বুদ্ধশাসন রক্ষা পরিষদ

বুদ্ধশাসন রক্ষা পরিষদ �নমো ত্রিরত্নায়�

"বুদ্ধ শাসন রক্ষা পরিষদ-BSRP" সংগঠন এর পক্ষ থেকে সকলকে জানাই শুভেচ্ছা� ও স্বাগতম� Religious information getting this page.

Permanently closed.
21/08/2022
🥀পাত্তুরুতুরু🥀বেগহ পোইল্যেন্দি গোজেন ভগবান বুদ্ধরে নতশিরে ঝু ঝু গোগজাঙ্গর🙏🙏🙏সে ঝেরেন্দি ঝু ঝু গোজাঙ্গর এ যুগোর ভগবান পরম...
08/04/2022

🥀পাত্তুরুতুরু🥀

বেগহ পোইল্যেন্দি গোজেন ভগবান বুদ্ধরে নতশিরে ঝু ঝু গোগজাঙ্গর🙏🙏🙏
সে ঝেরেন্দি ঝু ঝু গোজাঙ্গর এ যুগোর ভগবান পরম পূজ্য শ্রদ্ধেয় শ্রীমৎ সাধনানন্দ মহাস্হবির বনভান্তেরেও🙏🙏🙏
আরো ঝু ঝু গোজাঙ্গর গোদা পিত্থিমী মায় ধর্মআনরে ফুদেই তুল্লি শীলবান আর্যশ্রাবক,মহাশ্রাবক,শীলবান,নীতিবান পূজনীয় গুণোত্তর ভান্তেদাগীরেও🙏🙏🙏

"বুদ্ধশাসন রক্ষা পরিষদ" সংগঠনর নাম রাগেয় দ্বি পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীমৎ করুণাশ্রী স্হবির মহোদয় ভান্তেরেও গোদা "বুদ্ধশাসন রক্ষা পরিষদ-BSRP" অর তপ্পেত্তুন অতালিয়ে ঝু ঝু সমত তার পূণ্যর ভালেদী হামনা গুরির🙏🙏🙏

আর সে লগে তার শেগেয়ে ধর্মীয় রিদিসুধুম অর পত্তান গমে স্যাজে নিই পারিই পারা গমে দালে নে-আলজি গুরি হাম গুরিবং(গোদা বুদ্ধশাসন রক্ষা পরিষদ BSRP)🙏🙏🙏

"সব্বে সত্তা সুখিতা হোন্তু"
(গৌতমবুদ্ধ)।

"ত্যাগই সুখ,ভোগই দুঃখ"
(বনভান্তে)।

🙏শ্রদ্ধেয় বিশুদ্ধানন্দ ভান্তের গৃহী এবং প্রবজ্যিত ভাই-বোন,, দুর্লভ ছবিটিএকজন বৌদ্ধ হিসেবে সবার সংগ্রহ করা উচিত❤️ #বুদ্ধ...
26/01/2022

🙏শ্রদ্ধেয় বিশুদ্ধানন্দ ভান্তের গৃহী এবং প্রবজ্যিত ভাই-বোন,, দুর্লভ ছবিটি
একজন বৌদ্ধ হিসেবে সবার সংগ্রহ করা উচিত❤️
#বুদ্ধ_ধর্ম_সংঘ
#ত্রিরত্ন_আর্য্য_পরিষদ

🌷পোত্যেরাঝি "বুদ্ধ শাসন রক্ষা পরিষদ"অর সংগঠনর ধর্ম গুরিয়ে ধর্মমনা,পূণ্য গুরিয়ে পূণ্যমনা বেগরে চিজি ব্যেন্নি মাদান আ দোল ...
13/01/2022

🌷পোত্যেরাঝি "বুদ্ধ শাসন রক্ষা পরিষদ"অর সংগঠনর ধর্ম গুরিয়ে ধর্মমনা,পূণ্য গুরিয়ে পূণ্যমনা বেগরে চিজি ব্যেন্নি মাদান আ দোল দিনোর দোল ভালেদি জানাঙ্গর❤️

