Śrīmati Yaśōdā Dēbī

Śrīmati Yaśōdā Dēbī Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Śrīmati Yaśōdā Dēbī, Religious Center, Chattogram, Chattogram.

🙇 SHREE RADHA 🙌🌸Dua Lipa - ACTRESSThe Hidden Secrets Behind Dua Lipa’s Stellar Success---------------            -------...
17/06/2025

🙇 SHREE RADHA 🙌🌸
Dua Lipa - ACTRESS
The Hidden Secrets Behind Dua Lipa’s Stellar Success---------------
----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
In the dazzling world of pop music, few stars shine as brightly as Dua Lipa. With a career that has seen meteoric rise, chart-topping hits, and a legion of adoring fans, the 28-year-old British-Albania singer-songwriter has become a global sensation. Yet behind the glitz and glamour lies a web of secrets that contribute to her phenomenal success. From hidden inspirations to strategic career moves, here’s an inside look at the untold facets of Dua Lipa’s journey to superstardom.
A Star is Born: The Early Struggles
Dua Lipa’s path to fame wasn’t paved with gold. Born in London to Albani

🙏রাধে রাধে🙏আজ ২ জ্যৈষ্ঠ (১৭/০৫/২৫ইং) রোজ শনিবার শ্রীশ্রী চৈতন্য চরিতামৃত ৪১০তম জয়ন্তী উপলক্ষ্যে সকল ভক্তদের জানাই গৌর প্...
17/05/2025

🙏রাধে রাধে🙏
আজ ২ জ্যৈষ্ঠ (১৭/০৫/২৫ইং) রোজ শনিবার শ্রীশ্রী চৈতন্য চরিতামৃত ৪১০তম জয়ন্তী উপলক্ষ্যে সকল ভক্তদের জানাই গৌর প্রীতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
আসুন আজ এই বিশেষ দিবসে শ্রীশ্রী চৈতন্য চরিতামৃত গ্রন্থরত্ন সম্পর্কে জেনে নিই।

শ্রীশ্রী চৈতন্য চরিতামৃত আবির্ভাব প্রসঙ্গে শাস্ত্রে বলেছেন----
শাকে সিন্ধ্বগ্নিবাণেন্দৌ জ্যৈষ্ঠে বৃন্দাবনান্তরে।
সূর্যাহেঽসিতপঞ্চম্যাং গ্রন্থঽয়ং পূর্ণতাং গতঃ।।
অর্থাৎ, শ্রীধাম বৃন্দাবনে ১৫৩৭ শকাব্দের জ্যৈষ্ঠ মাসে, রবিবার, কৃষ্ণ পক্ষের পঞ্চমী তিথিতে শ্রীশ্রীচৈতন্য চরিতামৃত গ্রন্থ পূর্ণতা প্রাপ্ত হল।
💙আজ সেই পঞ্চমী তিথি শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত জয়ন্তী। আজকের দিনে শ্রীল কবিরাজ গোস্বামীজী পবিত্র গ্রন্থ রচনা করেন।

শ্রীমন্মহাপ্রভুর লীলা সম্বন্ধে শ্রীচৈতন্যচরিতামৃতের আগে আরো কয়েকখানি গ্রন্থ লিখিত হয়েছিল। তার মধ্যে মুরারিগুপ্তের কড়চা, কবিকর্ণপুরের শ্রীচৈতন্যচন্দ্রোদয় নাটক এবং শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত মহাকাব্যম্, লোচনদাস ঠাকুরের শ্রীচৈতন্যমঙ্গল এবং বৃন্দাবনদাস ঠাকুরের শ্রীচৈতন্যমঙ্গলকেই ভক্তরা শ্রীচৈতন্যভাগবত নাম দিয়েছেন। এই সকল গ্রন্থের মধ্যে বৃন্দাবনদাস ঠাকুর শ্রীচৈতন্যভাগবতই বৃন্দাবনবাসী বৈষ্ণবগণ বিশেষ প্রীতির সাথে পাঠ করতেন।

কিন্তু কোনও গ্রন্থেই শ্রীমন্মহাপ্রভু অন্ত্যলীলা বিশেষভাবে বর্ণনা না হওয়ায় গৌরগত প্রাণ বৈষ্ণবমন্ডলীর গৌরলীলা রসাস্বাদন পিপাসার তৃপ্তি হত না।
ক্রমেই তাঁদের উৎকন্ঠা বৃদ্ধি পেতে লাগল। অবশেষে তারা অতি বৃদ্ধ কবিরাজ গোস্বামীকেই প্রভু শেষলীলা বর্ণনার নিমিত্ত অনুরোধ করলেন।

কবিরাজ গোস্বামী তখন অতি বৃদ্ধ, চক্ষুতে ভাল দেখেন না, কানেও ভাল শুনেন না, লিখিতে গেলে হাত কাঁপে। তিনি নিজেই লিখছেন--
"বৃদ্ধ জরাতুর আমি অন্ধ বধির।
হস্ত হালে, মনোবৃদ্ধি নহে মোর স্থির।।
নানা রোগেগ্রস্ত চলিতে বসিতে না পারি।
পঞ্চরোগের পীড়ায় ব্যাকুল রাত্রিদিনে মরি।।"

