Islamic Poth - ইসলামিক পথ

Islamic Poth - ইসলামিক পথ "পরকালে শান্তি লাভের লক্ষে, মহান আল্লাহ তা'আলা'র সন্তুষ্টি অর্জনের এক ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা"

পরকালে পাথেয় কুড়ানোর লক্ষে, আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য অর্জনের এক ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা

সংগৃহীত
26/09/2022

সংগৃহীত

পৃথিবীতে সন্তানের জন্য মা বাবার চেয়ে আপন কেউ হতে পারে না। তাঁদের চেয়ে নিখাদ ভালোবাসা আর কারো হয় না। বাবা মা মানেই পৃথিবী...
08/09/2022

পৃথিবীতে সন্তানের জন্য মা বাবার চেয়ে আপন কেউ হতে পারে না। তাঁদের চেয়ে নিখাদ ভালোবাসা আর কারো হয় না।
বাবা মা মানেই পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষ। হ্যাঁ, সব বাবা মায়ের ভালোবাসা হয়তো প্রকাশ পায় না।
সুতরাং বাবা মার সাথে বেয়াদবি করবেন না।
মহান আল্লাহ বলেন-
'তোমার রাব্ব নির্দেশ দিয়েছেন যে, তোমরা তিনি ছাড়া অন্য কারও ইবাদাত করবেনা এবং মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার করবে; তাঁদের একজন অথবা উভয়ে তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হলে তাঁদেরকে বিরক্তিসূচক কিছু বলবে না এবং তাঁদেরকে ভৎর্সনা করবে না;
তাঁদের সাথে কথা বলবে সম্মানসূচক নম্রভাবে। আর মমতাবশে তাঁদের প্রতি নম্রতার ডানা অবনমিত করো এবং বলো: হে আমার রাব্ব! তাঁদের প্রতি দয়া করুন যেভাবে শৈশবে তাঁরা আমাকে লালন পালন করেছিলেন। (সুরা ইসরা, আয়াত ২৩ ও ২৪)
✍️লেখা: শাইখ Ahmadullah (হাফি:)

27/08/2022

মা-চাচিদের দেখতাম স্বামীকে রেখে এক দুই রাত ও কোথাও কাটাতে চাইতো না, সে যত যায় হোক। তাদের একটাই কথা থাকত - লোকটার খাওয়া দ...
13/08/2022

মা-চাচিদের দেখতাম স্বামীকে রেখে এক দুই রাত ও কোথাও কাটাতে চাইতো না, সে যত যায় হোক। তাদের একটাই কথা থাকত - লোকটার খাওয়া দাওয়ার কষ্ট হবে, কী খাবে না খাবে, কী করবে না করবে, সব কাজে তো আমায় খুঁজবে।

এই যে উদ্বেগ, চিন্তা, এর পেছনে কিন্তু লুকিয়ে কলকাঠি নাড়ত তাদের স্বামীর প্রতি ভালোবাসা, কেয়ারিংনেস। তারা চাইতো না তার অনুপস্থিতিতে স্বামীর এতটুকু কষ্ট হোক। অনেককে দেখেছি কোন অনুষ্ঠান, আমোদ প্রমোদের আসর ছেড়েও এদিক ওদিক চিন্তা করতে করতে শেষমেষ স্বামীর কাছেই চলে গেছে, ঐ আনন্দটা স্যাক্রিফাইস করেছে। কারণটা - ভালোবাসা।

