রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ সংঘ ,বরগুনা

রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ সংঘ ,বরগুনা রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ সংঘ একটা সেবামূল

05/02/2023

পরমহংসদেবের শিষ্য নবগোপাল ঘোষ ৷

তাঁর সেই বাড়িতেই শ্রীরামকৃষ্ণের মন্দির স্থাপন করতে ১৮৯৮সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মাঘী পূর্ণিমার দিনে এসেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ।স্বামীজির পাগড়িকে অমূল্য রত্নের মতো যত্নে রেখেছেন রামকৃষ্ণপুর এর ঘোষ পরিবার পরম ভক্তি সহকারে।

গঙ্গার পশ্চিমপাড়ে আজও অমর এক দিব্যপুরুষের পাগড়ির উপাখ্যান। অমূল্য রত্নের মতো সেই পাগড়ি আজও আগলে রেখেছে রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের শিষ্য নবগোপাল ঘোষের পরিবার। আর রাখবেন না-ই বা কেন? কারণ সেই দিব্যপুরুষ যে আর কেউ নন, স্বয়ং স্বামীজি নিজে। ক্ষেত্রীর মহারাজা অজিত সিংয়ের দেওয়া সেই পাগড়ি পরেই স্বামীজি গুরুগম্ভীর কণ্ঠে বক্তৃতা দিয়েছিলেন শিকাগো ধর্ম মহাসভায়।

নবগোপালবাবুর স্ত্রী নিস্তারিণী দেবীর অপূর্ব রন্ধনে প্রসন্ন হয়েই 'সর্বত্যাগী' বিবেকানন্দ রেখে গিয়েছিলেন সেটি। এই পাগড়ির সেই অমর উপাখ্যান কেমন? নবগোপাল ঘোষের প্রপৌত্র অধ্যাপক সুব্রত ঘোষের বক্তব্য, রামকৃষ্ণদেবের সাক্ষাৎ মন্ত্রশিষ্য ছিলেন নবগোপালবাবু। স্বামী বিবেকানন্দ আর তিনি তাই গুরুভাই ছিলেন। সারাদিনে একবার গুরুদেবের নাম নিতে হবে, এই ভাবনা থেকেই তিনি বাড়ি করেন রামকৃষ্ণপুরে। যাতে কাউকে বাড়ির ঠিকানা বলতে গেলে আপনা থেকেই মুখে চলে আসে গুরুদেবের নাম। সেইমতো ১৮৮০ সালে ২২ কাঠা জমি কিনে বাড়ি করেছিলেন রামকৃষ্ণদেবের এই মন্ত্রশিষ্য। সেই যুগেই তিনি ২১১ টাকা ৭৫ পয়সার মোটা মাস মাইনে পেতেন একটি সংস্থার মুখ্য হিসেবরক্ষক হিসেবে। তাঁর সেই বাড়িতেই শ্রীরামকৃষ্ণের মন্দির স্থাপন করতে ১৮৯৮ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মাঘী পূর্ণিমার দিনে এসেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ।

