Markaz Al-ihsan- مركز الإحسان

Markaz Al-ihsan- مركز الإحسان knowledge, practice and service are our true wealth

21/05/2026
সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের কল্যাণকর কাজে আরেক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার তাওফীক দান করেছেন।মারকাজুল ইহসান-এ...
07/04/2026

সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের কল্যাণকর কাজে আরেক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার তাওফীক দান করেছেন।

মারকাজুল ইহসান-এর উদ্যোগে পরিচালিত মসজিদভিত্তিক সাপ্তাহিক তালীমী বৈঠকটি আগামী বৃহস্পতিবার থেকে ইনশাআল্লাহ কিতাবভিত্তিক ধারাবাহিক দারসে রূপ নিতে যাচ্ছে। সার্বিক দিক বিবেচনা করে এ দারসের জন্য শায়েখ ইবনে বায (রহঃ) সংকলিত “الدروس المهمة لعامة الأمة” (মুসলিম উম্মাহর সর্বসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দারসসমূহ) পুস্তিকাটি নির্বাচন করা হয়েছে।

উক্ত পুস্তিকায় ইসলামের রুকন, ঈমানের রুকন, তাওহীদ ও শিরক, ইহসান, সালাত, অজু, আদবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা রয়েছে। আমাদের সম্মানিত আলোচকবৃন্দ এসব বিষয় শরয়ী ব্যাখ্যাসহ বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করবেন ইনশাআল্লাহ। এ উদ্দেশ্যে নিয়মিত ও অনিয়মিত সকল আলোচকের জন্য هيثم بن محمد جميل سرحان কর্তৃক রচিত এ গ্রন্থের আরবি ব্যাখ্যাগ্রন্থ সরবরাহ করা হবে। এছাড়াও, দারসে অংশগ্রহণকারী সকলের জন্য উক্ত পুস্তিকার অনুবাদ কপি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। এজন্য ইতোমধ্যে মারকাজ কতৃপক্ষের নিকট ৫০০+ অনুদিত কপি পৌঁছেছে—আলহামদুলিল্লাহ।

আমরা আশা করি, এ দারসে অংশগ্রহণের মাধ্যমে একজন সাধারণ মুসলিম তার ঈমান ও আমলের জরুরি ও অপরিহার্য বিষয়গুলো সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করতে সক্ষম হবেন ইনশাআল্লাহ—যেগুলো অজ্ঞাত থাকা কোনো মুসলিমের জন্যই কাম্য নয়। সম্মানিত মুসল্লীগণ ও দ্বীনপ্রিয় ভাইদের প্রতি অনুরোধ—আপনারা নিয়মিতভাবে এ দারসে অংশগ্রহণ করবেন এবং পরিবার-পরিজন ও পরিচিতদেরকেও অংশগ্রহণে উৎসাহিত করবেন।

যাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় এ মহৎ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে, আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন। পাশাপাশি, প্রতিটি মসজিদ কমিটিকে আন্তরিক মোবারকবাদ, যারা দ্বীনের খেদমতে আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন। আল্লাহ সকলের প্রচেষ্টা কবুল করুন। আমীন।

⭐দুনিয়ার পথ চলা একদিন শেষ হবে; কিন্তু যে জ্ঞান হৃদয়ে নূর জ্বালায়, সেটিই আখেরাতের পথে সঙ্গী হয়ে থাকবে।

28/03/2026

কেউ দারিদ্র্যের ভয়ে হারাম খায় আর কেউ হারামের ভয়ে দারিদ্র্যকে বেছে নেয়! দুই ভয়ে কতো ফারাক!

❣️ওহীর জ্ঞানে জীবন গড়ার আহ্বান❣️আলহামদুলিল্লাহ, “ওহীর জ্ঞানে জীবন গড়ার আহ্বান”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে মারকাজুল ইহসানে...
22/01/2026

❣️ওহীর জ্ঞানে জীবন গড়ার আহ্বান❣️
আলহামদুলিল্লাহ, “ওহীর জ্ঞানে জীবন গড়ার আহ্বান”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে মারকাজুল ইহসানের সৌজন্যে আমরা মসজিদভিত্তিক দাওয়াহ কার্যক্রম শুরু করেছিলাম, যা এখনো ধারাবাহিকভাবে চলমান রয়েছে।
বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে তিনটি মসজিদে নিয়মিতভাবে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মৌসুমী কাজের কারণে স্বল্প সময়ের জন্য কার্যক্রম স্থগিত থাকলেও পুনরায় আলোচনা সভা চালু করা হয়েছে। এ পর্যন্ত আমাদের এই ধারাবাহিক দাওয়াহ কার্যক্রম ১৩তম সপ্তাহ অতিক্রম করেছে—আলহামদুলিল্লাহ।

