শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রম ও দুর্গা মন্দির বীণাপাণি বাজার , কাঁঠালিয়া

  • Home
  • Bangladesh
  • Barishal
  • শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রম ও দুর্গা মন্দির বীণাপাণি বাজার , কাঁঠালিয়া

শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রম ও দুর্গা মন্দির বীণাপাণি বাজার , কাঁঠালিয়া সত্য সেবা ধর্ম

১২ জ্যৈষ্ঠ, ২৭ মে, বুধবারকামদা একাদশীর উপবাস (পুরুষোত্তম মাস-অন্তর্গত)।১৩ জ্যৈষ্ঠ, ২৮ মে, বৃহস্পতিবার দিবা ৮।৪২ মধ্যে কা...
25/05/2026

১২ জ্যৈষ্ঠ, ২৭ মে, বুধবার
কামদা একাদশীর উপবাস (পুরুষোত্তম মাস-অন্তর্গত)।

১৩ জ্যৈষ্ঠ, ২৮ মে, বৃহস্পতিবার

দিবা ৮।৪২ মধ্যে কামদা একাদশীর পারণ।

দ্বাদশী-১২ জ্যৈষ্ঠ দিঃ ৮।২ হইতে পরদিন দিঃ ৮।৪২ পর্য্যন্ত; তুলসীচয়ন নিষেধ।

শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রম ও দুর্গা মন্দির বীণাপাণি বাজার , কাঁঠালিয়া। মন্দিরে  বৈদিক বিদ্যালয়ের শুভ উদ্বোধন।
23/05/2026

শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রম ও দুর্গা মন্দির বীণাপাণি বাজার , কাঁঠালিয়া। মন্দিরে বৈদিক বিদ্যালয়ের শুভ উদ্বোধন।

শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রম বিদ্যানিকেতন শ্রী গীতা স্কুলের শুভ উদ্বোধন সুখ নিহিত কর্মে আর মানবতায় পাবে ধর্মব্রহ্মার্প...
21/05/2026

শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রম বিদ্যানিকেতন
শ্রী গীতা স্কুলের শুভ উদ্বোধন

সুখ নিহিত কর্মে আর মানবতায় পাবে ধর্ম

ব্রহ্মার্পণং ব্রহ্ম হবিব্রহ্মগ্নৌ ব্রহ্মণা হুতম।
ব্রহ্মৈব তেন গন্তব্যং ব্রহ্মকর্মসমাধিনা। ২৪/৪
ন হি জ্ঞানেন সদৃশং পবিত্রমিহ বিদ্যতে। তৎ স্বয়ং যোগসংসিদ্ধঃ কালেনাত্মনি বিন্দতি। ৩৮/৪

স্থান: শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রম ও দুর্গা মন্দির বীণাপাণি বাজার , কাঁঠালিয়া

অপরা একাদশীর ব্রতোপবাস ১৩ মে ২০২৬,বুধবার  পরের দিন দি ৯।২১মিঃ মধ্যে একাদশী ব্রতের পারণ(একাদশীতে কী কী করা এবং খাওয়া উচিত...
11/05/2026

অপরা একাদশীর ব্রতোপবাস

১৩ মে ২০২৬,বুধবার
পরের দিন দি ৯।২১মিঃ মধ্যে একাদশী ব্রতের পারণ

(একাদশীতে কী কী করা এবং খাওয়া উচিত নয়

একাদশী একটি চান্দ্র তিথি। চাঁদের শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথি, হিন্দু ধর্মমতানুসারে পূণ্যতিথি হিসেবে বিবেচিত। হিন্দুধর্মমতে এ দিন বিধবাদের, বিশেষত উচ্চবর্ণীয় বিধবাদের নিরম্বু উপবাস বিহিত। অবশ্য বর্ণ ও লিঙ্গ নির্বিশেষে যে কেউ একাদশী পালন করতে পারেন। এই সময় সাধারণত ফলমূল ও বিভিন্ন সবজি এবং দুধ খাওয়া যায়। তবে একাদশীতে পঞ্চরবি শস্য বর্জন করা বাঞ্ছনীয়।

এখন দেখে নেওয়া যাক একাদশীতে কোন পাঁচ প্রকার রবিশস্য গ্রহণ নিষিদ্ধ:

১। ধান জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন চাল, মুড়ি, চিড়া, সুজি, পায়েস, খিচুড়ি, চালের পিঠা, খই ইত্যাদি
২। গম জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন আটা, ময়দা, সুজি, বেকারির রুটি, সব রকম বিস্কুট, হরলিকস ইত্যাদি।
৩। যব বা ভূট্টা জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন ছাতু, খই, রুটি ইত্যাদি।
৪। ডাল জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন মুগ, মাসকলাই, খেসারি, মুসুরী, ছোলা, অড়হর, মটরশুঁটি, বরবটি ও সিম ইত্যাদি।
৫। সরষের তেল, সয়াবিন তেল, তিল তেল ইত্যাদি। উপরোক্ত পঞ্চ রবিশস্য যে কোনও একটি একাদশীতে গ্রহণ করলে ব্রত নষ্ট হয়।)