তার ঠিক কিছুদিন আগেই তিনি শিকাগো ধর্মসভা সেরে দেশে ফিরেছেন। নবগোপালবাবুর ডাকে সাড়া দিয়ে আলমবাজার মঠ থেকে সপার্ষদ তিনটি নৌকা নিয়ে স্বামীজি এলেন রামকৃষ্ণপুর ঘাটে। ঘাট থেকে হেঁটে যাওয়ার সময় তাঁর মাথায় ছিল ঠাকুর রামকৃষ্ণদেবের একটি পট, যা প্রতিষ্ঠা হবে বাড়ির ঠাকুরঘরে। আমেরিকা থেকে বাড়ি ফেরার পথে বার্লিন ঘুরে আসার সময় ঠাকুরের পোর্সিলিনের ওই পট তৈরি করেছিলেন তিনি নিজেই। কিন্তু, সমস্যা দেখা দিল পুজোয় বসে। কারণ রামকৃষ্ণদেকে পুজো করা হবে কী মন্ত্রে, তা তখনও কারও জানা ছিল না। প্রশ্ন করেছিলেন স্বামী প্রকাশানন্দ। উত্তরে বিবেকানন্দ নিজে কিছু না বলে ধ্যানমগ্ন হলেন। এইভাবে কিছুক্ষণ থাকার পর তাঁর সেই গম্ভীর কণ্ঠে উচ্চারিত হল, ‘ওম স্থাপকায়চ ধৰ্ম্মস্য, সর্বধর্ম্ম স্বরূপিণে, অবতার ধরিষ্ঠায়, রামকৃষ্ণায়তে নম।' অর্থাৎ নবগোপালবাবুর বাড়িই সেই বাড়ি, যেখানে প্রথম ঠাকুরের প্রণাম মন্ত্র রচিত হয়। আজ তা সারা বিশ্বের রামকৃষ্ণ ভক্তদের মুখে উচ্চারিত হয়। একইসঙ্গে সেই পুজোর সংকল্প হয় মা সারদার নামে। আজও সমস্ত পুজোয় এই নিয়ম মেনেই মায়ের নামে সংকল্প করা হয়। অর্থাৎ একই ঘরে তৈরি হল দু'টি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। পুজো তো হল, কিন্তু আহারাদি? নবগোপালবাবুর স্ত্রী নিস্তারিনী দেবীর হাতে রান্না করা খাবার খেলেন সপার্ষদ বিবেকানন্দ। গুরুভাইয়ের স্ত্রীর রান্না করা খাবার খেয়ে মুগ্ধ হয়েছিলেন ভোজনরসিক স্বামীজি।

কিন্তু তিনি তো সর্বত্যাগী, সেই রান্নার জন্য কী দেবেন উপহার? ক্ষেত্রীর মহারাজের দেওয়া সেই ঐতিহাসিক পাগড়ি মাথা থেকে খুলে নিজের হাতে তুলে দিলেন নিস্তারিনীদেবীর হাতে। আজও সেই বিখ্যাত পাগড়ি সযত্নে রাখা আছে ঘোষ পরিবারে। মাঘী পূর্ণিমার দিন ভক্তদের পাগড়ি দর্শনের সুযোগ হয় আজও।

08/11/2022

#কাম_কামনা_কিরূপে_যায়

— এইরূপ একটি প্রশ্নের উত্তরে লাটু মহারাজ এক ভক্তকে বলিয়াছিলেন :

"একখানা ঠাকুরের ছবি কাছে রেখে দেবে ৷ কামকামনা এলেই সেখানাকে চোখের সামনে রাখবে । তা হলে আর ইন্দ্রিয়গুলো এধার-ওধার যেতে পারবে না ৷ সেই ছবি দেখতে দেখতে তোমার মনের কামকামনা সব চলে যাবে । তাঁর উপর নির্ভর করো, তাঁতে বিশ্বাস রাখো, দেখবে তিনিই সব বুদ্ধি জুটিয়ে দেবেন । আন্তরিক যদি শরণ নিতে পারো, তাহলে তোমার সব বখেরা তিনি তুরন্ত মিটিয়ে নেবেন । বাকী মন মুখ এক কোরে তাঁর শরণ নিতে হবে ।
—— শ্রীশ্রীলাটু মহারাজের স্মৃতি-কথা

18/08/2022
জপ===============1.জপ কাকে বলে ?            শাস্ত্রে আছে " জপাৎ সিদ্ধি " - অর্থাৎ জপ দ্বারা সিদ্ধিলাভ হয় l ভগবানের কোনো ...
17/08/2022

জপ

===============

1.জপ কাকে বলে ?


শাস্ত্রে আছে " জপাৎ সিদ্ধি " - অর্থাৎ জপ দ্বারা সিদ্ধিলাভ হয় l ভগবানের কোনো নাম মন্ত্র বা গুরু মন্ত্র অনবরত বিভিন্ন ভাবে বা বিভিন্ন পদ্ধতিতে করার নাম জপ l

2.জপ কত প্রকার কি কি ?

