14/12/2025
গতকাল ১৩-১২-২০২৫ ইং রাজধানী ঢাকার একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত একটি বিবাহত্তর রিসিপশন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আগৈলঝাড়া উপজেলার কৃতি সনাতনীদের উপস্থিতিতে এক আন্তরিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। দুপুরের খাবারের পর নবদম্পতিকে আশীর্বাদ প্রদান শেষে আমাদের প্রাণপ্রিয় কেন্দ্রীয় মন্দির নির্মাণ প্রসঙ্গে একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,
১. শ্রী শচীন্দ্রনাথ হালদার সভাপতি, আপন (সাবেক মহাপরিচালক, আর্কাইভ),
২. শ্রী নিকুঞ্জ লাল হালদার (সাবেক সভাপতি ও বর্তমান উপদেষ্টা, আপন),
৩. শ্রী লাল বাহাদুর অধিকারী, সাধারণ সম্পাদক, আপন, রেভিনিউ অফিসার, এনবিআর,
৪. এডভোকেট শ্রী রনজিত সমাদ্দার,
৫. শ্রী বিভাস কুমার জয়ধর (অধ্যাপক, ক্যামব্রিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা),
৬. শ্রী সনজিত বাড়ৈ, সভাপতি, কেন্দ্রীয় মন্দির র্নির্বাহী কমিটি,
৭. এডভোকেট শ্রী মিন্টু কুমার মণ্ডল (সিনিয়র সহ-সভাপতি, কেন্দ্রীয় মন্দির নির্বাহী কমিটি),
৮. শ্রী গৌরাঙ্গ লাল সরকার (সহযোগী অধ্যাপক, সরকারি কলেজ, ঠাকুরগাঁও),
৯. শ্রী লালমোহন বড়াল (অধ্যাপক, আহসানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি),
১০. শ্রী হরষিত বাড়ৈ, সহ-সভাপতি, আপন,
১১. এডভোকেট শ্রী হরিচাঁদ বৈরাগী শাওন, কোষাধ্যক্ষ, আপন,
১২. শ্রী নিতিশ সরকার (আয়কর আইনজীবী),
১৩. এবং আমি, শ্রী পলাশ হালদার।
সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্ব পায় এই বিষয়টি যে, কেন্দ্রীয় মন্দির নির্মাণ অবশ্যই সুপরিকল্পিতভাবে সম্পন্ন করতে হবে, যাতে কাজ শেষে আর এই আক্ষেপ না থাকে, অন্যভাবে করলে আরও ভালো হতো। একটি দৃষ্টিনন্দন ডিজাইন তৈরির বিষয়ে সবাই একমত পোষণ করেন। আলোচনায় এ কথাও স্পষ্টভাবে উঠে আসে যে, আমরা সকল সনাতনী একত্রিত হলে অনুদান বা সহযোগিতার কোনো অভাব হবে না। মায়ের আশীর্বাদে আগৈলঝাড়া উপজেলায় একটি দৃষ্টিনন্দন কেন্দ্রীয় মন্দির নির্মাণ হবে, এই দৃঢ় প্রত্যয় সকলের কণ্ঠে প্রতিফলিত হয়।
পলাশ হালদার
কাঠিরা, আগৈলঝাড়া