🗣️এজেত্তে ১৪-০১-২০২২ইং রোজ শুক্রবার আমা সংগঠনর মুকপাত্তি/উপদেষ্টা দাঙ্গু প্রবীন চাঙমা দা আ দাঙ্গু পলাশ চাঙমা দা হুব হুজুলি গুরি হুয়োন...সেদিন্নে য্যেনো "জুম্ম চাদিগাং বৌদ্ধবিহার"সিদু 'বুদ্ধ শাসন রক্ষা পরিষদ'এ আ সে লগে সমাজ্জে যাওয়ি থেলে নেজে পারিবা তবুও আজিল অইনে পুড়ি রইয়ে হামানি গরিনে গুরি নিজোর আর সংগঠনর মান আ পূণ্য বাড়ে লবাত্তে হুজুলি গরঙ্গর🙏❤️

মুই দ্বিতীয়,তৃতীয় বার হুজুলি গুরিনে বেগর পূণ্য হামত যাদে হনো অন্তরায় ন এজে পারা বুদ্ধ ইদু দ্বি আৎ জুড় গুরি বর মাগঙ্গর🙏

বুদ্ধ শাসন রক্ষা পরিষদ অর তপ্পেত্তুন মুই বিদর্শন চাঙমা বেগরে আরেকবার ঝু ঝু গোজেনে ম হধান ইয়্যুত থুম গরি দিলুং🙏

বনভান্তে রাতে ঘুমায় কী?==================কথায় আছে- ‘কৌতূহল থাকা ভালো। কিন্তু অনাবশ্যক কৌতূহল বিপদ ডেকে আনে।’ লংগদু উচ্চ ...
12/01/2022

