বাঁকাইল নওয়াপাড়া দুর্গা মন্দির

বাঁকাইল নওয়াপাড়া দুর্গা মন্দির Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বাঁকাইল নওয়াপাড়া দুর্গা মন্দির, Bakail Noapara, Alfadanga.

মন্দিরে দুর্গাপূজোয় যারা উপশী ছিল তাদের পুরস্কৃত করা হয়।
05/10/2025

মন্দিরে দুর্গাপূজোয় যারা উপশী ছিল তাদের পুরস্কৃত করা হয়।

আসন্ন দুর্গা পুজা উপলক্ষে চলছে কর্মযজ্ঞ...
11/07/2025

আসন্ন দুর্গা পুজা উপলক্ষে চলছে কর্মযজ্ঞ...

11/07/2025

চলছে কর্মযজ্ঞ...

আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাঁকাইল নওয়াপাড়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে চলছে আলোচনা সভা।
30/06/2025

আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাঁকাইল নওয়াপাড়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে চলছে আলোচনা সভা।

26/01/2025

হিন্দু ধর্মের বয়স ও প্রাচীনত্ব: এক বিস্ময়কর তথ্যভান্ডার

হিন্দু ধর্ম শুধু একটি ধর্ম নয়, এটি একটি সভ্যতার ধারক। এর প্রাচীনত্ব জানলে সত্যিই গায়ের লোম খাড়া হয়ে যেতে পারে। সাম্প্রতিক গবেষণা ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নিশ্চিত কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো:

১. ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম

শ্রীকৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেন প্রায় ৭,৫০০ বছর আগে।

মহাভারত, বিশেষত কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের তারিখ নির্ধারণে জ্যোতির্বিজ্ঞান ব্যবহার করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

২. ভগবান শ্রী রামের জন্ম

শ্রী রামের জন্মকাল প্রায় ১৪,০০০ বছর আগে।

অযোধ্যার স্থাপত্য ও মহাকাব্যের বর্ণনার সঙ্গে প্রাচীন নক্ষত্রের অবস্থান মিলিয়ে গবেষকরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

৩. মনুর যুগ

প্রথম মানব তথা মনু প্রায় ৬০,০০০ বছর আগে জন্মগ্রহণ করেন।

ডিএনএ বিশ্লেষণ ও প্রাচীন মানব ইতিহাস গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।

৪. ঋগ্বেদ রচনা

পৃথিবীর প্রাচীনতম ধর্মগ্রন্থ ঋগ্বেদের রচনা প্রায় ২,০০,০০০ বছর আগে।

হিমালয়ের পাদদেশে গঠিত প্রাচীন সভ্যতার ভাষা ও সংস্কৃতি এই দাবিকে সমর্থন করে।

বৈজ্ঞানিক প্রমাণ:

জ্যোতির্বিদ্যা: মহাকাব্যের বিভিন্ন ঘটনাকে নির্ধারণের জন্য জ্যোতির্বিদ্যা ব্যবহার করা হয়েছে।

কার্বন ডেটিং: প্রাচীন স্থাপনা ও গ্রন্থের বয়স নির্ধারণে।

ডিএনএ গবেষণা: মানবসভ্যতার ক্রমবিকাশ।

পালিওলিঙ্গুইস্টিকস: ভাষার বিবর্তনের মাধ্যমে প্রাচীন সংস্কৃতির প্রমাণ পাওয়া গেছে।

উপসংহার

হিন্দু ধর্মের ইতিহাস কেবল মানব সভ্যতার নয়, বরং সৃষ্টির প্রথম যুগের সঙ্গেও যুক্ত। এই তথ্যগুলো আমাদের ঐতিহ্যকে বুঝতে সাহায্য করে এবং গর্বিত হতে শেখায়।

🔗 শেয়ার করুন:
হিন্দু ধর্মের এই অবিশ্বাস্য ইতিহাস জেনে গর্বিত বোধ করুন এবং অন্যদের জানান!
# হিন্দুত্ববাদী সৈনিক

13/01/2025

জয় শ্রী কৃষ্ণ 🙏

🥀☘️ "পৌষ সংক্রান্তি "🥀_☘️

আগামী ৩০ শে পৌষ ১৪৩১ বাংলা, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫ খ্রিঃ মঙ্গলবার পৌষ সংক্রান্তি।࿐
সংক্রান্তি মুহূর্ত:------------
▪️বাংলাদেশ সময় ১৪ জানুয়ারি, রাত্র ০৯:১১ মিনিটে সূর্য ধনু রাশি হতে বেরিয়ে মকর রাশিতে প্রবেশ করবে। 🇧🇩
▪️ভারতীয় সময় ১৪ জানুয়ারি সূর্য ধনু রাশি হতে বেরিয়ে মকর রাশিতে প্রবেশ করবে সকাল ৮.৪১ মিনিটে।🇮🇳

