাজে ন্যায়বিচার ও সহমর্মিতা গড়ে ওঠে, আর রাষ্ট্রে স্বচ্ছতা ও উন্নয়ন নিশ্চিত হয়। এর বিপরীতে, নৈতিকতাহীন জীবন মানবসভ্যতাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়।
সুতরাং, আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব হলো কোরআন, হাদীস ও রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের জীবন নৈতিকতার আলোকে গড়ে তোলা। তবেই আমরা দুনিয়াতে শান্তি ও আখিরাতে মুক্তি লাভ করতে সক্ষম হবো।

♥ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ- এর তাৎপর্য♥             এস এম এম সেলিম উল্লাহসাধারণত ঈদ অর্থ আমরা জানি খুশি। আল মুনজিদ, আল কামুস, সহ...
20/08/2026

♥ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ- এর তাৎপর্য♥
এস এম এম সেলিম উল্লাহ

সাধারণত ঈদ অর্থ আমরা জানি খুশি। আল মুনজিদ, আল কামুস, সহ আরবি, ফারসি, উর্দু অভিধানগুলোতে স্পষ্টভাবে লেখা আছে—
ঈদের বাংলা শব্দের অর্থ খুশি কেন রাখা হয়েছে?
বিশ্ব বিখ্যাত মুফাসসির ইমাম ফখরুদ্দীন রাজী (রহ.) তাঁর তাফসীরে কবীরে এই শব্দের ব্যাখ্যা করেছেন, ঈদকে ঈদ এজন্য নাম রাখা হয়েছে, এই দিনটি ফিরে আসে প্রত্যেক বছর নতুন নতুন খুশি নিয়ে।
মিলাদ শব্দটির মূল ‘বেলাদত’ যার অর্থ হলো জন্ম। অতএব, আরবী ভাষায় মিলাদ শব্দটি জন্মের স্থান ও সময়কে বোঝায়। শরিয়তের আলোকে আমরা মিলাদ বলতে বুঝি সেই সব ঘটনা যা নবী করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বেলাদত তথা ধরাধামে শুভাগমনের সময় ঘটেছিল।
মিলাদ+নবী শব্দ দুইটিকে একত্রে মিলিয়ে মিলাদুন্নবী বলা হয়। সমাজে ইহার তিনটি শব্দ প্রচলিত আছে মিলাদ, মাওলিদ ও মাওলূদ। ‘মিলাদ’ অর্থ জন্মের সময়, ‘মাওলিদ’ অর্থ জন্মের স্থান, ‘মাওলূদ’ অর্থ সদ্যপ্রসূত সন্তান। আর ‘নবী’ শব্দ দ্বারা বুঝায় হুজুর (দ.)-কে। শাব্দিক অর্থে ‘মিলাদুন নবী’ বলতে হুজুর (দ.)-এর বিলাদত শরীফ বা জন্মবৃত্তান্তকে বোঝানো হয়ে থাকে।
বিভিন্ন অভিধানে মিলাদ শব্দটির অর্থ কিভাবে লেখা হয়েছে তা নিম্নে উল্লেখ করছি—
আল্লামা ইবনে মানযুর আল আফরীকী (মৃতঃ ৭১১ হিঃ) লিখেছেন—
মিলাদঃ যে সময় তিনি জন্মগ্রহণ করেছেন সে সময়ের নাম।
গিয়াছুল লুগাতে লিখিত আছে—
মিলাদ শব্দটির মীম অক্ষর যের বিশিষ্ট যার অর্থঃ জন্মকাল।
মুনতাখাব অভিধানে লিখিত আছে—
নবজাতক শিশু, জন্মকালীন ঘটনা, জন্মের সময়কাল।
ইংরেজী ও আরবী ডিকশনারীতে আছে—
‘মিলাদ’ অর্থঃ birth (process of being born, coming into the world) অর্থাৎ পৃথিবীতে আগমনের সময়।
পারিভাষিক অর্থঃ
১) আল্লামা মাওলা আলী আল ক্বারী (রহ.) তাঁর বিখ্যাত কিতাব “আল মাওরিদুর রাভী”তে বলেনঃ
মিলাদ বলতে নবীর জন্মবৃত্তান্ত তাঁর মু‘জিযাসমূহ ও সীরাতের আলোচনার জন্য একত্রিত হওয়া, আর যথাযথ প্রশংসা সহ তাঁর প্রতি দরুদ ও সালাম পড়া। তাঁর উম্মতের জীবিত ও মৃতের জন্য দোয়া, অতঃপর তাবাররুক (খাবার) আয়োজন করে মানুষের অন্তরে নবীপাক (দ.)-এর জন্মে আনন্দিত হওয়া।
কোরআন মজীদঃ
কোরআন মজীদের নিম্নোক্ত আয়াতসমূহ মিলাদ উদযাপন বৈধতাই শুধু প্রমাণ করে না, এগুলোর মোস্তাহাব (প্রশংসনীয়) হওয়ার প্রমাণও বহন করে।
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পবিত্র কোরআনের আলোকে:
