রাজারঘাট শ্রীশ্রী নিগমানন্দ সারস্বত আশ্রম

  • Home
  • Bangladesh
  • Chilmari
  • রাজারঘাট শ্রীশ্রী নিগমানন্দ সারস্বত আশ্রম

রাজারঘাট শ্রীশ্রী নিগমানন্দ সারস্বত আশ্রম Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from রাজারঘাট শ্রীশ্রী নিগমানন্দ সারস্বত আশ্রম, Religious organisation, রাজারঘাট শ্রীশ্রী নিগমানন্দ সারস্বত আশ্রম, চিলমারি, কুড়িগ্রাম, Chilmari.

শঙ্করের মত গৌরাঙ্গের পথ

স্থাপিত : ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ
চিলমারি, কুড়িগ্রাম।

কুড়িগ্রাম জেলা শহর থেকে ২৬ কি.মি দক্ষিণে চিলমারী উপজেলার রাজারঘাট নামক স্থানে এটি অবস্থিত |
🙏🏻

20/04/2026

মঙ্গল আরতি

20/04/2026

ঋষি বিদ্যাপীঠের প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণ চন্দ্র রায়ের গান।

20/04/2026

বাংলাদেশের টেলিভিশন ও বেতারের জনপ্রিয় শিল্পী পঞ্চানন রায়ের গান।

20/04/2026

পঞ্চনন রায়ের গান

শঙ্করাচার্য ৭৮৮ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা শিবগুরু ও মাতা বিশিষ্টা দেবী। শঙ্করের ছিল অসাধারণ মেধা। মাত্র ৭ বছ...
19/04/2026

শঙ্করাচার্য ৭৮৮ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা শিবগুরু ও মাতা বিশিষ্টা দেবী। শঙ্করের ছিল অসাধারণ মেধা। মাত্র ৭ বছরের মধ্যে বেদ, বেদান্ত, স্মৃতি, পুরাণ প্রভৃতি শাস্ত্রে পাণ্ডিত্য অর্জন করেন। পার্থিব বিষয়ের প্রতি তাঁর কোনো আসক্তি ছিল না। পায়ে হেঁটে চারবার ভারতবর্ষ প্রদক্ষিণ করেছিলেন। মাত্র ৩২ বছর বয়সে তিনি ইহলীলা সংবরণ করেন।

শঙ্করাচার্যের মোহমুদ্গর কাব্য থেকে কয়েকটি শ্লোকের বাংলা অনুবাদ নিম্নে দেয়া হলো:

১. কে তব কান্তা আর কে তব কুমার ?
অতীব বিচিত্র এই মায়ার সংসার ।
কোথা হতে আসিয়াছ, তুমি বা কাহার,
ভাব করহ ভাই, এই তত্ত্ব সার ।

২. পদ্মপত্রে বারিবিন্দু যেমন চঞ্চল,
জীবন তেমন হয় অতীব চপল ।
অবতার ও আদর্শ জীবনচরিত
জানিও করেছে গ্রাস ব্যাধি বিষধর,
সমস্ত সংসার তাই শোকে জরজর ।

৩. দিবস যামিনী আর সায়াহ্ন প্রভাত,
শিশির বসস্তু পুনঃ করে যাতায়াত ।
এই রূপে খেলে কাল ক্ষয় পায় আয়ু,
তথাপি মানব নাহি ছাড়ে আশা-বায়ু ।

৪. যতদিন করে নর ধন উপার্জন,
ততদিন থাকে বশে নিজ পরিজন ।
পরে যবে বৃদ্ধ কালে জীর্ণ হয় দেহ,
ডেকেও জিজ্ঞাসা ঘরে নাহি করে কেহ ।

জগদ্গুরু শঙ্করাচার্যের পুণ্যাবির্ভাব উৎসব ও পূণ্য অক্ষয় তৃতীয়ার শুভেচ্ছা 🎉

কাল আসুন.... জয়গুরু

রাজারঘাট শ্রীশ্রী নিগমানন্দ সারস্বত আশ্রম, চিলমারী, কুড়িগ্রাম।
18/04/2026

রাজারঘাট শ্রীশ্রী নিগমানন্দ সারস্বত আশ্রম, চিলমারী, কুড়িগ্রাম।

পুনঃ পোস্ট
18/04/2026

পুনঃ পোস্ট

জয়গুরু 🙏
13/04/2026

জয়গুরু 🙏

কোন সময়ে মিথিলাধিপতি রাজর্ষি জনক তদীয় গুরু মহামুনিপ্রবর অষ্টাবক্রকে জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন;-কথং জ্ঞানমবাপ্নোতি কথং মুক্তির্...
11/04/2026

কোন সময়ে মিথিলাধিপতি রাজর্ষি জনক তদীয় গুরু মহামুনিপ্রবর অষ্টাবক্রকে জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন;-

কথং জ্ঞানমবাপ্নোতি কথং মুক্তির্ভবিষ্যতি।
বৈরাগ্যঞ্চ কথং প্রাপ্যমেতৎ ত্বং ক্রহি মে প্রভো।

