Hindu Salvation Front

Hindu Salvation Front মৃত প্রায় হিন্দুদের মাঝে নবজাগরণ ফির?

ব্রেকিং নিউজ..... পুলিশকে শায়েস্তা করতে শত বছরের কালী মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর করালো ছাত্রলীগের সাবেক নেতা.......... ঝিনা...
17/10/2022

ব্রেকিং নিউজ.....
পুলিশকে শায়েস্তা করতে শত বছরের কালী মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর করালো ছাত্রলীগের সাবেক নেতা..........
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ধলহারাচন্দ্র ইউনিয়নের বাসিন্দা দিনার হোসেন বিশ্বাস ও জিনারুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন ব্যক্তি স্থানীয় গড়াই নদীতে নাচ-গান ও জুয়া খেলার আয়োজন করে। তাঁদের মধ্যে দিনার উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও ধলহারাচন্দ্র ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) বর্তমান চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমানের ছেলে। সে ছাত্রলীগের উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতিও ছিল। জুয়ার আসর বসার বিষয়টি পুলিশ জানতে পেরে গত ৬ অক্টোবর অভিযান চালায়। পুলিশ জুয়া খেলার সরঞ্জাম, সাউন্ডবক্স, রান্না করা খাবার জব্দ করে। এ কারণে আয়োজকদের অর্থাৎ জুয়ারি চক্রের মোটা অঙ্কের টাকা ক্ষতি হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রাত আনুমানিক ১১টার সময় দিনার একই এলাকার আসাদুজ্জামান, তুষার ও সাজ্জাদ হোসেনকে নিজ বাড়িতে ডেকে আনে। পুলিশি অভিযানে তাদের ক্ষতি হওয়ার বদলা নিতে হবে বলে তারা পরিকল্পনা করে। সে অনুযায়ী দুর্বৃত্তরা ধলহারাচন্দ্র ইউনিয়নের ডাউটিয়া গ্রামে মন্দিরের কালী প্রতিমাটি ভেঙে ফেলে। এরপর মন্দির থেকে দূরে রাস্তার ওপর ভাঙা অংশটি ফেলে তাঁরা চলে যায়। এ ঘটনায় মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি সুকুমার মণ্ডল বাদী হয়ে পরদিন শৈলকুপা থানায় একটি মামলা করেন।
প্রতিমা ভাঙচুরের বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঝিনাইদহ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলকে দায়িত্ব দেওয়া হয় তদন্তের জন্য। ১২ অক্টোবর পুলিশ আসাদুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে। তাকে আদালতের মাধ্যমে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। সে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নানা তথ্য দিয়েছে। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তুষার ও সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার মূল হোতা দিনার হোসেনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
আজ রোববার নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ সুপার মো. আশিকুর রহমান এমন অভিযোগ করেন।।

৯ অক্টোবর ২০২২ইং রোজ রবিরার দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলাধীন ১নং শিবরামপুর ইউনিয়নের ভেলাপুকুর গ্রামের (বাবুর হাট) শ্রী র...
15/10/2022

৯ অক্টোবর ২০২২ইং রোজ রবিরার দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলাধীন ১নং শিবরামপুর ইউনিয়নের ভেলাপুকুর গ্রামের (বাবুর হাট) শ্রী রনজিৎ রায়ের বাড়িতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
গত জাতীয় নির্বাচনে রনজিৎ রায়ের বাড়িটি আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে সর্বোচ্চ হারিছে। এমতা অবস্থায় শ্রী শ্রী কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার রাতে ১০:৩০ মিনিটে আবারো আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে দুটি ঘর, একটি মটরসাইকেল ও একটি গাভী। ঘটনাকালীন সময়ে বিদ্যুৎ ছিল না।
বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোট দিনাজপুর জেলা শাখার পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং প্রশাসনের তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করি।

কুর্দিস্থানের ইয়াজিদি সম্প্রদায় ও তাদের ধর্ম বিশ্বাস******************************************ইরাকে ইসলামের বিজয়রথ প্র...
04/10/2022