মহান আল্লাহ তা‘আলার নিয়ামত প্রাপ্তির পর তাঁর শুকরিয়া আদায়ের জন্য কোরআনে বহুবার তাগিদ দিয়েছেন। আর আল্লাহর বড় অনুগ্রহ বা নিয়ামত হল রাসূল (সা.)। তাই রাসূল (সা.)-কে পেয়ে খুশি, আনন্দ, উল্লাস উদযাপন করা মহান আল্লাহ তা‘আলার নির্দেশ। যেমন—
আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ
“হে হাবীব! আপনি বলে দিন আল্লাহর (ফযল) অনুগ্রহ ও তাঁর রহমত (রহমাতুল্লিল আলামীন) প্রাপ্তিতে তাদের (মু’মিনদের) খুশি (ঈদ) উদযাপন করা উচিত এবং আর সেটা হবে তাদের জমাকৃত ধন-সম্পদ অপেক্ষা শ্রেয়।”
(সূরা ইউনুস-৫৮)
এ আয়াতে আল্লাহর (ফযল) অনুগ্রহ এবং আল্লাহর রহমত (রহমাতুল্লিল আলামীন) পাওয়ার পরে মুমিনদের খুশি অর্থাৎ ঈদ উদযাপন করার নির্দেশ মহান আল্লাহর।
এর ব্যাখ্যায় ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী (রহ.) {ওফাতঃ ৯১১ হিঃ} লিখেন—
“ইমাম আবু শায়খ ইস্পাহানী (রহ.) তাঁর তাফসীরে উল্লেখ করেন, সাহাবী হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন, এখানে আল্লাহর (ফযল) বা অনুগ্রহ দ্বারা এই ইলম বা জ্ঞানকে এবং (রহমত) দ্বারা নবী করীম (সা.)-কে বোঝানো হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন— হে হাবীব! আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্ব-জগতের জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরণ করেছি। (সূরা আম্বিয়া, আয়াত নং-১০৭)।”
সৈয়দ শিহাবুদ্দীন মাহমুদ আলূসী বাগদাদী (রহ.) {ওফাতঃ ১২৭০ হিঃ} স্বীয় তাফসীরে উল্লেখ করেন—
“হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) এ আয়াতের তাফসীরে বলেন নিশ্চয়ই (ফযলুল্লাহ) বা অনুগ্রহ হলো ইলমে দ্বীন এবং রহমত হল নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)।”
ইমাম সৈয়দ মাহমুদ আলূসী (রহ.) উল্লেখ করেন—
“হযরত খতীবে বাগদাদী (রহ.) ইমাম ইবনে আসাকীর (রহ.) সাহাবী হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণনা করেন, ফযল (অনুগ্রহ) দ্বারা নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বোঝানো হয়েছে।”
“সাহাবীদের তাফসীর হল মারফূ হাদিসের ন্যায়।” ইমাম হাকেম নিশাপুরী (ওফাতঃ ৪০৫ হিঃ) বলেন— “ইমাম বুখারী, ইমাম মুসলিমের নিকটও ‘সাহাবীদের তাফসীর মারফূ হাদিসের ন্যায়।’”
ইমাম নববী আশ-শাফেয়ী (ওফাতঃ ৬৭৬হিঃ) বলেন—
“সাহাবীদের কোরআনের কোন ব্যাখ্যা মারফূ হাদিসের ন্যায়।”
বিশিষ্ট তাবেয়ী হযরত কাতাদা (রা.) ও তাবেয়ী ইমাম মুজাহিদ (রহ.) সহ আরো অনেকে বর্ণনা করেন যে, আহলে বাইয়াতের অন্যতম সদস্য হযরত ইমাম আবু জাফর বাকের (রহ.) এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন—
“আল্লাহর (ফযল) বা অনুগ্রহ দ্বারা ইলম এবং রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বোঝানো হয়েছে।”
ইমাম হাইয়্যান আন্দালুসী (রহ.) {ওফাতঃ ৭৪৫ হিঃ} বর্ণনা করেন—
“তাবেয়ী হযরত ইমাম দাহহাক (রহ.) সাহাবী হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণনা করেন—উক্ত আয়াতে (ফযল) দ্বারা ইলমকে এবং রহমত দ্বারা মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বোঝানো হয়েছে।”
ইমাম যরকশী (রহ.) {ওফাতঃ ৫৯৭ হিঃ} উক্ত আয়াত সম্পর্কে লিখেন—ফযলুল্লাহ দ্বারা ইলম বা জ্ঞানকে এবং রহমত দ্বারা মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বোঝানো হয়েছে, যেমনটি তাবেয়ী ইমাম দাহহাক (রহ.) তাঁর শায়খ হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন।-------(চলমান)

