শ্রী শ্রী গৌর গোপাল জিউর মন্দির ও আঁখড়া - বলাখাল, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।

  • Home
  • Bangladesh
  • Balakhal
  • শ্রী শ্রী গৌর গোপাল জিউর মন্দির ও আঁখড়া - বলাখাল, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।

শ্রী শ্রী গৌর গোপাল জিউর মন্দির ও আঁখড়া - বলাখাল, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর। Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from শ্রী শ্রী গৌর গোপাল জিউর মন্দির ও আঁখড়া - বলাখাল, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।, Religious organisation, Balakhal.

✨ "শ্রী শ্রী গৌর গোপাল জয়তু!"✨

এই মন্দিরটি চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জের বলাখালে অবস্থিত বৈষ্ণবীয় তীর্থস্থান। প্রতিদিন মঙ্গল আরতি, কীর্তন, ভাগবত পাঠ ও ভক্তদের জন্য ধর্মীয় সেবা পরিচালিত হয়।

☞ সেবাইতঃ "শ্রী শ্রী সেবাপৃয়া রাধেশ্যাম গোস্বামী"

26/02/2026

শ্রীমদ্ভাগবত পাঠের ২য় রজনীর তুলসী আরতির ২য় অংশ...🙏🙏

25/02/2026

শ্রীমদ্ভাগবত পাঠের ২য় রজনীর তুলসী আরতি...🙏🙏

24/02/2026

১ম রজনী শ্রীমদ্ভাগবত মঙ্গলাচরণ পাঠ..🙏🙏
পাঠক: শ্রীমৎ অমৃতলাল গোস্বামী..

জয় শ্রী রাধে গোবিন্দ! জয় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু! 🌸🙏শ্রী শ্রী গৌর গোপাল জয়তু! 💛সুধী ভক্তবৃন্দ, বিশ্বশান্তি কামনায় আগামী ...
23/02/2026

জয় শ্রী রাধে গোবিন্দ! জয় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু! 🌸🙏

শ্রী শ্রী গৌর গোপাল জয়তু! 💛

সুধী ভক্তবৃন্দ, বিশ্বশান্তি কামনায় আগামী ১১ ই ফাল্গুন ১৪৮২ বঙ্গাব্দ (২৪ শে ফেব্রুয়ারী ২০২৬ খ্রি.) থেকে ২ দিন ব্যাপী শ্রীমদভগবত পাঠ ও ২৪ প্রহরব্যাপী — "শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম হরিনাম সংকীর্ত্তন মহানাম যজ্ঞ" এর আয়োজন হয়েছে।
উৎসব অঙ্গনঃ শ্রী শ্রী গৌর গোপাল জিউর মন্দির ও আখঁড়া, বলাখাল, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
আপনি/আপনারা সহ সকল ভক্তবৃন্দকে সাদর আমন্ত্রণ জানানো যাচ্ছে।

**অনুষ্ঠানসূচী:**

- ১১ ও ১২ ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,
(২৪ ও ২৫ শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি:)
রোজঃ মঙ্গল ও বুধবার।
শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ – সন্ধ্যা ৮.০০ ঘটিকায়।
পাঠকঃ ভক্তের দাসুনুদাস, অমৃত লাল গোস্বামী।
জাহাপুর, মুরাদনগর, কুমিল্লা।

- ১২ ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, (২৫ শে ফেব্রুয়ারী ২০২৬ খ্রি:) রোজঃ বুধবার পাঠান্তে নামযজ্ঞের শুভ অধিবাস ও মঙ্গলঘট স্থাপন।

- ১৩ ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, (২৬ শে ফেব্রুয়ারী ২০২৬ খ্রি:) রোজঃ বৃহস্পতিবার অরুণোদয় হইতে ১৫ ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, (২৮ শে ফেব্রুয়ারী ২০২৬ খ্রি:) রোজঃ শনিবার প্রাতঃ পর্যন্ত ২৪ প্রহরব্যাপী — "শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম হরিনাম সংকীর্ত্তন মহানাম যজ্ঞ" ধারাবাহিক ভাবে চলবে।
উল্লেখ্য যে, ১৫ই ফাল্গুন কীর্তন চলাকালীন সময়ে দুপুর ৩.০০ ঘটিকায় মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে।

- ১৬ ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, (১ লা মার্চ ২০২৬ খ্রি:) রোজঃ রবিবার নামযজ্ঞ সমাপন ও নগর পরিক্রমা।