কুর্দিস্থানের ইয়াজিদি সম্প্রদায় ও তাদের ধর্ম বিশ্বাস
******************************************
ইরাকে ইসলামের বিজয়রথ প্রবেশের পর থেকে আজ পর্যন্ত সুপ্রাচীন এই মূর্তি পূজক সম্প্রদায়টি মোট ৭২ বার গণহত্যার শিকার হয়েছে। পশ্চিম এশিয়ার অন্যান্য পৌত্তলিক ধর্মগুলিকে ইসলাম সমূলে উৎপাটিত করতে সক্ষম হলেও, ইয়েজিদিরা সম্পূর্ণভাবে কোনদিন বশ্যতা স্বীকার করে নাই । এটাই ধর্মান্ধ মুসলিমদের নিকট অত্যন্ত শ্লাঘার বিষয় । তাই বারবার ইয়েজিদিদের ওপর আঘাত নেমে এসেছে । কখনও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আবার কখনও ধর্মগুরুদের মাধ্যমে।অটোমান সাম্রাজ্যের কাল থেকে সাদ্দাম হুসেনের আমল কখনই ইয়েজিদি নির্যাতনে ছেদ পড়ে নাই। সাদ্দাম হুসেনের সময়কালে ইয়েজিদিরা বাস্তুচ্যুত হয়েছিল। তারা উত্তর ইরাক,সিরিয়া ও আর্মেনিয়ার কিছু অংশ এবং উত্তর পশ্চিম ইরানে নিজেদের স্বকীয়তা যুগ যুগ ধরে বজায় রেখেছে । ইয়েজিদি নীল চোখের মেয়েদের যৌনদাসী হিসেবে আই এস আই এস মহলে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। মসুলে প্রকাশ্য রাস্তায় উনিশ জন ইয়েজিদি কিশোরীকে লোহার খাঁচায় বন্দী অবস্থায় জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছে । তাদের অপরাধ , তারা জঙ্গিদের সাথে যৌন সংগমে সম্মত হয়নি। ইয়েজিদিরা জীবনের তোয়াক্কা না করেই ঐতিহ্যমণ্ডিত উপাসনাস্থল গুলিকে রক্ষা করে চলেছে। বন্দুকের নলের সামনে বসিয়ে আই এস আই এস তাদেরকে ইসলাম কবুল করাতে পারেনি । তাই সহস্রাধিক ইয়েজিদিক প্রাণ দিতে হয়েছে।

ইয়াজিদের প্রার্থনা পদ্ধতি

ইয়াজিদিরা দৈনিক পাঁচবার প্রার্থনা করে। ভোরের প্রার্থনা ,সূর্যোদয়ের প্রার্থনা, দুপুরের প্রার্থনা, বিকেলের প্রার্থনা, সূর্যাস্তের প্রার্থনা। বর্তমানে অধিকাংশ ইয়াজিদিগণ শুধুমাত্র সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের প্রার্থনা করে থাকে।
সূর্যোদয়ের প্রার্থনার সময় ইয়াজিদিগণ সূর্য পূজারীদের মত সূর্যের দিকে এবং সূর্যাস্তের নামাজের সময় লালিস এর দিকে মুখ করে থাকে। দিনের সকল প্রার্থনা সূর্যের দিকে ফিরে পড়া হয়।

ইয়াজিদিদের প্রধান ধর্মীয় উৎসবের একটি হচ্ছে ইরাক এর উত্তর মসুলের লালিসে অবস্থিত শেখ আদি ইবনে মুসাফির (সেক আদি) এর মাজারে সাতদিনের তীর্থভ্রমণ পালন করে। তীর্থভ্রমণের সময় তারা নদীতে গোসল করে। তাউস মেলেকের মূর্তি বা শয়তানের মূর্তি ধুইয়ে দেয় এবং শেখ আদির মাজারে একশত প্রদীপ জ্বালায়। এই সময়ে তারা একটি ষাঁড় বলি দেয়।

ইয়াজিদিদের ধর্মীয় মতবাদ

ইয়াজিদি বা কুর্দিরা বিশ্বাস করেন খোদা সর্বপ্রথম শয়ততানকে সৃষ্টি করেন তাঁর নিজের রূহানী থেকে এবং তাকে অন্য কোন সৃষ্টিকে সিজদা না করার নির্দেশ দেন। এরপর খোদা অন্যান্য ছয় প্রধান ফেরেস্তাকে সৃষ্টি করেন এবং তাদেরকে পৃথিবী থেকে মাটি সংগ্রহের নির্দেশ দেন। স্রষ্টা ঐ মাটি দিয়ে আদমকে সৃষ্টি করেন এবং নিজের শ্বাস ফুঁকে দিয়ে তাকে জীবন দেন। এরপর তিনি ফেরেস্তাদের নির্দেশ দেন আদমকে সিজদা করার। এই নির্দেশ তাউস মালেক বা শয়তানকে ছাড়া সকলেই পালন করে। খোদা তাকে সিজদা না করার কারণ জিজ্ঞেস করলে তাউস মালেক উত্তরে বলেন- আদম মাটির তৈরি । আমি কি করে নিজেকে তার কাছে সমর্পণ করতে পারি ? যেখানে আমি আপনার কুদরতে সৃষ্টি হয়েছি ।