বৈষ্ণবের আদেশ পেয়ে তিনি কি করবেন, স্থির করতে না পেরে চিন্তিত অন্তরে শ্রীশ্রীমদনগোপালের মন্দিরে গেলেন। কবিরাজ গোস্বামী যান মদনগোপালের চরণে প্রণত হয়ে তাঁর কর্তব্য সম্বন্ধে মদনগোপাল আদেশ প্রার্থনা করলেন।
হঠাৎ তখন "প্রভুকন্ঠ হৈতে মালা খসিয়া পড়িল।" --মদনগোপালের কন্ঠ হতে একছাড়া ফুলের মালা খসে পড়ল। পুজারী সেই মালা এনে কবিরাজ গোস্বামীর গলায় পরিয়ে দিলেন। কবিরাজ গোস্বামী মনে করলেন--- মালা দান করে শ্রীমদনগোপাল গ্রন্থ প্রণয়নের আদেশ দিলেন। তাই অত্যন্ত আনন্দিত চিত্তে সেস্থানেই তিনি গ্রন্থারম্ভ করে দিলেন।

আজ্ঞা মালা পাঞা মোর হল আনন্দ।
তাঁহাই করিনু এই গ্রন্থের আরম্ভ।
"এ গ্রন্থ লেখায় মোরে মদনমোহন।
আমার লিখন যেন শুকের পঠন।।
সেই লিখি মদনগোপাল যে লেখায়।
কাষ্ঠের পুতলী যৈছে কুহকে নাচায়।।
কুলাধি দেবতা মোর মদনমোহন।
যাঁর সেবক রঘুনাথ, রূপ, সনাতন।।
বৃন্দাবন দাসের পাদপদ্ম করি ধ্যান।
তাঁর আজ্ঞা লৈয়া লিখি যাহাতে কল্যাণ।।
চৈতন্য লীলাতে ব্যাস বৃন্দাবন দাস।
তাঁর কৃপা বিনা অন্যে না হয় প্রকাশ।।
মুখ, নীচ, ক্ষুদ্র মুঞি বিষয় লালস।
বৈষ্ণবাজ্ঞা বলে করি এতেক সাহস।।
রূপ রঘুনাথ চরণের মাত্র বল।
যাঁর স্মৃতে সিদ্ধ হয় বাঞ্ছিত সকল।।
ঐরুপ রঘুনাথ পদে যার আশ।
চৈতন্য চরিতামৃত কহে কৃষ্ণদাস।।"

শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত তিনখন্ডে সম্পূর্ণ---- আদিলীলা-(শ্রীন্মমহাপ্রভু আর্বিভাব হতে সন্ন্যাসের আগে, ১৭ পরিচ্ছেদ আদিলীলা),
মধ্যলীলা-(সন্ন্যাসের পর নীলাচলবাসের প্রথম ছয় বছর ভ্রমনাভ্রমন, ২৫ পরিচ্ছেদ মধ্যলীলা),
অন্তলীলা-(শেষ অষ্টাদশ বছর মহাপ্রভুর বিরহ দশা, ২০ পরিচ্ছেদ অন্ত্যলীলা)।
এই চৈতন্যচরিতামৃত গ্রন্থরত্ন যতই পাঠ করা যায় ততই পাঠের আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পায়। অধিকতর মাধুর্য অনুভুতি হয়। এজন্য কবিরাজ গোস্বামী লিখছেন-
যেবা নাহি বুঝে কেহ, শুনিতে শুনিতে সেহ, কি অদ্ভূত চৈতন্যচরিত।
কৃষ্ণ উপজিবে প্রীতি, জানিবে রসের রীতি, শুনিলেই হয় বড় হিত।
জয় নিতাই জয় গৌর।
শ্রী শ্রী পরম দয়াল গুরুদেব কি, জয়।
শ্রী শ্রী চৈতন্যচরিতামৃত কি , জয়।🙏

শ্রীমদ্ভাগবতে শুকদেব গোস্বামী চার প্রকার চরম অধর্ম বর্জন করার নির্দেশ দিয়েছেন :দ্যুতং পানং স্ত্রীয়ঃ সূনা যত্র অধর্মশ্চতু...
06/05/2025