📢 আলোচকবৃন্দ:-
আমাদের আলোচনা সভায় কোনো প্রকার পারিশ্রমিক ছাড়াই যারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজেদের জ্ঞান, মেধা ও শ্রম দান করে আসছেন—
🎙️ শাইখ মুহসীন বিন মোফছের আলী।
প্রধান শিক্ষক: আল-হামদ সালাফিয়া মাদ্রাসা, কিচক, শিবগঞ্জ, বগুড়া।
🎙️ শাইখ জালালুদ্দিন বিন আবু বকর।
সিনিয়র শিক্ষক: মাদ্রাসাতুল হাদীস, আকাশ তাঁরা, সাবগ্রাম, বগুড়া।
🎙️ শাইখ নাজমুল হোসাইন বিন সাইদুর রহমান।
সিনিয়র শিক্ষক: আটমূল সালাফিয়া মাদ্রাসা, আটমূল, শিবগঞ্জ, বগুড়া।

📝 কার্যক্রমের বর্তমান অবস্থা।
কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা দিয়ে আমাদের মসজিদভিত্তিক দাওয়াহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে যা অধ্যবধি চলমান। আগামীতে কিতাবভিত্তিক দারস চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। আমাদের ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আসন্ন রমজান মাসে অত্র এলাকার ১১টি মসজিদে, মসজিদ কমিটির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে মাসব্যাপী কোরআন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আশাকরি কোরআনের মাসে এমন কার্যক্রম অত্র এলাকার ইসলাম প্রিয় সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত আনন্দের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হবে ইনশাআল্লাহ।

📝পরিকল্পনার খসড়া:-
♦️ মসজিদ কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে কোরআন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আনুষ্ঠানিক অনুমতি গ্রহণ।
♦️ মুসল্লিদের সুবিধাজনক সময় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত সময়সূচি নির্ধারণ।
♦️ শিক্ষক হিসেবে সংশ্লিষ্ট মসজিদের ইমাম সাহেবকে দায়িত্ব প্রদান এবং তাঁর জন্য আলাদা পারিশ্রমিক নির্ধারণ।
♦️ ইমাম সাহেব অপারগতা প্রকাশ করলে বিকল্পভাবে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ।
♦️কিশোর, যুবক ও বৃদ্ধ—সব বয়সের মুসল্লিদের জন্য উন্মুক্ত অংশগ্রহণের সুযোগ।
♦️ নূরানী, নাজেরা ও হিফজ—এই তিনটি ক্যাটাগরিতেই শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা।
♦️মাসব্যাপী কোরআন শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে মুতামায়্যিজ ছাত্রদের নগদ অর্থ অথবা ঈদ উপহার সামগ্রী প্রদান।

📱☎️ সার্বিক পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন:-( 01770365043/ 01893089868/ 01779798730)

23/10/2025

❣️ওহীর জ্ঞানে জীবন গড়ার আহ্বান ❣️

মানবজীবনের প্রকৃত আলো লুকিয়ে আছে ওহীর জ্ঞানে—আল্লাহর কিতাব ও প্রিয় নবী ﷺ এর সুন্নাহতে। আসুন, কিছু সময় বের করি এই অমূল্য জ্ঞানের আলোকে হৃদয়কে শুদ্ধ করতে, জীবনকে সঠিক পথে সাজাতে। এ আলোচনায় আমরা খুঁজে নেব ইমানের মিষ্টতা, আমলের প্রেরণা এবং আখিরাতের পথনির্দেশ। আপনার উপস্থিতি শুধু আপনাকেই নয়, আপনার চারপাশের মানুষকেও উপকৃত করবে ইনশাআল্লাহ।

📜 দারস নং: (৫)
🗓️ বৃহস্পতিবার, ১ জমাদিউল উলা ১৪৪৭ হিঃ। ২৩ অক্টোবর ২০২৫ ইং। ৭ই কার্তিক ১৪৩২ বঙ্গাব্দ।
🕖 সময়:- মাগরিব থেকে এশার সলাত পর্যন্ত।

🕌 স্থান:- ঝালখুর জামে মসজিদ।
🎙️বক্তা: শাইখ মুহসীন বিন মোফছের আলী
📋 বিষয়:- নিয়ত ও ইখলাসের মর্মার্থ।

🕌 স্থান:- আপসন পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদ।
🎙️বক্তা: শাইখ নাজমুল বিন সাইদুর রহমান
📋 বিষয়:- ঈমানের পরিচয়।