বনভান্তে রাতে ঘুমায় কী?
==================

কথায় আছে- ‘কৌতূহল থাকা ভালো। কিন্তু অনাবশ্যক কৌতূহল বিপদ ডেকে আনে।’ লংগদু উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক বাবু সুবিলাল চাকমার একদা কৌতূহল জাগল- বনভান্তে রাতে ঘুমায় কি? আমাকে সেটা জানতে হবে। সেই কৌতূহল থেকে সিদ্ধান্ত নিলেন, রাতে চুপিসারে কুটিরে গিয়ে দেখে আসবেন বনভান্তেকে। এ’কাজে কয়েকজন ছাত্রও জুটিয়ে নিলেন। একরাতে ছাত্রদেরকে সাথে নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন কৌতূহল মিটাতে। তিনটিলা গ্রাম অতিক্রম করে বিহার এলাকায় পৌঁছতে হয়। বিহারে পৌঁছার আগে পার হতে হয় একটা সাকো। তিনটিলা গ্রাম থেকে বিহারে যাওয়ার এটাই একমাত্র পথ। তারাও সেই পথ ধরে সামনে এগুতে থাকলেন। যেই সাকো পার হলেন অমনি হঠাৎ প্রবল বাতাস বইতে লাগল। পুরো আকাশ ঘনকালো মেঘে ঢেকে গেল। ক্রমাগত বিদ্যুৎ চমকাতে লাগল। একটার পর একটা বজ্রপাতের শব্দে কান ঝালাপালা হবার উপক্রম। যেন এক্ষুণি আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টি নামবে। হঠাৎ আবহাওয়ার এমন বিরূপ প্রতিক্রিয়াকে উপেক্ষা করার সাহস হল না তাদের। আর সামনে এগুতে পারলেন না। অগত্যা বাড়ী ফিরে আসার মনস্থির করলেন। ফিরে আসা শুরু হল। বিহার এলাকা ছেড়ে সাকোর অপর পাড়ে এসে পৌঁছলেন। কিন্তু এ কি! কোথায় বাতাস? কোথা বিদ্যুৎ চমকানি? কোন বজ্রনিনাদের শব্দও নেই। পুরো আকাশ পরিষ্কার; অজস্র তারকা জ্বল জ্বল করে জ্বলছে আকাশ জুড়ে। অবাক হয়ে গেলেন বাবু সুবিলাল চাকমা। ছাত্ররাও অবাক। একটু আগে তারা কী দেখলেন, আর এখন কী দেখছেন! এতে ছাত্ররা বেশ ভয় পেয়ে গেলেন। ভয়ে সুবিলাল বাবুর মুখের দিকে তাকিয়ে রইলেন কিছুক্ষণ। কোন কথা বের হচ্ছে না মুখ দিয়ে। বোঝা যাচ্ছে, ভয়ে কুঁকড়ে গেছেন সবাই। সুবিলাল বাবুর মনেও ভয়ের একটা ছাপ পড়ল। তবু কেন জানি, একটা জেদে পেয়ে বসল তাকে। না, আরেক বার চেষ্টা করে দেখবো-ই। সেই জেদের বশে ছাত্রদেরকে বললেন—‘চল, আরেক বার গিয়ে দেখি। এতোজন একসাথে আছি ভয় কিসের। কিছুই হবে না।’ মুখের কথায় জোর থাকলেও ভেতরে ঘাবড়ে যাবার ভাব স্পষ্ট টের পাচ্ছেন সুবিলাল বাবু নিজেও। তবুও জেদ বলে কথা! অন্যদিকে ছাত্ররা পড়লেন মহা মুশকিলে। ভয়ে কাহিল অবস্থা আর শিক্ষক কিনা নিদের্শ করছেন আবার যেতে! তারপরও শিক্ষকের কথা অগ্রাহ্য করতে পারলেন না। একে অপরের দিকে তাকিয়ে পেছনে ঘুরে গেলেন। সুবিলাল বাবুর কথামতো পুনরায় বিহারের পথ ধরলেন। কয়েকশ’ গজ এগুলেন, সাকো পেরিয়ে বিহার এলাকায় পা রাখলেন। সঙ্গে সঙ্গে শুরু হল একের পর এক সব বিদ্‌ঘুটে শব্দ। তারা স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছেন, তাদের কিছুদূরে থেকে শব্দগুলো আসছে। মুহূর্তেই সবার গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল। বুকের ধুকধুকুনি বেড়ে গেল বহুগুণে। ভয়ে শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়ার অবস্থা। পরষ্পরের দিকে তাকালেন ভীত চোখে। অমনি ভয়ের চোটে দৌঁড়ে ফিরে আসলেন নিজেদের বাড়ীতে।
ঘটনার পর কয়েক দিন পর্যন্ত বিহারে যেতে পারলেন না সুবিলাল বাবু। মনের মধ্যে একটা ভয় ও শঙ্কা কাজ করে সবসময়। না জানি, বনভান্তে কি বলবেন? নাকি আস্ত একটা বকা দিবেন! বেশ কিছুদিন পরে এক সকাল বেলা বিহারে আসলেন। দুরু দুরু বুকে ভান্তেকে বন্দনা করতে গেলেন। দুয়েকজন লোক ভান্তের সামনে বসে রয়েছেন। সুবিলাল বাবু বন্দনা শেষ কোনমতে মাথা তুললেন। ভান্তের মুখের দিকে তাকাতে পারলেন না। তাকাতে ভয় পেলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে ভান্তে বলে উঠলেন—“বনভান্তে রাতে ঘুমায় নাকি ঘুমান না অনেকে সেটা দেখতে আসে-রাতের অন্ধকারে। বনভান্তে রাতে ঘুমালেও পারেন, না ঘুমালেও পারেন। তাতে কিছু আসে যায় না। আবার, খাবার খেলেও পারেন, না খেলেও পারেন। তোমরা বনভান্তেকে খাদ্য-ভোজ্য দান না দিলেও অসুবিধা নেই। এতে দেবতাদের পুণ্য সঞ্চার করার সুযোগ হবে। মনুষ্যগণ বনভান্তেকে দান না দিলে দেবতাগণ দান দিয়ে থাকেন।” আরো বললেন, “জগতে যারা মূর্খ, অজ্ঞানী, তারা সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য বলে। তারা কুশলাকুশল সম্বন্ধেও জানে না। কেবল খেয়ে ও ঘুমিয়ে সময় কাটায় তারা। এদের পক্ষে সম্যক জ্ঞান ও সম্যক সত্য জানা সম্ভব নয়। তারা নিজেকে যতই জ্ঞানী, গুণী ও সত্যদ্রষ্টা মনে করুক না কেন, প্রকৃতপক্ষে সেসবের দূরে, বহুদূরে অবস্থান করে তারা।” বনভান্তের এমন অলৌকিক শক্তির ক্ষমতা জেনে ও জ্ঞানগর্ভ ধর্মদেশনা শুনে সুবিলাল চাকমা বিস্মিত হলেন। আর কৃত কর্মের জন্য মনে মনে লজ্জিত হলেন, অনুতপ্ত হলেন। সেদিন হতে তার বনভান্তের প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা ও সুদৃঢ় বিশ্বাস উৎপন্ন হল।