শ্রীমদ্ভাগবতে শুকদেব গোস্বামী চার প্রকার চরম অধর্ম বর্জন করার নির্দেশ দিয়েছেন :দ্যুতং পানং স্ত্রীয়ঃ সূনা যত্র অধর্মশ্চতুর্বিধঃ।
(ভাগবত ১/১৭/৩৮)
👉🏻১) দ্যুতং- তাস, পাশা, জুয়া, লটারি, শেয়ার মার্কেট, চিট ফা- ইত্যাদি বর্জন করতে হবে।
👉🏻২) পানং- চা, পান, বিড়ি, সিগারেট, গাঁজা, চরস, ভাং, খ.ঝ.উ. ইত্যাদি সমস্ত প্রকার নেশা বর্জন করতে হবে।
👉🏻৩) স্ত্রীয়ঃ- অবৈধ যৌন জীবন বর্জন করতে হবে।
👉🏻৪) সূনাঃ- মাছ ও মাংস জাতীয় খাবার বর্জন করতে হবে।
প্রথম চারটি ইতিবাচক এবং দ্বিতীয় চারটি হচ্ছে নেতিবাচক। চারখানা ইতিবাচক পরম ধর্ম যত বেশি পরিপক্ক হবে, চারখানা চরম অধর্ম তত বেশি দূরে পালাবে। ইতিবাচক পরম ধর্মগুলি ঠিকঠাকভাবে পালিত হচ্ছে, তা প্রমাণ করা জন্য নেতিবাচক চরম অধর্মগুলি বজর্নের বিধান দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ কেউ যদি এই চারটি চরম অর্ধম ত্যাগ করতে অক্ষম হয় তাহলেবুুঝতে হবে যে, সে চারটি পরম ধর্ম সঠিক এবং পর্যাপ্তভাবে পালন করছে না। তাই আমাদের প্রথমে চারটি পরম ধর্মের অনুশীলনে বেশি গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। এই ধর্মগুলি পালন করতে করতে ব্যক্তি যখন অধর্মগুলি বর্জন করতে সামর্থ্য অর্জন করে, তখন সে দীক্ষা লাভের যোগ্যতা অর্জন করে। এবার দেখা যাক, চারটি পরম ধর্ম কিভাবে আমরা পালন করতে পারি-
প্রথম ধর্ম হচ্ছে মন্মনা ভব-
সব সময় কৃষ্ণের কথা চিন্তা কর। চিন্তাই সমস্ত আচরণের মূল। মায়াচিন্তা থেকে মায়িক আচরণ এবং কৃষ্ণচিন্তা থেকে দিব্য আচরণ ব্যক্তির মধ্যে প্রকাশিত হবে। জীবাত্মা যে চুরাশি লক্ষ প্রকার দেহের ভিন্ন ভিন্ন আচরণ করে এর মূলে একশ ভাগই হচ্ছে জীবের চিন্তা। চিন্ময় চিন্তা থেকে পাবে জীব চিন্ময় দেহ। মন্মনা ভব অনুশীলন করার প্রথম উপায় হচ্ছে মনোযোগ দিয়ে প্রতিদিন গীতা, ভাগবত, শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত ইত্যাদি ভক্তিমূলক গ্রন্থ পাঠ করা। এই সব গ্রন্থগুলির ব্যাখ্যা বৈষ্ণবদের শ্রীমুখ থেকে শ্রবণ করতে হবে।মন্মনা ভব অনুশীলনের আরেকটি শক্তিশালী উপায় হচ্ছে প্রতিনিয়ত হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করা। শাস্ত্রে বলা হয়েছে-
উচ্চৈর্জপন্ শ্রোতৃন্ পুনাতি চ(শ্রীনারদীয় পুরাণে প্রহ্লাদ বাক্য) অর্থাৎ উচ্চস্বরে জপ করলে জপকারী ব্যক্তি নিজেকে পবিত্র করার পাশাপাশি শ্রোতাকেও পবিত্র করেন।
তাই “শতগুণাধিক উচ্চৈর্জপন্” অর্থাৎ উচ্চস্বরে জপ করলে শতগুণ বেশী ফল লাভ হয়। আবার, এই উচ্চস্বরে জপের থেকে সমবেতভাবে ষোল নাম বত্রিশ অক্ষরের সংকীর্তন আরও বেশি ফলপ্রসূ। তাই,
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণকৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ॥
এই মহামন্ত্রের সংকীর্র্তনকেই কলিযুগের যুগধর্ম বলে সর্বশাস্ত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিত্যানন্দশক্তি জাহ্নবা মাতার জীবনী ও  জন্মস্থান অম্বিকা-কালনা।  পিতা সূর্যদাস পন্ডিত ও মাতা ভদ্রাবতী দেবীর দুই কন্যা-বস...
06/05/2025

নিত্যানন্দশক্তি জাহ্নবা মাতার জীবনী ও জন্মস্থান অম্বিকা-কালনা। পিতা সূর্যদাস পন্ডিত ও মাতা ভদ্রাবতী দেবীর দুই কন্যা-বসুধা ও জাহ্নবা।

শ্রীসূর্যদাসের গুণ কহিলে না হয়।
বসুধা জাহ্নবা --নামে তাঁর কন্যাদ্বয়।।রূপে গুণে দোহার উপমা নাই দিতে।

মহাপ্রভু নিতাইচাঁদকে বললেন, তুমিও যদি মুনিধর্ম অবলম্বন করে থাকো তাহলে পতিত সংসারের উদ্ধার হবে কিভাবে? গৌড়মণ্ডলে গিয়ে নাম প্রেম প্রচার কর। সংসারী হও। সম্যকরূপে সার যে আমি, তোমার গৃহে যাব। অতএব তুমি কোন চিন্তা করো না মনে।

মহাপ্রভুর আজ্ঞা মেনে নিতাই আসলেন শ্রীগৌড়মন্ডলে।

প্রিয়শিষ্য উদ্ধারণদত্ত সঙ্গে নিত্যানন্দ সূর্যদাসের গৃহে উপস্থিত হয়ে
বিবাহের প্রস্তাব দিলেন।
সেসময় বর্ণপ্রথার প্রবল অনুশাসন থাকায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সমাজের ভয়ে সূর্যদাস কন্যাদানে অসম্মতি জানালেন।
সদানন্দ নিত্যানন্দ গঙ্গাতীরে বটবৃক্ষমূলে গিয়ে বসলেন।

দর্শনে মুগ্ধ বসুধা নিত্যানন্দের ফিরে যাওয়ায় মূর্চ্ছিতা হয়ে পড়লেন।অনেক উপচারেও কিছু হল না কবিরাজ এসে বলল সব শেষ।
গঙ্গাতীরে বসুধার মৃতদেহ সৎকার করতে আনা হলে, নিত্যানন্দের দেখা মিলল।
সূর্যদাস তার পায়ে পড়ে বললেন " আমার মেয়েকে বাঁচিয়ে দিন। আপনার চরণে মেয়েকে সমর্পণ করলাম।"
নিত্যানন্দ অঙ্গগন্ধ পেয়েই বসুধা উঠে বসল মাথায় ঘোমটা দিয়ে লজ্জায় ফিরে বসল।
বেদবিহিত সংস্কার করে উপবীত ধারণ করে মহাসমারোহে বিবাহ সম্পন্ন হল।