শাস্ত্রানুসারে জপ 11 প্রকারের পদ্ধতি দ্বারা করা যায় l

1.কায়িক জপ
2. বাচিক জপ
3. উপাংশু জপ
4. প্রাণীক জপ
5. হার্দিক জপ
6. মানসিক জপ
7. ক্রিয়া জপ
8. সুষুম্না জপ
9. চক্র জপ
10. অজপা জপ
11 পশান্তি জপ
প্রতিটি জপ পদ্ধতি পরস্পরের থেকে উন্নত l যেমন - কায়িক থেকে বাচিক , আবার বাচিক থেকে উপাংশু উন্নত - এই ভাবে প্রতিটি জপ পদ্ধতি পরস্পরের থেকে উন্নত l পশান্তি জপ পদ্ধতি পর্যন্ত একবার করতে পারলে জপ সাধনায় পূর্ণ সিদ্ধিলাভ হয় এবং শাস্ত্রের " জপাত: সিদ্ধি " কথাটি পূর্ণত্ব প্রাপ্ত হয় l

1.কায়িক জপ :- কায়িক জপ শব্দের অর্থ হলো - শারীরিক পরিশ্রম এর দ্বারা যে জপ করা হয় তাকে কায়িক জপ বলে l যেমন:- খোল-করতাল নিয়ে নাচতে নাচতে বা হেলে দুলে যে ভগবানের অনবরত নাম করা রুপি জপ করাকে কায়িক জপ বলে l

2.বাচিক জপ :- বাচিক জপ শব্দের অর্থ হলো- এক জায়গায় স্থির ভাবে বসে বসে অনবরত উচ্চারণ করে যে জপ করা হয় তাকে বাচিক জপ বলে l

3. উপাংশু জপ :- উপাংশু জপ শব্দের অর্থ হলো- এক জায়গায় স্থির ভাবে বসে শুধু নিজে শুনতে পাবে কিন্তু পশে বসে থাকলেও ওপরে কেও শুনতে পাবে না , এই রকম ভাবে অনবরত উচ্চারণ করে যে জপ করা হয় তাকে উপাংশু জপ বলে l

4. প্রাণীক জপ:- প্রাণীক জপ শব্দের অর্থ হলো - শাস্ত্রে কোনো কোনো জায়গায় শ্বাস কে প্রাণ বলা হয়েছে l এক জায়গায় স্থির ভাবে বসে জিভকে পূর্ণ রূপে স্থির রেখে শুধু শ্বাস- প্রশ্বাস এর দ্বারা জপ করাকে প্রাণীক জপ বলে l

5. হার্দিক জপ:- হার্দিক জপ শব্দের অর্থ হলো - এক জায়গায় স্থির ভাবে বসে জিভকে পূর্ণ রূপে স্থির রেখে শুধু , নিজের হৃদ-স্পন্দন শুনে ( কোনো প্রকারের যন্ত্রের সাহায্য না নিয়ে ), সেই নিজের হৃদ-স্পন্দন এর গতিতে যে জপ করা হয় তাকে হার্দিক জপ বলে l

6. মানসিক জপ : মানসিক জপ শব্দের অর্থ হলো- এক জায়গায় স্থির ভাবে বসে শরীর ও জিভকে পূর্ণ রূপে স্থির রেখে শুধু নিজের স্নায়ুতন্ত্রের মধ্যে যে গতিমান মন ( কোনো প্রকারের যন্ত্রের সাহায্য না নিয়ে ) -সেই মনের গতির সংগে জপ করাকে মানসিক জপ বলে l

7. ক্রিয়া জপ :- ক্রিয়া জপ শব্দের অর্থ হলো - এক জায়গায় স্থির ভাবে বসে জিভকে কপালকুহরে পূর্ণ রূপে স্থির রেখে গুরুমুখী বিদ্ধ্যা রুপি ক্রিয়া এর দ্বারা জপ করাকে ক্রিয়া জপ বলে l