সকলে আসুন, হরিনাম সংকীর্তনে মেতে উঠি!
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে! 🪶🎶

#হরিনামসংকীর্তন #গৌরগোপাল #চাঁদপুর #ভক্তি #হরেকৃষ্ণ

নামযজ্ঞের প্রস্তুতি কাজ চলমান.. 🙏
22/02/2026

নামযজ্ঞের প্রস্তুতি কাজ চলমান.. 🙏

কণা মধ্যে ঈশ্বর: একটি আশ্চর্যজনক গল্প🦚✨একদা গ্রামে এক ব্রাহ্মন বসবাস করত। তিনি ছিলেন ভগবান শ্রী কৃষ্ণের পরম ভক্ত। তার নি...
29/12/2025

কণা মধ্যে ঈশ্বর: একটি আশ্চর্যজনক গল্প🦚✨

একদা গ্রামে এক ব্রাহ্মন বসবাস করত। তিনি ছিলেন ভগবান শ্রী কৃষ্ণের পরম ভক্ত। তার নিয়ম ছিল সে যাই করত, প্রথমে তার প্রভুকে স্মরণ করত। আমি যদি পানি পান করতাম, তাহলে আমার মন প্রথমে ঈশ্বরের কাছে আমার মন উৎসর্গ করতো।

কিন্তু, তার স্ত্রী সবকিছু বেশ মজার মনে করেছে। তিনি প্রকৃতির দ্বারা একটু প্র্যাকটিক্যাল ছিলেন। সে সবসময় ভেবেছিল যে তার স্বামী 'স্টোন মূর্তি' পিছনে পাগল। সে সাধারণত হঠাৎ করে বলে, "কিরে, যারা কথা বলতে পারে না, খেতে পারে না, তাদের কেন সব কিছু দাও? "কিন্তু ব্রাহ্মণ্য হেসে যেত।
লাড্ডু এবং স্ত্রীর চ্যালেঞ্জ 🍬

একদিন বাসায় খাটি ঘি বেসন লাড্ডু বানিয়ে ফেললাম। তাদের সুবাসে পুরো বাড়ি গন্ধ পাচ্ছি। ব্রাহ্মনরা লাড্ডু প্লেটে সাজিয়ে মন্দিরে যাওয়া শুরু করলো।

স্ত্রীর ধৈর্যের জবাব আজ দিয়েছে। সে উপহাস করে বলল, "প্রতিদিন প্লেট ভর্তি করে নিয়ে এসো এবং যেমন আছে তেমন করে ফিরিয়ে নিয়ে এসো। "তোমার ওই পাথর মূর্তি কি কখনো খায়। আজ আমার একটা অবস্থা—আজ যদি তোমার ঈশ্বর সত্যি লাড্ডু না খেয়ে থাকে, তবে ফিরে এসো না। দেখি ওরা কিভাবে খেতে আসে! "
এই জিনিসটা ব্রাহ্মণের মন ভেদ করে গেছে। সেও আজ একটা স্টেশন নিয়েছে। সে ভেবেছিল, আজ প্রভুকে খাওয়ায়ে ফিরব, নয়তো মন্দিরের সিঁড়িতে প্রাণ বিসর্জন দিয়ে দেব। " "

ব্রাহ্মণ মন্দিরে পৌঁছে গেলাম। শ্রী কৃষ্ণের বিগ্রহের সামনে লাড্ডু রেখে সূর্য-দীপ জ্বেলে চোখ বন্ধ করে প্রার্থনা করতে শুরু করলেন— "হে গোবিন্দ! আজ আমার লজ্জা রাখুন। আজ খেতে হবে। "
সময় চলে গেছে। এক ঘন্টা কেটে গেল, তারপর ধর্মঘট কেটে গেল। বিকেল হয়ে গেল। ঈশ্বর আসেন নি।

বাতাসে লাড্ডুর মিষ্টি গন্ধ ছড়িয়ে যাচ্ছিল।

প্রথমে মাছিগুলো নোংরা হয়ে এসে লাড্ডুর উপর বসতে শুরু করল। ব্রাহ্মনরা হাত নাড়িয়ে উড়িয়ে দিল, "চলো! এটা আমার গোবিন্দের জন্য তোমার জন্য নয়। "

আবার পিপীলিকার লাইন। ব্রাহ্মন তাদের কাপড় দিয়ে ভাসিয়ে দিল, " প্রভুর ভোগ-বিভীতি যারা মিথ্যা বলে সাবধান। "