অর্থাৎ কিরূপে প্রকৃত জ্ঞানলাভ হয়? কিরূপেই বা মোক্ষপ্রাপ্ত হওয়া যায় এবং কি উপায়েই বা হৃদয়ক্ষেত্রে বৈরাগ্যের সঞ্চার হইতে পারে? কৃপা করিয়া তাহা আমার নিকট বর্ণনা করুন।

প্রিয় শিষ্য জনকের প্রশ্ন শুনিয়া আনন্দিতচিত্তে আত্মতত্ত্বজ্ঞান মহর্ষি অষ্টাবক্র রাজাকে সম্বোধন করিয়া বলিতে লাগিলেন,-

মুক্তিমিচ্ছসি চেৎ তাত বিষয়ান্ বিষবত্ত্যজ।
ক্ষমার্জবদয়াতোষসত্যং পীযূষবদ্ভজ।।

হে তাত! মুক্তির ইচ্ছা হইলে বিসদৃশ বিষয়-বাসনা ত্যাগ করা বিধেয় এবং ক্ষমা, সরলতা, দয়া, সন্তোষ ও সত্য এ সকলকে অমৃততুল্য বিবেচনায় আশ্রয় করিয়া শ্রবণ মনন নিদিধ্যাসন সহকারে নিয়ত আত্মতত্ত্ব বিচার কর।

তুমি মনুষ্য নহ, দেবতা নহ, যক্ষও নহ; তুমি ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় বা শূদ্রও নহ; তুমি ব্রহ্মচারী, কি গৃহী, কি বানপ্রস্থী, কি ভিক্ষু কিছুই নহ; তুমি সর্ব্বান্তর্যামী জ্ঞানময় আত্মা।

যেরূপ ভাস্কর সমুদিত হইলে লোকসকল স্ব স্ব বিষয়ের ব্যবহার করে এবং সূর্যোদয়ই যেমন লৌকিক ব্যবহারের কারণ; তদ্রূপ যিনি মন, বুদ্ধি, অহঙ্কার ও চিত্ত এই অন্তরিন্দ্রিয়চতুষ্টয় এবং নেত্র, কর্ণ, নাসিকা, রসনা ও ত্বক এই জ্ঞানেন্দ্রিয়পঞ্চকের স্ব স্ব বিষয়ে প্রবৃত্তির কারণ, যিনি সর্ব্ববিধ উপাধিশূন্য, আকাশবৎ সর্ব্বব্যাপী, যিনি জগতের অদ্ভুত সৃষ্টিকার্য্য দ্বারা প্রত্যক্ষীভূত, তুমি সেই নিত্য জ্ঞানময় আত্মা।

যেরূপ উষ্ণতা বহ্নিকে আশ্রয় করিয়া থাকে, তদ্রূপ ইন্দ্রিয়াদি জড়বস্তুসমূহ যে অদ্বিতীয়, নিশ্চল, নিত্যজ্ঞানস্বরূপ আত্মাকে আশ্রয় করিয়া স্ব স্ব কার্য্যে প্রবৃত্ত হয়, তোমাকে সেই নিত্যজ্ঞানময় আত্মা বলিয়া জানিবে।

যেরূপ দর্পণাদি স্বচ্ছবস্তুতে মুখের প্রতিবিম্ব লক্ষিত হয়, বস্তুতঃ সেই প্রতিবিম্ব মুখ হইতে ভিন্ন নহে, সেইরূপ বুদ্ধিতে আত্মার প্রতিবিম্বস্বরূপ যে জীব, তাহা আত্মা হইতে পৃথক নহে; তোমাকে সেই নিত্যজ্ঞানস্বরূপ আত্মা বলিয়া জানিও।

যে প্রকার দর্পণাদির অভাবে প্রতিবিম্বেরও অভাব হইয়া থাকে, তখন কেবল মুখমাত্র অবশিষ্ট থাকে, সেই প্রকার বুদ্ধির অভাবে প্রতিবিম্বশূন্য অদ্বিতীয় আত্মার প্রতীতি হয়, তোমাকে সেই নিত্যজ্ঞানময় আত্মা বলিয়া জানিবে।

যেরূপ জবাকুসুমাদি উপাধির নিকট অতি স্বচ্ছ স্ফটিকাদি বস্তুর বৈলক্ষণ্য দৃষ্ট হয় এবং যদ্রূপ একমাত্র চন্দ্র চঞ্চল সলিলে নানাবিধ বিলক্ষিত হয়, তদ্রূপ সেই সর্ব্বময় সর্ব্বান্তর্যামী পরমব্রহ্ম এক অর্থাৎ অদ্বিতীয় হইয়াও নানা প্রাণীর নানা বুদ্ধিতে নানাপ্রকারে উপলব্ধ হইতেছেন। তুমি সেই অদ্বিতীয় জ্ঞানস্বরূপ আত্মা।