8. সুষুম্না জপ :- সুষুম্না জপ শব্দের অর্থ হলো - এক জায়গায় স্থির ভাবে বসে জিভকে কপালকুহরে পূর্ণ রূপে স্থির রেখে গুরুমুখী বিদ্ধ্যা রুপি ক্রিয়া এর দ্বারা জপ করতে করতে সুষুম্নাতে প্রবেশ করে তারপর জপ করাকে সুষুম্না জপ বলে l

9. চক্র জপ :- চক্র জপ শব্দের অর্থ হলো - এক জায়গায় স্থির ভাবে বসে জিভকে রাজিকাতে পূর্ণ রূপে স্থির রেখে গুরুমুখী বিদ্ধ্যা রুপি ক্রিয়া এর দ্বারা জপ করতে করতে সুষুম্নাতে প্রবেশ করে তারপর সুষুম্নাতে প্রবেশ অবস্থায় থেকে প্রতিটি চক্রএ জপ করার নাম চক্র জপ l

10. অজপা জপ : অজপা জপ শব্দের অর্থ হলো - এক জায়গায় স্থির ভাবে বসে জিভকে রাজিকাতে পূর্ণ রূপে স্থির রেখে গুরুমুখী বিদ্ধ্যা রুপি ক্রিয়া এর দ্বারা জপ করতে করতে সুষুম্নাতে প্রবেশ করে তারপর সুষুম্নাতে প্রবেশ অবস্থায় থেকে প্রতিটি চক্রএ জপ করতে করতে কেবলি কুম্ভক এর দ্বারা অনাহত দিব্য ধ্বনির প্রকাশ হয় গুরুমন্ত্র আপনা আপনি সেই অনাহত দিব্য ধ্বনির সঙ্গে সঙ্গে জপ হতে থাকে -তাকেই অজপা জপ বলে l

11 পশান্তি জপ :- পশান্তি জপ শব্দের অর্থ হলো - এক জায়গায় স্থির ভাবে বসে জিভকে রাজিকাতে পূর্ণ রূপে স্থির রেখে গুরুমুখী বিদ্যা রূপী ক্রিয়া এর দ্বারা জপ করতে করতে সুষুম্নাতে প্রবেশ করে তারপর সুষুম্নাতে প্রবেশ অবস্থায় থেকে প্রতিটি চক্রে জপ করতে করতে কেবলই কুম্ভক এর দ্বারা অনাহত দিব্য ধ্বনির প্রকাশ হয় গুরুমন্ত্র আপনা আপনি সেই অনাহত দিব্য ধ্বনির সঙ্গে সঙ্গে অজপা জপ এর মন্ত্র ধ্বনি শুনতে শুনতে সাধক সমাধি অবস্থায় উপনীত হয় -
আর তখনি পশান্তি দিব্য ধ্বনির মধ্যে ব্রহ্ম জ্যোতির প্রকাশ হয় - আর সেই ব্রহ্ম জ্যোতির মধ্যে মন্ত্রের অর্থ- গায়েত্রীর দর্শন হয় আর সেই সঙ্গে সেই গুরুমন্ত্র রূপী ইষ্টদেব এর সাক্ষাৎ দর্শন হয়ে সাধক পূর্ণ মন্ত্র সিদ্ধি লাভ করে - ইহাকেই শাস্ত্রে পশান্তি জপ বলেছে,ইহা সিদ্ধ হইলে বলা হয় যে- জপের দ্বারা পূর্ণ সিদ্ধিলাভ -ইহাই " জপাত: সিদ্ধি " অবস্থা l

-------> জপধ্যান ও দীক্ষার প্রসঙ্গে শিষ্যের শুভ সংস্কার না থাকিলে গুরুর শত চেষ্টা সত্ত্বেও তাহার অন্তর্নিহিত শক্তি জাগরিত ও কার্যক্ষম হয় না। সেই শুভ সংস্কারের সহিত প্রয়ােজন হয় শিষ্যের স্বতঃপ্রবৃত্ত সহযােগিতা।