অদ্য শ্রীত্রিবিক্রমদেবের পূজা, ষোড়শোপচারে আসন, স্বাগত, পাদ্য, অর্ঘ্য, আচমন, মধুপর্ক, তৈল, স্নান, বস্তু, উপবীত, তিলক, অলঙ্কার, গন্ধ, পুষ্প, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য ও স্তবপাঠ। পঞ্চামৃতে স্নান। নৈবেদ্য-শালি-তঙুলের অন্ন, পায়স, ক্ষীর, দধি, দুগ্ধ, পুলিপিঠা ও সরপুরি, বিবিধ ফল, ইক্ষু, খর্জুর, দাড়িম্ব, আপেল, লেবু, কলা প্রভৃতি ত্রিবিক্রমদেবের উদ্দেশ্যে রক্তবস্ত্র, পাদুকা, ছত্র, আসন, দণ্ড ও সিধা প্রদান করবে।

স্নান মন্ত্র—“সহস্রশীর্ষা পুরুষঃ”ইতাদি মন্ত্র “ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়” মন্ত্রে আসন, পাদ্য ও অর্থ প্রভৃতি প্রদান করবে।
প্রণাম— “নমো ব্রহ্মণ্যদেবায়" ইত্যাদি মন্ত্রে।
স্তুতি—
ওঁ নমো বিশ্বরূপায় বিশ্বস্থিত্যন্তহেতবে।
বিশ্বেশ্বরায় বিশ্বায় গোবিন্দায় নমো নমঃ।।
নমো বিজ্ঞানরূপায় পরমানন্দরূপিণে।
কৃষ্ণায় গোপীনাথায় গোবিন্দায় নমো নমঃ ।।
দ্বিপ্রহরে ভোগরাগ আরত্রিক নামসংকীর্তন নৃত্য-গীত বন্দনার পর সৎসঙ্গ, গীতা, ভাগবত পাঠ, অহোরাত্র হরিনামসংকীর্ত্তন।
পরদিবস প্রাতে স্নান, ধৌতবস্ত্রাদি ধারণ এবং শ্রীহরির অর্চ্চন, পারণ, দ্বিপ্রহরে ভোগরাগ, আরত্রিক, অনন্তর ব্রাহ্মণ-বৈষ্ণব-সেবা, দক্ষিণা প্রদান। অতিথি-সেবা অতঃপর সবান্ধব প্রসাদ সেবন।
শুদ্ধ ভাবে একাদশী ব্রতাচারশীল ব্যক্তিগণের ঐহিক ও পারত্রিক কল্যাণ সুখাদি লাভ এবং মুক্তিপদ প্রাপ্ত হয়ে থাকে।
অথব্রতকথারম্ভ—-
নারায়ণং নমস্কৃত্য নরঞ্চৈব নরোত্তমম্।
দেবীং-সরস্বতীং-ব্যাসং ততোজয়মুদীরয়েৎ।।
নমো নমো বাত্মনসাতিভূময়ে
নমো নমো বাত্মনসৈক ভূমায়।।
নমোনমোনস্তমহাবিভূতয়ে
নমোনমোনস্তদয়ৈক সিন্ধবে।।
তথাহি শ্রীমদ্ভাগবতে—
একদা শ্রীসূত গোস্বামী ভ্রমণ করতে করতে কতিপয় শিষ্যসহ নৈমিষারণ্যে উপস্থিত হলেন। তত্রস্থ ঋষিগণ তাঁকে সাদরে আসনাদি দিয়ে যথাযথ সম্মান করলেন। অতঃপর ভৃণ্ড-কুলোদ্ভব বিদ্বান্শ্রেষ্ঠ শ্রীশৌনকমুনি সূত গোস্বামীকে প্রীতিভরে জিজ্ঞাসা করতে লাগলেন— হে সুত! হে সূত! তুমি মহাভাগ্যবান্ শ্রীমদ্ শুকদেবের পরম কৃপাপাত্র। তোমাকে কিছু প্রশ্ন করছি ভগবান ত্রিবিক্রম মূৰ্ত্তি কেন ধারণ করেছিলেন?
শ্রীসূত গোস্বামী বলতে লাগলেন—অচিন্ত্য শক্তিমান্ শ্রীহরিদেব কার্য সাধনোদ্দেশ্যে কশ্যপ ও অদিতি দেবীর থেকে আবির্ভূত হয়ে সদ্য বটু ব্রাহ্মণ মূর্ত্তিতে (ব্রহ্মচারী বেশে) প্রহ্লাদ মহারাজের পৌত্র বলি মহারাজের যজ্ঞে উপস্থিত হয়েছিলেন।
অসুররাজ বলি ঋত্বিকগণের সহিত তাঁহাকে মহাসম্মানে যজ্ঞসদনে আনয়ন করেন এবং অতি উত্তম আসনে বসিয়ে শ্রীপাদপদ্মযুগল ধৌত করেন। তথা পবিত্র তীর্থস্বরূপ সেই পাদোদক সপরিবারে বলিরাজ শিরে ধারণ করেন। তারপর গন্ধ, পুষ্প, ধূপ, দীপ ও বিবিধ নৈবেদ্য উপচারে তাঁকে পূজা করেছিলেন।
অনন্তর বলি মহারাজ মহাগৌরবপূৰ্ব্বক বলতে লাগলেন —
অদ্য নঃ পিতরস্তৃপ্তা অদ্য নঃ পাবিতং কুলম্
অদ্য স্বিষ্টঃ ক্রতুরয়ং যদ্ভবানাগভোগৃহান্।।
অদ্য আমার পিতৃগণ পরিতৃপ্ত অদ্য বংশ পবিত্র এবং অদ্যই এই যজ্ঞানুষ্ঠান যথাযথ অনুষ্ঠিত হয়েছে। হে দ্বিজাত্মজ। আপনার শ্রীচরণ রজঃকণা আমরা পেয়ে নিষ্পাপ হয়েছি। অদ্য অগ্নিসকল যথাবিধি হত হয়েছে এবং পৃথিবী আপনার ক্ষুদ্র শ্রীচরণ স্পর্শে পবিত্র হয়েছে।
হে বিপ্রনন্দন! আপনাকে দেখে অনুমান করছি, আপনি কিছু আকাঙ্ক্ষা করে এসেছেন। অতএব যাহা ইচ্ছা তাহাই আমার নিকট থেকে গ্রহণ করুন। হে পূজ্যতম। গো, ভূমি, হিরণ্য, গৃহ, অন্ন, অশ্ব, গজ, গ্রাম, রথ ও ব্রাহ্মণকন্যা আপনার যাহা অভিলাষ তাহা গ্রহণ করুন।