আত্মা পৃথিবী নহে, জল নহে, অগ্নি নহে, বায়ু নহে, আকাশ নহে, তোমার এই দেহও আত্মা নহে; এই সকলের সাক্ষিস্বরূপ যে চিন্ময়, তাঁহাকেই আত্মা বলিয়া জানিবে। এ প্রকার অবগত হইতে পারিলেই মোক্ষলাভ হয়। তুমি যদি দেহাদি হইতে পৃথক্ বিবেচনা করিয়া চিন্ময়ে অবস্থান করিতে পার, তবে নিশ্চয়ই শীঘ্র সুখী, শান্ত ও বন্ধনমুক্ত হইবে।

তুমি বিপ্র দ্বিজ ও শূদ্র অর্থাৎ ক্ষত্রিয় বৈশ্য ও শূদ্র নহ, ব্রহ্মচর্য্য প্রভৃতি কোন আশ্রমী নহ, তুমি ইন্দ্রিয়সমূহের অগোচর, অসঙ্গ, নিরাকার, নির্বিকার, নিরালম্ব ও বিশ্বের সাক্ষিস্বরূপ। হে তাত! এবম্প্রকার জ্ঞান হইলে সুখী হইবে।

হে বিভো! তুমি ধৰ্ম্ম, অধৰ্ম্ম, সুখ, দুঃখ এ সকল চিত্তধর্মে অলিপ্ত অর্থাৎ কিছুতেই তুমি লিপ্ত নহ। তুমি সর্ব্বদাই মুক্তস্বরূপ, তুমি এক অদ্বিতীয়; তুমি যে নিজেকে সর্ব্বব্যাপী সর্ব্বান্তর্যামী সর্ব্বসাক্ষিস্বরূপ বিবেচনা না করিয়া অন্যবিধ চিন্তা করিতেছ, তাহা তোমার পক্ষে বন্ধন।

আমি কর্তা, আমি ভোক্তা, এই প্রকার অহঙ্কারাভিমানরূপ মহাকালসর্প কর্তৃক তুমি দংশিত হইয়াছ, সুতরাং "আমি কর্তা বা আমি ভোক্তন নই” এরূপ দৃঢ় বিশ্বাসামৃত পান করতঃ এবং "আমি একাকী বিশুদ্ধ জ্ঞানস্বরূপ” এরূপ নিশ্চয়বহ্নি দ্বারা অজ্ঞানরূপ বন-জঙ্গলসকল ভস্মীভূত করিয়া বীতশোক ও সুখী হও।

রজ্জুতে সর্পভয়ের ন্যায় যাঁহাতে অখিল বিশ্ব কল্পিত হয়, তাঁহাকে আনন্দময় পরমানন্দস্বরূপ জ্ঞান করতঃ সুখী হও। যিনি মুক্তি-অভিমানী অর্থাৎ মুক্তিলাভের ইচ্ছা যাঁহার আছে, তাঁহাকে মুক্ত, আর যিনি বন্ধাভিমানী অর্থাৎ সংসারে সংলিপ্ত থাকিতে যাঁহার মানস আছে, তাঁহাকে বদ্ধ বলে, এই প্রকার জনশ্রুতি আছে। ফলতঃ যাঁহার যেরূপ বুদ্ধি, তাঁহার তদ্রূপই সিদ্ধি হয়। "যাদৃশী ভাবনা যস্য সিদ্ধির্ভবতি তাদৃশী।” বাস্তবিক আত্মা সমুদয়েরই সাক্ষিস্বরূপ, বিভু অর্থাৎ পূর্ণ অথচ সর্ব্বব্যাপী, এক, অদ্বিতীয়, মুক্ত অর্থাৎ নির্লিপ্ত, সর্ব্বৈশ্বর্য্যযুক্ত, অক্রিয়,. অসঙ্গ, স্পৃহাশূন্য ও শান্ত; ভ্রমবশতঃ তাঁহাকে সংসারী বলিয়া আমরা বোধ করি। তুমি আত্মাকে কূটস্থ জ্ঞানস্বরূপ চিন্ময় বলিয়া জানিবে। তুমি ভ্রম ত্যাগ করিয়া "আমার শরীরাদি” বাহ্য পদার্থবিষয়ক চিন্তা ও "অহং সুখী, অহং দুঃখী" ইত্যাদি পদার্থবিষয়ক চিন্তা পরিত্যাগ কর। হে তাত! দেহাভিমানরূপ পাশদ্বারা চিরবদ্ধ হইয়াছ; "আমিই জ্ঞানস্বরূপ” এরূপ জ্ঞানখড়া দ্বারা ঐ পাশ ছেদন করতঃ সুখী হও।