মন্দিরের বাইরে কিছু রাস্তার কুকুর গন্ধ শুঁকে এসেছে। তাদের জিহ্বা পিছলে যাচ্ছিল। ব্রাহ্মন লাঠি তুলে ধাওয়া করল, "এখান থেকে পালিয়ে যাও! এই হল প্রভুর প্রসাদ। "

অবশেষে মন্দিরের বাইরে বসে থাকা ক্ষুধার্ত ভিখারিরাও লোভ দেখিয়ে এলো।

ভিক্ষুক হাত বাড়ালেই ব্রাহ্মন রেগে গিয়ে গালে জোরে চড় মারল, "অবুঝ! এটা ঈশ্বরের খাবার, এটা স্পর্শ করার সাহস কিভাবে? "

সন্ধ্যা পেরিয়ে, রাত হল। ঠাকুর কাঁপলো না, ঠাকুর দেখা দিলো না।

গ্রামবাসীদের ভিড় জমেছিল, তারা হাসতে শুরু করল - "ও পন্ডিত জি! বাড়ি যাও, পাথর খায় না। "

ব্রাহ্মণের মন ভেঙ্গে গেছে। সে ভেবেছিল তার ভক্তি নষ্ট হয়ে গেছে। রাগ আর নিরাশায় এক প্লেট ভর্তি লাড্ডু তুলে মন্দিরের বাইরে মাটিতে ফেলে দিলো। এবং ঈশ্বরকে অভিশাপ দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরলাম।

ওই যে, লাড্ডুটা পরে যাবার সাথে সাথে— একই মাছি, পিঁপড়া, কুকুর আর

ভিক্ষুকরা তাদের সাথে ব্রেক আপ করে মজা করে খাওয়া শুরু করলো।

স্বপ্নে সত্যের দৃশ্য 😴✨

বৌয়ের তানা শুনে ব্রাহ্মন না খেয়ে পান না করে বাড়িতে চলে গেল।

রাতের তৃতীয় ধাপ, স্বপনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এলেন।

তাদের মুখে ছিল দুষ্টমি হাসি।

তিনি বলেন, "পন্ডিত জি! লাড্ডু টা খুব সুস্বাদু ছিল। "

ব্রাহ্মন চমকে উঠলো, "প্রভু! তুমি আসলে না, খেয়েছিলে কবে? "

ঈশ্বর হেসে বললেন, ওহ পাগল! সকাল থেকে ক্ষুধার্ত ছিলাম।

আমি মাছি হয়ে এসেছিলাম তুমি উড়িয়ে দিলে।

আমি পিঁপড়া হয়ে এসেছিলাম, কাপড় দিয়ে ঝাড়িয়ে দিলে।

আমি কুকুর হয়ে এসেছিলাম, তুই আমাকে লেগে পালিয়ে গেলি।

অবশেষে ফকির হতে আসলাম হাত বারানোর জন্য, তুই আমাকে থাপ্পড় মারলি। "

ঈশ্বর ফরোয়ার্ড বললেন, "আমি সব রূপে এসেছি তোমার কাছে দেখতে এবং খেতে, কিন্তু তুমি আমাকে চিনতে পারনি। " তুমি আমাকে ' মূর্তিতে ' খুঁজেছিলে, কিন্তু ' জীবনে ' প্রত্যাখ্যান করেছিলে।
অবশেষে লাড্ডু টা যখন ছুড়ে মারলি, খেতে পেলাম, কিন্তু মাটি থেকে একটু ময়লা লাগলো। পরের বার ভালোবাসা দিয়ে খাওয়াচ্ছি, আর চিনতে শিখছি। "

ব্রাহ্মণের চোখ খুলে গেল। সে ঘামছিল, কিন্তু তার মুখে ছিল অন্যরকম শান্তি। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন ঈশ্বর শুধুমাত্র মন্দিরের চার দেয়াল বা মূর্তিতেই নয়, বরং সৃষ্টির কণা-কণা-ই থাকে, প্রতিটি জীবের মধ্যেই।

আমরা ও একই ভুল প্রায়ই করি। আমরা মন্দিরে ঈশ্বরকে খুঁজি, কিন্তু আমাদের চারপাশের প্রকৃতিতে অভাবী, বোবা প্রাণী এবং ঈশ্বরকে উপেক্ষা করি। প্রকৃত সেবা তো সেই যে জীবের মাঝে শিবকে দর্শন করে।