সূত্র: শ্রাবকবুদ্ধ বনভান্তে, ভদন্ত ইন্দ্রগুপ্ত ভিক্ষু

বেজত্তুন বেজ পাপ-অ হাম অলদেঃ(১) বুদ্ধের শরীর থেকে রক্তপাত ঘটানো।(২)অর্হৎ হত‍্যা।(৩)মাতৃ হত‍্যা।(৪)পিতৃ হত‍্যা।(৫)সংঘভেদ।...
11/01/2022

বেজত্তুন বেজ পাপ-অ হাম অলদেঃ

(১) বুদ্ধের শরীর থেকে রক্তপাত ঘটানো।
(২)অর্হৎ হত‍্যা।
(৩)মাতৃ হত‍্যা।
(৪)পিতৃ হত‍্যা।
(৫)সংঘভেদ।

🗣️এই পাঁচটি কর্মকে"পঞ্চ অনন্তরিয় কর্ম"বলা হয়।এ ধরনের কর্ম সম্পাদনকারী ব‍্যক্তি মৃত্যুর পর অবশ্যই নরকে পতিত হতে হবে। কারণ কোন ব‍্যক্তি ইহ জীবনে যতই পুণ‍্যকর্ম বা পাপকর্ম করুক না কেন,সবকিছুকে অতিক্রম করে এই পাপকর্ম সর্বপ্রথম ফল প্রদান করে থাকে।ইহ জীবনে আমরণ সাধনা করলেও কোন ফল পাবে না। এমনকি প্রাপ্ত ধন‍্যবলও বিনষ্ট হয়ে যাবে।

বৌদ্ধ ধর্ম  মতে পারমী দশ প্রকারঃ১) দান পারমী২) শীল পারমী৩) নৈষ্ক্রম্য পারমী ৪) প্রজ্ঞা পারমী ৫) বীর্য পারমী ৬) ক্ষান্তি ...
10/01/2022

বৌদ্ধ ধর্ম মতে পারমী দশ প্রকারঃ

১) দান পারমী
২) শীল পারমী
৩) নৈষ্ক্রম্য পারমী
৪) প্রজ্ঞা পারমী
৫) বীর্য পারমী
৬) ক্ষান্তি পারমী
৭) সত্য পারমী
৮) অধিষ্ঠান পারমী
৯) মৈত্রী পারমী ও
১০) উপেক্ষা পারমী।

"সব্বে সন্তা সুখীতা হোন্তু"
জগতের সকল প্রাণী সুখী হউক🙏

#বুদ্ধ শাসন রক্ষা পরিষদ

 #ভগবান_বুদ্ধের_প্রধান_চিকিৎসক_জীবকদশ পর্বের লেখাএক সময় পঞ্চবিধ জটিল-রোগ প্রাদুর্ভূত হয়েছিলো মগধরাজ্যে। যথা- কুষ্ঠ, শ্বে...
10/01/2022