বিরোচন পুত্র বলি মহারাজের এরূপ অর্থযুক্ত বাক্য শ্রবণ করে ভগবান্ ত্রিবিক্রমদেব প্রীত হয়ে বললেন-হে রাজন! তোমার ঐহিক ব্যবহারে ভৃগুবংশীয় শ্রীশুক্রাচার্য্য প্রভৃতি গুরুগণ এবং পারলৌকিক ধর্মে কুলবৃদ্ধ ভক্তশ্রেষ্ঠ শ্রী প্রহ্লাদ মহারাজ উপদেশ কর্ত্তা । তোমার এবম্বিধ বাক্য সকল কুলোচিত ও যশস্বরই হয়েছে। তোমার কুলে এ পর্যন্ত কোন কৃপণ ব্যক্তি জন্মগ্রহণ করে নাই।
হে দৈত্যশ্রেষ্ঠ। দাতাগণের মধ্যে তোমার নাম শ্রেষ্ঠ। তোমার নিকট আমি অধিক কিছুই চাই না। কেবলমাত্র আমার পদপরিমিত ত্রিপাদভূমি প্রার্থনা করি। এ বাক্য শ্রবণে দৈত্যপতি উচ্চহাস্য করে বললেন-হে বিপ্রকুমার! তোমার বাক্যগুলি বৃদ্ধ গণেরও আদরণীয়। কিন্তু তোমার বুদ্ধি নিতান্ত অজ্ঞ শিশুর ন্যায়। হে ব্রাহ্মণ বটু! আমি ত্রিলোকের রাজা। আমার দানগ্রহণকারীকে কদাপি অন্যের দান গ্রহণ করতে হয় না। তুমি ত্রিলোকের কোন একটি লোক গ্রহণ কর।
ভগবান্ বললেন—হে রাজন! কামী ব্যক্তিগণের কামনা কদাপি ত্রিলোকের যাবতীয় সম্পত্তি প্রাপ্তিতেও যায় না। যদি আমি ত্রিপাদ ভূমিতে সন্তুষ্ট না হই তবে এই পরিদৃশ্যমান সপ্তদ্বীপের সম্পত্তিতেও সুখী হব না।
পূর্ব্বকালে গয়, বেশ ও বাণ প্রভৃতি রাজাগণ এই পৃথিবীর যাবতীয় সম্পত্তিতে কখনও সুখী হতে পারেনি।প্রারব্ধবশে যদৃচ্ছাক্রমে যা লভ্য হয় তাতেই বিজ্ঞগণ সুখী থাকেন। অতএব দাতৃগণশ্রেষ্ঠ, আপনার থেকে ত্রিপাদভূমি ব্যতীত অধিক কিছুই চাই না।
তচ্ছ্রবণে দৈত্যপতি বললেন, আচ্ছা, তোমার যা ইচ্ছা তাই তুমি গ্রহণ কর। একথা বলে দৈত্যপতি দান দেওয়ার জন্য জলপাত্র গ্রহণ করলেন। ঠিক সেই সময় দৈত্যগুরু শুক্রাচার্য্য বলতে লাগলেন—হে দৈত্যপতি বলি। ইহাকে দান দিও না। ইনি দেবতাদিগের সহায়ক শ্রীবিষ্ণু। ত্রিপাদ-বিস্তারক্রমে ত্রিলোক গ্রহণ করে উহা ইন্দ্রকে দান করবে। তুমি সর্ব্বস্ব দান করলে তোমার কুটুম্ববর্গের কি করে ভরণ পোষণ হবে? কুলপুরোহিত আমাদেরই বা কি করে চলবে? অতএব তোমার এ দান অতি নিন্দনীয়। ভবিষ্যতে তোমার দারুণ বিপদ উপস্থিত হবে। বলি মহারাজ বললেন—
নাহং বিভেমি নিরয়ান্নোধন্যাদসুখার্ণবাৎ।
ন স্থান চ্যবনানৃত্যোর্যথা বিপ্ৰপ্ৰলম্ভনাৎ।।
হে গুরো। আমি নরক হতে ভয় করি না। ভীষণ দরিদ্রদশার জন্যও ভয় করি না। দারুণ দুঃখহেতুও ভয় করি না। স্থানচ্যুতি কিম্বা মৃত্যু হ’তে ভয় করি না; আমি এই ব্রাহ্মণকে দান করব বলে যদি তাঁকে না দিই, সেই মিথ্যা ব্যবহার হ’তে আমার ভয় হচ্ছে।
যাজ্ঞিক ব্রাহ্মণগণ যে বিষ্ণুর উদ্দেশ্যে যাগ যজ্ঞাদি করে, ইনি যদি সেই বিষ্ণুই হন এবং আমার সর্ব্বস্ব নিয়ে পুনঃ যদি শত্রু আচরণে আমাকে হত্যাও করেন, তথাপি আমি তাঁকে দান দিব। ইহার অন্যথা কিছুতেই করব না, যখন তিনি ব্রাহ্মণ বেশে এসেছেন। কুলপুরোহিত গুরু শুক্রাচার্য্য বলি রাজার এরূপ দৃঢ়তাপূর্ণ বাক্যে অতিশয় রোষান্বিত হয়ে অভিশাপ দিলেন—ওহে বলি !তুমি যখন নিজেকে পণ্ডিত অভিমান করছ, গুরুর কথা মানছ না, তখন তোমার অচিরাৎ লক্ষ্মী ভ্রষ্ট হয়ে যাবে। শুক্রাচার্য্য এ কথা বলে স্থান ত্যাগ করলেন।
এবং শপ্তং স্বণ্ডরুণা সত্যান্নচলিতোমহান্ ।
বামনায় দদাবৈনামৰ্চ্চিত্মোদক পূৰ্ব্বকম্।।
নিজ গুরু শুক্রাচার্য্য এইরূপ অভিশাপ দিলেও বলি মহারাজ কিছুমাত্র ভীত হলেন না। তিনি জলপাত্র গ্রহণপূর্বক দান দিতে লাগলেন। বলি মহারাজের এরূপ কর্ম দর্শনে দেবতা, সিদ্ধ, চারণ ও মুনিগণ বিস্ময়ান্বিত ও আনন্দিত হয়ে দুন্দুভি বাদ্যসহ জয়ধ্বনিতে প্রশংসা করতে লাগলেন।
