Let's know in the depth of Islam.

Let's know in the depth of Islam. Hey Allah, guide us and take us on the straight path.

20/05/2026

আল্লাহ তায়ালা বলেন, তোমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় ( ক্যালেন্ডারে ) মৃত্যু নামক সত্যটিকে মাথায় রেখো!
মনে রাখো কি?

06/05/2026

To change the life...

SubhanAllah!
04/05/2026

SubhanAllah!

=== কুরআনের মিরাকল===কুরআনের আয়াত সংখ্যার রহস্য ! আমরা যদি কুরআন এনালাইসিস করি এবং কুরআনের প্রত্যকেটি সূরার আয়াত সংখ্যা ...
06/12/2025

=== কুরআনের মিরাকল===
কুরআনের আয়াত সংখ্যার রহস্য !
আমরা যদি কুরআন এনালাইসিস করি এবং কুরআনের প্রত্যকেটি সূরার আয়াত সংখ্যা যোগ করি তাহলে কুরআনের আয়াত সংখ্যা পাওয়া যায় ৬২৩৬ টি। কুরআনের আয়াত সংখ্যার রহস্য ! কুরআন ও গণিত কুরআনের আয়াত সংখ্যার রহস্য !

https://www.qurananalysis.com/ সহ আরও বেশ কয়েকটি সাইটের দেয়া তথ্য অনুযায়ী পবিত্র কুরআনের আয়াত সংখ্যা হচ্ছে ৬২৩৬ টি।

এই ৬২৩৬ সংখ্যাটি একটি মিরাকুলাস সংখ্যা! কারন এই সংখ্যাটির মধ্যে কুরআনের কোড ১৯ কে লুকায়িত রাখা হয়েছে।

আমরা জানি ১৯ সংখ্যাটি কোরআনের একটি লুকায়িত কোড। পবিত্র কোরআনের অনেক কিছুই ১৯ সংখ্যাটি দিয়ে পুরাপুরি ভাগ করে ফেলা যায়। যেমনঃ কোরআনের সূরার সংখ্যা ১১৪ টি ১৯ দিয়ে বিভাজ্য (১১৪/১৯= ৬), ” বিসমিল্লাহ-হির-রহমানির রাহীম” এ অক্ষর সংখ্যা ১৯টি ইত্যাদি। কিন্তু কুরআনের আয়াত সংখ্যার সাথে কি ১৯ এর কোন সম্পর্ক আছে?

সূরা মুদ্দাসসিরের ৩০ এবং ৩১ নং আয়াতে মহান আল্লাহ (৭৪ঃ ৩০-৩১) এই ১৯ সংখ্যাটির দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। কুরআনের আয়াত সংখ্যার রহস্য !
৭৪ঃ৩০ এ বলা হয়েছে–এর উপর নিয়োজিত আছে উনিশ । [সুরা মুদ্দাসসির – ৭৪:৩০]
এখন আমরা দেখব ৬২৩৬ সংখ্যটির মধ্যে কিভাবে ১৯ সংখ্যাটি লুকায়িত আছ–

৬২৩৬ সংখ্যাটির প্রত্যেক ডিজিটকে আগের ডিজিটের সাথে যোগ করি–

অর্থাৎ ০৬২৩৬=

০+৬= ৬

৬+২=৮

২+৩=৫

৩+৬= ৯

যোগ করার পর প্রাপ্ত ডিজিটগুলোকে পাশাপাশি বসালে পাওয়া যায়– ৬৮৫৯

এখন ৬৮৫৯= ১৯x১৯x১৯ বা ১৯ এর ট্রিপল!

23/11/2025

Du'aa when you wake up

All Praise is due to Allah, who gave Strength to my Body, and Returned to me my Soul, and Permitted me to Remember Him

Jaami' At Tirmidhi - Vol 6, Hadith 3401

09/03/2025

রোজার পরিবর্তে ফিদিয়া কখন ও কীভাবে দিতে হয়

যে বৃদ্ধ বা অসুস্থ ব্যক্তির রোজা রাখার সামর্থ্য নেই এবং পরবর্তীতে কাজা করতে পারবে— এমন সম্ভাবনাও নেই, এমন ব্যক্তি রোজার পরিবর্তে ফিদিয়া প্রদান করবে। (সুরা বাকারা: ১৮৪)

ছাবেত আলবুনানী (রহ.) বলেন, আনাস ইবনে মালেক (রা.) যখন বার্ধক্যের কারণে রোজা রাখতে সক্ষম ছিলেন না তখন তিনি রোজা না রেখে (ফিদিয়া) খাবার দিতেন। (মুসান্নাফে আবদুর রাযযযাক, হাদিস ৭৫৭০)

Advertisement

ইকরিমা (রহ.) বলেন, আমার মা প্রচণ্ড তৃষ্ণা-রোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং রোজা রাখতে সক্ষম ছিলেন না। তার সম্পর্কে আমি তাউসকে (রহ.) জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, ‘প্রতিদিনের পরিবর্তে মিসকীনকে এক মুদ (বর্তমান হিসাবে পৌনে দুই কেজি) পরিমাণ গম দান করবে। (মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হাদিস ৭৫৮১)