শয়তানের এই মনোভাবের কারণে আল্লাহ তার উপর অসন্তুষ্টির ভাব দেখালেও ভিতরে ভিতরে তিনি তার প্রতি শয়তানের শ্রদ্ধাবোধ দেখে খুশি হন এবং সকল ফেরেস্তাদের নেতা বানিয়ে দেন। এরপর তাকে পৃথিবীতে তার ডেপুটি হিসেবে নিয়োগ দেন।

ইয়াজিদিগণ যুক্তি দেখান যে, আদমকে সিজদা করার আদেশ তাউস মালেকের জন্য কেবলমাত্র একটা পরীক্ষা ছিল। কেননা খোদা কোন কিছু আদেশ করলে তা অবশ্যই ঘটে।

ইয়াজিদিগণ বিশ্বাস করে তাউস মালেক খোদারই প্রতিরূপ এবং একজন হিতৈষী ফেরেস্তা । তিনি নিজেকে তার পতন থেকে ফিরিয়ে এনেছিলেন এবং তিনি Cosmic egg থেকে cosmos সৃষ্টি করেন। অনুশোচনার পর তিনি ৭,০০০ বৎসর ক্রন্দন করেন। তার চোখের জলে ৭টি পাত্র পূর্ণ হয়, আর তা দোযখের আগুনকে নির্বাপিত করে ফেলে। ফলে ইয়াজিদিদের বিশ্বাস মতে নরকের কোন স্থান নেই।

ইয়াজিদিদের বিশ্বাস মতে তাওস মালেক তার ইচ্ছা অনুযায়ী প্রত্যেকের দায়িত্ব-কর্তব্য, কল্যাণ,আশীর্বাদ এবং দূর্ভাগ্য বন্টন করেন । ইয়াজিদিগণ বিশ্বাস করেন, ভাল এবং মন্দ প্রতিটি মানুষের মনে এবং আত্মায় বর্তমান রয়েছে। মানুষের নিজের উপরই নির্ভর করবে সে কোনটি বেঁছে নিবে। তাই তাউস মালেকের প্রতি অনুগত হওয়া তাদের একান্ত জরুরী, কেননা, খোদা ভাল ও মন্দের মধ্যে একটিকে বেছে নিতে তাকে একই চয়েস দিয়েছিলেন এবং তিনি ভালটাকে বেঁছে নিয়েছিলেন।

ইয়াজিদিগণের নিকট প্রধান ঐশ্বরিক চরিত্র হচ্ছে তাউস মালেক । তাকে উপাসনা করা হয় ময়ূর রূপে কল্পনা করে । তিনি অন্য আর ছয় ফেরেস্তা নিয়ে মহাবিশ্ব শাসন করেন। কিন্তু এই সাতজনের সকলেই সর্বশক্তিমান খোদার অধিনস্ত। তিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করার পর থেকে এর প্রতি সরাসরি আর কোন আগ্রহ দেখাননি। ইয়াজিদিগণ সাত ফেরেস্তাকে উপাসনা করে তাম্র বা লৌহের তৈরী সাতটি ময়ূরের মূর্ত্তির আকারে। তাই শয়তানকে অশ্রদ্ধা করা এবং “শয়তান” শব্দ উচ্চারণ তাদের জন্যে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

ইয়াজিদিরা অশুভ বা evil এর অস্তিত্ব অস্বীকার করে। তাই তারা প্রত্যাখ্যান করে পাপ এবং নরককে। তারা ইসলাম খ্রিষ্টান ও ইহুদি ধর্ম মতের শয়তানকে অস্বীকার করেন । তাদের মতে, ঐশ্বরিক আইন অমান্য বা ভঙ্গের প্রায়শ্চিত্ত হয় পুনর্জন্ম বা আত্মার দেহাভন্তরের মাধ্যমে । যা আত্মাকে উত্তরোত্তর পরিশোধনে সাহায্য জো করে।

ইয়াজিদিগণ আরও বিশ্বাস করেন, তাদের প্রধান ধর্মীয় গুরু শেখ আদি, পুনর্জন্মের মাধ্যমে ঈশ্বরত্ব লাভ করেছিলেন।

পূর্ব পাকিস্তানের খবর! পুজোর ছুটি চেয়ে চাকরি হারিয়েছেন শ্যামা সাহা সেন নামে এক হিন্দু নারী। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠা...
03/10/2022

পূর্ব পাকিস্তানের খবর!

