Junaki Rani Das - Jyotirmoy Brajavala Devi Dasi

Junaki Rani Das - Jyotirmoy Brajavala Devi Dasi Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Junaki Rani Das - Jyotirmoy Brajavala Devi Dasi, Brahmanbaria.

"মাঝে মাঝেই মায়াদেবী আকস্মিক অভাবনীয় অথবা বিস্ময়কর কিছু পরীক্ষায় ফেলতে পারেন। যদি আমরা সেই সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না ...
09/01/2026

"মাঝে মাঝেই মায়াদেবী আকস্মিক অভাবনীয় অথবা বিস্ময়কর কিছু পরীক্ষায় ফেলতে পারেন। যদি আমরা সেই সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হই, তাহলে তিনি আরও অনেক পরীক্ষা প্রদান করেন।"

~শ্রীল জয়পতাকা স্বামী,
৪ঠা অক্টোবর, ১৯৯১,
আটলান্টা, জর্জিয়া, যুক্তরাষ্ট্র

জানুয়ারি-০৯মায়ের হাতের অতি সাধারণ রান্না একজন সন্তানের জন্য অত্যন্তসুস্বাদু,সেই রান্না সাধারণ অন্ন-ডাল-আলু-মাখা হলেও অম...
09/01/2026

জানুয়ারি-০৯
মায়ের হাতের অতি সাধারণ রান্না একজন সন্তানের জন্য অত্যন্ত
সুস্বাদু,সেই রান্না সাধারণ অন্ন-ডাল-আলু-মাখা হলেও অমৃততুল্য ।
কেন? কারণ উপকরণ এবং মশলা হলো "প্রীতিপূর্বকম" যা প্রেম
সহকারে তার নিজ সন্তানের কথা চিন্তাপূর্বক রন্ধন করেন। অপর
দিকে ভগবৎসেবায়ও অনুরূপ ভাবে আপনাকে সেইরূপ প্রেম-প্রীতি
পূর্ন উপকরণ ব্যবহার করতে হবে এবং তা করলেই আপনার
ভগবৎ সেবা সার্থক হবে।
শ্রীল সুভগ স্বামী গুরুমহারাজ শ্রীধাম বৃন্দাবন ০৫ অক্টোবর ২০১৪

09/01/2026

#হরে_কৃষ্ণ_মহোৎসব_সন্তশ্রী_পল্লী_ব্যারাকপুর__প্রবক্তাপূজ্যপাদ_পদ্মনেত্র_দাস_ব্রহ্

DARSHAN 09-01-2026
09/01/2026

DARSHAN 09-01-2026

08/01/2026

আজ শ্রীল গোপাল ভট্ট গোস্বামীর আবির্ভাব তিথি ও শ্রীল রামচন্দ্র কবিরাজের তিরোভাব তিথি!"আজ ষড় গোস্বামীদের অন্যতম শ্রীল গোপ...
08/01/2026

আজ শ্রীল গোপাল ভট্ট গোস্বামীর আবির্ভাব তিথি ও শ্রীল রামচন্দ্র কবিরাজের তিরোভাব তিথি!

"আজ ষড় গোস্বামীদের অন্যতম শ্রীল গোপাল ভট্ট গোস্বামীর শুভ আবির্ভাব তিথি।

তিনি দক্ষিণ ভারতের শ্রীরঙ্গমের ব্যেঙ্কট ভট্টের পুত্র ছিলেন। ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু চার মাস শ্রীরঙ্গম আশ্রমে অবস্থান করেছিলেন। ব্যেঙ্কট ভট্ট তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র গোপাল ভট্টকে ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর সেবায় অর্পিত করেছিলেন। ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু গোপাল ভট্টকে বৃন্দাবনে রূপ গোস্বামীর সাথে অবস্থান করার নির্দেশ দিয়েছিলেন, যেখানে তিনি ষড় গোস্বামীদের অন্যতম হয়েছিলেন। শ্রীরাধারমণ বিগ্রহ তাঁর জন্য প্রকট হয়েছেন।