🕌 স্থান:- আপসন পূর্ব পাড়া জামে মসজিদ।
🎙️বক্তা: শাইখ জালালুদ্দিন বিন আবু বকর
📋 বিষয়:- অজুর নিয়মাবলী।

🍱🍞☕ উপস্থিত সকলের জন্য নাস্তার ব্যবস্থা থাকবে।

📢বিঃদ্রঃ গত সপ্তাহ থেকে আমাদের আলোচনা সভার কার্যক্রম তিনটি মসজিদে শুরু হয়েছে। তিনটি মসজিদেই আমাদের কার্যক্রম একত্রে পরিচালিত হবে ইনশাআল্লাহ।

🤲এই দ্বীনি আলোচনা সভাকে আল্লাহ আমাদের হেদায়েতের মাধ্যম হিসেবে কবুল করুন। শরীয়তের গুরুত্বপূর্ণ এসব বিষয় বিস্তারিত জানা, বোঝা, এবং সে অনুযায়ী আমল করার তাওফীক দান করুন।


♦️সার্বিক ব্যবস্থাপনায়:- (مركز الإحسان) মারকাজুল ইহসান।

আলহামদুলিল্লাহ এ সপ্তাহে আমরা তিনটি মসজিদে  আলোচনা সভা শুরু করেছি।১/আপসন পূর্ব পাড়া।২/ আপসন পশ্চিম পাড়া।৩/ঝালখুর।এই তি...
19/10/2025

আলহামদুলিল্লাহ এ সপ্তাহে আমরা তিনটি মসজিদে আলোচনা সভা শুরু করেছি।

১/আপসন পূর্ব পাড়া।
২/ আপসন পশ্চিম পাড়া।
৩/ঝালখুর।

এই তিনটি মসজিদেই আগামী আলোচনা সভা গুলো অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।

গত বৃহস্পতিবারে আলোচ্য বিষয় সমূহে সারসংক্ষেপ আলোচ্য বিষয়:- আল্লাহ, কুরআন ও রাসূল ﷺ–কে অবমাননা: ঈমান ধ্বংসের পথ।স্থান:-...
11/10/2025

গত বৃহস্পতিবারে আলোচ্য বিষয় সমূহে সারসংক্ষেপ
আলোচ্য বিষয়:- আল্লাহ, কুরআন ও রাসূল ﷺ–কে অবমাননা: ঈমান ধ্বংসের পথ।
স্থান:- আপসন পশ্চিম পাড়া জামে।
আলোচক ছিলেন:- শাইখ জালালুদ্দিন বিন আবু বকর।

ইসলাম ধর্ম হল সেই বিধান যা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা তাঁর বান্দাদের জন্য তাঁর রাসূলগণের জবান (বার্তা/শিক্ষা)-এর মাধ্যমে নির্ধারণ করেছেন।

এই দ্বীনের মূল ও শাখাসমূহ — সবকিছুই রাসূলদের মাধ্যমে বর্ণিত। এই দ্বীন অত্যন্ত স্পষ্ট — এমন পর্যায়ে প্রকাশ্য ও পরিষ্কার যে প্রত্যেক বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ, সে ছোট হোক বা বড়, ভাষায় পারদর্শী হোক বা না হোক, বুদ্ধিমান হোক বা সাধারণ— যে কেউ অতি অল্প সময়ে সহজেই এতে প্রবেশ করতে পারে।

আর এই দ্বীন থেকে বেরিয়ে যাওয়া হয় তার থেকেও দ্রুততর উপায়ে — যেমন: একটি মাত্র শব্দ অস্বীকার করা, কোনো বিষয়ে মিথ্যা বলা, বিরোধিতা করা, আল্লাহর উপর মিথ্যা আরোপ করা, আল্লাহর বাণীতে সংশয় প্রকাশ করা, আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তা প্রত্যাখ্যান করা, যে বিষয়ে আল্লাহ সন্দেহ দূর করেছেন সেটিতে সন্দেহ করা, অথবা এসবের অনুরূপ অন্য যেকোনো কারণে।

আল্লাহর দ্বীনের ভিত্তি হলো আল্লাহ্‌কে মহান হিসেবে মান্য করা, তাঁকে শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা।
নিশ্চয়ই তিনি হলেন মহিমা ও মর্যাদার অধিকারী, যিনি এ সম্মান ও শ্রদ্ধার পূর্ণ হকদার — যেন তাঁর বান্দারা তাঁর ইবাদত, তাওহীদ ও একনিষ্ঠ উপাসনার মাধ্যমে তাঁকে মহিমান্বিত করে ও সম্মান প্রদর্শন করে। আল্লাহ তাআলা বলেন:
> ﴿مَا لَكُمْ لَا تَرْجُونَ لِلَّهِ وَقَارًا﴾
“তোমরা কেন আল্লাহর জন্য যথাযথ মর্যাদা ও মহিমা আশা করো না?” (সূরা নূহ, আয়াত ১৩)

