Islam is my Religion

Islam is my Religion Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Islam is my Religion, Religious organisation, চৌমুহনী মিয়ারপুর, Chaumuhani.

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদিন জিবরাঈল (আ.)-কে বললেন,আপনি যতোবার আমার নিকট এসেছেন, ততোবারই আপনার কপালে শোক ...
18/03/2024

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদিন জিবরাঈল (আ.)-কে বললেন,
আপনি যতোবার আমার নিকট এসেছেন,
ততোবারই আপনার কপালে শোক ও
দুশ্চিন্তার ছাপ ছিলো? এর কারণ কি?

জিবরাঈল (আ.) নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম-এর প্রশ্নের জবাবে বললেন,
"জাহান্নাম সৃষ্টির পর থেকে
আমার ঠোঁটে, চোখে ও মুখে কখনো হাসি ফুটেনি।"

জাহান্নাম কেমন হবে?

১. জাহান্নামের গভীরতা এমন যে,
এর মুখ থেকে একটি পাথর ফেলে দিলে
জাহান্নামের তলদেশে পৌঁছাতে ৭০ বছর সময় লাগে। বিচারের দিন জাহান্নামকে ৭০ হাজার শিকল দ্বারা টেনে আনা হবে, যার প্রত্যেক শিকল ৭০ হাজার ফেরেশতা বহন করবেন।

২. জাহান্নামে চাঁদ এবং সূর্যকে নিক্ষেপ করা হবে আর জাহান্নামে তা অবলীলায় হারিয়ে যাবে।

৩. জাহান্নামবাসীদের শরীরের চামড়া
১২৬ ফুট পুরো করে দেওয়া হবে, যাতে করে আযাব অত্যন্ত ভয়াবহ কঠিন হয়। তাদের শরীরে আরও থাকবে তিল, যার এক একটি উহুদ পাহাড়ের সমান।

৪. প্রতিদিন জাহান্নামের আযাব পূর্বের দিন থেকে আরও তীব্র আর ভয়াবহ কঠিন করা হবে।

৫. জাহান্নামের খাদ্য হবে কাঁটাযুক্ত গাছ। আর পানীয় হবে ফুটন্ত পানি, পুঁজ ও রক্তের মিশ্রণ এবং উত্তপ্ত তেল। এরপরও জাহান্নামবাসীর পিপাসা এতো বেশি হবে যে, তারা এই পানীয় পান করতে থাকবে।

৬. জাহান্নামের এই ভয়াবহ কঠিন কল্পনাতীত আযাব অনন্তকাল ধরে চলতে থাকবে।
জাহান্নামবাসীরা এক পর্যায়ে জাহান্নামের দেয়াল টপকিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে, তাদেরকে লোহার হাঁতুড়ি দিয়ে আঘাত করে, পুনরায় জাহান্নামে ফেলে দেওয়া হবে।

এই জন্যই বলছি, আমার ভাইবোনরা আসুন, আমরা দীনের পথে চলি, ইসলাম মেনে চলি, আমাদের কখন, কি হবে আমরা কিন্তু কেউ জানি না?কেউ আমার সাথে যাবে না, আমার হিসাব আমাকেই দিতে হবে! দুনিয়াটা একটা ধোঁকা ও লালসাময়।

তাই আসুন, আমরা পবিত্র কুরআন- হাদিসের আদেশ-নিষেধ ও শরিয়াহ মোতাবেক চলে, ভয়াবহ কঠিন জাহান্নাম থেকে বাঁচি, আমাদের পরিবারকে বাঁচাই ও সারাবিশ্বের মুসলমানদেরকে বাঁচাই।

হে আল্লাহ! আপনি আমাকে, আমাদের পরিবারকে ও সারাবিশ্বের সকল মুসলমানকে, ভয়াবহ কঠিন জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করুণ। আমিন।

 #শবে_বরাতের_নামাজ আজ মঙ্গলবার মুসলিম উম্মাহ’র পবিত্র শবে বরাত বা লাইলাতুল বরাত। বিশ্ব মুসলিমবাসীর বিশ্বাস, এ রাতে অসংখ্...
07/03/2023

#শবে_বরাতের_নামাজ

আজ মঙ্গলবার মুসলিম উম্মাহ’র পবিত্র শবে বরাত বা লাইলাতুল বরাত। বিশ্ব মুসলিমবাসীর বিশ্বাস, এ রাতে অসংখ্য বান্দা মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমা ও আশীর্বাদ লাভ করে থাকে। এ কারণে এ রজনীকে আরবিতে ‘লাইলাতুল বারাআত’ বা ‘নিষ্কৃতি/মুক্তির রজনী’ বলা হয়।
হযরত মোহাম্মদ (সা.) এ রজনী সম্পর্কে বলেছেন, এই রাত্রিতে এবাদতকারীদের গুণাহরাশি আল্লাহ তালা ক্ষমা করে দেন। তবে কেবল আল্লাহর সঙ্গে শিরককারী, সুদখোর, গণক, যাদুকর, কৃপণ, শরাবী, যিনাকারী এবং পিতা-মাতাকে কষ্টদানকারীকে আল্লাহ মাফ করবেন না।
শবে বরাতের নামাজ এবং নিয়ম কানুন
প্রকৃত অর্থে শবে বরাতের নামাজ বলে আলাদা কিছু নেই, যেহেতু এই রাতটি ইবাদত বন্দেগি করে কাটাতে হবে তাই হাদিসেই এই সমাধান দেয়া হয়েছে। আর বিশ্ব মুসলিম এই বিশেষ কিছু ইবাদত পালন করে থাকেন।
সন্ধ্যায়- এই রাতে মাগরিব নামাজের পর হায়াতের বরকত, ঈমানের হেফাযত এবং অন্যের মুখাপেক্ষী না হওয়ার জন্য দুই রাকাত করে মোট ৬ রাকাত নফল নামায পড়া উত্তম। এই ৬ রাকাত নফল নামাজের নিয়ম- প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহা এরপর যে কোন একটি সূরা পড়তে হবে। দু’রাকাত নামাজ শেষ করে সূরা ইয়াছিন বা সূরা এখলাছ ২১ বার তিলাওয়াত করতে হবে।
শবে বরাতের নফল নামাজ
দুই রাকাত তহিয়াতুল অজুর নামাজ, নিয়ম- প্রতি রাকাতে আল হামদুলিল্লাহ (সূরা ফাতিহা) পড়ার পর, ১ বার আয়াতুল কুরসি এবং তিন বার ক্বুলহু আল্লাহ (সূরা এখলাছ)। ফজিলত: প্রতি ফোটা পানির বদলে সাতশত নেকী লিখা হবে।
দুই রাকাত নফল নামাজ, নিয়ম- ১ নম্বর নামাজের মত, প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহা পড়ার পর, ১ বার আয়াতুল কুরসি এবং ১৫ বার করে সূরা এখলাছ, অতঃপর সালাম ফিরানোর পর ১২ বার দুরূদ শরীফ। ফজিলত: রুজিতে বরকত, দুঃখ-কষ্ট হতে মুক্তি লাভ করবে, গুনাহ হতে মাগফিরাতের বকশিস পাওয়া যাবে।
আট রাকাত নফল নামাজ দু’রাকাত করে পড়তে হবে, নিয়ম- প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর, সূরা এখলাছ ৫ বার করে। একই নিয়মে বাকি সব। ফজিলত: গুনাহ থেকে পাক হবে, দু’আ কবুল হবে এবং বেশি বেশি নেকী পাওয়া যাবে।
১২ রাকাত নফল নামাজ দু’রাকাত করে, নিয়ম- প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর, ১০ বার সূরা এখলাছ এবং এই নিয়মে বাকি নামাজ শেষ করে, ১০ বার কালেমা তওহীদ, ১০ বার কলেমা তামজীদ এবং ১০ বার দুরূদ শরীফ।
১৪ রাকাত নফল নামাজ দু’রাকাত করে, নিয়ম- প্রতি রাকাত সূরা ফাতিহার পর যে কোন একটি সূরা পড়ুন। ফজিলত: যে কোনো দু’আ চাইলে তা কবুল হবে।
চার রাকাত নফল নামাজ এক সালামে পড়তে হবে, নিয়ম- প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহা পর ৫০ বার সূরা এখলাছ শরীফ। ফজিলত: গুনাহ থেকে এমনভাবে পাক হবে যে সদ্য মায়ের গর্ভ হতে ভূমিষ্ঠ হয়েছে।
আট রাকাত নফল নামাজ এক সালামে, নিয়ম- প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর ১১ বার সূরা এখলাছ শরীফ। ফজিলত: এর ফজিলতে সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, হযরতে সৈয়্যদাতুনা ফাতেমা রাদিআল্লাহু আনহা এরশাদ করেছেন, ‘আমি ওই নামাজ আদায় কারীর সাফায়াত করা ব্যতীত জান্নাতে কদম রাখব না।
রোজার ফজিলত হুজুর সালল্লাহু তা’আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন, যে শাবানে ১ দিন রোজা রেখেছে, তাকে আমার সাফায়াত হবে। আরো একটি হাদিস শরীফে আছে যে, হুজুর সালল্লাহু তালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি শাবানের ১৫ তারিখে রোজা রাখবে, তাকে জাহান্নামের আগুন ছোঁবে না। এছাড়াও পড়তে পারেন ‘সালাতুল তাসবীহ এর নামাজ। এই নামাজের অনেক ফজিলত রয়েছে।
রাসূলুল্লাহ সালল্লাহু তা’আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বীয় চাচা হযরত আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহুকে এই নামায শিক্ষা দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন যে, এই নামাজ পড়লে আল্লাহ আয-যাওযাল আপনার আউয়াল আখেরের সগীরা কবীরা জানা অজানা সকল গুণাহ মাফ করে দেবেন।
‘হে চাচা জান! আপনি যদি পারেন, তবে দৈনিক একবার করে এই নামাজ পড়বেন। যদি দৈনিক না পারেন, তবে সপ্তাহে একবার পড়বেন। যদি সপ্তাহে না পারেন, তবে মাসে একবার পড়বেন। যদি মাসে না পারেন, তবে বছরে একবার পড়বেন। যদি এটাও না পারেন, তবে সারা জীবনে একবার হলেও এই নামাজ পড়বেন (তবুও ছাড়বেন না।
শবে বরাতের নামাজের নিয়ত
নাওয়াইতুআন্ উছল্লিয়া লিল্লা-হি তাআ-লা- রাকআতাই ছালা-তি লাইলাতিল বারা-তিন্ -নাফলি, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা-জিহাতিল্ কাবাতিশ্ শারীফাতি আল্লা-হু আকবার।
বাংলায় নিয়ত করলে এই ভাবে করতে পারেন: ‘শবে বরাতের দুই রাকাত নফল নামাজ/ সালাত কিবলামুখী হয়ে পড়ছি, আল্লাহু আকবর’।
সতর্কতা
মনে রাখতে হবে ফরজ নফলের চেয়ে অনেক বড় শবে বরাতের নামাজ। যেহেতু নফল সেহেতু নফল পড়তে পড়তে ফরজ পড়া ভুলে গেলে বা ঘুমের কারণে পড়তে না পারলে কিন্তু সবই শেষ। অর্থাৎ নফল নামাজ পড়ে পড়ে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন আর এই দিকে ফজরের নামাজ পড়তে পারলেন না। সাবধান এ যেন না হয়। ভাল হয় শবে বরাতের নফল শেষ করে বেতের নামাজ পড়ে এর পর ফজর পড়া। যাই করেন নামাজ পড়েন আর ঘুমান সমস্যা নেই, ঠিক সময় মত উঠে ফজর নামাজ যেন পড়তে পারেন সেই দিকে খেয়াল রাখবেন।

Today's the best Photo 🌿🥰💚💚💚💚💚💚
10/02/2023

Today's the best Photo 🌿🥰💚💚💚💚💚💚



উঁচু আওয়াজে অতিরিক্ত হাসার কুফল▬▬▬🌐🔸🌐▬▬▬প্রশ্ন: আমি শুনেছি যে, বেশি হাসলে নাকি আন্তর কঠিন হয়ে যায়। এটা কি সহীহ?উত্তর:হাদ...
17/12/2019

উঁচু আওয়াজে অতিরিক্ত হাসার কুফল
▬▬▬🌐🔸🌐▬▬▬
প্রশ্ন: আমি শুনেছি যে, বেশি হাসলে নাকি আন্তর কঠিন হয়ে যায়। এটা কি সহীহ?