ভগবান্ একপদ পরিমাণে পাতাল পর্যন্ত ও শরীরের দ্বারা ভূ-লোক এবং ভুবঃ-লোক গ্রহণ করলেন। অনন্তর দ্বিতীয় পদে সত্যলোক প্রভৃতি গ্রহণ করলেন। এবার দৈত্যপতি বলির রেণু পরিমিত ভূমি আর নাই। দৈত্যপতি বলির—মন্ত্রী ও সেনাপতি দৈত্যগণ বৃষপৰ্ব্বা প্রভৃতি অস্ত্র ধারণপূর্ব্বক বলি রাজার নিষেধ সত্ত্বেও বামনদেবকে প্রহার করবার জন্য উদ্যত হল। বৈকুণ্ঠ থেকে তৎক্ষণাৎ বিষ্ণু পার্ষদগণ মহাবেগে তথায় উপস্থিত হলেন, এবং ঘোর যুদ্ধে অসুরগণকে দূরীভূত করলেন। অসুরগণ ভীত হয়ে শীঘ্রই পাতালপুরে চলে গেল।
এই সময় বামনদেব বলিরাজকে নাগপাশে বন্দী করার আদেশ দিলেন। অনন্তর বলিরাজকে বলতে লাগলেন- হে দৈত্যপতি! তুমি যে আমাকে ত্রিপাদ ভূমি দিতে তোমার ত্রিপাদ ভূমি কোথায়? তুমি মিথ্যা বাক্য বলেছ। তোমার নরকে স্থান হবে। তোমার গুরু তোমাকে অভিশাপ প্রদান করেছেন।
ভগবানের এইরূপ আপাততঃ ক্রোধব্যঞ্জক বাক্যগুলিতে বলি মহারাজ বিন্দুমাত্র বিচলিত হলেন না। তিনি মনে মনে ভাবতে লাগলেন—অহো! এই বামন মূর্ত্তিধারী বটু ইনি সাক্ষাৎ লক্ষ্মীকান্ত; তথাপি আমার মত
সামান্যজনের কাছে অর্থাৎ রঙ্কের (গরীবের) কাছে মাত্র তিন পদপরিমিত ভূমির জন্য কত কিছুই বলছেন।
বলি মহারাজ বললেন-হে দেব। আপনার প্রদত্ত এই দণ্ড আমি অহৈতুক দয়া বলে মনে করছি। আজ পর্যন্ত আমি পিতা ও মাতা হ’তে যে দণ্ড পাইনি, আপনার থেকে সে দণ্ড প্রাপ্ত হয়ে মনে হচ্ছে এই দণ্ডই পুরুষদিগের পরম শ্লাঘ্যতম, যশস্বর তুল্য।
হে প্রভো! আমি নরক হ’তে, পাশবন্ধন হ’তে অথবা দুস্ত্যজ দুঃখ হ’তেও দুঃখী নহি, ততোধিক দুঃখী এখন পর্যন্ত ব্রাহ্মনকে যথোচিত দেয় বস্তু দিতে না পারায়। অতএব আপনি তৃতীয়পদ বিস্তার করুন এবং আমার দেয় তৃতীয় স্থান, মস্তকটি গ্রহণ করুন।
বলি মহারাজ যখন এইরূপ বলছিলেন, ঠিক সেইসময় তথায় শ্রীপ্রহ্লাদ মহারাজ এলেন। সলজ্জচিত্তে বলি মহারাজ পিতামহকে প্রণাম করলেন। শ্রীপ্রহ্লাদ মহারাজ শ্রীবামনদেবকে স্তুতি করে বলতে লাগলেন—হে প্রভো! আপনার প্রদত্ত ইন্দ্রপদবী বলি ভোগ করছিল, পুনঃ আপনিই উহা কৃপাপূৰ্ব্বক গ্রহণ করেছেন। ইহা মহান করুণা। কেননা ঐশ্বর্য্যে আত্মমোহ হেতু আপনার মহিমা দর্শন করতে পারে না। আপনি অসুরগণের প্রতি পরোক্ষে কৃপা করেন, তাহা বুঝতে পারলাম। ঠিক এইসময় ব্রহ্মা তথায় উপস্থিত হলেন। তিনি বলিকে নাগপাশে বন্দী দেখে বলতে লাগলেন— হে দেব! আপনার শ্রীচরণে কেবল জল, দুৰ্ব্বা অর্পণে আপনি তাকে মুক্তিপদের দায়ভাগ করেন; এই বলি অকাতরে যাবতীয় ত্রিলোকের সম্পদ আপনার শ্রীচরণে সমর্পণ করেছে তথাপি তাকে আপনি এত দণ্ড দিচ্ছেন কেন?
বিষ্ণু তাঁর জবাবে বললেন—হে ব্রহ্মণ! আমি যাদের অনুগ্রহ করি তাদের এ জগতে যাবতীয় সম্পদ ধীরে ধীরে হরণ করে নিজ পদ দিয়ে থাকি। এ দৈত্যপতি বলি এ আমার দুর্জয় মায়াকে জয় করেছে। আমি ওকে দেবদুৰ্ল্লভ পদ দান করব। অতঃপর বলির নাগপাশ মুক্ত করে দিলেন এবং বিষ্ণু
বললেন—তৃতীয় পদ পরিমিত ভূমি আমাকে দিয়ে বাক্য সত্য কর। এইকথা বলে বামনদেব নাভিকমল হ'তে আর একটি পদ প্রকাশ করলেন। বলি মহারাজও স্বীয় মস্তক পেতে দিলেন, শ্রীহরি তৃতীয় পদ বলির শিরে অর্পণ করলেন। সেইকালে দশদিক্ ভরে মহা মহা জয়ধ্বনি দেবগণ, গন্ধবগণ ও মুনি ঋষিগণ আনন্দভরে পুষ্পবৃষ্টি, নৃত্য, গীত, দুন্দুভিধ্বনি, শঙ্খধ্বনি, ভেরী, বাদ্যাদিতে চৌদ্দভুবন আনন্দময় হল। এই দিন হ’তে শ্রীবিষ্ণু ত্রিবিক্রম নামে খ্যাত হলেন। জয় শ্রীত্রিবিক্রমদেব কি জয়।
শ্রীনাম সঙ্কীৰ্ত্তন—
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।