বিনিময়ে, আমার নিজের পরিচিতদের মধ্যে এমন বহু দেখেছি, স্ত্রী ৪৫ ধরতে না ধরতে ডায়াবেটিস, ইউটেরাসের সমস্যা, মাজায় ব্যাথাসহ নানাভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে, পঞ্চাশোর্ধ স্বামী অফিস সামলিয়ে আবার বাড়িতে এসে রান্না করা, কাপড় কাচা এগুলো করছে। একটুও বিরক্ত না স্বামীরা, বরং তারাও এটা করছে ভালোবাসা থেকে, খানিকটা কৃতজ্ঞতাবোধ থেকে। সারাজীবন তো সেই সব করল, এখন সে পারে না, আমি তাকে ছাড়ি কী করে? এই ভালোবাসাগুলোই নিঃস্বার্থ, অকৃত্রিম। ওই সংসার গুলো স্ত্রীর শরীরে মেদ জমা নিয়ে চিন্তিত না, স্বামীর শাসন সহ্য করাতে অতিষ্ট না, সম্পর্কগুলো মৃত্যু পর্যন্ত টিকে যাচ্ছে বিনা অভিযোগে, কোন ভাঙন নেই সেখানে।

যত দিন যাচ্ছে আমি খুবই অবাক হচ্ছি এখনকার দাম্পত্যজীবন গুলো দেখে। কৃত্রিমত্তায় ঘেরা, স্বার্থ ছাড়া যেখানে কিচ্ছু নেই, একের প্রতি অন্যের ভালোবাসা দেখে অবাক হচ্ছি। স্ত্রী ফ্রেন্ডদের সাথে এক সপ্তাহের ট্যুরে যাচ্ছে, স্বামীকে রেখে। কেন? স্বামী গেলে মজাই মাটি। স্ত্রীর রান্না করতে ভালো লাগছে না, কিছু একটা কিনে খাচ্ছে স্বামী বা অর্ডার করছে। রান্না করা প্রেসার, তাই সপ্তাহে চারদিন তিনদিন করে ভাগাভাগি করে নিচ্ছে স্বামী স্ত্রী। সংসার করা ঝামেলা, দায়িত্ব নিতে হয় বলে বিয়ে যত দেরীতে করা যায়। সংসারের ঝামেলা পোহাতে হবে বলে বাপের বাড়ি বা ক্যাম্পাসেই বেশিদিন থাকার চেষ্টা করছে স্ত্রী। সেদিন এক বান্ধবী বলল, তার হোস্টেলের অলমোস্ট সব অবিবাহিত মেয়ের চাওয়া, এমন ছেলেকে বিয়ে করবে যার সংসারে গিয়ে কোন কাজ করা লাগবে না, ওসব রান্নাবান্না করতে পারবে না তারা।

এই যে রান্না করা, বা সংসারের অন্য কাজগুলো করা এগুলো শুধু কাজ নয়, এগুলো দায়িত্ব, এগুলো ভালোবাসা। আমি থাকতে আমার সঙ্গীর জীবনটা সহজ সুন্দর করার চেষ্টা আমি কেন করব না? এটাই তো কেয়ারিংনেস। নাকি কেয়ার বলতে আমরা শুধু বুঝি বাবু সোনা বলে সারপ্রাইজ গিফট দেয়া? প্রতিবছর ধুমধাম করে এ্যানিভার্সারি সেলিব্রেট করা?

আমি সুস্থ, সবল, বেঁচে আছি, অথচ আমার পার্টনার আনহেলদি ফাস্ট ফুড খাবে, আমি কী করে সহ্য করি? আমি আমোদ প্রমোদে ব্যস্ত অথচ আমার পার্টনারের একা ঘুম আসছে না, অফিস থেকে মাথা ব্যাথা নিয়ে ফিরে তার মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়ার মত কেউ নেই, এ আমি কি করে মেনে নেই? আমি ভালো থাকি কীভাবে? তাকে আমি ভালোবাসি না?