উত্তর:
হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, উচ্চশব্দে বেশি পরিমাণে হাসলে মন মরে যায় এবং চেহারার উজ্জ্বলতা নষ্ট হয়ে যায়। যেমন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
إيَّاك وكثرةَ الضَّحك؛ فإنَّه يميت القلبَ، ويذهب بنورِ الوجه
“উচ্চ আওয়াজে হাসা থেকে সাবধান থাকো। কেননা এতে অন্তর মরে যায় এবং মুখ মণ্ডলের উজ্জ্বলতা নষ্ট হয়ে যায়।” (মুসনাদ আহমদ প্রমূখ। শাইখ আলবানী এটিকে সহীহ বলেছেন)

এখানে উদ্দেশ্য হল, বেশি পরিমাণে অট্টহাসি দেয়া। এটি বিভিন্ন দিক দিয়ে ক্ষতিকর। তবে মাঝে-মধ্যে উঁচু আওয়াজে হাসা দোষণীয় নয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনও কখনও উঁচু আওয়াজে হেসেছেন। কিন্তু তিনি অধিকাংশ সময় মুচকি হাসতেন।

🌀 উমর ইবনুল খাত্তাব রা. বলেন: “যে ব্যক্তি বেশি পরিমাণে আওয়াজ করে হাসে তার ব্যক্তিত্ব বোধ কমে যায়।”

🌀 ইমাম মাওয়ারদী তার বিখ্যাত আদাবুদ দ্বীন ওয়াদ দুনিয়া গ্রন্থ বলেন:
“উঁচু আওয়াজে হাসার অভ্যাস মানুষকে গুরুত্বপূর্ণ কাজে অমনোযোগী করে দেয়, বিভিন্ন সমস্যা ও সংকটের মুহুর্তে মনকে বিক্ষিপ্ত ও ভীত-ত্রস্ত করে আর যে অধিক পরিমাণে উঁচু আওয়াজে হাসে তার আত্মমর্যাদা ও ব্যক্তিত্ব বোধ থাকে না...।”

🌀 বৈজ্ঞানিকভাবেও প্রমাণিত হয়েছে, অট্টহাসি মানুষের হার্ট এ্যাটাকের অন্যতম কারণ। কারণ মানুষ যখন হো হো করে অট্টহাসি হাসে তখন তার শীরা-উপশিরায় উত্তেজনা বৃদ্ধি পায় এবং দেহের রক্তচাপ বেড়ে যায়। এটি বেশি মাত্রায় হলে হঠাৎ হার্ট এ্যাটাক করে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।

তাই হাসির ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষা করা জরুরি। বিশেষ করে মৃদ হাসি মানুষের ব্যক্তিত্বের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। মনিষীগণ আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব গঠনের জন্য মুচকি হাসিকে অন্যতম উপায় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এটি দেহ ও মন উভয়ের জন্যই ভালো। তাই তো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে মুচকি হাসিকে সদকা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
আবু যর রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
تبسمك في وجه أخيك لك صدقة
“তোমার অপর ভাইয়ের সম্মুখে তুমি মুচকি হাসি দিলে, তা সদকা হিসেবে পরিগণিত হবে।” (সহীহ তিরমিযী, হা/১৯৫৬) এবং তিনি নিজেও অধিকাংশ সময় মুচকি হাসতেন এবং হাসি-খুশি জীবন যাপন করতেন।
আল্লাহু আলাম।
▬▬▬🌐🔸🌐▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব

[] আমার এক দ্বীনি বোনের মুখে শোনা!!:“শয়তানকে পরাজিত করুনঃ”কোন এক দাওয়াতে এক ভাবী গল্প করছিলেন যে, এক মহিলা যখন তার Husba...
17/12/2019

[] আমার এক দ্বীনি বোনের মুখে শোনা!!
:
“শয়তানকে পরাজিত করুনঃ”
কোন এক দাওয়াতে এক ভাবী গল্প করছিলেন যে, এক মহিলা যখন তার Husband রাগ হয় তখন তিনি আয়াতুল কুরসি পড়েন আর তার স্বামী বিড়াল হয়ে যান।
তখন আর এক ভাবী বললেন, "ভাবী - আয়াতুল কুরসি পড়লে উনার স্বামী বিড়াল হন না বরং ঐ মহিলার সাথের শয়তানটা পালিয়ে যায়।”
ভাবীদের এই কথোপকথন আমাকে ভীষন ভাবে অনুপ্রানিত করেছিল।
তারপর থেকে আমি আমার জীবনে আয়াতুল কুরসি পড়ার প্র্যাকটিস করা শুরু করলাম।
যখন ই বাসায় কেউ রাগ হতো আমি আয়াতুল কুরসি পড়তে থাকতাম। আলহামদুলিল্লাহ এখন এটা আমার অভ্যাসে পরিনত হয়েছে এবং এতে অনেক শান্তি এসেছে।
এক বোনকে যখন আমি এটা বললাম তখন তিনি হেসে বললেন, রাগের সময় তো আয়াতুল কুরসি মনে আসে না।
তাকে চেষ্টা করে দেখার জন্য বললাম যে পরে অভ্যাসে পরিনত হবে।
আপনি যখন আয়াতুল কুরসি বা অন্য কোন দোয়া পড়ার কথা ভাববেন, তখন কোন কঠিন যুক্তিটা দিয়ে অন্যকে হারানো যায় সে কথা টা আপনার মাথায় আসবে না।
এতে ঝগড়াও অনেকটা কমে যাবে। এছাড়াও আমি একটি হাদীস কিচেনের দরজায় লিখে রেখেছিলাম, “যখন তুমি চুপ করে থাকবে ফেরেশতারা তোমার হয়ে উত্তর দিবেন।”
আপনাদের নিশ্চয়ই এই হাদীসটা জানা আছে!
“হযরত আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (দঃ) এর উপস্থিতিতে এক ব্যক্তি হযরত আবু বকর (রাঃ) কে গালাগালি করল।
নবী করীম (সাঃ) ও আবু বকর (রাঃ) উভয়ে নীরব রইলেন।
লোকটি গালাগালি থাকলে আবু বকর (রাঃ) উত্তর দিলেন।
তখন নবীজি ( সাঃ) উঠে চলে গেলেন।
তারপর আবু বকর (রাঃ) তার সাক্ষাৎ করে বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ ( দঃ)! সে আমাকে গালি দিলো, আর আমি নিরব রইলাম।
আর যখনই আমি উত্তর দিলাম, আপনি চলে এলেন।
এর কারণ কি?
নবী করীম (সাঃ) বললেন, যখন তুমি নিরব ছিলে ফেরেশতারা তোমার পক্ষ থেকে উত্তর দিচ্ছিলো।
আর যখনই কথা বললে, ফেরেশতারা চলে গেল আর শয়তান এসে বসলো।
তাই আমি শয়তানের সাথে থাকতে অপছন্দ করলাম।”
এই হাদীসটি আমার আম্মা আমাকে সব সময় মনে করিয়ে দিতেন।
আর বলতে “কেউ কিছু বললে চুপ করে থাকবে বোবার কোন শত্রু নাই।”
একদিন আমার স্বামীর কথার উত্তর দিতে গেলে আমার ৭ বছরের মেয়ে বলে, মা! তুমি কেনো বাবার কথার উত্তর দিচ্ছ? তুমি না এখানে লিখে রেখেছো যে, চুপ করে থাকলে ফেরেশতারা তোমার হয়ে উত্তর দিবে।
সে দিন মেয়েকে বুকে জড়িয়ে ওর জন্য অনেক দোয়া করেছি হাদীসটা মনে করিয়ে দেবার জন্য।
এর ৯ বছর পর আমার ১৬ বছরের মেয়ে স্কুল থেকে এসে যখন বললো -মা! সামিরার মন খুব খারাপ কারন ওর বাবা মা অনেক ঝগড়া করছে।
আমি বলেছি আমার মা আমার বাবা রাগ করলে কোন উত্তর দেয় না, চুপ করে দোয়া পরে।
ঐ দিন প্রশান্তিতে মনটা ভরে গিয়েছিল মনে মনে আয়াতুল কুরসি আর বিড়াল হওয়া গল্প বলা ভাবীদের জন্য দোয়া করেছি।
আপনিও আজই আয়াতুল কুরসি পড়ার অভ্যাস করুন, দেখবেন ফল ইনশা আল্লাহ পাবেনই।
অনেকেই ভাবতে পারে তারমানে কেউ অন্যায় ভাবে কিছু করলে বা বললে চুপ থাকবো নাকি?
অন্যায়কে বাধা দেওয়া তো মু'মিন এর কাজ।
"মু'মিন পুরুষ ও মু'মিন নারীরা একে অপরের হিতাকাংক্ষী বন্ধু।
তারা সৎ কাজের আদেশ করে আর অসৎ কাজে বাধা দেয়।”
(সূরা তাওবাহ, আয়াত ৭১)
কিন্তু উপরের আবু বকর (রাঃ) এর ঘটনাটা দিয়ে বোঝানো হয়েছে রাগ এর নিয়ন্ত্রণ ও এর ফজিলত।
কেউ যখন রাগ করে কথা বলে তখন তার কথার মাঝে নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
এমন কথা সে বলে ফেলতে পারে যাতে তার যবানের হিফাজত ও আমলকে নষ্ট করে ফেলে।
তাই কেউ খারাপ কিছু বললে রাগ করে তার উত্তর না দিয়ে চুপ থাকা ভালো।
ফেরেশতারা আপনার হয়ে তাকে উত্তর দিয়ে দিবে।

গ্রন্থঃ রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের] গৃহে একদিনঅধ্যায়ঃ বিষয়সূচী এবং বিস্তারিতএ এক আকর্ষণীয় ভ্রমণ এ ভ্রমণ রাস...
16/12/2019

গ্রন্থঃ রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের] গৃহে একদিন
অধ্যায়ঃ বিষয়সূচী এবং বিস্তারিত

এ এক আকর্ষণীয় ভ্রমণ

এ ভ্রমণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘর পানে ভ্রমণ ও তার জীবন চরিতের পানে কিছু অবস্থান। তাঁর আদর্শ, আচার-আচরণ ও ব্যবহারই তো একজন মানুষের ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষার সর্বশেষ বস্তু। তবে এটি তখন হবে যখন আমরা এ হতে নেকী ও সওয়াবের প্রত্যাশা করতে পারি। এ ভ্রমণ তো হল এক অপূর্ব নসিহত, উপদেশ, জীবনাদর্শ, উত্তম নমুনা এবং অনুসরণ ও অনুকরণ।

আর এ ভ্রমণ কোন দৈহিক কোন ভ্রমণ নয়, এ ভ্রমণ হল, কিতাব ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মুখনিঃসৃত বর্ণনা কেন্দ্রিক একটি ব্যতিক্রম ভ্রমণ। কেননা, শুধু তিনটি মসজিদ ব্যতীত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘর বা কবর যিয়ারত করা ইত্যাদির উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করা বৈধ নয়। এ মর্মে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন:



لا تشد الرحال إلا إلى ثلاثة مساجد: المسجد الحرام، ومسجدي هذا، والمسجد الأقصى . متفق عليه.