তুমি নিঃসঙ্গ, নিরাশ্রয়, আত্মপ্রকাশ, নিরঞ্জন; তুমি যে সমাধির জন্য ইচ্ছা করিতেছ, ইহাই তোমার বন্ধন। তুমি নিরপেক্ষ, নির্ভয়, শুদ্ধবুদ্ধস্বরূপ, অতএব নীচেচ্ছা, নীচ চিন্তা পরিত্যাগ কর। তুমি সদাশয়, অগাধবুদ্ধি, লোভ ও ক্ষোভবিবর্জিত এবং চিন্মাত্রবাসনাশীল হও, বিশ্বময় সমুদয় সাকার পদার্থ মিথ্যা এবং নিরাকার বস্তুই সত্য এ প্রকার উপদেশ দ্বারা পুনর্জন্ম ধ্বংস হয় অর্থাৎ এরূপ তত্ত্বোপদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তির শরীর ধারণ করিতে হয় না। 'তস্য পুনর্জন্ম ন বিদ্যতে।' আমার স্বীয় রূপ প্রকাশমান হইতেছে, আমি নিজরূপ হইতে অতিরিক্ত রূপ ধারণ করি না; সুতরাং যখন জগৎ পরিদৃশ্যমান, তখন আমিও যে প্রকাশমান, তাহাতে আর সংশয় কি? যেমন শুক্তিতে রৌপ্য, রজ্জুতে ভুজঙ্গ, সূর্যরশ্মিতে জলভ্রম জন্মে, সেইরূপ অজ্ঞানহেতুই আমাকে অর্থাৎ আত্মাকে জগৎ জ্ঞান করিয়া ভ্রমমোহিত হইয়া থাকে।

যেরূপ কুম্ভ মৃত্তিকা হইতে ভিন্ন নহে, পরিণামে মৃত্তিকায় মিশিয়া যায়, তরঙ্গ জল হইতে পৃথক্ নহে, পরিণামে জল মাত্র থাকে এবং কটকাদি অলঙ্কার স্বর্ণ হইতে ভিন্ন নহে, অবশেষে স্বর্ণই থাকে, সেইরূপ এই জগৎ আমা হইতে ভিন্ন নহে, পরিণামে আমাতেই লয় পাইবে, সন্দেহ নাই। আদর্শমধ্যস্থিত পদার্থের প্রকৃতি যেমন অভ্যন্তরে ও বাহিরে দুই দিকেই প্রতিবিম্বিত হয়, সেইরূপ পরমেশ্বরও দেহমুকুরে প্রতিবিম্বিত হইয়া মধ্যে ও বাহিরে নিরন্তর বিরাজ করিতেছেন। সর্ব্বগত আকাশ যেমন ঘটের অভ্যন্তরে ও বহির্ভাবে বর্তমান থাকে, সেইরূপ পরব্রহ্মাও নিরন্তর নিখিল ভূতের অন্তরে ও বাহিরে অধিষ্ঠিত আছেন। অধুনা আমি শরীর ও বিশ্ব পরিত্যাগ করিয়া কৌশল অর্থাৎ যোগদ্বারা পরমাত্মার দর্শন লাভ করিতেছি। জল-তরঙ্গ, ফেন, বুদ্বুদ ইত্যাদি যেমন জল হইতে পৃথক্ নহে, সূত্র যেমন বস্ত্রের প্রধান কারণ, তদ্রূপ আত্মা জগতের একমাত্র শ্রেষ্ঠ হেতু, সন্দেহ নাই। যেরূপ ইক্ষুরসে শর্করা ও শর্করাতে ইক্ষুরসের অংশ পরিব্যাপ্ত রহিয়াছে, সেইরূপ আত্মাতে বিশ্ব ও বিশ্বে আত্মা পরস্পর সর্ব্বদাই বিরাজমান।

অহো। আমি অবিনাশী। ব্রহ্ম হইতে স্তম্ব পর্য্যন্ত জগতের সমুদয় পদার্থ ধ্বংস হইলেও আমি বর্তমান থাকিব, সুতরাং আমাকেই আমি নমস্কার করি।

মুনিপ্রবর কহিলেন, আত্মাকে অবিনাশী ও অদ্বিতীয় এবং সৎ চিৎ একং ব্রহ্মহ্ম অর্থাৎ সচ্চিদানন্দম্ বলিয়া যখন পরিজ্ঞাত হইয়াছ, তখন তুমি যথার্থই আত্মজ্ঞ ও ধীর, অতএব অর্থোপার্জনে তোমার প্রবল আশা কেন?

অহো! শুক্তিজ্ঞানের অভাব হইলে যেরূপ রৌপ্যভ্রম জন্মিয়া থাকে, সেইরূপ আত্মজ্ঞানের অভাবহেতু জীবগণের বিষয়ভ্রম জন্মে। যেরূপ মহাসাগরে তরঙ্গনিকর সমুদ্ভূত হয়, সেইরূপ একমাত্র চিৎস্বরূপ যে "আমি", আমা হইতে জগৎ কল্পিত; অর্থাৎ মহাসাগর যেমন তরঙ্গের এক প্রধান কারণ, সেইরূপ একাত্মাই বিশ্বসংসারের একমাত্র শ্রেষ্ঠ কারণ। তুমি এ সকল বিষয় বিদিত থাকিয়াও কেন দুঃখিত মনে ইতস্ততঃ ধাবিত হইতেছ?