ক—কা—কি—কী-------    এস এম এম সেলিম উল্লাহকলমের কালি যদি এত পাকসাফ,অযথা ব্যবহারে তাহা তবে মহাপাপ। কলিতে দেখি কত কলমের জো...
20/08/2026

ক—কা—কি—কী-------
এস এম এম সেলিম উল্লাহ
কলমের কালি যদি এত পাকসাফ,
অযথা ব্যবহারে তাহা তবে মহাপাপ।

কলিতে দেখি কত কলমের জোর,
লিখিয়া অন্যায় কথা বাঁধিয়াছে শোর।

কলম দিয়ে প্রভু শিখাইল যাহা,
প্রতিযুগে ঋষিগণ লিখে গেল তাহা।

কলম ধরিতে হাতে প্রাণে লাগে ব্যথা,
চাহিলেও যায় না লিখা মনের যত কথা।

কলিজা ধরিয়া যেন দেয় কেবা টান,
ক্ষোভ আর ক্রোধে যেন ফেটে যায় প্রাণ।

কাল ছিল মহামায়া মধুময়ী দিন,
আজ দেখি ঐ প্রেম হয়ে গেল ঋণ।

কাল ছিল সুবাতাস আজ আর নাই,
ঋণে ঢাকা প্রেম তা কিছু নয় ছাই।

কাজলে ছিল গো ভরা এই দুটি আঁখি,
দেখে কাহা উড়ে গেল মোর প্রাণ পাখি!

কারে বা বুঝাব আমি প্রেম করে কয়,
প্রাণে প্রাণে মেলা-মেশা প্রেম বিনা হয়?

কামানের চেয়ে দ্রুত প্রেম হুংকার,
যার গায়ে ধ্বংসে তারে করে ছারখার।

কালিমা লাগিয়া যার মন গেল ছেঁয়ে,
বুঝে নিবে তার থেকে প্রেম গেল ধেয়ে।

কাক আর কোকিলের একই বরণ,
কোকিল কভু কাক নয় রাকিও স্মরণ।

কামে ঘোর আজিকার যত নওজোয়ান,
কি করে শুনাবে তারা বল প্রেম গান।

কামিনী কাঞ্চন প্রেমে মুখ্য হলে কাম,
তেমনই কবু তা সংসার হয় তার নাম।

কি করে বুঝাবো বল প্রেম বলে কারে প্রেম হয় প্রভুর নাম আমার বিচারে।

কিংখাপ গায়ে, দাঁড়িয়ে চৌমুহনী পথে,
মনে মনে ভাবে, কারে নিবে সে সাথে।

কিঞ্চিত যে তাকায় তবে কভু তার পানে,
তারে সে প্রথমেই কলিজা ধরিয়া টানে।

কিন্নর! কিন্নর যে সে প্রেম নয় সে কভু,
তাহা পানে চেয়েও না মন টানিলেও তবু।

কিপটে সে, দুনিয়া হয় যে তার নাম,
পাবে নাকো প্রেম, তার আছে শুধুই খাম।

কিরা খাও তার কাছেও কবু যেওনা ভাই,
কিমাকার সে, তার কাছে কোন প্রেম নাই।

কীর্তি লবিল ভবে যে জন বুঝিল প্রেম,
প্রেমের প্রভাবে সে জন পাইল যে শ্যাম।

(অংশবিশেষ)

Address

Chittagong
KATIRHAT-4333

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দারুল আফকার - ধ্যানাগার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share