একদিন নিত্যানন্দ প্রভু পালংকে বসে আছেন, জাহ্নবা হেসে হেসে তাম্বুল দান করছেন নিত্যানন্দ প্রভু তাকে হাতে ধরে পাশে বসালেন।
পূরবের ভাব মনে হল, তাঁর নিত্য প্রিয়া রেবতী ও বারুনী।
সূর্যদাসকে বললেন, " আপনি তো আমাকে যৌতুক দেন নাই তাই যৌতুক স্বরূপ আপনার এই কনিষ্ঠ কন্যাকে আমি গ্রহণ করলাম।"
সূর্যদাস বলল, " জাতি প্রাণ ধন গৃহ পরিবার সমস্ত তোমার।"

শ্রীগৌরগণোদ্দেশ দীপিকায়াম্-
শ্রীবারুণীরেবত্যোরংশসম্ভবে
তস্য প্রিয়ে শ্রীবসুধা চ জাহ্নবা।
শ্রীসূর্যদাসাখ্যমহাত্মনঃ সুতে
ককুদ্মিরূপস্য চ সূর্যতেজসঃ।।

কেচিৎ শ্রীবসুধাদেবীং কলাবাণীং বিবৃণ্বতি।
অনঙ্গমঞ্জরীং কেচিজ্জাহ্নবাং ক প্রচক্ষতে।
ভয়ঙ্কর সমীচীনং পূর্বন্যায়াৎ সতাং মতম্।।

অনুবাদ--শ্রীগৌরগণোদ্দেশদীপিকায় শ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর প্রিয়াদ্বয় শ্রীবারুণী ও শ্রীরেবতীর অংশসম্ভূত এবং সূর্যের ন্যায় তেজস্বী, ককুদ্মির অবতার মহাত্মা শ্রীসূর্যদাস পন্ডিত। কেহ কেহ শ্রীবসুধাদেবীকে "কলাবাণী" এবং শ্রীজাহ্নবাকে "অনঙ্গমঞ্জরী" বলে থাকেন। সাধুগণও পূর্ব বিচারে উভয়ই সমীচীন মনে করেন।

বিয়ের পর বড়গাছিতে এলেন নিত্যানন্দ, শ্রীবাসের ঘরণী মালিনীর কাছে আশীর্বাদ নিলেন। তারপর নবদ্বীপ গিয়ে শচীমাতার আশীর্বাদ নিলেন। তারপর গাণ্ডীবনগরে (বর্তমানে গাঁটরা)এসে বেশ কিছুকাল অবস্থান করেছিলেন। তারপর সপ্তগ্রামে,শেষে খড়দহে আসেন।
বসুধা মাতার আটপুত্র ও এক কন্যা , একে একে সাত পুত্র মারা গেল। বেঁচে রইল মেয়ে গঙ্গা ও কনিষ্ঠ পুত্র বীরচন্দ্র বা বীরভদ্র।

জাহ্নবা নিঃসন্তান ।
রামচন্দ্র(ইনি পূর্বোক্ত রামচন্দ্র নন) বা রামাই কে পোষ্যপুত্র রূপে গ্রহণ করেছিলেন।
জাহ্নবার প্রিয় বন্দোঁ রামাই গোসাঞি।
যে আনিল গৌড়দেশে কানাই বলাই।।

বর্তমানে বাঘনাপাড়ায় কৃষ্ণ-বলরাম বিগ্রহ আজও সেবিত হচ্ছেন।
বীরচন্দ্রের ইচ্ছা ছিল অদ্বৈত আচার্যের কাছে দীক্ষা নেওয়ার, তাই ভেবে সে শান্তিপুরে যাবার উদ্দেশ্যে বেরিয়েছিলেন, জাহ্নবা রামদাস কে পাঠালেন ডেকে আনতে,ততক্ষণে বীরচন্দ্র নৌকায় উঠেছেন রামদাস অনেক ডাকলেন। কিন্তু শুনতে পেলেন না, কেননা তিনি নাম সংকীর্তন সে সময় ছিলেন মত্ত।রামদাস তার হাতের বাঁশীটি ছুড়ে মারলে নৌকা তৎক্ষণাৎ দ্বিধাবিভক্ত হয়ে যায়। ফিরে আসলেন বীরচন্দ্র এসে নামজপরত মায়ের চরণে প্রণাম করলেন।যুবক পুত্রকে দেখে মা ঘোমটা দেবেন, হাত নাম জপে রত। তখন আর দুহাত বের করে ঘোমটা দিলেন, দেখে বীরচন্দ্র চরণে লুটিয়ে পড়লেন। যথাসময়ে দীক্ষা হয়ে গেল।