তুমি এই সংসারে সঙ্গরহিত ও বিশুদ্ধ জ্ঞানস্বরূপ, অতএব তোমার ত্যাগ ইচ্ছা সম্ভবে না। যাহা হউক, অধুনা এরূপ জ্ঞান লাভ করতঃ পাঞ্চভৌতিক দেহের বিনাশ-সাধনপূর্ব্বক পরব্রহ্ম পরমপুরুষে লয় প্রাপ্ত হও। জলবুদ্বুদ যেমন জল হইতে উৎপন্ন হইয়া পুনরায় সেই জলেই লয় হয়, সেইরূপ এই বিশ্বপ্রপঞ্চ তোমা হইতে অর্থাৎ আত্মা হইতে সমুৎপন্ন হইয়া পরিণামে তোমাতেই অর্থাৎ আত্মাতেই লয় পাইবে।

যেমন অগ্নি হইতে স্ফুলিঙ্গ সমুদ্ভূত হইয়া আবার সেই অগ্নিতেই লীন হয়, তেমনি আত্মা হইতে জগৎ উৎপন্ন হইয়া আবার সেই আত্মাতেই লয় হইয়া থাকে; এই সমস্ত পর্যালোচনা করিয়া, জ্ঞানলাভ করতঃ লয়প্রাপ্ত হও। তোমার সুখ-দুঃখ সমান, আশা-নিরাশা সমান ও জীবন-মৃত্যু সমান। তুমি আমাকে পূর্ণজ্ঞানময় বিবেচনা করিয়া লয়প্রাপ্ত হও।

★সূত্রঃ আত্মতত্ত্ব — তত্ত্বমালা/ ঠাকুর নিগমানন্দ পরমহংসদেব

জয়গুরু, একটা অদ্ভুত এবং অত্যাশ্চর্য ঘটনা ঘটেছে, আমার চোখের সামনে। ঘটনাটার শুরু করোনা কালে এবং শেষটা জানতে পারলাম এই গত ...
04/04/2026