হ্যা, আমাদের বাপ চাচাদেরও উচিত ছিল রান্নাটা জেনে রাখা, যাতে ঐ সব দিনগুলোতে স্ত্রীর তাকে নিয়ে চিন্তা করতে না হয়। আমাদের আদর্শ রাসূল (স)। তিনি ঘরের কাজে স্ত্রীদের সাহায্য করেছেন। নিজের সব কাজ নিজে করতে জানতেন। কিন্তু চিন্তাধারার একটু পরিবর্তন এই সুন্নাহগুলোর মধ্যে কেমন যেন খাঁদ ঢুকিয়ে দিচ্ছে।

যেমন ধরুন, আপনি আর আপনার হাজবেন্ড সপ্তাহে চারদিন তিনদিন করে রান্না ভাগাভাগি করে নিলেন। এমন স্বামী তো এখনকার মেয়েদের ড্রীম হাজবেন্ড। তো যায় হোক, যে চারদিন সব কাজ আপনার, সব কাজ একা সামলিয়ে স্বামীকে টিভি দেখতে দেখে মেজাজ খারাপ হবে আপনার, আবার যে তিনদিন সে রান্না করছে আর আপনি বসে ফোন টিপছেন, তারও মেজাজ খারাপ হবে স্বাভাবিক৷ এভাবেই সম্পর্কে ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ধীরে ধীরে উঠে যায়। সম্পর্কগুলো আজ ভেন্না পাতার ছানির মত ঠুনকো, দুজনের প্রতি দুজনের ফিলিংস নাই, বরং একসাথে থাকাকে অসহ্য মনে করে এখনকার ছেলেমেয়েরা।

অথচ সুন্নাহ মেনে যদি সপ্তাহে রোজ আপনিই রান্না করতেন এবং আপনার পার্টনার রোজ আপনাকে সাহায্য করত, গুছিয়ে দিত, যদি নাও পারে, অন্তত রান্নাঘরে আপনার সাথে গল্প করত, এতে দুজনেই ভালো থাকতেন, কারো প্রেসার হতো না, মাঝখান থেকে দুজনের মধ্যে ভালোবাসা যে কতগুণে বাড়তো দেখতেন শুধু।

ঘরের কাজ নারীরা যেভাবে সুন্দর করে গুছিয়ে করতে পারবে পুরুষরা তা পারবে না, শরীয়তে এজন্যই ঘর সামলানোর মূল দায়িত্ব নারীকে দেয়া হয়েছে। তবে পুরুষরাও সব কাজ শিখবেন, এটা রাসূলের সুন্নাহ। যখন স্ত্রী অসুস্থ থাকবে, বা পিরিয়ড এর প্রথম দুই একদিন আপনি স্বেচ্ছায় কাজ করবেন। স্বামী-স্ত্রী একে অপরের জন্য। দুজন মিলে কিভাবে ভালো থাকা যায়, সুন্দরভাবে বাঁচা যায় সেই চেষ্টা করবেন। ভালোবাসলে কখনো পার্টনারের কষ্টে দূরে থাকা যায়? আর একবার দুজন দুজনের কথা ভেবে দেখুন, কেয়ার করে দেখুন পার্টনারকে, জীবনে আর কিচ্ছু লাগবে না। পার্টনার মনের মত হলে তার থেকে একদিনও দূরে থাকতে চাইবেন না, বাপের বাড়ি হাসফাস লাগবে, ক্যাম্পাসে একা লাগবে, বন্ধুদের সাথে ট্যুরে তাকে মিস করবেন, পারবেন না, একদিনও পারবেন না, আপনার সবটা জুড়ে থাকবে সে। ইসলাম মানুন, সুন্নাহ মেনে চলুন, জীবন কত সুন্দর হয়ে যাবে ভাবতেও পারবেন না।

| দাম্পত্যের সেকাল একাল |
- ফৌজিয়া তাবাসসুম মিম্মা

যারা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বা কলেজে পড়ছেন, তারা অবশ্যই সাক্ষ্য দিবেন যে অধিকাংশ যুবক-যুবতীদের আলোচনার মূল টপিক বিপরীত ল...
17/07/2022