ইবনে আব্বাস (রাযি.) ও মুজাহিদ (রহ.) এবং সালাফদের আরও অনেকে এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেছেন: “অর্থ হলো—তোমরা কেন আল্লাহকে মহান বলে সম্মান করো না।” আরও বলেন আল্লাহ তাআলা:
﴿وَمَا قَدَرُوا اللَّهَ حَقَّ قَدْرِهِ﴾
“তারা আল্লাহকে তাঁর যথাযথ মর্যাদা অনুযায়ী মূল্যায়ন করেনি।” (সূরা আল-আন‘আম, আয়াত ৯১)

সুতরাং আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা সর্বোচ্চ স্তরের সম্মান ও মহিমা পাওয়ার যোগ্য। একইভাবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ব্যাপারেও তাঁর প্রতি শরিয়তসম্মত সম্মান প্রদর্শন করা ফরজ ও অপরিহার্য।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
﴿لِتُؤْمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَتُعَزِّرُوهُ وَتُوَقِّرُوهُ﴾
“যাতে তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনো, তাঁকে সাহায্য করো ও শ্রদ্ধা করো।” (সূরা আল-ফাতহ, আয়াত ৯)

যে কেউ আল্লাহ, কুরআন বা রাসূল ﷺ সম্পর্কিত কোনো বিষয়ে তামাশা করে বা হাস্যরস করে, সে কাফের হয়ে যায়। সমস্ত মুসলমান সর্বসম্মতভাবে একমত যে —
যে কেউ আল্লাহকে গালি দেয়, তাঁকে অপমান করে, অথবা আল্লাহকে নিয়ে উপহাস করে, বা তাঁর নামসমূহ ও গুণাবলীর কোনো একটি নিয়ে ঠাট্টা করে, অথবা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহ, তাঁর ব্যক্তিত্ব, তাঁর হাদীসসমূহ, তাঁর শরিয়তের কোনো হুকুম, পরকাল সম্পর্কিত কোনো বিষয়, ফেরেশতাদের মধ্যে কোনো একজন, বা রাসূলদের মধ্যে কোনো একজনকে নিয়ে উপহাস করে — বরং এমনকি বিশ্বাসীদেরকে শুধুমাত্র তাদের ঈমানের কারণে উপহাস করলেও —
👉সে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি কুফরি করেছে, অর্থাৎ সে কাফের।

الله اعلم بالصواب

গত বৃহস্পতিবারে আলোচ্য বিষয় সমূহে সারসংক্ষেপ আলোচ্য বিষয়:- আল্লাহ, কুরআন ও রাসূল ﷺ–কে অবমাননা: ঈমান ধ্বংসের পথ।স্থান:-...
11/10/2025

গত বৃহস্পতিবারে আলোচ্য বিষয় সমূহে সারসংক্ষেপ
আলোচ্য বিষয়:- আল্লাহ, কুরআন ও রাসূল ﷺ–কে অবমাননা: ঈমান ধ্বংসের পথ।
স্থান:- আপসন পূর্ব পাড়া জামে।
আলোচক ছিলেন:- শাইখ নাজমুল বিন সাইদুর রহমান।

♦️গালি বা السب ও অবমাননা করার পরিচয়
👉গালি বা السب এর শাব্দিক অর্থ:
গালি তথা “السبّ” শব্দটি এসেছে “سَبَبَ” (সাব্বা) ধাতু থেকে, যার অর্থ হলো — গালি দেওয়া, অপমান করা।
এই باب (মূলধাতু)-এর আসল অর্থ “কাটা” বা “বিচ্ছিন্ন করা”।

👉শরীয়তের পরিভাষায় (ইসলামী সংজ্ঞায়):
উলামাদের মাঝে “سبّ” (গালি)-এর সংজ্ঞা ভিন্ন ভিন্নভাবে বর্ণিত হয়েছে। আল-দাসূকী রহঃ বলেন:
“السَّبُّ هُوَ الشَّتْمُ، وَهُوَ كُلُّ كَلَامٍ فَبِيحٍ، وَحِينَئِذٍ فَالْقَذْفُ وَالاسْتِخْفَافُ بِحَقِّهِ، وَإِلْحَاقُ النَّقْصِ بِهِ، كُلُّ ذَلِكَ دَاخِلٌ فِي السَّبِّ.”
অর্থাৎ “গালি (السبّ) হচ্ছে অশালীন কথা বলা। যে কোনো নোংরা বা অশোভন কথা ,তাই গালি। সুতরাং কারো প্রতি অপবাদ দেওয়া (قذف), কারো অধিকারকে তুচ্ছ করা (استخفاف), বা তার মানহানি করা (إلحاق النقص) —সবকিছুই গালির অন্তর্ভুক্ত।

