কুরআনের বার্তা

কুরআনের বার্তা কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে ইসলামের সুন্দর বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই আমাদের উদ্দেশ্য।✨

30/06/2026
“ঘরে ঘরে এমন অজস্র আবু জা*হেল আছে”ছেলে ইমুতে মেসেজ পাঠিয়েছে-“বাবা আপনার নামে ২০ হাজার টাকা ছেড়েছি, এ টাকা দিয়ে আপনি ডাক্...
30/06/2026

“ঘরে ঘরে এমন অজস্র আবু জা*হেল আছে”
ছেলে ইমুতে মেসেজ পাঠিয়েছে-
“বাবা আপনার নামে ২০ হাজার টাকা ছেড়েছি, এ টাকা দিয়ে আপনি ডাক্তার দেখাবেন, ফল কিনে খাবেন। গোপন নাম্বারে পাঠিয়েছি, আপনি আইডি কার্ড নিয়ে জনতা ব‍্যাংকে গেলেই টাকা পেয়ে যাবেন”।
(গোপনীয়তার স্বার্থে পিন নাম্বারটি দিলাম না)।
ছেলের কথা মতো বাবা আজ জনতা ব‍্যাংক গৌরীপুর শাখায় এসেছেন টাকা তোলার জন‍্য। বেশ অসুস্থ শরীর তাঁর। কোনমতে লাঠিতে ভর করে চলাফেরা করেন। বললাম- এই শরীর নিয়ে একা একা আসা ঠিক হয়নি আপনার।
তিনি জানালেন- সাথে আসার মতো কাউকে পাননি বলে কষ্ট করে একাই এসেছেন। টাকা তুলে ডাক্তার দেখিয়ে তারপর বাড়ি ফিরবেন।
মুরুব্বিকে আমার রুমে বসিয়ে সহকর্মীকে বললাম ওনার টাকাটা পে-আউট করে দেয়ার জন‍্য। কিছুক্ষণ পর আমার সহকর্মী জানালো, এই টাকার বেনিফিসিয়ারী তিনি নন, অন‍্য আরেকজন। পরবর্তীতে গোপন পিন নাম্বারটি আমি নিজে কয়েক বার মিলিয়ে দেখলাম, সহকর্মীর কথাই সত‍্যি। পরে ভদ্রলোকের কাছে জানতে চাইলাম উল্লেখিত ব‍্যাক্তিকে আপনি চিনেন কিনা। নাম শোনতেই তাঁর দু’চোখে জলের তান্ডব দেখলাম!
অভাগা বাবা কাঁদতে কাঁদতে লাঠিতে ভর দিয়ে চলে গেলেন।
তখন নায়ক রাজ্জাকের “বাবা কেনো চাকর” সিনেমাটির কথা মনে পড়ে গেল। হৃদয়ে বাজতে লাগলো- আমার মতো এমন সুখী নেইতো কারো জীবন…..
বুঝতে পারলাম, ছেলে তার শ্বশুরকে পাঠানো মেসেজটি ভুলক্রমে বাবার মোবাইলে পাঠিয়ে দিয়েছেন। ঘন্টা দেড়েক পর একজন তড়তাজা ভদ্রলোক এসে সে টাকা উঠিয়ে নিয়ে গেলেন। তারঁ সাথেও কথা হল। জানতে চাইলাম কে টাকা পাঠিয়েছেন।
মাঝ বয়োসী ভদ্রলোক জানালো - “আমার জামাই, নবীর দেশে থাকে। খুব ভালো ছেলে, কয়েক মাস পর পর শরীর চেকআপের জন‍্য টাকা পাঠায়। পাগল একটা জামাই!, দোয়া করবেন স‍্যার।
আমি কিছুক্ষণের জন‍্য স্তব্দ হয়ে গেলাম। ভাবলাম বাবা ছেলেকে বড় করে নবীর দেশে পাঠিয়েছিলেন ঠিকই, এখন সে আবু জাহেলের দেশে বাস করে……
মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন
ব‍্যবস্থাপক,জনতা ব‍্যাংক পিএলসি.গৌরীপুর শাখা।