🌿🌺গোবিন্দের প্রাণধন শ্রীমতি রাধারাণী" তাই আমরা যদি রাধারাণীর মাধ্যমে,তাঁর কৃপাকে আশ্রয় করে কৃষ্ণের কাছে যেতে চাই, তাহলে ...
31/08/2025

🌿🌺গোবিন্দের প্রাণধন শ্রীমতি রাধারাণী" তাই আমরা যদি রাধারাণীর মাধ্যমে,তাঁর কৃপাকে আশ্রয় করে কৃষ্ণের কাছে যেতে চাই, তাহলে তা অনেক সহজ হয়ে যাবে। রাধারাণী যদি সুপারিশ করেন যে, "এই ভক্তটি আকুল চিত্তে তোমাকে স্মরণ করছে,তুমি এই ভক্তটিকে গ্রহণ করো" কৃষ্ণ তাহলে সঙ্গে সঙ্গে সেই ভক্তকে গ্রহণ করেন। আমাদের সর্ব প্রথম রাধারাণীর শ্রীচরণ সেবায় নিয়োজিত হওয়া উচিৎ, কেননা আমরা যতই অধঃপতিত হই না কেন, যদি হৃদয়ে শুদ্ধ প্রেম ভক্তি নিয়ে রাধারানীর শ্রীচরণ সেবায় ব্রতী হতে পারি, যদি রাধারাণীকে তুষ্ট করতে পারি, তাহলে কৃষ্ণকে উপলব্ধি করা আমাদের পক্ষে খুবই সহজ হযে পড়বে।।

অন্যথায় যদি জল্পনা কল্পনার মাধ্যমে কৃষ্ণকে বুঝতে বা জানতে চাই, তাহলে বহু জন্ম লেগে যাবে। কিন্তু যদি ভক্তিমূলক সেবায় নিযুক্ত হয়ে,শুধু রাধারাণীর শ্রীচরণ সেবা করার চেষ্টাকরি, তাহলে খুব সহজেই প্রাণ গোবিন্দকে লাভ করতে পারব, কেননা একমাত্র শ্রীমতি রাধারাণীই কৃষ্ণকে যেকোনো কিছু প্রদান করতে পারেন। তিনি গোবিন্দের এতই মহান ভক্ত🙏

🌿🌼প্রেমানন্দে বলুন সবাই
__________" রাধে রাধে"🌼🌿__________

আগামী ৩১শে আগস্ট (রবিবার) পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আহ্লাদীনি শক্তি বৃষভানুরাজ কন্যা শ্রীমতি রাধা ঠাকুরানীর শুভ আবির্ভা...
30/08/2025

আগামী ৩১শে আগস্ট (রবিবার) পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আহ্লাদীনি শক্তি বৃষভানুরাজ কন্যা শ্রীমতি রাধা ঠাকুরানীর শুভ আবির্ভাব তিথি (দুপুর ১২ টা পযর্ন্ত উপবাস)
🌼🌹 #রাধাষ্টমী 🌹 🌼
( শ্রীশ্রী রাধাষ্টমী'র ব্রত মাহাত্ম্যের সংক্ষিপ্ত শাস্ত্রীয় কিছু তথ্যঃ-)
----শ্রী রাধারানীর প্রাণনাথ স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ব্যতিত এই রাধাষ্টমী'র তিথীর সম্যক মাহাত্ন্য কেউই বর্ণনা করতে পারেনা।

১) রাধাষ্টমী ব্রত পালন করলে সমস্ত পবিত্র নদী স্নান করার ফল লাভ হয়।
➡️ (পদ্মপুরাণ)

২) রাধাষ্টমী ব্রত পালন করলে কোটি জন্মের অর্জিত পাপ দূর হয়।
➡️ (পদ্মপুরাণ)

৩) রাধাষ্টমী ব্রত পালন করলে এক হাজার একাদশী ব্রতের থেকেও শতগুণ অধিক ফল লাভ হয়। অর্থাৎ একবার ভক্তিপূর্ণভাবে রাধাষ্টমী ব্রত পালন করলে এক লক্ষ একাদশী ব্রতের সমান ফল লাভ।
➡️ (পদ্মপুরাণ, ব্রহ্মখণ্ড ৭/৮)

