22/05/2026
পঞ্চবক্ত্র শিব স্তুতি-
১. সদ্যোজাত মুখ (পশ্চিম দিক - সৃষ্টির প্রতীক):
বন্দে সদ্যোজাতং ব্রহ্মাণং প্রপদ্যামি,
সদ্যোজাতায় বৈ নমো নমঃ।
ভবে ভবে নাতিভবে ভবস্ব মাম্,
ভবোদ্ভবায় নমঃ।।
অর্থ: যিনি সদ্য প্রকাশিত ব্রহ্ম, সেই সদ্যোজাত রূপকে প্রণাম করি। আমাকে জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে রক্ষা করুন। সৃষ্টির আদি কারণ শিবকে নমস্কার।
২. বামদেব মুখ (উত্তর দিক - স্থিতির প্রতীক):
নমো বামদেবায় নমো জ্যেষ্ঠায় নমঃ শ্রেষ্ঠায়,
নমো রুদ্রায় নমঃ কালয় নমঃ কলবিকরণায় নমঃ।
বলবিকরণায় নমো বলায় নমো বলপ্রমথনায় নমঃ,
সর্বভূতদমনায় নমো মনোন্মনায় নমঃ।।
অর্থ: যিনি সুন্দর (বাম), যিনি জ্যেষ্ঠ ও শ্রেষ্ঠ, সেই রুদ্ররূপী কালকে নমস্কার। যিনি জগতের সমস্ত বল ও শক্তির আধার এবং যিনি মনকে নিয়ন্ত্রণ করেন, সেই শিবকে প্রণাম।
৩. অঘোর মুখ (দক্ষিণ দিক - সংহারের প্রতীক):
অঘোরেভ্যোঽথ ঘোরেভ্যো ঘোরঘোরতরেভ্যঃ।
সর্বতঃ শর্ব সর্বেভ্যো নমস্তেঽস্তু রুদ্ররূপেভ্যঃ।।
অর্থ: আপনার শান্ত রূপ, ঘোর রূপ এবং ঘোরতর রূপ—আপনার সকল রুদ্র রূপকে আমি সর্বতোভাবে প্রণাম করি।
৪. তৎপুরুষ মুখ (পূর্ব দিক - তিরোধানের প্রতীক):
তৎপুরুষায় বিদ্মহে মহাদেবায় ধীমহি।
তন্নো রুদ্রঃ প্রচোদয়াৎ।।
অর্থ: আমরা সেই পরম পুরুষ মহাদেবকে জানবার চেষ্টা করি এবং তাঁর ধ্যান করি। সেই রুদ্র যেন আমাদের বুদ্ধি ও জ্ঞানকে সেই পথে চালিত করেন।
৫. ঈশান মুখ (ঊর্ধ্ব দিক - অনুগ্রহ বা মোক্ষের প্রতীক):
ঈশানঃ সর্ববিদ্যানামীশ্বরঃ সর্বভূতানাং,
ব্রহ্মাধিপতিব্রহ্মণোঽধিপতির্ব্রহ্মা শিবো মে অস্ত্রু সদাশিবোম্।।
অর্থ: যিনি সমস্ত বিদ্যার অধিপতি, সমস্ত ভূতের ঈশ্বর এবং ব্রহ্মের স্বামী—সেই কল্যাণময় সদাশিব আমার সহায় হোন।
#গন্ধর্বতন্ত্র১মপটল
(শিবশক্তি মন্ত্রে দীক্ষা ব্যতিত,তন্ত্রোক্ত সকল প্রকারের জপ স্তব কবচ পাঠ নিষিদ্ধ)
श्री नारायण कुमार चक्रवर्ती
सेवायितः
श्री श्री नृसिंह आखड़ा
चोकबाज़ारः, चट्टलप्रामम्
#মহাদেব #ওঁম #ওঁমনমঃশিবায় #শিব #পঞ্চমুখীশিব