জোহরের সময় বাইরে থাকাতে অন্য একটা মসজিদে নামাজ পড়েছি। ফেরার সময় ভাবলাম অফিসে না ঢুকে অফিসে পাশের মসজিদে কিছুক্ষণ শুয়ে থা...
29/06/2026

জোহরের সময় বাইরে থাকাতে অন্য একটা মসজিদে নামাজ পড়েছি। ফেরার সময় ভাবলাম অফিসে না ঢুকে অফিসে পাশের মসজিদে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকবো।
তখন ঘড়িতে প্রায় সোয়া দুইটা। মসজিদে ঢোকার সময় দেখলাম একটা সাদা রংয়ের ল্যান্ড ক্রুজার V8 মডেলের একটা গাড়ি মসজিদের সামনে থামলো।
পঞ্চাশোর্ধ বেশ হ্যান্ডসাম এক ভদ্রলোককে দুই জন ধরে গাড়ি থেকে নামালো।
ভদ্রলোকের কোমড়ের দিকে ব্যান্ডেজ। সম্ভবত ডাক্তারের কাছ থেকে আসছেন।
যে দুই জন সহকারী ছিল তারা একজন বললো, স্যার আপনার সার্জারি অল্প কয়েকদিন আগে হয়েছে। ডাক্তার মাত্রই বলল, আরো রেস্টে থাকতে। নামাজটা বাসায় যেয়ে পড়লে হত না?
ভদ্রলোক খুব শীতল গলায় বললো, না হত না।
তোমাকে যতটুকু বলা হচ্ছে অতটুকু কর।
আমাকে মসজিদ পর্যন্ত দিয়ে আসো।
একটা ভালো চেয়ার বাছাই কর, যাতে পড়ে না যাই।
দুই জন এসিস্ট্যান্ট মিলে ধরে ধরে তাকে মসজিদে ঢুকালো।
একটা কোনায় নিয়ে চেয়ার সেট করে দিল।
আমি তার থেকে একটু দূরেই টান টান হয়ে শুয়ে ভদ্রলোকের দিকে তাকিয়ে থাকলাম।
ভদ্রলোক বসে নামাজ শুরু করলেন।
খুব ঠাণ্ডা ধীরস্থিরভাবে নামাজ পড়ছেন।
যেন কোন তাড়া নেই, কোন অস্থিরতা নেই, চারপাশে কি হচ্ছে, না হচ্ছে তার কোন ভ্রুক্ষেপ নেই।
উনার চোখের দিকে তাকালাম। একদম সিজদার দিকে তাকিয়ে আছে। দৃষ্টিতে কোন নড়চড় নেই। সাধারণত এত ধীরস্থিরভাবে আমি কাউকে নামাজ পড়তে দেখি না।
উনার দিকে কিছুক্ষন এভাবে তাকিয়ে থাকতে থাকতে আমার চোখ লেগে আসলো। সম্ভবত ঘুমায় গেছিলাম। ঘুম ভাংগলো হেচকির শব্দ শুনে।