#ভগবান_বুদ্ধের_প্রধান_চিকিৎসক_জীবক
দশ পর্বের লেখা

এক সময় পঞ্চবিধ জটিল-রোগ প্রাদুর্ভূত হয়েছিলো মগধরাজ্যে। যথা- কুষ্ঠ, শ্বেতকুষ্ঠ, গণ্ড, যক্ষ্ণা ও উম্মত্ততা। এসব রোগাক্রান- ব্যক্তিরা জীবকের নিকট এসে অনুরোধ করলো- ‘বৈদ্য মহাশয়, আমাদের ব্যাধিমুক্ত করুন।’
তখন জীবক অতিশয় ব্যস- ছিলেন চিকিৎসাকার্য্যে। তাই বললেন- ‘আমার অনেক কাজ, মোটেই অবসর নেই। মহারাজ বিম্বিসার, রাজান্তঃপুরবাসী, বুদ্ধ ও ভিক্ষুদের চিকিৎসাকাজে এখন আমি খুব ব্যস-। এসব সম্পাদন করতে সময়ের সঙ্কুলান হয় না, আপনাদের চিকিৎসা কখন করি বলুন; তা’সম্ভব হবে না।’
পুনরায় তারা এ বলে কাতর অনুরোধ করলো- ‘বৈদ্য মহাশয়, আমাদের সমস্ত সম্পদ আপনাকে দিচ্ছি, আমরাও চিরকাল দাস হয়ে থাক্‌বো আপনার, সানুনয় প্রার্থনা করছি- আমাদের রোগমুক্ত করুন।’
‘বলছি তো সময় নেই, আমি পারবো না।’
তখন রোগীরা হতাশ হয়ে চিন্তা করলো- ‘ভিক্ষুরা দেখছি সব দিক দিয়েই সুখী। ভোজন-শয়ন সুখেই চলছে; রাজবৈদ্যের চিকিৎসাও চলছে অনায়াছে। আমারাও ভিক্ষু হলে, জীবক তখন চিকিৎসা করবেন আমাদের।’
অচিরে ভিক্ষুত্বে দীক্ষা নিলো ব্যাধিগ্রস- ব্যক্তিগণ। ভিক্ষুদের পরিচর্য্যা ও জীবকের চিকিৎসায় সহসা রোগমুক্ত হলো তারা। তা’শুনে দলে দলে রোগাক্রান- ব্যক্তিরা ভিক্ষুত্ব বরণ করে নিলো এবং সত্বর রোগমুক্ত হলো। রুগ্ন ভিক্ষুদের চিকিৎসায় জীবক এতদূর ব্যস- হয়ে পড়লেন যে, রাজপুরীর চিকিৎসা ত্যাগ করতে বাধ্য হলেন।
রোগারোগ্য- মানসে যারা গ্রহণ করেছিলো ভিক্ষুধর্ম, আরোগ্য লাভ করে, তা’দের অনেকেই ভিক্ষুত্ব ত্যাগ করে গৃহে প্রত্যাবর্তন করলো। তা’দের অবস্থান-র দেখে জীবক জিজ্ঞাসা করলেন- ‘আপনারা ধর্মজীবন ত্যাগ করলেন কেন?’
তারা উত্তর করলো- ‘আমরা রোগমুক্ত হয়েছি, আর আমাদের ধর্মের প্রয়োজন নেই।’
জীবক একথা শুনে বড়ো দুঃখিত হলেন। তিনি ভগবানকে একথা জানিয়ে অনুরোধ করলেন- ‘ভগবন, এরূপ রোগাক্রান- ব্যক্তিকে সুগত-শাসনে প্রবেশের অধিকার না দিলেই ভালো হয়।’
জীবক চলে যাওয়ার পর তথাগত ভিক্ষুগণকে আহ্বান করে এরূপ আদেশ ঘোষণা করলেন- ‘ভিক্ষুগণ, কুষ্ঠ, শ্বেতকুষ্ঠ, গণ্ড, যক্ষ্ণা ও উম্মত্ততা এ পঞ্চবিধ রোগাক্রান- ব্যক্তিকে প্রব্রজ্যা বা উপসম্পদা প্রদান করবে না। যে করবে, তার হবে ‘দুষ্কৃত’ অপরাধ।’

চলবে......

Whether you are Buddhist or not, you are religious or not, the person whose contribution to the Buddhists in the CHT is ...
10/01/2022

Whether you are Buddhist or not, you are religious or not, the person whose contribution to the Buddhists in the CHT is undeniable is Banabhante ( বনভান্তে)
Sadhanananda Mahasthavira (বনভান্তে) (January 8, 1920 - January 30, 2012) was a Buddhist spiritual guru. He is better known to the followers of Buddhism as Banabhante. He is an internationally renowned Buddhist monk.