নিত্যানন্দ প্রভুর অপ্রকটের পর
জাহ্নবাদেবী ১৫০৫শকে খেতুরীতে শ্রীনরোত্তম ঠাকুর মহাশয়ের অনুষ্ঠিত ছয় বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা মহামহোৎসবে নিমন্ত্রিতা হয়ে আসেন। তিনি খড়দহে ফিরবার কালে তার শ্বশুরের ভিটা দেখতে একচক্রায় এসে নিত্যানন্দ জন্মস্থান শ্রীশ্রীএকচক্রাধাম-যোগপীঠ দর্শন করেন ।
পরে তিনি বৃন্দাবনে গিয়ে গোবর্ধনের গোফায় ভজনরত শ্রীরাঘব পণ্ডিতকে আদেশ দেন নিত্যানন্দ জন্মস্থান সংরক্ষণের জন্য। তারই নির্দেশে পরবর্তীকালে রাঘব পন্ডিত এসে নিত্যানন্দ জন্মস্থানের সেবা সংরক্ষণ করেন। বৃন্দাবনে গৌড়ীয় বৈষ্ণব গণের সেবিত গোবিন্দ গোপীনাথ এবং মদনমোহন মন্দিরে শ্রীকৃষ্ণ বিগ্রহের বামে রাধারাণির বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে তিনিই প্রথম উদ্যোগ নেন। এবং মা জাহ্নবার প্রচেষ্টাতেই এই তিন কৃষ্ণ বিগ্রহের পাশে রাধারাণি অধিষ্ঠিত হন এবং বর্তমানেও সেবিত হচ্ছেন।
পরের বার বৃন্দাবনে গিয়ে গোপীনাথের আরতি করেন।আরতী অন্তে গোপীনাথ মাজাহ্নবার বস্ত্রাঞ্চল আকর্ষণ করে আত্মসাৎ করেন অর্থাৎ তার দেহেই লীন করে নেন।
পরে মূর্তি তৈরি করে গোপীনাথের বামে স্থাপন করা হয়।
তখন থেকেই সব গৌড়ীয়ার গোপীনাথ মন্দিরে গোপীনাথের বামে মাজাহ্নবা বিদ্যমান।

নিত্যানন্দ পরিবারের গুরুপরম্পরায় মূল আসনে মাবজাহ্নবাই অধিষ্ঠিত।
আজ মা জাহ্নবার শুভ আবির্ভাব তিথিতে মায়ের চরণে কোটি কোটি প্রণাম। মা তুমি সকলের আত্যন্তিক মঙ্গল কর, এই প্রার্থনা তোমার শ্রী চরণে।

🙏জয় নিতাই🙏জয় গৌর🙏জয় রাধামাধব🙏
🙏🙏জয় বসুধা-জাহ্নবা মাতা গোস্বামীনি🙏🙏
🙏জয় পতিত পাবন পরম দয়াল শ্রী গুরুদেব কি জয়।🙏



#জাহ্নবামাতা
#নিত্যানন্দববল্লভা

শ্রীমতী জাহ্নবাদেবী ভজনানন্দে থাকা কালে তাঁহার অজ্ঞাতসারে শ্রীঅঙ্গের আবরণ খসিয়া পড়িয়াছিল। যুবাপুত্র বীরচন্দ্রকে দেখিয়া গ...
06/05/2025

শ্রীমতী জাহ্নবাদেবী ভজনানন্দে থাকা কালে তাঁহার অজ্ঞাতসারে শ্রীঅঙ্গের আবরণ খসিয়া পড়িয়াছিল। যুবাপুত্র বীরচন্দ্রকে দেখিয়া গাত্র বস্ত্রাবৃত করিতে চাহিলেন, কিন্তু নামজপের ক্রমভঙ্গ অপরাধ ভয়ে জপে নিযুক্ত দুই হস্ত তিনি আর অন্যভাবে ব্যবহার করিলেন না। অপর দুই হস্ত বাহির করিয়া গাত্রাবাস সংযত করিয়া লইলে—"অপরাধ হয় পাছে নাম ভঙ্গ ক্রমে। আর দুই ভুজে বস্ত্র করিল সম্ভ্রমে॥" নিঃ বং বিঃ। এই প্রকারে চতুর্ভুজারূপে তিনি তাঁহার পুত্রকে ঐশ্বর্য্য দেখাইয়াছিলেন। এইরূপ ঐশ্বর্য্য তিনি তাঁহার বিবাহের পূর্ব্বে শ্রীনিত্যানন্দপ্রভুকেও দেখাইয়াছিলেন।

জাহ্নবাঠাকুরাণী শুধু এই ঐশ্বর্য্যটুকুই পুত্রকে দেখাইয়া নিবৃত্ত হইলেন না। তিনি যে সিদ্ধমন্ত্র দানের সম্পূর্ণ অধিকারিণী এবং শ্রীনিত্যানন্দের পূর্ণশক্তি স্বরূপিণী তাহাও তাঁহার ষড়ভুজারূপী মহাপ্রকাশের দ্বারা পুত্রকে ভালভাবেই বুঝাইয়া দিলেন—"আর দুই হস্তে দেখি শ্রীহল মূষল। শুভ্র শ্বেতকান্তি ষড়ভুজ কি সুন্দর॥"—নিঃ বং বিঃ। ক্ষণকালের জন্য এই মহাঐশ্বর্য্যময়ী রূপ পুত্রকে দেখাইয়া তাহা সম্বরণ করিয়া লইলেন—"তখনি দেখাইয়া মাতা তখনি লুকাইল। দেখি বীরচন্দ্র প্রভু চমৎকার পাইল॥"—নিঃ বং বিঃ। তখন বীরচন্দ্র প্রভু মাতার পদতলে পড়িয়া ভূমিলুণ্ঠিত হইয়া কাঁদিতে কাঁদিতে করযোড়ে নিজ অপরাধের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করিলেন—"ইহা দেখি বীরচন্দ্র পড়ি পদতলে। অপরাধ ক্ষম মাতা এই বোল বলে॥"—নিঃ বং বিঃ। তিনি কাতরস্বরে অনুতাপ করিয়া বলিলেন, 'মা! আমি শাস্ত্রবাক্যের মর্মার্থ হৃদয়ঙ্গম করিতে না পারায় শ্রীঅদ্বৈতপ্রভুর নিকট মন্ত্রগ্রহণ করিতে গিয়াছিলাম; এক্ষণে আপনি আমাকে মন্ত্রদানে কৃতার্থ করুন'—"মন্ত্র দান করি কর আমার উদ্ধার। যে মতে হই এ ভব সংসারের পার॥"—নি বং বিঃ। তখন শ্রীজাহ্নবা মাতা বীরচন্দ্র প্রভুকে ক্রোড়ে লইয়া সস্নেহে বলিলেন, 'বাপ বীরচন্দ্র! স্থির হও, তোমার পূজ্যপাদ পিতৃদেবের আদেশে আমি তোমাকে মন্ত্রোপদেশ করিব। তুমি তোমার পিতার ভজনপন্থা অনুসরণ করিবে। জগতে গৌরনাম ও মন্ত্র প্রচার করিবে—অবিচারে আচণ্ডালে প্রেমদান করিয়া কলিহত জীবোদ্ধার করিবে।' এই বলিয়া শ্রীজাহ্নবা গোস্বামিনী বীরচন্দ্রপ্রভুকে কৃষ্ণ ও গৌর উভয় মন্ত্রে দীক্ষিত করিলেন—"তবে শ্রীজাহ্নবা দুই মন্ত্র কৈল দান॥"

গৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায়ে মা-জাহ্নবাঠাকুরাণীই সর্ব্বপ্রথম আচার্যাণী। ইতিপূর্ব্বে এই সম্প্রদায়ে আর কোন মহিলাকে দীক্ষাদান করিতে দেখা যায় না এবং বীরচন্দ্র প্রভুই মায়ের সর্ব্বপ্রথম দীক্ষা শিষ্য। শ্রীপাদ কৃষ্ণদাস কবিরাজের শ্রীবীরচন্দ্রকে শ্রীনিত্যানন্দের স্কন্ধশাখা বলিয়া বর্ণনের অন্যান্য বহু কারণের মধ্যে উপরোক্ত ঘটনা অন্যতম।

(শ্রীনিমাইচাঁদ গোস্বামী, 'শ্রীশ্রীনিত্যানন্দশক্তি মা-জাহ্নবা')

আজ সীতানবমী— শ্রীমন্নিত্যানন্দপ্রভুর পূর্ণশক্তি, ব্রজলীলায় শ্রীরাধিকানুজা অনঙ্গমঞ্জরীস্বরূপা, শ্রীগুরুরূপিণী ঈশ্বরী জাহ্নবা মাতা গোস্বামিনীর শুভ আবির্ভাবতিথি।
কপি।

❤❤Dua Lipa - ACTRESSThe Hidden Secrets Behind Dua Lipa’s Stellar Success---------------         ------------------------...
03/05/2025

❤❤
Dua Lipa - ACTRESS
The Hidden Secrets Behind Dua Lipa’s Stellar Success---------------
----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
In the dazzling world of pop music, few stars shine as brightly as Dua Lipa. With a career that has seen meteoric rise, chart-topping hits, and a legion of adoring fans, the 28-year-old British-Albania singer-songwriter has become a global sensation. Yet behind the glitz and glamour lies a web of secrets that contribute to her phenomenal success. From hidden inspirations to strategic career moves, here’s an inside look at the untold facets of Dua Lipa’s journey to superstardom.
A Star is Born: The Early Struggles
Dua Lipa’s path to fame wasn’t paved with gold. Born in London to Alban

অক্ষয়_তৃতীয়া_তিথি_একটি_বিশেষ_গুরুত্বপূর্ণ_দিন------------------------------------------------------আগামি ১৬ ই বৈশাখ ১৪৩২...
30/04/2025

অক্ষয়_তৃতীয়া_তিথি_একটি_বিশেষ_গুরুত্বপূর্ণ_দিন
------------------------------------------------------

আগামি ১৬ ই বৈশাখ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ৩০ শে এপ্রিল ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ রোজ বুধবার মহাপবিত্র অক্ষয় তৃতীয়া তিথী।

সনাতন ধর্মাবলম্বীরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এই তিথিটি পালন করে থাকেন। এই তিথিতে যদি কোন পূণ্য কাজ করা হয়, তা চিরঅক্ষয় থাকে এবং পাপ কাজ করলেও চির অক্ষয় থাকে।

অক্ষয় তৃতীয়া তিথিতে কোন পাপ কাজ করলে অন্য কোন ভালো কর্মদ্বারা তা স্খলন করা সম্ভব নয়।

উপরিউক্ত কয়েকটি লাইন পড়ে অনেকের চিত্তই হয়তো জানার আকিঞ্চনে ব্যাকুল হয়ে উঠেছে কি এমন মাহাত্ম রয়েছে এই তিথির?

এবার চলুন সংক্ষেপে আগ্রহের তৃষ্ণা নিবারণের নিমিত্তে অগ্রসর হই---!