দেখি ভদ্রলোক হাত তুলে অঝোরে কাঁদছেন। কিছু একটা বিড় বিড় করছেন।
একটু কাছে যেয়ে শোনার চেস্টা করলাম উনি কি বলছেন।
খুব ভালো করে খেয়াল করার পর শুনলাম ভদ্রলোক বলতেছেন, ইয়া আল্লাহ তুমি আমার উপর এতটা অসন্তুষ্ট হয়ে গেলা যে তোমাকে প্রাণভরে সিজদা করার অধিকার কেড়ে নিলা?
মালিক, আমাকে কি অসুখ দিলা যে, আমি মসজিদে আসতে পারি না, মাটিতে মাথা ঠেকায়ে প্রাণ ভরে তোমাকে সিজদা দিতে পারি না।
এই চেয়ারের নামাজে আমার প্রাণ ভরে না মালিক। মালিক তুমি আমাকে এতটা সুস্থ করে দাও যাতে করে, আমি হেঁটেই মসজিদে আসতে পারি, প্রানটা ভরে যেন তোমার দাসত্ব করতে পারি।
তুমি আমার উপর কোন কারনে অখুশী থাকলে আমাকে মাফ করে দাও কিন্তু তারপরও তোমার ঘরে আসার, তোমাকে সিজদা করার অধিকার কেড়ে নিও না।
উনি কাঁদছেন আর কথাগুলো বলেই যাচ্ছেন।
উনার দুইজন এসিস্ট্যান্ট টের পেয়ে তাড়াতাড়ি উনার কাছে ছুটে আসলেন।
বললেন স্যার, আপনাকে স্ট্রেস নিতে নিষেধ করা হয়েছে। স্যার‍, কাইন্ডলি চলেন।
আসতে আসতে ধরে উনাকে নিয়ে গেল।
আমি ভাবলাম আমার নিজের ইমানের কথা। আমি কি এই ভদ্রলোকের মত এই প্যাশন নিয়ে, এত দরদ নিয়ে রবের ইবাদত করি, এত ভালোবাসা নিয়ে সিজদা দেই? আমার দোয়াতে কি এত মায়া থাকে?
যারা সিজদার সুযোগ থেকে বঞ্চিত তারা নিজেদের নিয়ে ভাবি।
আমার রব কি আমার প্রতি এতটাই অসন্তুষ্ট যে, আমার পা মসজিদ পর্যন্ত যাচ্ছে না, আমার মাথা রবের সমীপে অবনত হচ্ছে না?
যদি আমার মাথা সিজদা পর্যন্ত না যেয়ে থাকে তাহলে নিশ্চিতভাবেই এটা আমার জন্য চিন্তার বিষয়।
ভাইয়েরা/বোনেরা সময় থাকতে থাকতে রবের কাছে ফিরে আসি।
সে সময় আসার আগে সতর্ক হয়ে যাই যে সময়ে চাইলেও সারা দুনিয়ার সব কিছুর বিনিময়ে একটা সিজদা দেয়া যাবে না।
লিখা : সংগৃহীত