জয় মা।

আজ গুরুমহারাজ পরম পূজনীয় পূজ্যপাদ শ্রীমৎ স্বামী অমেয়ানন্দজী মহারাজের  ৯২শুভ তম জন্মদিন। মহারাজের শ্রীচরণে আমাদের ভক্তিপূ...
12/05/2022

আজ গুরুমহারাজ পরম পূজনীয় পূজ্যপাদ শ্রীমৎ স্বামী অমেয়ানন্দজী মহারাজের ৯২শুভ তম জন্মদিন।

মহারাজের শ্রীচরণে আমাদের ভক্তিপূর্ণ সাষ্টাঙ্গ প্রণাম। 🙏🙏💐🙏🙏
গুরু মহারাজের ২৯৪২২ জন দীক্ষিত শিষ্যের প্রতি উপদেশ :

জানো, জগতে সহজ কাজটি কি—ভগবান লাভ করা। তাঁর চরণে সবকিছু অর্পণ করো, নিজের মধ্যে কিছুই রেখো না। দেখবে ভগবান লাভ কত সহজ! তুমি বলছো কবে মাকে দেখবো? তা নিয়ে হতাশা কেন, সবকিছু এখনই নয় কেন, আজকে নয় কেন, বলো। শুদ্ধ মনে স্থির হয়ে ধ্যানে বসো, আর বলো যে, মা, বসলাম, তোমাকে না দেখা পর্যন্ত উঠবো না। তবেই তো হবে। ....তাঁকে সবসময় ভাবো। দেখবে এমনিতেই তাঁকে দেখতে পাচ্ছো। যখন সবেতেই তাঁকে বুঝতে পারবে তখন দেখবে তোমার আর তাঁর মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।

আগে জপ-ধ্যানের ফলে যে অনুভূতি হতো এখন তেমন হচ্ছে না বলে হতাশার কথা একজন শিষ্য মহারাজকে জানালে মহারাজ বললেন : তুমি কি করে বুঝলে যে তোমার অনুভূতি কমে গেছে? দেখ, এই যে তোমার ভিতর থেকে অনুভব হচ্ছে যে ঠাকুর ও মা তোমার হৃদয়ে ঠিকভাবে ধরা দিচ্ছেন না, যে কষ্টটা পাচ্ছো এটাইতো সেই অনুভূতি। এই যে কান্না করছো এটা তো সেই । তুমি কোনো চিন্তা কোরো না, আমি তো তোমার ভার নিয়েই নিয়েছি। আমিই তোমাকে মায়ের কাছে নিয়ে যাব।
🙏জয়তু ঠাকুর মা স্বামীজি 🙏

|| আজ শ্রীরামকৃষ্ণ মিশনের পুণ্য-প্রতিষ্ঠা দিবস । ||মা ঠাকুরের কাছে কেঁদে কেঁদে বলেছিলেন তাঁর ছেলেদের জন্য একটি থাকার ব্য...
01/05/2022

|| আজ শ্রীরামকৃষ্ণ মিশনের পুণ্য-প্রতিষ্ঠা দিবস । ||

মা ঠাকুরের কাছে কেঁদে কেঁদে বলেছিলেন তাঁর ছেলেদের জন্য একটি থাকার ব্যবস্থা----ঠাকুর শুনেছিলেন এবং তা মঞ্জুরও করেছিলেন তারই ফলস্বরূপ আজ বেলুড়মঠ সহ বাকি মঠ মিশন ।

তাই কেন্দ্র ঠাকুর হলেও কেন্দ্রবিন্দু আমাদের মা ।

স্বামীজী বলেছিলেন,
_____"অনন্তভাবময় ঠাকুরকে তোরা তোদের গণ্ডিতে বুঝি বদ্ধ করে রাখতে চাস?
______অামি এ গণ্ডি ভেঙে তাঁর ভাব পৃথিবীময় ছড়িয়ে দিয়ে যাব।