জয়গুরু, একটা অদ্ভুত এবং অত্যাশ্চর্য ঘটনা ঘটেছে, আমার চোখের সামনে। ঘটনাটার শুরু করোনা কালে এবং শেষটা জানতে পারলাম এই গত শিবরাত্রির দিনে।এই ঘটনা প্রমাণ করে যে ঠাকুর আজও কত ক্রিয়াশীল এবং তাঁর শিষ্য ভক্তদের প্রতি কতটা দয়াময়। ঠাকুর যেসব ব্যবস্থাদি আমাদের জন্য করে রেখে গেছেন তার যারা খোঁজ খবর রাখে না তারা সত্যিই দুর্ভাগা। যাইহোক ভূমিকা ছেড়ে আসল ঘটনায় আসি। ২০২১ সালের কথাই মনে হচ্ছে ।একজন ভদ্রলোক একদিন সন্ধ্যেবেলায় আমাকে ফোন করলেন। ভদ্রলোকের নাম নিমাই চরণ দে তিনি ছিলেন স্বর্গত মুকুন্দলাল দে মহাশয়ের জ্যেষ্ঠ পুত্র। ওই সময় আমি এই মুকুন্দলাল দে মহাশয় সম্পর্কে লিখছিলাম আর্য্য -দর্পণে ।উনি যদিও কোকিলা মুখের সদস্য তবুও তিনি যেহেতু দুটো আর্য্য দর্পণ ই রাখতেন তার জন্য আমার লেখাটা তাঁর চোখে পড়ে এবং তাঁদের খুব ভালো লাগে। এরপর তিনি শ্রদ্ধেয় বিমলানন্দ সরস্বতী মহারাজের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন এবং আমার ফোন নাম্বার নেন । উনি বলেন যে উনি যেহেতু অডিটের কাজে সারা ভারত বর্ষ ঘুরে বেড়াতেন সেই জন্য উনার পিতৃদেবের সঙ্গে সংঘ করা তার পক্ষে সম্ভব হয়নি এবং এখন এই বিষয়গুলো আমার লেখা পড়ে জানতে পেরে উনি খুব আনন্দ এবং দুঃখ উভয়ই অনুভব করছেন । চাকরির বাধ্যবাধকতায় উনি সংঘ করতে পারেননি, এটাই উনার দুঃখ। উনি এবং উনার ভগ্নিপতি দুজনেই আমার বাড়িতে আসতে চেয়েছিলেন কিন্তু যেহেতু সেটা ছিল করোনা কাল সেহেতু তারা আসতে পারেননি । তারপরে আর আমার সঙ্গে কোনদিন আজ পর্যন্ত দেখাও হয়নি ।যাই হোক মাঝে মাঝে উনি ফোন করতেন ঠাকুর প্রসঙ্গ আলোচনা করতেন। একদিন সকালবেলা উনি ফোন করে বললেন, আমার মনটা আজকে একটু ভারাক্রান্ত হয়ে আছে। কারণ জিজ্ঞাসা করাতে উনি বললেন উনার স্ত্রীর শেষ স্তরের ক্যান্সার ধরা পড়েছে এবং ডাক্তাররা আশা ছেড়ে দিয়েছে ।আমিও দুঃখ প্রকাশ করাতে উনি বললেন দেখুন,কর্মফলের কারণেই রোগভোগাদি হয় । শরীর থাকলেই রোগ হয়। সেই রোগ যে কোন কিছুই হতে পারে। এই সহজ সরল সত্যটা আমি আমার স্ত্রীকে কিছুতেই বোঝাতে পারছি নাঋ ওরও অবশ্য কোন দোষ নেই। কিন্তু ওর কথা শুনে আমার দুঃখটা যেটা হচ্ছে সেটা হলো ,ও বলছে আমরা তো ঠাকুরের আদেশ নির্দেশ পালন করেই চলেছি বরাবর। নিয়ম পঞ্চক সপ্ত বিধান , সঙ্ঘে যোগদান করা এবং সম্মিলনী গুলিতে যোগদান করা , সবই যথাসম্ভব পালন করেছি তারপরেও কেন আমার এরকম হলো! আমার মন খারাপ ,এই সব কথা শুনে। এটা ওর শেষ সময় বলা যেতে পারে ।এই সময় ও যদি ঠাকুরকে ভুল বোঝে, যিনি পারাপারের কান্ডারী । তাহলে পরলোকে ওর কী ঘটবে এই নিয়ে আমি চিন্তিত এবং দুঃখিত। এর পরে উনি আর কথা বললেন না। ফোন ছেড়ে দিলেন । আমিও ভদ্রমহিলার জন্য গভীর দুঃখ অনুভব করলাম, পুরো ব্যাপারটা উপলব্ধি করে। এরপরে আমি যখন জপ ধ্যান করতে বসলাম, সব কিছুর শেষে আমি ঠাকুরের ছবির দিকে তাকিয়ে আকুল ভাবে ভদ্রমহিলার জন্য প্রার্থনা জানিয়ে বললাম - ঠাকুর, তুমি তো সবই জানছো বুঝছো। এই ভদ্রমহিলার আরোগ্যের জন্য আমি প্রার্থনা জানাচ্ছি না সেটা তোমার ওপর নির্ভর করছে। কিন্তু ও যে আজকে তোমাকে ভুল বুঝছে ,এটাই আমার খারাপ লাগছে। তুমি উনাকে চৈতন্য দান কর। এইভাবে প্রতিদিন ই আমি এই প্রার্থনা টাই ঠাকুরের কাছে জানাতাম ।আমার জপ ধ্যানের পরে ।এইভাবে চলতে চলতে পঞ্চম বা ষষ্ঠ দিনে হঠাৎ দেখলাম যে ঠাকুরের ছবিটা আলোয় আলোকময় হয়ে উঠেছে। ঠিক যেমন এবারের ভক্ত সম্মিলনীতে আমাদেরকে ঠাকুরের প্রতি চিত্র দান করা হয়েছে ।যেটা প্লাগের সঙ্গে যুক্ত করলে পরে আলোকিত হয়ে ওঠে ।এবং মনে হল যেন ঠাকুরের ঠোট নড়ছে এবং সঙ্গে সঙ্গেই অনুভব করলাম হৃদয়ে তাঁর বাণী শুনতে পাচ্ছি। তিনি বলছেন এলোপ্যাথিক চিকিৎসক যখন আশা নেই বলে দিয়েছে তখন কেন ওদের দ্বোর ধরে পড়ে থাকা। একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসককে দিয়ে চিকিৎসা শুরু করুক। আর অবশ্যই ওদের বলবে সারাদিনে তিনবার, সকাল দুপুর এবং সন্ধ্যায় ওর মাথার কাছে বসে কেউ একজন যেন আপদুদ্ধার কবচটা পাঠ করে এবং সঙ্কল্প পূর্বক ওর নামে প্রতিবার ১০৮টা বটুক ভৈরবের জপ করে এবং সমর্পণ করে।
তারপর তিনি স্তব্ধ হলেন এবং আলোও নিভে গেল।