🌿 দুনিয়ার সব হারিয়ে গেলেও, যদি রবকে পাই— তবে কিছুই হারাইনি। আর রবকে হারালে, সবকিছু পেয়েও কিছুই পাওয়া হলো না। 💚
29/06/2026

🌿 দুনিয়ার সব হারিয়ে গেলেও, যদি রবকে পাই— তবে কিছুই হারাইনি। আর রবকে হারালে, সবকিছু পেয়েও কিছুই পাওয়া হলো না। 💚

🌻দোয়া কবুলের গল্প 🌻আমি ৩১৩ বার দুরুদ ইব্রাহিম পাঠ করলাম, আর যা অসম্ভব ছিল তা সম্ভব হয়ে গেল।আসসালামু আলাইকুম বোন।আমার এ...
29/06/2026

🌻দোয়া কবুলের গল্প 🌻
আমি ৩১৩ বার দুরুদ ইব্রাহিম পাঠ করলাম, আর যা অসম্ভব ছিল তা সম্ভব হয়ে গেল।
আসসালামু আলাইকুম বোন।
আমার এক সমস্যা ছিল যেটা “আইলিড ডার্মাটাইটিস” নামে পরিচিত, প্রায় ৩ বছর ধরে। অনেক ওষুধ, ট্যাবলেট আর ক্রিম ব্যবহার করেছি। কিছু ক্রিম খুবই দামী, কিন্তু টিউব খুব ছোট। সবকিছু ব্যবহার করেও কোন উপকার পাইনি। বরং আমার চোখের চারপাশ কালো হয়ে গিয়েছিল, অনেকটা ডার্ক সার্কেলের মত।
অনেকেই আমাকে জিজ্ঞেস করতো, “তোমার চোখে কী হয়েছে? এত কালো কেন? তুমি কি দেরি করে ঘুমাও, নাকি সব সময় ফোনে থাকো?” কেউ কেউ আমাকে চিনতেই পারত না। এজন্য অনেক সময় আমি কারো বাসায় যেতাম না, কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতাম না। নিজের চেহারাই চিনতে পারতাম না, বয়সের চেয়েও বেশি বয়স্ক লাগতো।
অনেক হোম রেমেডি, ম্যাসাজ আর ডায়েট প্ল্যান ট্রাই করেছি, কিছুই কাজ করেনি। মুখ ধোয়া বা গোসল করলেই অবস্থা আরও খারাপ হতো — চোখে চুলকানি, জ্বালাপোড়া আর লাল হয়ে যেত। এই সময়গুলোতে আমি ইসতেগফার আর দরুদ পাঠ করতাম।
আলহামদুলিল্লাহ, জীবন মোটামুটি ভালো চলছিল, কিন্তু ত্বকের সমস্যা একই রকম রয়ে গেল।
ইউটিউবে সালাওয়াত ও ইসতেগফারের অলৌকিকতা নিয়ে অনেক ভিডিও দেখেছি। সেখানে বলা হচ্ছিল যে, দুরুদ ইব্রাহিম পড়লে অনেক সমস্যা দূর হয়। আমি ভেবেছিলাম, এটা অনেক লম্বা, এতবার পড়া কঠিন হবে। কিন্তু পরে জানতে পারলাম, ৩১৩ বার পড়লে এর অনেক গোপন বরকত আছে।
১ জুলাই থেকে আমি দুরুদ ইব্রাহিম পড়া শুরু করলাম। প্রথম দিন ১০০ বার, পরদিন ২০০ বার, আর তৃতীয় দিন আমি ৩১৩ বার পড়া শেষ করলাম। আলহামদুলিল্লাহ! কয়েক দিনের মধ্যেই আমি বুঝতে পারলাম চোখে চুলকানি নেই, জ্বালাপোড়াও নেই। মুখ ধোওয়া বা গোসল করার পর আর ভয় লাগছে না। আল্লাহর অশেষ কৃপায় আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ। আরও একটি সমস্যা ছিল, আমি আমার স্বামীকে দেখলে অকারণে এক ধরনের বিরক্তি বা ঘৃণা অনুভব করতাম। অথচ তিনি অত্যন্ত ধর্মভীরু ও সদয় মানুষ। আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করলাম, “ইয়া আল্লাহ, আমার অন্তর থেকে এই ঘৃণা দূর করে দাও, যেন আমি আবার আমার স্বামীকে ভালোবাসতে পারি। আলহামদুলিল্লাহ! কয়েক দিনের মধ্যেই আবার আমার স্বামীর প্রতি ভালোবাসা ফিরে আসে।
আরেকটি সমস্যা ছিল — হায়েজ চলাকালীন ২য় বা ৩য় দিনে অনেক ব্যথা হতো। কিন্তু এবার কোনো ব্যথা অনুভব করিনি। আলহামদুলিল্লাহ! দুরুদ ইব্রাহিম একটি অলৌকিক চাবি, যা বরকতের সব বন্ধ দরজা খুলে দেয়। আমি এই সালাওয়াত কখনোই ছাড়বো না ইন শা আল্লাহ্।
📌 বিঃদ্রঃ ৩১৩ বার পড়তে হবে এমন কথা না। আপনি আপনার মত সংখ্যা বাড়িয়ে নিতে পারেন ইন শা আল্লাহ্। হয়তো উনার এতবার পড়ার পর আল্লাহ্ সহজ করে দিয়েছে। নির্ধারিত সংখ্যায় পড়তেই হবে এমন ভেবে আমল করা উচিত না। নিয়ত খাঁটি রাখবেন। নিয়ত হবে শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য।

মাত্র ১০ বছর বয়সে ইয়ামান থেকে মালয়েশিয়া এলো ছোট্ট বালক বোখারি। সর্বপ্রথম পায়ের জুতা বিক্রি করে খাবারের জন্য কিছু চাল কিন...
29/06/2026