||_🌿🌺 রথযাত্রার ২০২৬ 🥀_"২০২৬ সালের রথযাত্রা উৎসব ১৬ জুলাই, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। পঞ্জিকা অনুসারে, আষাঢ় মাসের শুক্লপক...
10/05/2026

||_🌿🌺 রথযাত্রার ২০২৬ 🥀_"

২০২৬ সালের রথযাত্রা উৎসব ১৬ জুলাই, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। পঞ্জিকা অনুসারে, আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে জগন্নাথ দেবের এই বিখ্যাত রথযাত্রা বা রথের দড়িতে টান দেওয়ার উৎসব পালিত হয়।

জেনে নিন রথযাত্রার সময় সূচী :

রথযাত্রা (রথ যাত্রা): ১৬ জুলাই ২০২৬

(বৃহস্পতিবার)

বাহুদা যাত্রা (উল্টোরথ): ২৪ জুলাই ২০২৬ (শুক্রবার)

বিশেষ তথ্যাদি:

স্থান: উড়িষ্যার পুরী, যা বিশ্বজুড়ে রথযাত্রার জন্য বিখ্যাত।

প্রস্তুতি: অক্ষয় তৃতীয়া থেকে পুরীতে রথ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।

রথসমূহ: জগন্নাথ দেবের রথের নাম নন্দীঘোষ, বলভদ্রের তালধ্বজ এবং সুভদ্রার রথ দেবদলন নামে পরিচিত।

জয় জগন্নাথ দেব, জয় বলভদ্র জয় সুভদ্রা

শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন।

চিরঞ্জীবী ও কল্কি অবতার : যুগান্তরের এক অলৌকিক মহাজাগতিক মিলন —মহাভারতের যুদ্ধের শেষে যখন পাণ্ডবদের বিজয়ধ্বজা উড়ছে, তখনই...
04/05/2026

চিরঞ্জীবী ও কল্কি অবতার : যুগান্তরের এক অলৌকিক মহাজাগতিক মিলন —

মহাভারতের যুদ্ধের শেষে যখন পাণ্ডবদের বিজয়ধ্বজা উড়ছে, তখনই ভগবান কৃষ্ণ এক অদ্ভুত অভিশাপ — বা বলা ভালো, এক মহাজাগতিক দায়িত্ব — অর্পণ করেছিলেন অশ্বত্থামাকে। আবার পুরাণ বলছে, মহাবীর হনুমান, কৃপাচার্য বা রাজা বলি আজও এই ধরাধামেই বিচরণ করছেন। তাঁরা 'চিরঞ্জীবী'। কিন্তু কেন ? উত্তরটা লুকিয়ে আছে কলিযুগের অন্তিম লগ্নে, যখন আকাশ চিরে উদিত হবেন ভগবান বিষ্ণুর দশম অবতার — কল্কি।