👉ইমাম নববী রহঃ বলেন:
“السَّبُّ في اللغة الشتم، والتكلم في عرض الإنسان بما يعيبه.”
অর্থাৎ “ভাষাগতভাবে ‘সাব্ব’ মানে গালি দেওয়া, এবং মানুষের সম্মান বা ইজ্জতের ব্যাপারে এমনভাবে কথা বলা যা তাকে হেয় বা লজ্জিত করে।”

👉ইমাম সূয়ুতী রহ: বলেন:
“السب شتم الإنسان والتكلم في عرضه بما يعيبه.”
অর্থাৎ “‘সাব্ব’ মানে কাউকে গালি দেওয়া, এবং তার সম্মানহানিকর কথা বলা।”

👉শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ রহঃ বলেন:
“السب الذي ذكرنا حكمه من المسلم هو: الكلام الذي يقصد به الانتقاص والاستخفاف، وهو ما يفهم منه السب في عقول الناس على اختلاف اعتقاداتهم، كاللعن والتقبيح ونحوه.”
অর্থাৎ “মুসলমানের পক্ষ থেকে যে ‘গালি’ বলা হয় তার অর্থ হলো — এমন কথা যার উদ্দেশ্য অন্যকে হেয় করা, তুচ্ছ করা বা অপমান করা। এমন কথা যা সাধারণ মানুষের বোধে ‘গালি’ হিসেবে বোঝা যায় — যেমন অভিশাপ দেওয়া (لعن), কটূক্তি করা (تقبيح), ইত্যাদি।”

👉কুরআনুল কারীমকে তুচ্ছ বা অবমাননা করা আল্লাহ তাআলার প্রতি কুফুর এবং ইসলামের ধর্ম ত্যাগ করার অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ তাআলা বলেন:
قال تعالى: ﴿وَلَئِنْ سَأَلْتَهُمْ لَيَقُولُنَّ إِنَّمَا كُنَّا نَخُوضُ وَنَلْعَبُ قُلْ أَبِاللَّهِ وَآيَاتِهِ وَرَسُولِهِ كُنتُمْ تَسْتَهْزِئُونَ (٦٥) لَا تَعْتَذِرُوا قَدْ كَفَرْتُمْ بَعْدَ إِيمَانِكُمْ إِنْ نَعْفُ عَنْ طَائِفٍ مِنْكُمْ نُعَذِّبْ طَائِفًا بِأَنَّهُمْ كَانُوا مجرمين﴾ [التوبة: ٦٥، ٦٦]
তিনি (আল্লাহ) বলেন: “এবং যদি তুমি তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, তারা বলবে: ‘আমরা কেবল খেলা করছি এবং মজা করছি।’ বলো: ‘তুমি কি আল্লাহ ও তাঁর আয়াত এবং তাঁর রাসুলকে উপহাস করছ?’ ক্ষমা চাও না, তুমি ইতিমধ্যেই ঈমানের পর কুফুরে পতিত হয়েছ। যদি আমরা তোমাদের মধ্যে কিছু মানুষকে ক্ষমা করি, আমরা অন্যদের শাস্তি দেব, কারণ তারা অপরাধী ছিল।”
وقال تعالى: ﴿وَقَدْ نَزَّلَ عَلَيْكُمْ فِي الْكِتَابِ أَنْ إِذَا سَمِعْتُمْ آيَاتَ اللَّهِ يُكْفَرُ بِهَا وَيُسْتَهْزَأُ بِهَا فَلَا تَقْعُدُوا مَعَهُمْ حَتَّى يَخُوضُوا فِي حَدِيثٍ غَيْرِهِ إِنَّكُمْ إِذًا مِثْلُهُمْ إِنَّ اللَّهَ جَامِعُ الْمُنَافِقِينَ وَالْكَافِرِينَ فِي جَهَنَّمَ جَمِيعًا﴾ [النساء: ١٤٠]
তিনি বলেন: “এবং তোমাদের উপর কিতাব নাজিল হয়েছে যে, যখন তুমি শুনবে আল্লাহর আয়াত যা কুফুর বা ঠাট্টার বিষয়, তখন তাদের সাথে বসো না যতক্ষণ না তারা অন্য কিছুর কথা বলে। নিশ্চয়ই তখন তুমি তাদের মতো হবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ মুনাফিক ও কুফারদের একসাথে জাহান্নামে মিলিত করবেন।”
وقال تعالى: ﴿وَإِذَا رَأَيْتَ الَّذِينَ يَخُوضُونَ فِي آيَاتِنَا فَأَعْرِضْ عَنْهُمْ حَتَّى يَخُوضُوا فِي حَدِيثٍ غَيْرِهِ وَإِمَّا يُنْسِيَنَّكَ الشَّيْطَانُ فَلَا تَقْعُدْ بَعْدَ الذِّكْرَى مَعَ الْقَوْمِ الظَّالِمِينَ﴾ [الأنعام: ٦٨]
তিনি বলেন: “যখন তুমি দেখবে যারা আমাদের আয়াত নিয়ে তর্ক করছে/ঠাট্টা করছে, তাদের থেকে সরে যাও যতক্ষণ না তারা অন্য কিছুর কথা বলছে। আর যদি শয়তান তোমাকে ভুলিয়ে দেয়, স্মরণের পর অন্যায়কারীদের সঙ্গে বসো না।”