গুটি কয়েক বাক্যদ্বারা অক্ষয় তৃতীয়া তিথির মাহাত্ম্য ব্যাখা করা সম্ভব নয়। অক্ষয় তৃতীয়া তিথি হলো- বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথি। অক্ষয় তৃতীয়া বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ তিথি। অক্ষয় শব্দের অর্থ হল যা ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না। বৈদিক বিশ্বাস অনুসারে এই পবিত্র তিথিতে কোন শুভকার্য সম্পন্ন হলে তা অনন্তকাল চিরঅক্ষয় হয়ে থাকে।

যদি ভালো কাজ করা হয় তার জন্যে আমাদের লাভ হয় অক্ষয় পূণ্য, আর যদি খারাপ কাজ করা হয় তবে লাভ হয় অক্ষয় পাপ। তাই এদিন খুব সাবধানে প্রতিটি কাজ করা উচিত। খেয়াল রাখতে হয় ভুলেও যেন কোনো খারাপ কাজ না হয়ে যায়। কখনো যেন কটু কথা না বেরোয় মুখ থেকে। কোনো কারণে যেন কারো ক্ষতি না করে ফেলি বা কারো মনে আঘাত দিয়ে না ফেলি। তাই এদিন যথাসম্ভব মৌন থাকা জরুরী। আর এদিন পূজা, জপ, ধ্যান, দান, অপরের মনে আনন্দ দেয়ার মত কাজ করা উচিত। পুরোটা দিনই কৃষ্ণ চিন্তনে কাটানোর প্রয়াস করা উচিত।

যেহেতু এই তৃতীয়ার সব কাজ অক্ষয় থাকে তাই প্রতিটি পদক্ষেপ ফেলতে হয় সতর্কভাবে।

এদিন যে সকল তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা ঘটেছিলঃ

★ এদিনই বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার পরশুরাম ধরণীতে আবির্ভুত হন।
★ এদিনই রাজা ভগীরথ গঙ্গা দেবীকে মর্ত্যে নিয়ে এসেছিলেন।
★ অক্ষয় তৃতীয়া তিথিতেই বেদব্যাস মহাভারত রচনা শুরু করেন।
★ এদিনই দেবী অন্নপূর্ণা দেবীর আবির্ভাব ঘটে।
★ অক্ষয় তৃতীয়া তিথিতে সত্যযুগের উদয় হয় এবং সেদিন থেকেই ত্রিবেদের প্রতিপাদ্য ধর্মের প্রবর্তন হয়।
★ এই তিথিতেই কুবেরের তপস্যায় তুষ্ট হয়ে মহাদেব তাঁকে অতুল ঐশ্বর্য প্রদান করেন। এদিনই কুবেরের লক্ষী লাভ হয়েছিল বলে এদিন বৈভব লক্ষীর পূজা করা হয়।
★ অক্ষয় তৃতীয়া তিথিতেই সখ্য প্রেমের পরাকাষ্ঠা ভক্তরাজ সুদামা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে দ্বারকায় গিয়ে দেখা করেন এবং তাঁর থেকে সামান্য চালভাজা গ্রহণ করে সখ্যপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত জগতের বুকে স্থাপন করেন।
★ এদিনই দুঃশাসন দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ করতে যায় এবং দৌপদীর পূর্ণ আত্মসমর্পণকে ভগবান সম্মান করে অনন্ত আকারে নিজেকে বস্ত্রের মাঝে সৃষ্টি করে তাঁর সখ্য প্রেমের ভক্ত দৌপদীর সম্মানকে রক্ষা করেন।

শরনাগতকে ভগবান রক্ষা করেন তার উজ্জল দৃষ্টান্ত অক্ষয় তৃতীয়া তিথিটি __

★ এই দিন থেকেই পুরীধামে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উপলক্ষ্যে রথ নির্মাণ শুরু হয়।
★ কেদার বদরী গঙ্গোত্রী যমুনত্রীর যে মন্দির ছয়মাস বন্ধ থাকে এইদিনেই তার দ্বার উদঘাটন হয়। দ্বার খুললেই দেখা যায় সেই অক্ষয়দীপ যা ছয়মাস আগে জ্বালিয়ে আসা হয়েছিল।
★ উৎকলখণ্ডে উল্লেখ আছে শ্রীজগন্নাথদেব ইন্দ্রদুম্ন মহারাজকে অক্ষয়া তৃতীয়া তিথিতে সুগন্ধি চন্দন দ্বারা জগন্নাথের অঙ্গে লেপন করার নির্দেশ দেন। সেদিন থেকেই চন্দন যাত্রা মহোৎসবের শুরু হয়।
★ শ্রীশ্রী চৈতন্যচরিতামৃত গ্রন্থে উল্লেখ আছে বৈষ্ণবচূড়ামণি মাধবেন্দ্রপুরীপাদকে স্বপ্নে তাঁর আরাধ্য ভগবান গোপাল বলেছিলেন আমার শরীরের তাপ জুড়াচ্ছে না। মলয় প্রদেশ থেকে আমার জন্য চন্দন নিয়ে আসো এবং তাহা ঘষে আমার অঙ্গে লেপন করো। মাধবেন্দ্রপুরীপাদের চন্দন যাত্রা মহোৎসবকে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা গুরুত্বসহকারে পালন করেন। এই তিথিতে ভগবানের শ্রীঅঙ্গে চন্দন লেপন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
উপরিউক্ত কারণগুলো ছাড়া আরো অনেক কারনে অক্ষয় তৃতীয়া তিথিটি তাৎপর্যপূর্ণ।

👉অক্ষয় তৃতীয়া সম্পর্কে পুরাণ শাস্ত্রে উল্লেখ আছে-

ধর্মরাজ যুধিষ্ঠির একবার মহামুনি শতানিককে অক্ষয় তৃতীয়া তিথির মাহাত্ম্য কীর্তন করতে বললেন ।