আমরা আশা করি সকলে আধ্যাত্মিকভাবে সময় অতিবাহিত করছেন।

আজ শ্রীল রামচন্দ্র কবিরাজেরও তিরোভাব তিথি।

তিনি ছিলেন শ্রীনিবাস আচার্যের শিষ্য। নরোত্তম দাস ঠাকুর তাঁর ভজনে গেয়েছেন, "রামচন্দ্র সঙ্গ মাগে" - সেই রামচন্দ্র হলেন এই রামচন্দ্র কবিরাজ। যদিও নরোত্তম দাস ঠাকুর শ্রীনিবাস আচার্যকে তাঁর শিক্ষাগুরু হিসেবে সম্মান করতেন, তবে তিনি রামচন্দ্র কবিরাজের একজন নিত্য সহচর ছিলেন।

আমি সকলকে এই পবিত্র দিনের শুভেচ্ছা জানাই।"

~ শ্রীল জয়পতাকা স্বামী মহারাজের অ্যাপ বার্তা
১৮ই জানুয়ারি, ২০২৫

🌺 #শিখা_কেন_রাখতে_হয়??🌷শিখা রাখার গুরুত্ব। বৈদিক সংস্কৃতিতে দশবিধ সংস্কারের কথা উল্লেখ রয়েছে। তার মধ্যে সপ্তম সংস্কার হ...
08/01/2026

🌺 #শিখা_কেন_রাখতে_হয়??
🌷শিখা রাখার গুরুত্ব। বৈদিক সংস্কৃতিতে দশবিধ সংস্কারের কথা উল্লেখ রয়েছে। তার মধ্যে সপ্তম সংস্কার হচ্ছে চূড়াকরণ। চূড়াকরণসংস্কারে মাথায় শিখা রাখতে হয়। কেননা চূড়াকরণ বা শিখা রাখার পরেই উপনয়ণ বা দীক্ষা লাভ করা হয়। শিখা রেখে গুরুদেব তাঁর শিষ্যকে সংস্কারের পাত্র করে তোলেন। এখন শিখা ধারণের আবশ্যকতা নিয়ে আলোচনা করব।

"সদোপবীতিনা ভাব্যং সদা বদ্ধ শিখেন চ।
বিশিখো বি উপবিতশ্চ যৎ করোতি ন তৎ কৃতম্।।"
(কাত্যায়ন স্মৃতি ১/৪)।
অনুবাদ: সবসময় উপবীতি (উপবীতি অর্থ পৈতা ধারণ অথবা বাম কাঁধে পৈতার মতো উত্তরীয় বস্ত্র ধারণ), ও শিখা বন্ধন করে থাকবে। কারণ শিখা বিহীন কোন ধর্ম কাজ সফল হয় না। ঋষি ব্যাসদেব বলছেন-

"বিনা যৎ শিখয়া কর্ম বিনা যজ্ঞোপবীতম্।
রাক্ষসং তদ্ধি বিজ্ঞেয়ং সমস্তা নিষ্ফলা ক্রিয়াঃ।।"
অনুবাদ: সবসময় উপবীত (অথবা উত্তরীয় বস্ত্র) ও শিখা ধারণ করে থাকবে। অন্যথা সমস্ত কর্ম রাক্ষস কর্মে পরিণত হবে ও নিষ্ফল হয়ে যাবে। মানব জাতির পিতা মনু বলছেন-

"স্নানে দানে জপে হোমে সন্ধ্যায়াং দেবতার্চনে।
শিখাগ্রন্থিং সদা কুর্যাৎ ইত্যেন মনুঃ অব্রবীৎ।।"
অনুবাদ: স্নান, দান, জপ, হোম, সন্ধ্যা, বন্দনা, এবং পূজার্চনাতে সব সময় শিখা বন্ধন করে রাখবে। এটা মনুর নির্দেশ। শিখা ধারণে আরো লাভ আছে। যথা-

"দীর্ঘায়ুত্বায় বলায় বর্চসে শিখায়ৈ বষট্।"
অনুবাদ: শিখা ধারণ করলে দীর্ঘায়ু, তেজ, বল ও উজ্জ্বল্যতা বৃদ্ধি পায়। কেউ যদি শিখা ছেদন করে তার অবস্থা কিহয়? উত্তরে লঘু হারীত নামক শাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে -

"শিখাং ছিন্দন্তি যে মোহাদ্ দ্বেষাদ্ অজ্ঞানতোহপি বা।
তপ্তকৃচ্ছেন শুধ্যন্তি ত্রয়ো বর্ণা দ্বিজাতয়ঃ।।"
অনুবাদ: যদি কেউ মোহ, দ্বেষ, অথবা অজ্ঞতার ফলে শিখা কেটে ফেলে, তারা তপ্তকৃচ্ছ নামক ব্রত করলে তারপর ঐ পাপ থেকে মুক্তি লাভ করবে। আমাদের মধ্যে এই দৃঢ় মনোভাব থাকা উচিৎ যে, প্রয়োজনে শরীর থেকে মাথা কাটা যাবে কিন্তু মাথা থেকে কখনো শিখা কাটতে দেব না। মরতে হলে মাথায় পবিত্র শিখা নিয়ে মৃত্যু বরণ করব।

ভবিষ্য পুরাণে (২/২১/৭২) বলাহয়েছে-
"সংস্কৃতা শুদ্রবর্ণেন ব্রহ্মবর্ণমুপাগতা।
শিখা সূত্রং সমাধায় পঠিত্বা বেদমুত্তমম্।।"
অনুবাদ: শিখা এবং যজ্ঞসূত্র ধারণ করে শুদ্ররাও ব্রাহ্মণে পরিণত হয়ে উত্তমরূপে বেদ পাঠ করতে পারে।

তাহলে এখানে দেখা যাচ্ছে শুদ্রও শিখা ধারণ করতে পারে। ভবিষ্য পুরাণে (১/২২/২৫) বৈদিক ধর্মের বিরোধিতা কারীদের কতগুলো বৈশিষ্ঠ্য বলা হয়েছে। তার মধ্যে একটি হচ্ছে "শিখাহীনঃ" অর্থাৎ-মাথায়শিখা থাকবেনা। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে, অধিকাংশ সনাতনীরাই শিখা ধারণ করেনা। যখন তারা মাতা পিতার শ্রাদ্ধ করে তখন মন্ত্র পাঠ করে-

"ব্রহ্মবাণী সহস্রাণী শিববাণী শতেন চ।
বিষ্ণুর্নাম সহস্রেণ শিখা বন্ধং করোম্যহম্।।"
অনুবাদ: ব্রহ্মার নাম সহস্রবার উল্লেখ করে, শিবের নাম শতবার উল্লেখ করে ও বিষ্ণুর নাম সহস্রবার উল্লেখ করে আমি আমার শিখা বন্ধন করছি।

যদিও তাদের মাথায় শিখা থাকেনা, তবুও তারা "শিখা বন্ধন করছি "এই মন্ত্র বলে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিবের নামে এক বিরাট মিথ্যাকথা বলে। অর্থাৎ মিথ্যা কথা দিয়ে শ্রাদ্ধ আরম্ভ করে। কখনো কখনো কতিপয় কৃষ্ণভক্ত পরিস্থিতির শিকার হয়ে শিখা রাখতে পারেননা। তাঁদের প্রতি অনুরোধ যদি পরিস্থিতি বর্তমানে আপনার অনুকূলে থাকে, তবে তারাতারি শিখা ধারণ করুন। কেননা শাস্ত্রে বলা হয়েছে -

"তিলকং তুলসীমালাং শিখা কৌপিন বহির্বাস।
হরের্নাম সদামুখে বৈষ্ণব পঞ্চ লক্ষণম্।।"
অনুবাদ: তিলক, তুলসীমালা, শিখা, কৌপিন বহির্বাস, ও মুখে হরিনাম, এই ৫টি বৈষ্ণবের লক্ষণ।

শিখার কিছু নিয়মাবলী-শ্মশানে গেলে, শৌচালয়ে গেলে, রাতে ঘুমানোর সময় শিখা খোলা থাকবে। আর অন্য সময় শিখা বন্ধন করা থাকবে। তাই সনাতন সংস্কৃতির অপরিহার্য অংশ এই শিখা ধারণ করে দ্বিজত্ব লাভ করা আমাদের কর্তব্য।

হরে কৃষ্ণ🙏

 #হরিবোল আজ আমরা শ্রবণ মহারাজ পরীক্ষিতের জীবন দর্শন। আশা করি আপনাদেরও ভালো লাগবে: অভিশাপগ্রস্থ মহারাজ পরীক্ষিৎ:জলের সন্ধ...
08/01/2026