✍️ মকর সংক্রান্তি পুণ্যকাল মুহুর্ত:----------࿐
🔹১৪ জানুয়ারী সকাল ০৯ঃ৩৩ মিনিট হতে সন্ধ্যা ০৬ঃ১৬ মিনিট পর্যন্ত। (সময় কাল: ৫ ঘন্টা ৩২ মিনিট)🇧🇩
🔸১৪ জানুয়ারী সকাল ০৯ঃ০৩ মিনিট হতে বিকেল ০৫ঃ৪৬ মিনিট পর্যন্ত। (সময় কাল: ৮ ঘন্টা ৪৩ মিনিট)🇮🇳

✍️ মহা পুণ্যকাল মুহুর্ত:---------࿐
🔹১৪ জানুয়ারী, সকাল ০৯:৩৩ মিনিট হতে সকাল ১১ঃ১৮ মিনিট পর্যন্ত। (সময় কাল: ১ ঘন্টা ৪৫ মিনিট)🇧🇩
🔸১৪ জানুয়ারী সকাল ০৯ঃ০৩ মিনিট থেকে বেলা ১০ঃ৪৮ মিনিট পর্যন্ত থাকবে। (সময় কাল: ১ ঘন্টা ৪৫ মিনিট)🇮🇳

✍️ ব্রহ্ম মুহুর্ত মহা পুণ্যকাল:----------࿐
ভোর ০৫:২৭ মিনিট থেকে সকাল ০৬:২১ মিনিট পর্যন্ত।🇮🇳
ভোর ০৫:৫৭ মিনিট হতে সকাল ০৬:৫১ মিনিট পর্যন্ত। 🇧🇩

✍️ পৌষ সংক্রান্তি কি..কেন পালন করা হয় ?
১৪ ই জানুয়ারী রোজ মঙ্গলবার মকর সংক্রান্তি বা পৌষ সংক্রান্তি এবং উত্তরায়ণ শুরু৷ প্রতিমাসের শেষ দিন অর্থাৎ যে দিন মাস পূর্ণ হবে সেই দিনকে সংক্রান্তি বলা হয়৷ সংক্রান্তি অর্থ সঞ্চার বা গমন করা৷ সূর্যাদির এক রাশি হতে অন্য রাশিতে গমন করাকেও সংক্রান্তি বলা হয়৷

সং+ ক্রান্তি অর্থ সঙ মানে সাজা ক্রান্তি সংক্রমন বা গমন করাকে বুঝায়৷ অর্থাৎ ভিন্ন রুপে সেজে অন্যত্র গমন করা বা সঞ্চার হওয়াকে বুঝায়৷

মাঘ,ফাল্গুন,চৈত্র, বৈশাখ, জৈষ্ঠ, আষাঢ় এই ছয় মাস উত্তরায়ণ কাল এবং শ্রাবন,ভাদ্র,আশ্বিন,কার্ত্তিক,অগ্রহায়ন,পৌষ, এই ছয় মাস দক্ষিনায়ন কাল৷

পৌষ মাসের শেষ দিনে সূর্য উত্তরায়নের দিকে যাত্রা শুরু করে বলে একে উত্তরায়ণ সংক্রান্তিও বলা হয়৷ অর্থাৎ মানুষের উত্তরায়নের ছয়মাস দেবতাদের একটি দিন এবং মানুষের দক্ষিনায়ণের ছয়মাস দেবতাদের একটি রাত৷ রাতে মানুষ যেমন দড়জা জানালা, প্রধান ফটক বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়েন তেমনি দেবতাগনও রাত্রে অর্থাৎ দক্ষিনায়নে সবকিছু বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়েন৷ এসময় বাহির থেকে প্রবেশ করার সুযোগ নেই অর্থাৎ দক্ষিনায়নে দেবলোক পুরোপুরি বন্ধ থাকে৷ আবার দেবতাগনের রাত পৌষ সংক্রান্তির দিন শেষ হয় বলে পরবর্তি সূর্য উদয়ের ব্রহ্মমুহূর্ত থেকে দেবতাগনের দিবা শুরু হয়৷

উক্ত সময়ে স্বর্গবাসী ও দেবলোকের সকলের নিদ্রা ভঙ্গ হয় এবং নিত্য ভগবৎ সেবামূলক ক্রিয়াদী শুরু হতে থাকে৷

এই জন্য সনাতন ধর্মাম্বলম্বীগন ব্রহ্ম মুহূর্তে স্নান, নামযজ্ঞ, গীতাপাঠ, শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি ও অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটিকে আনন্দময় করে তুলেন৷

অন্যদিকে গঙ্গাপুত্র ভীষ্ম তাঁর পিতা শান্তনু থেকে বর পেয়েছিলেন যে তিনি যখন ইচ্ছা মৃত্যুবরন করতে পারবেন৷ মহাভারতের কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের বীশ্ববিখ্যাত বীর, মহাপ্রজ্ঞ, সর্বত্যাগী ও জীতেন্দ্রিয় মহাপুরুষ ভীষ্মের মহাপ্রয়ানের স্মৃতির জন্য পৌষ সংক্রান্তি আরও মর্যাদা পূর্ণ হয়েছে৷