৪) রাধাষ্টমী ব্রত পালন করলে সুমেরু পর্বত সমান স্বর্ণদান করার থেকেও শতগুণ অধিক ফল লাভ হয়।
➡️ (পদ্মপুরাণ)

৫) ভক্তিভাবে রাধাষ্টমী ব্রত পালন করলে মৃত্যুকালে ভগবানের ধামপ্রাপ্তি ঘটে।
➡️ (হরিভক্তিবিলাস ১৫/২৬০)

৬) রাধাষ্টমী ব্রত পালন করলে জীবনের সমস্ত দুঃখ-দারিদ্র্য নাশ হয়।
➡️ (হরিভক্তিবিলাস ১৫/২৫২–২৫৩)

৭) রাধাষ্টমী ব্রত পালন করলে শ্রীমতি রাধারানীর বিশেষ কৃপা লাভ হয়।
➡️ (হরিভক্তিবিলাস ১৫/২৫৫)

৮) রাধাষ্টমী ব্রত পালন করলে সহজে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কৃপা পাওয়া যায়।
➡️ (হরিভক্তিবিলাস ১৫/২৫৭)

৯) রাধাষ্টমী ব্রত পালন করলে কৃষ্ণপ্রেম লাভের যোগ্যতা অর্জিত হয়।
➡️ (হরিভক্তিবিলাস ১৫/২৫৮, গৌড়ীয় বৈষ্ণব গ্রন্থাবলি)

(পদ্মপুরানে) - বলা হয়েছে,
"যে মূঢ় মানুষ রাধাষ্টমী ব্রত করেনা, সে শতকোটি কল্পে ও নরক থেকে নিস্তার পেতে পারে না"।
যে নারী শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণের প্রীতিকর সর্ব পাপনাশক এই শুভপ্রদ মহাব্রত পালন করে না,
সে জীবনের অন্তকালে নরকে গিয়ে চিরকাল সেখানে যাতনা ভোগ করে পৃথিবীতে থাকাকালীন সে দুর্ভাগিনী হয়।
কৃপা করে সবাই ব্রতটি পালন করি এবং শ্রী রাধারানীর কৃপায় ধন্য হই এবং কৃষ্ণপ্রেম লাভ করি!

"হরে"কৃষ্ণ"হরে"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"হরে"হরে। "হরে"রাম"হরে"রাম"রাম"রাম"হরে"হরে।।"
©️

🔱 কলিযুগ সমাপ্তির ধাপে ধাপে লক্ষণ১ম ধাপ – ধর্মের ক্ষয়সত্য, দয়া, শৌচ, তপস্যা—এই চার স্তম্ভের মধ্যে শুধু নামমাত্র ধর্ম টিক...
28/08/2025

🔱 কলিযুগ সমাপ্তির ধাপে ধাপে লক্ষণ
১ম ধাপ – ধর্মের ক্ষয়
সত্য, দয়া, শৌচ, তপস্যা—এই চার স্তম্ভের মধ্যে শুধু নামমাত্র ধর্ম টিকে থাকবে।
মানুষ মিথ্যা, ভণ্ডামি, স্বার্থপরতা ও লোভে ডুবে যাবে।
যিনি ধনী, তাকেই “ন্যায়বান” মনে করা হবে।

২য় ধাপ – সামাজিক অবক্ষয়
পুত্র-পিতার প্রতি, স্ত্রী-স্বামীর প্রতি, ভাই-ভাইয়ের প্রতি স্নেহ কমে যাবে।
শত্রুতাই হবে স্বাভাবিক সম্পর্ক।
নারী কেবল ভোগের বস্তু হবে, আর বিবাহ শুধুমাত্র অর্থ ও ভোগের জন্য হবে।
শিক্ষক, গুরু, ঋষি—সবাই অর্থলোভী হয়ে পড়বেন।

৩য় ধাপ – প্রাকৃতিক সংকট
অকাল বৃষ্টি, খরা, দুর্ভিক্ষ, মহামারী ও অজস্র রোগ দেখা দেবে।
নদী-সাগর শুকিয়ে যাবে, গাছপালা ও ফসলের উৎপাদন কমে যাবে।
মানুষ ক্ষুধায় কাতর হবে।

৪র্থ ধাপ – মানবজাতির পতন
মানুষের গড় আয়ু ২০–৩০ বছরে নেমে আসবে।
শরীর হবে ক্ষুদ্র, দুর্বল, রোগাক্রান্ত।
ধর্মীয় আচার একেবারে হারিয়ে যাবে, কেবল নামমাত্র থাকবে।
অধর্মই স্বাভাবিক নিয়ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