যারা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বা কলেজে পড়ছেন, তারা অবশ্যই সাক্ষ্য দিবেন যে অধিকাংশ যুবক-যুবতীদের আলোচনার মূল টপিক বিপরীত লিঙ্গের মানুষদের নিয়ে। যারা হারাম প্রেম করছে তারা হারামের অশান্তিতে ডুবে সময় পার করছে, আর যারা প্রেম করতে পারছে না, তারা হতাশায় ডুবে সময় পার করছে। আর যারা দ্বীন প্রেক্টিস করছে তারাও অনেক কষ্ট করেই নিজেকে সংযত রাখছে।

মানুষ যখন তার স্বাভাবিক কার্যক্রলাপকে নিয়ন্ত্রন করে তখন তার প্রোডাক্টিভিটি কমে যায়। বিপরীত মানুষের প্রতি আকর্ষন বা চাহিদা আল্লাহ'র সৃষ্টি। সেটাকে বৈধভাবে গ্রহণ করার ব্যবস্থাও আল্লাহ দিয়েছেন, যাকে বিবাহ বলে। বাংলাদেশের যুবকযুবতীদের প্রোডাক্টিভিটি আর সময় নষ্টের পিছনে অনেক কারনের মাঝে একটি বড় কারণ হলো এই হারাম সম্পর্কের পিছনে সময় অপচয় করা। যদি তারা বিবাহিত হয় তাহলে এই আজেবাজে চিন্তার সময় পাবে না, ফলে দায়িত্ববোধ থেকেই প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধি পাবে। পড়াশোনাও ভাল হবে, পাশাপাশি কর্মদক্ষতাও বৃদ্ধি পাবে ইন শা আল্লাহ।

আপনার সন্তানের জন্য অনেক টাকা খরচ করে পড়াশোনা করাচ্ছেন, দামি মোবাইল লেপটপ কিনে দিচ্ছেন। তার চরিত্র বাঁচানোর জন্য যদি ২-৩ বছরের জন্য তার স্ত্রীর ভরণপোষনে কিছুটা খরচ করেন , তার বিনিময়ে হয়ত অনেক ক্ষতি থেকে বেঁচে যাবে।

অর্ধেকদ্বীন ডটকম স্টুডেন্ট বিবাহের সর্বোচ্চ সাপোর্ট করে। অভিভাবকের সাথে লজ্জা ভেঙে কথা বলে বায়োডাটা জমা দিয়ে এর মাঝেই ২৫+ স্টুডেন্ট পাত্র বিবাহ সম্পন্ন করেছে মা শা আল্লাহ। আপনিও পারবেন, তবে সৎ সাহস দেখাতেই হবে। স্রোতের বিপরীতে সাতার কাটা একটু কঠিনই বটে!

ছবি ক্রেডিট - ইসলামে বিয়ে সহজ

20/05/2022
আমিন!
13/05/2022

আমিন!

জেনে রেখো, আল্লাহর স্বরন দ্বারাই অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে। (সূরা রা'দ:২৮)
11/05/2022

জেনে রেখো, আল্লাহর স্বরন দ্বারাই অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে। (সূরা রা'দ:২৮)