পুজোর ছুটি চেয়ে চাকরি হারিয়েছেন শ্যামা সাহা সেন নামে এক হিন্দু নারী। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। পুজোয় তিনদিনের ছুটি চায়তে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষের উপহাসের পাত্রী হতে হয়েছে তাকে। ঠাট্টার প্রতিবাদ করতে গিয়ে উল্টো সবেধন নীলমণি চাকরিটাই হারিয়েছেন শ্যামা।

এর ঠিক উল্টো ঘটনা ভারতে ঘটলে এতক্ষণে তোলপাড় হয়ে যেত। কিন্তু এক্ষেত্রে তোলপাড় তো দূর, কেউ জানতেও পারবে না কিছু! নিভৃতেই রয়ে যাবে এমন অবিচারের ঘটনা।

নিভৃতেই রয়ে যায় শ্যামারা। তাদের কান্নার শব্দ বন্দী থেকে যায় চার দেয়ালের মাঝে।

১১ বছর বয়সী এক হিন্দু মেয়েকে ধর্ষনের পর হত্যা।দেশে আইন আছে কিন্তু ধর্ষনের বিরুদ্ধে প্রয়োগ নেই তাই বার বার ঘটছে এমন ঘটনা।...
30/09/2022

১১ বছর বয়সী এক হিন্দু মেয়েকে ধর্ষনের পর হত্যা।
দেশে আইন আছে কিন্তু ধর্ষনের বিরুদ্ধে প্রয়োগ নেই তাই বার বার ঘটছে এমন ঘটনা।

উল্লেখ্যঃ ২৭ সেপ্টেম্বর হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার পাঞ্জারাই এলাকার দিগিন্দ্র সরকারের মেয়ে পপি সরকার লাশ উদ্ধার হয় নবীগঞ্জ উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের সুলতানপুর এলাকা থেকে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায়।

পরে মঙ্গলবার রাতে এ বিষয়ে থানায় পপির বাবা বাদী হয়ে সুরমান আলীসহ আরও তিনজনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

নবীগঞ্জ উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের সুলতানপুর এলাকা থেকে সুরমান আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত সুরমান ওই এলাকার আনজব আলীর ছেলে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হারুনুর রশীদ বলেন-
সুরমানকে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার সাথে জড়িত বলে জানায়।


অবশেষে মৃত অবস্থায়  উদ্ধার হলো নিখোঁজ আঁখি  রায়!!উল্লেখ্য, পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার  বোদেশ্বরী আউলিয়ার ঘাট এ নৌকা ডুবির...
30/09/2022

অবশেষে মৃত অবস্থায় উদ্ধার হলো নিখোঁজ আঁখি রায়!!

উল্লেখ্য, পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার বোদেশ্বরী আউলিয়ার ঘাট এ নৌকা ডুবির ঘটনায় আঁখি রায় সাঁতার কেটে নদী পার হতে সক্ষম হন,
এসময় তিনি কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেললে সেখানে থাকা কিছু লোক তাকে হাসপাতাল এ নিয়ে যায়।
কিন্তু পরবর্তীতে আঁখি কে দেখতে যান তার পরিবার ও আত্মীয় সজনরা, কিন্তু হাসপাতালে খোঁজ মেলেনি আঁখির।
অন্যান্য হাসপাতালে খোঁজ নিলেও মিলেনি তাহার দেখা,
অবশেষে আজ সকালে ডবার হাট, তেলিপাড়া থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার হয় নিখোঁজ আঁখি রায়, মরলে নদীতে মরত না হয় হাসপাতালে, কিন্তু রাস্তা ঘাটে কেন উনার লাশ থাকবে!!

এখন প্রশ্ন এসে যায় নিখোঁজ এর পরে হাসপাতাল এর নাম করে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিস আখি রায় কে?

কে বা কারা নিয়ে গেলো তাকে?