"এই বাংলাদেশে সুদূর অতীত হতে অনেক জ্ঞানী-গুণী, পালি বিশারদ, ত্রিপিটকে অভিজ্ঞ মহান ভিক্ষুরা বৌদ্ধধর্ম প্রচার-প্রসারে কাজ করে গেছেন, লোকসমাজে সুপরিচিত হয়েছেন, স্মরণীয়-বরণীয় হয়ে আছেন। তবে এই বাংলার বৌদ্ধ ইতিহাসে পরম শ্রদ্ধেয় বনভান্তের অবদান সুউচ্চ পর্বতসম, সুবিশাল। অন্য দশজন বৌদ্ধ ভিক্ষু বা সাধকের সঙ্গে তাঁর পার্থক্য কোথায়? যে-বিষয়গুলোতে অন্য সবার সঙ্গে তাঁর সুবিশাল পার্থক্য রচিত হয়েছে তা হলো : অন্য ভিক্ষুরাও বৌদ্ধধর্ম ও সমাজের উন্নতি ও শ্রীবৃদ্ধির জন্য চেষ্টা করে গেছেন, কিন্তু পূজ্য বনভান্তের ধনপাতা থেকে লংগদু পর্যন্ত প্রায় দু যুগেরও অধিক মহা ধ্যানময় ত্যাগময় প্রব্রজিত জীবন সাধারণ মানুষদের হৃদয়ে যে রেখাপাত করেছে এবং ধর্মীয় চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেছে, আর কেউ সেটা পারেননি। তাঁর নিকটই সাধারণ মানুষেরা বৌদ্ধধর্মের মৌলিকত্বের বা ধর্ম-বিনয়ের আস্বাদ পেয়েছিল; নৈর্বাণিক ধর্মদেশনা শুনেছিল, বুঝতে পেরেছিল। তিনি যেভাবে সাধারণ মানুষদের খুব কাছাকাছি এসে ধর্মে-পুণ্যে জাগ্রত করতে পেরেছিলেন, মানুষদের হৃদয় ছুঁয়ে যেতে পেরেছিলেন আর কেউ সেটা পারেননি। নিঃসন্দেহে এই বাংলার বৌদ্ধদের নিকট তিনি বুদ্ধের সঠিক ধর্ম-বিনয়কে পুনরায় তুলে ধরতে পেরেছিলেন।

গত শতকের প্রথম দিকেও পার্বত্যাঞ্চলের মানুষেরা বিভিন্ন কুসংস্কারমূলক কর্মকাণ্ডে আচ্ছন্ন ছিল। পরিচয়ে বৌদ্ধ হলেও আচরণে বৌদ্ধ ছিল না। হিন্দু ধর্মের প্রভাব বেশি ছিল। লুরীরা সামাজিক-ধর্মীয় কাজে পৌরহিত্য করতেন। ষাটের দশক হতে লুরিদের প্রভাব কমে যায় আর ভিক্ষুদের গুরুত্ব বেড়ে যায়। বিহারগুলোতে মারমা ভিক্ষু বেশি ছিল। বুড়ো বয়সেই মাত্র কিছু চাকমারা ভিক্ষু হতো। তৎসময়ে শুধু মৃতদেহ সৎকারের জন্যই ভিক্ষুদের ফাং করা হতো। শ্মশানে গিয়ে ভিক্ষুদের মৃত ব্যক্তির উদ্দেশে সূত্রপাঠ করতে হতো। শুধু অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানের সময় বাড়িতে ভিক্ষুদের ফাং করা হতো। অন্য সময়ে বাড়িতে ভিক্ষুদের প্রবেশ করাকে অমঙ্গল এবং সূত্রপাঠ করাকে অশুচি বাক্য মনে করা হতো। তাই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান ছাড়া বাড়িতে ভিক্ষুদের প্রবেশ ও সূত্রপাঠ না করার বিষয়ে গুরুজনেরা মানা করতেন।