৫ম ধাপ – অসুর শক্তির আধিপত্য
রাজা-শাসকরা দুর্নীতিগ্রস্ত, নিষ্ঠুর ও শোষক হবে।
অসুর প্রকৃতির মানুষ সমাজে ক্ষমতা দখল করবে।
লোভ, হিংসা, প্রতারণা, ডাকাতি ও যুদ্ধ-সংঘাত সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে।

৬ষ্ঠ ধাপ – কল্কি অবতারের আবির্ভাব
যখন পৃথিবীতে পাপাচার চরমে পৌঁছাবে, তখন ভগবান বিষ্ণুর কল্কি অবতার আবির্ভূত হবেন।
তিনি শুভ্র ঘোড়ায় আরোহণ করে, হাতে অগ্নি-জ্যোতিময় তরবারি নিয়ে অধর্ম ও অসুরদের ধ্বংস করবেন।
পৃথিবীতে পুনরায় ধর্ম, শান্তি ও সত্যযুগ প্রতিষ্ঠিত হবে।

📜 সহজভাবে:
কলিযুগের শেষ হবে তখনই, যখন মানবজাতির ধর্ম-বুদ্ধি একেবারে নিঃশেষ হবে, সমাজে অসুরশক্তি প্রাধান্য পাবে এবং পৃথিবী সহ্য করতে পারবে না। তখন কল্কি অবতার এসে যুগচক্রকে নতুনভাবে শুরু করবেন। 🙏🙏

🌿🌿 রাধা অষ্টমী ব্রতের মাহাত্ম্য:🌿🌿ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ব্রজের বারসানা ধামে শ্রীমতী রাধারাণীর আবির্ভাব হ...
26/08/2025

🌿🌿 রাধা অষ্টমী ব্রতের মাহাত্ম্য:

🌿🌿ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ব্রজের বারসানা ধামে শ্রীমতী রাধারাণীর আবির্ভাব হয়েছিল।। এই দিনেই পালিত হয় রাধা অষ্টমী ব্রত, যা ভক্তি, প্রেম ও কৃষ্ণসেবার অমূল্য সাধনা।।

🌿🌿 “রাধিকা পরা দেবী, কৃষ্ণেনা প্রিয়সী সदा।

সর্বলক্ষ্মী ময়ী সর্ব্যা, সর্বকান্তি সমন্বিতা॥”

— ব্রহ্ম বৈবর্ত পুরাণ (প্রকৃতি খণ্ড ৪৯.৩৫)

শাস্ত্রে রাধাকে সকল দেবী ও সকল লক্ষ্মীর আধার বলা হয়েছে।।

🌿🌿“রাধানাম সমং নাম্না, ন কদাচিদ্ভবিষ্যতি।

রাধা সমীহিতা শক্তিরাধিকা পরমা মম॥”

— পদ্ম পুরাণ

ভগবান স্বয়ং বলেন, রাধার নামের সমতুল্য আর কোন নাম নেই।।

🌿🌿 “যত্র যত্র রাধানাম স্তুপ্যতে পঠ্যতে শ্রূয়তে,

তত্র তত্র সন্নিহিতো ভগবান শ্রীকৃষ্ণঃ।।”

— ব্রহ্ম বৈবর্ত পুরাণ

যেখানে রাধার নাম কীর্তন হয়, সেখানে কৃষ্ণ স্বয়ং উপস্থিত থাকেন।

🌿🌿রাধা অষ্টমী ব্রত পালন করলে লাভ:

🔴 অগণিত জন্মের পাপ নাশ হয়।।

🔴শ্রীকৃষ্ণের অনন্ত কৃপা লাভ হয়।।

🔴সংসারে শান্তি, সমৃদ্ধি ও অখণ্ড সৌভাগ্য আসে।।

🔴ভক্ত হৃদয়ে অহৈতুকী ভক্তি ও প্রেম জাগ্রত হয়।।

🔴 দাম্পত্য জীবনে সুখ-শান্তি নেমে আসে।

🌿হরেকৃষ্ণ হরেকৃষ্ণ

কৃষ্ণকৃষ্ণ হরেহরে

হরেরাম হরেরাম

রামরাম হরেহরে 🌿

Address

Balakhal
BALAKHAL-3611

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শ্রী শ্রী গৌর গোপাল জিউর মন্দির ও আঁখড়া - বলাখাল, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share