সবকিছু তদন্ত করে খতিয়ে দেখার জন্য
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

★বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট।

সংখ্যালঘু হিন্দু হওয়াই কি পরিবার দু'টোর একমাত্র অপরাধ...??? উল্লেখ্য, মসজিদের ইমাম নিয়গ করাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের ম...
27/09/2022

সংখ্যালঘু হিন্দু হওয়াই কি পরিবার দু'টোর একমাত্র অপরাধ...??? উল্লেখ্য, মসজিদের ইমাম নিয়গ করাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে জেরে নাটরের সিংড়া উপজেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ২টি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগের অভিযোগে উঠেছে...!!! সব জায়গাতে "বলির পাঠা" হিন্দুদের বানানো হয়! এই ঘটনায় ওখানকার হিন্দু পরিবার দুটির কোনরকম সংশ্লিষ্টতা নেই আর থাকার প্রশ্নও ওঠেনা, তারপরও তারা রেহাই পেল না! যদি এরা একটি ইস্যু তৈরি করতে পারে, তখন পরিস্থিতি কতটা ভয়ংকর হতে পারে তা একটু ভেবে দেখবেন......

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে জানা যায়, গত রবিবার সন্ধ্যায় পাকুরিয়া জামে মসজিদের ইমাম নিয়োগ করে সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আলিফ গ্রুপ। সাবেক ইউপি সদস্যের বাড়ি পার্শবর্তী হওয়ায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আরিফুর ইসলাম আরিফ এর প্রভাবে ইমাম নিয়োগ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। সোমবার সকালে বর্তমান মেম্বার সহ কয়েকজন কে আসামী করে থানায় অভিযোগ করে সাবেক মেম্বার গ্রুপ।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আবার গতকাল সোমবার দুপুর থেকেই ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন ভাড়া করে ট্রাক, টেম্পু যোগে বিকাল ৪টায় পাকুরিয়া গ্রামে প্রবেশ করে সন্ধ্যা সাড়ে ৫ টা পর্যন্ত তান্ডব চালায়। এসময় আতংকে মানুষ ছুটোছুটি করতে থাকে। ঘটনার সময় আহসান হাবিবের ইলেকট্রনিকস দোকান, হাসানের মনোহারি দোকান, ভুট্টোর চা দোকান, রানার হোটেল, ফরিদের চায়ের দোকান ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়। এবং টিপু ও আঃ আজিজের বাড়ি ভাংচুর করা হয়। বর্তমান মেম্বারের অফিস ভাংচুর করা হয়। কিন্তু নিরীহ হিন্দু পরিবার দুটি কি অপরাধ করেছে??? তাদের বাড়িতে কেন হামলা হয়েছে??? আমার এই প্রশ্নের সদুত্তর দেশ, সমাজ, রাষ্ট্রীয় বিচার ব্যবস্থা, সুশীল সমাজ দিতে পারবে??? একই সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের কর্মীদের বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র দিয়ে মারপিট ও মেম্বারের অফিসঘর ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সম্পাদক মোঃ আরিফুর ইসলাম আরিফ এর বিরুদ্ধে।

মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের পিতা নজরুল ইসলাম ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। ইটালি ইউপি'র ১ নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গত ইউপি নির্বাচনে জয়ের পর থেকে ইটালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আরিফুর ইসলাম আরিফ তাকে পদত্যাগপত্র দিতে বলে, না হলে দেখে নেয়া হবে বলে হুমকি দেয়। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল তাঁর লোকজন তান্ডব চালিয়েছে।

অভিযোগের ভিত্তিতে ইটালি ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আরিফুর ইসলাম আরিফ বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা। এবিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।

#বিশেষ_দ্রষ্টব্যঃ দেশে যদি রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হয় তাহলে কিছু স্বার্থন্বেষী মহল সেই পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে সংখ্যালঘুদের উপর যে কোন ধরনের তান্ডব চালাতে পারে! সরকার বাড়ি বাড়ি গিয়ে আপনাদের পাহারা দেবে না, অনেক সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যথাসময়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারবে না, সংখ্যালঘু সামাজিক সংগঠনগুলো ঘটনা ঘটার পর আপনাদেরকে গিয়ে মৌখিক সান্তনা ছাড়া আর কিছুই দিতে পারবে না! অতএব আপনাদের নিজ নিজ এলাকায় সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে, যেকোনো ধরনের আক্রমণ সংঘটিত হওয়ার আগেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দিতে হবে। নিজেদের সুরক্ষা নিজেদেরকেই নিশ্চিত করতে হবে।