অর্থাৎ: তিনটি মসজিদ ব্যতীত সওয়াবের প্রত্যাশায় ভ্রমণ করা বৈধ না; [আর তা হল:] মসজিদুল হারাম, আমার এ মসজিদ ও মসজিদুল আঁকশা।[1]

অতএব, আমাদের উচিৎ হল, আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদেশ পালনার্থে উল্লেখিত তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য কোনও দিকে সওয়াবের প্রত্যাশায় ভ্রমণ করবো না। আল্লাহ তা‘আলাও বলেন:



﴿ وَمَآ ءَاتَىٰكُمُ ٱلرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَىٰكُمۡ عَنۡهُ فَٱنتَهُواْۚ ٧ ﴾ [الحشر: ٧]



অর্থাৎ: রাসূল তোমাদেরকে যা দেয়, তা তোমরা গ্রহণ কর এবং যা হতে তোমাদেরকে নিষেধ করে তা হতে বিরত থাক।[2]

অতএব,যে সব বিষয় আমাদের জন্য আদর্শ ও নমুনা তা ব্যতীত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরিত্যক্ত চিহ্ন ও নির্দশনাবলী অন্বেষণ করব না। এ সম্পর্কে ইবনে ওজ্জাহ বলেন:



«أمر عمر بن الخطاب رضي الله عنه بقطع الشجرة التي بويع تحتها النبي - صلى الله عليه وسلم - فقطعها لأن الناس كانوا يذهبون فيصلون تحتها، فخاف عليهم الفتنة».



যে বৃক্ষের নিচে বাইয়াতে রিযওয়ান সংঘটিত হয়েছিল, ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সে বৃক্ষ কর্তন করার নির্দেশ দেন ও তা কেটে ফেলা হয়। কেননা জনগণ সে গাছের নিচে গিয়ে সালাত আদায় করত। তাই তিনি জনগণের উপর ফিতনার আশঙ্কা করেছিলেন। [3]

ইবনে তাইমিয়া রাহেমাহুল্লাহ গারে হেরা বা হেরা গুহা সম্পর্কে বলেন: নবুওয়তের প্রাক্কালে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গারে হেরাতে গিয়ে ইবাদাত করতেন এবং তাতেই সর্ব প্রথম অহি অবতীর্ণ হয়। কিন্তু অহি নাযিলের পর কখনও তিনি সেখানে উঠেননি, এমনকি তিনি তার নিকটবর্তীও হননি। তিনি তো কোন দিন যাননি, বরং তার কোন সাহাবিও কোন দিন যাননি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নবুওত প্রাপ্তির পর তেরটি বছর মক্কাতেই অবস্থান করেছেন কিন্তু তিনি কখনও সেখানে যাননি এমনকি সে পাহাড়েও তিনি উঠেন নি। হিজরতের পর তিনি মক্কাতে কয়েকবার এসেছেন, যেমন হুদাইবিয়া সন্ধির ওমরার সময়, মক্কা বিজয়ের বছর এবং সেখানে তিনি প্রায় ২০দিন অবস্থান করেছেন, জিরানা ওমরার সময়ও তিনি গারে হেরাতে যাননি।[4]

এই তো আমরা নবীর শহরে উপস্থিত হবো, এই তো আমাদের সামনে দেখা যাচ্ছে এ শহরের সর্ব বৃহৎ নিদর্শন, আর তা হল ওহুদ পাহাড়। যার সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

«هذا جبل يحبنا ونحبه»



এ পাহাড় আমাদেরকে ভালবাসে আর আমরাও তাকে ভালবাসি।[5]

রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] ঘরে প্রবেশের পূর্বে তার ঘরের ভিত্তি ও কাঠামোর দিকে খেয়াল করি। আমরা তাঁর জীর্ণ কুটির ও সাধারণ বিছানা দেখে আশ্চর্য হবো না। কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন এ ধরার বিলাস ত্যাগীদের মাঝে এক বিরল দৃষ্টান্ত। তিনি দুনিয়ার চাকচিক্য ও সম্পদের দিকে কখনও দৃষ্টিপাত করতেন না। তার নয়ন শীতল হতো নামাযের মাধ্যমে তিনি বলেন: «بل جعلت قرة عينه في الصلاة». “বরং তার নয়ন শীতল হতো নামাযের মধ্যেই[6]।”

তিনি দুনিয়া সম্পর্কে বলেন:



«مالي وللدنيا، ما مثلي ومثل الدنيا إلا كراكب سار في يوم صائف، فاستظل تحت شجرة ساعة من نهار، ثم راح وتركها».



“আমার ধন-সম্পদ ও দুনিয়া বা আমার ও দুনিয়ার উদাহরণ হল: কোন মুসাফির গরমের দিনে চলতে চলতে কোন বৃক্ষের ছায়া তলে দিনের কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিলো, তারপর তা ছেড়ে চলে গেল।[7]

আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘরের সামনে এসে পৌঁছেছি, আমরা মদিনার রাস্তা দিয়ে যাচ্ছি... এই তো আমাদের সামনে ভেসে উঠছে রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] এর স্ত্রীদের কক্ষগুলি, যা খেজুর পাতা ও মাটি দ্বারা নির্মিত, আর কিছু পরস্পর মিলিত পাথর দ্বারা, আর তার ছাদগুলি সম্পূর্ণই খেজুর পাতার ছাউনি।

হাসান রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: আমি ওসমান বিন আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহুর খিলাফতের যুগে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীদের ঘরে প্রবেশ করে দেখতাম, ঘরের ছাদ হাত দিয়ে নাগাল পেতাম।[8]

এতো অতি সাধারণ জীর্ণ-শীর্ণ কুটির এবং ছোট ছোট কক্ষ, তবে তা ঈমান ও আল্লাহর অনুসরণ, অহি ও রিসালাত দ্বারা সজ্জিত।

[1] বুখারী ও মুসলিম [2] সূরা হাশর, আয়াত: ৭ [3] কিতাব আল-ইতিসাম লিল ইমাম সাতবী পৃ: ২৪৮ [4] মাজমুউ আল-ফাতাওয়া ২৭/২৫১। [5] বুখারী, হাদিস: ২৮৯৩ ও মুসলিম, হাদিস: ১৩৬৫ [6] সহীহ ইবনে হাব্বান, হাদিস: ৬৩৫২ আবু দাউদ: ৩০৫৫। [7] তিরমিযী [8] ইবনে সায়াদ এর তাবাকাতুল কুবরা ১/৪৯৯,৫০১, এবং দেখুন: ইবনে কাসীরের সীরাতুন্নাবাবিয়্যায় ২/২৭৪
ইসলামহাউজ. কম

জুমআর দিনের ১ আমলে হাজার বছরের নামাজ-রোজার সাওয়াব মেলে =জুমআর দিনের আমলের অনেক ফজিলত হাদিসে বর্ণনা করা হয়েছে। কিন্তু জুম...
08/11/2019

জুমআর দিনের ১ আমলে হাজার বছরের নামাজ-রোজার সাওয়াব মেলে =
জুমআর দিনের আমলের অনেক ফজিলত হাদিসে বর্ণনা করা হয়েছে। কিন্তু জুমআর দিনের এমন একটি আমল রয়েছে, যা পাঁচটি শর্ত মেনে আদায় করলে হাজার হাজার বছরের নফল নামাজ ও রোজার সাওয়াব পাওয়া যায়।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমআর দিন ৫ কাজ করার মাধ্যমে ১টি আমল করবে। অর্থাৎ জামআর নামাজ পড়তে আসবে। আল্লাহ তাআলা ওই ব্যক্তির মসজিদে আসার প্রতি কদমে ১ বছরের নফল নামাজ ও নফল রোজার সাওয়াব দান করবেন।
কাজ ৫টি হলো-
- জুমআর দিন গোসল করা।
- আগে আগে মসজিদে আসা।
- পায়ে হেঁটে মসজিদ আসা।
- ইমামের কাছাকাছি বসা। এবং
- মনোযোগ দিয়ে খোতবা শোনা।
আমলের সাওয়াব
জুমআর দিন এ পাঁচটি কাজের আমল করলে আল্লাহ তাআলা জুমআ আদায়কারী ওই ব্যক্তির প্রতি কদমে ১ বছরের আমলের সাওয়াব দেবেন।
কী আমলের সাওয়াব দেবেন। তাও হাদিসে বলেছেন প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। আর তাহলো ১ বছরের নফল নামাজ ও নফল রোজার সাওয়াব।
বাড়ি থেকে মসজিদে আসতে যে কয় পদক্ষেপ বা কদম হেঁটে আসবে, ওই ব্যক্তি তত বছর নফল নামাজ ও নফল সাওয়াবের অধিকারী হবে।
ধরা যাক-
কোনো ব্যক্তির বাড়ি থেকে মসজিদে আসতে ১০০ কদম হাটা লাগে। ওই ব্যক্তি যদি উল্লেখিত ৫ কাজ মেনে জুমআর দিন আমল করে তবে তার আমল নামায় ১০০ বছরের নফল নামাজ ও নফল রোজার সাওয়াব যোগ হবে।
হাদিস বিশারদদের মতে, জুমআর দিনের এ আমলের সুযোগের চেয়ে বেশি আমলের সুযোগ লাভের কোনো মাধ্যম নেই।
বিখ্যাত তাবেয়ী সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব বলেন, ‘আমার কাছে নফল হজ করার চেয়ে বেশি উত্তম শুক্রবারের আমল করা।’
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে শুক্রবারের এ আমলটি যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

