23/05/2026
অপারেশনের আগে যে মেডিসিনটা দিয়ে রোগীকে সেন্সলেস করানো হয়, সেটারও নাকি নকল ওষুধ বাজারে আছে!
ডায়রিয়া হলে মানুষ মারা যায়। যে স্যালাইনটা খেলে ডায়রিয়া ভালো হয়ে যায়, সেটারও নকল বানাচ্ছে শয়তানগুলো।
মাছে-ভাতে বাঙালি। সেই মাছটাকে পর্যন্ত কেমিক্যাল গিলিয়ে ২ মাসে বড় করে বিক্রি করে দিচ্ছে। তরতাজা রাখতে বিষাক্ত কেমিক্যাল দিচ্ছে!
৪০ দিনের মুরগিকে ইনজেকশন আর ফিড গিলিয়ে বাজারজাত করে দিচ্ছে।
যে পাউরুটিটা সকালে ঘুম থেকে উঠে খাই, সেটাও নরম তুলতুলে করছে এমন কেমিক্যাল দিয়ে, যা ক্যান্সারের জীবাণু তৈরি করে।
বাচ্চাদের দুধ পর্যন্ত তৈরি করছে দুধ না দিয়ে, কেমিক্যাল দিয়ে।
বাজারের এমন কোনো ফল নেই, যেটাতে ফরমালিন নামক বিষ নেই।
যে শাকসবজিটাই ধরবেন, সেটাতেই হেভি মেটাল। কারণ কীটনাশক ছাড়া চাষাবাদ আমরা ভুলেই গেছি।
দ্রুত বাজারজাত করার জন্য কত রকমের স্প্রে যে করে! কোনো কোনো সবজিতে কেমিক্যাল মেরে অনেক দিন তরতাজা রাখছে।
যে গরু আর খাসির মাংস আমাদের প্রিয়, সেই গরুটাকে মুরগির ফিড খাওয়াচ্ছে! মোটাতাজা করার জন্য ইচ্ছেমতো ট্যাবলেট আর ইনজেকশন দিচ্ছে।
মানে, আপনি-আমি সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যা যা খাচ্ছি, প্রায় সবকটি খাবারেই ভেজাল!
এই যে ক্যান্সার, কিডনি ফেইলিউর, হার্টের সমস্যার রোগীদের হাসপাতালে বেড আর চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে!
হাসপাতাল ব্যবসায়ী, ওষুধ ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো ব্যবসা করছে।
জন্ম নেওয়া শিশুটি থেকে শুরু করে তরুণরা কিডনির সমস্যা, হার্টের সমস্যা, ক্যান্সারে ভুগছেন।
এ নিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্রের কোনো পরিকল্পনা আছে?
পাবলিক হেলথ বলতে দেশে কিছু আছে?
ফুড সিকিউরিটির দায়িত্বে কেউ আছে?
খাদ্য নিরাপত্তা নামক কোনো আইন কি দেশে আছে?
নিরাপদ খাদ্য নামক কোনো মন্ত্রণালয় কি আছে?
মনে হয় না!
যদি থাকত, তাহলে শয়তানগুলো ভেজাল খাদ্য তৈরি করার সাহস পেত না!
ভেজাল ওষুধ তৈরি করার সাহস দেখাত না!
খাবারে বিষ আর কাপড়ের রং মেশাতে পারত না!
ফলে ফরমালিন দিতে পারত না!
এভাবে চলতে থাকলে পুরো প্রজন্ম মহামারি দেখবে।
শত্রু দেশ যুদ্ধ ছাড়াই একটি গোটা জাতিকে বিলুপ্ত করে দিতে পারবে!
প্লিজ! ভেজাল খাদ্যের যুগ থেকে আমাদের মুক্তি দিন।
এই জাতির প্রাণ নিয়ে, স্বাস্থ্য নিয়ে আর অবহেলা করবেন না!
Collected