তিনি সাধন-ভজন ধ্যান-ধারণা ও অন্যান্য উচ্চ উচ্চ ধর্মভাব সম্বন্ধে যেসব উপদেশ দিয়ে গেছেন,

_______সেগুলি উপলব্ধি করে জীবকে শিক্ষা দিতে হবে।"

তিনি মেরি হেলকে লিখছেন ,
_____"যে শক্তি অামার পশ্চাতে থেকে কাজ করছে, তা বিবেকানন্দ নয় তা স্বয়ং প্রভু।"

তাঁর কন্ঠে ঘোষিত হয়েছিল নবযুগের সন্ন্যাসের নতুন বাণী
"""""অাত্মনো মোক্ষার্থং জগদ্ধিতায় চ"""।

ঠাকুর স্বামীজী কে বলেছিলেন,
_______ "তুই কাঁধে করে নিয়ে আমায় যেখানে রাখবি আমি সেখানেই থাকবো ।"

এই সেই জায়গা যেখানে স্বামীজী প্রথম ঠাকুর কে কাঁধে করে নিয়ে বসিয়ে ছিলেন বেলুড় মঠ এ ।

Swami Vijnananandaji বলেছেন,
_______একবার ঠাকুর ফটো দেখিয়ে আমাকে বললেন, "দেখ এর ভিতর আমি রয়েছিl

একে ধ্যান করবি
________"আমি ও স্বীকার করলাম ধ্যান করব। ঠাকুরের এই ফটো তে সব আছে ।""""

জয় ঠাকুর । জয় মা । জয় স্বামীজী ।

ওঁ স্থাপকায় চ ধর্মস্য সর্বধর্মস্বরূপিণে।অবতারবরিষ্ঠায় রামকৃষ্ণায় তে নমঃ।।🙏আগামী ১ মে,২০২২ রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন এর১২৫ বছর উ...
26/04/2022

ওঁ স্থাপকায় চ ধর্মস্য সর্বধর্মস্বরূপিণে।
অবতারবরিষ্ঠায় রামকৃষ্ণায় তে নমঃ।।🙏

আগামী ১ মে,২০২২ রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন এর
১২৫ বছর উদযাপন অনুষ্ঠানের সূচনা হবে
এবং সমাপ্তি অনুষ্ঠান হবে ২০২৩ সালের ১ মে।
১৮৯৭ সালের ১ মে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন প্রতিষ্ঠিত হয়। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন একটি সংস্থা। সংস্থাটি ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলন, ভারতের নবজাগরণ থেকে শুরু করে সবকিছুতে অংশগ্রহণ করেছে।
এই সংগঠন প্রাচীন হিন্দু দর্শন #বেদান্তের অনুগামী ও বেদান্ত আন্দোলন নামক বিশ্বব্যাপী #আধ্যাত্মিক #আন্দোলনের প্রধান প্রবক্তা।

এই সংস্থা সর্বধর্ম সমম্বয় বিশ্বাস করে। বেলুড় মঠের রামকৃষ্ণ মন্দির রামকৃষ্ণ ভাব-আন্দোলনের প্রাণকেন্দ্র। এই মন্দিরটি #হিন্দু, #ইসলামী, #বৌদ্ধ ও #খ্রিস্টান স্থাপত্যের মিশ্রণে নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য নিদর্শন।