08/11/2019

মৃত্যুর পর মায়ের চিঠি...
মা মারা যাওয়ার কিছু দিন পর,,, মায়ের ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে মায়ের হাতের লেখা একটি চিঠি পায় তার একমাত্র ছেলে,,,।।
চিঠিতে লেখা ছিল,,, খোকা, এই চিঠি যখন তোর হাতে পড়বে তখন আমি তোর কাছ থেকে অনেক দুরে চলে যাবো,,, যেখান থেকে কেউ কোনো দিন ফিরে আসে না,,,,।
খোকা, তোর অনেক কথাই মনে নেই,,, তাই এই চিঠিতে লিখে গেলাম তোর মনে না থাকা সেই কথা গুলি,,,,। তুই যখন ছোট্ট ছিলি একবার তোর জ্বর এসেছিলো,,, আমি তিন রাত ঘুমাতে পারিনি তোকে বুকে নিয়ে বসে ছিলাম,,, কারন তোকে বিছানায় শোয়ালেই তুই কেঁদে উঠতি,,,।
তোর বাবা আমাকে বলেছিলো তোকে শুইয়ে রাখতে কিন্তু আমি পারিনি...! সে জন্য আমাকে অনেক কথা শুনিয়েছিলো তোর বাবা,,,।
তোকে যখন রাতে বিছানায় শোয়াতাম,,,, তুই প্রশ্রাব করে বার বার বিছানা ভিজিয়ে ফেলতি তখন আমি তোকে আবার শুকনো জায়গায় শোয়াতাম,,, আর আমি তোর প্রশ্রাবে ভেজা জায়গায় শুয়ে থাকতাম,,,।
তোর বাবা যখন মারা গেলো,,, তখন অনেক কষ্টে আমাকে সংসারটা চালাতে হয়েছিলো,,, একটা ডিম ভেজে দুই টুকরো করে তোকে দু'বেলায় দিতাম,,, এমনও দিন গেছে শুধু লবন দিয়ে ভাত খেয়েছি আমি,,, কিন্তু তোকে বুঝতে দেই নাই আমি,,,। একদিন রান্না করার মতো কোনো চাল ছিলো না ঘরে,,, তখন কোনো উপায় না পেয়ে একবাড়িতে কাজ করে কিছু চাল এনে ভাত রেঁধে খাইয়েছিলাম তোকে,,,।
হয়তো তুই ভুলে গেছিস,,, যখন তোর এস এস সি পরিক্ষিার ফি দিতে পারছিলাম না তখন তোর বাবার দেয়া শেষ স্মৃতি নাকফুলটা বিক্রি করে দিয়েছিলাম,,, আরো অনেক কথা আছে যা লিখতে গেলে হয়তো খাতা শেষ হয়ে যাবে,,, কিন্তু লেখা শেষ হবে না,,,।
ভাবছিস এতো কথা তোকে কেন লিখে গেলাম,,, খোকা তুই যখন বড়ো হলি একটা ভালো চাকরি পেলি,, এর কিছুদিন পরে বিয়ে করলি,,, তখন আমি তোদের নিয়ে ভালোই ছিলাম,,,।
মনে আছে খোকা..? একদিন ঘর থেকে কিছু টাকা চুরি হলো,,, সেদিন তুই আমাকে জিগ্যেস করেছিলি আমি তোর টাকার ব্যাপারে কিছু জানি কি না,,, তুই আমাকে সরাসরি কিছু না বললেও আমি বুঝতে পেরেছিলাম তুই আমাকে চোর ভেবেছিলি,,,।
এর কিছুদিন পর তুই আমাকে চোরের অপবাদ দিয়ে অন্য একটি ঘরে রেখে দিলি,,,। খোকা আমার সেই ঘরটিতে থাকতে অনেক ভয় করতো,,, কারন ঘরটি তোদের কাছ থেকে অনেক দুরে ছিলো,,, খোকা তোকে একদিন বলেও ছিলাম আমার একা একা থাকতে ভয় লাগে,,, তুই বলেছিলি মরন আসলে যে কোনো যায়গায় আসবে,,,,।
আমার হাঁটুর ব্যাথাটা বেড়ে ছিলো তাই তোকে বলেছিলাম খোকা, আমাকে কিছু ঔষধ কিনে দিবি,,, তুই বলেছিলি এই বয়সে ঔষধ খাওয়া লাগে না,,, এমনি এমনি ঠিক হয়ে যাবে,,,। খোকা বিছানা থেকে উঠতে পারতাম না,,, শরীরে ফোসকা পড়ে গিয়েছিলো,,, শরীর থেকে পঁচা গন্ধ আসতো,,,
কতো দিন যে স্নান করিনি তা ঠিক বলতে পারবো না,,, খোকা তোর ঘরটা ছিলো আমার ঘরের থেকে অনেক দুরে,,, কখন আশিস কখন চলে যাস আমি কিছুই দেখতে পারতাম না,,, তবুও পথের দিকে তাকিয়ে থাকতাম,,, খোকা, তুই যখন ছোট ছিলি আমি খেতে বসলে তোকে কোলে নিয়ে খেতে বসতাম,,, তবুও কখনো তোকে চোখের আড়াল হতে দিতাম না...।
খোকা, যখন তুই আমার কোলে পায়খানা করে দিতি,,,তোর পায়খানা পরিস্কার করতে আমার একটুও ঘৃনা লাগতো না,,, কিন্তু তুই যখন আমার কাছে আসতি তখন নাকে রুমাল দিয়ে আসতি,, ক্যানোরে খোকা আমার শরীর দিয়ে গন্ধ আসতো বলে,,,? এক কাপড়ে আমাকে কতো মাস যে থাকতে হয়েছে তা আমি ঠিক বলতে পারবো নারে, খোকা,,,।
তুই যখন অনেক দিন পর একবার আমাকে দেখতে এসেছিলি আমার খুব ইচ্ছে ছিলো তোকে বুকে জড়িয়ে ধরি কিন্তু খোকা পারিনি তোকে বুকে জড়িয়ে ধরতে,,,কারণ, আমার শরীরে তো অনেক ময়লা ছিলো,,, তাতে যদি তোর দামি সার্ট প্যান্ট নষ্ট হয়ে যায় এই ভয়েতে তোকে বুকে নিতে পারিনি সেদিন,,,।
খোকা কখনো আমাকে একবারও জিগ্যেস করিসনি, মা তোমার কিছু খেতে মন চায়,,,খাওয়ার কথা থাক,, কতদিন যে তোর মুখে মা ডাক শুনিনি,, তাও ঠিক বলতে পারবো না,,,।
খোকা, আমার কি অপরাধ ছিলো,,, যে আমাকে তোর কাছ থেকে অনেক দুরে রাখলি,,, খোকা, তুই কি পারতি না আমাকে তোর কাছে রাখতে,,,? খোকা তুই কি পারতি না,, আমাকে একটা কাপড় কিনে দিতে,,,,? খোকা, তুই কি পারতি না,, আমাকে একটা ডাক্তার দেখাতে,,,?
আমাকে একটা ডাক্তার দেখালে হয়তো এই পৃথিবীতে আরো কিছুদিন থাকতে পারতাম,,, খোকা, কোনো মা তার সন্তানের কাছে পেট ভরে খেতে চায় না,,, শুধু মন ভরে *_মা_* ডাক শুনতে চায়,,, যা তুই কখনোই বুঝতে চাসনি,,,।
খোকা তোকে একটি শেষ অনুরোধ করছি,, আমার এই চিঠিটা তোর সন্তানদের পড়ে শোনাবি,,, কারণ, তুই বৃদ্ধ হলে তোর সাথে তোর সন্তানেরা যাতে এরকমটি আর না করে,,,,।
ভালো থাকিস খোকা,,,,,।
ইতি,,,,,,,,,,,,,
তোর,,,,,,, মা,,

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনযদি কারো পানিতে মাছি পড়ে যায়,তবে মাছিটিকে পানিতে চুবিয়ে তারপর পান কর!কারণ,মা...
20/10/2019

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

যদি কারো পানিতে মাছি পড়ে যায়,তবে মাছিটিকে পানিতে চুবিয়ে তারপর পান কর!কারণ,মাছির এক ডানায় আছে রোগ,অন্য ডানায় আছে প্রতিকার!
—"(সহীহ বুখারী, 4:54:537)

যিনা কাকে বলে---কোন কাজ গুলো যিনা??✔
_______________________________/
লজ্জা না করে আমাদের সকলের জানা উচিৎ! হে মুসলিম ভাই ও বোনেরা!
জাহান্নামের কঠিন আজাব থেকে বাঁচতে
চাইলে এখনি নিজেকে শুধরাও!
নিজের আবেগ আর মন গড়া যুক্তি দিয়ে
জাহান্নামের আজাব থেকে বাঁচা যাবেনা!
যিনা কী ?
শুধুই অবৈধ ভাবে মেলামেশা করাকে বলা হয়? না!
✔যিনা বহু প্রকারে বিভক্ত。✔
============================
১। কোন বেগানা নারী অথবা পুরুষের
প্রতি দৃষ্টি দেওয়া চোখের যিনা!
২। যৌনতা সম্পর্কিত অশ্লীল কথাবার্তা
বলা জিহ্বার যিনা!
৩। বিবাহ সম্পর্ক ছাড়া অবৈধ ভাবে
কাউকে স্পর্শকরা হাতের যিনা!
৪। ব্যাভি চারের উদ্দেশ্যে হেঁটে
যাওয়া পায়ের যিনা!
৫। সে সম্পর্কিত খারাপ কথা শোনা
কানের যিনা।
৬। যিনার কল্পনা করা ও আকাংখা
করা মনের যিনা!
৭। অতঃপর লজ্জাস্থান একে পূর্ণতা
দেয় অথবা অসম্পূর্ণ রেখে দেয়!
✔(বুখারী,,,মুসলিম,,,সুনানে আবু
দাউদ,,,সুনানে আন-নাসাঈ)✔
------------------------------------
অথচ আমরা কেবল সর্বশেষ ধাপ
টিকেই যিনা মনে করে থাকি!এবার
ভেবে দেখুন আপনি এসব এর কোনো একটির সাথে জড়িত নয়তো?
✔যিনা হারামঃ✔
---------------------------
আল্লাহ তায়ালা যিনাকে হারাম ঘোষণা করে বলেনঃ তোমরা যিনার ধারের কাছেও যাবেনা।কেননা তা অত্যন্ত নির্লজ্জ এবং খারাপ কাজ।"
(সুরা বনী-ইসরাঈল আয়াতঃ ৩২)
✔যিনার শাস্তিঃ✔
------------------------------
রাসুলুল্লাহ (দরুদ) বলেছেনঃ
“আমি স্বপ্নে একটি চুলা দেখতে পেলাম যার উপরের অংশ ছিল চাপা আর নিচের অংশ ছিল প্রশস্ত আর সেখানে আগুন উত্তপ্ত হচ্ছিল,ভিতরে নারী পুরুষরা চিল্লা চিল্লি করছিলো!>
আগুনের শিখা উপরে আসলে তারা
উপরে উঠছে,আবার আগুন স্তিমিত হলে তারা নিচে যাচ্ছিলো,সর্বদা তাদের এঅবস্থা
চলছিলো।আমি জিবরাঈল (আঃ) কে জিজ্ঞেস করলামঃ এরা কারা???
জিবরাঈল (আঃ) বললেনঃ
তারা হলো অবৈধ যৌনচারকারী নারী ও পুরুষ।(বুখারী).যিনা কারীর লজ্জা স্থানের দূর্গন্ধে জাহান্নাম বাসী অস্থির হয়ে উঠবে।
সেদিন যিনা কারীকে পিপাসা মেটানোর
জন্য এই পঁচা পানি দেওয়া হবে।
তাই সবারই উচিত প্রেমিক-প্রেমিকা
নামের এই শয়তানি সম্পর্ক বাদ দেওয়া!
কারন,হাশরের ময়দানে এই সব শয়তানী সম্পর্ক থাকবে না। থাকবে শুধুই আগুন!
সেদিন কেউ কাউকে
চিনবেও না আর বলবে,হায় আফসোস!
আমি যদি রাসুলের দেখানো পথে চলতাম.
(সুরা ফুরকান:আয়াত ২৭)
জালেম সেদিন আপন হস্তদ্বয় দংশন
করতে করতে বলবে, হায় আফসোস!
আমি যদি রসূলের সাথে পথ অবলম্বন করতাম।
অমুক বন্ধুর ডাকে সাড়া না দিতাম তাহলে
আজ আমার এ দশা হতো না।
"যদি কেও না জেনে এই অপরাধ করে থাকে!এবং খাস দিলে আল্লাহর কাছে তাওবা করে তবে আল্লাহ পাক তাকে ক্ষমা করে দিবেন!(ইনশাআল্লাহ)
(সুরা ফুরকান আয়াতঃ ৬৮-৭০)
"হে আল্লাহ এমন গুনাহ্ থেকে আমাদের
সকলকে হেফাজত করুন!【…আমিন…】