قال إسحاق كما في تعظيم قدر الصلاة لمحمد بن نصر المروزي (۲) ۹۳۲: وَكُلُّ شَيْءٍ مِنَ الْوَقِيعَةِ فِي اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ أَوْ فِي شَيْءٍ أَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى عَلَى أَنْبِيَائِهِ فَهُوَ كُفْرٌ يُخْرِجُهُ مِنْ إِيمَانِهِ، وَإِنْ كَانَ مُقِرًّا بِكُلِّ مَا أَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى
ইসহাক বলেছেন (মুহাদ্দিসরা): “এবং আল্লাহর প্রতি বা আল্লাহ যে কিছু তাঁর নবীদের প্রতি অবতীর্ণ করেছেন তার বিরুদ্ধে যে কোনো অবমাননা এটি কুফুর, যা মানুষকে তার ঈমান থেকে বের করে দেয়, যদিও সে আল্লাহর নাজিলকৃত সমস্তকিছুর স্বীকার।”

وقال ابن حزم رحم الله في المحلى بالآثار (۱۲/٤٣٨): كُلَّ مَنْ سَبَّ اللَّهَ تَعَالَى، أَوْ اسْتَهْزَأَ بِهِ، أَوْ سَبَّ مَلَكًا مِنْ الْمَلَائِكَةِ أَوْ اسْتَهْزَأَ بِهِ، أَوْ سَبَّ نَبِيًّا مِنْ الْأَنْبِيَاءِ، أَوْ اسْتَهْزَأَ بِهِ، أَوْ سَبَّ آيَةً مِنْ آيَاتِ اللهَ تَعَالَى، أَوْ اسْتَهْزَأَ بِهَا، وَالشَّرَائِعُ كُلُّهَا، وَالْقُرْآنُ مِنْ آيَاتِ اللهِ تَعَالَى فَهُوَ بِذَلِكَ كَافِرٌ مُرْتَدٌ، لَهُ حُكْمُ الْمُرْتَدُ، وَبِهَذَا نَقُولُ - وَبِاللَّهِ تَعَالَى التَّوْفِيقُ
ইবন হজম রহঃ বলেন: “যে ব্যক্তি আল্লাহকে নিন্দা করে বা উপহাস করে, অথবা ফেরেশতা, নবী বা আল্লাহর আয়াতকে নিন্দা বা উপহাস করে, অথবা শরিয়তের সকল বিধান এবং কুরআনকে অবমাননা করে সে কুফুরে পতিত, এবং তার ওপর রিদ্দার হুকুম প্রযোজ্য। এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত। আল্লাহই সাহায্যকর্তা।”

وقال القاضي عياض في الشفا (۲/۳۰۴): وأعلم أن من استخف بالقرآن أو المصحف أو بشيء منه أو سبهما أو جحده أو حرفًا منه أو آية أو كذب به أو بشيء منه أو كذب بشيء ما صرح به فيه من حكم أو خبر أو أثبت ما نفاه أو نفى ما أثبته على علم منه بذلك أو شك في شيء من ذلك فهو كافر عند أهل العلم بإجماع