#হরিবোল আজ আমরা শ্রবণ মহারাজ পরীক্ষিতের জীবন দর্শন। আশা করি আপনাদেরও ভালো লাগবে:

অভিশাপগ্রস্থ মহারাজ পরীক্ষিৎ:

জলের সন্ধানে বনে পরীক্ষিৎ মহারাজ শৈমিক ঋষির আশ্রমে পদার্পণ করেন। শ্রীমদ্ভাগবতে বর্ণিত আছে, শৈমিক ঋষি ছিলেন একজন মহান যোগী, তিনি অত্যন্ত কঠোর ভাবে সমস্ত নিয়মাবলী অনুসরণ করতেন। ধ্যানাবস্থায় তার বাহ্যজ্ঞান ছিল না। সেসময় মহারাজ পরীক্ষিৎ তার কাছে পানীয় জল চাইলেন। বৈদিক প্রথা অনুযায়ী কোন অতিথি গৃহে পদার্পণ করলে তাকে খাবার জল প্রদান করতে হয়। শৈমিক ঋষি সমাধি মগ্ন থাকায় মহারাজ পরীক্ষিৎ কোনো সমাদর পেলেন না। মহারাজ পরীক্ষিৎ যেহেতু একজন মহান ভক্ত ছিলেন তাই তার পক্ষে তা উপলব্ধি করা ছিল সহজতর। কিন্তু যেহেতু পরমেশ্বর ভগবান কলিযুগ প্রারম্ভ করতে চাইলেন তাই বহু উদ্দেশ্য সাধনের জন্য তিনি একটি লীলা প্রকাশ করতে চাইলেন। কৃষ্ণ একদিকে কলিযুগ প্রারম্ভ করতে চাইলেন এবং অন্যদিকে তিনি যুগাবতার গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুরূপে আবির্ভূত হতে চাইলেন। সূত গোস্বামী শ্রীমদ্ভাগবতে বলেছেন যে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অন্তর্ধানের পর তিনি নিজেকে ত্রুটিমুক্ত অমল পুরাণ শ্রীমদ্ভাগবতরূপে আবির্ভাব ঘটান। কৃষ্ণের অধ্যক্ষতায় এই জগতে এই অমূল্য শ্রীমদ্ভাগবত অবতরণ করেছে। এই শ্রীমদ্ভাগবতের আবির্ভাব ঘটেছে মূলত মহারাজ পরীক্ষিতের মাধ্যমে। যোগমায়ার মাধ্যমে মহারাজ পরীক্ষিতের বুদ্ধিমত্তা হল অন্তর্হিত। আমাদের সকল স্মৃতি, জ্ঞান ও ভুলে যাওয়ার ক্ষমতাও কৃষ্ণ দিয়েছেন। তাই কৃষ্ণের ইচ্ছায় মায়ার আবেশে মহারাজ পরীক্ষিৎ একটি মৃত সৰ্প নিয়ে শৈমিক ঋষির গলায় পরিয়ে দিলেন।