চাকুরীজীবি “স্ত্রী” স্বামীর জন্য জাহান্নাম"
'আপনার স্ত্রী-যদি চকুরি করে অথবা চাকুরী করা মেয়ে আপনি বিয়ে করেন। তাহলে অপনার দুনিয়া ও আখিরাত দুইটাই হারাতে হবে, আপনার ঠিকানা জাহান্নাম হবে ।
কারন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভবিষ্যৎ বানীর উপরে আপনি সতর্ক হননি । কুরআনের নির্দেশনা আপনি মানেন-নি ।
সূরা নিসা – আয়াত-34 পুরুষেরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে।সে মতে নেককার স্ত্রীলোকগণ হয় অনুগতা এবং আল্লাহ যা হেফাযতযোগ্য করে দিয়েছেন লোক চক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাযত করে। আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদেরকে সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ কর এবং প্রহার
কর । যদি তাতে তারা বাধ্য হয়ে যায়,তবে আর তাদের জন্য অন্য কোন পথ অনুসন্ধান করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সবার উপর শ্রেষ্ঠ ।
"আর হে নবী! মু’মিন মহিলাদের বলে দাও তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত করে রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানগুলোর হেফাজত করে আর তাদের সাজসজ্জা না দেখায়, যা নিজে নিজে প্রকাশ হয়ে যায় তা ছাড়া। সূরা নুর- আয়াত-30-31
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভবিষ্যৎ বানী____
1) নারী পরুষের উপরে কর্তৃত্ব দেখাবে ।
2) মহিলা নেতা হবে ।
#আপনার_স্ত্রী_চাকুরী_করলে_আপনার_____আখিরাত________কি_ভাবে_হারাবেন…?
১) প্রথমত আপনি আল্লাহর আয়াতের বিরুদ্ধাচারন কারী,এবং আপনার দ্বায়িত্ব আপনার পরিবার ও আপনার স্ত্রীর খরচ বহন করা । খরচ বহন বলতে এটা নয় যে, স্ত্রীর জন্য 3000 টাকার শাড়ি কেনা ।
২) আপনি রাসূলের ভবিষ্যৎ বানীতে সতর্ক হননি ।
৩) আপনার স্ত্রী পর্দা-না করে অফিসে যাওয়ার কারনে শত শত মানুষ তার সাথে চোখের জেনা করছে, সহ কর্মিদের সাথে আড্ডা দিচ্ছে । পৃথীবিতে প্রায় 90% চাকুরীজিবি মহিলা পর্দা করে না বা পর্দা করলে ওই চাকুরি করা যায় না ।
(পর্দা মানে___ টাইট বোরকা পারা নয়, মাথায় হিজাব পরা নয়, বিভিন্ন ডিজাইনের কাটা ফাটা বোরকা পরা নয় ।)
৪) স্বামীর হক আদায় করছে না ।
৫) আপনার স্ত্রী সাজ-সজ্জা করে অফিসে যাচ্ছে, এবং সুন্দর্য প্রদর্শন করছে । (যা সরাসরি আল্লাহর আয়াতের বিরুদ্ধাচান,
৬) মহিলাদের চাকুরি করা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অদর্শ নয় ।
৭) আপনার স্ত্রীর সন্দর্য উপভোগ করে কোন যুবক জেনায় লিপ্ত হতে হবে । আপনার স্ত্রীর চাকুরি করার কারনে পাশের বাড়ির মেয়েটাও চাকুরি করার অনুপ্রেরনা পাবে । হারাম কাজ করা ও অনুমতি দেয়া, নিজের সামনে সাভাবিক ভাবে করতে দেয়ার কারনে আপনি ও আপনার স্ত্রী উভই জাহান্নামী হবে । এবং আপনি আখিরাত হারাবেন ।
যারা উপরের ও নিচের বিষয়গুলোর যথার্ততা যাচা্ই করে চাকুরি করতে চায় তারা চাকুরি করতে পারবে । তবে বর্তমান এই বিষয়টা সহজ নয় ।
৮)আপনি হয়ত ভাবছেন স্ত্রী চাকরী করলে টাকা বেশী ইনকাম হবে,শান্তিতে থাকতে পারবেন । কিন্তু ঘটে তার উল্টা তার ইনকামের টাকা সে তার ইচ্ছা মত খরচ করবে । আর আপনার ইনকাম দিয়ে সংসার ও তার খরচ চলবে ।
৯)অফিসের কাজের প্রয়োজনে তাকে রাতে বাড়ি ফিরতে হতে পারে । যা কুরআন হাদিস ও সামাজিক ভাবে খুবই বিপদজনক ।
১০)সারাদিন অফিসে থাকায় সে বাড়ির স্বাভাবিক কাজ করতে সময় পাবে না । আপনাকেই আপনার কাপড় ধুতে হবে । শুধু তাই নয় আপনার স্ত্রীর কাপড় ধুতে হবে । সেটা কোন ব্যাপার না কিন্তু স্ত্রীর আপনার যে সাহয্যকারী হবার কথা ছিল ঠিক উল্টোই হবে ।
১১)আপনাকে আপনার মা/বাবা থেকে আলাদা করে নিজের মত অন্য জায়গায় থাকার বন্দোবস্ত করবে । কারন সে কোন ঝামেলা নিতে পছন্দ করবে না ।
১২) তার প্লান আপনাকে সব থেকে বেশী প্রধান্য দিতে হবে ।
১৩) সারাদিন অফিসে থাকায় রান্না ও খাওয়া আপনার ও আপনার পরিবারের সাভাবিক কর্যক্রম ব্যাহত হবে ।
১৪) অফিস শেষে দুই জনই ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরে একে অন্যের উপর খবরদারী করতে হবে ।
দুই জনই ব্যস্ত থাকায় নিজেদের মধ্যে ভালোবাসা কমে যাবে ।
১৫) দুজনের অফিসের চিন্তায়/ক্লান্ত থাকায় আপনাদের শারিরিক মিলনে প্রভাব ফেলবে, যা পরবর্তীতে ভয়ংকর রুপনিবে ।
১৬) আপনাকে আপনার, আপনার স্ত্রীর, আপনার অফিসের, আপনার স্ত্রীর অফিসের চিন্তা করতে হবে ।
১৭) সন্তান জন্ম নিলে ছোট থেকেই অন্যের কাছে রেখে অফিসে যেতে হবে । যা আপনার সন্তানের বিপথে নেবার সম্ভাবনা অনেক বেশী ।
১৮) পরিবার-টা আপনার হলেও আপনার কোন দাম থাকবে না । আপনাকে শুধু আপনার পরিবারের সিকিউরিটি গার্ডের দ্বায়িত্ব পালন করতে হবে ।
১৯) আপনার মেয়েও আপনার স্ত্রীর পথ অনুসরন করবে । কেউ কাউকে যথা যত সময় দিতে পারবেন না ।
২০) পৃথীবিতে যত বড় পন্ডিত-ই আপনি হন না কেন, স্ত্রী চাকরি করলে আপনাকে আপনার স্ত্রীর গোলামী করতেই হবে । (অবিরাম গ্যারান্টি)
২১) আপনার স্ত্রীর অন্য কারোর সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পরতে পারে ।
২২) আপনার স্ত্রী যেহেতু ইনকাম করে,তাই সেই কারনে আপনাকে সে প্রাধান্য দিবে না ।
২৩) সিদ্ধান্ত যাই হোক আপনাকে আপনার স্ত্রীর সিন্ধান্ত অনুযায়ী চলা ফেরা করতে হবে ।
২৪) দুজনই সম ক্ষমতা লাভ করায় কেউ কাউকে তোয়াক্কা করে চলতে চাইবে না । বিশেষ করে আপনার - স্ত্রী ।
২৫) আমি তোমার রান্না/কাপড় ধোয়ার জন্য পড়ালেখা করিনাই এই কথা আপনাকে সারা জিবন শুনতে হবে । কিন্তু আপনি কোন দিন ও বলতে পারবেন না যে, আপনি পড়ালেখা করেছেন কেন !
২৬) শান্তির পিছনে আপনি 320 কিঃ মিঃ গতিতে ছুটলেও শান্তিকে আপনি কখনই ধরতে পারবেন না ।
২৭) সমাজে আপনাকে ভদ্রতা এবং সামাজিকতার মুখোস পড়ে থাকতে হবে ।
২৮) আপনার স্ত্রী ও আপনি দুজনই অন্যের প্রতি আকৃষ্ট হবার সম্ভাবনা বেশী । যা এক সাথে থাকা আর চাকুরি করে আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হবার একেবারে বীপরীত ।
২৯) অধিক সন্তানের পিতা হতে পারবেন না তাই বৃদ্ধ বয়সে আপনাকে সহযোগিতার হাত থাকবে না ।
৩০)এভাবে করেই যখন একজন আর একজনকে মূল্যায়ন না করবে,পরকীয়ায় লিপ্ত হয়ে অহরহ সোনার সংসার ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায় ।
তাহলে এবার আপনিই বলুন! আপনার স্ত্রী কি আপনার জাহান্নামের কারণ নয় ? আপনি যদি আপনার স্ত্রীকে সমান অধিকারের স্লোগান করতে না দিতেন , তাহলে হয়তো জীবনের এমন চরম মূল্য আপনাকে দিতে হতো না ।
আমার এ কথাগুলোর দ্বারা যদি কারো মনে বিন্দু পরিমাণ কষ্ট আসে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন,