ইমাম ইবনু রজব (রহ.) জামি‘উল উলূম ওয়াল হিকাম (১/৩১৮)-এ বলেন—
وقد يترك دينه، ويفارق الجماعة، وهو مقرّ بالشهادتين، ويدّعي الإسلام، كما إذا جحد شيئاً من أركان الإسلام، أو سب الله ورسوله، أو كفر ببعض الملائكة أو النبيين أو الكتب المذكورة في القرآن مع العلم بذلك.
অর্থাৎ “কখনও এমনও হয় যে একজন ব্যক্তি নিজের ধর্ম ত্যাগ করে, মুসলিম সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। যদিও সে মুখে শাহাদাতদ্বয় উচ্চারণ করে এবং নিজেকে মুসলমান বলে দাবি করে। যেমন: যদি সে ইসলামের কোনো রুকন অস্বীকার করে, অথবা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে গালি দেয়, অথবা ফেরেশতা, নবী, বা কুরআনে বর্ণিত কোনো কিতাবের প্রতি কুফরি করে, যদিও সে এগুলো সম্পর্কে অবগত থাকে।”

♦️রাসূল (সাঃ) গালি বা অবমাননা করা বিধান:
হারব তাঁর মাসাইল গ্রন্থে মুজাহিদ থেকে উল্লেখ করেছেন যে, উমরের (রাঃ) কাছে এমন এক ব্যক্তিকে আনা হয়েছিল, যে নবী ﷺ-কে গালি দিয়েছিল; তখন উমর তাকে হত্যা করেন। এরপর উমর (রাঃ) বললেন:
مَنْ سَبَّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ، أَوْ سَبَّ أَحَدًا مِنَ الأَنْبِيَاءِ فَاقْتُلُوهُ
“যে কেউ আল্লাহ বা তাঁর রসূলকে গালি দেয়, অথবা কোনো নবীকে গালি দেয়, তাকে হত্যা কর।”

মুজাহিদ ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর থেকে বর্ণনা করে বলেন :
أَيُّمَا مُسْلِمٍ سَبَّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ، أَوْ سَبَّ أَحَدًا مِنَ الأَنْبِيَاءِ، فَقَدْ كَذَّبَ بِرَسُولِ اللَّهِ ﷺ
যে কোনো মুসলমান আল্লাহ বা তাঁর রসূলকে, অথবা কোনো নবীকে গালি দেয় ,সে বাস্তবে রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে মিথ্যাবাদী বলে সাব্যস্ত করল। আর এটি হলো রিদ্দাহ (ইসলাম ত্যাগ করা)। তাকে তওবা করতে বলা হবে; যদি ফিরে আসে (তওবা করে), তবে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে, আর যদি না ফিরে আসে, তবে তাকে হত্যা করা হবে।

وَذَكَرَ أَحْمَدُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ مَرَّ بِهِ رَاهِبٌ، فَقِيلَ لَهُ: هَذَا يَسُبُّ النَّبِيَّ ﷺ , فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ: لَوْ سَمِعْتُهُ لَقَتَلْتُهُ
এবং ইমাম আহমদ ইবন উমর (রাঃ)-এর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, একবার তাঁর পাশ দিয়ে এক রাহিব (খ্রিষ্টান ধর্মগুরু) যাচ্ছিল, তখন লোকেরা বলল: “এই লোক নবী ﷺ-কে গালি দেয়।” তখন ইবন উমর (রাঃ) বললেন: “আমি যদি নিজে তা শুনতাম, তবে অবশ্যই তাকে হত্যা করতাম।”
শায়েখ ইবন বায (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর “ফাতাওয়া নূর ‘আলা আদ-দারব” গ্রন্থে (৪/১৪৬–১৪৯ পৃ.) বলেছেন :
“দ্বীনকে গালি দেওয়া ইসলাম ধ্বংসকারী সবচেয়ে বড় কবিরা গুনাহগুলোর একটি।
কারণ সমস্ত আলেমদের ঐকমত্য যে, দ্বীনকে গালি দেওয়া ইসলাম থেকে বেরিয়ে যাওয়া (রিদ্দাহ)।এটি মজা বা ঠাট্টার চেয়েও বেশি মারাত্মক। আল্লাহ তাআলা বলেন:
(قُلْ أَبِاللَّهِ وَآيَاتِهِ وَرَسُولِهِ كُنتُمْ تَسْتَهْزِئُونَ • لَا تَعْتَذِرُوا قَد كَفَرْتُمْ بَعْدَ إِيمَانِكُمْ) [التوبة: 65-66]
“বলুন, তোমরা কি আল্লাহ, তাঁর আয়াত ও তাঁর রসূলকে নিয়ে ঠাট্টা করছিলে? অজুহাত দিও না, তোমরা তো ঈমান আনার পর কাফের হয়ে গেছ।” (সূরা আত-তাওবা, ৯:৬৫–৬৬)