অকালমৃত্যু ও অকালবার্ধক্যের এই ভারতবর্ষে
#স্বামী #বিবেকানন্দ প্রতিষ্ঠিত রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন কোন শক্তির বলে এমন কালজয়ী হল, তা একালের ম্যানেজমেন্ট বিশেষজ্ঞদের কাছে রীতিমতো কৌতূহলের বিষয়। অন্যের অর্থ গ্রহণ ও পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রেখে তা সুষ্ঠুভাবে ব্যয়। এমপাওয়ারমেন্ট বা ক্ষমতাপ্রদানের মাধ্যমে সংগঠনের মধ্যে দায়িত্ববোধ জাগ্রত রাখা। সংগঠনটি আরও দেখিয়ে চলেছে প্যাশন বা আবেগ, মোটিভেশন বা উৎসাহ, কঠোর পরিশ্রম, নির্মোহ হয়ে সবার জন্য উন্নয়ন চিন্তা কতখানি ফলপ্রসূ। বিবেকানন্দের হাতে-গড়া এই সংগঠন দেখিয়ে চলেছে—নিজের মোক্ষ, জগতের মঙ্গল এবং একই সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মের শৃঙ্খলা—তিনটি আপাত বিপরীতধর্মী শক্তির সমন্বয় কীভাবে করা সম্ভব। সব মিলিয়ে সাহিত্যিক শংকরের মনে হয়েছে যে, রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন হল এক #ম্যানেজমেন্ট-বিস্ময়। ভারত এবং বহির্ভারত মিলিয়ে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের মোট শাখা আজ প্রায় ২০০টি! #বেলুড় যার প্রাণকেন্দ্র।

১৯৯৩ সালের ৮ অক্টোবর #ইউনেস্কো বিল্ডিংয়ে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও বিদ্বজ্জনদের এক সমাবেশ হয়। সেদিন ইউনেস্কোর ডিরেক্টর জেনারেল ডঃ ফ্রেডেরিকো মেয়রের একটি উক্তি এই প্রসঙ্গে প্রণিধানযোগ্য, ‘১৮৯৭ সালে বিবেকানন্দ যে রামকৃষ্ণ মিশন স্থাপন করেছিলেন তার সংবিধানের সঙ্গে ১৯৪৫ সালে তৈরি ইউনেস্কোর সাদৃশ্য দেখে আমি খুবই বিস্মিত হই। উন্নতির লক্ষ্যে উভয়েরই যে কর্মপ্রচেষ্টা, তার কেন্দ্রে রয়েছে মানুষ।’

#রামকৃষ্ণ #মঠ ও #মিশনের অসংখ্য ভক্তদের সহায়তায় অনুষ্ঠানটি উদযাপিত হবে। আজকের দিনে ও আগামী দিনের ইতিহাসে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন এর এই পথচলা সারা বিশ্বের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হবে।

জপের কোন কালাকাল নেই, যখনই সময় পাবে তখনই তাঁর নাম করবে। চলতে ফিরতেও তাঁর নাম মনে মনে স্মরণ করবে। তখন ‘করে’ জপ বা মালা জ...
22/04/2022

জপের কোন কালাকাল নেই, যখনই সময় পাবে তখনই তাঁর নাম করবে। চলতে ফিরতেও তাঁর নাম মনে মনে স্মরণ করবে। তখন ‘করে’ জপ বা মালা জপ সম্ভব নয়, কারণ তা হলে যে লােকে দেখতে পাবে। ভগবানের নাম খুব গােপনে করতে হয়, যেন লােকে টেরও না পায়। আর তাঁর স্মরণ-মনন করবে সর্বক্ষণ। একটা অভ্যাস জমিয়ে নিতে হয়। চলতে ফিরতে, খেতে শুতে, এমন কি সব কাজকর্মের মধ্যেও নিরন্তর তাঁর স্মরণ-মনন করবে যেন একটা undercurrent (অন্তঃস্রোত) চলছে। এইভাবে কিছু দিন অভ্যাস করলে দেখবে যে তােমার অজ্ঞাতসারে, এমন কি ঘুমের ভিতরও জপ চলেছে— স্মরণ-মনন ভিতরে ভিতরে চলেছে।

- মহাপুরুষ মহারাজ (শিবানন্দ বাণী)
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

রাতের বেলা ঠাকুর হৃদয়কে বলছেন, শােন, প্রশ্ন করেছিলুম মাকে, মা তীর্থে কেন যাব ?ঠাকুর মশারির ভিতর, হৃদয় মশারির বাইরে। লণ...
23/01/2022

রাতের বেলা ঠাকুর হৃদয়কে বলছেন, শােন, প্রশ্ন করেছিলুম মাকে, মা তীর্থে কেন যাব ?