এক স্বামীর গল্প যিনি তার স্ত্রীর দিকে তাকাতেও লজ্জা পেতেন
[এ গল্পটি বলেছিলেন কার্ডিওভাসকুলার সার্জন প্রফেসর খালিদ আল জুবাইর, তারই এক লেকচারে।]
একবার আমি আড়াই বছরের এক বাচ্চার চিকিৎসা করি। এটা ছিল এক মঙ্গলবার এবং বুধবারে বাচ্চাটির স্বাস্থ্য বেশ ভালই ছিল। বৃহস্পতিবার সকাল ১১.১৫ এর দিকে ... আমি কখনই ঐ সময়টার কথা ভুলতে পারবো না তখনকার প্রচন্ড আলোড়নের কারনে। এক নার্স আমাকে এসে জানালো যে একটি বাচ্চার হৃদযন্ত্র এবং শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে গেছে। আমি তাড়াতাড়ি বাচ্চাটির কাছে গেলাম এবং প্রায় ৪৫ মিনিটের মত কার্ডিয়াক মাসাজ করলাম। এই পুরো সময়টা জুড়ে হৃদপিন্ড কাজ করে নি।

তারপর, আল্লাহর ইচ্ছায় পুনরায় হৃদপিন্ড তার স্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপ শুরু করলো এবং আমরা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করলাম। আমি শিশুটির পরিবারকে তার অবস্থা সম্পর্কে জানাতে গেলাম। আপনারা হয়ত জানেন যে, রোগীর পরিবারকে তার খারাপ অবস্থা সম্পর্কে জানানোর বিষয়টা কতটা বিব্রতকর। একজন চিকিৎসকের জন্য এটা সবচাইতে কষ্টসাধ্য কাজগুলোর একটি যদিও এর দরকার আছে। তাই আমি বাচ্চার বাবাকে খুজতে লাগলাম কিন্তু পাচ্ছিলাম না। তখন আমি বাচ্চাটির মাকে দেখতে পেলাম। আমি তাকে জানালাম যে রোগীর গলায় প্রচুর রক্তক্ষরন হৃদপিন্ডের এই হঠাৎ অচলাবস্থার কারন; আমরা রক্তক্ষরনের সঠিক কারন বলতে পারছি না এবং আশংকা করছি তার মস্তিষ্ক মরে গেছে। ... আপনাদের কি মনে হয়? এ কথা শুনে বাচ্চাটির মায়ের প্রতিক্রিয়া কি ছিল? সে কি কান্না শুরু করেছিল? আমাকে দোষারোপ করছিলো? না। এমন কিছুই হয় নি। বরং তিনি বললেন, “আলহামদুলিল্লাহ! (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহতা’আলার)” এবং চলে গেলেন।

প্রায় ১০ দিন পর, বাচ্চাটি নড়তে শুরু করলো। আমরা আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জ্ঞাপন করলাম এবং খুব আনন্দিত হলাম এ কারনে যে তার মস্তিষ্কের অবস্থা বেশ ভালই ছিল। ১২ দিন পর বাচ্চাটির হৃদযন্ত্র আবার বন্ধ হয়ে গেল সেই একই জায়গায় রক্তক্ষরনের ফলে। আমরা ৪৫ মিনিটের মত আরেকটা কার্ডিয়াক মাসাজ করলাম কিন্তু এবারে আর কাজ হল না, হৃদপিন্ড চালু হলো না। আমি বাচ্চার মাকে জানালাম যে, আর কোন আশা নেই। তখন সে বলল, “আলহামদুলিল্লাহ! হে আল্লাহ, যদি ওর সুস্থতায় কোন মঙ্গল থেকে থাকে তবে ওকে সুস্থ করে দাও, হে আমার প্রভু!”

আল্লাহর অশেষ রহমতে একটু পরে বাচ্চার হৃদপিন্ড আবার সচল হলো। একজন অভিজ্ঞ ট্রাকিয়া বিশেষজ্ঞ রক্তক্ষরন বন্ধ করতে সক্ষম হওয়ার পর হৃদপিন্ডের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসা পর্যন্ত এই ছেলেটি আরো ৬ বার এরকম হৃদপিন্ডের অচলাবস্থার স্বীকার হয়েছিল। ইতোমধ্যে সাড়ে তিন মাসের মত হয়ে গেছে এবং বাচ্চাটি সুস্থ হচ্ছিল বটে কিন্তু চলাফেরা করতে পারছিল না। তারপর যখনই সে একটু করে চলতে আরম্ভ করলো, এর চাইতেও অদ্ভুত এবং বিরাট আরেক মস্তিষ্কের সমস্যা দেখা দিল তার, যা আমি কখনও এর আগে দেখি নি। আমি তার মাকে এই মারাত্নক ঝামেলার কথা জানালাম এবং তিনি কেবল বললেন, “আলহামদুলিল্লাহ!” এবং চলে গেলেন।

আমরা অনতিবিলম্বে বাচ্চাটিকে অন্য একটি সার্জিকাল ইউনিটের হাতে তুলে দিলাম যারা মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র নিয়ে কাজ করে এবং তারা বাচ্চাটির চিকিৎসা চালিয়ে যেতে লাগলো। তিন সপ্তাহ পর বাচ্চাটি মস্তিষ্কের জটিলতা কাটিয়ে উঠলেও নড়াচড়া করতে পারছিল না। আরো দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেল এবং এখন অদ্ভুত এক রক্তদুষনের স্বীকার হলো এবং শরীরের তাপমাত্রা প্রায় ৪১.২ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডে (১০৬ ডিগ্রী ফারেনহাইট) উঠলো। আমি পুনরায় বাচ্চার মাকে এই ভীষন নাজুক পরিস্থিতির বিষয়ে অবহিত করলাম এবং তিনি বরাবরে মতনই ধৈর্য্য ও দৃঢতার সাথে বললেন, “আলহামদুলিল্লাহ! হে আল্লাহ, যদি ওর সুস্থতায় কোন মঙ্গল থেকে থাকে, তবে ওকে সুস্থ করে দাও।”

৫ নং বেডের বাচ্চার পাশে বসে থাকা এই মায়ের সাথে কথা শেষে আমি গেলাম ৬ নং বেডের আরেক শিশুর কাছে। এই শিশুটির মা কাঁদছিল এবং চিৎকার করছিল, “ডাক্তার! ডাক্তার! কিছু একটা করেন। আমার ছেলের শরীরের তাপমাত্রা ৩৭.৬ ডিগ্রী সেঃ (৯৯.৬৮ ডিগ্রী ফাঃ) সে মারা যাচ্ছে! সে মারা যাচ্ছে!” আমি অবাক হয়ে বললাম, “ঐ ৫ নম্বর বেডের মায়ের দিকে তাকান। তার সন্তানের ৪১ ডিগ্রী সেঃ (১০৬ ডিগ্রী ফাঃ) এর ওপরে জ্বর। এরপরেও উনি শান্ত রয়েছেন এবং আল্লাহর প্রশংসা করছেন।” সে বললো, “ঐ মহিলার কোন বোধশক্তি নেই এবং কি হচ্ছে সে বিষয়ে কোন জ্ঞান নেই।” ঠিক এই মুহুর্তে আমার মনে পড়ে গেল রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর একটা হাদিসের কথা ... “আগন্তুকদের জন্য সুসংবাদ!” কেবল দুইটি শব্দ ... কিন্তু এই শব্দ দুটো নিঃসন্দেহে একটা পুরো জাতিকে আলোড়িত করবার ক্ষমতা রাখে। আমার দীর্ঘ ২৩ বছরের চিকিৎসা জগতের জীবনে এই বোনটির মত ধৈর্য্যশীল আর কাউকে দেখি নি।

আমরা বাচ্চাটির যত্ন চালিয়ে যেতে লাগলাম এবং ইতোমধ্যে প্রায় সাড়ে ছয় মাস কেটে গেছে এবং বাচ্চাটি অবশেষে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে বেরিয়েছে রিকভারি ইউনিট থেকে। হাটতে পারে না, দেখতে পায় না, শুনতে পাচ্ছে না, নড়তে পারছে না, হাসছে না ... এবং এমন নগ্ন বুক নিয়ে বেরিয়ে এসেছে যেন হৃদপিন্ডের স্পন্দনগুলো পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। শিশুটির মা নিয়মিত পোশাক পরিবর্তন করানো ইত্যাদি চালিয়ে যাচ্ছিলেন এবং ধৈর্য্যশীল থাকলেন আর ছিলেন আশাবাদী। আপনারা কি জানেন পরবর্তীতে এর কি হয়েছিল? আপনাদেরকে সে বিষয়ে বলবার আগে বলুন, এই শিশুটির সম্পর্কে আপনারা কি ধারনা করেন যে কিনা এত এত কঠিন রোগ-শোক, বিপদের মুখোমুখি হয়ে এসেছে? এবং এই মৃত্যুপথযাত্রী শিশুর সহনশীল মায়ের কাছে আপনারা কি আশা করেন যার কেবল মাত্রা আল্লাহতা’আলার কাছে দু’আ আর সাহা্য্যের প্রত্যাশা করা ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না? আপনারা জানেন আড়াই বছর পর কি হয়েছিল? এই শিশুটি সম্পূর্ণরূপে আরোগ্য লাভ করে ছিল আল্লাহতা’আলার অশেষ রহমত এবং এই পরহেযগার মায়ের পুরষ্কার হিসেবে। সে এখন তার মায়ের সাথে দৌড়ে বেড়ায় যেন কোন দিনই তার কিছুই হয় নি এবং সে সুঠাম স্বাস্থ্যবান হয়ে উঠেছে যেমনটি আগেও ছিল।

গল্প এখানেই শেষ নয়। এটা সে জিনিস নয় যা আমাকে আলোড়িত করেছিল এবং আমার চোখে পানি নিয়ে এসেছিল। যে জিনিসটি আমায় কাদিয়েছিল তা হচ্ছে,

বাচ্চাটি হাসপাতাল থেকে বের হবার প্রায় বছর দেড়েক পর অপারেশন ইউনিটের একজন আমাকে জানালো যে একলোক, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ আমার সাথে দেখা করতে চায়। আমি তাদের পরিচয় জানতে চাইলে সে বলল সে চেনে না। তো আমি তাদের দেখার জন্য গেলাম এবং দেখলাম এরা সেই ছেলেটির মা-বাবা আমি যার চিকিৎসা করেছিলাম। ছেলেটির তখন পাঁচ বছর এবং একটি ফুটফুটে ফুলের মতন স্বাস্থ্যবান হয়ে উঠেছে এরই মাঝে যেন তার কখনই কিছু হয় নি। তাদের কোলে চার মাস বয়সী আরেকটি ছোট বাচ্চা ছিল সেদিন। আমি তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালাম এবং কৌতুক করে বাবাকে জিজ্ঞেস করলাম এই কোলের বাচ্চাটি কি তাদের ১৩ তম নাকি ১৪ তম সন্তান। তিনি আমার দিকে চমৎকার এক হাসির সাথে তাকালেন যেন আমার জন্য তার করুণা হচ্ছে। তিনি বললেন, “সদ্য ভূমিষ্ট এই শিশুটি আমাদের দ্বিতীয় সন্তান, আর আপনি যার চিকিৎসা করেছিলেন সে ছিল আমাদের প্রথম সন্তান যাকে আমরা পেয়েছিলাম ১৭ বছরের অনুর্বরতার পর। এই শিশুটিকে পাবার পর, সে এমন সব বিপদের সম্মুখীন হয়েছে যা আপনি নিজেই দেখেছেন।“