কল্পনা করুন, এক ঘনঘোর অমাবস্যার রাত। অধর্মের ভারে পৃথিবী যখন থরথর করে কাঁপছে, ঠিক তখনই এক অলৌকিক জ্যোতিতে উদ্ভাসিত হবে শম্ভল গ্রাম। সেখানে কোনো এক নির্জন গিরিকন্দরে মিলিত হবেন পৃথিবীর শেষ রক্ষাকর্তা এবং ইতিহাসের অমর যোদ্ধারা।

১. রণক্লান্ত অমরদের প্রতীক্ষা

সহস্রাব্দ ধরে চিরঞ্জীবীরা পৃথিবীর পরিবর্তন দেখছেন। অশ্বত্থামা তাঁর ক্ষতবিক্ষত কপাল নিয়ে মরুপ্রান্তরে ঘুরে বেরিয়েছেন, পরশুরাম মহেন্দ্র পর্বতে তপস্যায় মগ্ন থেকেছেন এবং হনুমান রামচন্দ্রের নাম জপ করেছেন। তাঁদের এই অমরত্ব কোনো উপহার ছিল না, বরং তা ছিল এক দীর্ঘ প্রতীক্ষা। তাঁরা অপেক্ষা করছেন সেই মুহূর্তের জন্য, যখন তাঁরা তাঁদের শেষ অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

পুরাণ অনুযায়ী, কল্কি অবতার যখন কলিযুগের অন্তিমলগ্নে অবতীর্ণ হবেন, তখন এই চিরঞ্জীবীরা তাঁর প্রধান সহায়ক এবং পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবেন। তাঁদের যোগাযোগ মূলত গুরু ও শিষ্যের।

২. গুরু ও শিষ্যের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ

পুরাণ অনুযায়ী, কল্কি অবতার যখন ধরাধামে অবতীর্ণ হবেন, তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সর্ববিদ্যায় পারদর্শী হবেন না। এখানেই ঘটবে সেই নাটকীয় মিলন : কল্কি অবতারের সাথে চিরঞ্জীবীদের যোগাযোগ

পরশুরাম : কল্কির অস্ত্রগুরু

সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ হলো মহর্ষি পরশুরামের সাথে। তিনি মহেন্দ্রগিরি পর্বতে তপস্যারত এবং কল্কি অবতারের অপেক্ষায় আছেন। ভগবান পরশুরাম হবেন কল্কির অস্ত্রগুরু। যখন কল্কি উপযুক্ত সময়ে পৌঁছাবেন, তখন পরশুরাম তাঁকে অস্ত্রশিক্ষা এবং দিব্যাস্ত্র প্রদান করবেন। ত্রেতাযুগের সেই রুদ্রমূর্তি আবার জেগে উঠবে কল্কিকে দিব্যাস্ত্রের দীক্ষা দিতে। ঠিক যেমন তিনি অতীতে ভীষ্ম বা কর্ণকে শিক্ষা দিয়েছিলেন।

অশ্বত্থামা ও কৃপাচার্য : রণকৌশল

অশ্বত্থামা এবং কৃপাচার্য দুজনেই মহাযুদ্ধের কৌশল জানেন। কল্কি যখন অধর্মের বিনাশে বের হবেন, তখন এই অভিজ্ঞ যোদ্ধারা তাঁকে সমরবিদ্যায় সহায়তা করবেন বলে মনে করা হয়।

হনুমান ও বিভীষণ : ভক্ত ও পরামর্শদাতা

হনুমান কল্কি অবতারকে ভক্তি এবং সংকল্পের শক্তি জোগাবেন। রামের পরম ভক্ত হনুমান কল্কির ধ্বজায় অবস্থান করবেন, যাঁর হুঙ্কারে অসুরদের হৃদপিণ্ড থমকে যাবে। অন্যদিকে, বিভীষণ ধর্মের নীতি এবং কূটনীতিতে সাহায্য করবেন।

যখন সময় ও কাল মিলেমিশে একাকার হয়ে যাবে, তখন পুরাণের পাতা থেকে উঠে আসবেন সেই প্রাচীন যোদ্ধারা, আধুনিক রণক্ষেত্রে কল্কির পাশে দাঁড়াতে।

৩. শম্ভল গ্রামে মহাজাগতিক মিলন

নাটকীয়তার চরম শিখরে পৌঁছাবে সেই দৃশ্য, যখন শম্ভল গ্রামের প্রান্তরে শ্বেত অশ্ব 'দেবদত্ত'-এর ওপর আসীন কল্কির চারপাশ ঘিরে দাঁড়াবেন এই চিরঞ্জীবীরা।

চিরঞ্জীবীরা আসলে একেকটি জীবন্ত টাইম ক্যাপসুল। তাঁরা সত্যযুগ থেকে কলিযুগ পর্যন্ত সবকিছুর সাক্ষী। কল্কি অবতারের সাথে তাঁদের এই মিলন আসলে পৃথিবীর এক নতুন চক্র বা সত্যযুগের সূচনা করবে। তাঁরা হলেন সেই যোগসূত্র যারা পুরোনো পৃথিবীর জ্ঞান নতুন পৃথিবীর ত্রাণকর্তার হাতে তুলে দেবেন।