04/05/2020

আপনি_কি_জানেন_কেন আমরা আমাদের প্রতি ওয়াক্ত নামাজে আত্তাহিয়াতু পড়ি?
 আত্তাহিয়াতু আসলেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি দোয়া। এই দোয়াটার পিছনের গল্পটা জানার পর সত্যি আমার হৃদয়টা অনেক কোমল হয়ে গেছে!
 আত্তাহিয়াতু আসলে, আল্লাহর সাথে আমাদের মহানবী (সঃ) কথোপকথন একটা অংশ।
 যা আমাদের মহানবী ইসরাউল মিরাজ যাত্রার সময় হয়েছে মহান আল্লাহর সাথে!
 মহানবী (সঃ) যখন আল্লাহর সাথে কথোপকথন শুরু করে তখন আল্লাহকে আসসালামু আলাইকুম বলেননি !
তাহলে কি বলেছিল?
 কারন আমরা মহান আল্লাহকে বলতে পারব না। আল্লাহ আপনার উপর শান্তি নাজিল হউক ! কারন আল্লাহ নিজেই একমাত্র পৃথিবীর সকল শান্তির এবং রহমতের উৎপত্তিস্থল !
মহানবী (সঃ)
আল্লাহকে উদেশ্য করে বলেছিলেনঃ-
আত্তাহিইয়া-তু লিল্লা-হি ওয়াছ ছালাওয়া - তু ওয়াত্ ত্বাইয়িবা -তু
অর্থ:-যাবতীয় সম্মান , যাবতীয় উপাসনা ও যাবতীয় পবিত্র বিষয় আল্লাহর জন্য ৷
উওরে মহান আল্লাহ বলেনঃ-
আসসালা - মু ' আলায়কা আইয়ুহান নাবিইয়ু ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া- বারাকাতুহু
অর্থঃ- হে নবী ! আপনার উপরে শান্তি বর্ষিত হউক এবং আল্লাহর অনুগ্রহ ও সমৃদ্ধি সমূহ নাযিল হউক ।
এতে মহানবী বলেনঃ-
আসসালা - মু আলায়না ওয়া আলা ইবা - দিল্লা - হিছ ছা - লেহীন
অর্থঃ-আল্লাহর সমৃদ্ধি শান্তি বর্ষিত হউক আমাদের উপরে ও আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাগণের উপরে।
মহান আল্লাহ এবং মহানবীর এই কথোপকথন শুনে ফেরেস্তারা বলেনঃ-আশহাদু আল লা - ইলা - হা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আনণা মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু ।
অর্থঃ-আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে , আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে , মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার বান্দা ও রাসূল '।
সুবহানাল্লাহ,

04/05/2020

👉এক মহিলার বাড়ীতে স্বামী সন্তান কেউ ছিল না।
এমন এক বাড়ীতে ইমাম সাহেব তার অবুঝ সন্তান নিয়ে
দাওয়াত খাইতে গেল।
👉মহিলা ছিল পর্দানশীল। দুটি রুমের মাঝখানে ছিল
একটি দরজা। দরজাটিও ছিল পর্দা লাগানো। পর্দার
একপাশ থেকে একটা একটা খাবার মহিলাটি ঠেলে
দিল, ইমাম সাহেব অপর পাশ থেকে তৃপ্তি সহকারে
সন্তানকে নিয়ে খাওয়া দাওয়া করলো।
👉খাবার শেষে সন্তান তার বাবাকে বলল, বাবা এরকম
একটা পর্দা আমাদের বাড়ীতে লাগিয়ে দিবা।!।
বাবা বলল, কেন???
সন্তান বলল, বাবা দেখলা না পর্দায় মজার মজার
খাবার দেয়!!!
👉বাবা বলল, আরে বোকা পর্দায় খাবার দেয় না, পর্দার
আড়ালে কেউ আছে সে খাবার দেয়।!।
ঐ অবুঝ বালকের মতই আমরা অনেকেই ভাবি, জমি
আমাদের খাবার দেয়, চাকরী ব্যবসা আমাদের ইনকাম
দেয়, অসুস্থতায় ডাক্তার আমাদের সুস্থ করে তোলে, দক্ষ ড্রাইভার আমাদের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করে।
আসলে জমি, চাকরী, ব্যবসা, ডাক্তার এসব কিছু হচ্ছে
পর্দা, এই পর্দার আড়ালে সবকিছুর নিয়ন্ত্রক মহান
আল্লাহ আছেন যিনিই সবকিছু নিয়ন্ত্রন করে থাকেন!

Address

কোম্পানিগঞ্জ
নোয়াখালী
বসুরহাট

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Poth - ইসলামিক পথ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share