একথা শুনে, আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারছিলাম না এবং এরই মাঝে আমার চোখ দুটো কান্নায় ভিজে উঠেছে। আমি তারপর হালকাভাবে লোকটির হাত ধরে টেনে আমার রুমে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম তার স্ত্রীর সম্পর্কে। “কে আপনার এই স্ত্রী যিনি ১৭ বছরের বন্ধাত্বের পর পাওয়া পুত্রের এত মারাত্নক সব বিপর্যয়ের মূহুর্তগুলোতেও প্রচন্ড ধৈর্য্যের সাথে মোকাবিলা করেছেন? তার অন্তর বন্ধা হতে পারে না। অবশ্যই সেটা বিশাল ইমানের দ্বারা উর্বর।” আপনারা জানেন তিনি কি উত্তর করেছিলেন? ভালো করে শুনে রাখুন হে আমার প্রানপ্রিয় ভাই ও বোনেরা। তিনি বলেছিলেন, “আমার সাথে এই মহিলার বিয়ে হয়েছিল ১৯ বছর ধরে এবং এই দীর্ঘ সময়ে আমি কখনও তাকে কোন সংগত কারন ছাড়া তাহাজ্জুদ সালাত ছেড়ে দিতে দেখি নি। আমি দেখিনি তাকে কখনও পরনিন্দা করতে, অযথা গল্প-গুজবে মত্ত হতে কিংবা মিথ্যা বলতে। যখনই আমি বাড়ি থেকে বের হয় বা ফিরে আসি সে নিজে দরজা খুলে দেয়, আমার জন্য দু’আ কর এবং আমাকে আপ্যায়ন করে। এবং সে যা কিছু করে সে সর্বোচ্চ ভালবাসা, যত্ন, সৌজন্য এবং মমত্বের পরিচয় রাখে।” লোকটি শেষ করলো এভাবে, “নিশ্চয়ই, ডাক্তার সাহেব, সে যে সমস্ত আদর্শ আচরন ও মমত্ববোধের সাথে আমার সাথে আচরন করে, আমি এমনকি তাঁর দিকে চোখ তুলে তাকাতেও লজ্জাবোধ করি।” তাই আমি তাকে বললাম, “সত্যিই। ঠিক এমনটিই সে আপনার কাছ থেকে প্রাপ্য।”
এখানেই শেষ।

আল্লাহ বলেন,
“এবং অবশ্যই আমি তোমাদিগকে পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের। যখন তারা বিপদে পতিত হয়, তখন বলে, নিশ্চয় আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা সবাই তাঁরই সান্নিধ্যে ফিরে যাবো।।“
(সুরা আল বাকারাহ ১৫৫-১৫৬)
♥বউঃ আমি আর তোমার
সংসার করতে পারবোনা
কাল চলে যাবো বাপের বাড়ি,
"
♥স্বামিঃ কি হয়েছে বলবাতো
আমাকে খুলে বলো Plz..
"
♥বউঃ কি আর হবে সারাদিন
ঘরের কাজ করতে করতে
বোর হয়ে যাই তার পরেও
তোমার মায়ের মন পাইনা
যখন যা খুশি তাই বলে
আমি আর পারছিনা.......
"
স্বামিঃ দেখো এই ঘোর দুয়ার
সবিতো তোমার আর #মা
বুড়ো মানুষ আর কয়দিন আছে
নিজের #মা ভেবে সয্য করে
না Plz
"
বউঃ তাই ভেবেইতো এতো
দিন আছি নইলে--
আচ্ছা তুমিতো তো আমাকে
আর মাকে খুব ভালোবাসো
তাইনা-
"
♥স্বামিঃ অবশ্যোই কেনো-
"
♥বউঃ আচ্ছা ধরো একটা
নৌকায় তোমার #মা আর
আমি নদীর মাঝখানে ডুবে
মরে যাচ্ছি--
কিন্তু তুমি একজনকেই বাচাঁতে
পারবে আর একজনকে মরতে
হবে তখন তুমি কি করবা শুনি,
"
♥স্বামিঃ দেখো যে #মায়ের জন্য
পৃথিবী দেখেছি তাকে তো আর
মরতে দিতে পারিনা কারন সে
আমার #মা
আর তোমাকে আমি এতোটাই
ভালোবাসি যে তোমাকে ছাড়া
থাকতেও পারবোনা-
তাই আগে #মাকে বাচাঁবো
তার পরে নাহয় আমিও তোমার
সাথে ডুবে মরবো-
কারন তুমিইতো আমার জীবন
মরনের সাথী ।
"
বউঃ তার স্বামিকে জড়িয়ে
ধরে কাঁদছে আর বলছে সত্যি
তুমি আমাকে এতো ভালোবাসো
আমি প্রোমিজ করছি আর
কনোদিন এসোব কথা বলবোনা।
:
♥শিক্ষাঃ রাগ না করে, নিজের বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে "স্ত্রীকে" বোঝান, ইনশাআল্লাহ দেখবেন পরিবারটি জান্নাতি হয়ে উঠবে।
♥আপুটিও পর্দার ব্যাপারে ছিলেন সচেতন। তার ফ্রেন্ড লিস্ট ছিলো গায়রে মাহরাম মুক্ত এবং চ্যাটের ক্ষেত্রেও ছিলো তাই ।মেসেজ রিকুয়েস্টে এক নবাগত তার সাথে যোগাযোগ করতে খুবই আগ্রহী।

মেসেজে বিভিন্নভাবে সে আপুটিকে এটা বুঝালো যে, আপুটির মতো দ্বীনদার মেয়ে নাকি বিরল,ঠিক এমন একজনকে সে জীবনসঙ্গী হিসেবে চায়,তার পরিবার নাকি অনেক খুঁজেও এমন দ্বীনদার একজন মেয়ে পেলোনা! এখন আপুটি যদি রাজি থাকেন তবে তার সাথে যেনো একটু কথা বলেন এবং তিনি আপুটিকে সিভি দিতে চান।

অন্যদিকে আপুটির জন্য তার ফ্যামিলি দ্বীনদার একজন ছেলে খুঁজছিলেন, যদিও সেরকম কাওকে তখনও পাওয়া যায়নি।তাই আপুটির মনে হলো, ফ্যামিলি থেকে চেষ্টা করে তেমন দ্বীনদার কাওকে যেহেতু পাওয়া যাচ্ছেনা তাহলে বরং ওই মেসেজদাতার প্রোফাইলে গিয়েই দেখা যাক কী অবস্থা।যাইহোক প্রোফাইল ঘুরে দেখা গেলো, ছেলে উচ্চ শিক্ষিত এবং পুরো প্রোফাইল ঘেটে ছেলেকে মোটামুটি দ্বীনদারই মনে হলো।


যদিও শুধুমাত্র প্রোফাইল বা আরও অনেক কিছু ঘেটে বা যাচাই বাছাই করেও সত্যিকার দ্বীনদার চেনা যায়না ;অনলাইনের এই জগতে তো নয়ই।

(উপরের কথাটা কয়েকবার রিপিট করে পড়ো বোন)।


যাইহোক ওই আপু এরপর ওই ছেলের মেসেজ রিকুয়েস্ট একসেপ্ট করলেন, চ্যাট করলেন, ফ্যামিলিকে জানালেন এবং ছেলে তার সিভিও দিলো একসময়।মেয়ের ফ্যামিলির সম্মতিতে একসময় মেয়েকে দেখতে আসলো ছেলে।
মেয়ে দেখার পর ছেলে মেসেজ পাঠিয়ে "আলহামদুলিল্লাহ "বলে পছন্দ করেছেন জানালেন।

এরপর চলতো দিনরাত চ্যাট, ফোনে কথাবার্তা এবংছেলের অনুরোধে মেয়ে নিজের ছবিও দিয়ে দিলো।
আর এসমস্তই ছিলো হারাম। ইসলামী শরীয়ত যারা জানেন, তারা ভালোভাবেই জানেন, বিয়ের আগ পর্যন্ত এসমস্ত কথাবার্তা, চ্যাট, ছবি আদান প্রদান -সমস্তই শরীয়ত বহির্ভূত কাজ।

আপুটি মনের দিক থেকে অপরাধবোধে ভুগতেন ঠিকই, তারপরও ওই ছেলের মন রক্ষার্থে তার সাথে একরকম রিলেশনে জড়িয়ে গেলেন!

কিছুদিন পর দেখা গেলো সেই ছেলে আর আপুটির সাথে যোগাযোগ করতে চায়না, এবং আপুটি খুব বুঝতে পারলো তাকে ইগনোর করা হচ্ছে।এদিকে আপুর ফ্যামিলি এবং রিলেটিভদের অনেকের কাছে ব্যাপারগুলো আর অজানা ছিলোনা, তাই আপুটি এই সম্পর্কটিকে বিয়ের রূপ দিতে মরিয়া হয়ে গেলেন।

অসংখ্য মেসেজ এবং কাকুতি মিনতির পর ছেলেটি জানালো, এখন আর তার কাছে মেয়েটির সাথে কথা বলতে ভালো লাগেনা,
তাই সে আর যোগাযোগ করে না!

ততোদিনে বোনটির সমস্ত প্রার্থনা আর চাওয়া পাওয়ার জগতে ওই হতভাগা জায়গা করে নিয়েছে।

বোনটি প্রতিটি প্রার্থনায় ওই ছেলেকে চাইতো,জায়নামাজে অশ্রু বিসর্জন দেয়া অসংখ্য রাত কেটেছিলো তার।
পরিশেষে বোনটি তার ভুল বুঝতে পারে,সে বুঝতে পারে পরিপূর্ণ পর্দার হাকীকত, বুঝতে পারে পরিপূর্ণ পর্দার মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা একজন নারীকে ঠিক কতোটা সুরক্ষিত একটি জীবনের নিশ্চয়তা দেয়।তারপর আল্লাহর মাগফেরাতের দরিয়ায় ডুবে যায় সে রব্বে কারীমের রহমতের দরজায় কড়া নেড়ে ;পরিপূর্ণ তাওবাকে বরণ করে নিয়ে।

তার একটি কথা আমার মনকে খুব আলোড়িত করেছিলো।তার প্রচন্ড অসহায়ত্বের সময় সে বলেছিলো, "পর্দানশীল এই আমি হতে পারতাম পবিত্র একজন পুরুষের আরাধ্য, আর আজকের এই আমি ভুল জায়গায় কদম দেয়ায় হয়ে গেলাম কোনো এক কাপুরুষের অবহেলার পাত্র! "

-আসলেই তাই।

পরিপূর্ণ পর্দা রক্ষা করা একজন নারী সমস্ত দুনিয়া ও দুনিয়ার মালিকের দরবারে যে আসনে থাকে,হাজার যুগ সাধনা করেও পর্দাহীনা একজন নারীর পক্ষে সেই আসন লাভ সম্ভব নয়।


★যাইহোক এই ঘটনাটি বলার বিশেষ কারন হলো, ওই আপুটি ঠিক যে জায়গায় ভুল করে ভুল সিদ্ধান্ত নিলেন, আমাদের অনেক বোনই ঠিক একই জায়গায় এসে ভুল করে ফেলেন।

আর তা হলো, পরিবার যখন তাদের জন্য দ্বীনদার পাত্রের ব্যবস্থা করতে পারেনা, তখন ইনবক্সের এইসব আবর্জনাযুক্ত মেসেজগুলোর মাঝে বোনগুলো সম্ভাবনা খুঁজে পায়! এইসব মেসেজে সম্ভাবনা খুঁজে পাবার মূলে রয়েছে শয়তানের অত্যন্ত শক্তিশালী কিছু কুমন্ত্রনা। শয়তান যে কুমন্ত্রনাগুলো তখন অন্তরে ঢালা শুরু করে,

' পরিবার তো দ্বীনদার ছেলে খুঁজে পেলোনা, কে জানে হয়তো মেসেজ দাতা এই ছেলেই প্রকৃত দ্বীনদার! '

'তুমি তো আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছো, কে জানে মেসেজদাতা এই ছেলেই হয়তো আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত তোমার জন্য!'