ঋতুস্রাবের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে, এই ভারতীয় রাজ্য এটিকে 3 দিনের দীর্ঘ উৎসবের সাথে উদযাপন করে ওড়িশা আজ থেকে রাজা উ...
23/09/2022

ঋতুস্রাবের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে, এই ভারতীয় রাজ্য এটিকে 3 দিনের দীর্ঘ উৎসবের সাথে উদযাপন করে

ওড়িশা আজ থেকে রাজা উৎসব উদযাপন করছে।

3 দিনব্যাপী এই উৎসবটি ঋতুস্রাব এবং নারীত্ব উদযাপন করে।

এটি রাজ্যে বর্ষা শুরু হওয়ারও ইঙ্গিত দেয়।

যদিও দেশটি এখনও ঋতুস্রাব সম্পর্কিত নিষেধাজ্ঞার সাথে লড়াই করছে, ভারতের ওড়িশা রাজ্য ঋতুস্রাব এবং নারীত্ব উদযাপন করে একটি 3 দিনের দীর্ঘ উত্সব শুরু করেছে। রাজা উৎসব নারী ও মেয়েদের দ্বারা উদযাপন করা হয়।

পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, রাজা (উচ্চারিত কাঁচা চোয়াল) উৎসবের এই তিন দিনে মাদার আর্থ বা ভূদেবীর ঋতুস্রাব হয়। চতুর্থ দিনে, একটি আনুষ্ঠানিক স্নান সঞ্চালিত হয়।

এটিকে মিথুন সংক্রান্তিও বলা হয়, যার অর্থ মিথুনা মাসের শুরু, এটি রাজ্যে বর্ষার প্রথম বর্ষণকে নির্দেশ করে যা উত্পাদনশীলতার জন্য মাটি প্রস্তুত করে।

উত্সবের সময়, রাজ্য জুড়ে মহিলা এবং মেয়েরা নতুন জামাকাপড় কিনে, গেম খেলে এবং কাজ এবং রুটিন থেকে বিরতি নিয়ে এটি উদযাপন করে। এই দিনগুলিতে কৃষি কাজও স্থবির হয়ে পড়ে।

উৎসবের সময় নারী ও মেয়েদের বিনোদনের জন্য অন্য প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই দোলনা সাজানো হবে।

এই উত্সবটি ওড়িশার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রশংসা করে সোশ্যাল মিডিয়াতেও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। এই উদযাপনের অর্থ হল এটি ঋতুস্রাবের বিষয় এবং উল্লেখ থেকে দূরে সরে যায় না। ভারতে, ঋতুস্রাব এখনও একটি নিষিদ্ধ এবং মহিলারা এখনও অনেক কলঙ্কের সাথে লড়াই করে যার মধ্যে কিছু তাদের রান্নাঘর এবং উপাসনালয় থেকে দূরে রাখে।

বিশ্বে যাহা কিছু সুন্দর এবং কল্যাণকর তাহাই সনাতন ধর্মীয় সংস্কৃতি...!!! প্রসঙ্গত, ভারতের কেরালা রাজ্যের একটি খুব সুন্দর ...
23/09/2022

বিশ্বে যাহা কিছু সুন্দর এবং কল্যাণকর তাহাই সনাতন ধর্মীয় সংস্কৃতি...!!! প্রসঙ্গত, ভারতের কেরালা রাজ্যের একটি খুব সুন্দর এবং প্রশংসনীয় ঐতিহ্য...!!! এবং এই ঐতিহ্যটি ১৫ হাজার বছরেরও বেশি পুরানো!

এই ঐতিহ্য অনুসারে একটি মেয়ের যখন শারীরিক পরিবর্তন শুরু হয় অর্থাৎ ঋতুস্রাব শুরু হয় তখন তাকে ঐতিহ্যগতভাবে পূজা করা হয় এবং একজন মা হওয়ার সক্ষমতা অর্জন করার জন্য তাকে সম্মানজনক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

ঋতুস্রাবের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিকগুলির মধ্যে একটি হল এটি বাল্যকাল থেকে নারীত্বে রূপান্তরকে চিহ্নিত করে। পুরানো দিনে, এই রূপান্তরটি উদযাপনের সময়কাল দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছিল কারণ প্রবীণরা দাবি করেছিলেন যে মেয়েটি এখন প্রকৃতির মতো উর্বর। সময়ের সাথে সাথে, তবে, ঋতুস্রাব শুধুমাত্র একটি নিষিদ্ধই হয়ে ওঠেনি বরং অর্ধ-বেক করা গল্প থেকে বেশ কিছু পৌরাণিক কাহিনী উদ্ভূত হতে শুরু করে, যার বেশিরভাগেরই সত্যতা ছিল না।