🏵️ শ্রীমদ্ভাগবতের আগমনঃ———
শৈমিক ঋষির শৃঙ্গী নামক এক বিখ্যাত পুত্র ছিল । ব্রাহ্মণপুত্র শৃঙ্গির ছিল অসাধারণ শক্তি, কিন্তু তিনি ব্রাহ্মণগুণসম্পন্ন ছিলেন না। তাই তিনি রাজাকে অভিশাপ দিলেন যে, ৭ দিন পর তক্ষক নামক একটি সর্পপাখি কর্তৃক তিনি দংশিত হয়ে মৃত্যুবরণ করবেন। যখন মহারাজ পরীক্ষিৎ সেই বাণী শ্রবণ করলেন তখন তিনি উপলব্ধি করলেন এটি ভগবানের ইচ্ছা। তিনি তার সাম্রাজ্য, স্ত্রী-পুত্র, ঐশ্বর্যের প্রতি আকর্ষিত ছিলেন না, তিনি শুধুমাত্র ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন। তিনি জীবনের শেষ ৭ দিন যা করলেন সেটিই মানব ইতিহাসের সবচেয়ে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তিনি গঙ্গার তীরে গমন করে সমস্ত ঋষিদের ভগবান কৃষ্ণ সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলেন। সেই স্থানটি এখনো রয়েছে। এটি ঋষিকেশ ও দিল্লির মধ্যবর্তী স্থান মিরাটের সন্নিকটবর্তী।সেই অপ্রাকৃত স্থানটির নাম সুখদা। এই স্থানে মহারাজ পরীক্ষিৎ প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে, তিনি ৭ দিন যাবৎ আহার নিদ্রা ত্যাগ করে সর্বদাই কৃষ্ণ লীলা স্মরণ করবেন। তখন সেখানে সমস্ত মহান ঋষিগণের আগমন ঘটল। নারদ মুনি, পরাশর মুনি, ভরদ্বাজ মুনি, কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস, গৌতম ঋষি সহ সকলে মিলে স্থির করছিলেন কে মহারাজ পরীক্ষিৎকে কৃষ্ণকথা শ্রবণ করাবেন? সেই সময় ১৬ বছর বয়স্ক শুকদেব গোস্বামী সভাস্থলে প্রবেশ করলেন। উল্লেখ্য, অলৌকিকভাবে শুকদেব গোস্বামী ১২ বছর মাতৃগর্ভে ছিলেন। তিনি একজন ব্রাহ্মণ, মুক্ত আত্মা। পরমেশ্বর ভগবানের মহিমা শ্রবণ করে তিনি বেরিয়ে এলেন এবং বেদব্যাস তাকে শ্রীমদ্ভাগবত শিক্ষা প্রদান করেন। তাই পরম্পরাক্রমে শুকদেব গোস্বামী ছিলেন উপযুক্ত ব্যক্তি। সভাস্থ সকলে শুকদেব গোস্বামীকে ব্যাসাসন প্রদান করেন এবং মহারাজ পরীক্ষিৎ তাকে নানা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে শুরু করলেন। এভাবেই মহান শাস্ত্রের আগমন ঘটে।

🏵️ মহারাজ পরীক্ষিতের শরণাগতি:———
মহারাজ পরীক্ষিৎ মৃত্যুবরণের অভিশাপ গ্রন্থ হয়েছিলেন। তাহলে পরীক্ষিতের মৃত্যু পরবর্তী কে রাজ্যশাসন করবে? তিনি তখনো কোনো উত্তরসুরী তৈরি করেননি। সাধারণত এই জগতে কোনো মানুষ ৫০ বা ৬০ বছর বয়সে পৌছানোর পর তার উত্তরাসুরী তৈরি করে তাকে প্রশিক্ষণ প্রদান করে। কিন্তু মহারাজ পরীক্ষিৎ ছিলেন তখনও একজন যুবক। যখন আমরা যুবক বয়সে উপনীত হই তখন আমরা জড় সুখ ভোগে মত্ত থাকি। কিন্তু পরীক্ষিৎ মহারাজের সামনে মৃত্যুর খড়গ ঝুলছিল, তাও সাধারণ কোনো মৃত্যু নয়। তক্ষকের দংশন অচিন্তনীয় বেদনাদায়ক। যখন সেই সর্প কাউকে দংশন করবে, তার বিষ এতই উত্তপ্ত ও ভয়ংকর যে দংশিত ব্যক্তির দেহে আগুন লেগে যায়। তাই আমাদের কি এই ধরনের দুঃখ উপনীত হতে হয়েছে? কিন্তু আমরা কারো দ্বারা সামান্যতম নিপিড়িত হলেই অন্যকে দোষারোপ করা শুরু করি। এটি কেন? ওটি কেন? এটি কী সঠিক? এটি সুবিচার নয়। কেন আমার মত ভালো মানুষের কপালে এত দুঃখ? কেন আমি এত দুর্দশাগ্রস্থ হচ্ছি? ভগবান আমাকে কৃপা করছেন না। কিন্তু মহারাজ পরীক্ষিৎ শুধুমাত্র বলেছেন, “কৃষ্ণ! তোমার যা ইচ্ছা তাই কর।” ভক্তিবিনোদ ঠাকুর বলেছেন, তুমি আমাকে মারতে পার, আবার রক্ষাও করতে পার, তোমার যা ইচ্ছা তা করতে পার। আমি তোমার সেবক। সেবক কখনো তার প্রভুর দোষারোপ করে না। সেবক সর্বদাই তার প্রভুর নির্দেশ পালনে রত থাকে। যে দেহেই হোক না কেন কৃষ্ণসেবা করলে, কৃষ্ণ সমস্ত কিছুর ব্যবস্থা করবেন, আমাদের ভয়ের কোনো কারণ থাকবে না। তাই বলা হয়েছে, “ভজ হুরে মন শ্রীনন্দনন্দন অভয়চরণারবিন্দ রে।” ভক্তগণ সর্বদাই ভয়শূন্য কেননা তারা কৃষ্ণকৃপা লাভ করেন। তাই মহারাজ পরীক্ষিৎ অভিশাপের কথা শুনে উদ্বিগ্ন না হয়ে শুকদেব গোস্বামীকে পাদপদ্মে আশ্রয় নিয়ে বলেছিলেন- “আমি অত্যন্ত সৌভাগ্যবান। কৃষ্ণ আমাদের সতর্কবার্তা দিয়েছেন। আমি এখন কৃষ্ণ মহিমা শ্রবণ-কীর্তনের জন্য আপনার কাছে উপনিত হয়েছি।” সমগ্র শাস্ত্র অনুসারে আমাদের সর্বশ্রেষ্ট সম্পদ কোনটি? এটি হল সেই উপলব্ধি- সর্বদাই কৃষ্ণ স্মরণ কর, কখনো কৃষ্ণকে ভুলে যেও না। কৃষ্ণ সেবা এবং কৃষ্ণ ভক্তদের সঙ্গই হল আমাদের সর্বশ্রেষ্ট সম্পদ। বাকি সবকিছুই হল অস্থায়ী। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু বলেছেন ‘কৃষ্ণ ছাড়া এই জগতের সবকিছুই মায়া।’ তাই মহারাজ পরীক্ষিৎ গঙ্গাতটে গিয়ে কৃষ্ণভক্তদের সান্নিধ্যে কৃষ্ণের নাম, গুণ ও লীলা শিক্ষা লাভ করে সমগ্র বিশ্বকে শিখিয়েছেন কিভাবে মৃত্যুবরণ করতে হয়।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে ।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ॥