' ছেলেটার প্রোফাইলটা একটু ঘুরেই দেখোনা, সমস্যা কী। রিকুয়েস্ট একসেপ্ট করে সামান্য একটু কথা বললে কী এমন সমস্যা হয়ে যায়!''

-এই কুমন্ত্রনাগুলোকে আমরা আমাদের নিজস্ব চিন্তা হিসেবে গ্রহন করে ফেলি এবং দ্বীনদার পাত্র নির্বাচনের অজুহাতে হারাম একটা সম্পর্কের সূচনা করে ফেলি।

শয়তানের প্রচন্ড শক্তিশালী আরেকটি বিশেষ কুমন্ত্রনা হলো, "এভাবে ফেসবুকে পরিচয়ে বিয়ে হয়ে অন্য কেউ কী সুখী হয়নি? "

-বোন তুমি পর্দানশীল, এই কুমন্ত্রনায় তুমি পরাজিত হতে পারোনা।তোমার লক্ষ্য শুধু সুখী হওয়া নয়, তোমার লক্ষ্য আল্লাহর দ্বীনকে নিজের জীবনের প্রতিটি স্টেপে গ্রহন করে, আল্লাহর রাজী খুঁশি মতো জীবন পরিচালনা করে দুনিয়া ও আখিরাতে কামিয়াবী অর্জন করা।

আমি জানি উপরের এই প্রশ্নটি তোমার জীবনে বারবার আসে ঘুরেফিরে। শুধু শয়তানের পক্ষ থেকেই নয়, বরং তোমার পর্দাহীনা চ্যাটিং, ডেটিং করা পরিচিত বোনদের থেকেও আসে।

সেক্ষেত্রে প্রশ্নটি আসে আরেকটু আপগ্রেড হয়ে, " প্রেম করে, চ্যাটিং করে, ডেটিং করে ....ইত্যাদি ইত্যাদি করার পর বিয়ে করে কী অনেকে সুখী হয়নি?
মা বাবার পছন্দে বা শরীয়ত নির্দেশিত পথে বিয়ে করে কী কেউ দুঃখী হয়নি? "

এক্ষেত্রে আমি জাস্ট একটি উদাহরণই তোমাকে দিবো, এবং আমার বিশ্বাস এই উদাহরণ থেকেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর মিলবে।

♥"মনে করো তুমি এবং তোমার ওই ডেটিং করা প্রশ্নকারী বোন একসাথে খেতে বসলে।
দুজনই ভাত নিয়েছো, তবে ভাতের সাথে তুমি নিয়েছো রান্না করা মাছ আর ওই বোন নিয়েছে রান্না করা সাপ।সে খুব দ্রুতগতিতে ভাতের সাথে ওই হারাম (সাপ) কে লোকমায় ভরে তৃপ্তি মেরে খাচ্ছে আর তুমি ভাতের সাথে হালাল (মাছ) খাচ্ছো।একপর্যায়ে তোমার গলায় কাঁটা বিধে গেলো আর ততোক্ষণে সে তার খাওয়া শেষ করে মস্ত বড় এক ঢেকুর তুললো।তোমার গলায় কাঁটা বিধেছে দেখে তাচ্ছিল্য ভরে সে বললো, "দেখলে বান্ধবী, তুমি খেতে গিয়ে কতো কষ্ট পেলে আমাকে অনুসরণ না করে আর আমি কতো মজা করে খেলাম ;কতো তৃপ্তির ঢেকুর তুললাম।"

তুমি শান্তি অথচ দৃঢ় কন্ঠে জবাব দিলে, "তুলনা করোনা সখী, তোমারটা ছিলো হারাম আর আমারটা হালাল ;
হালাল ও হারামে এভাবে তুলনা চলেনা। "

-হ্যাঁ, উপরোক্ত প্রশ্নগুলোর উত্তরও তাই।পবিত্র একটি জীবনের সাথে হারাম রিলেশন দিয়ে সূচনা করা জীবনগুলোর কোনোই তুলনা চলেনা।

এরপর কোনো গায়রে মাহরাম যখন আবর্জনাযুক্ত কোনো মেসেজ দিবে এবং শয়তান যখন কুমন্ত্রনাগুলো ঢালতে থাকবে, আশা করি উপরের উদাহরণটি তোমাকে ধোঁকা থেকে বাঁচাতে সাহায্য করবে ইনশাল্লাহ।
★ওই সমস্ত তথাকথিত দ্বীনদার (?)মেসেজদাতাদের উদ্দেশ্যে জাস্ট দুইটা কথা বলতে চাই,

'যদি মনের শয়তানি থেকে ইনবক্স করে থাকেন তবে আপনাকে শায়েস্তা করার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। '

'আর যদি বিয়ের উদ্দেশ্যে ইনবক্সে আমন্ত্রণ করে আবর্জনাগুলো প্রেরণ করে থাকেন তবে শুনুন প্রকৃত পর্দানশীল কোনো নারী এসব আবর্জনা গ্রহন করেন না। '

কাজেই প্রকৃত দ্বীনদার পেতে চাইলে আল্লাহর কাছে অন্তর দিয়ে প্রার্থনা করুন, রিয়েল লাইফে অভিভাবকের সাহায্য নিন। ফেসবুকের ফেতনাময় জগতে আহলিয়ার খোঁজে চ্যাটিং করতে চাওয়াটা অনেকটা দান সদকা করার নিয়তে অপরের ঘর চুরি করার মতোই হাস্যকর।

আর আমার দ্বীনি মহলের বোনগুলোকে বলছি, প্রকৃত দ্বীনদার একজন পুরুষ কখনোই গায়রে মাহরাম নারীকে ইনবক্স করবেনা এটা নিশ্চিত থাকো।

তাই মজবুত ইমানের দাবীদার বোনদের বলছি এরকম মেসেজ পাওয়ার সাথে সাথেই ডিলিট অপশন কাজে লাগিয়ে ইনবক্স আবর্জনামুক্ত করে ফেলবে। আর এসব মেসেজে যারা ভবিষ্যতের সম্ভাবনা খোঁজার চেষ্টা করছো তাদের আবার আবার এবং বারবার সাবধান করছি বোন, হারামে আরাম নেই কোনো।

তারপরও যদি তুমি নিজের মনকে কিছুতেই বোঝাতে না পারো বা মেসেজদাতার সাথে কন্টাক্ট করতেই চাও তবে বোন মেসেজদাতার আইডি লিংক তুমি তোমার অভিভাবককে দিয়ে, তাদেরকে বলো কন্টাক্ট করতে।এতে আর যাইহোক গুনাহের দরজা বা হারামের দরজাটা অন্তত বন্ধ থাকবে।


বোন, তোমার ঈমানী জযবা আর তাকওয়ার সূর্যের উপর নির্ভর করছে আগামী প্রজন্মের কান্ডারী উমর বিন আব্দুল আজীজ হবে নাকি হাজ্জায বিন ইউসুফ হবে।

সামনের দিনগুলোতে জাতি প্রভাতের প্রথম আলোর ইশারা পাবে নাকি সম্ভাবনার আকাশটা মেঘে মেঘে ঢেকে যাবে, নির্ভর করছে তোমার আজকের চারিত্রিক পবিত্রতার উপর বোন।

তাই বোন হৃদয়ঝরা অশ্রু দিয়ে বলি তোমায়, তোমার চরিত্র যেনো না হয় অমাবশ্যা রাতের ঘনঘটা, তোমার চরিত্র হোক দীপ্তিমান সূর্যের আলোকছ্টা।

ফেসবুকের এই পিচ্ছিল জগতে চ্যাটিং ডেটিংয়ের ফেতনা থেকে সযত্নে নিজেকে রক্ষা করে আল্লাহর রঙে রঙিন হও বোন।জেনে রেখো আল্লাহর দরবারে তোমার অবস্থান হবে, সেতারার মজলিসের নেতৃত্ব দেয়া ওই চাঁদটির মতোই দ্যুতিময়!

একবার এক শিকারি ছোট্ট একটি পাখি ধরে ফেললো। পাখিটি খুব বুদ্ধিমান ছিলো। পাখিটি শিকারির খুব প্রশংসা করতে লাগলো যে, তুমি এত বড় শিকারি!
জীবনে অনেক বাঘ মেরেছো, অনেক ভাল্লুক মেরেছো, এই করেছো, সেই করেছো। আমি একটা ছোট্ট পাখি, আমার ওজন ১০০ গ্রামও না, আমাকে খেয়ে তুমি কী করবে?
আমাকে খেলে তো তোমার পেটের একটা কোনাও ভরবে না। তার চেয়ে বরং আমাকে ছেড়ে দাও তোমাকে এমন তিনটি মূল্যবান বাণী শোনাবো যা তোমার সারাজীবন কাজে লাগবে। এমনভাবে সে কথাবার্তা বলছিলো যে শিকারির মন গলে গেল। কারণ তেল পেতে সবাই পছন্দ করে। আরেকজনকে গলানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে তেল। সে ভেবে দেখলো, ঠিকই তো। এত ছোট পাখি খেয়ে কোনো লাভ নেই। তার চেয়ে শুনি, পাখিটা কী বলতে চায়। হয়তো এতে আমার লাভ বেশি হবে। শিকারি রাজি হওয়ায় পাখিটি বললো, আমি প্রথম বাক্যটি বলবো তোমার হাতের ওপর বসে, দ্বিতীয় বাক্যটি বলবো এই গাছের ডালে বসে, তৃতীয় বাক্যটি বলবো গাছের মগডালে বসে।
শিকারি বললো, ঠিক আছে। পাখি বললো, ‘কখনো অলীক কল্পনা করো না, যা অবাস্তব সেটা কখনো বিশ্বাস করো না’। শিকারি বললো, খুব ঠিক কথা।
সত্যিই তাই। কখনো অবাস্তব কথায় বিশ্বাস করতে নেই। পাখি বললো, এবার আমাকে গাছের ডালে যেতে দাও। আমি দ্বিতীয় বাক্যটি বলবো। শিকারি ছেড়ে

Address

চৌমুহনী মিয়ারপুর
Chaumuhani

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islam is my Religion posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share