মাসআলা

এক রোজার পরিবর্তে এক ফিদিয়া ফরজ হয়। এক ফিদিয়া হল, কোনো মিসকিনকে দুই বেলা পেট ভরে খাবার খাওয়ানো অথবা এর মূল্য প্রদান করা।

হজরত সায়ীদ ইবনে মুসায়্যিব (রহ.) বলেন—(আর যাদের রোজা রাখা অত্যন্ত কষ্টকর তারা ফিদিয়া—একজন মিসকিনকে খাবার প্রদান করবে) এই আয়াত রোজা রাখতে অক্ষম বৃদ্ধের জন্য প্রযোজ্য। (মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হাদিস ৭৫৮৫; আলমুহীতুল বুরহানী ৩/৩৬৯; আদ্দুররুল মুখতার ২/৪২৬)

যাদের জন্য রোজার পরিবর্তে ফিদিয়া দেওয়ার অনুমতি রয়েছে তারা রমজানের শুরুতেই পুরো মাসের ফিদিয়া দিয়ে দিতে পারবে। (আদ্দুররুল মুখতার ২/৪২৭; আলবাহরুর রায়েক ২/২৮৭)

উপরোক্ত দুই শ্রেণীর মানুষ ছাড়া (অর্থাৎ দুর্বল বৃদ্ধ ও এমন অসুস্থ ব্যক্তি, যার ভবিষ্যতে রোজার শক্তি ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই) আরো যাদের জন্যে রোজা ভাঙা জায়েজ আছে, (যেমন, মুসাফির, গর্ভবতী ও শিশুকে স্তন্যদানকারিণী) তারা রোজা না রাখলে রোযার ফিদিয়া দেবে না; বরং পরে কাজা করবে।

আর ওযরের হালতে মৃত্যুবরণ করলে কাজা ও ফিদিয়া কিছুই ওয়াজিব হবে না। অবশ্য ওযরের হালত শেষ হওয়ার পর, অর্থাৎ মুসাফির মুকিম হওয়ার পর, গর্ভবতী নারীর সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়া ও স্রাব বন্ধ হওয়ার পর এবং স্তন্যদানকারিণী স্তন্যদান বন্ধ করার পর যদি মৃত্যুবরণ করে তাহলে ওযর শেষে যে কয়দিন সময় পেয়েছে সে কয়দিনের কাজা জিম্মায় আসবে। কাজা না করলে উক্ত দিনগুলোর ফিদিয়া প্রদানের ওসিয়ত করে যেতে হবে। (আদ্দুররুল মুখতার ২/৪২৩—৪২৪; কিতাবুল হুজ্জাহ আলা আহলিল মাদীনাহ ১/২৫৫)

আরও পড়ুন: তারাবির নামাজ পড়িয়ে বিনিময় নেওয়া যাবে কি?

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, গর্ভবতী নারী ও শিশুকে স্তন্যদানকারিণীর জন্যে রমজানে রোজা না রাখার অবকাশ রয়েছে। তারা ফিদিয়া আদায় করবে না; বরং রোজাগুলো কাযা করে নেবে। (মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হাদিস ৭০৬৪)

ছুটে যাওয়া রোজার কাজা সম্ভব না হলে মৃত্যুর পূর্বে ফিদিয়া দেওয়ার ওসিয়ত করে যাওয়া জরুরি। ওসিয়ত না করে গেলে ওয়ারিশরা মৃতের পক্ষ থেকে ফিদিয়া দিয়ে দিলে আশা করা যায়, আল্লাহ তাআলা কবুল করবেন।

তবে মৃতব্যক্তি ওসিয়ত না করে গেলে সেক্ষেত্রে মিরাসের ইজমালী সম্পদ থেকে ফিদিয়া দেওয়া হবে না। একান্ত দিতে চাইলে বালেগ ওয়ারিশরা তাদের অংশ থেকে দিতে পারবে। (রদ্দুল মুহতার ২/৪২৪-—৪২৫; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২০৭)

এক রোজার ফিদিয়া একজন মিসকিনকে দেওয়া উত্তম। তবে একাধিক ব্যক্তিকে দিলেও ফিদিয়া আদায় হয়ে যাবে। একাধিক ফিদিয়া এক মিসকিনকে দেওয়া জায়েজ।

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, যে বৃদ্ধ রোজা রাখতে সক্ষম নন তিনি রোজা না রেখে প্রতি দিনের পরিবর্তে একজন মিসকিনকে আধা সা (অর্থাৎ প্রায় পৌনে দুই কেজি) গম দিয়ে দেবেন। (মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হাদিস ৭৫৭৪; আলবাহরুর রায়েক ২/৮৭; আদ্দুররুল মুখতার ২/৪২৭)

17/02/2025
11/02/2025

ভাষা দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণ অর্জন করে গড়ে তুলুন উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ!

আপনার বাংলা, ইংরেজি ও আরবি ভাষায় দুর্বলতা কি ক্যারিয়ারের অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করছে?

এবার সময় আপনার!

যোগ দিন আমাদের “ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড লিডারশিপ ফাউন্ডেশন” কোর্সে।

🔗 আবেদন করতে ক্লিক করুন: https://forms.gle/Bq5BHmwASoMhqZfd7

11/02/2025

Address

Chandpur, Chottogram
Chandpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Let's know in the depth of Islam. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share