একদিকে থাকবেন বেদব্যাস, যিনি আগামী সত্যযুগের ইতিহাস লিখতে প্রস্তুত। অন্যদিকে কৃপাচার্য ও অশ্বত্থামা, যাঁদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হবে এই অন্তিম যুদ্ধে অংশগ্রহণের মাধ্যমে।

এটি কেবল একটি যুদ্ধ হবে না; এটি হবে অতীত ও ভবিষ্যতের এক সেতুবন্ধন। ত্রেতা ও দ্বাপরের শক্তি যখন কলিযুগের অন্তিম লড়াইতে কল্কির সাথে যোগ দেবে, তখন মহাবিশ্বের কম্পন এক নতুন 'সত্যযুগ'-এর আগমনী বার্তা ঘোষণা করবে।

৪. ধ্বংসের শেষে সৃষ্টির বীজ

কল্কি এবং চিরঞ্জীবীদের এই মিলন কোনো ধ্বংসাত্মক তাণ্ডব নয়, বরং তা এক শুদ্ধিকরণ। অশ্বত্থামা তাঁর পাপের প্রায়শ্চিত্ত খুঁজে পাবেন ধর্মের পক্ষে লড়ে, আর পরশুরাম তাঁর শেষ শিষ্যকে যোগ্য করে তোলার তৃপ্তি পাবেন।

যখন শেষ তলোয়ারটি কোষমুক্ত হবে এবং কল্কির তেজে অন্ধকার বিলীন হবে, তখন এই অমর সাতজন সাক্ষী থাকবেন এক নতুন সূর্যোদয়ের। তাঁরাই হবেন সেই যোগসূত্র, যাঁরা কলিযুগের ছাই থেকে এক নতুন পৃথিবী বা 'স্বর্ণযুগ' গড়ে তুলবেন।

৫. শ্বেত অশ্ব 'দেবদত্ত' ও অলৌকিক সঙ্গ

কল্কি যখন তাঁর দিব্য শ্বেত অশ্বে চড়ে যুদ্ধের ময়দানে আসবেন, তখন তাঁর চারপাশে ছায়ার মতো অবস্থান করবেন কৃপাচার্য ও বেদব্যাসের মতো চিরঞ্জীবীরা। এটি হবে ইতিহাসের প্রথম যুদ্ধ যেখানে তিন যুগের বীরেরা একসঙ্গে লড়বেন।

৬. কলি দানবের অন্তিম লগ্ন‌

কলিযুগের মূর্ত প্রতীক 'কলি' দানবকে বধ করার সময় চিরঞ্জীবীরা কল্কির চারপাশে এক দুর্ভেদ্য বলয় তৈরি করবেন। অশুভ শক্তি যখন দেখবে যে স্বয়ং মহাবীর হনুমান বা পরশুরাম কল্কির দেহরক্ষী, তখন তাদের মনোবল মুহূর্তেই ভেঙে পড়বে।

৭. শম্ভল গ্রামের গোপন সভা‌

নাটকীয়ভাবে কল্পনা করা হয় যে, শম্ভল গ্রামের এক গুপ্ত গুহায় বা মন্দিরে কল্কি এবং চিরঞ্জীবীদের এক গোপন সভা হবে। সেখানেই স্থির হবে কীভাবে এই কলুষিত পৃথিবীকে ধ্বংস করে আবার সত্যযুগের সূচনা করা যায়।

৮. বেদব্যাসের কলম ও কল্কির বীরগাথা‌

মহর্ষি বেদব্যাস, যিনি মহাভারত লিখেছেন, তিনি কল্কির প্রতিটি বিজয়গাথা নিজের চোখে দেখবেন। এই মিলনটি হবে অত্যন্ত আবেগপ্রবণ, কারণ ব্যাসদেব কলিযুগের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব ঘটনার সাক্ষী হিসেবে কল্কির হাতে নতুন যুগের দায়িত্ব তুলে দেবেন।

৯. দিব্যাস্ত্রের হিরন্ময় প্রকাশ‌

চিরঞ্জীবীদের কাছে থাকা প্রাচীন দিব্যাস্ত্রগুলো (যেমন পরশুরামের কুঠার বা হনুমানের গদা) কল্কির দিব্য তরবারির সাথে মিলিত হয়ে এক অভাবনীয় আলোর ছটা তৈরি করবে, যা পৃথিবীর সমস্ত অন্ধকার ও নেতিবাচক শক্তিকে ভস্মীভূত করে দেবে।

১০. সত্যযুগের দ্বারোদঘাটন

যুদ্ধের শেষে যখন পৃথিবী শুদ্ধ হবে, তখন চিরঞ্জীবীরা কল্কিকে সিংহাসনে বসিয়ে এক নতুন যুগের — সত্যযুগ — সূচনা করবেন। এই মিলনটি কেবল যুদ্ধের জন্য নয়, বরং ধ্বংসের ছাই থেকে নতুন সৃষ্টির এক মহোৎসব হিসেবে চিহ্নিত হবে।

চিরঞ্জীবী ও কল্কির এই মিলন কেবল পৌরাণিক কাহিনী নয়, এটি এক গভীর সত্যের প্রতীক — অধর্ম যত শক্তিশালীই হোক না কেন, সনাতন সত্য এবং প্রাচীন প্রজ্ঞা (চিরঞ্জীবী) সবসময় নতুনের (কল্কি) সাথে হাত মিলিয়ে অন্ধকার দূর করবেই।