গত শতাব্দীর প্রথম হতে ষাটের দশকেও যে জনসাধারণ কুসংস্কারে আচ্ছন্ন এবং বৌদ্ধধর্ম বিষয়ে অনভিজ্ঞ ছিল তা বিভিন্ন লেখকের গ্রন্থগুলো হতে ও বয়োবৃদ্ধদের নিকট জানা যায়। বলতে গেলে, ষাটের দশক হতে জুম্মদের মাঝে সমাজ, শিক্ষা, রাজনীতি, ধর্ম সবদিক দিয়েই পরিবর্তনের হাওয়া লাগতে শুরু করে। শ্রদ্ধেয় শ্রীমৎ অগ্রবংশ মহাস্থবির বার্মা হতে ত্রিপিটক অধ্যয়ন করে ১৯৫৭ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে আসেন এবং ১৯৫৮ সালের ৫ই জানুয়ারি রাজগুরু পদে অভিষিক্ত হন। দেশে ফিরে তিনি ধর্মের সংস্কারে উদ্যোগী হন এবং পরবর্তীকালে পার্বত্যাঞ্চলের বৌদ্ধসমাজে অনেক সুনাম অর্জন করেন। ১৯৬১ সালে শ্রদ্ধেয় শ্রীমৎ জ্ঞানশ্রী মহাস্থবির দীঘিনালায় এসে বৌদ্ধধর্ম প্রচারের পাশাপাশি হতদরিদ্র শিশুদের পড়াশোনার জন্য ‘বোয়ালখালী বৌদ্ধ অনাথ আশ্রম’ গড়ে তোলেন যা ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত চালু ছিল। সেই সময়ে অনেক বার্মিজ ভিক্ষু পার্বত্য চট্টগ্রামে এসে বিভিন্ন বিহারে বর্ষাবাস যাপন করে আবার বার্মায় ফিরে যেতেন। অনেক লোকজনের নিকট বার্মিজ ভিক্ষুদের একটা আলাদা কদর ছিল। ১৯৬০ সালে পূজ্য বনভান্তে দীঘিনালায় আসার পর তাঁর কঠোর সাধনাময় জীবনের প্রভাব ছিল সেখানকার জনজীবনে। দূর-দূরান্ত হতেও বহু মানুষ তাঁর দর্শন ও উপদেশ পেতে আসতেন। তাছাড়া ১৯৬০ সালে কাপ্তাই বাধ নির্মাণের ফলে জুম্মরা উদ্বাস্তু হয়ে নিজেদের ভিটেমাটি ছেড়ে পার্বত্যাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন রাজ্যে চলে গিয়েছিল। এই কাপ্তাই বাধ জুম্মদের জীবনে বিরাট ক্ষত তৈরী করে। জুম্মরা ধীরে ধীরে সচেতন হতে শুরু করে। এই সময় হতে জুম্মরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা লাভের দিকে বিশেষ মনোযোগী হয়। ১৯৬৬ সালে জুম্ম জাতির অবিসংবাদিত নেতা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা তৎকালীন দীঘিনালা জুনিয়র স্কুলে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। রাজনৈতিক কারণে তিনি ১৯৬৮ সালে চাকরি হতে ইস্তফা দেন। যতদিন স্কুলে ছিলেন ততদিন অন্যান্যদের সঙ্গে পূজ্য বনভান্তের দর্শনে যেতেন আর পূজ্য ভান্তের দেশনাগুলো তাঁরা সাধারণ মানুষদের সহজভাবে বুঝানোর চেষ্টা করতেন। এভাবেই ষাটের দশকে সমাজ, শিক্ষা, রাজনীতি এবং ধর্মে পরিবর্তনের যে হাওয়া বয়েছিল তার প্রভাবে ষাটের দশকের পর হতে ধর্মসহ সব ক্ষেত্রেই জুম্মসমাজ ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকে।"

#ত্রিরত্ন_আর্য্য_পরিষদ

Address

Newmuring, Bandar
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বুদ্ধশাসন রক্ষা পরিষদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share