আমি খানিকক্ষণ হতবাক হয়ে বসে থেকে চিন্তা করলাম,এটা কি স্বপ্ন ছিল! কিন্তু পরপর সমস্ত ঘটনা সাজিয়ে দৃঢ় বিশ্বাস হল -এটা কিছুতেই স্বপ্ন হতেপারে না। সঙ্গে সঙ্গে উঠে আমি নিমাইবাবুকে (জয়গুরু আগে আমি লিখেছিলাম উনার নাম জ্যোতিভূষণ। কিন্তু পরে ওদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করবার পরে বুঝতে পারলাম ওটা ছিল আমার ভুল। জ্যোতি ভূষণ উনার ছোটো ভাই আর বড় ভাই নিমাই বাবু ,যার সঙ্গে আমার কথা হয়েছিল ।দুজনের একসঙ্গে আমার কাছে আসার কথা ছিল এবং যেহেতু তখন আমার কাছে টেপা ফোন ছিল স্মার্টফোন ছিল না, তার জন্য ট্রুকলার দিয়ে যে আসল লোকের নাম জানতে পারবো , সেটা সম্ভব ছিল না ।এই ব্যাপারে পরে আমি আরো কিছু বলবো।) ফোন করে আমার অভিজ্ঞতার কথা জানালাম ।তো উনি উত্তর দিলেন ,আপনি যে বইটার কথা বলছেন সেটা সম্ভবত আমাদের কাছে নেই ।বই তো সবই বাড়িতে ছিল কিন্তু বাড়ি পাল্টানোর জন্য, আবার এ সে এসে নিয়ে যায় পরে আর ফেরত দেয় না ।দেখছি কি করা যায়।পরের দিন উনি ফোন করে জানালেন যে- হ্যাঁ, তান্ত্রিক গুরু পাওয়া গেছে । এবার বলুন কী ভাবে কি করতে হবে? আর এখানে সল্টলেকে একজন ভালো হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের সঙ্গেও আমরা যোগাযোগ করতে পেরেছি, দেখা যাক, এবার ঠাকুরের কি ইচ্ছে। তারপরে মাঝে মাঝে উনি ফোন করতেন ।বলতেন, সম্মিলনীতে গিয়েছিলাম। এই হল সেই হল ।কিন্তু ওই প্রসঙ্গটা তুলতেন না। আমিও জানতাম ,ওখানে আর কী হওয়ার আছে ,একটা চূড়ান্ত খবর পাওয়া ছাড়া ।সেই জন্য আমিও প্রসঙ্গটা এড়িয়ে যেতাম। তারপর হয়তো বছর দুয়েক আগে হঠাৎ একদিন ফোন করলেন বুঝলাম যে চূড়ান্ত খবর যেটা আশঙ্কা করছিলাম এসে গেছে ।তাই আমি(চেষ্টা করে)খুব স্বাভাবিক গলায় হ্যালো বলবার পরে উনি বলতে শুরু করলেন আপনার সঙ্গে অনেকদিন যোগাযোগ নেই, ইত্যাদি ইত্যাদি। যখন উনি বললেন এবার তাহলে রাখি আমি বলে উঠলাম দাঁড়ান দাঁড়ান আমার একটা কথা জিজ্ঞেস করার আছে উনি বললেন বলুন আমি বললাম যে মানে আপনার যে আত্মীয় মানে আপনার স্ত্রী এখন কেমন আছেন ?উনি বললেন হ্যাঁ , আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন। আগে তো বিছানায় সব করছিলেন এখন উনি নিজে গিয়ে দেয়াল ধরে ধরে বাথরুমে যান আমরা বলি দরজাটা ভেজিয়ে রাখতে ।হ্যাঁ, আর উনার বিশ্বাসটাও ঠাকুরের প্রতি ফিরে এসেছে। আমি বললাম জয়গুরু ।

এই ঘটনাটা আমি একদিন রীনা পাল দির বাড়ির সঙ্ঘে বলছিলাম ।সেটা ছিল বিজয়া সম্মিলনী অর্থাৎ বিজয়া দশমীর পরের রোববারে মহন্ত মহারাজ ওখানে বরাবর আসেন। আগে জ্ঞানানন্দজী আসতেন ।এখন ব্রজেশানন্দজী আসছেন।তো আমি যখন বলছিলাম, তখন মোহান্ত মহারাজ ওপরে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। আমার বলার পরে মাইকটা আমার কাছ থেকে নিয়ে সভাপতি মহাশয়( অসীম ভট্টাচার্য দাদা)একজন মহিলার (বুলু দে ) দিকে এগিয়ে দিয়ে বললেন,এবার আপনি কিছু বলুন, আপনার পরিবারের কথাই হচ্ছে।

বুলু দে দিদি বললেন -হ্যাঁ দাদা , আপনি যাঁদের কথা বললেন তাঁরা আমার ভাসুর এবং জা । আমার শ্বশুর ছিলেন ঁমুকুন্দলাল দে । ঠিক এই সময় সমবেতভাবে শঙ্খ এবং উলুধ্বনি শোনা গেল । মোহান্ত মহারাজের জয়ধ্বনিতে চারিদিক মুখরিত হয়ে উঠল । উনার বক্তব্য আর শেষ হলো না। পরে উনি আমার সঙ্গে দেখা করে পরের রবিবার তাঁর বাড়ির সংঘে আমন্ত্রণ জানালেও আমার আর যাওয়া হয়ে ওঠেনি।