নবী ﷺ-এর যুগে এক দাসী ছিল, সে দ্বীনকে গালি দিত। তার প্রভু তাকে বারবার নিষেধ করেও যখন সে তওবা করেনি, তখন সে তাকে হত্যা করে। নবী ﷺ তখন বলেছিলেন: “তোমরা সাক্ষী থাকো, তার রক্ত অপচয় নয়।”
অতএব দ্বীনকে গালি দেওয়া ইসলাম থেকে বের করে দেয়, যেমন নবী ﷺ-কে গালি দেওয়াও ইসলাম ত্যাগের সমান। এবং এমন ব্যক্তির রক্ত হালাল হয়ে যায় (অর্থাৎ সে হত্যাযোগ্য), আর তার সম্পদ রাষ্ট্রের (বাইতুল মাল)-এর অধীনে চলে যায়। কারণ সে মুরতাদ (ইসলাম ত্যাগকারী), যে ইসলাম ভঙ্গকারী কাজ করেছে।
الله أعلم بالصواب

❣️ওহীর জ্ঞানে জীবন গড়ার আহ্বান ❣️মানবজীবনের প্রকৃত আলো লুকিয়ে আছে ওহীর জ্ঞানে—আল্লাহর কিতাব ও প্রিয় নবী ﷺ এর সুন্নাহত...
08/10/2025

❣️ওহীর জ্ঞানে জীবন গড়ার আহ্বান ❣️

মানবজীবনের প্রকৃত আলো লুকিয়ে আছে ওহীর জ্ঞানে—আল্লাহর কিতাব ও প্রিয় নবী ﷺ এর সুন্নাহতে। আসুন, কিছু সময় বের করি এই অমূল্য জ্ঞানের আলোকে হৃদয়কে শুদ্ধ করতে, জীবনকে সঠিক পথে সাজাতে। এ আলোচনায় আমরা খুঁজে নেব ইমানের মিষ্টতা, আমলের প্রেরণা এবং আখিরাতের পথনির্দেশ। আপনার উপস্থিতি শুধু আপনাকেই নয়, আপনার চারপাশের মানুষকেও উপকৃত করবে ইনশাআল্লাহ।

📜 দারস নং: (৩)
🗓️ বৃহস্পতিবার, ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৭ হিঃ। ৯ অক্টোবর ২০২৫ ইং। ২৩ই আশ্বিন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ।
🕖 সময়:- মাগরিব থেকে এশার সলাত পর্যন্ত।
🕌 স্থান:- আপসন পূর্ব পাড়া ও পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদ।
🎙️বক্তা: শাইখ জালালুদ্দিন বিন আবু বকর (পূর্ব পাড়া)।
🎙️বক্তা:- শাইখ নাজমুল বিন সাইদুর রহমান (পশ্চিম পাড়া)।
📋 বিষয়:- আল্লাহ, কুরআন ও রাসূল ﷺ–কে অবমাননা: ঈমান ধ্বংসের পথ।
🍱🍞☕ উপস্থিত সকলের জন্য নাস্তার ব্যবস্থা থাকবে।

🤲এই দ্বীনি আলোচনা সভাকে আল্লাহ আমাদের হেদায়েতের মাধ্যম হিসেবে কবুল করুন। আল্লাহ, কোরআন এবং রাসূলের অবমাননাকারীদের বিধান সম্পর্কে জানার তৌফিক দান করুন।

📢বিঃদ্রঃ মহিলাদের জন্য শরয়ী পর্দার সহিত আলোচনা শোনার ব্যবস্থা রয়েছে।

♦️সার্বিক ব্যবস্থাপনায়:- (مركز الإحسان) মারকাজুল ইহসান।
কিচক, শিবগঞ্জ, বগুড়া।

"ওহীর জ্ঞানে জীবন গড়ার আহ্বান"মারকাজুল ইহসানের সৌজন্যে প্রতি সপ্তাহের ধারাবাহিক ধর্মীয় আলোচনা সভা এ সপ্তাহেও সুন্দর ভা...
03/10/2025

"ওহীর জ্ঞানে জীবন গড়ার আহ্বান"

মারকাজুল ইহসানের সৌজন্যে প্রতি সপ্তাহের ধারাবাহিক ধর্মীয় আলোচনা সভা এ সপ্তাহেও সুন্দর ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ।

আকীদার প্রাথমিক বিষয়বস্তু নিয়ে এ সপ্তাহে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। দুটি মসজিদেই সুন্দরভাবে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ।

Address

কিচক, শিবগঞ্জ
বগুড়া

Telephone

+8801770365043

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Markaz Al-ihsan- مركز الإحسان posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Markaz Al-ihsan- مركز الإحسان:

Share