ভারতে এখনও বেশ কিছু জায়গা আছে যেখানে ঋতুস্রাব উদযাপন করা হয় যেমনটি প্রাচীনকালে করা হত। আমরা আপনার সাথে সেই উত্সবগুলি ভাগ করতে চাই যা তার সমস্ত উজ্জ্বলতায় ঋতুস্রাব উদযাপন করে:

1. ওড়িশা

রাজ্যটি ঋতুস্রাব এবং নারীত্ব উদযাপনের জন্য মহিলাদের দ্বারা আয়োজিত রাজা প্রভা নামে পরিচিত একটি তিন দিনব্যাপী উত্সব উত্সর্গ করে৷

সাধারণত বিশ্বাস করা হয় যে এই তিন দিনে মা পৃথিবী বা 'ভুদেবী' মাসিক হয়। চতুর্থ দিনে একটি আনুষ্ঠানিক স্নানের ব্যবস্থা করা হয়। এটি 'মিথুন সংক্রান্তি' নামে আরেকটি আচারের সাথে সংযুক্ত, যা বর্ষার প্রথম বর্ষণকে নির্দেশ করে।

চতুর্থ দিনটি বৃষ্টির কারণে মাটির উত্পাদনশীলতারও সমার্থক। মহিলা এবং মেয়েরা নতুন জামাকাপড় এবং মিষ্টি দিয়ে উদযাপন করে, যে কোনও ধরণের কাজ থেকে বিরতি নিয়ে।

2. তামিলনাড়ু

মঞ্জল নিরাত্তু ভিঝা হল হলুদ স্নান অনুষ্ঠান নয় দিন ধরে মহিলাদের দ্বারা উদযাপন করা হয়। এটি একটি মেয়ের বয়সের আগমনকে স্বীকার করে যখন সে তার প্রথম মাসিক হয়।

মেয়েটি একটি সুন্দর শাড়ি এবং সোনার গয়না পরে। তিনি অন্যান্য অল্প বয়স্ক মেয়েদের সাথে বসেন যারা এখনও বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছায়নি।

তিনি তার প্রথম শাড়িটি পরিবারের বড়দের কাছ থেকে পান।

3. কর্ণাটক

ঋতুশুদ্ধি বা ঋতু কালা সংস্কার হল সবচেয়ে পরিচিত অনুষ্ঠান যা একটি মেয়ের নারীত্বে উত্তরণ উদযাপন করে। এটিও যখন সে তার প্রথম শাড়ি পায়।

'হাফ-শাড়ি ফাংশন'-এর সময় মেয়েটি তার জীবনে প্রথমবারের মতো হাফ-শাড়ি পরে। তিনি একটি সম্পূর্ণ শাড়ি drapes যখন তার বিবাহ পর্যন্ত এটি পরতে অবিরত থাকবে.

4. মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, গুজরাট, এবং উত্তর প্রদেশ

সচেতনতা বাড়াতে এবং মাসিককে দৈনন্দিন কথোপকথনের একটি অংশ করে তুলতে, এই পাঁচটি রাজ্য মাসিকা মহোৎসব উদযাপন করে।

বিশ্ব মাসিক পরিচ্ছন্নতা দিবসে শেষ হওয়া পাঁচ দিনব্যাপী উৎসবটি শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, খেলাধুলা এবং অন্যান্য আন্তঃবিভাগীয় প্রকল্পের মাধ্যমে মাসিকের স্বাস্থ্যবিধি প্রচার করে।

এই উৎসবগুলো নারীর জীবনে ঋতুস্রাবের গুরুত্বকে স্বীকৃতি দেয়। তারা জোর দিয়ে বলে যে ঋতুস্রাব কোনও নিষিদ্ধ বা অভিশাপ নয়, এটি একটি সবুজ চারণভূমিতে বৃষ্টিপাতের মতো প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া।

প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকায গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া চলছে মন্দিরের জমি দখল। এখন রাত ৮ঃ৫০ ; জমি দখর করে নির্মান কাজ চল...
06/09/2022

প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকায গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া চলছে মন্দিরের জমি দখল। এখন রাত ৮ঃ৫০ ; জমি দখর করে নির্মান কাজ চলছে। ভূমি দস্যুদের বিরুদ্ধে কোর্ট থেকে ১৪৪ ধারা জারী করলেও এবং থানায় ১৪৪ ধারার আদেশের কপি জমা দিয়ে অবহিত করলেও থানা প্রশাসন নিরব। কোন ভূমিকা রাখছে না।

 #ব্রেকিং_নিউজপ্রতিমা ভাঙ্গতে আসা ৬ জন আটক...চব্বিশহাজারী, ৬নং ওয়ার্ড,  রংপুর সিটি কর্পোরেশন, রংপুর।------বিস্তারিত........
03/09/2022

#ব্রেকিং_নিউজ
প্রতিমা ভাঙ্গতে আসা ৬ জন আটক...