এই শিবরাত্রির আগে একটা পোস্টে হতাশা ব্যক্ত করেছিলাম যে ঐ দিন রবিবার হওয়া সত্ত্বেও আমাদের সংঘ বন্ধ থাকার কারণে আমার সঙ্ঘ করা হবে না।এই শুনে গুপ্তিপাড়া থেকে মণিদীপা দি এবং রীনা দি জানান ওদের বাড়িতে সংঘ হচ্ছে। গুপ্তিপাড়া অনেক দূরে।আর ঠাকুরের ইচ্ছেয় রীনা দির বাড়ির সঙ্ঘে বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে কয়েকবার যাওয়ার সুযোগ ঘটেছে। মিঠুন কেও ওঁরা আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সুতরাং ঠাকুরের ইচ্ছেয় ওর মোটরসাইকেলে চেপে যথারীতি পৌঁছে গেলাম। সেই অনুষ্ঠানের বিবরণ আগে দিয়েছি । সংঘ শেষে বুলুদি দেখা করলেন।কুশল বিনিময়ের পর জিজ্ঞেস করলাম -আচ্ছা , আপনার জা এখন কেমন আছেন ? উত্তর দিলেন - উনি তো সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেছেন। নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। বললেন, ডাক্তারও অবাক । এখন তো উনি সারা বাড়ির কাজ নিজেই করছেন। বাজার দোকান সবই করছেন । আমার চোখের কোণায় জল । ঠাকুরের উদ্দেশ্যে হাতজোড় করে বললাম- ঠাকুর ,তোমার কৃপায় সবই সম্ভব ।ডাক্তার-যাকে শেষ স্টেজের ক্যান্সার বলে ছেড়ে দিয়েছিল ,সেও তোমার কৃপায় ভালো হয়ে গেল!সবই সম্ভব।
শেষ খবর দিলেন বুলুদি - কিন্তু, ওর স্বামী মানে আমার ভাসুর ৮৬ বছর বয়সে মারা গেলেন কয়েক মাস আগে।

বললাম, হ্যাঁ কর্মফলটা তো কাউকে নিতেই হবে।
গত সঙ্ঘে আমি সবাইকে খবরটা জানালাম এবং বললাম যে মুকুন্দ কাকা শেষের দিকে প্রায়ই স্বপ্ন দেখতেন যে চারিদিকে মৃতদেহের স্তূপের মধ্যে উনি দাঁড়িয়ে আছেন। এবং নতুন নতুন মৃতদেহ এক একটা এসে পড়ছে আর ঠাকুর জয় গুরু বলে কাঁধে নিয়ে দৌড়াচ্ছেন ।এই কথা বলে উনি বলতেন স্বপ্নটা দেখে আমার গলা কাঠ হয়ে যায় । কি জানি সামনে কী নিয়ে আসছে ।তোমরা সবাই সাবধানে থেকো জয়গুরু নাম ছেড়ো না। সব সময় জয়গুরু করবে আর তাঁর মুখটি ধ্যান করবে মনে মনে। এরপর করোনার সময় এলো প্রচুর লোক মরতে লাগলো আমি বিমলানন্দ মহারাজকে বললাম যে তাহলে দেখুন উনার কথা মিলে গেল। তার উত্তরে মহারাজ বললেন এ তো বিদেশে ঘটছে।তারপর সেই ঢেউ ভারতবর্ষে এসে পড়ল।
গত মাসে আকাশে মঙ্গল , রাহু ও রবি যখন একত্র হলো উপসাগরে যুদ্ধ শুরু হলো। এখন শনি রবি মীন রাশিতে একত্র হয়েছে ।এর ফলাফল ও ভালো না।সর্বোনাশ ঘনাবে ,এখানে কিছুদিন পর যখন মঙ্গল ( রক্তপাত এবং যুদ্ধের গ্রহ ) এসে উপস্থিত হবে। জ্যৈষ্ঠ মাস অব্দি কতকিছুই না ঘটবে।কে থাকবে,কে যে যাবে ঠাকুর ই জানেন। আমিও চলে যেতে পারি । তার আগে যেন ঠাকুরের বই থেকে মন্ত্র চৈতন্য ও কুণ্ডলিনী জাগরণের সহজ কৌশলটা আলোচনা করে যেতে পারি । আপনারা সব বিভেদ বিদ্বেষ ভুলে একমনে ,একপ্রাণে সবকিছু ভুলে ঠাকুরকেই আঁকড়ে ধরুন। জয়গুরু। জয়গুরু। গুরু কৃপাহী কেবলম্ ।

☄️ লিখেছেন—সুমিত রঞ্জন রায় ( যার বাবা সুধীররঞ্জন রায়কে ঠাকুর এক জনমে মুক্তি দিয়েছিলেন ওনার ফেসবুক পোস্ট থেকে সংগৃহীত।)

জয় শ্রীরাম
27/03/2026

জয় শ্রীরাম

27/03/2026

শ্রীরাম নবমীর শুভেচ্ছা 🎉

Address

রাজারঘাট শ্রীশ্রী নিগমানন্দ সারস্বত আশ্রম, চিলমারি, কুড়িগ্রাম
Chilmari
5630

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রাজারঘাট শ্রীশ্রী নিগমানন্দ সারস্বত আশ্রম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to রাজারঘাট শ্রীশ্রী নিগমানন্দ সারস্বত আশ্রম:

Share