শতানিক বললেন পুরাকালে খুব ক্রোধসর্বস্ব , নিষ্ঠুর এক ব্রাহ্মণ ছিলেন । ধর্মকর্মে তার বিন্দুমাত্র আগ্রহ ছিলনা । একদিন এক দরিদ্র ক্ষুধার্ত ব্রাহ্মণ তার নিকট অন্ন এবং জল ভিক্ষা চাইলেন । রণচন্ডী হয়ে ব্রাহ্মণ কর্কশ স্বরে তাঁর দুয়ার থেকে ভিখারীকে দূর দূর করে তাড়িয়ে দিলেন আর বললেন যে অন্যত্র ভিক্ষার চেষ্টা করতে।

ক্ষুধা-পিপাসায় কাতর ভিখারী চলে যেতে উদ্যত হল ।
ব্রাহ্মণ পত্নী সুশীলা অতিথির অবমাননা দেখতে না পেরে দ্রুত স্বামীর নিকট উপস্থিত হয়ে ভরদুপুরে অতিথি অ্যাপায়ন না হলে সংসারের অমঙ্গল হবে এবং গৃহের ধন সমৃদ্ধি লোপ পাবে একথা জানালেন।

স্বামীর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে ভিখারীকে তিনি ডাক দিলেন, এবং ভিখারীর অন্যত্র যাবার প্রয়োজন নেই সে কথা জানালেন!সুশীলা ত্রস্তপদে তার জন্য অন্নজল আনবার ব্যবস্থা করলেন । কিছুক্ষণ পরেই তিনি অতিথি ভিক্ষুকের সামনে সুশীতল জল এবং অন্ন-ব্যঞ্জন নিয়ে হাজির হলেন । ভিখারী বামুন অতীব সন্তুষ্ট হলেন এবং সে যাত্রায় সুশীলাকে আশীর্বাদ করে সেই অন্নজল দানকে অক্ষয় দান বলে অভিহিত করে চলে গেলেন।

বহুবছর পর সেই উগ্রচন্ড ব্রাহ্মণের অন্তিমকাল উপস্থিত হল। যমদূতেরা এসে তার শিয়রে হাজির হলো। ব্রাহ্মণের দেহপিঞ্জর ছেড়ে তার প্রাণবায়ু বের হ’বার উপক্রম, এই অবস্থায় ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় তার কন্ঠ ও তালু শুকিয়ে গেল। তার ওপর যমদূতেদের কঠোর অত্যাচার। ব্রাহ্মণ তাদের কাছে দুফোঁটা জল চাইল এবং তাকে সে যাত্রায় উদ্ধার করতে বলল।

যমদূতেরা তখন একহাত নিল ব্রাহ্মণের ওপর ।
তারা বলল ” মনে নেই ? তুমি তোমার গৃহ থেকে অতিথি ভিখারীকে নির্জ্জলা বিদায় করেছিলে ?”

বলতে বলতে তারা ব্রাহ্মণকে টানতে টানতে ধর্মরাজের কাছে নিয়ে গেল ।
ধর্মরাজ ব্রাহ্মণের দিকে তাকিয়ে বললেন ”

উনাকে কেন আমার কাছে নিয়ে এসেছ? উনি মহা পুণ্যবান ব্যক্তি। বৈশাখমাসের শুক্লা তৃতীয়া তিথিতে উনার পত্নী তৃষ্ণার্ত অতিথিকে অন্নজল দান করেছেন।

এই দান অক্ষয় দান

সেই পুণ্যে ইনি পুণ্যাত্মা। আর সেই পুণ্যফলে উনার নরক গমন হবেনা । ব্রাহ্মণকে তোমরা জল দাও । শীঘ্রই ইনি স্বর্গে গমন করবেন।

অক্ষয় তৃতীয়া তিথিটি আমাদের উচিত অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে পালন করা।

৹ আমিষাহার পরিত্যাগ করা উচিত, কেননা প্রাণিহত্যা মহাপাপ।
৹ কৃষ্ণপ্রসাদ গ্রহণ করা উচিত।
৹ কৃষ্ণমন্দিরে ভোগ, চন্দন, ফুল, ফল, অর্থ ইত্যাদি দান করা উচিত।
৹ এদিন খুব সাবধানে প্রতিটি কাজ করা উচিত।
৹ কখনো যেন কটু কথা না বেরোয় মুখ থেকে।
৹ কোনো কারণে যেন কারো ক্ষতি না করে ফেলি বা কারো মনে আঘাত দিয়ে না ফেলি।
৹ তাই এদিন যথাসম্ভব কৃষ্ণকথা বলা উচিত।
৹এদিন পূজা,জপ,ধ্যান,দান,অপরের মনে আনন্দ দেয়ার মত কাজ করা উচিত।
৹ যেহেতু এই তৃতীয়ার সব কাজ অক্ষয় থাকে তাই প্রতিটি পদক্ষেপ ফেলতে হয় সতর্কভাবে।

এবারের অক্ষয়তৃতীয়া সবার ভালো কাটুক – এই কামনায় করি।

আসুন আমরা সবাই অক্ষয় তৃতীয়া তিথির সারাটি দিন কৃষ্ণ চিন্তনে সাধুসঙ্গে কৃষ্ণনাম জপ করে কাটাই।

অনুগ্রহ করে সবাই প্রবন্ধটি শেয়ার করে সবাইকে
অক্ষয় তৃতীয়া তিথির মাহাত্ম জানিয়ে দিন।
🙏জয় নিতাই🙏জয় গৌর🙏জয় রাধামাধব🙏
🙏জয় পতিত পাবন পরম আরাধ্য শ্রী গুরুদেব🙏

Address

Chattogram
Chattogram

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Śrīmati Yaśōdā Dēbī posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share