মাত্র ১০ বছর বয়সে ইয়ামান থেকে মালয়েশিয়া এলো ছোট্ট বালক বোখারি। সর্বপ্রথম পায়ের জুতা বিক্রি করে খাবারের জন্য কিছু চাল কিনল। এরপর সারা দিন কাজ করে ১০ রিঙ্গিত উপার্জন করল এবং মাকে জানাল, ‘মা! আজ আমি ১০ রিঙ্গিত আয় করেছি।’ সব শুনে মা বললেন, ‘আচ্ছা! অর্ধেকটা দান করে দাও।’ কচি মনে মায়ের কথাটা মানতে কষ্ট হচ্ছিল।
মাকে সে বলল, ‘মা! আমি কি এই ১০ রিঙ্গিত এখন রেখে দিতে পারি? কারণ আমি এটাকে খাটিয়ে আরও উপার্জন করতে চাই। এখন ৫ রিঙ্গিত দান না করে, এভাবে কয়েকবার জমিয়ে বিনিয়োগের মাধ্যমে আরও অর্থ উপার্জন করে একবারে বেশি দান করলে সেটা কেমন হয়?’
মা বললেন, ‘না বাবা তুমি এখনই অর্ধেকটা দান করে দাও। আল্লাহ বারাকাহ দিয়েছেন বলেই তুমি আয় করতে সক্ষম হয়েছ। সুতরাং চিন্তা না করে তুমি দান করে দাও। আল্লাহ আরও বারাকাহ দান করবেন।’ মায়ের কথা শুনে প্রথম উপার্জনের অর্ধেকটা দান করা সেই বালক মালয়েশিয়ার অন্যতম শীর্ষ ধনী হয়েছিলেন।
সুতরাং জীবনে বারাকাহ চাইলে দান করতে হবে। সদকা করতে হবে। উপরের হাত গ্রহণ করতে হবে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,
يَا ابْنَ آدَمَ أَنْفِقْ أُنْفِقْ عَلَيْكَ
আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘হে বনী আদম! তুমি দান করো। আমিও তোমাকে দান করব।’২৯৭
~ ইউ মাস্ট ডু বিজনেস বই থেকে নেওয়া

🌿 নিশ্চয়ই আমার রব নীরবে আমার দোয়া শুনছেন। তাই হতাশ নই, অপেক্ষায় আছি তাঁর সবচেয়ে উত্তম ফয়সালার।আলহামদুলিল্লাহ, সব কি...
29/06/2026

🌿 নিশ্চয়ই আমার রব নীরবে আমার দোয়া শুনছেন। তাই হতাশ নই, অপেক্ষায় আছি তাঁর সবচেয়ে উত্তম ফয়সালার।
আলহামদুলিল্লাহ, সব কিছুর জন্য। 🤍

✨ ধৈর্য ধরুন। যে রব আপনার চোখের অশ্রু দেখেন, তিনিই আপনার হাসির কারণও লিখে রেখেছেন। ইনশাআল্লাহ। 💚
29/06/2026

✨ ধৈর্য ধরুন। যে রব আপনার চোখের অশ্রু দেখেন, তিনিই আপনার হাসির কারণও লিখে রেখেছেন। ইনশাআল্লাহ। 💚

🌿 হে আল্লাহ! আমাদের অন্তর, জিহ্বা, শ্রবণ ও দৃষ্টিকে নূরে পরিপূর্ণ করে দিন।যে হৃদয়ে আল্লাহর নূর থাকে, সে হৃদয় কখনো অন্ধ...
29/06/2026

🌿 হে আল্লাহ! আমাদের অন্তর, জিহ্বা, শ্রবণ ও দৃষ্টিকে নূরে পরিপূর্ণ করে দিন।
যে হৃদয়ে আল্লাহর নূর থাকে, সে হৃদয় কখনো অন্ধকারে হারিয়ে যায় না। 🤲✨

Address

Chandpur
3600

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কুরআনের বার্তা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share