উলেক্ষ্য কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে কৌরব পক্ষের চারজন সেনাপতির মধ্যে তিনিই প্রধান সেনাপতি ছিলেন৷ উভয় পক্ষের আঠার দিন যুদ্ধের দশম দিবসে সূর্যাস্তের কিছুক্ষন পূর্বে পান্ডব পক্ষের সেনাপতি অর্জুনের শরাঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে ভীষ্মদেব রথ থেকে পড়ে যান৷ কিন্তু তিনি মাটি স্পর্শ না করে আটান্নদিন তীক্ষ্ণ শরশয্যায় শুয়ে উত্তরায়নের অপেক্ষা করে পৌষ সংক্রান্তির দিনে যোগবলে দেহত্যাগ করেন৷

বাংলাদেশ সহ ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ভোরবেলা আগুন লাগানো হয় খর ও বাঁশ দিয়ে বানানো স্তুপে৷ ৷এটা মূলত পিতামহ ভীষ্মদেবের চিতার স্বরুপ৷৷

পৌষ সংক্রান্তির দিন সূর্য উত্তর মেরুতে হেলে পড়তে থাকে যার জন্য একে মকর সংক্রান্তি বা উত্তরায়ণ সংক্রান্তি বলে৷

শাস্ত্রমতে ভীষ্মদেব মৃত্যুর পরে ভাগবদ্ ধামে যাননি৷ তিনি ছিলেন দৌ মতান্তরে দ্যু নামক অষ্টবসু৷ যিনি মহর্ষি বশিষ্টের অভিশাপ গ্রস্ত হয়ে ইহলোকে মনুষ্য হিসাবে কৃতকর্ম ভোগের জন্য জন্ম নিয়েছিলেন৷ তাই তাঁর পুনরায় দেবলোকে যাবার কথা৷ কারন তিনি সেখানকার স্থায়ী বাসিন্দা৷ দক্ষিনায়ণের সময়ে দেবলোকে রাত্রি,সেই সময় সেখানকার সব কিছুই বন্ধ থাকে,ভীষ্মদেব যদি দক্ষিনায়ণে দেহত্যাগ করতেন তবে তাঁকে তাঁর লোকে প্রবেশ করার জন্য বাইরে প্রতিক্ষা করতে হতো৷ তিনি ইচ্ছামৃত্যু বরন করেছিলেন বলে ভেবে দেখলেন, দক্ষিনায়ণে মহাপ্রয়ান করলে দেবলোকে গিয়ে বাইরে প্রতিক্ষা করার চেয়ে এখানে থেকে উত্তরায়নের প্রতিক্ষা করাই ভালো৷ কারন এখানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের দর্শণ লাভ হবে এবং সৎসঙ্গ হতে থাকবে৷ যার ফলে সকলেরই মঙ্গল হবে৷ দেবলোকে একলা প্রতীক্ষা করে কী হবে৷ এই ভেবে তিনি দক্ষিনায়ণে শরীর ত্যাগ না করে উত্তরায়ণে শরীর ত্যাগ করেছিলেন৷ দীর্ঘ আটান্নদিন শরশয্যায় অবস্থানের পর পৌষ সংক্রান্তির নিশান্তে পিতামহ ভীষ্মদেব যোগবলে দেহত্যাগ করে দেবলোকে গমন করেন৷

💥৫০০০ বছর পূর্ব হইতে আমরা প্রতিবৎসর পৌষ সংক্রান্তি বা উত্তরায়ণে প্রাতকালে খরকুটো জড়ো করে পিতামহ ভীষ্মদেবের প্রতিকী শবদাহ করে থাকি, এবং এই দিনে মাছ,মাংস আহার করে থাকেন যাহা সম্পূর্ণ অনুচিত৷ কারণ উত্তরায়ণ বা পৌষ সংক্রান্তি অন্তোষ্টিক্রিয়া ও শ্রাদ্ধ সংক্রান্ত অনুষ্ঠান৷

অন্যদিকে এই দিনটি এতই গুরুত্বপূর্ন যে, এই দিন প্রাতঃকালে দেবলোকের সকল দেবতাগন ও স্বর্গবাসী পূর্বপুরুষগন নিদ্রা থেকে জাগ্রত হন৷ এই জন্য সনাতন ধর্মাবলম্বীগন ব্রহ্মমুহূর্তে স্নান, শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি, গ্রামে নগড়ে সংকীর্তন, গীতাপাঠ, ইত্যাদি মঙ্গলজনক কাজ করা উচিৎ৷

প্রতিবৎসর আমরা শাস্ত্রসন্মতভাবে ভাবগাম্ভীর্যের সহিত এই অনুষ্ঠান পালন করার আশা ব্যক্ত করে সবাইকে মহা সংক্রান্তির প্রণাম,প্রীতি ও শুভেচ্ছা৷

17/09/2024

জানতে হবে

Address

Bakail Noapara
Alfadanga

Telephone

+8801926469040

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাঁকাইল নওয়াপাড়া দুর্গা মন্দির posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to বাঁকাইল নওয়াপাড়া দুর্গা মন্দির:

Share