ীক্ষিৎ_মহারাজ কি?-- জয়। 🙏
ান_শ্রীকৃষ্ণ কি?-- জয়। 🙏
#হরিবোল #হরে_কৃষ্ণ ্নাথ 🙏

DARSHAN 08-01-2026
08/01/2026

DARSHAN 08-01-2026

জানুয়ারি-০৮যিনি কায়-মন-বাক্যে কৃষ্ণ সেবায় নিয়োজিততিনিই কৃষ্ণভাবনার অমৃতের আস্বাদন করতেপারেন।শ্রীল সুভগ স্বামী গুরুমহা...
08/01/2026

জানুয়ারি-০৮
যিনি কায়-মন-বাক্যে কৃষ্ণ সেবায় নিয়োজিত
তিনিই কৃষ্ণভাবনার অমৃতের আস্বাদন করতে
পারেন।
শ্রীল সুভগ স্বামী গুরুমহারাজ শ্রীধাম বৃন্দাবন ০৫ অক্টোবর ২০১৪

"শ্রীল প্রভুপাদ বলেছেন যে যদি দুধে জল মেশানো হয় তবে জল থাকার কারণে ধীরে ধীরে দুধ আর দুধ থাকে না। তাই তিনি বলেছেন, আমাদে...
08/01/2026

"শ্রীল প্রভুপাদ বলেছেন যে যদি দুধে জল মেশানো হয় তবে জল থাকার কারণে ধীরে ধীরে দুধ আর দুধ থাকে না। তাই তিনি বলেছেন, আমাদের দুধ জ্বাল দেওয়া উচিত। যখন দুধ জ্বাল দেয়া হয়, তখন আমরা মিষ্টান্ন বা ক্ষীর তৈরি করি। আমরা চাই সকল ভক্তবৃন্দ তাদের ভগবদ্ভক্তিতে অত্যন্ত পরিপক্ক হয়ে উঠুক।"

~শ্রীল জয়পতাকা স্বামী, ৭ই মার্চ, ২০২১, শ্রীধাম মায়াপুর

07/01/2026

Srila Prabhupada Mission

Address

Brahmanbaria

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Junaki Rani Das - Jyotirmoy Brajavala Devi Dasi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Junaki Rani Das - Jyotirmoy Brajavala Devi Dasi:

Share