ঠাকুর মশারির ভিতর, হৃদয় মশারির বাইরে। লণ্ঠনের মৃদু আলােয় দেয়ালে বড় বড় ছায়া। বাইরে রাতের অন্ধকারে বাতাসের পায়চারি। শীত চলে যাওয়ার মুখে মশার উপদ্রব বাড়ে। ধুনাের ধোঁয়ায় একটু কমেছিল, এখন কোণে কোণে কীর্তন। হৃদয় চড়-চাপড় মারছিলেন। শব্দ থামিয়ে, সংযত হয়ে বললেন, মা কি বললেন ?

মা বললেন, যেখানে অনেক লােক অনেকদিন ধরে ঈশ্বরদর্শন করবে বলে তপজপ, ধ্যানধারণা, প্রার্থনা, উপাসনা করেছে সেখানে তার প্রকাশ নিশ্চয় আছে জানবি। তাদের ভক্তিতে সেখানে ঈশ্বরীয় ভাবের একটা জমাট বেঁধে গেছে। তাই সেখানে সহজেই উদ্দীপন হয়, তাঁর দর্শন হয়। যুগযুগ ধরে কত সাধু-ভক্ত-সিদ্ধ পুরুষেরা এইসব স্থানে ঈশ্বরকে দেখবে বলে এসেছে, অন্য সব বাসনা-কামনা ছেড়ে তাকে প্রাণ ঢেলে ডেকেচে, সেজন্যে ঈশ্বর সব জায়গায় সমানভাবে থাকলেও এইসব জায়গায় তাঁর বিশেষ প্রকাশ। যেমন মাটি খুঁড়লে সব জায়গাতেই জল পাওয়া যায়, কিন্তু যেখানে পাতকো, ডােবা, পুকুর বা হ্রদ আছে সেখানে জলের জন্যে আর খুঁড়তে হয় না, যখনই ইচ্ছা জল পাওয়া যায়, তেমনি।

হৃদয় নিজের মশারি গুঁজতে গুঁজতে বললেন, কদিন একটু সাবধানে থাকার চেষ্টা করাে, মাঝরাতে এমন হুটহাট করে মায়ের খোঁজে পঞ্চবটীতে চলে যেও না । শীত শেষ হতে চলেছে, এখন তেনারা সব ঘুম ভেঙে শিকারের সন্ধানে বেরবেন।

কাদের কথা বলছিস ?
সাপ।
সাপ আমার কি করবে ! ঐ জঙ্গলে সবাই আমার বন্ধু।

বুঝবে, যেদিন ন্যাজে পা পড়বে! বন্ধুর শত্রু হতে এক মিনিটও সময় লাগবে না।

হৃদয় চাদরমুড়ি দিয়ে বেশ গুছিয়ে শুয়ে পড়লেন। আলাে নেভানাে ঘরে নিচ্ছিদ্র অন্ধকার। গােটাকতক আগুনের ফুলকি ঘরময় ঘুরে বেড়াচ্ছে। দুটো এসে পড়ল শ্রীরামকৃষ্ণের মশারির চালে। শীতল অগ্নি। এ-আগুনে আগুন লাগে না । ঠাকুর জোনাকি ভালবাসেন। যেন আত্মার উড়ন্ত স্ফুলিঙ্গ! বিছানায় বসে বসে অবাক হয়ে দেখছেন। মহামায়ার মায়ার খেলা-সুন্দরে কুৎসিতে, বিশালে, ক্ষুদ্রে জগৎটাকে কেমন সাজিয়েছেন!

প্রণাম মা 🙏
প্রণাম ঠাকুর 🙏

Address

রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ সংঘ
বরগুনা
8700

Telephone

01757983871

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ সংঘ ,বরগুনা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share