চব্বিশহাজারী, ৬নং ওয়ার্ড, রংপুর সিটি কর্পোরেশন, রংপুর।
------
বিস্তারিত........

রংপুর জেলায় সদর উপজেলার বুড়ির হাট চব্বিশ হাজরী ৬ নং ওয়ার্ড শিব মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুর অপচেষ্টা চালায় ৭ জন কিশোর।
জানা যায়,পাশ্ববর্তী এক কনসার্ট অনুষ্টানে আসলে তারা একই সাথে পরামর্শ করে চব্বিশ হাজারী শিব মন্দির প্রাঙ্গনে ইটের টুকরো দিয়ে নতুন তৈরীকৃত প্রতিমা গুলো উপর ঢিল মারা শুরু করে। ঐসময়ে স্থানীয় সনাতনী ধর্মাবলম্বী লোকজন দেখতে পায় বিষয়টি এবং তাদের ৭ জনের মধ্যে ৬ জনকে হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হয়।
তারপর ঐ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর লেবু মিয়াকে ফোন দিলে তিনি এসে ৬ জনকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। লেবু কাউন্সিলর এরপর কোন সমস্যা হবে না বলে আশ্বাস দেন।


আশা করি সবাই সতর্ক থাকবেন আগামী দুর্গাপূজায় এরকম নানাবিধ প্রচেষ্টা চালাতে পারে সংঘবদ্ধ কিছু চক্র।

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ পল্লীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দিনদুপুরে সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়িঘরে হামলায় নারী-পুরুষ সহ ৪ জনক...
31/08/2022

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ পল্লীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দিনদুপুরে সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়িঘরে হামলায় নারী-পুরুষ সহ ৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (৩১ আগষ্ট -২০২২) দুপুরে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের মহাদেবপুর খোলাকুটি গ্রামে সরেজমিনে গেলে এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিন বছর পূর্বে একই এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে মহির উদ্দিনের নিকট বসতভিটার জন্য সর্বমোট ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা দরে ৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন প্রধান অধিকারীর বড় ছেলে দোমাসু । কিন্তু দোমাসু হতদরিদ্র হওয়ায় প্রাথমিক পর্যায় ৯০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন এবং পরবর্তীতে অনেক কষ্টে ২৫ হাজার টাকা জোগাড় করে মহির উদ্দিনের নিকট হতে জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা বললেও তা না করে নানানভাবে তালবাহানা করে সময় কালক্ষেপন্ন করে আসছিলো।

বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে একাধিকবার আলোচনার মাধ্যমে মিমাংসা বৈঠকের একপর্যায়ে বুধবার দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে গাছকাটা হাসুয়া, লাঠি-সোঁটা সহ দেশিয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মহিরের নেতৃত্বে তার স্ত্রী লিলি বেগম, আব্দুল খালেক, খালেকের স্ত্রী মরিয়ম, মৃত সামসুল হকের ছেলে সাইফুল ইসলাম দলবদ্ধ হয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে দোমাসুর বাড়িঘর ভাংচুর করে। এসময় বাধা প্রদান করলে দোমাসুর স্ত্রী রুপালী অধিকারী, মা তিলো অধিকারী, ছোট ভাই ধরনী অধিকারী, ধরনীর গর্ভবতী স্ত্রী কল্পনা গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা প্রাননাশের হুমকি ধামকী দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে এলাকাবাসী ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় গুরুতর আহতদের বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এরিপোর্ট লিখা পর্যন্ত থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছিলো।

এব্যাপারে বীরগঞ্জ থানার ওসি সুব্রত কুমার সরকার তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ডিউটি অফিসার এএসআই আশরাফুল ইসলামকে নির্দেশ প্রদান করেন।

Address

মিরপুর
মিরপুর

Telephone

+8801917233000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hindu Salvation Front posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Hindu Salvation Front:

Share