হে কল্কি অবতার ! তুমি ম্লেচ্ছহমুহের নিধনকালে ধূমকেতুসদৃশ অতি ভয়ঙ্কর খড়্গ ধারণ করেছিলে। হে কেশব ! হে কল্কিরূপী ! হে জগদীশ্বর ! হে হরি ! তোমার জয় হোক ! জয় জগদীশ হরে।


জয় জগদীশ হরে


(সংগৃহীত)

অজান্তে করা পাপ থেকে মুক্তির উপায়: আমরা মানুষ—ভুল আমাদের স্বভাব।। অনেক সময় না জেনে, না বুঝে এমন কিছু কাজ করি যা শাস্ত্...
04/05/2026

অজান্তে করা পাপ থেকে মুক্তির উপায়: আমরা মানুষ—ভুল আমাদের স্বভাব।। অনেক সময় না জেনে, না বুঝে এমন কিছু কাজ করি যা শাস্ত্র মতে পাপ হিসেবে গণ্য হয়।। কিন্তু সনাতন ধর্মে একটি সুন্দর দিক হলো—প্রায়শ্চিত্ত ও সংশোধনের পথ সবসময় খোলা।।
শাস্ত্রে কী বলা হয়েছে??
শাস্ত্রে বলা হয়—
👉“অজ্ঞানে কৃত পাপ জ্ঞান দ্বারা নাশ হয়”
অর্থাৎ, জ্ঞান অর্জন ও সচেতনতার মাধ্যমে অজান্তে করা পাপ থেকেও মুক্তি পাওয়া সম্ভব।।

📖ভগবদ্গীতার শিক্ষা (৪.৩৬):
👉 “যদি তুমি সবচেয়ে বড় পাপীও হও, জ্ঞানের নৌকায় ভর করে তুমি সব পাপ অতিক্রম করতে পারবে।।”

🌼মুক্তির উপায়গুলো:
1️⃣প্রায়শ্চিত্ত (অনুশোচনা)
👉 নিজের ভুল স্বীকার করা ও অন্তর থেকে অনুতপ্ত হওয়া।।
👉 মন থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করা।।

2️⃣নাম জপ ও ভক্তি
👉 ঈশ্বরের নাম জপ (যেমন: হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র)
👉 শাস্ত্রে বলা হয়েছে—নাম জপ সব পাপ ধুয়ে দেয়।।

3️⃣সৎকর্ম (পুণ্য কাজ)
👉 দান, সেবা, অন্যকে সাহায্য করা
👉 “পাপকে পুণ্য দ্বারা নাশ করা যায়”

4️⃣শাস্ত্র অধ্যয়ন ও জ্ঞান অর্জন
👉 নিয়মিত গীতা, উপনিষদ, পুরাণ পড়া
👉 এতে ভবিষ্যতে ভুল কম হবে

5️⃣সৎসঙ্গ (ভালো মানুষের সংস্পর্শ)
👉 ধার্মিক ও জ্ঞানীদের সাথে থাকা
👉 এতে মন ও আচরণ শুদ্ধ হয়

মনুস্মৃতির বাণী:
👉 “যে ব্যক্তি পাপ করে এবং পরে অনুতপ্ত হয়, সে পাপ থেকে মুক্তি লাভ করে।।”
মূল কথা:
অজান্তে করা পাপ নিয়ে ভয় নয়—
👉 সচেতন হও
👉 অনুতপ্ত হও
👉 সৎ পথে ফিরে আসো

ঈশ্বর করুণাময়—তিনি ক্ষমাশীল।। 🙏
আজ থেকেই শুরু হোক আত্মশুদ্ধির পথ।।-

01/05/2026

আজ ১৭ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (৩০ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি.)
বৃহস্পতিবার অরুনোদয় হইতে ১৬ প্রহর ব্যাপী অখন্ড
শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম সংকীর্তন।

নামসুধা পরিবেশনায়:

বাবা লোকনাথ সম্প্রদায়- সাতক্ষীরা। মাস্টার শ্রী কুমারেশ বিশ্বাস
পার্থ সারথী সম্প্রদায়- নরসিংদী। মাস্টার শ্রী চিরঞ্জিত রায়
গোপাল জিউ সম্প্রদায়- সিলেট। মাস্টার শ্রী রমেন রায়
শ্রীশ্রী রাধাকুঞ্জ সম্প্রদায়- গোপালগঞ্জ। মাস্টার শ্রীমতি চৈতি সরকার,
রুপশ্রী সম্প্রদায়- মাগুরা। মাস্টার শ্রীমতি রুপা সরকার
শ্রীশ্রী আশির্বাদ সম্প্রদায়- ঝালকাঠি। মাস্টার শ্রী আশিষ সাধক

আগত ভক্তবৃন্দের জন্য প্রসাদের ব্যবস্থা থাকবে।

বি: দ্র:- অনিবার্য কারণবশতঃ অনুষ্ঠান সূচী পরিবর্তন ও পরিবর্ধন হতে পারে।

সভাপতি 01714-572830
সাধারণ সম্পাদক 01736-863879
কোষাধ্যক্ষ 01720-836700

Address

Sanatan
Barishal
KATHALIA

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রম ও দুর্গা মন্দির বীণাপাণি বাজার , কাঁঠালিয়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category